স্পেসএক্স

ছবি: সংগৃহীত
৬০ বিলিয়ন ডলারে এআই কোডিং সফটওয়্যার কিনে নিল ইলন মাস্কের স্পেসএক্স

বিশ্বখ্যাত ধনকুবের ইলন মাস্কের মালিকানাধীন মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই বাজারে নিজেদের আধিপত্য বাড়াতে এক বিশাল পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জনপ্রিয় এআই কোডিং সফটওয়্যার কারসরের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যানিস্ফিয়ারকে ৬০ বিলিয়ন ডলারে কিনে নেওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে। মঙ্গলবার স্পেসএক্সের পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে করপোরেট এআই প্রযুক্তির বাজারে স্পেসএক্সের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা।   কয়েক দিন আগেই ইলন মাস্কের এই রকেট ও এআই কোম্পানিটি প্রথমবারের মতো শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। নাসডাক শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরুর পর কোম্পানিটির বাজারমূল্য ২ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায় এবং এটি বিশ্বের অন্যতম মূল্যবান কোম্পানিতে পরিণত হয়। এই ব্লকবাস্টার আইপিও অভিষেকের মাত্র কয়েক দিনের মাথায় কারসর সফটওয়্যারটি কিনে নেওয়ার বড় চুক্তিটি সম্পন্ন করল স্পেসএক্স। মূলত গত এপ্রিল মাস থেকেই কোম্পানিটি কারসরকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্য আলোচনা চালিয়ে আসছিল।   স্পেসএক্স মূলত তাদের নিজস্ব এআই প্রযুক্তি এক্সএআই এবং এর চ্যাটবট গ্রককে আরও উন্নত করতে কারসরের এই কোডিং সক্ষমতাকে কাজে লাগাবে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে এক্সএআই-এর সাথে স্পেসএক্সের একীভূতকরণ হলেও এআই কোডিংয়ের বাজারে তারা প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে কিছুটা পিছিয়ে ছিল। ৬০ বিলিয়ন ডলারের এই নতুন চুক্তিটি কারসরকে আরও বড় পরিসরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মডেল তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটিং বা ডেটা সেন্টারের ক্ষমতা সরবরাহ করবে।   এই ঐতিহাসিক চুক্তির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর প্রাক-বাজার লেনদেনেই স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে কোম্পানিটির বাজার মূলধনের সাথে আরও প্রায় ২৪৭ বিলিয়ন ডলার যোগ হতে যাচ্ছে, যার ফলে এর মোট বাজার মূল্য দাঁড়াবে ২.৫৩ ট্রিলিয়ন ডলার। বর্তমানে স্পেসএক্সের প্রতিটি শেয়ার ২১১.২৭ ডলারে কেনাবেচা হচ্ছে, যা আইপিও চালুর মূল দাম ১৩৫ ডলারের চেয়ে প্রায় ৫৬ শতাংশ বেশি। এই ধারা বজায় থাকলে স্পেসএক্স শিগগিরই আমাজনকে পেছনে ফেলে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম কোম্পানিতে পরিণত হবে।   ওপেনএআই এবং অ্যানথ্রোপিকের মতো কারসরও সিলিকন ভ্যালির অন্যতম শীর্ষস্থানীয় স্টার্টআপ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোডিং করতে পারে। ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে কারসর অত্যন্ত দ্রুত গতিতে তাদের ব্যবসা প্রসারিত করেছে। চলতি মাসের শুরুতে রয়টার্সের সাথে শেয়ার করা তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানিটি বার্ষিক প্রায় ২.৬ বিলিয়ন ডলারের করপোরেট রাজস্ব আয় করছে। এর আগে কোম্পানিটি এনভিডিয়া ও গুগলের মতো প্রযুক্তি জায়ান্টদের বিনিয়োগসহ ৫০ বিলিয়ন ডলার মূল্যায়নে নতুন তহবিল সংগ্রহের আলোচনা করছিল।   আশা করা হচ্ছে, ২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের মধ্যে এই চুক্তিটি চূড়ান্তভাবে সম্পন্ন হবে। স্পেসএক্সের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এক্স৬৭-এর সাথে কারসরের এই মার্জার বা একীভূতকরণ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হচ্ছে। রেগুলেটরি ফাইলিং বা প্রাতিষ্ঠানিক নথিপত্র অনুযায়ী, কোনো বিশেষ কারণে এই চুক্তিটি বাতিল হলে স্পেসএক্স কারসরকে ১০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দেবে। এছাড়া সরকারি বা আইনি জটিলতার কারণে চুক্তি সফল না হলে অতিরিক্ত ৪ বিলিয়ন ডলার রেগুলেটরি ফি দিতে হবে।

তাবাস্সুম জুন ১৫, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হিসেবে নাম লেখালেন ইলন মাস্ক

বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্কের মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স প্রাথমিক শেয়ার বিক্রির (আইপিও) মাধ্যমে রেকর্ড ৭৫ বিলিয়ন বা ৭ হাজার ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার সংগ্রহ করেছে। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আইপিও হিসেবে বিবেচিত এই প্রক্রিয়ার পর কোম্পানির মূল্যায়ন এবং মাস্কের সম্পদ নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্পেসএক্স প্রতি শেয়ার ১৩৫ ডলার দরে ৫৫ কোটি ৫৬ লাখ ক্লাস–এ শেয়ার বিক্রি করে এই অর্থ সংগ্রহ করে। এতে কোম্পানিটির বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ১.৭৭ ট্রিলিয়ন ডলার।   তথ্য অনুযায়ী, “এসপিসিএক্স” প্রতীকে নাসডাকে লেনদেন শুরু হলে স্পেসএক্স বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর একটি হয়ে উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।   আইপিও–সংক্রান্ত নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তালিকাভুক্তির পর ইলন মাস্কের কাছে প্রায় ৮৪ কোটি ৯৫ লাখ ক্লাস–এ শেয়ার এবং ৫৫৭ কোটি ক্লাস–বি শেয়ার থাকবে। এর মাধ্যমে তিনি কোম্পানির মোট ভোটিং ক্ষমতার ৮৪.৪ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করবেন।   আইপিও মূল্যের ভিত্তিতে কাগজে–কলমে স্পেসএক্সে মাস্কের শেয়ারহোল্ডিংয়ের মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮৬৬.৫ বিলিয়ন ডলার। এই হিসাবকে কেন্দ্র করেই তাকে ঘিরে “ট্রিলিয়নিয়ার” মর্যাদা অর্জনের আলোচনা সামনে এসেছে, যদিও তা নির্ভর করছে সম্পদ মূল্যায়নের নির্দিষ্ট কাঠামোর ওপর।

Unknown জুন ১১, ২০২৬ ১৪:০
গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার ইলন মাস্ক, স্পেসএক্স আইপিওতে সম্পদের নতুন ইতিহাস

বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার বা লাখ কোটিপতির মর্যাদার কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। তাঁর মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের বহুল আলোচিত প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) শেয়ারবাজারে আসার পর মাস্কের মোট সম্পদের মূল্য ১.১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে বলে বিভিন্ন আর্থিক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।   স্পেসএক্স বৃহস্পতিবার আইপিওর জন্য প্রতি শেয়ারের মূল্য ১৩৫ ডলার নির্ধারণ করেছে। এর মাধ্যমে প্রায় ৭৫ বিলিয়ন ডলারের একটি আইপিওর পথ তৈরি হয়েছে, যা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আইপিওগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ব্লুমবার্গ ও ফোর্বসের ধনকুবেরদের তালিকা অনুযায়ী, মাস্ক আগেই বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ছিলেন। তবে স্পেসএক্সের আইপিও তাঁর সম্পদের পরিমাণকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।   স্পেসএক্সের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মাস্ক কোম্পানিটির প্রায় অর্ধেক শেয়ারের মালিক। এর মধ্যে এমন কিছু শেয়ারও রয়েছে, যা নির্দিষ্ট কর্মদক্ষতা ও দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য অর্জনের সঙ্গে যুক্ত। আইপিও মূল্য অনুযায়ী স্পেসএক্সে তাঁর শেয়ারের মূল্য প্রায় ৮৬৭ বিলিয়ন ডলার। এর সঙ্গে গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলায় তাঁর মালিকানাধীন শেয়ারের মূল্য যোগ করলে দুই প্রতিষ্ঠানে মাস্কের মোট অংশীদারত্বের মূল্য ১.১ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি দাঁড়ায়।   তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, মাস্কের ট্রিলিয়নিয়ার মর্যাদা নির্ভর করছে তাঁর সম্পদ কীভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে তার ওপর। স্পেসএক্সের কিছু শেয়ার ভবিষ্যতের নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের সঙ্গে যুক্ত। এর মধ্যে রয়েছে মহাকাশভিত্তিক তথ্যকেন্দ্র স্থাপন এবং মঙ্গল গ্রহে মানব বসতি গড়ে তোলার মতো উচ্চাভিলাষী প্রকল্প। এসব শর্তাধীন শেয়ার বাদ দিলে মাস্ক এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রিলিয়নিয়ার নন বলে ধরা হতে পারে। তবে স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম আরও সামান্য বাড়লে তিনি কাগজে-কলমে ট্রিলিয়নিয়ার হিসেবে বিবেচিত হতে পারেন।   ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার্স ইনডেক্স অনুযায়ী, স্পেসএক্স ও টেসলায় মাস্কের শেয়ারের সম্মিলিত মূল্য মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের মোট সম্পদের চেয়েও ১০ গুণের বেশি। বর্তমানে মাস্কের সম্পদের পরিমাণ বিশ্বের পরবর্তী চার শীর্ষ ধনী ব্যক্তির সম্মিলিত সম্পদের প্রায় সমান। এদের মধ্যে রয়েছেন গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন, আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস এবং ওরাকলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি এলিসন।   আইপিওর আগে প্রকাশিত আর্থিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের শুরু থেকে স্পেসএক্স প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার লোকসান করেছে। কোম্পানিটির ভাষ্য অনুযায়ী, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মহাকাশ প্রযুক্তিতে বড় ধরনের বিনিয়োগের কারণে এই লোকসান হয়েছে। মাস্কের পারিশ্রমিক কাঠামোও প্রচলিত করপোরেট ব্যবস্থার তুলনায় ভিন্ন। তিনি সাধারণত বেতন নয়, বরং উচ্চাভিলাষী ব্যবসায়িক লক্ষ্য অর্জনের সঙ্গে যুক্ত শেয়ারভিত্তিক পুরস্কার পান। টেসলার ক্ষেত্রেও তাঁর বেশ কিছু পারিশ্রমিক কর্মদক্ষতা ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ওপর নির্ভরশীল।   শুক্রবার থেকে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা স্পেসএক্সের শেয়ার কেনাবেচা করতে পারবেন। আর যদি কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ১৪০ ডলারে পৌঁছে যায়, তাহলে অতিরিক্ত শর্তাধীন শেয়ারগুলো হিসাবের বাইরে রাখলেও মাস্ক আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রিলিয়নিয়ার হিসেবে বিবেচিত হতে পারেন।

Unknown জুন ১১, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Top week

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের জন্য নির্ধারিত ক্যাটাগরিতে এসেছে বড় অগ্রগতি। ছবি: সংগৃহীত
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

তাবাস্সুম জুলাই ২০, ২০২৬ ১৪:০