নিউইয়র্কভিত্তিক বাংলাদেশি-আমেরিকান রিয়েল এস্টেট পেশাজীবীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশি আমেরিকান রিয়েলটরস অব নিউইয়র্ক (আবার্নি)-এর ২০২৭-২০২৮ মেয়াদের নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করা হয়েছে।
সংগঠনের বোর্ড অব ডিরেক্টরসের ভোটে নতুন কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাব্বির আহমেদ। সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন নাদির খান, সম্পাদক ইমরান ভূঁইয়া এবং কোষাধ্যক্ষ পদে নির্বাচিত হয়েছেন নাজনীন মির্জা।
নবনির্বাচিত বোর্ড অব ডিরেক্টরস হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন কাজী হোসেন, কবির মুন্সী, হাসান ইমাম এবং তৌহিদুল ইসলাম।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের শেষ দিকে আবার্নির বার্ষিক ইনস্টলেশন ও অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত কমিটির আনুষ্ঠানিক অভিষেক অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে সদস্যদের আবেদন ও নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৌহিদুল ইসলামকে পরিচালক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। পরিচালক পদে আগ্রহ প্রকাশকারী সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতেও তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে সংগঠনটি।
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মোহাম্মদ কবির, সাকিল আহমেদ এবং বর্তমান সভাপতি মোহাম্মদ রহমান নতুন নেতৃত্বকে দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা প্রদানের লক্ষ্যে নির্বাহী কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবেন।
এক বিবৃতিতে বর্তমান সভাপতি মোহাম্মদ রহমান নবনির্বাচিত নেতৃত্বকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, নতুন নেতৃত্বের হাত ধরে সংগঠন আরও গতিশীল ও শক্তিশালী হবে বলে তারা বিশ্বাস করেন।
সদস্যদের পেশাগত উন্নয়ন, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং কমিউনিটি সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নতুন কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি সংগঠনের সদস্য, শুভানুধ্যায়ী এবং কমিউনিটির সবাইকে নবনির্বাচিত কমিটিকে অভিনন্দন জানাতে এবং তাদের সফলতার জন্য সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
মোহাম্মদ রহমান বলেন, সবাই মিলে পেশাকে আরও শক্তিশালী করা, সদস্যদের উন্নয়নে কাজ করা এবং কমিউনিটির সেবা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যেই সংগঠন এগিয়ে যাবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
যুক্তরাষ্ট্রে বিলাসবহুল গাড়ি নির্মাতা মার্সিডিজ-বেঞ্জের গাড়ি বিক্রি নিষিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন সিনেটের একটি কমিটিতে অগ্রসর হওয়া নতুন এক বিলে বলা হয়েছে, যেসব গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানে চীনা প্রতিষ্ঠানের মালিকানা ১৫ শতাংশের বেশি, তারা যুক্তরাষ্ট্রে সংযুক্ত যানবাহন বিক্রি করতে পারবে না। বর্তমান মালিকানা কাঠামোর কারণে মার্সিডিজ-বেঞ্জও এই বিধিনিষেধের আওতায় পড়তে পারে। প্রস্তাবিত আইনটি গত সপ্তাহে সিনেট কমার্স কমিটিতে অনুমোদন পেয়েছে। বিলটির লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চীনা প্রযুক্তি ও চীনা মালিকানার প্রভাব কমানো। আইনপ্রণেতাদের দাবি, আধুনিক কানেক্টেড গাড়িতে থাকা সফটওয়্যার ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে সংবেদনশীল তথ্য বিদেশে পৌঁছে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের কারণ। বর্তমানে মার্সিডিজ-বেঞ্জে চীনের দুটি বিনিয়োগকারীর সম্মিলিত মালিকানা প্রায় ২০ শতাংশ, যা প্রস্তাবিত ১৫ শতাংশ সীমার বেশি। এ কারণে বিলটি বর্তমান রূপে আইনে পরিণত হলে কোম্পানিটি যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ি বিক্রিতে বাধার মুখে পড়তে পারে। তবে আইনটি এখনও চূড়ান্ত নয়। এটি কার্যকর হওয়ার আগে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদের অনুমোদন এবং পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। তবে বিলটি নিয়ে সিনেটের ভেতরেও মতভেদ রয়েছে। সিনেট কমার্স কমিটির চেয়ারম্যান টেড ক্রুজ বলেছেন, বর্তমান ভাষায় বিলটি মার্সিডিজ-বেঞ্জের মতো প্রতিষ্ঠানের ওপর অনাকাঙ্ক্ষিত প্রভাব ফেলতে পারে। তার মতে, আইনটি কার্যকর হওয়ার আগে সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে। অন্যদিকে বিলটির অন্যতম প্রস্তাবক সিনেটর বার্নি মোরেনো বলেছেন, প্রয়োজনে মার্সিডিজ-বেঞ্জকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত সময় দেওয়া হতে পারে এবং বিশেষ ক্ষেত্রে ছাড় পাওয়ার সুযোগও থাকতে পারে। মার্সিডিজ-বেঞ্জ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সুরক্ষার উদ্যোগকে সমর্থন করে। একই সঙ্গে কোম্পানিটি বলেছে, তাদের যুক্তরাষ্ট্রে বড় পরিসরের উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ রয়েছে এবং নতুন আইন যেন এসব কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে, সে বিষয়টি তারা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি এলাকায় ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, জিকা ও ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস ছড়ানো মশার সংখ্যা কমাতে চলতি গ্রীষ্মে প্রায় ৬ লাখ বিশেষভাবে প্রস্তুত করা পুরুষ মশা অবমুক্ত করা হচ্ছে। মেরিল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান বি সেফ মস্কিটো কন্ট্রোল প্রথমবারের মতো এই জৈবিক পদ্ধতি ব্যবহার করছে, যার লক্ষ্য রাসায়নিক কীটনাশক ছাড়াই রোগবাহী মশার বংশবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা। প্রতিষ্ঠানটির ছাড়া পুরুষ মশাগুলো ওলবাকিয়া নামের একটি প্রাকৃতিক ব্যাকটেরিয়া বহন করে। এসব পুরুষ মশা মানুষের রক্ত খায় না এবং কামড়ায়ও না। তবে তারা যখন বন্য স্ত্রী মশার সঙ্গে প্রজনন করে, তখন স্ত্রী মশার পাড়া ডিম আর ফুটে না। ফলে ধীরে ধীরে রোগবাহী মশার সংখ্যা কমে আসে। বি সেফ মস্কিটো কন্ট্রোলের মালিক টড মন্টগোমারি বলেন, একবার প্রজননের পর আক্রান্ত স্ত্রী মশাটি কার্যত সারা জীবনের জন্য বন্ধ্যা হয়ে যায়। সে পরে যত ডিমই দিক, সেগুলো থেকে আর নতুন মশা জন্মায় না। এই কারণে পদ্ধতিটি দীর্ঘমেয়াদে মশার সংখ্যা কমাতে কার্যকর বলে আশা করা হচ্ছে। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য এশিয়ান টাইগার মশা, যা যুক্তরাষ্ট্রে দ্রুত বিস্তার লাভ করা একটি আক্রমণাত্মক প্রজাতি এবং ডেঙ্গু, জিকা ও চিকুনগুনিয়াসহ বিভিন্ন ভাইরাস ছড়াতে সক্ষম। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রজাতির সংখ্যা কমাতে পারলে মশাবাহিত রোগের ঝুঁকিও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেতে পারে। এ ধরনের প্রযুক্তি নতুন নয়। ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া ও সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে *ওলবাকিয়া*ভিত্তিক মশা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি ইতোমধ্যে সফল হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রেও এই পদ্ধতির ব্যবহার ধীরে ধীরে বাড়ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভবিষ্যতে এটি প্রচলিত কীটনাশকের বিকল্প হিসেবে আরও বড় পরিসরে ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের দীর্ঘদিন গোপন রাখা অডিও রেকর্ডিং প্রকাশের পর নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। ২০১৬ ও ২০১৭ সালে নিজের স্মৃতিকথা লেখার সময় ঘোস্টরাইটার মার্ক জভোনিটজারের সঙ্গে হওয়া এসব কথোপকথনে বাইডেনকে একাধিকবার সম্ভাব্য শ্রেণিবদ্ধ (ক্লাসিফায়েড) তথ্য ও নথির প্রসঙ্গ তুলতে শোনা যায়। প্রকাশিত প্রায় ৭০ ঘণ্টার অডিওতে এক পর্যায়ে বাইডেনকে বলতে শোনা যায়, "এর কিছু হয়তো শ্রেণিবদ্ধ হতে পারে, তাই সতর্ক থাকুন।" আরেকটি অংশে তিনি বলেন, "পরের বিষয়টি শ্রেণিবদ্ধ।" তবে প্রকাশিত স্মৃতিকথায় কোনো শ্রেণিবদ্ধ তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেনি। এই রেকর্ডিংগুলো ২০২৪ সালে বিশেষ কৌঁসুলি রবার্ট হারের তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তদন্তে বাইডেনের বাড়ি ও ব্যক্তিগত কার্যালয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট থাকাকালের কিছু শ্রেণিবদ্ধ নথি পাওয়া গেলেও শেষ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ আনা হয়নি। প্রতিবেদনে হার উল্লেখ করেছিলেন, বিচারক বা জুরি বাইডেনকে "সদুদ্দেশ্যসম্পন্ন কিন্তু দুর্বল স্মৃতিশক্তির একজন বয়স্ক ব্যক্তি" হিসেবে দেখতে পারেন, যা দণ্ডাদেশ পাওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেবে। অডিও প্রকাশের পথ তৈরি হয় দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর। একটি ফেডারেল আপিল আদালত জনস্বার্থের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রেকর্ডিং প্রকাশে বাধা দেওয়ার বাইডেনের আবেদন খারিজ করে। পরে বাইডেনও এ বিষয়ে করা নিজের মামলা প্রত্যাহার করে নেন, ফলে রেকর্ডিং প্রকাশের আর কোনো আইনি বাধা থাকেনি। সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রেকর্ডিংয়ে বাইডেনকে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ, সিআইএ এবং হোয়াইট হাউসের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের নোট নিয়ে আলোচনা করতে শোনা যায়। তবে বাইডেন আগেও দাবি করেছিলেন, তিনি তার ঘোস্টরাইটারের কাছে কোনো শ্রেণিবদ্ধ তথ্য ইচ্ছাকৃতভাবে প্রকাশ করেননি এবং কীভাবে কিছু নথি তার বাড়িতে চলে এসেছিল, সে বিষয়েও তিনি অবগত ছিলেন না। নতুন করে প্রকাশিত এই অডিও যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি গোপন নথি সংরক্ষণ, সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তাদের দায়বদ্ধতা এবং বাইডেনের স্মৃতিশক্তি নিয়ে বহুদিনের রাজনৈতিক বিতর্ককে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।