সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার

৬৩০ কোটি ডলার

বাইন্যান্স থেকে ৬৩০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি
বাইন্যান্স থেকে ৬৩০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, উত্তর কোরিয়াকে দায়ী করল এফবিআই

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ বাইন্যান্স থেকে প্রায় ৬৩০ কোটি ডলারের ডিজিটাল সম্পদ চুরির ঘটনায় উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি হ্যাকার গোষ্ঠীকে দায়ী করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)। গত ২৯ অক্টোবর সংঘটিত এই সাইবার হামলাকে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত বিবৃতিতে এফবিআই জানায়, উত্তর কোরিয়ার ট্রেডারট্রেইটর নামের হ্যাকার গোষ্ঠী এই অর্থ চুরির জন্য দায়ী। চুরি করা অর্থ বিভিন্ন ক্রিপ্টোকারেন্সি ও অনলাইন লেনদেন ব্যবস্থার মাধ্যমে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেও সতর্ক করেছে সংস্থাটি।   বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবারের হামলায় বাইন্যান্স থেকে প্রায় ৬ দশমিক ৩ বিলিয়ন বা ৬৩০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরি হয়েছে। এই বিপুল অর্থের পরিমাণ গত বছরের বহুল আলোচিত বাইবিট ক্রিপ্টোকারেন্সি হ্যাকিংয়ের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি। ফলে ডিজিটাল সম্পদের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।   এফবিআইয়ের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ২৯ অক্টোবর বা ওই সময়ের কাছাকাছি বাইন্যান্স থেকে ৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের ভার্চুয়াল সম্পদ চুরি হয়। তদন্তে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ট্রেডারট্রেইটর গোষ্ঠীর কার্যক্রম শনাক্ত করা হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, এই গোষ্ঠী আগেও বিভিন্ন ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সাইবার হামলার সঙ্গে জড়িত ছিল। তবে হামলায় ঠিক কোন নিরাপত্তাব্যবস্থা দুর্বল ছিল এবং কীভাবে প্রথম প্রবেশাধিকার পাওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ কারিগরি তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।   এফবিআইয়ের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিস এবং ইন্টারনাল রেভিনিউ সার্ভিসের অপরাধ তদন্ত বিভাগ আইআরএস-সিআই এই অর্থের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, চুরি হওয়া ডিজিটাল সম্পদের বড় একটি অংশ ইথেরিয়াম ক্রিপ্টোকারেন্সিতে রূপান্তর করা হচ্ছে। এরপর ডেসেন্ট্রালাইজড ফাইন্যান্স বা ডিফাই প্ল্যাটফর্ম এবং দ্রুত ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিময়ের সেবা ব্যবহার করে অর্থের উৎস আড়াল করার চেষ্টা হতে পারে।   এই ধরনের প্রক্রিয়ায় চুরি করা ডিজিটাল সম্পদ একাধিক ওয়ালেট ও লেনদেন ব্যবস্থার মধ্যে স্থানান্তর করা হয়। এর ফলে অর্থের প্রকৃত উৎস, মালিকানা এবং শেষ গন্তব্য শনাক্ত করা কঠিন হয়ে যেতে পারে। তবে ব্লকচেইনে অনেক লেনদেনের তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। ফলে তদন্তকারীরা সংশ্লিষ্ট ওয়ালেটের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে অর্থ শনাক্ত কিংবা লেনদেন বন্ধ করার চেষ্টা করতে পারেন।   এফবিআই বিভিন্ন ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ, ব্লকচেইন বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান, ডিফাই সেবা এবং ভার্চুয়াল সম্পদ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতি জরুরি সতর্কবার্তা দিয়েছে। সংস্থাটি চুরি করা অর্থের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু ডিজিটাল ওয়ালেটের ঠিকানা প্রকাশ করেছে। এসব ওয়ালেট থেকে কিংবা এর সঙ্গে সম্পর্কিত লেনদেন শনাক্ত হলে তা আটকে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এর উদ্দেশ্য চুরি করা অর্থ আরও ছড়িয়ে পড়া এবং নগদ অর্থে রূপান্তর করার সুযোগ সীমিত করা।   এবারের সাইবার হামলার সঙ্গে ২০২৫ সালের বাইবিট ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির ঘটনারও মিল রয়েছে বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন। ওই ঘটনায় প্রায় ১৫০ কোটি ডলারের ডিজিটাল সম্পদ চুরি হয়েছিল। এফবিআই সেই হামলার জন্যও উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ট্রেডারট্রেইটর গোষ্ঠীকে দায়ী করেছিল। নতুন ঘটনায় ক্ষতির পরিমাণ আগেরটির তুলনায় অনেক বেশি হওয়ায় আন্তর্জাতিক ক্রিপ্টোকারেন্সি খাতে বড় ধরনের আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে উত্তর কোরিয়াসংশ্লিষ্ট হ্যাকার গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির অভিযোগ তদন্ত করছে। মার্কিন কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, এসব সাইবার কার্যক্রম থেকে পাওয়া অর্থ উত্তর কোরিয়ার বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে সহায়তা করতে ব্যবহার করা হয়। তবে এবারের বাইন্যান্স হামলায় চুরি করা অর্থের চূড়ান্ত গন্তব্য সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।   এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, হামলার জন্য উত্তর কোরিয়া দায়ী কি না, তা এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নয়। তাঁর এই মন্তব্যের সঙ্গে এফবিআইয়ের আনুষ্ঠানিক অবস্থানের পার্থক্য রয়েছে। এফবিআই সরাসরি উত্তর কোরিয়াসংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীকে দায়ী করলেও প্রেসিডেন্ট বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা প্রকাশ করেছেন। ফলে সংবাদে উত্তর কোরিয়ার সংশ্লিষ্টতাকে এফবিআইয়ের তদন্তভিত্তিক সিদ্ধান্ত হিসেবেই উপস্থাপন করা হচ্ছে।   বাইন্যান্স জানিয়েছে, চুরি হওয়া অর্থের বড় একটি অংশের ক্ষতি মোকাবিলার জন্য প্রতিষ্ঠানটির পর্যাপ্ত রিজার্ভ রয়েছে। তাদের দাবি, হারানো সম্পদের প্রায় ৯০ শতাংশের সমপরিমাণ অর্থ মেটানোর সক্ষমতা রয়েছে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের কতজন ইতিমধ্যে অর্থ ফেরত পেয়েছেন কিংবা কবে নাগাদ পুরো ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।   ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ডিজিটাল সম্পদ নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিপুল পরিমাণ অর্থ একসঙ্গে চুরি হলেও তা দ্রুত নগদ অর্থে রূপান্তর করা সব সময় সহজ নয়। চুরি করা সম্পদের ওপর নজরদারি বাড়লে অপরাধীরা অর্থকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে স্থানান্তর করতে পারে। ফলে অর্থ অনুসরণ, লেনদেন বন্ধ এবং সম্ভাব্য পুনরুদ্ধারের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।   যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী বাংলাদেশিসহ যাঁরা ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগ করেন, তাঁদের জন্যও এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে কোনো এক্সচেঞ্জে অর্থ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাব্যবস্থা, গ্রাহকের সম্পদ সংরক্ষণের পদ্ধতি এবং ক্ষতির ক্ষেত্রে ফেরত দেওয়ার নীতি সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। শুধু বড় বা পরিচিত প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করলেই সাইবার হামলার ঝুঁকি সম্পূর্ণ দূর হয়ে যায় না।   একই সঙ্গে এমন ঘটনার পর ভুয়া ক্ষতিপূরণ, অ্যাকাউন্ট যাচাই কিংবা অর্থ ফেরতের নামে নতুন প্রতারণার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। তাই অপরিচিত লিংকে প্রবেশ করে ওয়ালেটের গোপন তথ্য, পাসওয়ার্ড কিংবা সিড ফ্রেজ দেওয়া থেকে বিরত থাকা জরুরি। প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগমাধ্যম ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের নামে অর্থ পাঠানোও ঝুঁকিপূর্ণ।   সব মিলিয়ে বাইন্যান্স থেকে ৬৩০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির ঘটনা ডিজিটাল অর্থব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। এফবিআই উত্তর কোরিয়াসংশ্লিষ্ট ট্রেডারট্রেইটর গোষ্ঠীকে দায়ী করে চুরি করা সম্পদের গতিবিধি শনাক্ত ও লেনদেন বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে। অন্যদিকে বাইন্যান্স গ্রাহকদের ক্ষতি পূরণের আশ্বাস দিয়েছে। তবে চুরি হওয়া অর্থের কতটা উদ্ধার করা সম্ভব হবে এবং পুরো ঘটনার তদন্তে আরও কী তথ্য পাওয়া যাবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।   সূত্র: যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআই, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস

নুরুল্লাহ সাইদ অক্টোবর ৩১, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Top week

ড. ফেরদৌস সালেহীনের লেখা সূরা আল-ফাতিহার তাফসির ও জীবনের প্রতিফলনবিষয়ক নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন বা উপস্থাপনা। ছবি: সংগৃহীত

সূরা ফাতিহার সাত আয়াত যেভাবে বদলে দিল ড. ফেরদৌস সালেহীনের জীবনদৃষ্টি

অক্টোবর ২৬, ২০২৬ ১৪:০