সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
রাজনীতি

‘নতুন ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চাইলে সংসদ থেকে বিদায় করব’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ ১৩:৫৮
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ছবি:সংগৃহীত
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ছবি:সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সরকারের বিভিন্ন আইন ও নিরাপত্তা কাঠামোর কঠোর সমালোচনা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, গণতন্ত্রের নামে দেশে নতুন করে স্বৈরাচারী কাঠামো তৈরি করা হলে তার বিরুদ্ধে সংসদ ও রাজপথ—দুই জায়গাতেই রাজনৈতিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

 

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে এনসিপি আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। কর্মসূচিটি সরকারের মানবাধিকারবিষয়ক আইন, বিরোধী মত দমন এবং নাগরিকের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার অভিযোগের প্রতিবাদে আয়োজন করা হয়।

 

মানববন্ধনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিশেষভাবে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন এবং প্রস্তাবিত সাইবার সিকিউরিটি আইন নিয়ে আপত্তি তোলেন। তাঁর বক্তব্য, নাগরিকদের নিরাপত্তার জন্য আইন প্রয়োজন হলেও সেই আইনের প্রয়োগকারী সংস্থার জবাবদিহি, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমান আইনি কাঠামোয় এসব বিষয় যথেষ্টভাবে নিশ্চিত করা হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।

 

গুমসংক্রান্ত আইনের সমালোচনা করে পাটওয়ারী বলেন, গুমের অভিযোগের তদন্তে এমন ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যেখানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন ওঠার সুযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের জন্য স্বাধীন ও কার্যকর প্রতিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

 

বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে এনসিপির এই নেতা অভিযোগ করেন, সংসদে বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকার সুযোগ নিয়ে এমন আইন তৈরি করা হচ্ছে, যা নাগরিক অধিকার সংকুচিত করতে পারে। তাঁর ভাষায়, সরকার ‘গণতন্ত্রের নামে নতুন স্বৈরাচারী কাঠামো’ তৈরি করছে। এটি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর রাজনৈতিক অভিযোগ; সরকারের অবস্থান এই প্রতিবেদনে পাওয়া উৎসগুলোতে অন্তর্ভুক্ত নেই।

 

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের প্রয়োজনীয় সংশোধন করতে হবে। একই সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তাসংক্রান্ত আইন এমনভাবে প্রণয়ন করতে হবে, যাতে নাগরিকের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত থাকে এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার জবাবদিহি নিশ্চিত হয়। এসব প্রশ্নের সমাধান সংসদে না হলে রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে ফয়সালা করার কথাও বলেন তিনি।

 

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করে নতুন নামে বিশেষ বাহিনী গঠনের বিষয়েও আপত্তি জানান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তাঁর দাবি, শুধু বাহিনীর নাম পরিবর্তন করলে অতীতের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগগুলোর সমাধান হবে না। বরং যেসব ঘটনায় গুম, হত্যা বা অন্যান্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে, সেগুলোর তদন্ত, দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

 

নতুন নিরাপত্তা বাহিনী গঠনের প্রয়োজন হলে তা সংসদে আলোচনা এবং যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে করার দাবি জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, পুরোনো কাঠামোকে কেবল নতুন নামে ফিরিয়ে আনা গ্রহণযোগ্য হবে না।

 

কেন এনসিপি সংসদের পাশাপাশি রাজপথে কর্মসূচি পালন করছে, তার ব্যাখ্যাও দেন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, তাঁর দল সংসদে প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং কালো কাপড় বেঁধেও প্রতিবাদ করেছে। কিন্তু তাদের বক্তব্য বিবেচনায় নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। এ কারণেই তারা রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান।

 

দেশে ভবিষ্যতে কেউ যেন গুমের শিকার না হন, সেই দাবি জানিয়ে তিনি বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ ও নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর প্রসঙ্গও টানেন। অতীতের মতো ঘটনা যাতে আর না ঘটে, সে জন্য আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক নিশ্চয়তার ওপর গুরুত্ব দেন এনসিপির এই নেতা।

 

বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্দেশেও রাজনৈতিক বার্তা দেন পাটওয়ারী। তিনি তাঁকে গণতান্ত্রিক পথে থাকার আহ্বান জানান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলের পথ অনুসরণ না করার কথা বলেন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পরিসরেও বাংলাদেশের মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন।

 

মানববন্ধন থেকে এনসিপি গুমসংক্রান্ত আইন সংশোধন, সাইবার নিরাপত্তা আইনে নাগরিক অধিকার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর কাঠামো নিয়ে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার দাবি জানিয়েছে। এসব দাবি সংসদীয় প্রক্রিয়ায় সমাধান না হলে রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

রাজনীতি

View more
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আবু মূসা
মিশিগানের হ্যামট্রাম্যাকে ভারপ্রাপ্ত মেয়র হিসেবে শপথ নিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আবু মূসা

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের হ্যামট্রাম্যাক সিটিতে ভারপ্রাপ্ত মেয়র হিসেবে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাউন্সিল সদস্য আবু আহমদ মুসার শপথ নেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে শহরের ৩১তম ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে তাঁর শপথ গ্রহণের কথা জানানো হয়েছে। তবে সিটি প্রশাসন বা আদালতের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা থেকে শপথ গ্রহণের বিষয়টি এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।   প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, হ্যামট্রাম্যাকের ৩১তম ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারক অ্যালেক্সিস ক্রট তাঁর চেম্বারে আবু আহমদ মুসাকে শপথবাক্য পাঠ করান। শহরের মেয়র নির্বাচন ঘিরে প্রায় এক বছর ধরে চলা আইনি জটিলতার মধ্যেই এই দায়িত্ব পরিবর্তনের খবর সামনে এসেছে।   আবু আহমদ মুসা হ্যামট্রাম্যাক সিটি কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্য। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি মেয়র প্রো টেম হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হ্যামট্রাম্যাক রিভিউ গত ১৬ অক্টোবর জানিয়েছিল, মেয়র নির্বাচন নিয়ে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিতে মুসা ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব পালন করবেন। তবে পরবর্তী সময়ে সিটি প্রশাসন জানায়, আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত অ্যাডাম আলহারবি মেয়র হিসেবে বহাল থাকবেন।   হ্যামট্রাম্যাকের মেয়র পদ নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত ২০২৫ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচন থেকে। ওই নির্বাচনে অ্যাডাম আলহারবিকে প্রথমে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। কিন্তু গণনার বাইরে থাকা ৩৭টি অ্যাবসেন্টি ব্যালট নিয়ে আদালতে মামলা করেন তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মুহিত মাহমুদ।   দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর গত ১৬ অক্টোবর ওয়েইন কাউন্টি বোর্ড অব ক্যানভাসার্স বিতর্কিত ব্যালটগুলো গণনা করে। নতুন গণনায় মুহিত মাহমুদ পান ২ হাজার ৮৯ ভোট এবং অ্যাডাম আলহারবি পান ২ হাজার ৭৭ ভোট। অর্থাৎ ১২ ভোটে এগিয়ে যান মাহমুদ। তবে তাঁর হ্যামট্রাম্যাকে বসবাসের যোগ্যতা নিয়ে আইনি বিরোধ থাকায় ফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যয়ন করা সম্ভব হয়নি।   সর্বশেষ গত ৩০ অক্টোবর ওয়েইন কাউন্টি সার্কিট কোর্টের বিচারক ক্যাথলিন ম্যাকার্থি মুহিত মাহমুদের পক্ষে রায় দেন। আদালত তাঁর বসবাসের যোগ্যতা বহাল রাখেন এবং বিতর্কিত ব্যালটসহ নির্বাচনের ফল প্রত্যয়নের নির্দেশ দেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে মাহমুদের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পথে গুরুত্বপূর্ণ আইনি বাধা দূর হয়।   হ্যামট্রাম্যাক সিটির নিয়ম অনুযায়ী, মেয়রের অনুপস্থিতিতে মেয়র প্রো টেম দায়িত্ব পালন করতে পারেন। তবে সিটির সরকারি ওয়েবসাইটে সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আবু আহমদ মুসাকে কাউন্সিল সদস্য এবং মোহাম্মদ হাসানকে মেয়র প্রো টেম হিসেবে দেখানো হচ্ছে। ফলে সোমবারের কথিত শপথের পর মুসার আনুষ্ঠানিক পদমর্যাদা ও দায়িত্বের মেয়াদ সম্পর্কে সিটির নতুন ঘোষণা প্রয়োজন।   মিশিগানের ডেট্রয়েট শহরের পাশেই অবস্থিত হ্যামট্রাম্যাক। শহরটিতে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মানুষের বসবাস রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচনী রাজনীতিতেও বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। আবু মুসার ভারপ্রাপ্ত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের খবর নিশ্চিত হলে তা শহরটির বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য একটি উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক ঘটনা হবে।

প্রকাশ: নভেম্বর ২, ২০২৬ ১৮:২৪
সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অনিশ্চয়তা

যুক্তরাষ্ট্রের সাত গুরুত্বপূর্ণ স্টেইটে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা, সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অনিশ্চয়তা

৫ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা পাচ্ছেন কৃষকরা, প্রতিশ্রুতি ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের আগেই ১৫ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা পাচ্ছেন কৃষকরা, প্রতিশ্রুতি ট্রাম্পের

আবদুল এল-সায়েদ ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

আবদুল এল-সায়েদকে ভোট দিলে আপনারা ‘পাগল’, কৃষ্ণাঙ্গ ও ইহুদিদের সতর্ক বললেন ট্রাম্প

আবদুল এল-সায়েদকে ভোট দিলে আপনারা ‘পাগল’, কৃষ্ণাঙ্গ ও ইহুদিদের সতর্ক বললেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সিনেট প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদকে ভোট দেওয়ার বিষয়ে কৃষ্ণাঙ্গ ও ইহুদি ভোটারদের উদ্দেশে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, কোনো কৃষ্ণাঙ্গ বা ইহুদি ভোটার এল-সায়েদকে ভোট দিলে তাঁকে পাগল বলতে হবে। এর পরপরই তিনি মন্তব্য করেন, তাঁরা এমনিতেই পাগল। আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র কয়েক দিন আগে ট্রাম্পের এমন বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে সমালোচনা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দক্ষিণ ক্যারোলিনার রক হিলে রিপাবলিকান পার্টির এক নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প এসব কথা বলেন। সমাবেশে স্থানীয় রিপাবলিকান প্রার্থীদের পক্ষে প্রচার চালাতে গিয়ে তিনি মিশিগানের আলোচিত সিনেট নির্বাচন প্রসঙ্গে কথা তোলেন। সেখানে ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদের রাজনৈতিক অবস্থানের সমালোচনা করার পাশাপাশি তাঁকে সমর্থন করতে পারেন এমন ভোটারদেরও আক্রমণ করেন।   সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, ‘আপনি যদি কৃষ্ণাঙ্গ বা ইহুদি হন এবং আবদুলকে ভোট দেন, তাহলে আপনি পাগল।’ এরপর তিনি আবার বলেন, ‘আপনারা এমনিতেই পাগল।’ তাঁর এই বক্তব্যে উপস্থিত সমর্থকদের একাংশ হাততালি দেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস ও দ্য গ্রিওর প্রতিবেদনে ট্রাম্পের এসব মন্তব্য উঠে এসেছে। শুধু ভোটারদের নিয়ে মন্তব্য করেই থেমে থাকেননি ট্রাম্প। আবদুল এল-সায়েদের বিরুদ্ধে মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগও তোলেন তিনি। তবে অভিযোগের পক্ষে নতুন কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি। এল-সায়েদ এর আগেও মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে নিজের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগকে নির্বাচনী প্রচারে রাজনৈতিক আক্রমণের অংশ হিসেবে দেখছেন সমালোচকেরা।   মিশিগানের সিনেট নির্বাচনে আবদুল এল-সায়েদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্স। সাবেক কংগ্রেসম্যান রজার্সকে সমর্থন করছেন ট্রাম্প। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে কংগ্রেসওম্যান হ্যালি স্টিভেনসকে পরাজিত করে দলের মনোনয়ন পেয়েছেন এল-সায়েদ। নির্বাচনের শেষ সময়ে দুই প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হয়ে উঠেছে। সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখা বা পরিবর্তনের হিসাবেও মিশিগানের আসনটি গুরুত্বপূর্ণ। আবদুল এল-সায়েদ একজন চিকিৎসক, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং ডেট্রয়েটের সাবেক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় কমানো, সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ বাড়ানো এবং জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান খরচের মতো বিষয়গুলো তাঁর নির্বাচনী প্রচারে গুরুত্ব পাচ্ছে। নির্বাচিত হলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম সিনেটর হতে পারেন। তাঁর মুসলিম পরিচয় এবং মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে রাজনৈতিক অবস্থানও নির্বাচনী প্রচারে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।   ট্রাম্পের মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা। উদারপন্থী রাজনৈতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান আমেরিকান ব্রিজ টোয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরির মুখপাত্র ব্র্যান্ডন ওয়েদার্সবি অভিযোগ করেছেন, প্রেসিডেন্ট কৃষ্ণাঙ্গ, ইহুদি ও মুসলিম আমেরিকানদের মধ্যে বিভেদ তৈরির চেষ্টা করছেন। তাঁর মতে, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করতে গিয়ে নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর ভোটারদের অপমান করা গ্রহণযোগ্য নয়। মিশিগানের ভোটার অধিকারবিষয়ক সংগঠন র‍্যাঙ্ক এমআই ভোটের নির্বাহী পরিচালক মার্সেই আলেনও ট্রাম্পের বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, নিজে কৃষ্ণাঙ্গ ও ইহুদি হওয়ায় প্রেসিডেন্টের মন্তব্য তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে আঘাত করেছে। আলেন বলেন, ভোটাররা নিজেদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে যথেষ্ট সচেতন এবং কাকে সমর্থন করবেন, তা নির্ধারণের অধিকার তাঁদের রয়েছে।   এর আগেও আবদুল এল-সায়েদকে সমর্থনকারী ইহুদি ভোটারদের নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন ট্রাম্প। গত ২৫ অক্টোবর মিশিগানের পোর্ট হিউরনে এক নির্বাচনী সমাবেশে তিনি বলেন, যেসব ইহুদি ভোটার এল-সায়েদকে সমর্থন করেন, তাঁদের নিজেদের জন্য লজ্জিত হওয়া উচিত। ওই বক্তব্যের কয়েক দিনের মধ্যেই দক্ষিণ ক্যারোলিনার সমাবেশে কৃষ্ণাঙ্গ ও ইহুদি ভোটারদের উদ্দেশে নতুন করে মন্তব্য করলেন তিনি। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর ভোটারদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে একই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন ট্রাম্প। সে সময় ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী কমলা হ্যারিসকে ভোট দেওয়ার বিষয়ে ইহুদি, কৃষ্ণাঙ্গ, হিস্পানিকসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেছিলেন, তাঁদের মাথা পরীক্ষা করানো উচিত। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমর্থকদের উদ্দেশে এমন বক্তব্য দেওয়ার প্রবণতা তাঁর নির্বাচনী প্রচারে আগেও দেখা গেছে।   এদিকে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও মিশিগানে আবদুল এল-সায়েদের পক্ষে প্রচারে অংশ নিয়েছেন। ডেট্রয়েটের এক সমাবেশে তিনি এল-সায়েদের বিরুদ্ধে রিপাবলিকানদের আক্রমণের সমালোচনা করেন। নিজের রাজনৈতিক জীবনে জন্মস্থান ও পরিচয় নিয়ে ছড়ানো বিতর্কের প্রসঙ্গ তুলে ওবামা বলেন, এ ধরনের প্রচেষ্টা তাঁর ক্ষেত্রেও সফল হয়নি। মিশিগানে আবদুলের ক্ষেত্রেও তা সফল হবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। মিশিগানের নির্বাচনে কৃষ্ণাঙ্গ, ইহুদি, মুসলিম ও আরব আমেরিকান ভোটারদের সমর্থন দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ডেট্রয়েট ও আশপাশের এলাকায় এসব জনগোষ্ঠীর ভোট নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে। ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারির পর দলের বিভিন্ন অংশের সমর্থন একত্র করার চেষ্টাও চালাচ্ছেন এল-সায়েদ। অন্যদিকে রিপাবলিকানরা তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান ও অতীতের বক্তব্যকে সামনে এনে ভোটারদের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছেন।   আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে। মিশিগানের সিনেট আসনটি সেই লড়াইয়ের অন্যতম আলোচিত ক্ষেত্র। নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে ট্রাম্পের বিতর্কিত মন্তব্য ভোটারদের সিদ্ধান্তে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নির্বাচনের ফলাফলেই স্পষ্ট হবে।    

প্রকাশ: অক্টোবর ৩০, ২০২৬ ১০:২৩
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মডেল বিয়াট্রিস কিউল

‘আমি তোমার যত্ন নেব’ বলে ধর্ষণের অভিযোগ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে

ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে মঞ্চে হাজির হয়েছেন জনপ্রিয় র‍্যাপার নিকি মিনাজ

‘নিকি মিনাজকে এত সুন্দর আগে লাগেনি’ বললেন ট্রাম্প, রিপাবলিকানদের প্রচারে র‍্যাপার

হলিউড অভিনেতা ম্যাথিউ ম্যাককনাহে

২০২৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়ার ইঙ্গিত দিলেন হলিউড অভিনেতা ম্যাথিউ ম্যাককনাহে

কারাগারে ফিলিস্তিনি নারীদের বল প্রয়োগ করে হিজাব খুলতে বাধ্য করছে ইসরাইলি বাহিনী
কারাগারে ফিলিস্তিনি নারীদের বল প্রয়োগ করে হিজাব খুলতে বাধ্য করছে ইসরাইলি বাহিনী

ইসরায়েলি কারাগারে আটক ফিলিস্তিনি নারীদের জোর করে হিজাব খুলিয়ে চুল তল্লাশি, মারধর ও গ্যাস প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে। ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিষয়ে তথ্য প্রকাশকারী প্রিজনার্স মিডিয়া অফিসের বরাতে ১৯ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৭ ও ৮ অক্টোবরের এসব ঘটনায় কয়েকজন নারী অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের মধ্যে একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীও রয়েছেন।    ফিলিস্তিনি সংবাদমাধ্যম সাফার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর একজন ইসরায়েলি কারা কর্মকর্তা নারী বন্দিদের চুল পরীক্ষা করতে হিজাব খুলতে বাধ্য করেন। এরপর ১৭ জন নারীকে প্রায় তিন ঘণ্টা ১৩ নম্বর সেলে আটকে রেখে তাঁদের চুলের বেণি খুলতে বলা হয়।  একই অভিযোগ নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বিবরণের কিছু পার্থক্য রয়েছে। ফিলিস্তিন ইনফরমেশন সেন্টার জানিয়েছে, ১৭ নারীকে আইসোলেশন সেলে রাখা হয়েছিল। তবে সাফার বিস্তারিত বিবরণে তাঁদের একটি সেলে একসঙ্গে আটকে রাখার কথা বলা হয়েছে। ফলে প্রত্যেককে পৃথকভাবে নির্জন কারাবাসে রাখা হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়।  প্রিজনার্স মিডিয়া অফিসের অভিযোগ, নারী বন্দিদের সেল ও গোসলের জায়গায় কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করা হয়। এ ছাড়া বয়স্ক নারীসহ ১৫ জন বন্দি থাকা একটি কক্ষে পেপার স্প্রে ছোড়া হলে কয়েকজন বমি করেন। এসব ঘটনার মধ্যে একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীকে চিকিৎসার জন্য নেওয়ার কথাও জানিয়েছে সাফা।    এর আগে ১৪ অক্টোবর ফিলিস্তিনি সরকারি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছিল, দামন কারাগারে আটক দুই নারী আইনজীবীর কাছে তাঁদের সেলে বারবার অভিযান এবং ৭ অক্টোবর কাঁদানে গ্যাস ও শব্দবোমা ব্যবহারের অভিযোগ করেছেন। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব ঘটনায় তাঁদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে।  প্রিজনার্স মিডিয়া অফিস নারী বন্দিদের সুরক্ষা, অসুস্থ ও অন্তঃসত্ত্বাদের চিকিৎসা এবং আটক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে প্রবেশের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। পর্যালোচিত প্রতিবেদনগুলোতে এসব নির্দিষ্ট অভিযোগের বিষয়ে ইসরায়েলি কারা কর্তৃপক্ষের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।   

প্রকাশ: অক্টোবর ২১, ২০২৬ ০:৩৪
জেলেনস্কির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দূরত্ব বাড়ছে

রাশিয়ার দিকে ট্রাম্প, চাপে ইউক্রেন! জেলেনস্কির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দূরত্ব বাড়ছে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স

সরকারি জালিয়াতির তথ্য দিলেই মিলবে ৩০ হাজার ডলার! নতুন উদ্যোগ ট্রাম্পের

প্রধানমন্ত্রী প্রতিদিন মাত্র চার ঘণ্টা ঘুমান

প্রধানমন্ত্রী ফজরের পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করেন: আইনমন্ত্রী

0 Comments