আমেরিকা

নিউইয়র্কে বেড়াতে এসে ম্যাকডোনাল্ডসে খাবার খাওয়ার সময় কিশোরকে একাধিক ছুরিকাঘাত

বায়জিদ হাসান প্রকাশ: আগস্ট ১৮, ২০২৬ ৬:২৩
নিউইয়র্কে বেড়াতে এসে ভয়াবহ হামলার শিকার হয়েছেন ১৯ বছর বয়সী এক অস্ট্রেলিয়ান
নিউইয়র্কে বেড়াতে এসে ভয়াবহ হামলার শিকার হয়েছেন ১৯ বছর বয়সী এক অস্ট্রেলিয়ান

নিউইয়র্কে বেড়াতে এসে ভয়াবহ হামলার শিকার হয়েছেন ১৯ বছর বয়সী এক অস্ট্রেলিয়ান তরুণ। ম্যানহাটনের টাইমস স্কয়ার ও পেন স্টেশনের কাছের একটি ম্যাকডোনাল্ডসে বসে খাবার খাওয়ার সময় তাকে একাধিকবার ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় ২৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে।

 

ঘটনাটি ঘটে সোমবার (১৭ আগস্ট) রাত প্রায় ২টার দিকে ম্যানহাটনের এইটথ অ্যাভিনিউয়ের একটি ম্যাকডোনাল্ডসে। নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, হামলায় ওই তরুণের পাঁজরের অংশ ও পিঠে ছুরিকাঘাত করা হয়।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা দ্রুত ৯১১-এ ফোন করলে জরুরি সেবা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত তরুণকে বেলভিউ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, তার অবস্থা স্থিতিশীল এবং তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

 

ঘটনার পরপরই পুলিশ সন্দেহভাজন একজনকে হেফাজতে নেয়। পরে তাকে ফ্লোরিডার পোর্ট শার্লটের বাসিন্দা ২৫ বছর বয়সী হুয়ান মার্সিডিজ হিসেবে শনাক্ত করা হয়। তার বিরুদ্ধে সেকেন্ড ডিগ্রি অ্যাসল্টের অভিযোগ আনা হয়েছে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হামলার আগে দুজনের মধ্যে সংক্ষিপ্ত কথাবার্তা হয়েছিল। তবে কেন ওই তরুণের ওপর হামলা চালানো হলো, তার স্পষ্ট কারণ এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ঘটনাটি তদন্ত করছে এনওয়াইপিডি।

 

যে ম্যাকডোনাল্ডসে ঘটনাটি ঘটেছে, সেটি ম্যানহাটনের ৪৯০ এইটথ অ্যাভিনিউয়ে। পেন স্টেশন ও টাইমস স্কয়ারের মাঝামাঝি ব্যস্ত এলাকায় থাকা রেস্তোরাঁটি ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে। প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটক এই এলাকা দিয়ে চলাচল করেন।

 

তবে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিশেষ করে গভীর রাতে ওই ম্যাকডোনাল্ডস ও আশপাশের এলাকায় ঝগড়া ও বিশৃঙ্খলার ঘটনা নতুন নয়। নিয়মিত একজন গ্রাহক জানান, রাতে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের কারণে তিনি ওই এলাকায় বেশিক্ষণ অবস্থান করেন না।

 

ঘটনাটি এমন সময়ে সামনে এলো, যখন নিউইয়র্কে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত পর্যটন এলাকা টাইমস স্কয়ার ও আশপাশের এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে পর্যটকদের আগ্রহ সবসময়ই বেশি থাকে। এনওয়াইপিডির মিডটাউন সাউথ প্রিসিঙ্কট এলাকায় চলতি বছর সামগ্রিক বড় ধরনের অপরাধ কমলেও বিচ্ছিন্ন সহিংস ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

 

অস্ট্রেলিয়ান তরুণটির পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। নিউইয়র্ক পুলিশ এখন হামলার আগের পরিস্থিতি, দুই ব্যক্তির মধ্যে কোনো পূর্বপরিচয় ছিল কি না এবং ঠিক কী কারণে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে, সেসব বিষয় খতিয়ে দেখছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
জন্মদিন ৭/১১, জন্মের সময় ৭:১১ এবং ওজন ৭ পাউন্ড ১১ আউন্স। একই সংখ্যার এমন বিরল মিল শেষ পর্যন্ত জে’আইম ব্রাউনের জীবনের প্রথম কয়েক দিনের মধ্যেই এনে দিয়েছিল ৭ হাজার ১১১ ডলারের কলেজ ফান্ড।
৭/১১-তারিখে ৭:১১ মিনিটে জন্ম, ভবিষ্যতে কলেজে পড়ার জন্য ৭-ইলেভেন দিল ৭,১১১ ডলারের ফান্ড

যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরিতে এক শিশুর জন্মের তারিখ, সময় ও ওজনের সঙ্গে অদ্ভুতভাবে মিলে গিয়েছিল ৭-ইলেভেনের নাম। ১১ জুলাই জন্ম, সময় সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিট, ওজনও ঠিক ৭ পাউন্ড ১১ আউন্স। খবরটি জানতে পেরে প্রথমে ডায়াপার ও শিশুর পোশাক পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিল ৭-ইলেভেন। পরে আবার ফোন করে এমন এক উপহারের কথা জানায় প্রতিষ্ঠানটি, যা কল্পনাও করেননি শিশুটির মা। মেয়ের ভবিষ্যৎ কলেজ ফান্ডে ৭ হাজার ১১১ ডলার দেওয়ার ঘোষণা দেয় তারা।   ঘটনাটি ২০১৯ সালের। সেন্ট লুইসের এসএসএম হেলথ সেন্ট মেরিস হাসপাতালে ১১ জুলাই সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিটে জন্ম নেয় জে’আইম ব্রাউন। তার বাবা জনটেজ ব্রাউন ও মা র‍্যাচেল ল্যাংফোর্ড। জন্মের পর শিশুটির ওজন মাপা হলে দেখা যায়, সেটিও ৭ পাউন্ড ১১ আউন্স।   যুক্তরাষ্ট্রে ১১ জুলাইকে ৭-ইলেভেন ডে হিসেবে উদযাপন করে কনভেনিয়েন্স স্টোর চেইনটি। দিনটি প্রতিষ্ঠানটির ব্র্যান্ড নামের সঙ্গে মিলে যায়। সেই বিশেষ দিনেই এমন সময় ও ওজন নিয়ে শিশুটির জন্মের খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।   এরপর র‍্যাচেলের কাছে প্রথম ফোন আসে ৭-ইলেভেন থেকে। প্রতিষ্ঠানটি নবজাতকের জন্য একটি গিফট বাস্কেট দিতে চায়। সেখানে ডায়াপার, ৭-ইলেভেনের শিশুর পোশাক এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস রাখার কথা জানানো হয়। র‍্যাচেল প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন এবং ভেবেছিলেন, হয়তো এটুকুই ছিল প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে উপহার।   কিন্তু কিছুদিন পর আবার ফোন আসে।   এবার ৭-ইলেভেনের একজন প্রতিনিধি জানতে চান, মেয়ের জন্য আরও বড় একটি উপহারে তিনি আগ্রহী কি না। প্রতিষ্ঠানটি জে’আইমের ভবিষ্যৎ কলেজ ফান্ডে ৭ হাজার ১১১ ডলার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানানো হয়।    অঙ্কটিও বেছে নেওয়া হয়েছিল শিশুটির জন্মের সেই বিশেষ সংখ্যা ৭ ও ১১-এর সঙ্গে মিল রেখে।   প্রস্তাব শুনে অবাক হয়ে যান র‍্যাচেল। সিএনএনকে তিনি জানিয়েছিলেন, বিষয়টি তার কাছে সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত ছিল এবং খবরটি শুনে তিনি ভীষণ উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলেন। ৭-ইলেভেনের একজন মুখপাত্রও তখন নিশ্চিত করেন, কলেজ ফান্ডের অর্থের পাশাপাশি পরিবারটিকে ডায়াপার, ওয়ানসি ও নবজাতকের জন্য অন্যান্য উপহার দেওয়া হবে।    পরিবারটির জন্য অর্থটি ছিল বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। র‍্যাচেল তখন দুই সন্তানের মা। জে’আইম ছাড়াও তার ছয় বছর বয়সী একটি ছেলে ছিল। সন্তানদের দৈনন্দিন খরচ ও ভবিষ্যতের জন্য অর্থ জমানো যে সহজ নয়, সে কথাও জানিয়েছিলেন তিনি। তাই মেয়ের কলেজ শিক্ষার জন্য জন্মের পরপরই এমন একটি আর্থিক সহায়তা পাওয়াকে বড় আশীর্বাদ হিসেবে দেখেছিলেন র‍্যাচেল।    জে’আইমের জন্মের ঘটনাটি তখন যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আলোচিত হয়। ৭-ইলেভেনও শিশুটিকে নিজেদের ‘ওয়ান ইন আ মিলিয়ন’ ৭-ইলেভেন বেবি হিসেবে উদযাপন করে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে স্বাগত জানানো হয়েছিল।    জন্মদিন ৭/১১, জন্মের সময় ৭:১১ এবং ওজন ৭ পাউন্ড ১১ আউন্স। একই সংখ্যার এমন বিরল মিল শেষ পর্যন্ত জে’আইম ব্রাউনের জীবনের প্রথম কয়েক দিনের মধ্যেই এনে দিয়েছিল ৭ হাজার ১১১ ডলারের কলেজ ফান্ড। যে ফোনটি প্রথমে এসেছিল শুধু কয়েক প্যাকেট ডায়াপার ও শিশুর পোশাকের জন্য, দ্বিতীয়বার সেই ফোনই তার ভবিষ্যৎ শিক্ষার জন্য রেখে যায় বড় এক উপহার।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১৮, ২০২৬ ৭:১৩
ক্যালিফোর্নিয়ার ডাউন পেমেন্টের কাছাকাছি দামেই ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় বাড়ি!

ক্যালিফোর্নিয়ার ডাউন পেমেন্টের কাছাকাছি দামেই ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় বাড়ি!

ডেভিড ওয়ার্নার

মদ্য'প অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে দোষী সাব্যস্ত ওয়ার্নার, জরিমানা ১.৩ লাখ টাকা

নিউইয়র্কে বেড়াতে এসে ভয়াবহ হামলার শিকার হয়েছেন ১৯ বছর বয়সী এক অস্ট্রেলিয়ান

নিউইয়র্কে বেড়াতে এসে ম্যাকডোনাল্ডসে খাবার খাওয়ার সময় কিশোরকে একাধিক ছুরিকাঘাত

লেখক ও সাবেক ম্যাগাজিন কলামিস্ট ই. জিন ক্যারল ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: কোলাজ আমেরিকা বাংলা
৮ কোটি ৩৩ লাখ ডলারের রায় বাতিলে সুপ্রিম কোর্টে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

লেখক ও সাবেক ম্যাগাজিন কলামিস্ট ই. জিন ক্যারলকে মানহানির জন্য ৮ কোটি ৩৩ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার রায় বাতিল করতে এবার যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার আইনজীবীদের দাবি, প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দেওয়া বক্তব্যের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্সিয়াল ইমিউনিটির প্রশ্ন যথাযথভাবে বিবেচনা করেনি নিম্ন আদালত।    গত ২৮ জুলাই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্টে মামলাটি শুনানির জন্য আবেদন করেন। সর্বোচ্চ আদালতের ডকেট অনুযায়ী, আবেদনটি ৩০ জুলাই নথিভুক্ত হয়েছে এবং ই. জিন ক্যারলের পক্ষের জবাব দেওয়ার সময়সীমা বর্তমানে ৩১ আগস্ট। তবে সুপ্রিম কোর্ট এখনো মামলাটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেনি এবং ৮ কোটি ৩৩ লাখ ডলারের রায়ও বাতিল করেনি।    মামলাটির সূত্রপাত ই. জিন ক্যারলের অভিযোগ থেকে। সাবেক এল ম্যাগাজিন কলামিস্ট ক্যারল অভিযোগ করেন, ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের বার্গডর্ফ গুডম্যান ডিপার্টমেন্ট স্টোরের একটি ড্রেসিং রুমে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে যৌন নিপীড়ন করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং ক্যারল মিথ্যা বলছেন বলে দাবি করেছেন।    ২০১৯ সালে ক্যারল তার স্মৃতিকথায় অভিযোগটি প্রকাশ্যে আনার পর তখন প্রথম মেয়াদে প্রেসিডেন্ট থাকা ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তা অস্বীকার করেন। ওই বক্তব্যের জেরেই ক্যারল তার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে নিউইয়র্কের একটি ফেডারেল জুরি ক্যারলের পক্ষে ৮ কোটি ৩৩ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করে।    এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু নিউইয়র্কভিত্তিক দ্বিতীয় সার্কিট আপিল আদালত রায় বহাল রাখে। আদালত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সিয়াল ইমিউনিটির যুক্তির বিষয়ে বলেছিল, মামলার যথাযথ পর্যায়ে সেই প্রতিরক্ষা না তোলায় তিনি তা ব্যবহারের সুযোগ হারিয়েছেন। চলতি বছরের ২৯ এপ্রিল পূর্ণাঙ্গ আপিল আদালতে পুনর্বিবেচনার আবেদনও প্রত্যাখ্যাত হয়।    সুপ্রিম কোর্টে করা আবেদনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আইনজীবীরা সেই সিদ্ধান্তকেই চ্যালেঞ্জ করছেন। তাদের বক্তব্য, দায়িত্বে থাকা একজন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে তার অফিসিয়াল বক্তব্যের জন্য ক্ষতিপূরণের দায় আরোপের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্সিয়াল ইমিউনিটির প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া উচিত হয়নি। তারা চাইছেন সর্বোচ্চ আদালত মামলাটি গ্রহণ করে এই সাংবিধানিক প্রশ্নটির নিষ্পত্তি করুক।    প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আইনজীবীদের যুক্তি, একজন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালনের সময় তার যোগ্যতা নিয়ে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সরকারি দায়িত্বের অংশ হিসেবে বিবেচিত হওয়া উচিত। সে কারণে ২০১৯ সালে দেওয়া বক্তব্যকে ব্যক্তিগত বক্তব্য না ধরে প্রেসিডেন্টের অফিসিয়াল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেখার দাবি করছেন তারা।    এই মামলায় ২০২৪ সালের সুপ্রিম কোর্টের একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তও আলোচনায় এসেছে। ওই রায়ে সর্বোচ্চ আদালত বলেছিল, প্রেসিডেন্টের সাংবিধানিক ক্ষমতার আওতায় নেওয়া কিছু সরকারি পদক্ষেপের ক্ষেত্রে সাবেক প্রেসিডেন্টরা ফৌজদারি মামলা থেকে ইমিউনিটি পেতে পারেন। তবে ই. জিন ক্যারলের মামলা ফৌজদারি নয় - এটি দেওয়ানি মামলা। ফলে সেই সিদ্ধান্ত এই মামলায় কতটা প্রযোজ্য, সেটিই এখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আবেদনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্ন।    এদিকে ক্যারলকে ঘিরে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরেকটি ৫০ লাখ ডলারের মামলায় সর্বোচ্চ আদালত থেকে ইতোমধ্যে চূড়ান্ত ধাক্কা এসেছে। গত জুনে সুপ্রিম কোর্ট ওই মামলায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আপিল শুনতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। এরপর পুনর্বিবেচনার আবেদনও ১৭ আগস্ট প্রত্যাখ্যান করেছে আদালত। ফলে ২০২৩ সালের ওই জুরি রায় এখন চূড়ান্ত অবস্থায় রয়েছে।    ওই পৃথক মামলায় জুরি সিদ্ধান্ত দিয়েছিল, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্যারলকে যৌন নিপীড়ন এবং পরে মানহানি করেছেন। তবে জুরি নিউইয়র্ক আইনের অধীনে ক্যারলের ধর্ষণের নির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে সিদ্ধান্ত দেয়নি। মামলাটি মূলত ২০২২ সালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে হয়েছিল, যখন তিনি প্রেসিডেন্ট পদে ছিলেন না।    দুটি মামলার মধ্যে তাই গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। ৫০ লাখ ডলারের মামলাটি ২০২২ সালের বক্তব্য এবং যৌন নিপীড়নের অভিযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত। অন্যদিকে বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের সামনে থাকা ৮ কোটি ৩৩ লাখ ডলারের মামলাটি মূলত ২০১৯ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বে থাকার সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে। আর এই পার্থক্যকেই প্রেসিডেন্সিয়াল ইমিউনিটির যুক্তিতে সামনে আনছেন তার আইনজীবীরা।    এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো - ৮ কোটি ৩৩ লাখ ডলারের রায় বাতিল হয়নি এবং সুপ্রিম কোর্ট মামলাটি শুনবেই, এমন সিদ্ধান্তও এখনো হয়নি। আদালত প্রথমে ঠিক করবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আবেদন গ্রহণ করে মামলাটির পূর্ণ শুনানি করবে কি না। বর্তমান ডকেট অনুযায়ী, ক্যারলের জবাব জমা দেওয়ার সময়সীমা ৩১ আগস্ট।    ফলে ই. জিন ক্যারলকে ঘিরে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের একটি মামলা শেষ হয়ে গেলেও সবচেয়ে বড় অঙ্কের মামলাটি এখনো ঝুলে রয়েছে। এবার নজর যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালতের দিকে - ৮ কোটি ৩৩ লাখ ডলারের রায় নিয়ে প্রেসিডেন্সিয়াল ইমিউনিটির প্রশ্নটি তারা শুনানির জন্য গ্রহণ করে কি না, সেটিই হবে এই আইনি লড়াইয়ের পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

বায়জিদ হাসান প্রকাশ: আগস্ট ১৮, ২০২৬ ৫:২৪
নতুন বাড়িতে উঠেছিলেন মাত্র ৭ ঘণ্টা আগে, দাবানলে সব হারাল ৭ সদস্যের পরিবার

নতুন বাড়িতে উঠেছিলেন মাত্র ৭ ঘণ্টা আগে, দাবানলে সব হারাল ৭ সদস্যের পরিবার

বাবা-মাকে ডিপোর্ট করল আইস, ১৩ বছরের বোনের দায়িত্ব এখন ১৯ বছরের মার্কিন তরুণীর

বাবা-মাকে ডিপোর্ট করল আইস, ১৩ বছরের বোনের দায়িত্ব এখন ১৯ বছরের মার্কিন তরুণীর

৫০ অঙ্গরাজ্যের মাত্র ৩টিতে ট্রাম্পের পক্ষে জনমত

৫০ অঙ্গরাজ্যের মাত্র ৩টিতে ট্রাম্পের পক্ষে জনমত, জনপ্রিয়তায় বড় ধস

যুদ্ধবিচ্ছিন্ন আরও এক শিশুকে মায়ের কাছে ফেরালেন মেলানিয়া ট্রাম্প
যুদ্ধবিচ্ছিন্ন আরও এক শিশুকে মায়ের কাছে ফেরালেন মেলানিয়া ট্রাম্প

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন আরও এক শিশুকে মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিতে সহায়তা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। নতুন এই পুনর্মিলনের মধ্য দিয়ে তার উদ্যোগে পরিবারের কাছে ফিরে যাওয়া শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ জনে। ১৭ আগস্ট হোয়াইট হাউস এ তথ্য জানিয়েছে।   দীর্ঘদিন পর মা ও সন্তানের এই পুনর্মিলন নিয়ে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মেলানিয়া ট্রাম্প।   তিনি বলেন, “দীর্ঘ সময় বিচ্ছিন্ন থাকার পর একজন মায়ের সঙ্গে তার সন্তানকে পুনর্মিলিত করার চেয়ে শক্তিশালী আর কিছু নেই।”   তবে নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার কারণে সর্বশেষ ফিরে আসা শিশুটির পরিচয়, বয়স কিংবা কী পরিস্থিতিতে সে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছিল, সেই বিস্তারিত প্রকাশ করেনি হোয়াইট হাউস।   মেলানিয়া ট্রাম্প জানিয়েছেন, এখানেই থামছে না তার উদ্যোগ। যুদ্ধের কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া আরও শিশু ও পরিবারের পুনর্মিলন নিশ্চিত করতে তার প্রতিনিধি কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।   এই মানবিক উদ্যোগের শুরুটা হয়েছিল এক চিঠি দিয়ে।   ২০২৫ সালের আগস্টে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে সরাসরি একটি চিঠি লিখেছিলেন মেলানিয়া ট্রাম্প। সেখানে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া শিশুদের ভবিষ্যৎ ও নিরাপত্তার বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি।   আলাস্কায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রেসিডেন্ট পুতিনের বৈঠকের সময় সেই চিঠি রুশ প্রেসিডেন্টের হাতে পৌঁছে দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।   এরপর বিষয়টি শুধু চিঠিতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। ইউক্রেন ও রাশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে ফার্স্ট লেডির কার্যালয়। ধারাবাহিক সেই প্রচেষ্টায় একের পর এক শিশুকে তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।   গত ৩০ জুলাইও ইউক্রেনীয় ও রুশ পাঁচ শিশুকে পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলিত করার কথা জানিয়েছিল হোয়াইট হাউস। আর সর্বশেষ আরও এক শিশুর ঘরে ফেরার মধ্য দিয়ে মেলানিয়া ট্রাম্পের উদ্যোগে এই সংখ্যা এখন ৩৪। তবে এই ৩৪ শিশুর গল্পের পেছনে রয়েছে আরও অনেক বড় এক মানবিক সংকট।   ইউক্রেন সরকারের ‘চিলড্রেন অব ওয়ার’ তথ্য অনুযায়ী, রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর থেকে ২০ হাজার ৬১০ ইউক্রেনীয় শিশুকে নির্বাসিত অথবা জোরপূর্বক স্থানান্তরিত হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ২ হাজার ৪৭০ শিশুকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।   বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। চলতি বছরের মার্চে জাতিসংঘের একটি তদন্ত কমিশন জানায়, ইউক্রেনীয় শিশুদের রাশিয়ায় নির্বাসন ও জোরপূর্বক স্থানান্তরের ঘটনা মানবতাবিরোধী অপরাধের পর্যায়ে পড়ে।   এরও আগে ২০২৩ সালে ইউক্রেনের অধিকৃত অঞ্চল থেকে শিশুদের বেআইনিভাবে নির্বাসন ও স্থানান্তরের অভিযোগে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং রাশিয়ার শিশু অধিকারবিষয়ক কমিশনার মারিয়া লভোভা-বেলোভার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। রাশিয়া এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে।   ইউক্রেন বলছে, দেশ থেকে নিয়ে যাওয়া প্রতিটি শিশুকে ফিরিয়ে আনা তাদের অন্যতম প্রধান মানবিক দাবি। এজন্য আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহায়তাও চাইছে কিয়েভ।   সেই বিশাল সংকটের তুলনায় ৩৪ সংখ্যাটি হয়তো খুবই ছোট। কিন্তু প্রতিটি সংখ্যার পেছনেই রয়েছে একটি শিশু, একটি পরিবার এবং দীর্ঘ অপেক্ষার একটি গল্প।   আর সেই কারণেই মেলানিয়া ট্রাম্পের সর্বশেষ বার্তাটিও তাৎপর্যপূর্ণ - যুদ্ধের কূটনীতি যত কঠিনই হোক, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন শিশুদের ঘরে ফেরানোর প্রচেষ্টা থামছে না।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১৮, ২০২৬ ২:১৩
স্ত্রীকে গুলি করে হত্যার পর মরদেহ পাশে বসিয়ে ৫ ঘণ্টা গাড়ি চালালেন স্বামী

স্ত্রীকে গুলি করে হত্যার পর মরদেহ পাশে বসিয়ে ৫ ঘণ্টা গাড়ি চালালেন স্বামী

কিম জং উনকে নিয়ে প্রশ্ন করতেই সিএনএন সাংবাদিককে ‘ফেক নিউজ’ বললেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

কিম জং উনকে নিয়ে প্রশ্ন করতেই সিএনএন সাংবাদিককে ‘ফেক নিউজ’ বললেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

ক্যালিফোর্নিয়ার খরচে অতিষ্ঠ সিইও

ক্যালিফোর্নিয়ার খরচে অতিষ্ঠ সিইও, কোম্পানির সদর দপ্তর সরালেন টেক্সাসে

0 Comments