আমেরিকা

টিপিএসধারী অভিবাসীদের স্থায়ী বৈধতা নিতে হবে, না হলে দেশে ফিরতে হবে: যুক্তরাষ্ট্র

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৮, ২০২৬ ২৩:৩৩
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে অস্থায়ী সুরক্ষা মর্যাদা (টেম্পোরারি প্রোটেক্টেড স্ট্যাটাস বা টিপিএস) নিয়ে বসবাসকারী অভিবাসীদের স্থায়ীভাবে বৈধ থাকার ব্যবস্থা করতে হবে, অন্যথায় নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের (ডিএইচএস) প্রধান মার্কওয়েন মুলিন।

 

রোববার সিএনএনের স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, টিপিএস কোনো স্থায়ী অভিবাসন মর্যাদা নয়। তাই যাঁরা এই কর্মসূচির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন, তাঁদের উচিত স্থায়ী আবাসনের জন্য প্রয়োজনীয় আবেদন করা। অন্যথায় সরকার তাঁদের নিজ দেশে ফিরে যেতে সহায়তা করবে।

 

মুলিন বলেন, "যাঁরা স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে চান, তাঁরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পন্ন করুন। আর যদি তা না করেন, তাহলে আমরা আপনাকে নিজ দেশে ফিরে যেতে সহায়তা করব।" তিনি আরও জানান, স্বেচ্ছায় ফিরে যাওয়া ব্যক্তিদের জন্য বিমান টিকিটের পাশাপাশি পুনর্বাসনের প্রাথমিক ব্যয় মেটাতে প্রায় ২ হাজার ১০০ মার্কিন ডলার দেওয়া হবে।

 

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট এক রায়ে ট্রাম্প প্রশাসনকে হাইতি ও সিরিয়ার নাগরিকদের জন্য দেওয়া টিপিএস সুবিধা বাতিলের সুযোগ করে দেয়। এর ফলে প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার হাইতির এবং প্রায় ৬ হাজার সিরীয় নাগরিক ভবিষ্যতে বহিষ্কারের ঝুঁকিতে পড়েছেন।

 

টিপিএস কর্মসূচির আওতায় যুদ্ধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্য কোনো বড় মানবিক সংকট থেকে পালিয়ে আসা বিদেশি নাগরিকদের নির্দিষ্ট সময়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে বসবাস ও কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়। ২০১০ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর হাইতির নাগরিকদের এবং ২০১২ সালে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সিরিয়ার নাগরিকদের এই সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল।

 

তবে টিপিএস বাতিলের সিদ্ধান্তের মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এখনো হাইতি ও সিরিয়ায় ভ্রমণের বিরুদ্ধে সতর্কতা জারি রেখেছে। দুই দেশেই সহিংসতা, সংঘাত, সন্ত্রাসী তৎপরতা, অপহরণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে নাগরিকদের সেখানে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

 

সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর অভিবাসী অধিকারকর্মী ও হাইতিয়ান সম্প্রদায়ের নেতারা তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, বহু মানুষ বছরের পর বছর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস ও কাজ করছেন। হঠাৎ করে সুরক্ষা তুলে নেওয়া হলে তাঁদের পরিবার, কর্মসংস্থান এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে।

 

ওহাইও অঙ্গরাজ্যের স্প্রিংফিল্ড শহরে বসবাসকারী হাইতিয়ানরাও এই সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও অভিবাসীরা বলছেন, গত এক দশকে হাইতিয়ান সম্প্রদায় শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এখন টিপিএস বাতিল হলে অনেক পরিবার অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়বে।

 

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা শুধু ডেমোক্র্যাটদের পক্ষ থেকেই আসেনি। রিপাবলিকান দলের কয়েকজন নেতাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ওহাইওর গভর্নর মাইক ডিওয়াইন এক বিবৃতিতে বলেন, বর্তমান হাইতির পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। সেখানে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর দৌরাত্ম্য, দুর্বল সরকারি ব্যবস্থা এবং ভেঙে পড়া অর্থনীতির কারণে এখনই মানুষকে ফেরত পাঠানো যুক্তিযুক্ত হবে না। নিউইয়র্কের কংগ্রেসম্যান মাইক ললার এবং নেব্রাস্কার কংগ্রেসম্যান ডন বেকনও হাইতির নাগরিকদের জন্য টিপিএসের মেয়াদ বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছেন।

 

বর্তমানে ১৭টি দেশের প্রায় ১৭ লাখ মানুষ টিপিএস কর্মসূচির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। অভিবাসন অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, ট্রাম্প প্রশাসন ভবিষ্যতে অন্য দেশগুলোর টিপিএস সুবিধাও বাতিলের উদ্যোগ নিতে পারে। সে ক্ষেত্রে ১৯৯০ সালে চালু হওয়া এই মানবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
রাশিয়ার দূরপ্রাচ্যের সাখালিন অঞ্চলে প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের সামরিক মহড়া পর্যবেক্ষণ করতে এসে রুশ নৌবাহিনীর পোশাকে ‘ভারিয়াগ’ মিসাইল ক্রুজার পরিদর্শন করছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং তাঁর পেছনে দাঁড়িয়ে আছেন প্যাসিফিক ফ্লিটের কমান্
রাশিয়া-জাপান বিরোধের কেন্দ্র কুরিল দ্বীপপুঞ্জে প্রথমবার পুতিন, তীব্র প্রতিবাদ টোকিওর

জাপানের দাবি করা বিতর্কিত কুরিল দ্বীপপুঞ্জের ইতুরুপ দ্বীপে প্রথমবারের মতো সফর করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বৃহস্পতিবারের এই সফরের পরপরই তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে টোকিও। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই দ্বীপগুলোর মালিকানা নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধ চলছে।    রাশিয়ায় দ্বীপটির নাম ইতুরুপ, আর জাপানে এটি এতোরোফু নামে পরিচিত। জাপানের উত্তরের প্রধান দ্বীপ হোক্কাইডোর কাছে অবস্থিত এই দ্বীপটি কুরিল দ্বীপপুঞ্জের দক্ষিণ অংশে পড়ে। টোকিও যে চারটি দ্বীপকে ‘নর্দার্ন টেরিটোরিজ’ বলে নিজেদের ভূখণ্ড দাবি করে, ইতুরুপ তার অন্যতম।   জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিৎসু মোতেগি এক বিবৃতিতে বলেন, এতোরোফুসহ নর্দার্ন টেরিটোরিজ ঐতিহাসিকভাবে এবং আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে জাপানের অবিচ্ছেদ্য ভূখণ্ড। পুতিনের সফরের বিরুদ্ধে জাপান ‘তীব্র প্রতিবাদ’ জানিয়েছে।    রুশ রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সফরে পুতিন ইতুরুপের ইয়াসনি মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা ঘুরে দেখেন। সেখানে মাছ ধরার শিল্প ও মাছের চলাচল নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং স্থানীয় মাছের ডিমও স্বাদ নেন। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, তিনি একটি হাসপাতাল ও স্কুলও পরিদর্শন করেন এবং সাখালিন অঞ্চলের গভর্নর ভ্যালেরি লিমারেঙ্কোর সঙ্গে বৈঠক করেন।    রুশ রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাস এই সফরকে পুতিনের কুরিল দ্বীপপুঞ্জে প্রথম সরাসরি সফর হিসেবে বর্ণনা করেছে। এর আগে ২০১০ সালে তৎকালীন রুশ প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ কুনাশির দ্বীপে গিয়েছিলেন। ২০২১ সালে তৎকালীন রুশ প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিন ইতুরুপ সফর করলেও তখনও জাপান কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছিল।    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ দিকে সোভিয়েত ইউনিয়ন জাপানের কাছ থেকে কুরিল দ্বীপপুঞ্জের দক্ষিণের চারটি দ্বীপ দখল করে। জাপান এখনো এতোরোফু, কুনাশিরি, শিকোতান ও হাবোমাই দ্বীপপুঞ্জকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করে। এই বিরোধের কারণে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার আট দশকেরও বেশি সময় পরও রাশিয়া ও জাপান আনুষ্ঠানিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করতে পারেনি।    পুতিনের সফরটি এমন সময় হলো, যখন পূর্ব এশিয়ায় সামরিক উত্তেজনাও বাড়ছে। ইতুরুপ যাওয়ার আগে তিনি রাশিয়ার দূরপ্রাচ্যের সাখালিন অঞ্চলে প্যাসিফিক ফ্লিটের বড় সামরিক মহড়ার চূড়ান্ত পর্ব পর্যবেক্ষণ করেন। এর এক দিন আগে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র উত্তর কোরিয়াও কোরীয় উপদ্বীপের পূর্ব দিকের জলসীমার দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।    কুরিল দ্বীপপুঞ্জে কয়েক দশক ধরেই রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতি রয়েছে এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মস্কো সেখানে সামরিক অবকাঠামো আরও শক্তিশালী করেছে। ফলে পুতিনের এই সফর শুধু প্রতীকী নয়, দীর্ঘদিনের ভূখণ্ড বিরোধে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করার একটি রাজনৈতিক বার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।    এদিকে জাপানও তার দাবি থেকে সরে আসার কোনো ইঙ্গিত দেয়নি। ফলে পুতিনের প্রথম সফর দুই দেশের দীর্ঘদিনের ভূখণ্ড বিরোধকে নতুন করে সামনে আনল এবং মস্কো-টোকিও সম্পর্কের উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১৩, ২০২৬ ৫:২৬
লস অ্যাঞ্জেলেসে স্কুলের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীর কাছে বন্দুক

লস অ্যাঞ্জেলেসে স্কুলের প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীর কাছে বন্দুক, ক্যাম্পাস লকডাউন

আগস্ট থেকে অনেক বাংলাদেশীর ইবিটি সুবিধা বন্ধের ঝুঁকি

আগস্ট থেকে অনেক বাংলাদেশীর ইবিটি সুবিধা বন্ধের ঝুঁকি, রয়েছে নতুন ৩ শর্ত

১৬ বছর পর একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের তিন অঙ্গরাজ্যে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

১৬ বছর পর একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের তিন অঙ্গরাজ্যে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

হঠাৎ করে দৌড়ে এসে লন্ডন ব্রিজ থেকে পানিতে ঝাঁপ
হঠাৎ করে দৌড়ে এসে লন্ডন ব্রিজ থেকে পানিতে ঝাঁপ, কিশোরের মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার লেক হাভাসু সিটির ঐতিহাসিক লন্ডন ব্রিজ থেকে পানিতে ঝাঁপ দেওয়ার পর এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ব্রিজ থেকে পানিতে ঝাঁপ দেওয়ার পর তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য লাস ভেগাসের একটি হাসপাতালে পাঠানো হয়। বুধবার সকালে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয় বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।   এবিসি১৫ অ্যারিজোনার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৯টার কিছু আগে প্রত্যক্ষদর্শীরা এক কিশোরকে লন্ডন ব্রিজ থেকে নিচের পানিতে ঝাঁপ দিতে দেখেন। পানিতে পড়ার পর সে আর স্বাভাবিকভাবে ওপরে উঠে আসেনি।   প্রত্যক্ষদর্শীরা পুলিশকে জানিয়েছেন, কিশোরটি প্রথমে পানির নিচে চলে যায়। এরপর অল্প সময়ের জন্য আবার ওপরে দেখা গেলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই সে দ্বিতীয়বার পানির নিচে তলিয়ে যায় এবং আর ভেসে ওঠেনি।   খবর পেয়ে লেক হাভাসু সিটি পুলিশ ও ফায়ার ডিপার্টমেন্টের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পানিতে তল্লাশি শুরু করেন। একপর্যায়ে কিশোরটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।   উদ্ধারের পর তাকে দ্রুত হাভাসু রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। সে সময় তার অবস্থা গুরুতর ছিল। পরে আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে হেলিকপ্টারে করে লাস ভেগাসের একটি হাসপাতালে পাঠানো হয়।   তবে চিকিৎসকদের চেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। বুধবার সকালে লেক হাভাসু সিটির কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কিশোরটির মৃত্যু হয়েছে।   কর্তৃপক্ষ এখনো নিহত কিশোরের নাম বা বয়স প্রকাশ করেনি। সে স্থানীয় বাসিন্দা ছিল নাকি পর্যটক হিসেবে সেখানে গিয়েছিল, সে বিষয়েও কোনো তথ্য জানানো হয়নি।   একইভাবে কিশোরটি কেন ব্রিজ থেকে পানিতে ঝাঁপ দিয়েছিল, সেটিও এখনো পরিষ্কার নয়। এটি বিনোদনের উদ্দেশ্যে পানিতে ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনা ছিল কি না কিংবা অন্য কোনো পরিস্থিতি ছিল কি না, সে বিষয়ে পুলিশ কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। ফলে ঘটনার কারণ নিয়ে অনুমান না করে তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করা হচ্ছে।   লেক হাভাসু সিটির লন্ডন ব্রিজ অ্যারিজোনার অন্যতম পরিচিত পর্যটন আকর্ষণ। ব্রিজটি একসময় ইংল্যান্ডের লন্ডনে টেমস নদীর ওপর ছিল। পরে সেটি কিনে খুলে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসা হয় এবং লেক হাভাসু সিটিতে পুনর্নির্মাণ করা হয়।   কিশোরের মৃত্যুর ঘটনাটি এখনো তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কী কারণে সে ব্রিজ থেকে ঝাঁপ দিয়েছিল এবং ঘটনার আগে কোনো বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১৩, ২০২৬ ০:৪৭
ক্যালিফোর্নিয়ার হাই স্পিড রেল প্রকল্পে টাকার সংকট

ক্যালিফোর্নিয়ার হাই স্পিড রেল প্রকল্পে টাকার সংকট, ২০২৭ সালেই থমকে যেতে পারে কাজ

বিনিয়োগভিত্তিক ‘গোল্ডেন ভিসা’ কর্মসূচিতে আবেদন বৃদ্ধির মাধ্যমে ধনী বিদেশিদের আকৃষ্ট করছে নিউজিল্যান্ড। ছবি: সংগৃহীত

দেশ ছাড়ছেন যুক্তরাষ্ট্রের ধনীরা! ‘গোল্ডেন ভিসা’ নিয়ে কোথায় পাড়ি জমাচ্ছেন তারা?

মূল্যস্ফীতি ও বাড়তি ভোক্তা ব্যয়ের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ক্রেডিট কার্ড ঋণ আবারও বেড়েছে। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে ক্রেডিট কার্ডের দেনা বেড়ে ১.২৬ ট্রিলিয়ন ডলার, সর্বকালের সর্বোচ্চ রেকর্ডের কাছাকাছি

নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের জন্য ফ্রিতে ইংরেজি শেখার সুযোগ! সাথে চাকরির প্রশিক্ষণও
নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের জন্য ফ্রিতে ইংরেজি শেখার সুযোগ! সাথে চাকরির প্রশিক্ষণও

নিউইয়র্কে নতুন আসা বাংলাদেশিসহ ইংরেজিতে দক্ষতা বাড়াতে চান এমন অভিবাসীদের জন্য বিনামূল্যে ইংরেজি শেখার একাধিক সুযোগ রয়েছে। নিউইয়র্ক সিটির বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচি, পাবলিক লাইব্রেরি এবং সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিনা খরচে ইংরেজি শেখানো হচ্ছে। কিছু কর্মসূচিতে ইংরেজির পাশাপাশি চাকরির প্রস্তুতি ও কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতার প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে। নিউইয়র্ক সিটির মেয়রস অফিস অব ইমিগ্র্যান্ট অ্যাফেয়ার্স পরিচালিত ‘উই স্পিক এনওয়াইসি’ কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে ইংরেজি শেখার সুযোগ রয়েছে। নতুন অভিবাসীদের দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োজনীয় ইংরেজিতে দক্ষ করে তোলাই এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য। সরাসরি ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইনে অংশ নেওয়ার সুযোগও রয়েছে।   এই কর্মসূচির ক্লাসে সাধারণ কথোপকথনের পাশাপাশি নিউইয়র্কে দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বিষয়ে ইংরেজি শেখানো হয়। ডাক্তার বা হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ, সন্তানের স্কুলে কথা বলা, কর্মক্ষেত্রে যোগাযোগ, বিভিন্ন সরকারি সেবা গ্রহণ এবং নিজের অধিকার সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ইংরেজি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিউইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরির বিভিন্ন শাখাতেও বিনামূল্যে ইংরেজি শেখার ব্যবস্থা রয়েছে। সেখানে বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ইংরেজি ক্লাস ও কথোপকথন চর্চার সুযোগ দেওয়া হয়। নতুনদের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ের ক্লাসের পাশাপাশি কিছু স্থানে অপেক্ষাকৃত ভালো ইংরেজি জানা ব্যক্তিদের জন্যও আলাদা কার্যক্রম রয়েছে।     ব্রুকলিন পাবলিক লাইব্রেরির বিভিন্ন শাখায়ও ইংরেজি শেখার ক্লাস ও কথোপকথন চর্চার ব্যবস্থা রয়েছে। এসব ক্লাসে পড়া, লেখা, শোনা এবং কথা বলার দক্ষতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। কিছু ক্লাসে আগে থেকে নিবন্ধনের প্রয়োজন হতে পারে, আবার নির্দিষ্ট কিছু কর্মসূচিতে সরাসরি উপস্থিত হয়েও অংশ নেওয়া যায়। চাকরির প্রস্তুতির সঙ্গে ইংরেজি শেখার সুযোগ রয়েছে সিটি কলেজ অব নিউইয়র্কেও। কর্মজীবী এবং চাকরি খুঁজছেন এমন অভিবাসীদের জন্য পরিচালিত বিনামূল্যের ইংরেজি কর্মসূচিতে ব্যাকরণ, পড়া, লেখা, শোনা ও কথা বলার পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ দক্ষতার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তবে সিটি কলেজের এই কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার জন্য কিছু যোগ্যতার শর্ত রয়েছে। আবেদনকারীর বয়স কমপক্ষে ১৯ বছর হতে হবে, নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা হতে হবে এবং চাকরির জন্য প্রস্তুত বা কর্মসংস্থানের জন্য উপলব্ধ থাকতে হবে। বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবহৃত এফ-১ স্টুডেন্ট ভিসাধারীরা এই নির্দিষ্ট বিনামূল্যের কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারবেন না। সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কের প্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষা কর্মসূচির আওতাতেও ইংরেজি শেখার সুযোগ রয়েছে। বিভিন্ন ক্যাম্পাসে প্রাথমিক, মধ্যম ও উচ্চ পর্যায়ের ইংরেজি ক্লাস পরিচালনা করা হয়। ইংরেজির পাশাপাশি কোনো কোনো কেন্দ্রে হাই স্কুল সমমানের পরীক্ষার প্রস্তুতির সুযোগও দেওয়া হয়। কিংসবরো কমিউনিটি কলেজেও ইংরেজি শেখার পাশাপাশি চাকরির উপযোগী দক্ষতা তৈরির কর্মসূচি রয়েছে। ২০২৬ সালের ফল সেমিস্টারে ইংরেজির সঙ্গে খাদ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত প্রশিক্ষণের একটি বিনামূল্যের কর্মসূচির তথ্য প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আগ্রহীরা যোগ্যতা ও আসন সম্পর্কে জানতে ৭১৮-৩৬৮-৪৮৭০ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন। তবে কিংসবরো কমিউনিটি কলেজের সব ইংরেজি কোর্স বিনামূল্যে নয়। প্রতিষ্ঠানটির কিছু নিবিড় ইংরেজি শিক্ষা কর্মসূচিতে টিউশন ফি ও অন্যান্য খরচ রয়েছে। তাই আবেদন করার আগে কোন কর্মসূচি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং কোনটিতে ফি রয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। নিউইয়র্ক সিটি পাবলিক স্কুলসের প্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমেও যোগ্য ব্যক্তিদের জন্য ইংরেজি শেখা, সাধারণ শিক্ষা উন্নয়ন পরীক্ষার প্রস্তুতি এবং বিভিন্ন পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণের সুযোগ রয়েছে। পাঁচটি বরোর বিভিন্ন কেন্দ্রে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কিছু কেন্দ্রে দিনের পাশাপাশি সন্ধ্যা ও সপ্তাহান্তেও ক্লাসের ব্যবস্থা থাকে, যা কর্মজীবীদের জন্য সুবিধাজনক।     নিউইয়র্কে নতুন আসা অনেক বাংলাদেশির জন্য ইংরেজিতে দুর্বলতা চাকরি পাওয়া থেকে শুরু করে ডাক্তার দেখানো, সন্তানের স্কুলে যোগাযোগ, সরকারি অফিসে কাজ করা কিংবা দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানোর ক্ষেত্রেও বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এসব বিনামূল্যের কর্মসূচি তাদের ভাষাগত দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের কর্মক্ষেত্র ও দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সহায়তা করতে পারে। তবে সব প্রতিষ্ঠানের ক্লাসের সময়, আসন, নিবন্ধন পদ্ধতি এবং যোগ্যতার শর্ত এক নয়। কোনো কর্মসূচিতে সরাসরি গিয়ে অংশ নেওয়া গেলেও অন্য কর্মসূচিতে আগে থেকে নিবন্ধন, যোগ্যতা যাচাই বা ইংরেজি দক্ষতা নির্ধারণের পরীক্ষা দিতে হতে পারে। তাই ক্লাসে যোগ দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বশেষ সময়সূচি, আসনের অবস্থা এবং ভর্তির শর্ত নিশ্চিত করে নেওয়া উচিত।

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: আগস্ট ১২, ২০২৬ ২৩:৫
ডালাসের বিলি আর্ল ডেড মিডল স্কুলের ‘ব্রেকফাস্ট উইথ ড্যাডস’ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি স্বেচ্ছাসেবক অংশ নেন। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে বাবাহীন ছেলেদের পাশে দাঁড়াতে একটি স্কুলে ছুটে এলেন ৬০০ এর বেশি মানুষ

প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট

দুই সন্তানকে কাছে পেতেই পদ ছাড়ছেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট

জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের উদ্দেশ্যে ভিসার অপব্যবহার রোধে নতুন টাস্কফোর্স গঠন করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। ছবি: সংগৃহীত

জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের অপব্যবহার ঠেকাতে নতুন টাস্কফোর্স, ৬০০টির বেশি ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র

0 Comments