আমেরিকা

ট্রাম্পের জ্বালানি নিষেধাজ্ঞায় অচল হাভানার রাত, থমকে গেছে প্রাণচঞ্চল রাতের জীবন

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর আরোপিত জ্বালানি তেল নিষেধাজ্ঞা ও গভীর অর্থনৈতিক সংকটে কিউবার রাজধানী হাভানা এখন কার্যত অন্ধকার ও নিস্তব্ধ এক নগরীতে পরিণত হয়েছে। একসময় প্রাণচঞ্চল রাতের শহর হিসেবে পরিচিত এই নগরী আজ বিদ্যুৎ সংকট ও জ্বালানি ঘাটতিতে থমকে গেছে।

 

আলোর অভাবে শহরের সড়কগুলো প্রায় ফাঁকা। থিয়েটার, পানশালা ও ক্যাফেগুলো বন্ধ হয়ে গেছে বা দরজা-জানালায় পর্দা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। পর্যটকদের বিনোদন দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা রাস্তার শিল্পী ও কর্মজীবী মানুষের আয় প্রায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।

 

বিশ্লেষকদের বরাতে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের দ্বিতীয় মেয়াদে কিউবার ওপর আরোপিত বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা, রাজনৈতিক চাপ এবং জ্বালানি সরবরাহে বাধাই এই অচলাবস্থার মূল কারণ।

 

বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, খাদ্য রেশন কমে যাওয়া, পানি ও ওষুধের সংকট সাধারণ মানুষের জীবনকে আরও কঠিন করে তুলেছে।

 

কিউবার প্রধান জ্বালানি সরবরাহকারী দেশ ভেনেজুয়েলা। তবে গত জানুয়ারিতে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো–কে আটকের পর যুক্তরাষ্ট্র কিউবায় তেল সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। একই সঙ্গে কিউবায় তেল সরবরাহকারী বিভিন্ন কোম্পানি ও জাহাজের ওপরও নিষেধাজ্ঞা ও চাপ অব্যাহত রাখা হয়।

 

এর আগে ২০১৬ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং কিউবার নেতা রাউল কাস্ত্রো–এর মধ্যে হওয়া চুক্তির পর দেশটিতে পর্যটন খাতে বড় উত্থান দেখা গিয়েছিল। সেই সময় হোটেল ব্যবসা, নতুন গাড়ি আমদানি এবং বিনোদন খাতে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়।

 

কিন্তু বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসনের পর্যটন নিষেধাজ্ঞা ও জ্বালানি সংকটে সেই চিত্র পুরোপুরি বদলে গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পর্যটক এসেছে মাত্র ৭৭ হাজার ৬০০ জন, যেখানে আগের বছর একই সময়ে ছিল প্রায় দ্বিগুণ।

 

জ্বালানি সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা যেমন এয়ার ফ্রান্স, এয়ার কানাডা ও আইবেরিয়া হাভানায় তাদের ফ্লাইট বন্ধ করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৬ মিডটার্ম নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে ১ কোটি ৬০ লাখ অভিবাসী ভোটার
যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৬ মিডটার্ম নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে ১ কোটি ৬০ লাখ অভিবাসী ভোটার

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন ২০২৬ ইউনাইটেড স্টেটস ইলেকশনস বা ২০২৬ সালের মিডটার্ম নির্বাচনে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ নিবন্ধিত অভিবাসী ভোটার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন বলে নতুন এক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। গবেষণাটি জানিয়েছে, এসব ভোটার মূলত যুক্তরাষ্ট্রে এসে পরে নাগরিকত্ব পাওয়া বৈধ ভোটার, যারা বিভিন্ন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ কংগ্রেসনাল জেলায় নির্বাচনের ফল নির্ধারণে বড় ফ্যাক্টর হতে পারেন।   আমেরিকান ইমিগ্রেশন কাউন্সিল প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের ২৮৪টি কংগ্রেসনাল জেলা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে—অনেক এলাকায় অভিবাসী ভোটারের সংখ্যা আগের নির্বাচনের জয়ের ব্যবধানের চেয়েও বেশি। অর্থাৎ, ভোটার উপস্থিতি ও পছন্দের ভিত্তিতে এসব ভোটার সরাসরি নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারেন।   প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিশ্লেষণ করা জেলাগুলোর ৪৪ শতাংশে যোগ্য অভিবাসী ভোটারের সংখ্যা ২০২৪ সালের নির্বাচনের জয়ের ব্যবধান ছাড়িয়ে গেছে। ফলে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট—উভয় দলের জন্যই এই ভোটার গোষ্ঠী এখন বড় রাজনৈতিক বাস্তবতা হয়ে উঠেছে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, জর্জিয়া, অ্যারিজোনা, মিশিগান, নেভাদা এবং পেনসিলভানিয়ার এর মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অঙ্গরাজ্যে অভিবাসী ভোটারদের অংশগ্রহণ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে, যেখানে অল্প ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়।   গবেষণায় বলা হয়েছে, এই ভোটারদের বড় অংশের কাছে অর্থনীতি, চাকরি, স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন ব্যয়, শিক্ষা ও অভিবাসন নীতিই প্রধান ইস্যু। তাই রাজনৈতিক দলগুলোকে বহুভাষিক প্রচারণা ও স্থানীয় কমিউনিটির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়াতে হবে।   বিশ্লেষকদের ধারণা, ২০২৬ সালের মিডটার্ম নির্বাচন শুধু কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দিকনির্দেশনাও নির্ধারণ করতে পারে। আর সেই লড়াইয়ে অভিবাসী ভোটাররাই হতে পারেন অন্যতম নির্ধারক শক্তি।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

উত্তর আমেরিকার অন্যতম বৃহৎ আয়োজন — ৩০তম এশিয়ান এক্সপো অনুষ্ঠিত হবে সাউথ ফ্লোরিডায়

ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের জ্বালানি নিষেধাজ্ঞায় অচল হাভানার রাত, থমকে গেছে প্রাণচঞ্চল রাতের জীবন

ছবি: সংগৃহীত।

যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ বন্দুক হামলা: ৮ শিশুসহ নিহত ৯, স্তম্ভিত লুইজিয়ানা

ছবি: সংগৃহীত।
অস্থিরতার মাঝেও যুক্তরাষ্ট্রে যেভাবে কম দামে কিনতে পারবেন জ্বালানি তেল

বিশ্ব রাজনীতির অস্থিরতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে হু হু করে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। সম্প্রতি গ্যালন প্রতি গড় দাম ৪.০৫ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে, যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেশি। মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট জানিয়েছেন, তেলের দাম হয়তো সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, তবে ২০২৭ সালের আগে তা ৩ ডলারের নিচে নামার সম্ভাবনা কম। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের পকেটের বোঝা কমাতে বিশেষ কিছু টিপস প্রকাশ করেছে সিএনএন (CNN)। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু কৌশল অবলম্বন করলে প্রতি গ্যালনে বেশ কয়েক সেন্ট সাশ্রয় করা সম্ভব।  ১. গ্যাস অ্যাপ ব্যবহার করুন: ‘GasBuddy’, ‘Google Maps’ বা ‘Waze’ এর মতো অ্যাপ ব্যবহার করে আপনার এলাকার সবচেয়ে সস্তা গ্যাস স্টেশনটি খুঁজে বের করুন। সামান্য দূরত্ব অতিক্রম করে কয়েক ডলার বাঁচানো সম্ভব। ২. লয়্যালটি প্রোগ্রামে যুক্ত হন: বড় বড় চেইন শপ যেমন ‘Kroger’ বা ‘Walmart’ তাদের মেম্বারদের জন্য বিশেষ ছাড় দেয়। এছাড়া ‘BP’ বা ‘Exxon Mobil’ এর মতো কোম্পানির নিজস্ব লয়্যালটি প্রোগ্রামে যুক্ত থাকলে প্রতি গ্যালনে ৫ থেকে ২০ সেন্ট পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পাওয়া যেতে পারে। ৩. ওয়ারহাউস ক্লাব মেম্বারশিপ: ‘Costco’ বা ‘Sam’s Club’ এর মতো পাইকারি বিক্রেতারা সাধারণ বাজারের তুলনায় অনেক কম দামে তেল বিক্রি করে। দীর্ঘ লাইন থাকলেও সময়ের বিনিময়ে এখানে বড় সাশ্রয় সম্ভব। ৪. ক্রেডিট কার্ড ও ক্যাশব্যাক: নির্দিষ্ট কিছু ব্যাংক কার্ডে তেল কেনার ওপর ৫ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশব্যাক অফার থাকে।  এছাড়া চেকিং অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পেমেন্ট করলে অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ছাড় পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞ প্যাট্রিক ডি হান বলেন, "কারও উচিত নয় সরাসরি রিটেইল মূল্যে তেল কেনা। বাজারে সাশ্রয় করার প্রচুর পথ খোলা আছে, শুধু একটু খোঁজ রাখা প্রয়োজন।" আসন্ন গ্রীষ্মকালীন ছুটির মৌসুমে ভ্রমণের চাপ বাড়লে তেলের চাহিদা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই এখন থেকেই সচেতনভাবে জ্বালানি ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে গাজা যুদ্ধ নিয়ে সমালোচনার জেরে আটক, এক বছর পর দেশে ফিরছেন টাফটস শিক্ষার্থী

জর্জিয়ার ডোরাভিলে অবস্থিত দ্য গ্র্যান্ড প্যালেস ইভেন্ট হল | ছবি: সংগৃহীত

আটলান্টার বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য বড় সুখবর — আসছে আস-সাফা হালাল মার্কেট অ্যান্ড গ্রিল

ছবি: সংগৃহীত।

আলোচনার জন্য পাকিস্তানের পথে রয়েছে মার্কিন প্রতিনিধিরা, জানালেন ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত।
হরমুজ প্রণালীতে মাইন ধ্বংস করতে ‘সি রোবট’ নামালো মার্কিন সেনা

পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এক বিশেষ অভিযানে প্রণালীতে পেতে রাখা সামুদ্রিক মাইন শনাক্ত করতে পানির নিচে চলতে সক্ষম ড্রোন বা 'সি রোবট' এবং অন্যান্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে। সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম 'ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল'-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে একজন অজ্ঞাতনামা মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এই কাউন্টার-মাইন অভিযানে মানবচালিত এবং চালকবিহীন (Unmanned) উভয় প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটানো হচ্ছে। সামরিক বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালীর বিশাল এলাকায় মাইন অনুসন্ধানের কাজ সাধারণ পদ্ধতিতে অনেক সময়সাপেক্ষ হলেও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে তা অত্যন্ত দ্রুত করা সম্ভব। মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক ভাইস অ্যাডমিরাল কেভিন ডনেগান জানান, আগে যেখানে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগত, এখন আনম্যানড আন্ডারওয়াটার ভেহিকেল (UUV) বা সি রোবট ব্যবহার করে মাত্র কয়েক দিনেই মাইন শনাক্ত করা সম্ভব। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই ড্রোনগুলো প্রথমে সমুদ্রের তলদেশে স্ক্যান করে মাইনের অবস্থান নিশ্চিত করে। এরপর বিশেষায়িত রোবটের মাধ্যমে সেগুলো ধ্বংস করা হয়। মূলত ওই অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতেই পেন্টাগন এই উদ্যোগ নিয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ১৯, ২০২৬ 0
এয়ারফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরান প্রশ্নে সাংবাদিককে ‘বেরিয়ে যেতে’ বললেন ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

মেরিল্যান্ডে বিসিএ’র বর্ণাঢ্য ‘ইস্টার পুনর্মিলনী ও বৈশাখী উৎসব’

ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে মুখোমুখি হচ্ছেন মামদানি–ওবামা, শিশুশিক্ষা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ

0 Comments