সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

ফুড স্ট্যাম্প হারিয়েছেন ৫০ লাখ, নতুন নিয়মে সামনে আরও বড় কাটছাঁটের শঙ্কা

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ ১২:২৯
যুক্তরাষ্ট্রে নতুন বাজেট আইন কার্যকর হওয়ার পর ফুড স্ট্যাম্প সুবিধাভোগীর সংখ্যা প্রায় ৫০ লাখ কমেছে। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে নতুন বাজেট আইন কার্যকর হওয়ার পর ফুড স্ট্যাম্প সুবিধাভোগীর সংখ্যা প্রায় ৫০ লাখ কমেছে। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন বাজেট আইনের পর ফুড স্ট্যাম্প সুবিধাভোগীর সংখ্যা প্রায় ৫০ লাখ কমেছে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে আইনটি কার্যকর হওয়ার পর ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত এই পতনের হিসাব পাওয়া গেছে। একই সময়ে ১৫ লাখের বেশি শিশু ফুড স্ট্যাম্প সুবিধা হারিয়েছে বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। এর মধ্যেই আগামী ১ অক্টোবর থেকে কর্মসূচিটির প্রশাসনিক ব্যয়ের ৭৫ শতাংশ রাজ্যগুলোকে বহন করতে হবে। ফলে খাদ্য সহায়তা কর্মসূচিতে আরও চাপ তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

 

সেন্টার অন বাজেট অ্যান্ড পলিসি প্রায়োরিটিজের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ফুড স্ট্যাম্প সুবিধাভোগীর সংখ্যা প্রায় ৫০ লাখ বা ১২ শতাংশ কমেছে। এই হিসাব যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি দপ্তর ও বিভিন্ন রাজ্যের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। সংস্থাটি বলছে, ২০২০ সালের পর ফুড স্ট্যাম্প সুবিধাভোগীর সংখ্যা এত দ্রুত কমার নজির খুবই বিরল।

 

শিশুদের ক্ষেত্রেও পতনটি উল্লেখযোগ্য। যেসব ২৫টি রাজ্যের শিশুদের তথ্য পাওয়া গেছে বা রাজ্যগুলো তথ্য দিয়েছে, সেখানে ২০২৫ সালের জুলাইয়ের তুলনায় প্রায় ১২ লাখ শিশু ফুড স্ট্যাম্প সুবিধা হারিয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে এই সংখ্যা ১৫ লাখেরও বেশি হতে পারে বলে অনুমান করা হয়েছে। তবে এটি কোনো চূড়ান্ত সরকারি সংখ্যা নয়, বরং বিভিন্ন রাজ্যের তথ্য বিশ্লেষণ করে করা একটি হিসাব।

 

সুবিধাভোগীর সংখ্যা কমার পেছনে নতুন আইনের বিভিন্ন পরিবর্তন ভূমিকা রাখছে বলে বিশ্লেষণে বলা হয়েছে। এর মধ্যে কর্মসংক্রান্ত শর্ত কঠোর করা, যোগ্যতার নিয়ম পরিবর্তন এবং সুবিধা পাওয়ার প্রক্রিয়ায় বাড়তি প্রশাসনিক বাধার বিষয় রয়েছে। তবে ফুড স্ট্যাম্পে অংশগ্রহণ কমার সবটুকু যে শুধু নতুন আইনের কারণে, এমন সিদ্ধান্তও টানা হয়নি। বিশ্লেষণ অনুযায়ী, কিছু রাজ্যে পতনের প্রবণতা আইনটি কার্যকর হওয়ার আগেই শুরু হয়েছিল।

 

নতুন নিয়মে নির্ভরশীল সন্তান নেই এমন কর্মক্ষম প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য কর্মসংক্রান্ত শর্তের আওতা আরও বাড়ানো হয়েছে। আগে যে বয়সসীমার মধ্যে এই শর্ত প্রযোজ্য ছিল, সেটি বাড়িয়ে ৬৪ বছর পর্যন্ত করা হয়েছে। বাবা-মা ও পরিবারের নির্ভরশীল সদস্যদের দায়িত্বে থাকা কিছু মানুষের জন্যও আগের ছাড়ের নিয়ম পরিবর্তন করা হয়েছে। ফলে আগের তুলনায় আরও বেশি মানুষকে ফুড স্ট্যাম্প ধরে রাখতে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হবে।

 

এর পাশাপাশি রাজ্যগুলোর ওপর প্রশাসনিক ব্যয়ের চাপও বাড়ছে। বর্তমানে ফুড স্ট্যাম্প কর্মসূচির প্রশাসনিক ব্যয়ের অর্ধেক কেন্দ্রীয় সরকার বহন করে। কিন্তু ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের অংশ ২৫ শতাংশে নেমে যাবে এবং রাজ্যগুলোকে ৭৫ শতাংশ ব্যয় বহন করতে হবে। এবিসি নিউজের প্রতিবেদনে এই পরিবর্তনকে কর্মসূচিটির অর্থায়নে বড় ধরনের পরিবর্তন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

শুধু প্রশাসনিক ব্যয় নয়, ২০২৭ সালের অক্টোবর থেকে ফুড স্ট্যাম্পের মূল সুবিধা প্রদানের ব্যয়েরও একটি অংশ রাজ্যগুলোর ওপর পড়বে। রাজ্যগুলোর সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে ভুলের হারের ওপর ভিত্তি করে অধিকাংশ রাজ্যকে মোট সুবিধা ব্যয়ের ৫ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বহন করতে হতে পারে। এই পরিবর্তন রাজ্যগুলোর বাজেটে বড় ধরনের চাপ তৈরি করতে পারে বলে খাদ্য সহায়তা নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো সতর্ক করেছে।

 

সেন্টার অন বাজেট অ্যান্ড পলিসি প্রায়োরিটিজের হিসাবে, ২০২৭ সাল থেকে অধিকাংশ রাজ্যকে ফুড স্ট্যাম্পের মূল সুবিধা ব্যয়ের ৫ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত দিতে হতে পারে। অনেক রাজ্যের ক্ষেত্রে এই অতিরিক্ত ব্যয়ের পরিমাণ বছরে কয়েকশ কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে। রাজ্যগুলোর ভুলের হার যত বেশি হবে, তাদের ওপর সম্ভাব্য আর্থিক চাপও তত বাড়বে।

 

ইতোমধ্যে কয়েকটি রাজ্যে ফুড স্ট্যাম্প সুবিধাভোগীর সংখ্যা বড় মাত্রায় কমেছে। অ্যারিজোনায় ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত সুবিধাভোগীর সংখ্যা ৫৪ শতাংশ কমেছে বলে সেন্টার অন বাজেট অ্যান্ড পলিসি প্রায়োরিটিজের তথ্য জানিয়েছে। লুইজিয়ানা ও নেভাদায় কমেছে ২১ শতাংশ করে। ফ্লোরিডায় কমেছে ২০ শতাংশ এবং ওকলাহোমায় ১৯ শতাংশ।

 

এই পরিবর্তনের প্রভাব খাদ্য সহায়তা ব্যবস্থার ওপরও পড়ছে। ফুড স্ট্যাম্প সুবিধা হারানো মানুষের একটি অংশ খাদ্য ব্যাংকের ওপর নির্ভর করতে শুরু করেছেন। তবে খাদ্য সহায়তা নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর মতে, খাদ্য ব্যাংকের পক্ষে ফুড স্ট্যাম্প কর্মসূচির মাধ্যমে যে পরিমাণ সহায়তা মানুষের কাছে পৌঁছায়, তার পুরো ঘাটতি দীর্ঘমেয়াদে পূরণ করা সম্ভব নয়।

 

ফুড স্ট্যাম্পের ব্যয় রাজ্যগুলোর ওপর স্থানান্তরের বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সংগঠন কংগ্রেসের প্রতি পরিবর্তনগুলো পিছিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, নতুন আর্থিক দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে রাজ্যগুলো সুবিধা পাওয়ার প্রক্রিয়ায় আরও কঠোরতা আনতে পারে। এতে যোগ্য ব্যক্তিরাও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে সুবিধা হারানোর ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

 

সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফুড স্ট্যাম্প কর্মসূচি এখন বড় ধরনের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। প্রায় ৫০ লাখ মানুষের সুবিধা কমে যাওয়ার পর সামনে রাজ্যগুলোর ওপর প্রশাসনিক ব্যয়ের বড় অংশ চাপছে। এর সঙ্গে কঠোর কর্মশর্ত এবং ২০২৭ সাল থেকে সুবিধা প্রদানের ব্যয়ের অংশ রাজ্যগুলোর ওপর যাওয়ার বিধান যুক্ত হওয়ায় খাদ্য সহায়তা থেকে আরও মানুষ বাদ পড়বেন কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

 

সূত্র: এবিসি নিউজ


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
গুরুতর অপরাধে দণ্ডিত ১৪ অবৈধ অভিবাসীকে বহিষ্কারের উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রের
গুরুতর অপরাধে দণ্ডিত ১৪ অবৈধ অভিবাসীকে বহিষ্কারের উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্রে গুরুতর অপরাধে দণ্ডিত ১৪ জন অনথিভুক্ত অভিবাসীকে শনাক্ত, গ্রেপ্তার ও দেশ থেকে বহিষ্কারের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ। তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শিশুদের যৌন নিপীড়ন, পারিবারিক সহিংসতা, ডাকাতি, মাদক পাচার এবং অন্যান্য গুরুতর অপরাধে দণ্ডিত হওয়ার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে মেক্সিকো, হন্ডুরাস, ভেনেজুয়েলা ও ডোমিনিকান রিপাবলিকের নাগরিক রয়েছেন।   কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে অপরাধে দণ্ডিত অনথিভুক্ত অভিবাসীদের খুঁজে বের করা, গ্রেপ্তার করা এবং দেশ থেকে বহিষ্কারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এ ধরনের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে তারা কোনো বাধার কাছে নতি স্বীকার করবে না বলেও বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে।   তালিকায় থাকা মেক্সিকোর নাগরিক হেক্টর সান্তোস-রাউদা শিশু যৌন নিপীড়নের অপরাধে দণ্ডিত হয়েছেন। একই দেশের নাগরিক অস্কার গনজালেস-হার্নান্দেজ পারিবারিক সহিংসতা, তৃতীয় মাত্রার শিশু নির্যাতন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্মকর্তার কাজে বাধা দেওয়ার অপরাধে দণ্ডিত। মেক্সিকোর আরও কয়েকজন নাগরিকের বিরুদ্ধে মাদকসংক্রান্ত অপরাধে দণ্ডিত হওয়ার তথ্য দেওয়া হয়েছে।   তাঁদের মধ্যে সান জুয়ানা মন্টেনেগ্রো ওচোয়া কোকেন ও মেথামফেটামিন বিতরণের ষড়যন্ত্রে, কার্লোস উরিয়েল ক্যাম্পোস-পেরেজ ফেন্টানিলযুক্ত মাদক বিতরণের ষড়যন্ত্রে এবং পোরফিরিও তোরেস রিভাস ১০০ কেজির বেশি গাঁজা আমদানির ষড়যন্ত্রে দণ্ডিত হয়েছেন।   তালিকায় থাকা গুস্তাভো কার্দেনাস আরেওলা অপ্রাপ্তবয়স্কদের যৌন শোষণসংক্রান্ত ১০টি অভিযোগে দ্বিতীয় মাত্রার অপরাধে দণ্ডিত হয়েছেন। আগুস্তিন গামিনো সানচেজ বিক্রির উদ্দেশ্যে মেথামফেটামিন রাখার অপরাধে দণ্ডিত। অন্যদিকে, হন্ডুরাসের নাগরিক গুইলারমো আন্তোনিও সোসা-হার্নান্দেজ আহত ব্যক্তিসহ দুর্ঘটনাস্থল ত্যাগ এবং মেথামফেটামিন রাখার অপরাধে দণ্ডিত হয়েছেন। একই দেশের জোসুয়ে আন্তোনিও ভাসকেস মার্তিনেজ চুরি, আগ্নেয়াস্ত্র-সংশ্লিষ্ট ডাকাতি এবং গুরুতর হামলার অপরাধে দণ্ডিত।   ভেনেজুয়েলার নাগরিকদের মধ্যে গ্যাব্রিয়েল পাজ নৌযানে পাঁচ কেজি বা তার বেশি কোকেন বিতরণের উদ্দেশ্যে রাখার ষড়যন্ত্র ও সংশ্লিষ্ট অপরাধে দণ্ডিত হয়েছেন। অ্যাঙ্গেলি জার্মানিয়া শাভেজ রেদোন্দো যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্রে এবং এডউইন হোসে ওর্দাস নৌযানে নিয়ন্ত্রিত মাদক বিতরণের উদ্দেশ্যে রাখার ষড়যন্ত্রে দণ্ডিত হয়েছেন।   এ ছাড়া ডোমিনিকান রিপাবলিকের নাগরিক দোমিঙ্গো আলফ্রেদো নুনিয়েজ-পেরদোমো নৌযানে বিতরণের উদ্দেশ্যে নিয়ন্ত্রিত মাদক রাখার অপরাধে দণ্ডিত হয়েছেন। একই দেশের হেক্টর ফেরনেলি পিচার্দো রেস্তিতুয়ো নৌযানে কোকেন বিতরণের ষড়যন্ত্রে দণ্ডিত হয়েছেন বলে প্রকাশিত তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে।   মার্কিন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, অপরাধে দণ্ডিত অনথিভুক্ত অভিবাসীদের শনাক্ত ও অপসারণের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। তবে তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের প্রত্যেকের বর্তমান আটকাবস্থা, বহিষ্কারের সময়সূচি কিংবা সংশ্লিষ্ট মামলার সর্বশেষ আইনি অবস্থার বিষয়ে পৃথকভাবে যাচাই করা তথ্য প্রকাশিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়নি।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৮, ২০২৬ ১৮:৪০
মিনেসোটায় শিশুদের খাবারের অর্থ আত্মসাৎ, জালিয়াতির মূল হোতার ৩০ বছরের কারাদণ্ড

মিনেসোটায় শিশুদের খাবারের অর্থ আত্মসাৎ, জালিয়াতির মূল হোতার ৩০ বছরের কারাদণ্ড

নিউইয়র্কে সাড়ে ৩৪ লাখ ডলারের মেডিকেইড জালিয়াতি, রাজা-আলমের কারাদণ্ড

নিউইয়র্কে সাড়ে ৩৪ লাখ ডলারের মেডিকেইড জালিয়াতি, রাজা-আলমের কারাদণ্ড

যুক্তরাষ্ট্রে কমিউনিটি সেবায় অবদানের জন্য কংগ্রেসের স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশি সাহী চৌধুরী

যুক্তরাষ্ট্রে কমিউনিটি সেবায় অবদানের জন্য কংগ্রেসের স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশি সাহী চৌধুরী

যুক্তরাষ্ট্রে এমবিএর প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছে তরুণরা, বড় কারণ এআই ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা
যুক্তরাষ্ট্রে এমবিএর প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছে তরুণরা, বড় কারণ এআই ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা

যুক্তরাষ্ট্রে এমবিএ প্রোগ্রামে পড়াশোনার আগ্রহ চরমভাবে হারাচ্ছে তরুণ প্রজন্ম। গ্র্যাজুয়েট ম্যানেজমেন্ট অ্যাডমিশন কাউন্সিলের (জিম্যাক) সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে শুরু হতে যাওয়া ২০২৮ ব্যাচের ফুল-টাইম এমবিএ প্রোগ্রামগুলোতে গত বছরের তুলনায় আবেদনের হার প্রায় ২৭ শতাংশ কমে গেছে।   যুক্তরাষ্ট্রের এই নিম্নমুখী চিত্রটি বৈশ্বিক প্রবণতাকেও ছাড়িয়ে গেছে, যেখানে বিশ্বব্যাপী এমবিএ আবেদনের হার কমেছে ১৩ শতাংশ। তবে যেসব নামিদামি ও অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক প্রোগ্রামে ভর্তির হার ৪০ শতাংশের নিচে, সেখানে আবেদন কমেছে মাত্র ৯ শতাংশ। অন্যদিকে, যেসব প্রতিষ্ঠানে সহজে ভর্তি হওয়া যায় (ভর্তির হার ৮৫ শতাংশের ওপরে), সেখানে আবেদনের হার ২১ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে।   বিশেষজ্ঞরা এই ধসের পেছনে ভিসা নীতির পরিবর্তন ও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মতো বিভিন্ন কারণ উল্লেখ করলেও, জরিপে অংশ নেওয়া ৯০ শতাংশ বিজনেস প্রোগ্রামই মূলত অর্থনৈতিক পরিবর্তনকে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ফোরচুন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মন্দার আশঙ্কা, কর্মী ছাঁটাই এবং চাকরির বাজারের অস্থিতিশীলতার কারণে তরুণরা এমবিএ করার ঝুঁকি নিতে চাইছেন না।   আগে অর্থনৈতিক সংকটের সময় মানুষ নিজেদের পেশাগত সম্ভাবনা বাড়াতে এমবিএ-র দিকে ঝুঁকলেও, এখন সেই ধারণা পাল্টেছে। জিম্যাকের করপোরেট রিক্রুটার্স সার্ভে বলছে, প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নিয়োগকর্তা এখন এন্ট্রি-লেভেলের বা প্রারম্ভিক পর্যায়ের কাজগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে প্রতিস্থাপন করছেন, যা নতুন প্রজন্মের (জেন-জি) মধ্যে চাকরি প্রাপ্তি নিয়ে ব্যাপক ভীতির সঞ্চার করেছে।   যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় বা 'এম৭' বিজনেস স্কুলগুলোর (যেমন- হার্ভার্ড, স্ট্যানফোর্ড, কলম্বিয়া, ওয়ারটন ইত্যাদি) ২০২৫ সালের স্নাতকদের প্রায় ৯০ শতাংশই চাকরি পেয়েছেন, যাদের মধ্যম বেস স্যালারি অন্তত ১ লাখ ৭৫ হাজার ডলার। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানে এমবিএ করতে কখনো কখনো ৩ লাখ ডলারেরও বেশি টিউশন ফি গুনতে হয়, যা শিক্ষার্থীদের মনে প্রশ্ন তুলছে যে এত বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করা আসলেই কতটা যৌক্তিক।   জিম্যাকের প্রধান নির্বাহী জয় জোনস ফোরচুনকে জানান, জেন-জি প্রজন্ম এখন শুধু উচ্চ বেতনের চাকরি চায় না; তারা এমন একটি পেশা চায় যা দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল, নমনীয় এবং সমাজের জন্য ইতিবাচক। তাই এমবিএ প্রোগ্রামগুলোকে এখন পুনরায় শিক্ষার্থীদের আস্থা অর্জন করতে হলে পড়াশোনার প্রকৃত আর্থিক ও পেশাগত মূল্য বা 'রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট' আগে থেকেই স্পষ্টভাবে প্রমাণ করতে হবে।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৮, ২০২৬ ১৬:১৮
যুক্তরাষ্ট্রে আইস-বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ব্রুকলিন সেতু, পুলিশের হাতে আটক ডজনখানেক

যুক্তরাষ্ট্রে আইস-বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ব্রুকলিন সেতু, পুলিশের হাতে আটক ডজনখানেক

আইসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারীদের আক্রমণ করতেন, এবার সেই আইসের হেফাজতে ম্যাগা ব্লগার

আইসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারীদের আক্রমণ করতেন, এবার সেই আইসের হেফাজতে ম্যাগা ব্লগার

যুক্তরাষ্ট্রে চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় দুঃসংবাদ, সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা রাজ্যগুলোর তালিকায় ফ্লোরিডা

যুক্তরাষ্ট্রে চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় দুঃসংবাদ, সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা রাজ্যগুলোর তালিকায় ফ্লোরিডা

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় বাড়ির বাজারে ধস, কিনতে লাগবে ৮১ হাজার ডলারের বেশি অগ্রিম
যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় বাড়ির বাজারে ধস, কিনতে লাগবে ৮১ হাজার ডলারের বেশি অগ্রিম

দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় আবাসন খাতে চরম মন্দা দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি বাড়ি বিক্রির হার এতটাই কমেছে যে, তা ২০০৭-২০০৮ সালের 'গ্রেট রিসেশন' বা মহামন্দার সময়কার পরিস্থিতিকেও ছাড়িয়ে গেছে। রিয়েল এস্টেট ডেটা ফার্ম অ্যাটম (Attom)-এর নতুন পদ্ধতিতে যাচাই করা তথ্যের ভিত্তিতে লস অ্যাঞ্জেলেস ডেইলি নিউজের বিজনেস কলামিস্ট জোনাথন ল্যান্সনার জানান, গত জুলাই মাস পর্যন্ত এই অঞ্চলে বাড়ি বিক্রির হার অবিশ্বাস্য রকম কম ছিল।   অন্যদিকে, যারা এই কঠিন বাজারেও বাড়ি কিনতে সক্ষম হচ্ছেন, তাদের প্রায় রেকর্ড পরিমাণ মূল্য গুনতে হচ্ছে। এই পরিসংখ্যানের মধ্যে পুরনো বাড়ি এবং নতুন তৈরি হওয়া বাড়ি বা কন্ডো—উভয় ধরনের বিক্রির হিসাবই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।   বিশ্লেষণ অনুযায়ী, জুলাই মাসে শেষ হওয়া পূর্ববর্তী ১২ মাসে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার ছয়টি কাউন্টিতে বাড়ি বিক্রির হার ২০০৫ সাল থেকে রেকর্ড করা বার্ষিক গড়ের চেয়ে ৩৩ শতাংশ কম ছিল। ল্যান্সনারের মতে, বিগত দুই দশকের বেশি সময়ের মধ্যে এটি ছিল বাড়ি বিক্রির দ্বিতীয় মন্থরতম ১২ মাস, যার চেয়ে খারাপ অবস্থা দেখা গিয়েছিল কেবল ২০২৬ সালের মে মাসে।   আরও চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, আবাসন খাতের সেই ভয়াবহ ধসের সময়কার সবচেয়ে খারাপ অবস্থার তুলনায় জুলাই মাসের বিক্রির গতি আরও ৩ শতাংশ ধীর ছিল। গত ২১ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম বাড়ি বিক্রি হওয়া ২৫টি মাসের মধ্যে ১৭টি মাসই ২০২৩ সালের পর রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে সাতটি মাস ছিল ২০০৭-২০০৮ সালের অর্থনৈতিক মন্দার সময় এবং আরেকটি ছিল ২০২০ সালের মে মাসে, যখন মহামারির কারণে অর্থনীতি থমকে গিয়েছিল।   এই চরম মন্থরতার মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাওয়া বাড়ির আকাশছোঁয়া দাম ও উচ্চ মর্টগেজ রেট। স্থানীয় অর্থনীতির অনিশ্চয়তা এবং চড়া মূল্যের কারণে সম্ভাব্য ক্রেতারা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন এবং অনেকেই বাড়ি কেনার বদলে ভাড়ায় থাকাকে অনেক বেশি সাশ্রয়ী মনে করছেন।   বিক্রিতে মন্দা থাকলেও জুলাই মাসে এই অঞ্চলের একটি বাড়ির মধ্যম বা মিডিয়ান মূল্য ছিল ৮ লক্ষ ১৫ হাজার ডলার, যা সর্বকালের সর্বোচ্চ রেকর্ডের চেয়ে মাত্র ২ শতাংশ কম এবং ইতিহাসের চতুর্থ সর্বোচ্চ। ক্যালিফোর্নিয়া অ্যাসোসিয়েশন অফ রিয়েল্টরসের তথ্য মতে, গত বসন্তে অরেঞ্জ কাউন্টির মাত্র ১৫ শতাংশ পরিবার বাড়ি কেনার সামর্থ্য রাখত।   লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগোতে এই হার ছিল ১৭ শতাংশ, রিভারসাইডে ২৮ শতাংশ এবং সান বার্নার্ডিনোতে ৩৪ শতাংশ। ২০২৩ সালের পর থেকে মূল্যবৃদ্ধির হার বছরে ২ শতাংশে নেমে এলেও, ক্রেতারা এখন এত চড়া দামে আবাসন খাতে বিনিয়োগ করতে দ্বিধাবোধ করছেন।   বাড়ির মূল্যের পাশাপাশি মর্টগেজের মাসিক কিস্তিও ক্রেতাদের জন্য একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মধ্যম মূল্যের একটি বাড়ি কিনলে মর্টগেজ, প্রপার্টি ট্যাক্স এবং ইন্স্যুরেন্সসহ সম্ভাব্য মাসিক কিস্তি দাঁড়াতে পারে প্রায় ৫ হাজার ৭৬৫ ডলার, যা গত পাঁচ বছরের তুলনায় ৭২ শতাংশ বেশি। এর সাথে ১০ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট হিসেবে প্রায় ৮১ হাজার ৫০০ ডলার অগ্রিম প্রয়োজন হয়।   এর বিপরীতে ভাড়ায় থাকা অনেক বেশি সাশ্রয়ী। জিলোর (Zillow) হিসাব অনুযায়ী, জুলাই মাসে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্টের গড় মাসিক ভাড়া ছিল প্রায় ২ হাজার ৮৬০ ডলার, যা বাড়ি কেনার মাসিক খরচের অর্ধেকেরও কম। এছাড়া ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বৃদ্ধির প্রভাবে জুলাইয়ে ৩০ বছর মেয়াদি ফিক্সড মর্টগেজের গড় হার ৬.৫ শতাংশ থাকলেও, অক্টোবরের মাঝামাঝি তা ৭.৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এই সুদের হার বৃদ্ধিই ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতা আরও প্রায় ৮ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছে, যা এই ব্যয়বহুল বাজারকে সাধারণের জন্য আরও কঠিন করে তুলেছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৮, ২০২৬ ১৪:১১
যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় বাংলাদেশি কমিউনিটির পরিচিত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আল-ফালাহ সুপার মার্কেট অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

আটলান্টার বাংলাদেশি কমিউনিটির জনপ্রিয় সুপার মার্কেট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে

যুক্তরাষ্ট্রে ইলহান ওমরকে নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের বিভক্তি, প্রতিবাদী চিঠিতে সই করেননি ৪০ জন

যুক্তরাষ্ট্রে ইলহান ওমরকে নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের বিভক্তি, প্রতিবাদী চিঠিতে সই করেননি ৪০ জন

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটায় করোনা মহামারীর সময় শিশুদের খাবার সরবরাহের তহবিল জালিয়াতির মামলায় সালিম সাঈদের ৪০ বছরের কারাদণ্ড চেয়েছেন প্রসিকিউটররা। ছবি: সংগৃহীত

২৫ কোটি ডলারের ত্রাণ জালিয়াতি, সালিম সাঈদের ৪০ বছরের কারাদণ্ড চাইছে মার্কিন সরকার

0 Comments