সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

কুমার বিশ্বজিতের যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন পিটিশন অনুমোদন, হিল্লোলের পোস্ট ঘিরে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনা

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৯, ২০২৬ ১৫:৫৫
কুমার বিশ্বজিতের যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন পিটিশন অনুমোদন, হিল্লোলের পোস্ট ঘিরে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনা
কুমার বিশ্বজিতের যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন পিটিশন অনুমোদন, হিল্লোলের পোস্ট ঘিরে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আলোচনা

বাংলাদেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কুমার বিশ্বজিতের যুক্তরাষ্ট্রের  ইবি-এ১ অভিবাসন পিটিশন অনুমোদনের খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ার পর বাংলাদেশি কমিউনিটিতে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। অভিনেতা ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আদনান ফারুক হিল্লোল তার ফেসবুক পোস্টে কুমার বিশ্বজিতকে অভিনন্দন জানিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করেন। পোস্টের সঙ্গে থাকা একটি প্রচারপত্রে কুমার বিশ্বজিতের ছবি ব্যবহার করে ইবি-এ১ অনুমোদনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে আরও দাবি করা হয়েছে, পিটিশনটি নয় দিনের মধ্যে অনুমোদিত হয়েছে।

 

কুমার বিশ্বজিৎ বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনের অন্যতম পরিচিত কণ্ঠশিল্পী। দীর্ঘ সংগীতজীবনে অসংখ্য জনপ্রিয় গান এবং বিভিন্ন অর্জনের মাধ্যমে তিনি দেশের শ্রোতাদের কাছে পরিচিতি পেয়েছেন। ফলে তার যুক্তরাষ্ট্রের ইবি-এ১ পিটিশন অনুমোদনের খবর প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি শুধু বিনোদন অঙ্গনেই নয়, যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও কৌতূহল তৈরি করেছে।

 

তবে এ ক্ষেত্রে একটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে এটিকে ‘ ইবি-এ১ ভিসা অ্যাপ্রুভড’ হিসেবে তুলে ধরা হলেও যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায়  ইবি-এ১ মূলত একটি কর্মভিত্তিক অভিবাসী শ্রেণির পিটিশন। এর মাধ্যমে অসাধারণ সক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তিরা স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের অভিবাসন প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পান। তাই  ইবি-এ১ পিটিশন অনুমোদনকে সরাসরি চূড়ান্ত অভিবাসী ভিসা বা গ্রিন কার্ড পাওয়া হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

 

 ইবি-এ১ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মভিত্তিক প্রথম অগ্রাধিকার শ্রেণি ইবি-এ১ এর একটি উপশ্রেণি। বিজ্ঞান, শিল্পকলা, শিক্ষা, ব্যবসা কিংবা ক্রীড়াক্ষেত্রে অসাধারণ সক্ষমতা রয়েছে এবং নিজ ক্ষেত্রে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি অর্জন করেছেন এমন ব্যক্তিদের জন্য এই শ্রেণি প্রযোজ্য। আবেদনকারীর যোগ্যতা প্রমাণের জন্য পুরস্কার, প্রকাশিত প্রতিবেদন, পেশাগত অবদান, গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা, স্বীকৃতি এবং নিজ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অর্জনের মতো বিভিন্ন ধরনের প্রমাণ বিবেচনা করা হয়।

 

শিল্পী ও সংগীতশিল্পীদের ক্ষেত্রেও ইবি-এ১ প্রযোজ্য হতে পারে। তবে শুধু জনপ্রিয় বা পরিচিত ব্যক্তি হওয়াই এই শ্রেণির অনুমোদনের জন্য যথেষ্ট নয়। ইউএসসিআইএস আবেদনকারীর জমা দেওয়া নথি ও প্রমাণ পর্যালোচনা করে তিনি সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে অসাধারণ সক্ষমতার প্রয়োজনীয় মানদণ্ড পূরণ করেছেন কি না, তা নির্ধারণ করে।

 

হিল্লোলের প্রকাশিত পোস্টে কুমার বিশ্বজিতের পিটিশন অনুমোদনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দলের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। পোস্টে নয় দিনের মধ্যে অনুমোদনের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। দ্রুত অনুমোদনের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।

 

তবে নয় দিনের এই সময়সীমা সম্পর্কে আলাদা কোনো সরকারি কেস রেকর্ড বা ইউএসসিআইএসের প্রকাশিত অনুমোদনপত্র প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি। ফলে এই সময়সীমার দাবিটি বর্তমানে হিল্লোলের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে দেওয়া তথ্য হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।

 

যুক্তরাষ্ট্রে ইবি-এ১ পিটিশনের ক্ষেত্রে প্রিমিয়াম প্রসেসিংয়ের সুযোগ রয়েছে। এ সুবিধার মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফি দিয়ে যোগ্য পিটিশনের দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের অনুরোধ করা যায়। তবে কোনো নির্দিষ্ট আবেদন কত দিনে অনুমোদিত হবে, তা মামলার ধরন, জমা দেওয়া প্রমাণ এবং ইউএসসিআইএসের সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে।

 

বর্তমান সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তা যাচাই, ব্যাকগ্রাউন্ড স্ক্রিনিং এবং আবেদনকারীর তথ্য যাচাইয়ের ওপর বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে একজন বাংলাদেশি জনপ্রিয় শিল্পীর ইবি-এ১পিটিশন অনুমোদনের খবর প্রকাশ পাওয়ায় বিষয়টি বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটিতেও আলাদা আগ্রহ তৈরি করেছে।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টটি প্রকাশের পর অনেকেই কুমার বিশ্বজিতকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। শিল্পী হিসেবে তার দীর্ঘ ক্যারিয়ার এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসনের এই খবরকে ঘিরে বাংলাদেশের বিনোদন অঙ্গন ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়াও দেখা যাচ্ছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে মেরিল্যান্ড বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানের সঙ্গে মেরিল্যান্ড বিএনপি নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

যুক্তরাষ্ট্র সফররত বাংলাদেশের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন মেরিল্যান্ড বিএনপির নেতাকর্মীরা।নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে মেরিল্যান্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কাজলসহ সংগঠনটির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।   সাক্ষাৎকালে তাঁরা আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে সৌজন্যপূর্ণ কথাবার্তা বলেন। সংশ্লিষ্টদের প্রকাশিত বক্তব্য অনুযায়ী, সাক্ষাৎটি ছিল আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে। মোহাম্মদ কাজল মেরিল্যান্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন। মেরিল্যান্ডে ‘জিয়াউর রহমান ওয়ে’ নামকরণের উদ্যোগের সঙ্গেও তাঁর সম্পৃক্ততার কথা বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ্যে এসেছে।   এদিকে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন। ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছান এবং ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর হিসেবে তাঁর প্রথম ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে।   প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল রয়েছে। এই দলে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও শামা ওবায়েদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা রয়েছেন।   ফলে নিউইয়র্কে মেরিল্যান্ড বিএনপি নেতাদের সঙ্গে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই সাক্ষাৎটি প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরের সময় অনুষ্ঠিত একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবেই উল্লেখ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচিতে জাতিসংঘ অধিবেশনে ভাষণসহ বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও কর্মসূচি রয়েছে।

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬ ১২:৫২
নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে শহরের সাবওয়েতে ভ্রমণ করছেন আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মিহল মার্টিন। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে মামদানির সঙ্গে সাবওয়ে ট্রেনে ঘুরলেন আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

নিরাপত্তা সতর্কবার্তার জেরে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সফর সংক্ষিপ্ত করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত

নিরাপত্তা সতর্কতার পর তারাহুরোয় নিউইয়র্ক ছাড়লেন নেতানিয়াহু

যুক্তরাষ্ট্রের কেনটাকিতে ১৬ কোটি ৭৩ লাখ ডলারের পাওয়ারবল জ্যাকপট জেতা জেমস ফার্থিং। ছবি: সংগৃহীত

১৬৭ মিলিয়ন ডলার লটারি জিতেও বদলাল না ভাগ্য, পঞ্চমবারের মতো ঘুমন্ত অবস্থায় জয়ী গ্রেপ্তার

নিউইয়র্কের ফুটপাতে গৃহহীনদের গড়ে তোলা শিবিরের বিষয়ে নতুন পদ্ধতি ঘোষণা করেছেন মেয়র জোহরান মামদানি। ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কে গৃহহীন শিবির নিয়ে মমদানির নতুন নীতি, পুলিশের ভূমিকা বদল

নিউইয়র্কে ফুটপাত ও জনসমাগমস্থলে গড়ে ওঠা গৃহহীনদের শিবির নিয়ে মেয়র জোহরান মামদানির প্রশাসন নতুন পদ্ধতি অনুসরণ করছে। সাম্প্রতিক নির্দেশনা অনুযায়ী, এসব শিবির নিয়ে ৩১১ নম্বরে অভিযোগ এলে সরাসরি পুলিশ পাঠানোর পরিবর্তে বিষয়টি সিটি ডিপার্টমেন্ট অব হোমলেস সার্ভিসেসের কাছে পাঠানো হবে। নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে এই পরিবর্তনের সমালোচনা করা হয়েছে।    নতুন ব্যবস্থায় কোনো পুলিশ অফিসার গৃহহীনদের শিবিরের মুখোমুখি হলে সেটি নিয়ে রিপোর্ট করে হোমলেস সার্ভিসেসকে জানাবেন। এরপর শহরের আউটরিচ কর্মীরা সেখানে গিয়ে গৃহহীন ব্যক্তিদের আশ্রয়কেন্দ্র, চিকিৎসা বা অন্যান্য সহায়তার সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করবেন। নিউইয়র্ক সিটি প্রশাসনের বক্তব্য অনুযায়ী, এ ধরনের কার্যক্রমে লক্ষ্য হচ্ছে শুধু শিবির সরিয়ে দেওয়া নয়, বরং সেখানে থাকা মানুষদের প্রয়োজনীয় সেবার সঙ্গে যুক্ত করা।   মামদানির প্রশাসন এর আগে জানিয়েছিল, গৃহহীনদের শিবির সরানোর ক্ষেত্রে আগের প্রশাসনের পদ্ধতির পরিবর্তে আউটরিচ ও সহায়তার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। জুলাইয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মামদানি জানিয়েছিলেন, কোনো শিবির নোটিশ পাওয়ার পর সেটি সরানোর আগে সাত দিন পর্যন্ত সময় থাকবে এবং ওই সময়ে সিটির কর্মীরা সেখানে থাকা ব্যক্তিদের আশ্রয়, চিকিৎসা ও অন্যান্য সেবার সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করবেন।    তবে নতুন পুলিশ নির্দেশনা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নিউইয়র্ক পোস্টের মতামতধর্মী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশের সরাসরি ভূমিকা কমে যাওয়ায় কিছু গৃহহীন শিবির দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। একই প্রতিবেদনে শহরের বিভিন্ন এলাকায় শিবিরের বিস্তার নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্বেগের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। এসব বক্তব্য মূলত প্রতিবেদনের মতামত ও সমালোচকদের দৃষ্টিভঙ্গি হিসেবে এসেছে, প্রশাসনের স্বীকৃত মূল্যায়ন হিসেবে নয়।    নিউইয়র্কে গৃহহীনতার সমস্যা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। নিউইয়র্ক সিটির ২০২৬ সালের ব্যবস্থাপনা প্রতিবেদনে গৃহহীনদের জন্য আবাসন ও সেবা সম্প্রসারণের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মামদানি প্রশাসন জানিয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ১২ হাজার ৪৯১টি সাশ্রয়ী আবাসন তৈরির বা সংরক্ষণের জন্য অর্থায়ন করা হয়েছে এবং এর মধ্যে ২ হাজারের বেশি ইউনিট আগে গৃহহীন থাকা ব্যক্তিদের জন্য নির্ধারিত। একই সময়ে ৯ হাজার ৯৭০ জনকে সাশ্রয়ী আবাসনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ৪ হাজার ৩৭০ জন আগে গৃহহীন ছিলেন।    প্রশাসনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় গৃহহীনদের জন্য কম বাধাসম্পন্ন আশ্রয়ব্যবস্থা, বিশেষায়িত সহায়তা এবং স্থায়ী আবাসনের সুযোগ বাড়ানোর কথাও রয়েছে। শহরের নথি অনুযায়ী, জটিল মানসিক স্বাস্থ্য, মাদক ব্যবহার বা অন্যান্য গুরুতর প্রয়োজন থাকা গৃহহীনদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা ও আবাসন ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।    এদিকে নিউইয়র্কে নতুন আবাসন তৈরির পরিকল্পনাও এগোচ্ছে। সেপ্টেম্বরের ২২ তারিখে মেয়রের কার্যালয় জানিয়েছে, লোয়ার ম্যানহাটনের ১০০ গোল্ড স্ট্রিট এলাকায় প্রায় ৪ হাজার নতুন আবাসন তৈরির পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার স্থায়ীভাবে সাশ্রয়ী ও রেন্ট-স্ট্যাবিলাইজড ইউনিট রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।    গৃহহীন শিবির ব্যবস্থাপনায় পুলিশের ভূমিকা কমিয়ে সামাজিক সেবা ও আউটরিচ কর্মীদের দায়িত্ব বাড়ানোর এই পদ্ধতি নিউইয়র্কের চলমান হোমলেসনেস নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। এর বাস্তব প্রভাব কতটা হবে, তা নির্ভর করবে সিটির আউটরিচ কার্যক্রম, আশ্রয়ব্যবস্থার সক্ষমতা এবং গৃহহীন ব্যক্তিদের স্থায়ী আবাসনে নেওয়ার অগ্রগতির ওপর।

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬ ১১:৮
ওজন কমানোর ওষুধ ওজেম্পিক ব্যবহারের পর অপ্রত্যাশিতভাবে মা হওয়া সেই নারী ও তার পরিবার। ছবি: সংগৃহীত

চিকিৎসকেরা বলেছিলেন বন্ধ্যা, ওজেম্পিক নেওয়ার পর দুই বছরে তৃতীয় সন্তানের মা

নিউইয়র্কে চার বছরের বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি ছাড়াই বিভিন্ন খাতের চাকরিপ্রার্থীদের জন্য আয়োজিত জব ফেয়ার বা নিয়োগ মেলা। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে নতুনদের জন্য ৭ চাকরি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি ছাড়াই আবেদন

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে নতুন ১১টি বোয়িং উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়ার চুক্তিতে ঢাকাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। ছবি: সংগৃহীত

আরও ১১টি বোয়িং কেনার চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য অভিনন্দন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার স্বপ্নপূরণে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুযোগ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারশিপ। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে স্কলারশিপ খোঁজার আগে যে ৫টি বিষয় যাচাই করবেন, জেনে নিন

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার জন্য স্কলারশিপ খোঁজার সময় শুধু বড় অঙ্কের অর্থ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম দেখে আবেদন শুরু করলে পরে আর্থিক ও একাডেমিক জটিলতায় পড়তে পারেন শিক্ষার্থীরা। কারণ কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলারশিপ থাকলেই সেটি সব আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, সব ডিগ্রি বা সব বিভাগের জন্য প্রযোজ্য হয় না। তাই আবেদন করার আগে স্কলারশিপের যোগ্যতা, মোট খরচ, ফান্ডিংয়ের ধরন এবং নিজের প্রোফাইলের সঙ্গে এর মিল যাচাই করা জরুরি। যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা বিভাগ-সমর্থিত এডুকেশনইউএসএও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য পড়াশোনার খরচ ও ফান্ডিংয়ের সুযোগ আগে থেকেই গবেষণা করার পরামর্শ দেয়।    প্রথমেই দেখতে হবে, স্কলারশিপটি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য কি না। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ‘স্কলারশিপ’ বা ‘ফিন্যান্সিয়াল এইড’ লেখা থাকলেই ধরে নেওয়া যাবে না যে বিদেশি শিক্ষার্থীরা সেটির জন্য আবেদন করতে পারবেন। অনেক সহায়তা নির্দিষ্ট নাগরিকত্ব, ডিগ্রি, বিভাগ, মেজর বা শিক্ষার্থীর অবস্থার ওপর নির্ভর করে। আবার কিছু স্কলারশিপ নতুন ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য, কিছু বর্তমান শিক্ষার্থীদের জন্য। এডুকেশনইউএসএর ফিন্যান্সিয়াল এইড তালিকাতেও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আলাদা আলাদা সুযোগ, যোগ্যতা ও সময়সীমা উল্লেখ করা হয়েছে।    ফেডারেল শিক্ষাসহায়তার ক্ষেত্রেও যোগ্যতা আলাদা। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল স্টুডেন্ট এইড সাধারণত মার্কিন নাগরিক বা নির্দিষ্ট শ্রেণির যোগ্য ননসিটিজেনদের জন্য উন্মুক্ত। তাই আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব স্কলারশিপ, ফেলোশিপ বা অন্যান্য ফান্ডিংয়ের সুযোগ আলাদাভাবে যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।    দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো স্কলারশিপের অঙ্ক নয়, পুরো পড়াশোনার খরচ। ধরুন কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বছরে ২০ হাজার ডলারের স্কলারশিপ দিচ্ছে। কিন্তু একই সময়ে টিউশন, বাধ্যতামূলক ফি, হেলথ ইন্স্যুরেন্স, বাসস্থান ও খাবারসহ মোট খরচ যদি অনেক বেশি হয়, তাহলে বাকি অর্থের ব্যবস্থা শিক্ষার্থীকে নিজেকেই করতে হতে পারে। এডুকেশনইউএসএও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ফান্ডিং পরিকল্পনায় টিউশন ও ফি ছাড়াও জীবনযাত্রার খরচ বিবেচনা করতে বলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন এলাকায় বাসস্থান ও খাবারের খরচও এক নয়।    তাই আবেদন করার আগে বার্ষিক টিউশন, বাধ্যতামূলক ফি, হেলথ ইন্স্যুরেন্স, বাসস্থান ও খাবারের আনুমানিক খরচ লিখে মোট হিসাব করা উচিত। পাশাপাশি দেখতে হবে স্কলারশিপটি শুধু এক বছরের জন্য নাকি পুরো ডিগ্রি মেয়াদে দেওয়া হবে। পরবর্তী বছরগুলোতে এটি নবায়নযোগ্য কি না এবং নবায়নের জন্য ন্যূনতম জিপিএ বা অন্য কোনো শর্ত আছে কি না, সেটিও জানা দরকার।   তৃতীয় বিষয় হলো ফান্ডিং পাওয়ার প্রক্রিয়া। কিছু ক্ষেত্রে ভর্তি আবেদন জমা দিলেই শিক্ষার্থী মেধাভিত্তিক স্কলারশিপের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিবেচিত হতে পারেন। আবার কোনো কোনো স্কলারশিপের জন্য আলাদা আবেদন, প্রবন্ধ, সুপারিশপত্র বা অন্যান্য নথি প্রয়োজন হতে পারে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোগ্রাম পেজের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ফিন্যান্সিয়াল এইড পেজ এবং বিভাগের নির্দেশনাও দেখা জরুরি।   মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ে বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ। অ্যাসিস্ট্যান্টশিপের মাধ্যমে টিউশন মওকুফের পাশাপাশি জীবনযাপনের জন্য স্টাইপেন্ড পাওয়ার সুযোগ থাকতে পারে। এডুকেশনইউএসএ বলছে, গ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে অ্যাসিস্ট্যান্টশিপে গবেষণা, শিক্ষাদান বা প্রশাসনিক কাজে দায়িত্ব পালনের বিনিময়ে টিউশন ওয়েভার ও স্টাইপেন্ড দেওয়া হতে পারে। তবে এসব সুযোগ প্রতিযোগিতামূলক হতে পারে এবং ফান্ডিংয়ের ধরন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রামভেদে আলাদা।    চতুর্থ বিষয় হলো নিজের প্রোফাইলের সঙ্গে ফান্ডিংয়ের মিল। মেধাভিত্তিক স্কলারশিপে একাডেমিক ফলাফল, নেতৃত্ব, কমিউনিটি সার্ভিস, প্রতিভা বা সামগ্রিক অর্জন বিবেচনায় আসতে পারে। অন্যদিকে গবেষণাভিত্তিক অ্যাসিস্ট্যান্টশিপের ক্ষেত্রে গবেষণার আগ্রহ, আগের প্রকল্প, থিসিস, পদ্ধতিগত দক্ষতা বা ডেটা বিশ্লেষণের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। শিক্ষাদানভিত্তিক অ্যাসিস্ট্যান্টশিপে বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান, যোগাযোগ দক্ষতা ও শিক্ষাদানের অভিজ্ঞতা প্রাসঙ্গিক হতে পারে।   তাই শুধু ‘আমার জিপিএ কত’ এই প্রশ্নের মধ্যে নিজের আবেদনকে সীমাবদ্ধ না রেখে দেখতে হবে নিজের সবচেয়ে শক্তিশালী দিক কোনটি। গবেষণা, শিক্ষাদান, নেতৃত্ব, পেশাগত অভিজ্ঞতা বা কমিউনিটি কাজের কোন অংশটি নির্দিষ্ট ফান্ডিংয়ের যোগ্যতার সঙ্গে সবচেয়ে বেশি মেলে, সেটি চিহ্নিত করা প্রয়োজন।   পঞ্চম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তথ্যের উৎস। ফেসবুক গ্রুপ, ইউটিউব ভিডিও বা অন্য শিক্ষার্থীর তৈরি তালিকা প্রাথমিক ধারণার জন্য কাজে লাগতে পারে। কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট বিভাগের পেজ, গ্র্যাজুয়েট ফান্ডিং পেজ, অ্যাসিস্ট্যান্টশিপের তথ্য এবং অফিসিয়াল কস্ট অব অ্যাটেনডেন্স দেখে তথ্য যাচাই করা উচিত। এডুকেশনইউএসএও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক ফিন্যান্সিয়াল এইডের সুযোগ খুঁজে দেখার ব্যবস্থা রেখেছে।    সবশেষে মনে রাখতে হবে, যুক্তরাষ্ট্রে স্কলারশিপ খোঁজা মানে শুধু ‘ফুলি ফান্ডেড’ লেখা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বড় তালিকা তৈরি করা নয়। কার্যকর স্কলারশিপ সার্চের জন্য নিজের প্রোফাইল, নির্দিষ্ট ডিগ্রি ও বিভাগের ফান্ডিং ব্যবস্থা, স্কলারশিপের যোগ্যতা এবং পুরো ডিগ্রির সম্ভাব্য খরচ একসঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। আবেদন করার আগে এসব তথ্য যাচাই করলে অপ্রাসঙ্গিক অ্যাপ্লিকেশন ফি ও সময় ব্যয় কমানোর পাশাপাশি পড়াশোনার পুরো সময়ের আর্থিক পরিকল্পনাও আরও বাস্তবসম্মতভাবে করা সম্ভব।   সূত্র: আসিফ মুক্তাদির

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬ ৯:১৫
ফেডারেল বিচারকের আদেশে হোয়াইট হাউসে ফিরছে সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকো

ট্রাম্পের মিডিয়া নিষে ধাজ্ঞা স্থগিত করল বিচারক, সিএনএনসহ তিন মিডিয়ার প্রবেশাধিকার ফিরছে

ইরান যু দ্ধে মার্কিন সামরিক কার্যক্রমের মধ্যে নতুন করে এক সেনা কর্মকর্তার মৃ ত্যুর তথ্য প্রকাশ করেছে পেন্টাগন

ইরান যুদ্ধে নি হ ত আরও এক মার্কিন সেনার পরিচয় প্রকাশ, মৃ ত্যুর সংখ্যা ১৯

নিউইয়র্কে নতুন সরকারি ও স্কুলভিত্তিক বিভিন্ন পদে নিয়োগের সুযোগ

নিউইয়র্কে সরকারি চাকরির একাধিক পদের নতুন বিজ্ঞপ্তি, জেনে নিন বিস্তারিত

0 Comments