ইউরোপ অভিবাসন

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্পের আমলে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার হিড়িক, ইউরোপমুখী হাজারো মার্কিনি

ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের নীতি, রাজনৈতিক মেরুকরণ, অভিবাসন অভিযান এবং নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে উদ্বেগের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে ইউরোপে পাড়ি দিচ্ছেন রেকর্ডসংখ্যক মার্কিন নাগরিক। সাম্প্রতিক একাধিক তথ্য ও স্বাধীন অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশত্যাগের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।   ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইউরোপে স্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা করছেন এমন মানুষের সংখ্যা গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকেই পর্তুগাল, স্পেন, ফ্রান্স, ইতালি ও আয়ারল্যান্ডকে নতুন ঠিকানা হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। প্রতিবেদনে নিউইয়র্কের ৭৮ বছর বয়সী টি জে মালোনের উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে। তিনি চলতি বছরের শেষ দিকে পর্তুগালের আলগারভ অঞ্চলে চলে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশ, বন্দুক সহিংসতা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তাকে এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে।  দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় এক লাখ ৫০ হাজার মানুষের নিট জনসংখ্যা হ্রাস ঘটেছে। ১৯৩০-এর দশকের মহামন্দার পর এটিই প্রথমবারের মতো দেশটি নিট অভিবাসন হ্রাসের মুখে পড়েছে।  প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অনেক মার্কিন নাগরিকের কাছে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা, তুলনামূলক নিরাপদ জীবন, কম রাজনৈতিক বিভাজন, উন্নত কর্মজীবন ও ব্যক্তিজীবনের ভারসাম্য এবং শান্ত পরিবেশ ইউরোপে যাওয়ার অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে ইউরোপের কয়েকটি দেশে দীর্ঘমেয়াদি ভিসা, অবসরজীবন ও দূর থেকে কাজের সুযোগও এই প্রবণতাকে উৎসাহিত করছে।    সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে মার্কিন নাগরিকদের আবাসন, নাগরিকত্ব ও দীর্ঘমেয়াদি বসবাসসংক্রান্ত আবেদনও বেড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষ করে পর্তুগাল ও দক্ষিণ ইউরোপের কয়েকটি দেশ মার্কিন নাগরিকদের কাছে জনপ্রিয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।    দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পাশাপাশি জীবনযাত্রার ব্যয়, স্বাস্থ্যসেবার খরচ এবং সামাজিক পরিবেশ নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। এসব কারণ একত্রে অনেক মার্কিন নাগরিককে নতুন জীবন শুরু করার জন্য ইউরোপের দিকে ঝুঁকতে উৎসাহিত করছে।

মোহাম্মদ ইব্রাহিম জুলাই ১৮, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
ইউরোপে যাওয়ার পথে ৫ মাসে সাগরে প্রাণ গেল ১৩০০ মানুষের

উন্নত ও নিরাপদ জীবনের আশায় অবৈধভাবে ইউরোপে পাড়ি দেওয়ার চেষ্টার সময় চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে স্পেনের উপকূলবর্তী সমুদ্রে ১ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীর করুণ মৃত্যু হয়েছে। বুধবার আটলান্টিক মহাসাগর এবং পশ্চিম ভূমধ্যসাগরের অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপজ্জনক পথ দিয়ে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে ইউরোপে পারাপারের বিষয়টি সার্বক্ষণিক নজরদারি করা মানবাধিকার সংস্থা 'কামিনান্দো ফ্রোন্তেরাস' (ওয়াকিং বর্ডারস) এক প্রতিবেদনে এই চোখ কপালে তোলার মতো তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনটি এমন এক সময়ে প্রকাশ করা হলো যখন বিগত এক দশকে অনিয়মিত অভিবাসনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠা স্পেনের ক্যানারি দ্বীপে রোমান ক্যাথলিক চার্চের প্রধান পোপ লিওর একটি বিশেষ সফর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।   মানবাধিকার সংস্থাটির প্রকাশিত পরিসংখ্যান ও প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসে স্পেনের উপকূলে পৌঁছানোর আকুল চেষ্টায় ১ হাজার ৩১৭ জন মানুষ সাগরের বুকেই প্রাণ হারিয়েছেন। এই বিপুলসংখ্যক মৃত মানুষের মধ্যে ১৪২ জন নারী এবং ১২৯ জন নিষ্পাপ শিশু রয়েছে, যা এই যাত্রাপথের ভয়াবহতাকে আরও স্পষ্ট করে তোলে। এছাড়া চরম প্রতিকূল আবহাওয়া ও সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের মুখে পড়ে অন্তত ২৭টি নৌকা আফ্রিকার উপকূল থেকে সাগরের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে পরবর্তীতে আরোহীসহ মাঝসমুদ্রেই চিরতরে নিখোঁজ হয়ে গেছে, যাদের আর কোনো সন্ধান মেলেনি।   চলতি সপ্তাহে তাঁর এই গুরুত্বপূর্ণ স্পেন সফরকালে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের প্রতি ইউরোপের বিভিন্ন দেশের আচরণ ও নীতিমালার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে কথা বলেছেন পোপ লিও। বিশ্বজুড়ে চলমান এই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের চরম দুর্দশা, সাগরে প্রতিনিয়ত মৃত্যু এবং মানবিক সংকটকে পোপ এমন এক বড় সমস্যা হিসেবে অবিহিত করেছেন যা বর্তমান আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার নৈতিক ভিত্তিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়ে দেয়। ইউরোপের দেশগুলোর এই সংকট মোকাবিলায় আরও বেশি মানবিক ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।   আন্তর্জাতিক বিভিন্ন স্বনামধন্য মানবাধিকার সংস্থা ও অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইউরোপের মূল ভূখণ্ডের কাছাকাছি থাকা মৌরিতানিয়ার মতো উপকূলীয় দেশ বা জায়গাগুলোতে সাগরে অবৈধ পারাপার বন্ধের কঠোর প্রচেষ্টা ও রাষ্ট্রীয় পাহারা জোরদার করা হয়েছে। ফলে কোস্ট গার্ড বা বিভিন্ন দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীর এই কড়া নজরদারি এড়ানোর জন্য অভিবাসনপ্রত্যাশীরা বিকল্প পথ খুঁজছেন। এই বিপজ্জনক চেষ্টার অংশ হিসেবে দালালেরা এবং অভিবাসনপ্রত্যাশীরা আটলান্টিক মহাসাগরজুড়ে আরও দীর্ঘ, অজানা এবং অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ রুট বা পথ বেছে নিতে বাধ্য হচ্ছেন, যা মৃত্যুর হারকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।   এই সংস্থাটি তাদের পূর্ববর্তী তথ্যে উল্লেখ করেছে যে, গত ২০২৫ সালে স্পেনের উপকূলে পৌঁছানোর চেষ্টায় সর্বমোট ৩ হাজার ৯০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী সাগরে প্রাণ হারিয়েছেন অথবা চিরতরে নিখোঁজ হয়ে গেছেন। ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী, স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ এবং পশ্চিম আফ্রিকা উপকূলের মধ্যকার সর্বনিম্ন দূরত্ব হচ্ছে প্রায় ১০০ কিলোমিটার বা ৬২ মাইল। এছাড়া অনেক অভিবাসনপ্রত্যাশী প্রায় সময়ই মরক্কো থেকে স্পেনের মধ্যবর্তী মাত্র ২০ কিলোমিটার প্রশস্ত একটি ভিন্ন সমুদ্রপথ দিয়ে সাঁতরে পার হওয়ার মতো চরম আত্মঘাতী ও ঝুঁকিপূর্ণ চেষ্টাও করে থাকেন।

তাবাস্সুম জুন ৯, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
স্পেনে বৈধতার সুযোগ পাচ্ছেন পাঁচ লাখ অভিবাসী, সুবিধাভোগীর তালিকায় বাংলাদেশিরাও

নথিহীন অভিবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা কর্মসূচি চালু করেছে স্পেন সরকার। নতুন এই উদ্যোগের আওতায় দেশটিতে বসবাসরত প্রায় পাঁচ লাখ অনিবন্ধিত অভিবাসী বৈধতার জন্য আবেদন করতে পারবেন, যাদের মধ্যে প্রায় ১৫ হাজার বাংলাদেশিও রয়েছেন।   আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ সরকারের অনুমোদিত এই কর্মসূচির মাধ্যমে যোগ্য আবেদনকারীরা এক বছরের জন্য বসবাস ও কাজের অনুমতি পাবেন। নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে পরবর্তীতে তারা স্থায়ী বা নবায়নযোগ্য অনুমতির জন্যও আবেদন করতে পারবেন।   স্পেনের অভিবাসনমন্ত্রী এলমা সেইজ জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার থেকে অনলাইনে আবেদন শুরু হয়েছে এবং আগামী ২০ এপ্রিল থেকে সশরীরে আবেদন গ্রহণ করা হবে। আবেদন প্রক্রিয়া চলবে ৩০ জুন পর্যন্ত।   কর্মসূচির আওতায় আবেদন করতে হলে অভিবাসীদের অবশ্যই চলতি বছরের ১ জানুয়ারির আগে স্পেনে প্রবেশ করতে হবে এবং অন্তত পাঁচ মাস দেশটিতে বসবাসের প্রমাণ দিতে হবে। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড থাকা যাবে না।   স্পেন সরকার এই উদ্যোগকে অর্থনৈতিক ও মানবিক—দুই দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে। প্রধানমন্ত্রী সানচেজ বলেন, অভিবাসীদের কর্মসংস্থান অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, এবং নতুন কর্মশক্তি ছাড়া সমৃদ্ধি থমকে যেতে পারে।   বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে স্পেনে প্রায় ৭৫ হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ অনিবন্ধিত। নতুন এই সুযোগ তাদের জন্য বৈধতা পাওয়ার বড় একটি পথ খুলে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।   বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপে শ্রমবাজারের চাহিদা ও জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে স্পেনের এই সিদ্ধান্ত অভিবাসন নীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করে।

Unknown এপ্রিল ১৫, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Top week

US Releases Official 10-Step Guide to Becoming an American Citizen Through Naturalisation
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পেতে ১০ ধাপের সরকারি নির্দেশনা প্রকাশ, গ্রিন কার্ডধারীদের জন্য যা জানা জরুরি

বায়জিদ হাসান জুলাই ২৪, ২০২৬ ১৪:০