আমেরিকা

চীনের রেকর্ড ভেঙে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভবন নির্মাণ করছেন ইলন মাস্ক

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৭, ২০২৬ ২৩:৩৪
টেক্সাসে নির্মাণের পরিকল্পনা করা টেরাফ্যাব প্রকল্পের নকশা। ছবি: সংগৃহীত
টেক্সাসে নির্মাণের পরিকল্পনা করা টেরাফ্যাব প্রকল্পের নকশা। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে টেসলা ও স্পেসএক্স। 'টেরাফ্যাব' নামে এই বিশাল সেমিকন্ডাক্টর কারখানার আয়তন হবে ১০ কোটি বর্গফুটেরও বেশি। পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে এটি বিশ্বের বর্তমান বৃহত্তম ভবনগুলোকেও আকারে অনেক পেছনে ফেলে দেবে।

 

টেসলা ও স্পেসএক্স বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, হিউস্টনের কাছে গ্রাইমস কাউন্টিতে যৌথভাবে নির্মিতব্য এই মেগা কারখানার প্রথম ধাপে বিনিয়োগ করা হবে ১৬ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। পরবর্তী ধাপগুলো সম্পন্ন হলে মোট বিনিয়োগ ১১৯ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

 

ইলন মাস্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে দাবি করেছেন, এটি হবে "পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে মূল্যবান ভবন।"

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এটি চীনের সিচুয়ান প্রদেশের চেংদুতে অবস্থিত নিউ সেঞ্চুরি গ্লোবাল সেন্টারের রেকর্ড ভেঙে দেবে। বর্তমানে প্রায় ১ কোটি ৮৯ লাখ বর্গফুট আয়তনের এই ভবনটিই বিশ্বের বৃহত্তম ভবন হিসেবে পরিচিত। এর ভেতরে রয়েছে কৃত্রিম সমুদ্রসৈকত, স্কি ঢালসহ নানা সুবিধা।

প্রস্তাবিত টেরাফ্যাবের আয়তন হবে এর পাঁচ গুণেরও বেশি। এটি যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগন, অ্যাপল পার্ক এবং মল অব আমেরিকার সম্মিলিত আয়তনের চেয়েও অনেক বড় হবে।

 

টেসলা ও স্পেসএক্সের তথ্য অনুযায়ী, একই ছাদের নিচে এখানে সেমিকন্ডাক্টর চিপের নকশা, উৎপাদন, প্যাকেজিং এবং পরীক্ষার কাজ হবে। প্রতিষ্ঠান দুটির দাবি, ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বয়ংচালিত যান, রোবট এবং মহাকাশ প্রযুক্তির জন্য বর্তমান বৈশ্বিক চিপ উৎপাদন যথেষ্ট নয়। সেই ঘাটতি পূরণেই এই প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।

 

প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য অনুযায়ী, টেরাফ্যাবে তৈরি হওয়া চিপ টেসলার অপটিমাস মানবাকৃতি রোবট, স্বয়ংচালিত সাইবারক্যাব এবং স্পেসএক্সের পরিকল্পিত মহাকাশভিত্তিক ডেটা সেন্টারে ব্যবহার করা হবে। লক্ষ্য হচ্ছে বছরে ১ টেরাওয়াটের বেশি কম্পিউটিং সক্ষমতার জন্য প্রয়োজনীয় চিপ উৎপাদন।

প্রকাশিত নকশায় দেখা গেছে, ভবনটির নকশা হবে ডানার মতো বিস্তৃত এবং ছাদ হবে স্বচ্ছ। ইলন মাস্কের ভাষায়, এটি হবে "বিজ্ঞান কল্পকাহিনির শহরের" মতো দেখতে।

 

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে অন্তত ৩ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে টেসলা ও স্পেসএক্স। নতুন কর্মীদের বড় অংশ গ্রাইমস কাউন্টি ও পাশের ব্রাজোস কাউন্টি থেকে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ইন্টেলও এই প্রকল্পে অংশ নেবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে, যদিও তাদের ভূমিকা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

 

তবে প্রকল্পটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে কিছু উদ্বেগও তৈরি হয়েছে। কারখানাটি নির্মিত হবে গিবন্স ক্রিক রিজার্ভয়ার এলাকায়, যেখানে আগে একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ছিল। ডেটা সেন্টারের পানির ব্যবহার নিয়ে টেক্সাসে আগে থেকেই বিতর্ক রয়েছে। এ কারণে স্পেসএক্স জানিয়েছে, তারা স্থানীয় ভূগর্ভস্থ পানির পরিবর্তে ওই জলাধারের পানি ব্যবহার করবে।

 

এছাড়া প্রকল্পের জন্য দেওয়া কর-সুবিধা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে পর্যাপ্ত স্বচ্ছতা না থাকার অভিযোগ তুলে শত শত বাসিন্দা সম্প্রতি এক কাউন্টি সভায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

অন্যদিকে টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবটের কার্যালয় এই প্রকল্পের জন্য টেক্সাস এন্টারপ্রাইজ ফান্ড থেকে ৩ কোটি ডলারের অনুদান অনুমোদন করেছে। পাশাপাশি প্রকল্পটি রাজ্যের কর্মসংস্থান, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন সুবিধাও পাবে।

 

প্রকল্পটি ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী সম্পন্ন হলে এটি শুধু আয়তনের দিক থেকেই নয়, আধুনিক সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের ক্ষেত্রেও বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শিল্পকেন্দ্রে পরিণত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
এইচ ওয়ান বি ও জে ওয়ান ভিসার জন্য বড় ধাক্কা!
এইচ ওয়ান বি ও জে ওয়ান ভিসার জন্য বড় ধাক্কা! অনুদান বন্ধের পরিকল্পনা এনআইএইচের

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অব হেলথ বা এনআইএইচ তাদের গুরুত্বপূর্ণ ‘পাথওয়ে টু ইন্ডিপেনডেন্স’ গবেষণা অনুদানের নিয়ম পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে এইচ-১বি, জে-১সহ বিভিন্ন সাময়িক ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত অনেক বিদেশি পোস্টডক্টরাল গবেষক ও বিজ্ঞানী কে৯৯/আর০০ অনুদানের জন্য আর আবেদন করতে পারবেন না।   স্বাস্থ্য ও বিজ্ঞানবিষয়ক সংবাদমাধ্যম স্ট্যাটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এনআইএইচের একটি অভ্যন্তরীণ উপস্থাপনায় এই পরিবর্তনের পরিকল্পনার কথা উঠে এসেছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভবিষ্যতে কে৯৯/আর০০ অনুদানের যোগ্যতা মূলত মার্কিন নাগরিক, স্থায়ী বাসিন্দা বা গ্রিন কার্ডধারী এবং নির্দিষ্ট শ্রেণির মার্কিন ননসিটিজেন ন্যাশনালদের মধ্যে সীমিত করা হতে পারে।   তবে নতুন নিয়ম এখনো কার্যকর হয়নি। বর্তমানে এনআইএইচের প্রকাশিত নিয়ম অনুযায়ী, কে৯৯/আর০০ অনুদানের জন্য মার্কিন নাগরিক বা স্থায়ী বাসিন্দা হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। বৈধ সাময়িক ভিসায় থাকা বিদেশি গবেষকেরাও নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে আবেদন করতে পারেন।   স্ট্যাটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে নতুন যোগ্যতার নিয়ম ২০২৭ সালের ১২ জুন বা তার পরের আবেদনের সময়সীমা থেকে কার্যকর হতে পারে। ফলে বর্তমানে সাময়িক ভিসায় থাকা বিদেশি বিজ্ঞানীদের আবেদন করার সুযোগ তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে, এমনটি নয়।   কে৯৯/আর০০ ‘পাথওয়ে টু ইন্ডিপেনডেন্স’ কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্রে ক্যারিয়ারের শুরুর পর্যায়ে থাকা বিজ্ঞানীদের স্বাধীন গবেষক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে সহায়তা করার জন্য এনআইএইচের গুরুত্বপূর্ণ অর্থায়ন কর্মসূচিগুলোর একটি।   এই কর্মসূচিতে মূলত দুটি ধাপে গবেষকদের সহায়তা দেওয়া হয়। প্রথম ধাপ কে৯৯। এ সময় একজন পোস্টডক্টরাল গবেষক অভিজ্ঞ গবেষকের তত্ত্বাবধানে নিজের গবেষণা দক্ষতা ও স্বাধীন গবেষণা পরিচালনার সক্ষমতা গড়ে তোলার সুযোগ পান।   এরপর গবেষক কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানে উপযুক্ত স্বাধীন গবেষণা পদ পেলে আর০০ ধাপে প্রবেশ করতে পারেন। এই পর্যায়ে নিজের গবেষণা কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার জন্য কয়েক বছর পর্যন্ত এনআইএইচের অর্থায়ন পাওয়ার সুযোগ থাকে।   বিদেশি বিজ্ঞানীদের কাছে এই কর্মসূচির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। কারণ এনআইএইচের অনেক গবেষণা ও ক্যারিয়ার উন্নয়নমূলক অনুদানে নাগরিকত্ব বা স্থায়ী বসবাসের শর্ত থাকলেও কে৯৯/আর০০ কর্মসূচিতে দীর্ঘদিন ধরে সেই বাধ্যবাধকতা ছিল না। ফলে সাময়িক ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে থাকা মেধাবী বিদেশি গবেষকদের স্বাধীন বিজ্ঞানী হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার গুরুত্বপূর্ণ একটি পথ ছিল এটি।   পরিকল্পিত পরিবর্তন কার্যকর হলে বিশেষভাবে এইচ-১বি ও জে-১ ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল স্কুল, হাসপাতাল এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বিদেশি পোস্টডক্টরাল বিজ্ঞানীরা প্রভাবিত হতে পারেন।   যুক্তরাষ্ট্রের বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বিদেশি গবেষকদের ভূমিকা দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে চিকিৎসা, জীববিজ্ঞান ও জনস্বাস্থ্য গবেষণায় বিভিন্ন দেশ থেকে আসা বিজ্ঞানীরা দেশটির বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। ফলে তাদের জন্য ফেডারেল গবেষণা অর্থায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ সংকুচিত হলে যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা ব্যবস্থাতেও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে উদ্বেগ রয়েছে।   নতুন নিয়ম নিয়ে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে, বর্তমানে কে৯৯ পর্যায়ে থাকা বিদেশি গবেষকদের পরবর্তী আর০০ পর্যায়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কী হবে। একইভাবে পরিবর্তন কার্যকর হওয়ার আগে জমা দেওয়া আবেদন এবং ইতোমধ্যে অনুমোদিত অনুদান কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়েও চূড়ান্ত নির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।   এ কারণে সাময়িক ভিসায় থাকা গবেষকদের জন্য এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এনআইএইচের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনার দিকে নজর রাখা। কারণ অভ্যন্তরীণ পরিকল্পনার খবর সামনে এলেও বর্তমান প্রকাশিত নিয়মে এখনো বিদেশি গবেষকদের কে৯৯/আর০০ অনুদানের জন্য আবেদন করার সুযোগ রয়েছে।   পরিকল্পনাটি শেষ পর্যন্ত কার্যকর হলে এটি শুধু একটি গবেষণা অনুদানের নিয়ম পরিবর্তন হবে না। যুক্তরাষ্ট্রে সাময়িক ভিসায় কাজ করা বিদেশি বিজ্ঞানীদের স্বাধীন গবেষক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পথেও এটি বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৮, ২০২৬ ০:৩১
রিপাবলিকান প্রাইমারিতে পরাজিত কংগ্রেস সদস্য অ্যান্ডি ওগলস। ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের সমর্থন পেয়েও প্রাইমারিতে হারলেন মুসলিমবিরোধী মন্তব্য করা অ্যান্ডি ওগলস

লাস ভেগাসে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক উপস্থিতির ছবি ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

লাস ভেগাসে ট্রাম্পের চুল নিয়ে নতুন করে তুমুল আলোচনা, সামাজিক মাধ্যমে ছড়াচ্ছে মিম

প্রধান ফেডারেল বিচারক জন জে. ম্যাককনেল জুনিয়র। ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিএ বিরুদ্ধে রায় দিয়ে প্রাণনাশের হুমকি, টার্গেট করা হয়েছে বিচারকের পরিবারকেও

টেক্সাসে নির্মাণের পরিকল্পনা করা টেরাফ্যাব প্রকল্পের নকশা। ছবি: সংগৃহীত
চীনের রেকর্ড ভেঙে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভবন নির্মাণ করছেন ইলন মাস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে টেসলা ও স্পেসএক্স। 'টেরাফ্যাব' নামে এই বিশাল সেমিকন্ডাক্টর কারখানার আয়তন হবে ১০ কোটি বর্গফুটেরও বেশি। পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে এটি বিশ্বের বর্তমান বৃহত্তম ভবনগুলোকেও আকারে অনেক পেছনে ফেলে দেবে।   টেসলা ও স্পেসএক্স বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, হিউস্টনের কাছে গ্রাইমস কাউন্টিতে যৌথভাবে নির্মিতব্য এই মেগা কারখানার প্রথম ধাপে বিনিয়োগ করা হবে ১৬ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। পরবর্তী ধাপগুলো সম্পন্ন হলে মোট বিনিয়োগ ১১৯ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।   ইলন মাস্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে দাবি করেছেন, এটি হবে "পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে মূল্যবান ভবন।" প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এটি চীনের সিচুয়ান প্রদেশের চেংদুতে অবস্থিত নিউ সেঞ্চুরি গ্লোবাল সেন্টারের রেকর্ড ভেঙে দেবে। বর্তমানে প্রায় ১ কোটি ৮৯ লাখ বর্গফুট আয়তনের এই ভবনটিই বিশ্বের বৃহত্তম ভবন হিসেবে পরিচিত। এর ভেতরে রয়েছে কৃত্রিম সমুদ্রসৈকত, স্কি ঢালসহ নানা সুবিধা। প্রস্তাবিত টেরাফ্যাবের আয়তন হবে এর পাঁচ গুণেরও বেশি। এটি যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগন, অ্যাপল পার্ক এবং মল অব আমেরিকার সম্মিলিত আয়তনের চেয়েও অনেক বড় হবে।   টেসলা ও স্পেসএক্সের তথ্য অনুযায়ী, একই ছাদের নিচে এখানে সেমিকন্ডাক্টর চিপের নকশা, উৎপাদন, প্যাকেজিং এবং পরীক্ষার কাজ হবে। প্রতিষ্ঠান দুটির দাবি, ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বয়ংচালিত যান, রোবট এবং মহাকাশ প্রযুক্তির জন্য বর্তমান বৈশ্বিক চিপ উৎপাদন যথেষ্ট নয়। সেই ঘাটতি পূরণেই এই প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।   প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য অনুযায়ী, টেরাফ্যাবে তৈরি হওয়া চিপ টেসলার অপটিমাস মানবাকৃতি রোবট, স্বয়ংচালিত সাইবারক্যাব এবং স্পেসএক্সের পরিকল্পিত মহাকাশভিত্তিক ডেটা সেন্টারে ব্যবহার করা হবে। লক্ষ্য হচ্ছে বছরে ১ টেরাওয়াটের বেশি কম্পিউটিং সক্ষমতার জন্য প্রয়োজনীয় চিপ উৎপাদন। প্রকাশিত নকশায় দেখা গেছে, ভবনটির নকশা হবে ডানার মতো বিস্তৃত এবং ছাদ হবে স্বচ্ছ। ইলন মাস্কের ভাষায়, এটি হবে "বিজ্ঞান কল্পকাহিনির শহরের" মতো দেখতে।   প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে অন্তত ৩ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে টেসলা ও স্পেসএক্স। নতুন কর্মীদের বড় অংশ গ্রাইমস কাউন্টি ও পাশের ব্রাজোস কাউন্টি থেকে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ইন্টেলও এই প্রকল্পে অংশ নেবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে, যদিও তাদের ভূমিকা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি।   তবে প্রকল্পটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে কিছু উদ্বেগও তৈরি হয়েছে। কারখানাটি নির্মিত হবে গিবন্স ক্রিক রিজার্ভয়ার এলাকায়, যেখানে আগে একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ছিল। ডেটা সেন্টারের পানির ব্যবহার নিয়ে টেক্সাসে আগে থেকেই বিতর্ক রয়েছে। এ কারণে স্পেসএক্স জানিয়েছে, তারা স্থানীয় ভূগর্ভস্থ পানির পরিবর্তে ওই জলাধারের পানি ব্যবহার করবে।   এছাড়া প্রকল্পের জন্য দেওয়া কর-সুবিধা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে পর্যাপ্ত স্বচ্ছতা না থাকার অভিযোগ তুলে শত শত বাসিন্দা সম্প্রতি এক কাউন্টি সভায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবটের কার্যালয় এই প্রকল্পের জন্য টেক্সাস এন্টারপ্রাইজ ফান্ড থেকে ৩ কোটি ডলারের অনুদান অনুমোদন করেছে। পাশাপাশি প্রকল্পটি রাজ্যের কর্মসংস্থান, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন সুবিধাও পাবে।   প্রকল্পটি ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী সম্পন্ন হলে এটি শুধু আয়তনের দিক থেকেই নয়, আধুনিক সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের ক্ষেত্রেও বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শিল্পকেন্দ্রে পরিণত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৭, ২০২৬ ২৩:৩৪
যুক্তরাষ্ট্রে মর্টগেজ ঋণের সুদের হার নিয়ে নতুন গবেষণায় উঠে এসেছে অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধের চিত্র। ছবি: সংগৃহীত

মর্টগেজে বছরে গড়ে ৩,৩০০ ডলার বেশি দিচ্ছেন লাখো মার্কিন বাড়ির মালিক

ওয়াশিংটনে সহকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত কস্টকো কর্মী টাইলার সোরেনসেন। ছবি: সংগৃহীত

পছন্দের নারীকে জড়িয়ে ধরায় সহকর্মীকে গাড়ির ধাক্কায় হত্যা করলেন কস্টকো কর্মী

মই থেকে পড়ে গাছের ডাল মুখ ভেদ করে মস্তিষ্কে পৌঁছালেও সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে প্রাণে বেঁচেছেন ট্রয় হ্যাথাওয়ে। ছবি: সংগৃহীত

মুখ ভেদ করে মস্তিষ্কে ঢুকে যায় গাছের ডাল, অলৌকিকভাবে প্রাণে বাঁচলেন নিউ জার্সির এক ব্যক্তি

পথ হারিয়ে স্থলভাগের দিকে চলে যাওয়া কচ্ছপশাবকগুলোকে উদ্ধার করে নিরাপদে সমুদ্রে অবমুক্ত করেন ভলুসিয়া কাউন্টির কর্মকর্তারা। ছবি: সংগৃহীত
সমুদ্রের পথ হারিয়ে সৈকতে উঠে এসেছিল ৭৫টি কচ্ছপশাবক, উদ্ধার করে সাগরে ফিরিয়ে দিলেন ফ্লোরিডার কর্মকর্তারা

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের ভলুসিয়া কাউন্টিতে সমুদ্রের পথে না গিয়ে সৈকতের উঁচু অংশের দিকে চলে যাচ্ছিল ৭৫টি সদ্য ফুটে বের হওয়া সামুদ্রিক কচ্ছপশাবক। বিষয়টি নজরে আসার পর দ্রুত অভিযান চালিয়ে সেগুলো উদ্ধার করেন ভলুসিয়া কাউন্টি শেরিফের দপ্তরের কর্মকর্তারা। পরে সব কচ্ছপশাবককে নিরাপদে সমুদ্রে অবমুক্ত করা হয়।   ভলুসিয়া কাউন্টি শেরিফের দপ্তরের ফেসবুক পোস্ট এবং ফক্স ৩৫ অরল্যান্ডোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাতের বেলায় টহলরত কর্মকর্তারা দেখতে পান, কচ্ছপশাবকগুলো সমুদ্রের দিকে না গিয়ে সৈকতের একটি প্রবেশপথ বেয়ে উল্টো দিকের স্থলভাগে উঠে যাচ্ছে। এরপর তারা ভলুসিয়া কাউন্টি প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে যৌথভাবে সব কচ্ছপশাবক সংগ্রহ করেন। পরে সেগুলো নিরাপদে আটলান্টিক মহাসাগরে ছেড়ে দেওয়া হয়।   বিশেষজ্ঞদের মতে, সদ্য জন্ম নেওয়া সামুদ্রিক কচ্ছপশাবক স্বাভাবিকভাবে চাঁদের আলো সমুদ্রে প্রতিফলিত হওয়ার দিক অনুসরণ করে পানির দিকে এগিয়ে যায়। কিন্তু সৈকতের আশপাশে থাকা বাড়ির বাতি, সড়কের আলো কিংবা আগুনের মতো কৃত্রিম আলোর কারণে তারা সহজেই বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। ফলে সমুদ্রের পরিবর্তে তারা স্থলভাগের দিকে চলে যায়। অনেক ক্ষেত্রে এভাবে তারা সড়ক, পার্কিং এলাকা বা বসতিপূর্ণ স্থানে পৌঁছে গিয়ে যানবাহন, শিকারি প্রাণী কিংবা পানিশূন্যতার ঝুঁকিতে পড়ে।   ফ্লোরিডা ফিশ অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর ফ্লোরিডার উপকূলে প্রায় ৪০ হাজার থেকে ৮৪ হাজার সামুদ্রিক কচ্ছপের বাসা তৈরি হয়। একটি স্ত্রী কচ্ছপ সাধারণত দুই থেকে তিন বছর পরপর ডিম পাড়ে এবং প্রতিটি বাসায় ৮০ থেকে ১২০টি পর্যন্ত ডিম থাকতে পারে।   ফ্লোরিডার উপকূলে হকসবিল, কেম্পস রিডলি, লগারহেড, লেদারব্যাক এবং গ্রিন টার্টলসহ পাঁচটি প্রজাতির সামুদ্রিক কচ্ছপ দেখা যায়। তবে প্রকৃতিতে তাদের বেঁচে থাকার লড়াই অত্যন্ত কঠিন। বিশেষজ্ঞদের হিসাব অনুযায়ী, প্রতি এক হাজার কচ্ছপশাবকের মধ্যে মাত্র একটি পূর্ণবয়স্ক হওয়ার সুযোগ পায়।   জাতীয় মহাসাগরীয় পরিষেবা এবং ফ্লোরিডা ফিশ অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন কমিশন জানিয়েছে, সাধারণ মানুষও কিছু সহজ পদক্ষেপের মাধ্যমে কচ্ছপশাবক রক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারেন। সৈকতে গর্ত ভরাট করা, আবর্জনা, বালুর দুর্গ বা চেয়ার সরিয়ে রাখা, কচ্ছপবান্ধব আলোর ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং বাসার কাছ থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখলে কচ্ছপশাবকগুলো সহজে সমুদ্রে পৌঁছাতে পারে।   বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের মতে, উপকূলীয় এলাকায় কৃত্রিম আলোর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা গেলে প্রতিবছর অসংখ্য কচ্ছপশাবকের প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব।

ফ্লোরিডা প্রতিনিধি প্রকাশ: আগস্ট ৭, ২০২৬ ২২:৪
অভিজ্ঞ সামরিক বৈমানিকদের চাকরিতে ধরে রাখতে নতুন আর্থিক প্রণোদনা ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী ও সেনাবাহিনী। ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন নৌবাহিনীতে ১ লাখ ৫০ হাজার, সেনাবাহিনীতে ২ লাখ ডলার পর্যন্ত বোনাস, কারা পাবেন?

নববধূ সামান্থা মিলারের মৃত্যুর ঘটনায় দণ্ডিত জেমি কোমোরোস্কির নতুন ভিডিও প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। ছবি: সংগৃহীত

বিয়ের কয়েক ঘণ্টা পর কনেকে হত্যা, তিন বছর পর প্রকাশ্যে এলো অভিযুক্তের নতুন ভিডিও

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী শিশুদের আইনি সহায়তা কর্মসূচি নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন ও অলাভজনক সংস্থাগুলোর বিরোধ নতুন মোড় নিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে আদালতের নির্দেশে মুক্তি পেল ৬৫ মিলিয়ন ডলার, আইনি সহায়তা পাবে অভিভাবকহীন অভিবাসী শিশুরা

0 Comments