বিশ্ব

ভেনেজুয়েলায় চার দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে বাবা-ছেলে জীবিত উদ্ধার

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৮, ২০২৬ ২৩:৩
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ার চার দিন পর এক বাবা ও তার ছেলেকে জীবিত উদ্ধার করেছেন উদ্ধারকর্মীরা। দুর্যোগের কয়েক দিন পর এই উদ্ধার অভিযান বিপর্যস্ত মানুষের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার করলেও দেশজুড়ে এখনো হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। একই সঙ্গে জীবিত উদ্ধারের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রথম ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ায় ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত কাউকে পাওয়ার সম্ভাবনাও দিন দিন কমে আসছে।

 

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় শহর কাতিয়া লা মার এলাকায় উদ্ধারকর্মীরা নিরলসভাবে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন। আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দলগুলোর পাশাপাশি স্বজনদের খোঁজে স্থানীয় বাসিন্দারাও খালি হাতে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে উদ্ধারকাজে অংশ নিচ্ছেন।

 

রোববার জাতীয় পরিষদের প্রেসিডেন্ট হোর্হে রদ্রিগেজ জানান, বুধবার সন্ধ্যায় আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৭৭৪টি ভবন গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সর্বশেষ সরকারি হিসাবে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৪৫০ জনে পৌঁছেছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৩ হাজার ১৫০ জন। তবে ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও বহু মানুষ আটকে থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

ভূমিকম্পের পর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বন্দরনগরী লা গুয়াইরা। প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছাকাছি অবস্থিত এই শহরের বড় অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। উদ্ধার অভিযান চলার মধ্যেই বিভিন্ন এলাকায় ফার্মেসি, সুপারমার্কেট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

 

ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, ভূমিকম্পের পর সরকারি সহায়তা প্রয়োজনের তুলনায় ধীরগতিতে পৌঁছাচ্ছে। অনেক এলাকায় এখনো পর্যাপ্ত খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসাসেবা ও আশ্রয়ের সংকট রয়েছে।

 

এদিকে আন্তর্জাতিক সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড জানিয়েছে, সামরিক হেলিকপ্টারের মাধ্যমে দুর্গম এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রধান বিমানবন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর পুনরায় সচল করতে আরও ২৩০ জন মার্কিন সামরিক সদস্য ভেনেজুয়ায় পৌঁছাচ্ছেন।

 

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ২৫০ সদস্যের একটি দুর্যোগ মোকাবিলা দল পাঠিয়েছে। এছাড়া মেক্সিকোসহ বিভিন্ন দেশের অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারে কাজ করছে।

 

তবে উদ্ধারকর্মীরা বলছেন, সময় যত এগোচ্ছে জীবিত মানুষ উদ্ধারের সম্ভাবনা ততই কমছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এল সালভাদরের এক উদ্ধারকর্মী বলেন, "এ পর্যায়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মরদেহ উদ্ধার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবুও আমরা আশা ছাড়ছি না। ঈশ্বরের কৃপায় এখনো কিছু মানুষকে জীবিত পাওয়া যেতে পারে।"

 

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে মানুষের ক্ষোভও বাড়ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত লা গুয়াইরা অঙ্গরাজ্যের তানাগুয়ারেনা এলাকায় এক বাসিন্দাকে সেনাদের উদ্দেশে বলতে শোনা যায়, "দেশের এখন আপনাদের প্রয়োজন। অস্ত্র নামিয়ে রাখুন, কোদাল আর শাবল হাতে নিন।"

স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনার মুখে প্রেসিডেন্ট হোর্হে রদ্রিগেজ আন্তর্জাতিক সহায়তার জন্য বিভিন্ন দেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত ২৪টি দেশ ভেনেজুয়েলায় ৫২১ টন ত্রাণসামগ্রী, ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া মানুষ শনাক্তে প্রশিক্ষিত ৮৬টি অনুসন্ধানী কুকুর এবং ২ হাজার ৭০০ জনের বেশি উদ্ধারকর্মী পাঠিয়েছে।

 

জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানিয়েছে, এই দুর্যোগে সর্বোচ্চ ৬৭ লাখ ৬০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। তাদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে আশ্রয়, বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা এবং ত্রাণসামগ্রীর প্রয়োজন হবে।

এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে তেলসমৃদ্ধ ভেনেজুয়েলায় এটি সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্প। এমন সময় এই বিপর্যয় আঘাত হেনেছে, যখন দেশটি দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদি এই সংকটে হাসপাতাল, জনসেবা ও অবকাঠামো ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং লাখো মানুষ দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

 

জাতিসংঘের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠনে প্রায় ৬ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন হবে, যা দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৬ শতাংশের সমান।

 

এদিকে নির্বাসিত বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি শিগগিরই ভেনেজুয়েলায় ফিরবেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, "এখন আমাদের একসঙ্গে থাকার সময়। শোক ভাগাভাগি করার পাশাপাশি এই কঠিন সময়ে একে অপরের পাশে দাঁড়াতে হবে।"

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

ছয় বছরের মেয়ের মৃত্যুর পর বাবারও মরদেহ উদ্ধার , একসঙ্গে দাফন করা হবে বাবা-মেয়েকে

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ছয় বছরের এক শিশুকন্যা ও তার বাবার মৃত্যুকে ঘিরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে। পুলিশ জানিয়েছে, পারামাট্টা নদীতে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক ঘটনায় ৪৭ বছর বয়সী মওলিক ধান্ধুকিয়া এবং তার ছয় বছরের মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।   স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শনিবার সিডনির কনকর্ড এলাকার কাছে একটি নৌকা ভাড়া করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। তার সঙ্গে ছিলেন ছয় বছর বয়সী কন্যা। কিছু সময় পর নদীতে জরুরি পরিস্থিতির খবর পেয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে পুলিশ ও জরুরি সেবা সংস্থাগুলো।   আরও পড়ুন...টেক্সাসে স্বামীর গুলিতে স্ত্রী নিহত, পরে পুলিশের গুলিতে স্বামী নিহত; দুই শিশুকে   পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুপুরের কিছু আগে মওলিক ধান্ধুকিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর প্রায় সাত ঘণ্টা ধরে শিশুটির সন্ধানে ব্যাপক অনুসন্ধান চালানো হয়। উদ্ধারকারীরা শেষ পর্যন্ত বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শিশুকন্যার মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করেন। ঘটনার তদন্তে সহায়তার জন্য আশপাশের বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। স্থানীয় একটি স্থাপনার সিসিটিভি ফুটেজও তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।   এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক শোকবার্তায় জানানো হয়েছে, আগামী শুক্রবার রাউস হিলের ক্যাসেলব্রুক ক্রেমেটোরিয়ামে বাবা ও মেয়ের যৌথ শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে। শোকবার্তায় লেখা হয়েছে, “দুই কোমল ও সদয় আত্মা, যারা চিরকাল আমাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে। তাদের আত্মার শান্তি কামনা করছি।” তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার আগে কয়েক দফা নৌকা ভাড়া করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। একবার তার স্ত্রী প্রীতিবেন ধান্ধুকিয়াও তার সঙ্গে ছিলেন বলে জানা গেছে।   আরও পড়ুন...টেক্সাসে বিস্ফোরণের আগুনে পুড়েও বাড়ি ও নাতি-নাতনিদের বাঁচালেন এক সাহসী দাদা   পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে, যা তদন্তের অংশ হিসেবে পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত এর বিষয়বস্তু প্রকাশ করা হয়নি। কেন এমন ঘটনা ঘটল, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে মৃত্যুর প্রায় দুই সপ্তাহ আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ একটি পোস্ট করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। সেখানে তিনি ২০০৫ সালে জিমে ব্যায়াম করার সময় ঘাড়ে পাওয়া আঘাতের কারণে দীর্ঘদিন ধরে ভোগা শারীরিক সমস্যার কথা উল্লেখ করেছিলেন।   ওই পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ঘাড়ের দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা তার জীবনের অনেক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এমআরআই পরীক্ষায় তার মেরুদণ্ডের ঘাড়ের অংশে স্নায়ুর ওপর চাপের বিষয়টি ধরা পড়ে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। মওলিক ধান্ধুকিয়া পেশাগত জীবনে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কাজ করতেন। ২০২২ সাল থেকে তিনি সাউথ ইস্টার্ন সিডনি লোকাল হেলথ ডিস্ট্রিক্টে অ্যাপ্লিকেশন সাপোর্ট বিশ্লেষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর আগে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতে বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন।   এই ঘটনার পর পরিবারটির জন্য সহায়তা তহবিলও গঠন করেছেন স্বজন ও পারিবারিক বন্ধুরা। তহবিল সংগ্রহের আহ্বানে বলা হয়েছে, প্রীতিবেন ধান্ধুকিয়া একসঙ্গে তার স্বামী ও একমাত্র কন্যাকে হারিয়েছেন। এই কঠিন সময়ে তাকে আর্থিক ও মানসিক সহায়তা দেওয়ার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।   ▶️ ট্রাম্পের লাখ ডলারের এইচ-১বি ভিসা ফি অবৈধ ঘোষণা মার্কিন আদালতের   তহবিলের অর্থ শেষকৃত্যের ব্যয়, ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা এবং নিকট আত্মীয়দের যাতায়াত ও আবাসন খাতে ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট ক্রিস্টিন ম্যাকডোনাল্ড ঘটনাটিকে “পরিবার ও সমাজের জন্য এক গভীর ট্র্যাজেডি” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক একটি ঘটনা। আমরা সব দিক থেকে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি এবং কোনো সম্ভাবনাই উপেক্ষা করা হবে না।” পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পেছনে পারিবারিক সহিংসতার কোনো উপাদান ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি।   ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। বাবা ও মেয়ের একসঙ্গে শেষকৃত্যের খবর আরও আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করেছে। স্বজন ও পরিচিতজনরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের স্মরণ করে শোক প্রকাশ করছেন।

Advertisement

বিশ্ব

View more
ছবি: সংগৃহীত
‘পারমাণবিক বোমা ছাড়া ইরানের সামনে আর কোনো পথ নেই’

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ দাবি করেছে, বর্তমান বৈশ্বিক শক্তির পুনর্বিন্যাস এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে সামরিক হুমকি মোকাবিলায় পারমাণবিক প্রতিরোধক্ষমতা অর্জন ছাড়া তেহরানের সামনে কার্যত আর কোনো বিকল্প নেই।   রোববার প্রকাশিত এক মন্তব্যধর্মী নিবন্ধে ফার্স নিউজ বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা এবং আন্তর্জাতিক শক্তির ভারসাম্যে পরিবর্তনের কারণে ইরানের জন্য কৌশলগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তাদের মতে, কেবল পারমাণবিক প্রতিরোধক্ষমতা অর্জনের মাধ্যমেই ইরান ভবিষ্যৎ সংঘাতের ঝুঁকি কমাতে এবং সম্ভাব্য সামরিক হামলার হুমকি নিরুৎসাহিত করতে পারবে।   নিবন্ধে আরও বলা হয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিরোধ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হলে আগে প্রয়োজন একটি স্থিতিশীল কৌশলগত পরিবেশ। আর সেই পরিবেশ তৈরি করতে ইরানের জন্য পারমাণবিক প্রতিরোধক্ষমতা গড়ে তোলা জরুরি বলে দাবি করা হয়েছে।   ফার্স নিউজের ভাষ্য অনুযায়ী, এমন সক্ষমতা অর্জনের পরই ইরান শক্তিশালী অবস্থান থেকে কূটনৈতিক আলোচনায় অংশ নিতে পারবে। একই সঙ্গে পারমাণবিক প্রতিরোধক্ষমতা ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি নতুন কৌশলগত ভারসাম্য তৈরি করতে পারে, যা ভবিষ্যতে সংঘাত সৃষ্টি হলেও তার বিস্তার সীমিত রাখতে সহায়ক হতে পারে বলে মন্তব্য করা হয়েছে।   তবে এটি ফার্স নিউজের একটি মন্তব্যধর্মী নিবন্ধ, যা ইরান সরকারের আনুষ্ঠানিক নীতিগত ঘোষণা নয়। এখন পর্যন্ত ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেনি। দেশটি দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে পশ্চিমা দেশগুলো ও আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ), ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনা এবং আইএইএর তদারকি পুনরায় শুরু করার বিষয়ে উদ্যোগ চললেও তা এখনও পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।   বিশ্লেষকদের মতে, ফার্স নিউজের এই অবস্থান ইরানের অভ্যন্তরে নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা নীতি নিয়ে চলমান বিতর্ককে নতুন করে সামনে এনেছে। তবে এটি দেশটির সরকারি নীতিতে কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয় কি না, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৮, ২০২৬ ২৩:১৩
ছবি: সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলায় চার দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে বাবা-ছেলে জীবিত উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মিয়ানমার সীমান্তে দুটি ভূমিকম্প, বাংলাদেশেও অনুভূত কম্পন

ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের কাছ থেকে অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জাম কিনেছে সৌদি-কাতার

ছবি: সংগৃহীত
সৈকতে হাঁটতে গিয়ে ১৮ লাখ বছরের পুরোনো হাতির আত্মীয়ের দাঁত পেল ১১ বছরের শিশু

পরিবারের সঙ্গে সমুদ্রসৈকতে বেড়াতে গিয়ে ১১ বছর বয়সী এক শিশুর হাতে উঠে এসেছে প্রায় ১৮ লাখ বছর আগের এক বিরল জীবাশ্ম। প্রথমে পাথর বলে মনে হলেও পরে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেন, সেটি বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া হাতির এক প্রজাতির দাঁত।   যুক্তরাজ্যের সংবাদ সংস্থা এসডব্লিউএনএস এবং মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মে মাসে ইংল্যান্ডের সাফোক কাউন্টির ইপসউইচের কাছে উপকূলীয় গ্রাম বডসির ইস্ট লেন সৈকতে পরিবারের সঙ্গে বেড়াতে গিয়েছিল ১১ বছর বয়সী চার্লি অরচার্ড-লাইল। সৈকতের ঢেউয়ের ধারে হাঁটার সময় তার চোখে পড়ে অস্বাভাবিক আকৃতির একটি বস্তু। সেটি হাতে তুলে নেওয়ার পর পরিবারের সদস্যদেরও মনে হয়, এটি সাধারণ কোনো পাথর নয়।   পরে বিশেষজ্ঞদের পরীক্ষায় জানা যায়, এটি বিলুপ্ত হাতির আত্মীয় অ্যানানকাস আরভারনেনসিস (Anancus arvernensis) প্রজাতির একটি ওপরের বাম পাশের মোলার বা পেছনের দাঁত। প্রায় চার ইঞ্চি চওড়া এই দাঁতের এনামেল দীর্ঘ সময় ধরে খনিজে পরিণত হয়ে সংরক্ষিত রয়েছে।   চার্লির মা এলিয়েনর অরচার্ড-লাইল জানান, ঘটনাটি আরও বিস্ময়কর কারণ দাঁতটি খুঁজে পাওয়ার মাত্র ১০ মিনিট আগে তার ছেলে হাতি কতটা পছন্দ করে, সে কথাই বলছিল।   তিনি বলেন, "আমরা সৈকত ধরে হাঁটছিলাম। ঢেউয়ের ধারে একটি বস্তু দেখতে পাই। দূর থেকেই সেটি আলাদা মনে হচ্ছিল। কাছে গিয়ে হাতে তোলার পরই বুঝতে পারি, এটি অন্য রকম কিছু। এর স্পর্শও সাধারণ পাথরের মতো ছিল না।"   পরিবারটির ধারণা, জীবাশ্মটি সম্ভবত কাছাকাছি অবস্থিত রেড ক্র্যাগ (Red Crag) নামের জীবাশ্মসমৃদ্ধ ভূতাত্ত্বিক স্তরে দীর্ঘদিন চাপা ছিল। উপকূলীয় ক্ষয়ের কারণে সেটি বেরিয়ে এসে সমুদ্রের ঢেউয়ে ভেসে সৈকতে চলে আসে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, রেড ক্র্যাগ অঞ্চলটি ইংল্যান্ডের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূতাত্ত্বিক গঠন, যেখানে প্লাইওসিন ও প্রারম্ভিক প্লাইস্টোসিন যুগের বহু জীবাশ্ম পাওয়া গেছে। এ কারণে এলাকাটি জীবাশ্ম অনুসন্ধানকারীদের কাছেও বেশ পরিচিত।   এলিয়েনর বলেন, "বিশ্বাসই করতে পারছি না, ১৮ লাখ বছর আগে পৃথিবীতে থাকা একটি প্রাণীর দাঁত আজ সমুদ্রসৈকতে খুঁজে পাওয়া যায়। এটি সত্যিই অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা।"   সাম্প্রতিক সময়ে শিশুদের হাতে প্রাচীন নিদর্শন আবিষ্কারের আরও কয়েকটি ঘটনা আলোচনায় এসেছে। গত এপ্রিলের শেষ দিকে নরওয়েতে একদল প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী মাঠে ঘুরতে গিয়ে ভাইকিং যুগের একটি বিরল তলোয়ার খুঁজে পায়। একই সময়ে ইসরায়েলের নেগেভ মরুভূমির রামন ক্রেটারে বেড়াতে গিয়ে আট বছর বয়সী এক শিশু প্রায় ১ হাজার ৭০০ বছর পুরোনো রোমান যুগের একটি মূর্তির ভগ্নাংশ আবিষ্কার করে, যা প্রত্নতাত্ত্বিকদেরও বিস্মিত করে।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উপকূলীয় ক্ষয়, ঝড় কিংবা জোয়ারের কারণে দীর্ঘদিন মাটির নিচে চাপা থাকা জীবাশ্ম অনেক সময় উন্মুক্ত হয়ে পড়ে। তবে এ ধরনের কোনো বস্তু খুঁজে পেলে সেটি ব্যক্তিগতভাবে সংরক্ষণ না করে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা জাদুঘর কর্তৃপক্ষকে জানানো উচিত, যাতে বৈজ্ঞানিকভাবে এর গুরুত্ব মূল্যায়ন করা যায়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৮, ২০২৬ ২২:১৩
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান, ২৯ সন্ত্রাসী নিহতের দাবি

ছবি: সংগৃহীত

তাজিয়া মিছিলে ১৫ হাজার মানুষকে হত্যার চক্রান্ত ফাঁস, ধরা পড়ল ‘মাস্টারমাইন্ড’

গরুর মাংস রান্না করায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

গরুর মাংস রান্না করায় ভারতে বাড়ি থেকে তিন নারীকে গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত
কলম্বিয়ার মডেল-ইনফ্লুয়েন্সার হত্যাকাণ্ডে ব্রিটিশ নাগরিক গ্রেপ্তার, বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখার অজুহাতে নিজেকে নির্দোষ দাবি

কলম্বিয়ার জনপ্রিয় মডেল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিত মুখ নাতালিয়া ভিয়ালবা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ব্রিটিশ নাগরিক ম্যাথিউ অ্যাশলি ফস্টার-স্মিথকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কলম্বিয়ার তদন্ত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, ভিয়ালবাকে হত্যার পর তার মরদেহ একটি স্যুটকেসে লুকিয়ে রেখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান তিনি। পরে নিজের নির্দোষিতা প্রমাণের চেষ্টা হিসেবে বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ দেখার অজুহাতও দেন।   আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ৩৬ বছর বয়সী নাতালিয়া ভিয়ালবা গত ১৮ জুন কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোতার অভিজাত চিকো এলাকায় একটি ভাড়ার অ্যাপার্টমেন্টে অবস্থান করছিলেন। ওই দিনই তার মায়ের সঙ্গে শেষবার যোগাযোগ হয়। এরপর কয়েক দিন তার কোনো খোঁজ না পেয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে।   ২১ জুন অ্যাপার্টমেন্টের বুকিংয়ের মেয়াদ শেষ হলে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা কক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে বাথরুমে চলমান ঝরনার নিচে রাখা একটি স্যুটকেসের ভেতর থেকে ভিয়ালবার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তদন্তকারীদের ধারণা, হত্যার পর আলামত গোপন করার উদ্দেশ্যেই মরদেহ সেখানে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।   তদন্তে ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে সামনে এসেছে। এতে সন্দেহভাজন ম্যাথিউ অ্যাশলি ফস্টার-স্মিথকে ভবনের ভেতরে চলাফেরা করতে এবং কিছু বিছানার চাদর লন্ড্রি কক্ষে নিয়ে যেতে দেখা গেছে বলে জানিয়েছে তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র।   ঘটনার পর ফস্টার-স্মিথ কলম্বিয়া ছেড়ে স্থলপথে ইকুয়েডরে পালিয়ে যান। পরে ইন্টারপোল তার বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করলে কলম্বিয়া, ইকুয়েডর ও যুক্তরাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত অভিযানে শনিবার কুইটো বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে সময় তিনি যুক্তরাজ্যে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বলে জানা গেছে।   গ্রেপ্তারের কয়েক ঘণ্টা আগে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান-এর সঙ্গে কথা বলে ফস্টার-স্মিথ দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি একটি আইরিশ বারে বড় পর্দায় ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়ার বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখছিলেন। তার ভাষ্য, ম্যাচ শেষে তিনি একটি শপিং সেন্টারে ঘুরে বেড়ান, আইসক্রিম কেনেন এবং পরে আবার খেলা দেখতে ফিরে যান। এছাড়া তিনি দাবি করেন, স্থানীয় একটি অপরাধী চক্রের কাছ থেকে ঋণসংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছিলেন।   তবে কলম্বিয়ার প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, ভিয়ালবাকে হত্যার পর আলামত নষ্টের চেষ্টা করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান ফস্টার-স্মিথ। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই তার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। বোগোতার মেয়র কার্লোস ফার্নান্দো গালান এক বিবৃতিতে বলেন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে এই গ্রেপ্তার সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, "এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা হবে।"   তদন্তে আরও জানা গেছে, ফস্টার-স্মিথ এর আগেও যুক্তরাজ্যে একাধিকবার নারীদের অনুসরণ ও হয়রানির অভিযোগে দণ্ডিত হয়েছিলেন। চলতি বছরই তিনি দুই বছরের বেশি কারাভোগ শেষে মুক্তি পান। এর আগে ২০২০ সালেও এক সাবেক সঙ্গীকে অনুসরণ ও ব্যক্তিগত ছবি অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তাকে ১৮ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।   কলম্বিয়ার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং মামলাটির বিচারিক প্রক্রিয়া আইন অনুযায়ী এগিয়ে নেওয়া হবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৮, ২০২৬ ২০:২৭
১৬ বছরের নিচে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে কঠোরতা বাড়াচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

১৬ বছরের নিচে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে কঠোরতা বাড়াচ্ছে অস্ট্রেলিয়া, জরিমানা দ্বিগুণের ঘোষণা

ফ্রান্সে বিমান বিধ্বস্তে নিহত অন্তত ১৩

ফ্রান্সে বিমান বিধ্বস্তে নিহত অন্তত ১৩, উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত

খামেনির শেষযাত্রায় দুই কোটির বেশি মানুষের সমাগমের প্রস্তুতি

খামেনির শেষযাত্রায় দুই কোটির বেশি মানুষের সমাগমের প্রস্তুতি, ৪ জুলাই শুরু তেহরানে

0 Comments