সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

বাড়িতে ফ্রি থাকতে চাইলে মেয়েকে মানতে হবে মায়ের ১০ শর্ত, না হলে দিতে হবে ৫০০ ডলার ভাড়া

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৮, ২০২৬ ১৭:২৪
বাড়িতে ফ্রি থাকতে চাইলে মেয়েকে মানতে হবে মায়ের ১০ শর্ত, না হলে দিতে হবে ৫০০ ডলার ভাড়া
বাড়িতে ফ্রি থাকতে চাইলে মেয়েকে মানতে হবে মায়ের ১০ শর্ত, না হলে দিতে হবে ৫০০ ডলার ভাড়া

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালাবামায় বসবাসরত কায়লা নামের ২২ বছর বয়সী এক তরুণী সম্প্রতি তার নিজের ঘরে ফিরে এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হন। তার মা তাকে একটি চুক্তিপত্র ধরিয়ে দিয়েছেন, যেখানে শর্ত দেওয়া হয়েছে—বিনা ভাড়ায় বাড়িতে থাকতে হলে তাকে বেশ কিছু কড়া নিয়ম মেনে চলতে হবে, অন্যথায় প্রতি মাসে ৫০০ ডলার ভাড়া গুণতে হবে। পূর্ণকালীন চাকরির পাশাপাশি অনলাইনে ফুল-টাইম কলেজ কোর্স করা কায়লা জানান, কাজের চাপে তিনি এমনিতেই খুব কম সময় বাড়িতে থাকেন, তার ওপর মায়ের এমন অদ্ভুত চুক্তিতে তিনি বেশ অবাক হয়েছেন।

 

কায়লার এই পরিস্থিতি অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রে এখন আর নতুন কোনো বিষয় নয়। জীবনযাত্রার ব্যয় ও বাসা ভাড়া অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ায় দেশটির ৩৫ বছরের কম বয়সী তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বাবা-মায়ের কাছে ফিরে যাওয়ার প্রবণতা রেকর্ড ছুঁয়েছে। ২০২৫ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রায় ২ কোটি ৫২ লাখ তরুণ-তরুণী (প্রতি তিনজনে একজন) বাবা-মায়ের সাথে থাকছেন, যা কোভিড-১৯ মহামারির সময়ের চেয়েও অনেক বেশি। রিয়েলটর ডটকম-এর প্রতিবেদন অনুসারে, এদের মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশই কর্মজীবী, যা প্রমাণ করে যে ক্রমবর্ধমান বাড়িভাড়া ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের কারণেই তারা বাধ্য হয়ে বাড়িতে থাকছেন।

 

বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার মধ্যকার আনুষ্ঠানিক চুক্তির মতো করে তৈরি করা ওই চুক্তিপত্রে বেশ কিছু সাধারণ ও কড়া নিয়মের কথা বলা হয়েছে। নিজের খাওয়া শেষ হওয়া খাবার বা পানীয়ের জায়গা পূরণ করা, মেঝেতে ময়লা না ফেলা, রান্নাঘর পরিষ্কার রাখা এবং ওয়াশিং মেশিনে কাপড় ধোয়া শেষে দ্রুত তা শুকানোর মতো সাধারণ কিছু নিয়ম এতে রয়েছে। তবে এর বাইরেও ড্রয়িংরুম পরিষ্কার করা, কুকুরকে গোসল করানো, রাতে ১টার মধ্যে অবশ্যই বাড়ি ফেরা, মায়ের মেসেজের দ্রুত উত্তর দেওয়া এবং বাড়িতে অতিথি আনতে হলে আগে থেকে অনুমতি নেওয়ার মতো কঠিন শর্তও জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কায়লার সঙ্গীকে রাতে বাড়িতে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়নি। চুক্তিপত্রটি টিকটকে শেয়ার করার পর নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, কায়লা যদি আলাদা থাকতেন, তবে এই কাজগুলোর পাশাপাশি তাকে ভাড়াও গুণতে হতো।

 

এই বিষয়ে নিউজউইক-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কায়লা জানান, তিনি এমনিতেই সবকিছু পরিষ্কার রাখেন, তাই এই চুক্তিপত্রটি তার কাছে একেবারেই ‘অপ্রয়োজনীয়’ মনে হয়েছে। তিনি বলেন, “ঘরের কাজগুলো করা আমার জন্য কোনো সমস্যা নয়, কিন্তু এই বয়সে এসে আমার ওপর রাতে বাড়ি ফেরার সময়সীমা বা কারফিউ চাপিয়ে দেওয়াটা বিরক্তিকর। আমি নিজের উপার্জনে কেনা গাড়ি চালাই এবং কাজের চাপে প্রায় সারাদিনই বাইরে থাকি।” মায়ের এই পদক্ষেপকে তিনি নিয়মশৃঙ্খলার চেয়ে বরং নিজের ওপর ‘নিয়ন্ত্রণ’ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা বলেই মনে করেন। তবে অনেকেই ধারণা করছেন, মেয়েকে স্বাবলম্বী করে আলাদা বাসা নিতে বাধ্য করতেই হয়তো মা এই কৌশল বেছে নিয়েছেন। কায়লা জানিয়েছেন, তিনি আগামী ডিসেম্বর বা বড়জোর জানুয়ারির মধ্যেই নিজের জন্য আলাদা বাসা ভাড়া নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেপ্তার বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ও সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের ছবি বা ভিডিও ধারণ, বিতরণ ও সংরক্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রায়ান আবদুল বাতেন। তিনি বাংলাদেশের বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার সহকারী অধ্যাপক।   হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রকাশিত রেকর্ডে তাঁর বিরুদ্ধে ‘Film, Distribute, or Possess Image or Video of Sexual Activity with an Animal’ শীর্ষক অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের ছবি বা ভিডিও ধারণ, বিতরণ কিংবা নিজের কাছে রাখার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।   গ্রেপ্তারসংক্রান্ত সরকারি রেকর্ড প্রকাশের পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে তাঁর পরিচয়ের কারণে ঘটনাটি নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও আলোচনা তৈরি হয়েছে।   এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণীটির পরিচয় সম্পর্কে বিভিন্ন দাবি ছড়িয়ে পড়লেও হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের প্রকাশিত গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তথ্যে নির্দিষ্ট কোনো প্রাণীর নাম উল্লেখ করা হয়নি। ফলে ছাগলের সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের যে দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা হচ্ছে, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।   তথ্যসূত্র: হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় (Hillsborough County Sheriff’s Office), ফ্লোরিডা।

আমেরিকা

View more
পিয়ংইয়ংয়ে এক্সচেঞ্জ স্টুডেন্ট হিসেবে পড়াশোনা করতে যাওয়া রুশ তরুণী ডায়ানা কারাবেগোভিচ। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
বিদেশে পড়ার সুযোগ পেয়ে উত্তর কোরিয়াকে বেছে নিলেন রুশ তরুণী

যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপের প্রচলিত শিক্ষাগন্তব্য নয়, উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়ে উত্তর কোরিয়াকেই বেছে নিয়েছিলেন রাশিয়ার তরুণী ডায়ানা কারাবেগোভিচ। মাত্র ১৯ বছর বয়সে দেশটির রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে কিম ইল সুং বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনিময় শিক্ষার্থী হিসেবে কয়েক মাস পড়াশোনা করেন তিনি। সেখানে নিয়মিত ক্লাস, বাড়ির কাজ, ক্যাফেতে সময় কাটানো, ভলিবল খেলা, সাঁতার ও বরফের ওপর স্কেটিংয়ের মতো অভিজ্ঞতা হয়েছে তাঁর। তবে এসব সাধারণ শিক্ষাজীবনের আড়ালে ছিল বিশ্বের অন্যতম কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত একটি দেশের ভিন্ন বাস্তবতা। সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউজউইককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন বর্তমানে ২৮ বছর বয়সী এই তরুণী।   ডায়ানা রাশিয়ার মস্কো স্টেট ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনস থেকে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে কোরীয় ভাষা ছিল তাঁর প্রধান ভাষা। পড়াশোনার অংশ হিসেবে তিনি দুটি বৃত্তি পান। এর একটি ছিল উত্তর কোরিয়ার কিম ইল সুং বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং অন্যটি দক্ষিণ কোরিয়ার হানকুক ইউনিভার্সিটি অব ফরেন স্টাডিজে। দুই দেশের শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা কাছ থেকে বোঝার আগ্রহ থেকেই তিনি উভয় বিনিময় কর্মসূচিতেই অংশ নেন। তাঁর মতে, কোরীয় উপদ্বীপের ইতিহাস, রাজনীতি ও সংস্কৃতি বুঝতে দুই দেশের অভিজ্ঞতা অর্জন গুরুত্বপূর্ণ ছিল।   উত্তর কোরিয়ায় যাওয়ার প্রক্রিয়াটি তাঁর জন্য তুলনামূলক সহজ ছিল বলে জানান ডায়ানা। রাশিয়ার নিজ বিশ্ববিদ্যালয় তাঁর পড়াশোনার খরচ ও যাতায়াত ব্যয় বহন করে। অন্যদিকে কিম ইল সুং বিশ্ববিদ্যালয় তাঁর আবাসন ও খাবারের ব্যবস্থা করে। মস্কোয় উত্তর কোরিয়ার দূতাবাসের মাধ্যমে ভিসার আবেদন করেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও কাগজপত্র পাওয়ার পর বিমানে পিয়ংইয়ং পৌঁছান। পর্যটকদের মতো সব সময় দলবদ্ধভাবে চলার বাধ্যবাধকতা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে তুলনামূলক কম ছিল বলেও জানান তিনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, শিক্ষার্থী হিসেবে শহরের বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরা ও স্থানীয় জীবন সম্পর্কে জানার সুযোগ পেয়েছিলেন।   বিশ্ববিদ্যালয়ে সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস করতে হতো ডায়ানাকে। সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত প্রতিদিন দুটি করে ক্লাস থাকত। এর মধ্যে ছিল পড়া ও কথা বলার অনুশীলন। শনিবার একটি কথোপকথনভিত্তিক ক্লাস হতো, আর রবিবার ছিল ছুটির দিন। ক্লাসের বাইরে শিক্ষার্থীরা বাড়ির কাজ করতেন এবং অবসর সময়ে একে অন্যের সঙ্গে সময় কাটাতেন। ক্যাফে ও রেস্তোরাঁয় যাওয়া, ভলিবল ও টেবিল টেনিস খেলা, সাঁতার কাটা এবং বরফের ওপর স্কেটিং ছিল তাঁদের নিয়মিত বিনোদনের অংশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে দেশের পাহাড়ি এলাকাতেও ভ্রমণের সুযোগ পেয়েছিলেন তাঁরা।   তবে উত্তর কোরিয়ায় একজন বিদেশি শিক্ষার্থীর অভিজ্ঞতা দেশটির সাধারণ নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবনের পূর্ণ চিত্র তুলে ধরে না। দেশটিতে গণমাধ্যম, ইন্টারনেট ও তথ্যপ্রবাহের ওপর রাষ্ট্রের কঠোর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরে সেখানে নির্বিচার আটক, জোরপূর্বক শ্রম, নির্যাতন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সীমিত থাকার বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের ২০২৬ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটিতে তথ্য ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর কঠোর বিধিনিষেধ অব্যাহত রয়েছে। বিদেশি সাংস্কৃতিক উপাদান দেখার কারণেও গুরুতর শাস্তির ঝুঁকি রয়েছে বলে বিভিন্ন মানবাধিকার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   দুই কোরিয়ার অভিজ্ঞতার মধ্যে তুলনা করতে গিয়ে ডায়ানা জানান, উত্তর কোরিয়ায় তাঁর সবচেয়ে বড় বিস্ময় ছিল সেখানকার মানুষের আন্তরিকতা ও আতিথেয়তা। তাঁর ভাষায়, স্থানীয় মানুষজনকে তিনি বেশ স্বাভাবিক, বন্ধুবৎসল ও সামাজিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত হিসেবে দেখেছেন। তাঁরা বাইরে সময় কাটাতেন, রেস্তোরাঁয় যেতেন, গান গাইতেন এবং একসঙ্গে আনন্দ করতেন। কয়েকজন উত্তর কোরীয় শিক্ষার্থীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বও গড়ে ওঠে। তাঁদের সঙ্গে কথা বলার সময় নিজেকে অতিথির পরিবর্তে পরিবারের একজন সদস্য বলে মনে হয়েছে বলে জানান তিনি।   উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যবধান বুঝতে দুই দেশেই পড়াশোনার অভিজ্ঞতাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন ডায়ানা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কোরীয় উপদ্বীপ বিভক্ত হয়ে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া গড়ে ওঠে। ১৯৫৩ সালে যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে যুদ্ধ বন্ধ হলেও দুই দেশের মধ্যে এখনো আনুষ্ঠানিক শান্তিচুক্তি হয়নি। উত্তর কোরিয়ায় কিম পরিবারের দীর্ঘদিনের শাসন, একদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি দেশটিকে আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে রেখেছে।   নিউজউইককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডায়ানা বলেন, উত্তর কোরিয়ায় তাঁর কয়েক মাসের অবস্থান দেশটির মানুষের জীবন সম্পর্কে জানার একটি বিরল সুযোগ তৈরি করেছিল। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে পাওয়া অভিজ্ঞতা দিয়ে দেশটির সাধারণ নাগরিকদের পুরো বাস্তবতা বোঝা সম্ভব নয়। তাঁর এই অভিজ্ঞতা উত্তর কোরিয়ার শিক্ষাব্যবস্থা, বিদেশি শিক্ষার্থীদের সীমিত সুযোগ এবং দেশটির সমাজ সম্পর্কে বাইরের বিশ্বের জানার সুযোগ কতটা সীমিত, তা নতুন করে সামনে এনেছে।   সংবাদসূত্র: নিউজউইক, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

প্রকাশ: নভেম্বর ৭, ২০২৬ ২০:৩১
আর্থিক সংকটে থাকা মানুষের জন্য বিনামূল্যে পোশাক ও জুতা বিতরণ করছে আরবান কমপ্যাশন প্রজেক্ট। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অসহায়দের বিনামূল্যে নতুন পোশাক দিচ্ছে ‘কমপ্যাশন থ্রেডস’

মাঝআকাশে সংঘর্ষের পর প্যারাস্যুট জড়িয়ে প্রাণ হারান দুই স্কাইডাইভার। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় মাঝআকাশে দুই স্কাইডাইভারের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল দুজনের

কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের চালান

টেক্সাসগামী এনভিডিয়ার ১ কোটি ১৪ লাখ ডলার মূল্যের কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের চালান উধাও

ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিলেন ট্রাম্প
ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিলেন ট্রাম্প, কর্মকর্তাদের ‘হুমকি’ দেওয়ার অভিযোগ

যুক্তরাষ্ট্রে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ইমপিচমেন্ট ও অন্যান্য শাস্তির হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলে ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার, ৭ নভেম্বর ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে তিনি জানান, জাস্টিস ডিপার্টমেন্টকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলেছেন। মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের পর প্রশাসনের কর্মকাণ্ড নিয়ে তদন্তের ঘোষণা ঘিরে এই নির্দেশ এল।   ট্রাম্পের অভিযোগ, অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যানশসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কোনো যথাযথ কারণ ছাড়াই ইমপিচমেন্টের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। রিপাবলিকানদের অর্থদাতাদেরও রাজনৈতিক মতের কারণে কারাদণ্ডের ভয় দেখানো হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। তবে কোনো অর্থদাতার নাম উল্লেখ করেননি। এসব কর্মকাণ্ডকে অপরাধ হিসেবে তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প; তাঁর অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।    ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে কংগ্রেসের হাউস ও সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছেন ডেমোক্র্যাটরা। আগামী জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁরা ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকাণ্ড নিয়ে শুনানি ও তদন্তের মাধ্যমে কংগ্রেসের নজরদারি জোরদার করার কথা বলেছেন। ইতোমধ্যে হোয়াইট হাউসের নতুন বলরুম নির্মাণে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর অনুদানসহ বিভিন্ন বিষয়ে নথি চেয়ে চিঠি দিয়েছেন আইনপ্রণেতারা।   অ্যাটর্নি জেনারেল ব্ল্যানশকে ইমপিচ করার পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছেন ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান হ্যাঙ্ক জনসন ও কংগ্রেসওম্যান ডেবোরা রস। বৃহস্পতিবার একটি রেডিও সাক্ষাৎকারে জনসন তাঁকে পদ থেকে সরানোর পক্ষে মত দেন। রসও সমর্থন জানান, তবে পিট হেগসেথের ইমপিচমেন্ট দিয়ে শুরু করার কথা বলেন। ট্রাম্প দাবি করেছেন, তাঁর প্রশাসনের কর্মকর্তারা ইমপিচমেন্টযোগ্য কোনো কাজ করেননি।   পোস্টে মিশিগানের ডেমোক্র্যাট সিনেটর এলিসা স্লটকিনের নাম উল্লেখ করেও অভিযোগ করেছেন ট্রাম্প। এর জবাবে নিজের দপ্তরের বিবৃতিতে স্লটকিন বলেন, আইন ভাঙলে কিংবা করদাতাদের অর্থ ব্যক্তিগত লাভে ব্যবহার করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জবাবদিহি করতে হবে। যিনি আইন ভাঙেননি, তাঁর উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই। ট্রাম্পের পদক্ষেপকে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর হুমকি হিসেবে বর্ণনা করেছেন তিনি।    স্লটকিন আরও বলেন, এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ আনার চেষ্টাও সফল হয়নি। রয়টার্স জানিয়েছে, সেনাসদস্য ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বেআইনি আদেশ অমান্য করার আহ্বানসংবলিত ভিডিও নিয়ে স্লটকিনসহ কয়েকজন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার চেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছিল একটি গ্র্যান্ড জুরি। নতুন তদন্তের নির্দেশ নিয়ে রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট তাৎক্ষণিক সাড়া দেয়নি।

প্রকাশ: নভেম্বর ৭, ২০২৬ ১৮:৩৪
বিএনপি নেতা মাকসুদ আটক

বাফেলোতে আইসিইর হাতে বিএনপি নেতা মাকসুদ আটক, মুক্তির চেষ্টা চলছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের সাবেক শিক্ষার্থী শামীম

উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আসা শামীম ব্রুকলিনে গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন

মেলানিয়া ট্রাম্প

ফস্টার কেয়ারের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ঘোষণা করলেন মেলানিয়া ট্রাম্প, তহবিলে ৭২ লাখ ডলার

মেডিকেয়ার রোগীদের চিকিৎসা
মেডিকেয়ার রোগীদের চিকিৎসা পাওয়া কি আরও কঠিন হচ্ছে? ২০২৭ সালে কমছে চিকিৎসকদের পেমেন্ট

যুক্তরাষ্ট্রে মেডিকেয়ার ইন্স্যুরেন্সের ওপর নির্ভরশীল প্রবীণ নাগরিকদের চিকিৎসাসেবা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে মেডিকেয়ারের আওতায় চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী অধিকাংশ চিকিৎসকের পেমেন্ট ২ দশমিক ৩১ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে দেশটির সরকার। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, চিকিৎসকদের পারিশ্রমিক কমে যাওয়ায় কিছু চিকিৎসক ভবিষ্যতে মেডিকেয়ার রোগী গ্রহণ সীমিত করতে পারেন। এতে আগে থেকেই মেডিকেয়ার গ্রহণ করেন এমন চিকিৎসক খুঁজে পেতে সমস্যায় থাকা প্রবীণদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।   গত ৪ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর মেডিকেয়ার অ্যান্ড মেডিকেইড সার্ভিসেস (সিএমএস) ২০২৭ সালের মেডিকেয়ার ফিজিশিয়ান ফি শিডিউলের চূড়ান্ত নীতিমালা প্রকাশ করে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণ পেমেন্ট কাঠামোর আওতায় থাকা চিকিৎসকদের জন্য মেডিকেয়ারের পারিশ্রমিক নির্ধারণের ভিত্তিমূল্য ২ দশমিক ৩১ শতাংশ কমবে। অন্যদিকে, নির্দিষ্ট বিকল্প পেমেন্ট মডেলে অংশগ্রহণকারী যোগ্য চিকিৎসকদের ক্ষেত্রে কমবে ১ দশমিক ৮৩ শতাংশ। নতুন নিয়ম কার্যকর হবে ২০২৭ সালের প্রথম দিন থেকে।   এই সিদ্ধান্তের প্রভাব বুঝতে হলে যুক্তরাষ্ট্রের মেডিকেয়ার ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক জানা প্রয়োজন। মেডিকেয়ার মূলত ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী নাগরিক এবং নির্দিষ্ট যোগ্যতাসম্পন্ন কিছু কম বয়সী মানুষের জন্য ফেডারেল হেলথ ইন্স্যুরেন্স কর্মসূচি। তবে মেডিকেয়ার কার্ড থাকলেই যেকোনো চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা নেওয়া যায় না। চিকিৎসক বা চিকিৎসাকেন্দ্র মেডিকেয়ার গ্রহণ করেন কি না, সেটি আগে নিশ্চিত হতে হয়। আবার কিছু চিকিৎসক নতুন মেডিকেয়ার রোগী নেওয়া সীমিত রাখেন। ফলে অনেক প্রবীণকে নিজেদের ইন্স্যুরেন্স গ্রহণ করেন এমন চিকিৎসক খুঁজতে একাধিক চিকিৎসাকেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হয়।   নতুন পেমেন্ট কমানোর সিদ্ধান্ত সেই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে বলে উদ্বেগ জানিয়েছে চিকিৎসকদের সংগঠনগুলো। তাদের বক্তব্য, চিকিৎসাকেন্দ্র পরিচালনার ব্যয়, কর্মীদের বেতন, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং অন্যান্য খরচ ক্রমাগত বাড়ছে। অথচ মেডিকেয়ারের কাছ থেকে পাওয়া অর্থ সেই অনুপাতে বাড়ছে না। এর ফলে বিশেষ করে ছোট চিকিৎসাকেন্দ্র ও ব্যক্তিগত চেম্বারগুলোর আর্থিক চাপ বাড়তে পারে। কোনো কোনো চিকিৎসক নতুন মেডিকেয়ার রোগী গ্রহণ কমিয়ে দিলে সরাসরি সমস্যায় পড়তে পারেন বয়স্ক ও নিয়মিত চিকিৎসার ওপর নির্ভরশীল রোগীরা।   আমেরিকান কলেজ অব ফিজিশিয়ানসের প্রেসিডেন্ট জ্যান কে. কার্নি ৫ নভেম্বর প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলেন, মেডিকেয়ারের চিকিৎসক পেমেন্ট দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন ধরনের কাটছাঁটের মুখে রয়েছে। এর সঙ্গে মূল্যস্ফীতি ও চিকিৎসাকেন্দ্র পরিচালনার ব্যয় বৃদ্ধি যুক্ত হয়ে চিকিৎসকদের ওপর চাপ তৈরি করছে। সংগঠনটির আশঙ্কা, এভাবে পেমেন্ট কমতে থাকলে শেষ পর্যন্ত মেডিকেয়ার সুবিধাভোগীদের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ কমে যেতে পারে।   তবে নতুন সিদ্ধান্তের অর্থ এই নয় যে সব চিকিৎসকের পেমেন্ট একই হারে কমবে কিংবা সব চিকিৎসক মেডিকেয়ার রোগী নেওয়া বন্ধ করে দেবেন। চিকিৎসার ধরন, চিকিৎসকের বিশেষত্ব, পেমেন্ট মডেল এবং অন্যান্য হিসাবের ওপর প্রকৃত পারিশ্রমিক নির্ভর করবে। একইভাবে, রোগীদের মেডিকেয়ার ইন্স্যুরেন্সের আওতায় চিকিৎসা পাওয়ার সুবিধা সরাসরি বাতিল করা হচ্ছে না। মূল পরিবর্তনটি হচ্ছে চিকিৎসকদের সেবার বিপরীতে সরকার কত অর্থ পরিশোধ করবে, সেই হিসাবের ক্ষেত্রে।   সিএমএসের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের জন্য চিকিৎসকদের পেমেন্টে কংগ্রেসের অনুমোদিত অতিরিক্ত ২ দশমিক ৫০ শতাংশ বৃদ্ধির মেয়াদ ছিল মাত্র এক বছর। ২০২৭ সালে সেই অতিরিক্ত সুবিধা আর থাকছে না। পাশাপাশি আইন অনুযায়ী বার্ষিক পেমেন্ট সমন্বয় এবং অন্যান্য হিসাবের পরিবর্তনও নতুন হার নির্ধারণে ভূমিকা রেখেছে।   নতুন নীতিমালায় কিছু চিকিৎসাসেবার জন্য অতিরিক্ত পেমেন্টের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি রোগের ব্যবস্থাপনা, রোগীর নিয়মিত দেখভাল এবং সমন্বিত প্রাথমিক চিকিৎসাকে উৎসাহিত করতে নির্দিষ্ট কিছু সেবায় বাড়তি অর্থ দেওয়ার বিধান রয়েছে। অর্থাৎ সরকার একদিকে কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসাসেবার মান ও সমন্বয় বাড়াতে চাইলেও অন্যদিকে অধিকাংশ চিকিৎসকের মূল পেমেন্টের ভিত্তিমূল্য কমাচ্ছে।   যুক্তরাষ্ট্রে মেডিকেয়ারের ওপর নির্ভরশীল লাখ লাখ প্রবীণ নাগরিকের জন্য তাই নতুন সিদ্ধান্তটি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যাদের নিয়মিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হয়, দীর্ঘমেয়াদি রোগ রয়েছে কিংবা নির্দিষ্ট চিকিৎসাকেন্দ্রের ওপর নির্ভরশীল, তাদের জন্য পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। ২০২৭ সাল থেকে নতুন পেমেন্ট কাঠামো কার্যকর হওয়ার পর চিকিৎসকেরা কীভাবে সাড়া দেন, নতুন মেডিকেয়ার রোগী গ্রহণে কোনো পরিবর্তন আসে কি না এবং চিকিৎসাসেবার প্রাপ্যতা কতটা প্রভাবিত হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

প্রকাশ: নভেম্বর ৭, ২০২৬ ১৬:৮
মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ প্রযুক্তি

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে দীর্ঘ লাইনের ঝামেলা কমাতে আসছে মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ প্রযুক্তি

জমির প্রকৃত মালিক সেজে জালিয়াতি

১৫ লাখ ডলারের দলিল জালিয়াতিতে দোষ স্বীকার, চার অঙ্গরাজ্যের জমি ছিল নিশানায়

নিউইয়র্ক জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার

নিউইয়র্ক জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে দ্রুত নামাজ চালুর আশাবাদ কর্তৃপক্ষের, ভোগান্তিতে দুঃখ প্রকাশ

0 Comments