সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
বিশ্ব

ইতালিতে ৪.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও ট্রেন চলাচল বন্ধ

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ৩১, ২০২৬ ২২:৪
নেপলসে ভূমিকম্পের পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা। ছবি: সংগৃহীত
নেপলসে ভূমিকম্পের পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা। ছবি: সংগৃহীত

ইতালির দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর নেপলসের উপকণ্ঠে ৪ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪৬ মিনিটে (১৭:৪৬ জিএমটি) এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এতে নেপলস ও আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হয়, সাময়িকভাবে ট্রেন ও মেট্রো চলাচল বন্ধ রাখা হয় এবং কয়েকটি ভবনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির তথ্য পাওয়া যায়নি। এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

 

ইতালির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব জিওফিজিক্স অ্যান্ড ভলক্যানোলজি (আইএনজিভি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল নেপলসের পশ্চিমে অবস্থিত কাম্পি ফ্লেগ্রেই আগ্নেয়গিরি অঞ্চল। ভূগর্ভের মাত্র ৩ কিলোমিটার গভীরে এর কেন্দ্রস্থল হওয়ায় কম্পনটি বেশ তীব্রভাবে অনুভূত হয়।

 

ইতালীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই অঞ্চলে রেকর্ড হওয়া সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। কম্পন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আতঙ্কিত মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতেও বাসিন্দাদের আতঙ্কিত অবস্থায় বাইরে জড়ো হতে দেখা গেছে।

 

ইতালির ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, কয়েকটি ভবনে ফাটল ও অন্যান্য ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেলেও এখন পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া কাউকে উদ্ধারের জন্য জরুরি সহায়তার আবেদন আসেনি। স্থানীয় প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন এবং ভবনগুলোর নিরাপত্তা যাচাইয়ের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

 

ভূমিকম্পের পর নিরাপত্তার স্বার্থে নেপলসের কিছু রেলপথ ও মেট্রো পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। পাশাপাশি কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহও বিঘ্নিত হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ধাপে ধাপে সেবা চালু করার উদ্যোগ নেয় কর্তৃপক্ষ।

 

কাম্পি ফ্লেগ্রেই ইউরোপের সবচেয়ে সক্রিয় আগ্নেয়গিরি অঞ্চলগুলোর একটি এবং এটি একটি সুপারভলকানো হিসেবে পরিচিত। গত কয়েক বছরে সেখানে ভূকম্পন ও ভূত্বকের অস্বাভাবিক নড়াচড়া উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এ কারণে ইতালির ভূতাত্ত্বিক ও দুর্যোগ পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরেই এলাকাটিকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছে।

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অঞ্চলে ছোট মাত্রার ভূমিকম্প প্রায়ই ঘটে। তবে এবারের মতো শক্তিশালী কম্পন স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ১৯৮০-এর দশকের শুরুর দিকের ভূমিকম্পের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। সে সময়ের ধারাবাহিক ভূকম্পনের কারণে হাজার হাজার মানুষকে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে হয়েছিল।

 

ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ হিসেবে ইতালির অতীতেও ভয়াবহ অভিজ্ঞতা রয়েছে। ২০১৬ সালে মধ্য ইতালিতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রায় ৩০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। এরও আগে ১৯৮০ সালে দক্ষিণাঞ্চলের এরপিনিয়া অঞ্চলে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রায় ২ হাজার ৭০০ মানুষ নিহত হন এবং শত শত শহর ও গ্রাম ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বিশ্ব

View more
মক্কায় ড্রোন হামলার চেষ্টা ‘কালো অধ্যায়’ হয়ে থাকবে
মক্কায় ড্রোন হামলার চেষ্টা ‘কালো অধ্যায়’ হয়ে থাকবে: সৌদি আরব

সৌদি আরবের মক্কা নগরীর আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীর ছোড়া একটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মক্কার দক্ষিণে ড্রোনটি শনাক্ত করে সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে বলে বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, জানানো হয়েছে। ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে।    সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানান, ১৫ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে ড্রোনটি মক্কার দক্ষিণে শনাক্ত করা হয়। সেটি পবিত্র নগরীর জন্য নির্ধারিত নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী তা ভূপাতিত করে। ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ শহরের দক্ষিণে পড়ে বলে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।    আল-মালিকি এই ঘটনাকে মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, এর আগে ২০১৭ সালের জুলাইয়ে মক্কার দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল। তিনি পবিত্র দুই মসজিদ ও ওমরাহ ও হজযাত্রীদের নিরাপত্তাকে সৌদি আরবের জন্য ‘রেড লাইন’ হিসেবে উল্লেখ করে ভবিষ্যৎ হামলা ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।    তবে হুতি গোষ্ঠী মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন পাঠানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে। গোষ্ঠীটির পক্ষ থেকে সৌদি দাবিকে মিথ্যা প্রচারণা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে ড্রোনটির প্রকৃত লক্ষ্য কী ছিল, তা নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে।    ঘটনার পর সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়। মক্কার পাশাপাশি জেদ্দা, তাইফসহ কয়েকটি এলাকাও সতর্কতার আওতায় ছিল। এর আগে হুতিদের বিরুদ্ধে সৌদি ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ ওঠে। সৌদি জোটের দাবি, খামিস মুশাইত, আভা ও তাইফ এলাকায় সাম্প্রতিক হামলায় ১৩ জন বেসামরিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন এবং কয়েকটি বাড়ি ও যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।    মক্কা ইসলামের সবচেয়ে পবিত্র নগরী এবং প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মুসলমান হজ ও ওমরাহ পালনের জন্য সেখানে যান। তাই নগরীর আকাশসীমার কাছাকাছি এমন কোনো সামরিক ঘটনা সৌদি আরবের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি করে। একই সময়ে ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূল ও বাব আল-মান্দাবের আশপাশে হুতিদের সামরিক তৎপরতা বাড়ায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক নৌ চলাচল নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।    ২০১৪ সালে হুতিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা ও দেশের বিভিন্ন অংশের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর দেশটিতে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত শুরু হয়। ২০১৫ সালে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দিয়ে সামরিক হস্তক্ষেপ করে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সংঘাত আবার তীব্র হওয়ায় সৌদি আরবের ভূখণ্ডে হামলা এবং ইয়েমেনে পাল্টা সামরিক অভিযানের ঘটনা বেড়েছে।    মক্কার কাছে ড্রোন ভূপাতিতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা ওআইসিও নিন্দা জানিয়েছে। সংস্থাটি পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা এবং সৌদি আরবের বেসামরিক মানুষের সুরক্ষার ওপর জোর দিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ইয়েমেনের সংঘাত শুধু দুই পক্ষের সামরিক লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে পবিত্র নগরী ও গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতেও প্রভাব ফেলছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ ৩:৩০
৩১ বছরের জেমি বিটন বিশ্বের সবচেয়ে শিক্ষিত ব্যক্তি

হার্ভার্ড, থেকে অক্সফোর্ড, ৩১ বছরের জেমি বিটন বিশ্বের সবচেয়ে শিক্ষিত ব্যক্তি

পাকিস্তানে ‘ফুল ফান্ডেড’ বৃত্তি নিয়ে বিপাকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা

পাকিস্তানে ‘ফুল ফান্ডেড’ বৃত্তি নিয়ে বিপাকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা, দিচ্ছে না বৃত্তির অর্থ

মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের ড্রোন

মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের ড্রোন, আকাশেই ধ্বংস করল সৌদি প্রতিরক্ষা

প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে পাওয়া গেল বিপুল পরিমাণে সোনা-রুপার উচ্চ ঘনত্বের খনিজভান্ডার
প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে পাওয়া গেল বিপুল পরিমাণে সোনা-রুপার উচ্চ ঘনত্বের খনিজভান্ডার

পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের গভীর সমুদ্রতলে বিপুল পরিমাণ সোনা ও রুপার উপস্থিতি থাকা একটি বড় খনিজভান্ডারের সন্ধান পেয়েছেন চীনা গবেষকেরা। চীনের অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে পরিচালিত ১৮ দিনের এক সমুদ্র অভিযানে উচ্চ তাপমাত্রার হাইড্রোথার্মাল এলাকায় এই খনিজভান্ডারের সন্ধান মেলে।   চীনের সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়, চিংদাও ইনস্টিটিউট অব মেরিন জিওলজি, সাংহাই জিয়াও থং বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের গবেষকেরা যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করেন। গবেষণা জাহাজ শিয়াং ইয়াং হং ১০ গত ১০ আগস্ট শেনজেন থেকে যাত্রা করে। অভিযানের সময় গবেষকেরা সাবমার্সিবল ব্যবহার করে সমুদ্রতলে সাতবার ডুব দেন।   গবেষকদের প্রাথমিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সমুদ্রতল থেকে সংগ্রহ করা কিছু আকরিকের প্রতি টনে সর্বোচ্চ ১৫ দশমিক ৪ গ্রাম সোনা এবং ১ হাজার ২৭১ গ্রাম পর্যন্ত রুপা রয়েছে। গবেষকেরা বলছেন, কিছু নমুনায় সোনা ও রুপার ঘনত্ব স্থলভাগের অনেক খনিজভান্ডারের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি পাওয়া গেছে। তবে এগুলো প্রাথমিক নমুনা বিশ্লেষণের ফল এবং পুরো এলাকার মোট মজুত নির্ধারণে আরও গবেষণা প্রয়োজন।   অভিযানে সমুদ্রতলে শঙ্কু আকৃতির তিনটি বড় খনিজ স্তর শনাক্ত করা হয়েছে। এগুলো মূলত হাইড্রোথার্মাল তরল থেকে তৈরি সালফাইডের স্তর। এ ধরনের খনিজভান্ডারে সাধারণত তামা, দস্তা ও সিসার পাশাপাশি সোনা ও রুপা পাওয়া যায়। নতুন আবিষ্কৃত এলাকায় এসব ধাতুর সম্ভাব্য উপস্থিতি নিয়ে গবেষকেরা আরও বিস্তারিত অনুসন্ধান চালাচ্ছেন।   চীনা গবেষকদের দাবি, পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের ওই ব্যাক-আর্ক অববাহিকায় থাকা পলিমেটালিক সালফাইডের সম্ভাব্য মজুত বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রতলীয় খনিজভান্ডারের পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। গবেষণা দলের বিজ্ঞানী সং শিজির মতে, আবিষ্কৃত বিশাল সমুদ্রতলীয় খনিজ এলাকার অর্থনৈতিক মূল্য উল্লেখযোগ্য হতে পারে।   তবে এই আবিষ্কারকে এখনই বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলনযোগ্য সোনার খনি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। সমুদ্রের গভীর তলদেশ থেকে খনিজ উত্তোলন প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত জটিল। একই সঙ্গে গভীর সমুদ্রে খনন কার্যক্রমের পরিবেশগত প্রভাব নিয়েও আন্তর্জাতিকভাবে বিতর্ক রয়েছে। সমুদ্রতলের এসব এলাকায় বিশেষ ধরনের সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য থাকায় ভবিষ্যতে খনন শুরু হলে পরিবেশের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন হবে।   চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, খনিজভান্ডারটি চীনের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত। তবে এর সুনির্দিষ্ট অবস্থান প্রকাশ করা হয়নি। গবেষকদের এই আবিষ্কার গভীর সমুদ্রের খনিজসম্পদ নিয়ে বৈশ্বিক আগ্রহ আরও বাড়াতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ ১:১৩
ঘুমের গভীরতা ও মান যাচাই করে বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে জাপানের এই ব্যতিক্রমী প্রতিযোগিতায়। ছবি: সংগৃহীত

জাপানে ঘুমের প্রতিযোগিতা, ৯০ মিনিট ঘুমিয়ে জেতা যাবে প্রায় ১৬ লাখ টাকা

তুরস্কের মারদিনে ইসলাম গ্রহণের পর দক্ষিণ কোরীয় পর্যটক শায়েভন, যিনি ‘আবদুল্লাহ’ নাম গ্রহণ করেছেন। ছবি: সংগৃহীত

তুরস্ক ভ্রমণে এসে ইসলাম গ্রহণ করলেন দক্ষিণ কোরীয় পর্যটক, নিলেন ‘আবদুল্লাহ’ নাম

তুরস্কের আঙ্কারায় এলজিবিটিকিউ অধিকারকর্মীদের বিক্ষোভ থেকে কয়েকজনকে আটক করছে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

তুরস্কে এলজিবিটিকিউ অধিকারকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযান, গ্রেপ্তার কয়েক ডজন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণের দাবিকে খাটো করে দেখিয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত
মানবসভ্যতার ঝুঁকি তুলে এআই নিয়ন্ত্রণের আহ্বান জাতিসংঘের, আপত্তি ট্রাম্প-চীনের

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত অগ্রগতিকে মানবতার জন্য নজিরবিহীন ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করে এর উন্নয়ন ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক দেশগুলো ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থার বিকাশ নিয়ন্ত্রণে বহুপক্ষীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে জাতিসংঘের এই সতর্কতার বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে সাম্প্রতিক উদ্বেগ ও নিয়ন্ত্রণের দাবিকে খাটো করে দেখিয়েছে।   দেশ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্দেশে পাঠানো এক চিঠিতে ভলকার তুর্ক সতর্ক করে বলেন, বিশ্ব এমন এক পরিবর্তনের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে, যার প্রভাব শুধু বর্তমান প্রজন্মের ওপর নয়, মানবতার পরবর্তী প্রজন্মগুলোর ওপরও পড়তে পারে। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্রমবর্ধমান সক্ষমতাকে কেন্দ্র করে চলমান প্রতিযোগিতাকে মানবজীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অস্তিত্বগত ঝুঁকি বাড়ানোর একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।   তুর্ক উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে জরুরি ভিত্তিতে আন্তর্জাতিকভাবে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মতে, উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণের পথ নির্ধারণে দেশ ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার মাধ্যমে কাজ করতে হবে। এই নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের ভিত্তিতে তৈরি করার ওপরও তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন।   কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্ভাব্য ক্ষতি নিয়ে উদ্বেগ গত সপ্তাহে আরও বেড়ে যায়। অ্যানথ্রপিকের দুই গবেষক সতর্ক করেছিলেন, দ্রুত অগ্রসর হওয়া এই প্রযুক্তি খুব দূরবর্তী ভবিষ্যতে মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে। এর পর অ্যানথ্রপিকের প্রধান দারিও আমোদেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়নের গতি কমানোর আহ্বান জানান। তিনি প্রযুক্তির সক্ষমতা বৃদ্ধির গতি কমিয়ে সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলার জন্য আরও সময় তৈরির একটি কাঠামোও তুলে ধরেন।   আমোদেইয়ের আহ্বান বড় কয়েকটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ ব্যক্তিদের সমর্থন পেয়েছে। ইলন মাস্ক এবং ওপেনএআইয়ের প্রধান স্যাম অল্টম্যানও তাঁর প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। আমোদেই বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেলগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর গতি কমানো প্রয়োজন, যাতে সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলার জন্য আরও সময় পাওয়া যায়।   তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর আরও নিয়ন্ত্রণ আরোপের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হওয়া উদ্বেগকে ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইতোমধ্যেই যথেষ্ট আইনগত ও নিয়ন্ত্রক ক্ষমতা রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উন্নয়নের গতি কমিয়ে দিলে চীন সুবিধা পেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন।   ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে শক্তিশালী ও বুদ্ধিমান নেতৃত্বই যথেষ্ট। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও তথ্যকেন্দ্রগুলোর বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্র চলছে বলেও অভিযোগ করেন। অ্যানথ্রপিকের প্রধান আমোদেইয়ের প্রস্তাব নিয়েও তিনি সমালোচনা করেন এবং তাঁর প্রশাসন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্ভাব্য ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড ঠেকাতে পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানান।   চীনও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে সাম্প্রতিক হুমকির বয়ানকে সমর্থন করেনি। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পরিচালনা নিয়ে হুমকি, সংঘাত ও ক্ষতিকর প্রতিযোগিতার বয়ানের সমালোচনা করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এ ধরনের বয়ান বৈশ্বিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পরিচালনার প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করবে এবং কারও স্বার্থ রক্ষা করবে না।   চীনের পক্ষ থেকে সব দেশ ও সংশ্লিষ্ট পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। গুও জিয়াকুনের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অগ্রগতি এমনভাবে হওয়া উচিত, যাতে এটি উন্মুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক, সবার জন্য উপকারী এবং মানবকল্যাণমুখী থাকে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তৈরি ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নীতি ও প্রযুক্তি খাতের বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্যও রয়েছে।   চীনের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তামন্ত্রী চেন ইশিন রোববার সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল চীনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অবকাঠামোর জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। একই সময়ে চীনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্মাতারা উন্মুক্ত ওজনের মডেল ব্যবহারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তাদের বক্তব্য, এ ধরনের মডেল সাইবার নিরাপত্তা দলগুলো পরীক্ষা, পরিবর্তন এবং প্রতিরক্ষামূলক কাজে ব্যবহার করতে পারে।   জুলাইয়ে সাংহাইয়ে অনুষ্ঠিত বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি প্রযুক্তিটির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ঝুঁকির দিকে বিশেষ নজর দেওয়ার কথা বলেন। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে সবসময় মানুষের নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখা উচিত।   এদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্ভাব্য হুমকি নিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদেও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। আগামী সপ্তাহে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার হুমকি নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক হতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। জাতিসংঘের সতর্কতা, ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণবিরোধী অবস্থান এবং চীনের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ পরিচালনা নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মতপার্থক্য আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।   সূত্র: দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ ১২:৫৫
দীর্ঘায়ুর রেকর্ড জাপানে, শতবর্ষী মানুষের সংখ্যা পেরোল ১ লাখ

দীর্ঘায়ুর রেকর্ড জাপানে, শতবর্ষী মানুষের সংখ্যা পেরোল ১ লাখ - ৮৮ শতাংশই নারী

১৮ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে শেখ হাসিনার সঙ্গে বসছেন আওয়ামী লীগের ২১ নেতা

১৮ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে শেখ হাসিনার সঙ্গে বসছেন আওয়ামী লীগের ২১ নেতা

সাবেক প্রেমিকের অ্যাসিড হামলায় মুখ পুড়েছিল

সাবেক প্রেমিকের অ্যাসিড হামলায় মুখ পুড়েছিল, শেষ পর্যন্ত তাকেই বিয়ে করলেন নারী

0 Comments