যুক্তরাষ্ট্রে মেয়ের শোবার ঘরে অপরিচিত যুবককে দেখে গুলি করে হত্যা করলেন মা
যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যের মেমফিসে নিজের মেয়ের শোবার ঘরে এক যুবককে দেখতে পেয়ে গুলি করে হত্যার অভিযোগে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত নারীর নাম কেন্দ্রা স্কট (৩৬)। তদন্তকারীদের কাছে তিনি বলেছেন, "যা করার ছিল, তাই করেছি।" তবে ঘটনার তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে প্রথম ডিগ্রির হত্যা এবং বিপজ্জনক অপরাধ সংঘটনের সময় আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ডব্লিউএমসি (WMC) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোররাত প্রায় ১টা ৪৫ মিনিটে মেমফিসের ওয়াকার হোমস এলাকায় গুলির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। সেখানে একটি বাড়ির সামনের উঠানে মাথার পেছনে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক যুবককে পড়ে থাকতে দেখা যায়। ঘটনাস্থলেই চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকেই কেন্দ্রা স্কটকে আটক করে। আদালতে দাখিল করা হলফনামা অনুযায়ী, স্কট তদন্তকারীদের জানান যে তিনি নিজের সন্তানের কক্ষের বিছানার নিচে ওই যুবককে লুকিয়ে থাকতে দেখেন। এরপরই তিনি গুলি চালান। ঘটনার পর তিনি পুলিশকে বলেন, "আমি যা করার ছিল, তাই করেছি।"
তদন্তে পরে পুলিশ জানতে পারে, ওই যুবককে বাড়িতে ডেকেছিল স্কটের মেয়েই। তদন্তকারীদের কাছে কিশোরীটি জানায়, তার মা আগে থেকেই সতর্ক করেছিলেন যে, যদি সে কখনো কোনো ছেলেকে বাড়িতে নিয়ে আসে, তাহলে তিনি তাকে গুলি করবেন। এই বক্তব্যও মামলার নথিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ঘটনার সবদিক পর্যালোচনা করে পুলিশ কেন্দ্রা স্কটের বিরুদ্ধে প্রথম ডিগ্রির হত্যা এবং বিপজ্জনক অপরাধ সংঘটনের সময় আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ দায়ের করেছে। তদন্তকারীরা এখন ঘটনার পেছনের পরিস্থিতি, নিহত যুবকের সঙ্গে পরিবারের সম্পর্ক এবং ঘটনার আগে কী ঘটেছিল, সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখছেন।
আদালতের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, শুক্রবার কেন্দ্রা স্কটকে প্রথমবারের মতো আদালতে হাজির করা হবে। সেখানে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান থাকায় কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করেনি।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreযুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের শিশুপুত্রকে ঘিরে তীব্র কটাক্ষ করেছে ঘানায় অবস্থিত ইরানের দূতাবাস। ভ্যান্সের ছেলে অ্যালেকের জন্মকে স্বাগত জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ইরানের মিনাব শহরে স্কুলে হা মলায় নি হ ত শিশুদের প্রসঙ্গ তুলে ধরেছে দূতাবাসটি। একই সঙ্গে ওই ঘটনার পর ভ্যান্সের নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে তারা। গত ২৫ অক্টোবর দূতাবাসের এক্স অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত বার্তাটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ইরানের দূতাবাসের পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘পৃথিবীতে স্বাগত, অ্যালেক। তুমি উষ্ণতা ও নিরাপত্তার মধ্যে বড় হবে। আমরা প্রার্থনা করি, তোমার মা যখন তোমাকে গর্ভে ধারণ করেছিলেন, তখন তোমার বাবা যে প্রশাসনের অংশ ছিলেন, তারা ইরানের শিশুদের সঙ্গে কী করেছে, তা যেন তোমাকে কখনো জানতে না হয়।’ এরপর মিনাবে নি হ ত শিশুদের প্রসঙ্গ টেনে দূতাবাসটি বলে, বড় হয়ে এসব ঘটনা জানতে পারলে অ্যালেক যেন তাঁর বাবাকে জিজ্ঞেস করেন, কেন তিনি ওই শিশুদের মৃ ত্যুতে শোক প্রকাশ করেননি। দূতাবাসের দাবি, সেই প্রশ্নের উত্তর ভ্যান্স দিতে পারবেন না। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও তাঁর স্ত্রী উষা ভ্যান্সের চতুর্থ সন্তান অ্যালেক নীল ভ্যান্সের জন্ম হয় গত ১৯ জুলাই। মেরিল্যান্ডের ওয়াল্টার রিড ন্যাশনাল মিলিটারি মেডিকেল সেন্টারে শিশুটির জন্মের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ভ্যান্স। সে সময় তিনি জানান, মা ও নবজাতক দুজনই সুস্থ আছেন। তাঁদের আরও তিন সন্তান রয়েছে। সন্তানের জন্মের তিন মাসের বেশি সময় পর ইরানের দূতাবাসের এমন রাজনৈতিক বার্তা নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনাকে সামনে এনেছে। ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমোজগান প্রদেশের মিনাব শহরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভয়াবহ হা মলা হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর দিনেই শাজারেহ তাইয়েবেহ নামের বিদ্যালয়টি আক্রান্ত হয়। ওই হা মলায় বিপুলসংখ্যক শিশু ও শিক্ষক নি হ ত হন। ইরানি কর্তৃপক্ষ প্রথম থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করে আসছে। জাতিসংঘের একটি তদন্ত প্রতিবেদনে বিশ্বাসযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে ১৫৭ জন নি হ ত হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাঁদের মধ্যে ১২৩ জন শিশু। হা মলার পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর প্রাথমিক তদন্তেও মার্কিন বাহিনীর সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, হা মলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী দায়ী হয়ে থাকতে পারে বলে তদন্তকারীরা মনে করছেন। পরবর্তী সময়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ গঠিত স্বাধীন তদন্ত দল জানায়, বিদ্যালয়টিতে হা মলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী ছিল বলে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত ভিত্তি রয়েছে। তদন্ত দল ঘটনাটিকে যু দ্ধ অ প রা ধ হিসেবে বিবেচনারও ভিত্তি পেয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে হা মলার দায় স্বীকার করেনি। মিনাবের ওই হা মলা নিয়ে পেন্টাগনের তদন্ত প্রতিবেদনও এখনো প্রকাশ করা হয়নি। গত ১৬ অক্টোবর প্রকাশিত ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তদন্তের ফল প্রকাশ না করার পরিকল্পনা রয়েছে পেন্টাগনের শীর্ষ পর্যায়ে। যদিও এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। পেন্টাগন জানিয়েছে, তদন্ত এখনো চলমান। এদিকে হা মলার ঘটনায় জবাবদিহি ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন মার্কিন আইনপ্রণেতাদের একাংশ। মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সন্তান জন্মের সংবাদকে কেন্দ্র করে ইরানি কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের এমন মন্তব্য এবারই প্রথম নয়। গত মে মাসে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিটের কন্যাসন্তানের জন্মের পর আর্মেনিয়ায় অবস্থিত ইরানের দূতাবাস একই ধরনের বার্তা দিয়েছিল। সেখানেও মিনাবে নি হ ত শিশুদের কথা উল্লেখ করে লেভিটকে তাদের মায়েদের কষ্টের কথা স্মরণ করতে বলা হয়। এবার ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের শিশুপুত্রকে উদ্দেশ করে দেওয়া বার্তায় সেই একই ঘটনার প্রসঙ্গ সামনে আনল ইরান। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান বিরোধে মিনাবের বিদ্যালয়ে হা মলা বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা ও সামরিক অভিযানের জবাবদিহি নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে। ইরান ঘটনাটিকে মার্কিন সামরিক অভিযানের মানবিক ক্ষয়ক্ষতির উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরছে। অন্যদিকে ওয়াশিংটনের বক্তব্য, মার্কিন বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্যবস্তু করে না। দুই দেশের পাল্টাপাল্টি অবস্থানের মধ্যেই ভ্যান্সের শিশুপুত্রকে ঘিরে ইরানি দূতাবাসের বার্তা নতুন করে কূটনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে ঋণদাতাদের বাড়ি দখল বেড়েছে ৪২ শতাংশ, চাপ বাড়লেও আতঙ্কিত হতে মানা বিশেষজ্ঞদের
বড় সংঘা তের আশঙ্কায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে ৯০ দিন স্বনির্ভর রাখার প্রস্তুতি নিচ্ছে পেন্টাগন
টেক্সাসের হিউস্টনের শ্রমবাজারে হঠাৎ মন্দার সংকেত, এক মাসে কমেছে ৭ হাজার ৩০০ কর্মসংস্থান
নিউইয়র্ক সিটির সরকারি গাড়িতে অতিরিক্ত গতিতে চলাচল নিয়ন্ত্রণে আরও বড় পরিসরে প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হচ্ছে। আগামী তিন বছরে আরও ২ হাজার সরকারি গাড়িতে ‘ইন্টেলিজেন্ট স্পিড অ্যাসিস্ট্যান্স’ (আইএসএ) প্রযুক্তি যুক্ত করা হবে। এর ফলে সব মিলিয়ে সিটির ৩ হাজার গাড়ি এই ব্যবস্থার আওতায় আসবে। সড়কে পথচারী, সাইকেল আরোহী ও গাড়িচালকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সরকারি গাড়ির গতিসীমা লঙ্ঘনের প্রবণতা কমানো এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি এবং ডিপার্টমেন্ট অব সিটিওয়াইড অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসেসের (ডিসিএএস) কমিশনার ইউমে কিতাসেই এ সম্প্রসারণের ঘোষণা দিয়েছেন। কুইন্স থিয়েটারে অনুষ্ঠিত সিটির ১১তম বার্ষিক ভিশন জিরো ফ্লিট সেফটি ফোরামে এ ঘোষণা আসে। একই অনুষ্ঠানে ১০০টি স্কুলবাসে পথচারীদের সতর্ক করার প্রযুক্তি পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহারের পরিকল্পনাও জানানো হয়। আইএসএ প্রযুক্তির কাজ হলো গাড়ির গতি নির্ধারিত সীমার মধ্যে রাখতে সহায়তা করা। কোনো গাড়ি স্থানীয়ভাবে নির্ধারিত গতিসীমা কিংবা ডিসিএএসের বেঁধে দেওয়া সীমা অতিক্রম করলে এই প্রযুক্তি গাড়ির গতি আরও বাড়ানোর ক্ষমতা সীমিত করে দেয়। এর ফলে চালকের পক্ষে নির্ধারিত সীমার বেশি গতিতে গাড়ি চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়। নিউইয়র্ক সিটি স্কুল বাস আমব্রেলা সার্ভিসেসের (এনওয়াইসিএসবিইউএস) সঙ্গে যৌথভাবে স্কুলবাসে সতর্কীকরণ প্রযুক্তির পরীক্ষাটি পরিচালনা করবে ডিসিএএস। বাস মোড় নেওয়ার সময় আশপাশে থাকা পথচারীদের সতর্ক করতে প্রযুক্তিটি কতটা কার্যকর, তা যাচাই করা হবে। মেয়র জোহরান মামদানি বলেন, সড়ক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে নিউইয়র্কের বাসিন্দাদের কাছ থেকে যে মান বজায় রাখার প্রত্যাশা করা হয়, সিটির কর্মীদেরও তা অনুসরণ করতে হবে। সরকারি গাড়িবহর থেকেই নিরাপদে গাড়ি চালানোর দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চায় তাঁর প্রশাসন। ডিসিএএসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে মাত্র ৫০টি গাড়িতে আইএসএ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কর্মসূচিটির পরীক্ষামূলক যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে এক হাজারের বেশি সিটি গাড়িতে এ প্রযুক্তি রয়েছে। এসব গাড়ি সম্মিলিতভাবে এক কোটিরও বেশি মাইল চলেছে। ডিসিএএস এবং যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন বিভাগের ভলপি ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সিস্টেমস সেন্টারের যৌথ গবেষণায় প্রযুক্তিটির কার্যকারিতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। গবেষণায় দেখা যায়, আইএসএ প্রযুক্তি ব্যবহারের পর সংশ্লিষ্ট গাড়িগুলোতে গতিসীমা লঙ্ঘনের ঘটনা ৬৪ শতাংশ কমেছে। মহাসড়কসহ বেশি গতিতে চলাচলের সড়কগুলোতে এ হার কমেছে ৮২ শতাংশ। নতুন কর্মসূচিটি মেয়রের ১০ বছর মেয়াদি সড়ক নিরাপত্তা পরিকল্পনা ‘ভিশন জিরো রিইম্যাজিনড’-এর অংশ। পাশাপাশি ২০২৬ সালের জুলাইয়ে স্বাক্ষরিত নির্বাহী আদেশ ১৯ বাস্তবায়নেও এটি ভূমিকা রাখবে। ওই নির্বাহী আদেশে জরুরি সেবার কাজে ব্যবহৃত হয় না, এমন সিটির সব ট্রাকে পথচারীদের সতর্ক করার ব্যবস্থা যুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নতুন কেনা অজরুরি সেবার গাড়ি ও ট্রাকে পথচারী সতর্কীকরণ ব্যবস্থা এবং আইএসএ প্রযুক্তি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সিটির গাড়িবহরের নিরাপত্তা তদারকিতে ডিসিএএসের ফ্লিট অফিস অব রিয়েল টাইম ট্র্যাকিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ দপ্তরের মাধ্যমে ৩০ হাজারের বেশি সরকারি গাড়ি ও স্কুলবাসের অবস্থান এবং গতি পর্যবেক্ষণ করা হয়। আইএসএ প্রযুক্তি পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় গতিসীমার মানচিত্র, ট্র্যাকিং ব্যবস্থা ও নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তিও তদারক করে দপ্তরটি। সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো উদ্যোগটিকে স্বাগত জানিয়েছে। অতিরিক্ত গতিতে চলা গাড়ির ধাক্কায় ছেলে স্যামিকে হারানো ‘ফ্যামিলিজ ফর সেফ স্ট্রিটস’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি অ্যামি কোহেন বলেন, এ ধরনের প্রযুক্তি একই রকম মর্মান্তিক ঘটনা ঠেকাতে সহায়তা করতে পারে। তবে নতুন সম্প্রসারণের আওতা আপাতত সিটির নিজস্ব গাড়িবহরের মধ্যেই সীমিত। সড়ক নিরাপত্তাকর্মী ও সিটি কাউন্সিল সদস্য লিংকন রেস্টলার বিপজ্জনকভাবে গাড়ি চালানো ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত গাড়িতেও এ ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
গ্রিন কার্ডের আবেদনে বয়স ২১ হলেই বিপদ, সময়সীমা নিয়ে নতুন সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রে
যুক্তরাষ্ট্রে বুধবার আসছে সোশ্যাল সিকিউরিটির পেমেন্ট, সর্বোচ্চ ৫১৮১ ডলার
স্ন্যাপ ও মেডিকেইড সুবিধা ধরে রাখতে নিউ ইয়র্ক সিটির নতুন উদ্যোগ, চালু হলো বিশেষ ওয়েবসাইট
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটি ও লস অ্যাঞ্জেলেসে উবার চালিয়ে কত টাকা আয় করা যায়, তা নিয়ে ড্রাইভারদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে। একই কোম্পানির অ্যাপ ব্যবহার করলেও দুই শহরের ড্রাইভারদের আয়ের হিসাব এক নয়। যাত্রীদের চাহিদা, ট্রিপের দূরত্ব, স্থানীয় পেমেন্ট নীতি এবং গাড়ি পরিচালনার খরচের কারণে এই পার্থক্য তৈরি হয়। ২০২৬ সালের সরকারি পেমেন্ট নীতিতে দেখা যাচ্ছে, নিউইয়র্কে উবার ড্রাইভারদের জন্য ট্রিপভিত্তিক ন্যূনতম আয়ের আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে। অন্যদিকে লস অ্যাঞ্জেলেসে ক্যালিফোর্নিয়ার প্রপোজিশন ২২ অনুযায়ী ড্রাইভারদের ন্যূনতম আয়ের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়। তবে কোন শহরে প্রকৃত লাভ বেশি, তা জানতে শুধু ট্রিপের আয় নয়, সব খরচও বিবেচনা করতে হবে। নিউইয়র্ক সিটির ট্যাক্সি অ্যান্ড লিমুজিন কমিশন বা টিএলসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ মার্চ থেকে সাধারণ গাড়িতে উবার ও লিফটের ট্রিপের জন্য ন্যূনতম পেমেন্টের হার বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে শহরের ভেতরে যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে প্রতি মাইলে ১ ডলার ২৮ দশমিক ৩ সেন্ট এবং প্রতি মিনিটে ৬৮ দশমিক ১ সেন্ট হারে ন্যূনতম পেমেন্ট নির্ধারিত রয়েছে। আগের বছরের তুলনায় এই হার ৩ দশমিক ৩৬ শতাংশ বেড়েছে। তবে এটি ড্রাইভারদের ঘণ্টাপ্রতি নির্দিষ্ট বেতন নয়। যাত্রী নিয়ে কত মাইল এবং কত মিনিট গাড়ি চালানো হয়েছে, তার ভিত্তিতে প্রতিটি ট্রিপের ন্যূনতম পেমেন্ট হিসাব করা হয়। সহজ উদাহরণ হিসেবে, নিউইয়র্কে একজন উবার ড্রাইভার যদি যাত্রী নিয়ে ছয় মাইল পথ অতিক্রম করতে ২০ মিনিট সময় নেন, তাহলে টিএলসির বর্তমান ফর্মুলা অনুযায়ী ওই ট্রিপের ন্যূনতম পেমেন্ট হবে প্রায় ২১ ডলার ৩২ সেন্ট। যাত্রী টিপস দিলে তা এই পেমেন্টের অতিরিক্ত হিসেবে পাওয়ার কথা। কিন্তু একজন ড্রাইভার দিনে এমন কতটি ট্রিপ পাবেন, তা নির্দিষ্ট নয়। যাত্রী ওঠানোর আগে গাড়ি চালিয়ে যাওয়া, ট্রিপের জন্য অপেক্ষা এবং যানজটে আটকে থাকার কারণে একই সময় কাজ করেও দুই ড্রাইভারের আয় ভিন্ন হতে পারে। অন্যদিকে লস অ্যাঞ্জেলেসে উবার ড্রাইভারদের আয়ের হিসাব চলে ক্যালিফোর্নিয়ার প্রপোজিশন ২২-এর আওতায়। উবারের প্রকাশিত নির্দেশনা অনুযায়ী, ড্রাইভাররা অ্যাকটিভ টাইমের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার ন্যূনতম মজুরির অন্তত ১২০ শতাংশ এবং অ্যাকটিভ মাইলের জন্য নির্ধারিত মাইলেজ ক্ষতিপূরণের নিশ্চয়তা পান। অ্যাকটিভ টাইম বলতে ট্রিপ গ্রহণ করার পর থেকে সেটি শেষ হওয়া পর্যন্ত সময়কে বোঝায়। ফলে অ্যাপে অনলাইনে থেকে যাত্রীর অপেক্ষায় কাটানো সময় এই নিশ্চয়তার হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয় না। নির্ধারিত সময় শেষে ড্রাইভারের যোগ্য আয় নিশ্চয়তার পরিমাণের নিচে থাকলে কোম্পানি পার্থক্য সমন্বয় করে দেয়। এই দুই ব্যবস্থার পার্থক্য বোঝা জরুরি। নিউইয়র্কে ড্রাইভারদের ন্যূনতম পেমেন্ট মূলত ট্রিপের দূরত্ব ও সময়ের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। অন্যদিকে ক্যালিফোর্নিয়ায় অ্যাকটিভ টাইম ও মাইলেজের ভিত্তিতে আয়ের নিশ্চয়তা হিসাব করা হয়। ফলে নিউইয়র্কের প্রতি ট্রিপের পেমেন্ট এবং লস অ্যাঞ্জেলেসের ঘণ্টাভিত্তিক আয়ের নিশ্চয়তাকে সরাসরি তুলনা করলে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে। দুটি শহরের প্রকৃত আয় তুলনা করতে হলে একই সময়ের মোট কাজের ঘণ্টা, সম্পন্ন করা ট্রিপ এবং গাড়ির খরচের তথ্য প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রের রাইডশেয়ার ড্রাইভারদের আয় নিয়ে বিভিন্ন গবেষণায়ও গ্রস আয় ও নেট আয়ের মধ্যে পার্থক্যের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। গ্রস আয় হলো ড্রাইভার গাড়ি পরিচালনার নিজস্ব খরচ বাদ দেওয়ার আগে যত অর্থ পান। অন্যদিকে নেট আয় নির্ধারণ করতে গ্যাস, ইন্স্যুরেন্স, গাড়ির কিস্তি বা লিজ, মেইনটেন্যান্স, টায়ার পরিবর্তন এবং অন্যান্য খরচ বাদ দিতে হয়। ড্রাইভারের ব্যক্তিগত ট্যাক্সের হিসাবও আলাদা। ফলে প্রতিদিন ২০০ ডলার গ্রস আয় করলেই পুরো অর্থ তাঁর হাতে থেকে যাবে, এমন নয়। নিউইয়র্কে উবার চালানোর ক্ষেত্রে টিএলসি লাইসেন্স ও সংশ্লিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হয়। গাড়ির ইন্স্যুরেন্স, লাইসেন্সিং এবং অন্যান্য পরিচালন ব্যয়ও আয়ের ওপর প্রভাব ফেলে। অনেক ড্রাইভার নিজের গাড়ি ব্যবহার করেন, আবার কেউ ভাড়া বা লিজ নেওয়া গাড়ি দিয়ে কাজ করেন। ভাড়া গাড়ির ক্ষেত্রে সাপ্তাহিক নির্দিষ্ট খরচ থাকায় পর্যাপ্ত ট্রিপ না পেলে লাভ কমে যেতে পারে। অন্যদিকে নিজের গাড়ি থাকলেও মর্টগেজের মতো গাড়ির লোন, ইন্স্যুরেন্স ও মেইনটেন্যান্সের খরচ বিবেচনায় নিতে হয়। লস অ্যাঞ্জেলেসেও গাড়ি পরিচালনার খরচ গুরুত্বপূর্ণ। শহরের বিস্তৃত এলাকা, যাত্রী ওঠানো ও নামানোর স্থান এবং ট্রিপের মধ্যবর্তী দূরত্বের কারণে ড্রাইভারদের অনেক সময় যাত্রী ছাড়াই গাড়ি চালাতে হয়। এসব মাইলের জন্য সরাসরি ট্রিপের ভাড়া পাওয়া যায় না, অথচ গ্যাস ও গাড়ির ক্ষয়ক্ষতির খরচ বাড়তে থাকে। একইভাবে ব্যস্ত সময়ে বেশি ট্রিপ পাওয়ার সুযোগ থাকলেও যানজট এবং যাত্রী পাওয়ার অনিশ্চয়তা আয়ের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। নিউইয়র্ক ও লস অ্যাঞ্জেলেসের ড্রাইভারদের প্রতিদিনের গড় আয়ের সরাসরি তুলনাযোগ্য সাম্প্রতিক সরকারি তথ্য পাওয়া যায় না। তাই নিউইয়র্কে প্রতিদিন ২৫০ ডলার এবং লস অ্যাঞ্জেলেসে ২০০ ডলার আয় হয়, এমন নির্দিষ্ট অঙ্ককে দুই শহরের সব ড্রাইভারের গড় আয় হিসেবে উপস্থাপন করা যথাযথ নয়। একজন ড্রাইভার কত ঘণ্টা কাজ করছেন, কোন সময়ে গাড়ি চালাচ্ছেন, কতটি ট্রিপ পাচ্ছেন এবং কী ধরনের গাড়ি ব্যবহার করছেন, তার ওপর আয় উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী বাংলাদেশি উবার ড্রাইভারদের জন্য এই পার্থক্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই ফুলটাইম উবার চালান, আবার কেউ নিয়মিত চাকরির পাশাপাশি অতিরিক্ত আয়ের জন্য রাইডশেয়ার করেন। তাঁদের ক্ষেত্রে শুধু অ্যাপে দেখানো দৈনিক আয় নয়, সপ্তাহ শেষে প্রকৃত কত অর্থ হাতে থাকছে, সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নতুন করে উবার চালানোর পরিকল্পনা থাকলে গাড়ি কেনা বা লিজ নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট শহরের নিয়ম, ইন্স্যুরেন্সের খরচ এবং সম্ভাব্য ট্রিপের চাহিদা যাচাই করা প্রয়োজন। সব মিলিয়ে নিউইয়র্কে উবার ড্রাইভারদের জন্য নির্দিষ্ট ট্রিপভিত্তিক ন্যূনতম পেমেন্টের ব্যবস্থা রয়েছে, আর লস অ্যাঞ্জেলেসে ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাকটিভ টাইমভিত্তিক আয়ের নিশ্চয়তা কার্যকর। কিন্তু শুধু এই দুই নিয়মের ভিত্তিতে কোন শহরে উবার চালিয়ে বেশি লাভ হয়, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। প্রকৃত তুলনার জন্য একই সময়ের মোট আয়, অনলাইনে থাকার সময়, যাত্রী পরিবহনের সময় এবং গাড়ির সব খরচ বিবেচনা করতে হবে। ড্রাইভারদের জন্য শেষ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলো কত ডলার আয় হয়েছে, তার পাশাপাশি কত ডলার খরচ বাদ দিয়ে হাতে থাকছে।
মিশিগানের ডেট্রয়েটে বাড়ির মালিকদের ১০০% পর্যন্ত কর মওকুফের সুযোগ, আবেদন শেষ ৬ নভেম্বর
কৃষ্ণাঙ্গদের গ্রেপ্তারের গোপন প্রতিযোগিতা, যুক্তরাষ্ট্রে ৬ পুলিশ কর্মকর্তার পদত্যাগ