সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

ফ্লোরিডায় হাসপাতালে যাওয়ার পথে গাড়িতেই কন্যাসন্তান প্রসব, বাবার সহায়তায় রক্ষা পেলেন মা-সন্তান

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬ ১৬:৪০
বাবার সহায়তায় রক্ষা পেলেন মা-সন্তান
বাবার সহায়তায় রক্ষা পেলেন মা-সন্তান

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় হাসপাতালে যাওয়ার পথে গাড়ির সামনের সিটেই কন্যাসন্তান প্রসব করেছেন এক নারী। পরিস্থিতি সামলাতে প্রথমবার বাবা হতে যাওয়া ইয়াসের সোলোরজানো নিজেই প্রসবে সহায়তা করেন।

 

বৃহস্পতিবার রাতে ইয়াসের সোলোরজানো ও তাঁর সঙ্গী আয়শা তেনোরি হাসপাতালে যাচ্ছিলেন। কিন্তু পথে আয়শার প্রসববেদনা দ্রুত বেড়ে গেলে তিনি বুঝতে পারেন, হাসপাতালে পৌঁছানোর মতো সময় আর নেই। মাত্র কয়েক মিনিটের পথ যাওয়ার পরই তিনি গাড়ি থামাতে বলেন।

 

সোলোরজানো দ্রুত ফ্লোরিডার ব্র্যান্ডনের একটি ভ্যালু পন অ্যান্ড জুয়েলারি দোকানের পার্কিং লটে গাড়ি থামিয়ে ৯১১-এ ফোন করেন। তখন তিনি বুঝতে পারেন, শিশুটি উল্টো অবস্থানে বা ব্রিচ পজিশনে আছে। এরপর গাড়ির সামনের সিটেই নিজের কন্যাসন্তানকে প্রসব করাতে সহায়তা করেন তিনি।

 

প্রায় ছয় মিনিট পর জরুরি চিকিৎসাকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে মা ও নবজাতককে অ্যাম্বুলেন্সে করে এইচসিএ ফ্লোরিডা ব্র্যান্ডন হাসপাতালে নেওয়া হয়। শিশুটি নির্ধারিত সময়ের প্রায় চার সপ্তাহ আগেই জন্ম নেয়।

 

পরিবার পরে মেয়ের নাম রাখে লিয়ানা ভ্যালেনটিনা সোলোরজানো। জন্মের সময় তার ওজন ছিল ৪ পাউন্ড ১০ আউন্স। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থাকলেও তাকে এনআইসিইউতে নিতে হয়নি। মা ও মেয়ে দুজনই সুস্থ আছেন বলে পরিবার জানিয়েছে।

 

প্রথমবার বাবা হওয়ার এই অভিজ্ঞতাকে সোলোরজানো জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্তগুলোর একটি হিসেবে দেখছেন। হাসপাতাল থেকে শনিবার মা ও মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ফেরার আশা করছে পরিবার।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
চার দশকের ঐক্যের ফোবানা এখন চার ‘টুকরো’, নেতৃত্বের কোন্দলে হারাচ্ছে জৌলুস
চার দশকের ঐক্যের ফোবানা এখন চার ‘টুকরো’, নেতৃত্বের কোন্দলে হারাচ্ছে জৌলুস

উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঐক্যবদ্ধ করার প্রত্যয় নিয়ে যে সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়েছিল, চার দশকের মাথায় এসে সেই ‘ফেডারেশন অব বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশনস ইন নর্থ আমেরিকা’ বা ফোবানা এখন চার ভাগে বিভক্ত। বাঙালি সংস্কৃতির চর্চা ও প্রবাসীদের স্বার্থ সংরক্ষণের বদলে সংগঠনটি এখন নেতৃত্বের কোন্দল ও সাংগঠনিক বিভক্তির কারণে বিতর্কের মুখে পড়েছে।   এবারের লেবার ডে উইকেন্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার চার শহর—নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, অরল্যান্ডো এবং টরন্টোতে একই সময়ে পৃথক চারটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, আয়োজকদের প্রায় প্রতিটি পক্ষই নিজেদের আয়োজনকে ‘৪০তম ফোবানা সম্মেলন’ হিসেবে দাবি করছে, যা সাধারণ প্রবাসীদের মধ্যে চরম বিস্ময় ও হতাশার জন্ম দিয়েছে।   চার শহরে আয়োজিত এই সম্মেলনগুলোর প্রতিপাদ্য ও আয়োজন ভিন্ন। নিউইয়র্কের এস্টোরিয়ায় ‘এনআরবি অ্যাসোসিয়েশন’-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনটি শেখ মুজিবুর রহমানকে উৎসর্গ করা হয়েছে। অন্যদিকে, ক্যালিফোর্নিয়ার ইউনিভার্সাল সিটিতে ৫৪টি নিবন্ধিত সংগঠনের অংশগ্রহণে দ্বিতীয় সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।   ফ্লোরিডার কিসিমি এলাকায় তৃতীয় আয়োজনে থাকছে চলচ্চিত্র ও সংগীত তারকাদের অংশগ্রহণে জমকালো সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। আর কানাডার টরন্টোতে আয়োজিত চতুর্থ সম্মেলনে জাদুশিল্পী জুয়েল আইচ ও অভিনেত্রী ববিতাসহ বিশিষ্টজনদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। বিনোদন ও উৎসবের আমেজ থাকলেও এই দৃশ্যমান বিভক্তি ফোবানার মূল উদ্দেশ্যকে মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।   সচেতন প্রবাসীদের অভিযোগ, ফোবানা এখন কেবলই সামাজিক মর্যাদা ও প্রভাব প্রদর্শনের হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। নেতৃত্বের এই প্রতিযোগিতার নেপথ্যে রয়েছে ব্যক্তিগত অহমিকা।   এর পাশাপাশি ‘দাওয়াত বাণিজ্য’ নিয়ে উঠেছে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ। ফোবানা সম্মেলনের আমন্ত্রণপত্রকে কাজে লাগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা কানাডার ভিসা পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকার অবৈধ লেনদেন হচ্ছে বলে অনেকেই দাবি করছেন।   যদিও আয়োজকরা বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেদের স্বচ্ছতার কথা জানিয়েছেন। ১৯৮৭ সালে ওয়াশিংটন ডিসিতে যে ঐক্যের বার্তা নিয়ে ফোবানার জন্ম হয়েছিল, তা আজ ব্যক্তিগত স্বার্থের দ্বন্দ্বে ম্লান। উৎসবের আমেজে প্রবাসীরা সাময়িক আনন্দ পেলেও, সবার মনে এখন একটাই প্রশ্ন—ফোবানা কি আবারও তার পুরনো জৌলুস ফিরে পেয়ে প্রবাসীদের সত্যিকারের ঐক্যের প্ল্যাটফর্ম হতে পারবে?

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬ ১৭:৩০
লস অ্যাঞ্জেলেসে টেসলার ভ য়াবহ ধাক্কায় নিহত ১, আহত ৪; চালকের দাবি, ব্রেক কাজ করেনি

লস অ্যাঞ্জেলেসে টেসলার ভ য়াবহ ধাক্কায় নিহত ১, আহত ৪; চালকের দাবি, ব্রেক কাজ করেনি

টেনেসিতে কিন্ডারগার্টেনে পড়ুয়া ছেলের স্কুলের খাবারে বছরে ৫৪০ ডলার খরচ, হিসাব দেখে হতবাক শিক্ষিকা মা

টেনেসিতে কিন্ডারগার্টেনে পড়ুয়া ছেলের স্কুলের খাবারে বছরে ৫৪০ ডলার খরচ, হিসাব দেখে হতবাক শিক্ষিকা মা

বাবার সহায়তায় রক্ষা পেলেন মা-সন্তান

ফ্লোরিডায় হাসপাতালে যাওয়ার পথে গাড়িতেই কন্যাসন্তান প্রসব, বাবার সহায়তায় রক্ষা পেলেন মা-সন্তান

যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদায় বৃষ্টিতে কাদার সাগরে পরিণত বার্নিং ম্যান উৎসব, ৬ মাইল হেঁটে ফিরলেন ডিজে ডিপলো
যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদায় বৃষ্টিতে কাদার সাগরে পরিণত বার্নিং ম্যান উৎসব, ৬ মাইল হেঁটে ফিরলেন ডিজে ডিপলো

যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদা মরুভূমিতে আয়োজিত জনপ্রিয় ‘বার্নিং ম্যান’ উৎসব আবারো বৃষ্টির কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ভারী বর্ষণের ফলে উৎসবস্থলের ব্ল্যাক রক ডেজার্টের মূল প্রবেশ ও প্রস্থানের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েন দর্শনার্থীরা।   এই অচলাবস্থা থেকে বাঁচতে বিশ্ববিখ্যাত ডিজে ডিপলোকে কাদামাখা পথ ধরে টানা ছয় মাইল পায়ে হেঁটে ফিরতে হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা এক ভিডিওতে তিনি নিজেই এই দীর্ঘ ও কষ্টসাধ্য যাত্রার অভিজ্ঞতা ভক্তদের সাথে শেয়ার করেছেন।   ভিডিওতে কাদামাখা পথে হাঁটতে হাঁটতে তাকে বলতে শোনা যায়, "আমি আবারও বার্নিং ম্যান থেকে হেঁটে ফিরছি। পরিস্থিতি জঘন্য হলেও আমি এটি উপভোগ করছি। জীবনে অনেক চ্যালেঞ্জ আসে, আপনাকে কেবল লেগে থাকতে হবে।" একটি অ্যাপে এই হাঁটার পথ ৩৯ মিনিটের দেখালেও, ডিপলো জানান তাদের প্রায় দুই ঘণ্টা সময় লেগেছে।   বার্নিং ম্যানে এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি ডিপলো এবারই প্রথম হননি। এর আগে ২০২৩ সালেও ভারী বৃষ্টিতে যখন উৎসবটি কাদার সমুদ্রে পরিণত হয়েছিল এবং প্রায় ৭৩ হাজার মানুষ আটকা পড়েছিলেন, তখনো তিনি অভিনেতা ক্রিস রককে সাথে নিয়ে মাইলের পর মাইল হেঁটেছিলেন। সেবার এক ভক্তের পিকআপ ভ্যানে করে তারা উদ্ধার পান।   এবারের উৎসবে ডিপলো টানা বুধবার থেকে বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত পারফর্ম করেন এবং শুক্রবার ভোর সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত পার্টিতে মেতে ছিলেন। তবে এবারের উৎসবের আনন্দে অনাকাঙ্ক্ষিত বিষাদও নেমে এসেছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় পঞ্চাশোর্ধ্ব এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।   এসএফগেট-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবার মাত্র ০.২২ ইঞ্চি বৃষ্টিপাতেই মরুভূমির বুকে অস্থায়ীভাবে গড়ে ওঠা নয় দিনব্যাপী এই শিল্প ও সঙ্গীতের আসর কাদায় পরিণত হয়। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১৯ সালে জনপ্রিয়তার চূড়ায় থাকার পর থেকে উৎসবটির আকার ধীরে ধীরে ছোট হতে থাকলেও, এতে অংশ নেওয়া চল্লিশ ও পঞ্চাশোর্ধ্ব মানুষের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। একইসঙ্গে এই বিলাসবহুল উৎসবে যোগ দেওয়ার ব্যয়ভারও আগের চেয়ে অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬ ১৬:২৩
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিখোঁজ ক্যালিফোর্নিয়ার বৈমানিক, ৮২ বছর পর শনাক্ত দেহাবশেষ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিখোঁজ ক্যালিফোর্নিয়ার বৈমানিক, ৮২ বছর পর শনাক্ত দেহাবশেষ

নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের ধ্বংসস্তূপে বেঁচে যাওয়া ‘সারভাইভার ট্রি

নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের ধ্বংসস্তূপে বেঁচে যাওয়া ‘সারভাইভার ট্রি’, ৯/১১-এর ক্ষত বুকে আজও দাঁড়িয়ে

নাথানিয়েল মাইকেল কারাসকোর কথোপকথন ছবি: কোলাজ আমেরিকা বাংলা

এআই চ্যাটে স্কুলে হামলার পরিকল্পনা, এফবিআইয়ের কাছে তথ্য যাওয়ার পর টেক্সাসে যুবক গ্রেপ্তার

ক্যালিফোর্নিয়ায় আইসিইর অভিযান জোরদার
“আমেরিকান সড়ক, আমেরিকান গাড়িচালক” - ক্যালিফোর্নিয়ায় আইসিইর অভিযান জোরদার

“আমেরিকান সড়ক, আমেরিকান গাড়িচালক” - এই স্লোগান সামনে রেখে ক্যালিফোর্নিয়ায় কমার্শিয়াল ড্রাইভার্স লাইসেন্স বা সিডিএল জালিয়াতির বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট - আইসিই।   আইসিইর সান ফ্রান্সিসকো কার্যালয়ের স্পেশাল এজেন্টরা স্টকটন, স্যাক্রামেন্টো ও সান হোসে এলাকায় স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে অংশ নিচ্ছেন বলে সংস্থাটি জানিয়েছে। আইসিইর ভাষ্য, সিডিএল জালিয়াতির কারণে সড়ক নিরাপত্তায় গুরুতর ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।   সাম্প্রতিক সময়ে ক্যালিফোর্নিয়ায় সিডিএল নিয়ে ফেডারেল সরকারের কড়াকড়িও বেড়েছে। ক্যালিফোর্নিয়া ডিপার্টমেন্ট অব মোটর ভেহিকেলস জানিয়েছে, ২০২৬ সালের মার্চে ফেডারেল সরকারের নির্দেশে প্রায় ১৩ হাজার নন-ডোমিসাইলড কমার্শিয়াল ড্রাইভার্স লাইসেন্স বাতিল করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। তবে ডিএমভি স্পষ্ট করেছে, সংশ্লিষ্ট সব লাইসেন্সধারী জালিয়াতি করেছেন - এমন নয়; অনেকেই তখন বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান ও কাজের অনুমতি নিয়ে লাইসেন্স পেয়েছিলেন।   ফেডারেল নিয়মে নন-ডোমিসাইলড সিডিএল ইস্যুর ক্ষেত্রে অনিয়ম নিয়ে তদন্তের পর ক্যালিফোর্নিয়ায় লাইসেন্স ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। বর্তমানে সীমিত মেয়াদের বৈধ উপস্থিতির ভিত্তিতে নন-ডোমিসাইলড সিডিএল দেওয়া স্থগিত রেখেছে ক্যালিফোর্নিয়া ডিএমভি।   ডিএমভির তথ্য অনুযায়ী, জালিয়াতির মাধ্যমে বা অযোগ্য ব্যক্তির হাতে লাইসেন্স গেলে তা সরাসরি সড়ক নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে। তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছ থেকে জালিয়াতির তথ্য পেলে ডিএমভি লাইসেন্স যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে।   আইসিইর সাম্প্রতিক পোস্টগুলোতেও দেশজুড়ে সিডিএল জালিয়াতির বিরুদ্ধে অভিযান জোরদারের কথা বলা হয়েছে। সংস্থাটি দাবি করছে, এসব পদক্ষেপের লক্ষ্য আমেরিকার সড়ক নিরাপদ রাখা এবং জালিয়াতির মাধ্যমে সিডিএল পাওয়ার সুযোগ বন্ধ করা।

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬ ১৪:৫৫
ট্রাম্প নিজের জন্য স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করছেন

‘ক্ষমতা ছাড়লে কেউ স্মৃতিস্তম্ভ বানাবে না’, তাই সবকিছুতেই নিজের নাম দিচ্ছেন ট্রাম্প

প্রশিক্ষিত কুকুরের দেওয়া বিশেষ সংকেতের পরই মূলত ওই দুই যাত্রীর কাছে থাকা নগদ অর্থের সন্ধান পাওয়া যায়। ছবি: সংগৃহীত

বিমানে ওঠার আগেই কুকুরের ঘ্রাণে গোপনে রাখা ১৯ হাজার ডলার জব্দ করল ইউএস কাস্টমস

আদালতের বিচারকের স্বাক্ষর করা বিচারিক পরোয়ানা ছাড়া অভিবাসন কর্মকর্তারা ঘরে প্রবেশ করতে পারেন না। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যরাতে পুলিশ বা আইস দরজায় এলে কী করবেন, আদালতের আদেশ ছাড়া ঘরে প্রবেশের নিয়ম কী

0 Comments