- প্রচ্ছদ
- Topic
হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কড়াকড়ির কারণে শুধু জনসংখ্যা বৃদ্ধিই নয়, বরং নতুন পরিবারের আবাসন বা বাড়ি ভাড়ার চাহিদাও উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাচ্ছে। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির ‘জয়েন্ট সেন্টার ফর হাউজিং স্টাডিজ’-এর সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন আসার ফলে ২০২৪ থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৫ লাখ নতুন হাউসহোল্ড বা পরিবার গঠন কমে যাবে। আগামী চার বছরে কমে যাওয়া এই ২০ লাখ পরিবারের অধিকাংশই প্রাথমিকভাবে ভাড়াটে হিসেবে থাকতেন এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা স্থায়ী বাড়ি ক্রেতায় পরিণত হতেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন বিরোধী কঠোর নীতির কারণেই জাতীয় আবাসন বাজারে এমন ব্যাপক প্রভাব পড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সাধারণত ওয়ার্ক ও স্টুডেন্ট ভিসায় আসা প্রবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রে ভাড়াবাড়ির বড় একটি চাহিদা তৈরি করেন। এছাড়া বাড়ি নির্মাতারাও অভিবাসী শ্রমিকদের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল থাকায় এই ধরপাকড় ও কড়াকড়ি আবাসন খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। হার্ভার্ডের গবেষক ড্যানিয়েল ম্যাককিউ জানান, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শাসনামলে ২০২২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অভিবাসীদের মাধ্যমে ৫ লাখ ৭১ হাজার নতুন ভাড়াটে পরিবার তৈরি হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ধারায় বড় ধরনের পতন ঘটতে যাচ্ছে এবং ধারণা করা হচ্ছে ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন পরিবার গঠনের এই সংখ্যা মাত্র ১ লাখ ৩২ হাজারে নেমে আসবে। মার্কিন সেনসাস ব্যুরোর সর্বশেষ পরিসংখ্যানও এই তথ্যের সমর্থন দেয়। তাদের তথ্যমতে, দেশটিতে বাড়ি ভাড়ার শূন্যতার হার বা ‘রেন্টাল ভ্যাকেন্সি রেট’ গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের ৭.১ শতাংশ থেকে বেড়ে চলতি বছর একই সময়ে ৭.৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ম্যাককিউয়ের মতে, এটি মূলত অভিবাসন সংকোচনের ফলে ভাড়াবাড়ির চাহিদা ব্যাপকভাবে কমে যাওয়ারই একটি স্পষ্ট লক্ষণ। অর্থনীতিবিদ ও আবাসন খাত বিশ্লেষকরাও এই পরিবর্তন নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সংকটের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। রিয়েলটর ডটকমের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ জিয়াই শু জানান, অভিবাসন বৃদ্ধিতে এমন ধীরগতি আগামী এক দশকে নতুন পরিবার গঠনের হারকে কমিয়ে দেবে, যা দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করবে। অন্যদিকে, জন বার্নস রিসার্চ অ্যান্ড কনসাল্টিংয়ের ডেমোগ্রাফিক্স রিসার্চ বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট এরিক ফিনিগান জানান, বাইডেন ও ট্রাম্প প্রশাসনের পাল্টাপাল্টি অভিবাসন নীতির কারণেই আবাসন বাজারে এমন অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। জন্মহার কমার কারণে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, শ্রমবাজার এবং আবাসনের চাহিদাপূরণে অভিবাসন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। কিন্তু ভিসা নীতির এই আকস্মিক পরিবর্তনে প্রবাসীরা এখন চরম অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। যেকোনো সময় ভিসা বাতিলের আশঙ্কায় তারা নতুন বাড়ি কেনার জন্য ডাউনপেমেন্ট দিতে বা দীর্ঘমেয়াদি কোনো সম্পদে বিনিয়োগ করতে চাইছেন না, যার প্রত্যক্ষ আঘাত পড়ছে পুরো আবাসন খাতের ওপর।
হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির দুই দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন শিক্ষার্থী, সোনিশ কোথাগুন্ডলা এবং হাদি আব্দুল, তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তার জন্য ‘বোস্টন স্কয়ার ভেঞ্চারস’ (Boston Square Ventures) নামে নতুন একটি প্ল্যাটফর্ম চালু করেছেন। এর মূল লক্ষ্য হলো—শিক্ষার্থী উদ্যোক্তাদের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল, কম্পিউটিং রিসোর্স, মেন্টরশিপ এবং স্টার্টআপ নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত করা। প্ল্যাটফর্মটির প্রথম কোহর্টের (Cohort 1) আবেদন প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে, যার কার্যক্রম ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। এই উদ্যোগের আওতায় অংশগ্রহণকারীরা ১ লাখ ডলার সমমূল্যের কম্পিউট ক্রেডিট, বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, মেন্টরশিপ, সাপ্তাহিক চেক-ইন, পিচ প্রস্তুতির সুযোগ এবং একটি ডেমো ডে-তে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। উদ্যোক্তাদের মতে, বর্তমান স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে সবচেয়ে বড় সমস্যা আইডিয়ার অভাব নয়, বরং সেটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদের অসম বণ্টন। হাদি আব্দুল জানান, অনেকেরই চমৎকার আইডিয়া ও দক্ষতা থাকলেও তারা সঠিক মানুষদের সাথে যুক্ত হতে পারেন না। অন্যদিকে সোনিশ কোথাগুন্ডলার মতে, নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য তহবিল সংগ্রহ করাটা বেশ কঠিন, কারণ এর জন্য শক্তিশালী নেটওয়ার্ক ও পরিচিতির প্রয়োজন হয়। লিংক ভেঞ্চারসের একজন বিনিয়োগকারী হার্ভার্ডের স্টার্টআপগুলোর সাথে যুক্ত হতে চাওয়ার পর সোনিশ ও হাদি এই প্ল্যাটফর্মটির প্রাথমিক ধারণা পান। পরবর্তীতে হার্ভার্ড ইনোভেশন ল্যাবসে বসে তারা এই ধারণাকে একটি পূর্ণাঙ্গ রূপ দেন। বোস্টন শহরের বিখ্যাত বিভিন্ন স্কয়ারের (যেমন- হার্ভার্ড স্কয়ার, কেন্ডাল স্কয়ার ইত্যাদি) নামানুসারেই এই উদ্যোগের নামকরণ করা হয়েছে। তরুণ উদ্যোক্তাদের নিয়ে প্রচলিত বিভিন্ন ভ্রান্ত ধারণা ভাঙতেও কাজ করতে চান এই দুই শিক্ষার্থী। 'দ্য আমেরিকান বাজার'-এর সাথে এক সাক্ষাৎকারে হাদি জানান, প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার অভাবেই অনেক প্রতিভাবান উদ্যোক্তা তাদের আইডিয়াকে বাস্তবে রূপ দিতে পারেন না; যার ফলে তাদের প্রাথমিক পণ্যগুলোকে অনেক সময় নিচু মানের বলে অবজ্ঞা করা হয়। সোনিশ আরও জানান যে, বর্তমানে নতুন কোনো কোম্পানি খোলার জন্য শতভাগ নতুন আইডিয়ার চেয়ে সেই আইডিয়াটির দ্রুত বাস্তবায়ন এবং বিস্তারের দিকে বেশি নজর দেওয়া প্রয়োজন। উবার ও লিফটের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, একটি সাধারণ আইডিয়াও সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে সফল হতে পারে। বোস্টন স্কয়ার ভেঞ্চারসের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো অন্তত ১০ লাখ উদ্যোক্তাকে সহায়তা করা। যদিও বোস্টন থেকে এর যাত্রা শুরু হয়েছে, তবে যেকোনো দেশ, বয়স বা অভিজ্ঞতার উদ্যোক্তারাই এতে আবেদন করতে পারবেন। আগামী ২০ নভেম্বর তাদের প্রথম ডেমো ডে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এবং এরপর প্রতি ছয় সপ্তাহ অন্তর এমন আয়োজন থাকবে। উদ্যোক্তারা তহবিল সংগ্রহ না করা পর্যন্ত এই প্ল্যাটফর্ম তাদের পাশে থাকবে। এই প্রসঙ্গে সোনিশ বলেন, "আমি মনে করি সবারই উদ্যোক্তা হওয়া উচিত। এখনই এর সঠিক সময়।" সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম লিঙ্কডইনে তাদের প্রথম পোস্টটিতে ইতোমধ্যে প্রায় ৫০ হাজার ইমপ্রেশন এসেছে, যা এই উদ্যোগের প্রতি তরুণদের ব্যাপক আগ্রহেরই প্রমাণ দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি ২০২৭ সালের হার্ভার্ড অ্যাকাডেমি স্কলারস প্রোগ্রামের জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু করেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মেধাবী গবেষকদের জন্য সম্পূর্ণ অর্থায়নে পরিচালিত এই দুই বছর মেয়াদি পোস্টডক্টরাল ফেলোশিপে আবেদন করা যাবে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত। হার্ভার্ড অ্যাকাডেমি ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড এরিয়া স্টাডিজ পরিচালিত এই ফেলোশিপে নির্বাচিত গবেষকেরা বিশ্বের অন্যতম সেরা একাডেমিক পরিবেশে গবেষণার সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গবেষক ও শিক্ষাবিদদের সঙ্গে যৌথ গবেষণা, একাডেমিক সহযোগিতা এবং জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগও থাকবে। ফেলোশিপের আওতায় স্বাস্থ্যবীমা, আধুনিক গবেষণা সুবিধা এবং হার্ভার্ডে দুই বছর পূর্ণকালীন গবেষণার সুযোগ দেওয়া হবে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি, নৃবিজ্ঞানসহ বিভিন্ন সামাজিক বিজ্ঞান ও মানবিক বিষয়ে গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের জন্য এটি একটি মর্যাদাপূর্ণ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হয়। আবেদনের জন্য প্রার্থীদের কয়েকটি শর্ত পূরণ করতে হবে। বিশ্বের যেকোনো দেশের গবেষকেরা আবেদন করতে পারবেন। একাডেমিক ফলাফল ভালো হতে হবে। বিদেশি ভাষা, আন্তর্জাতিক ইতিহাস ও বিভিন্ন সংস্কৃতি বিষয়ে দক্ষতা থাকলে অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে। এছাড়া আবেদনকারীর পিএইচডি ডিগ্রি ৩১ জুলাই ২০২৬-এর পর সম্পন্ন হতে হবে। প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে সরাসরি সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে হবে। সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণের জন্য যাতায়াত ও হোটেলে থাকার ব্যয় হার্ভার্ড অ্যাকাডেমি বহন করবে। আবেদনের সঙ্গে জীবনবৃত্তান্ত, একাডেমিক নম্বরপত্র, গবেষণার আগ্রহ ও পরিকল্পনা নিয়ে একটি বিবৃতি, একটি গবেষণাধর্মী লেখা এবং তিনটি সুপারিশপত্র জমা দিতে হবে। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির তথ্য অনুযায়ী, আবেদন সম্পূর্ণ অনলাইনে করা যাবে। আবেদন গ্রহণের শেষ সময় আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন এবং আন্তর্জাতিক একাডেমিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এই ফেলোশিপকে গবেষকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের ছবি বা ভিডিও ধারণ, বিতরণ ও সংরক্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রায়ান আবদুল বাতেন। তিনি বাংলাদেশের বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার সহকারী অধ্যাপক। হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রকাশিত রেকর্ডে তাঁর বিরুদ্ধে ‘Film, Distribute, or Possess Image or Video of Sexual Activity with an Animal’ শীর্ষক অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের ছবি বা ভিডিও ধারণ, বিতরণ কিংবা নিজের কাছে রাখার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। গ্রেপ্তারসংক্রান্ত সরকারি রেকর্ড প্রকাশের পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে তাঁর পরিচয়ের কারণে ঘটনাটি নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও আলোচনা তৈরি হয়েছে। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণীটির পরিচয় সম্পর্কে বিভিন্ন দাবি ছড়িয়ে পড়লেও হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের প্রকাশিত গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তথ্যে নির্দিষ্ট কোনো প্রাণীর নাম উল্লেখ করা হয়নি। ফলে ছাগলের সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের যে দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা হচ্ছে, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তথ্যসূত্র: হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় (Hillsborough County Sheriff’s Office), ফ্লোরিডা।