সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
বিশ্ব

রুশ তেল কিনে বিপাকে চীন ভারত, ১০০ শতাংশ শুল্কের বিল পাস মার্কিন সিনেট

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৮, ২০২৬ ৪:৭
রুশ তেল কিনে বিপাকে চীন ভারত, ১০০ শতাংশ শুল্কের বিল পাস মার্কিন সিনেট
রুশ তেল কিনে বিপাকে চীন ভারত, ১০০ শতাংশ শুল্কের বিল পাস মার্কিন সিনেট

রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস কেনা দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ক্ষমতা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে দিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট। শুক্রবার ৮৬-১১ ভোটে পাস হওয়া বিলটির আওতায় বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে ভারত, চীন, আজারবাইজান, হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়া। তবে শুল্ক স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হবে না। বিলটি আইনে পরিণত হলে শুল্ক আরোপের ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের হাতে থাকবে।

 

বিলটির নাম ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’। প্রয়াত রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম এবং ডেমোক্র্যাট সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেন্থাল দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর এই উদ্যোগের পক্ষে কাজ করেছিলেন।

 

বিলটির মূল লক্ষ্য ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানি থেকে আসা আয় কমানো। এর আওতায় রাশিয়ার তেল ও গ্যাসের শীর্ষ পাঁচ আমদানিকারক দেশের পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ক্ষমতা প্রেসিডেন্টকে দেওয়া হবে। বর্তমানে ওই তালিকায় চীন ও ভারতের পাশাপাশি আজারবাইজান, হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়ার নাম রয়েছে।

 

বিশেষ করে ভারত ও চীনের জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশই রাশিয়ার জ্বালানির বড় ক্রেতা। বিলটি আইনে পরিণত হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এসব দেশের বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

 

সিনেটে অনুমোদনের পর বিলটি এখন হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে যাবে। গ্রীষ্মকালীন বিরতি শেষে হাউসের অধিবেশন ৩১ আগস্ট পুনরায় শুরু হওয়ার কথা। সেখানে বিলটি পাস হলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরের জন্য পাঠানো হবে।

 

তবে হাউসে বিলটির ভবিষ্যৎ এখনো নিশ্চিত নয়। রাশিয়ার ওপর আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে কংগ্রেসে ব্যাপক সমর্থন থাকলেও কিছু আইনপ্রণেতা প্রেসিডেন্টকে নতুন ও বিস্তৃত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, এই ক্ষমতা প্রয়োগ করা হলে শেষ পর্যন্ত মার্কিন আমদানিকারক, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও ভোক্তাদেরও বাড়তি খরচ বহন করতে হতে পারে।

 

বিলে শুধু রাশিয়ার জ্বালানির ক্রেতাদের লক্ষ্য করা হয়নি। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ দেশটির বিভিন্ন কর্মকর্তা, প্রভাবশালী ধনকুবের এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর অতিরিক্ত নিষেধাজ্ঞার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

 

একই সঙ্গে ১৯৯৬ সালের ইরান স্যাংশনস অ্যাক্টের মেয়াদ ২০৩১ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। এই আইনের মাধ্যমে ইরানের জ্বালানি খাতে নির্দিষ্ট ধরনের বিনিয়োগ ও লেনদনের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

 

সিনেটে বিলটি পাস হওয়ার পর রিচার্ড ব্লুমেন্থাল বলেন, লিন্ডসে গ্রাহাম বেঁচে থাকলে এই অগ্রগতিতে গর্বিত হতেন। তার মতে, নতুন নিষেধাজ্ঞা ও শুল্কের লক্ষ্য হচ্ছে রাশিয়ার যুদ্ধ পরিচালনায় অর্থনৈতিকভাবে সহায়তা করে এমন পক্ষগুলোর ওপর চাপ বাড়ানো।

 

তবে বিলটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, ভারত বা চীনের ওপর এখনই ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ হয়ে যায়নি। সিনেটের অনুমোদন আইন প্রণয়নের একটি ধাপ মাত্র। হাউসের অনুমোদন এবং প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ক্ষমতা প্রেসিডেন্ট ব্যবহার করতে পারবেন।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বিশ্ব

View more
বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে জাতিসংঘের তীব্র সমালোচনা করেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট। (ছবি: সংগৃহীত)
জাতিসংঘকে ‘অকার্যকর সংস্থা’ বললেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট মিলেই

জাতিসংঘের তীব্র সমালোচনা করেছেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি সংস্থাটিকে ‘অকার্যকর’ বলে মন্তব্য করেন। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও মানবাধিকার রক্ষায় জাতিসংঘ যথাযথ ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।   ২৩ সেপ্টেম্বর দেওয়া ভাষণে মিলেই বলেন, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মানবাধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে জাতিসংঘ তার দায়িত্ব পূরণ করতে পারেনি। তাঁর অভিযোগ, সংস্থাটির ব্যর্থতার কারণে বিশ্বজুড়ে বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা ও আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের বিস্তারের সুযোগ তৈরি হয়েছে।   জাতিসংঘের আমলাতান্ত্রিক কাঠামোরও কঠোর সমালোচনা করেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, সংস্থাটি এমন এক আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে, যেখানে নিজেদেরকে মানবিক মূল্যবোধের রক্ষক হিসেবে উপস্থাপন করা একদল কর্মকর্তা কার্যত নিজেদের স্বার্থকে এগিয়ে নিচ্ছেন। মিলেই জাতিসংঘকে এমন একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বর্ণনা করেন, যার বর্তমান কাঠামো সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছে না।   তবে তাঁর বক্তব্যের বড় একটি অংশজুড়ে ছিল ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব নিয়ে আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের বিরোধ। আর্জেন্টিনায় দ্বীপগুলো ‘লাস মালভিনাস’ নামে পরিচিত। মিলেই বলেন, তাঁর দেশের কাছে মালভিনাস একটি ‘জাতীয় বিষয়’ এবং এ বিষয়ে জাতিসংঘের ভূমিকা যথেষ্ট নয়।   ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ বর্তমানে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণাধীন একটি স্বশাসিত বিদেশি ভূখণ্ড। আর্জেন্টিনা দীর্ঘদিন ধরে দ্বীপগুলোর ওপর সার্বভৌমত্ব দাবি করে আসছে। ১৯৮২ সালে এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধও হয়েছিল। যুদ্ধের পর দ্বীপগুলো ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণেই থেকে যায়।   মিলেই বিশেষ করে দ্বীপপুঞ্জের আশপাশে তেল অনুসন্ধান ও উত্তোলনের পরিকল্পনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট প্রস্তাব অনুযায়ী যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার মধ্যে সার্বভৌমত্ব নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথা থাকলেও দ্বীপটির কাছে একতরফাভাবে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।   ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের উত্তরাঞ্চলের সমুদ্র এলাকায় ‘সি লায়ন’ নামে একটি বড় তেল প্রকল্প নিয়ে বর্তমানে বিরোধ নতুন করে তীব্র হয়েছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক রকহপার এক্সপ্লোরেশন এবং ইসরায়েলভিত্তিক নাভিটাস পেট্রোলিয়াম প্রকল্পটির সঙ্গে যুক্ত। আর্জেন্টিনা এই তেল অনুসন্ধানকে অবৈধ বলে মনে করছে।   এ প্রসঙ্গে মিলেই বলেন, আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে চলা দেশগুলো যদি কোনো সুবিধা না পায় এবং নিয়ম ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাঁর অভিযোগ, ফকল্যান্ড ইস্যুতে জাতিসংঘ কার্যকরভাবে নিজেদের প্রস্তাব বাস্তবায়ন করতে পারছে না।   তবে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের ভবিষ্যৎ নিয়ে যুক্তরাজ্যের অবস্থান ভিন্ন। ব্রিটিশ সরকার দ্বীপের বাসিন্দাদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে গুরুত্ব দেয়। ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত গণভোটে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটার ব্রিটিশ বিদেশি ভূখণ্ড হিসেবে থাকার পক্ষে মত দেন। মিলেই অবশ্য এই আত্মনিয়ন্ত্রণের যুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং আর্জেন্টিনার সার্বভৌমত্বের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।   মিলেই তাঁর ভাষণে বলেন, আর্জেন্টিনা এই বিরোধের সমাধানে শান্তিপূর্ণ পথ অনুসরণ করতে চায়। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাজ্যকে সার্বভৌমত্ব নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরুর আহ্বান জানান। আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ও জানিয়েছে, দেশটি শান্তিপূর্ণ ও কার্যকর উপায়ে মালভিনাসের দাবি এগিয়ে নেওয়ার অবস্থানে রয়েছে।   জাতিসংঘ নিয়ে মিলেইয়ের এই বক্তব্য তাঁর আগের অবস্থানের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বহুপক্ষীয় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা এবং আন্তর্জাতিক আমলাতন্ত্রের সমালোচনা করে আসছেন। এবারের ভাষণে সেই সমালোচনাকে আরও সরাসরি করে তিনি জাতিসংঘের কার্যকারিতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন।   এদিকে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস তাঁর মেয়াদের শেষ সাধারণ পরিষদে আন্তর্জাতিক সংঘাত, জলবায়ু পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থার সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন। ফলে এবারের সাধারণ পরিষদে জাতিসংঘের সক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ কাঠামো নিয়ে বিভিন্ন দেশের নেতাদের ভিন্নমতও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।   মিলেইয়ের বক্তব্যের মাধ্যমে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের পুরোনো সার্বভৌমত্ব বিরোধও নতুন করে আন্তর্জাতিক আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে দ্বীপপুঞ্জের কাছে তেল অনুসন্ধান ও উত্তোলনের সম্ভাবনা ঘিরে আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ায় বিষয়টি আবারও জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে।   সূত্র: আল-জাজিরা, রয়টার্স ও জাতিসংঘ

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ২১:৩৯
ফ্রান্সের সহায়তা না নিয়ে ৩০ ঘণ্টা সাগরে কাটিয়ে যুক্তরাজ্যে পৌঁছাল ৫১ অভিবাসী

ফ্রান্সের সহায়তা না নিয়ে ৩০ ঘণ্টা সাগরে কাটিয়ে যুক্তরাজ্যে পৌঁছাল ৫১ অভিবাসী

'ভারতের ট্যাক্স আমেরিকার মতো, সুবিধা বাংলাদেশের মতো’

'ভারতের ট্যাক্স আমেরিকার মতো, সুবিধা বাংলাদেশের মতো’ :আশনীার গ্রোভারের

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ফিলিস্তিনের পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছে পশ্চিমা দেশগুলো। ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স-কানাডা, ৭১ মিলিয়ন ডলার সহায়তার ঘোষণা

ছেলের এমন অদ্ভুত দাবির বিষয়ে ইতিবাচক ও হাস্যরসাত্মক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন পেশায় আইনজীবী মা-বাবা। ছবি: সংগৃহীত
সম্মতি ছাড়া জন্ম দেওয়ায় নিজের মা-বাবার বিরুদ্ধে মামলা করার পরিকল্পনা ছেলের

জন্মের আগে তার সম্মতি নেওয়া হয়নি, এই যুক্তিতে নিজের মা-বাবার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন ভারতের মুম্বাইয়ের এক তরুণ। ২০১৯ সালে ২৭ বছর বয়সী রাফায়েল স্যামুয়েল এ পরিকল্পনার কথা প্রকাশ্যে জানান। তার দাবি ছিল, পৃথিবীতে জন্ম নেওয়ার সিদ্ধান্ত তার নিজের ছিল না। তাই সন্তান জন্ম দেওয়ার সিদ্ধান্তের দায়ও মা-বাবার।   রাফায়েল নিজেকে অ্যান্টিন্যাটালিজম বা জন্মবিরোধী দর্শনের অনুসারী হিসেবে পরিচয় দেন। এই দর্শনের অনুসারীরা মনে করেন, মানুষকে পৃথিবীতে না আনাই নৈতিকভাবে বেশি যুক্তিসংগত, কারণ জীবনের সঙ্গে দুঃখ, কষ্ট ও নানা ধরনের ভোগান্তি জড়িয়ে আছে। রাফায়েলের বক্তব্যও মূলত এই দর্শনের ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছিল।   মুম্বাইয়ের এই ব্যবসায়ী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ভিডিও বার্তার মাধ্যমে তার মতাদর্শ প্রচার করতেন। তিনি যুক্তি দেন, কোনো মানুষই জন্মের আগে পৃথিবীতে আসার বিষয়ে সম্মতি দিতে পারে না। অথচ জন্মের পর তাকে পড়াশোনা, চাকরি, পেশা ও জীবনের নানা দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। তার প্রশ্ন ছিল, যে জীবনের জন্য কেউ আগে থেকে সম্মতি দেয়নি, সেই জীবনের নানা বাধ্যবাধকতার দায় কেন তার ওপর থাকবে।   রাফায়েল আরও বলেছিলেন, মানুষ যদি নিজের ইচ্ছায় জন্ম নিতে না পারে, তাহলে তাদের জীবনযাপনের খরচ বহনের দায়িত্ব মা-বাবার হওয়া উচিত। তার মতে, সন্তান জন্ম দেওয়ার সিদ্ধান্ত মা-বাবার, সন্তানের নয়। তাই সন্তানকে সারাজীবন সেই সিদ্ধান্তের ফল ভোগ করতে বাধ্য করা নিয়ে প্রশ্ন তোলা দরকার।   বিষয়টি আরও আলোচনায় আসে যখন রাফায়েল জানান, তার মা-বাবা দুজনই আইনজীবী। তারপরও তিনি তাদের আদালতে নেওয়ার কথা ভাবছেন। তবে তিনি স্বীকার করেছিলেন, কোনো বিচারক তার মামলা গ্রহণ করবেন কি না, তা নিয়ে তিনি নিজেও সন্দিহান। সে সময় পর্যন্ত তার মামলা নেওয়ার জন্য কোনো আইনজীবীও পাওয়া যায়নি।   তবে মা-বাবার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক খারাপ ছিল না। রাফায়েল নিজেই বলেছিলেন, তিনি তাদের ভালোবাসেন এবং পরিবারের সম্পর্কও ভালো। তার বক্তব্য ছিল, বিষয়টি ব্যক্তিগত বিরোধ নয়, বরং সন্তান জন্ম দেওয়া এবং মানুষের অস্তিত্ব নিয়ে একটি দার্শনিক প্রশ্ন সামনে আনার চেষ্টা।   তার মা কবিতা কার্নাড স্যামুয়েলও ছেলের পরিকল্পনাকে পুরোপুরি বিরোধিতা করেননি। বরং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি ছেলের সাহসের প্রশংসা করেন। তার বক্তব্য ছিল, রাফায়েল যদি যুক্তিসংগতভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেন যে জন্মের আগে কীভাবে তার কাছ থেকে সম্মতি নেওয়া সম্ভব ছিল, তাহলে তিনি নিজের ভুল স্বীকার করবেন।   রাফায়েল তার মতাদর্শ প্রচারের জন্য ‘নিহিলানন্দ’ নামে একটি ফেসবুক পেজও চালু করেছিলেন। সেখানে তিনি সন্তান জন্ম দেওয়া, মানুষের অস্তিত্ব এবং জীবনের বিভিন্ন দায়িত্ব নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলতেন। একটি পোস্টে তিনি প্রশ্ন তোলেন, একটি শিশুকে পৃথিবীতে নিয়ে আসার পর তাকে ক্যারিয়ার গড়ার মতো নানা সামাজিক প্রত্যাশার মধ্যে ঠেলে দেওয়া কতটা ন্যায্য।   তার বক্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ তার যুক্তিকে অদ্ভুত বলে সমালোচনা করেন, আবার কেউ জন্ম, সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত এবং ব্যক্তিস্বাধীনতা নিয়ে তার উত্থাপিত প্রশ্নকে দার্শনিক আলোচনার বিষয় হিসেবে দেখেন। বিষয়টি ভারতের বাইরে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়।   অ্যান্টিন্যাটালিজম নতুন কোনো ধারণা নয়। বিভিন্ন সময়ে দর্শন ও ধর্মীয় চিন্তাধারার কিছু ধারায় মানুষের জন্ম এবং জীবনের দুঃখ-কষ্ট নিয়ে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দেখা গেছে। আধুনিক অ্যান্টিন্যাটালিজমে মানুষের সন্তান জন্মদানের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। তবে এটি একটি দার্শনিক অবস্থান, সর্বজনস্বীকৃত বৈজ্ঞানিক বা আইনি নীতি নয়।   রাফায়েলের বক্তব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল, তিনি নিজের জীবনকে পুরোপুরি দুর্বিষহ বলে দাবি করেননি। বরং তিনি জানিয়েছিলেন, তার জীবন ভালোই চলছে। তার আপত্তি ছিল মানুষের অস্তিত্বের মৌলিক প্রশ্ন নিয়ে। অর্থাৎ তার পরিকল্পিত আইনি পদক্ষেপকে তিনি ব্যক্তিগত ক্ষোভের চেয়ে একটি বৃহত্তর দার্শনিক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যম হিসেবে দেখেছিলেন।   শেষ পর্যন্ত রাফায়েল সত্যিই তার মা-বাবার বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন কি না, সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য প্রতিবেদনে কোনো আদালতের রেকর্ড পাওয়া যায় না। ২০১৯ সালের সমসাময়িক প্রতিবেদনে বরং বলা হয়েছিল, তিনি মামলা করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন এবং তখনও কোনো আইনজীবী তার পক্ষে মামলা নিতে রাজি হননি। তাই ঘটনাটিকে ‘মা-বাবার বিরুদ্ধে মামলা’ নয়, বরং ‘মা-বাবার বিরুদ্ধে মামলা করার পরিকল্পনা’ হিসেবে উল্লেখ করাই সঠিক।   সূত্র: বিবিসি, দ্য গার্ডিয়ান

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ ২৩:৩০
চীনের উহানে ২০ বছরের ডাক্তারি পেশা ছেড়ে বান রুটির দোকান খুলেছেন সাবেক চিকিৎসক ডং মিন। ছবি: সংগৃহীত

মানসিক শান্তি পেতে ২০ বছরের ডাক্তারি পেশা ছেড়ে দিলেন নারী, খুললেন বান রুটির দোকান

হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের হাতে আটক মার্কিন চালকবিহীন ডুবো যান। ছবি: সংগৃহীত

আটক মার্কিন ডুবো ড্রোনের প্রযুক্তি রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে নকল করবে ইরান

ইরানি প্রতিনিধিদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বিধিনিষেধ

দোকানেও যেতে লাগবে অনুমতি, ইরানি প্রতিনিধিদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বিধিনিষেধ

কানাডায় টিউটরের শেষ পাবলিক শো শেষ, ক্যালগেরিতে শেষবার দেখা দেবে স্নোবার্ডস
কানাডায় টিউটরের শেষ পাবলিক শো শেষ, ক্যালগেরিতে শেষবার দেখা দেবে স্নোবার্ডস

কানাডায় টিউটর উড়োজাহাজে শেষ পাবলিক এয়ার শো শেষ করেছে রয়্যাল কানাডিয়ান এয়ার ফোর্সের স্নোবার্ডস। গ্যাটিনো-অটোয়া এলাকায় আয়োজিত অ্যারো গ্যাটিনো-অটোয়া শো শেষে দলটি তাদের ঘাঁটি মোজ জ-তে ফিরছে। পরিবারের সঙ্গে স্বল্প সময়ের বিশ্রামের পর আবার শেষ প্রদর্শনীর প্রস্তুতি নেবে দলটি।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় স্নোবার্ডস জানায়, অ্যারো গ্যাটিনো-অটোয়া ছিল কানাডায় টিউটর উড়োজাহাজে তাদের শেষ পাবলিক শো। আয়োজক ও স্বেচ্ছাসেবকদের ধন্যবাদ জানিয়ে দলটি বলেছে, গত ৫৫ বছর ধরে তাদের প্রতিটি প্রদর্শনী সম্ভব হয়েছে স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় আয়োজকদের সহযোগিতায়।   স্নোবার্ডসের পক্ষ থেকে বলা হয়, পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে কানাডার বিভিন্ন বিমানঘাঁটি, সমুদ্রসৈকত ও বিভিন্ন এলাকার মানুষের সামনে তারা প্রদর্শনী করেছে। এই দীর্ঘ সময়ে কানাডীয়দের সমর্থন তাদের আরও উঁচুতে উড়তে এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে অনুপ্রাণিত করেছে বলেও বার্তায় উল্লেখ করা হয়।   তবে টিউটর যুগের সমাপ্তি হলেও স্নোবার্ডসের প্রদর্শনী পুরোপুরি শেষ হচ্ছে না। দলটি জানিয়েছে, কানাডীয়দের সঙ্গে তাদের শেষ সাক্ষাৎ হবে ক্যালগেরিতে গ্রে কাপ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে।   স্নোবার্ডস বলেছে, টিউটর উড়োজাহাজের যুগ শেষের দিকে এগোলেও দলের সেই চেতনা অব্যাহত থাকবে। ৫৫ বছরের এই অধ্যায়ের জন্য কানাডার জনগণ, স্বেচ্ছাসেবক ও আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তারা ক্যালগেরিতে আবার দেখা করার বার্তা দিয়েছে।   রয়্যাল কানাডিয়ান এয়ার ফোর্সের স্নোবার্ডস কানাডার অন্যতম পরিচিত সামরিক এয়ার শো দল। দীর্ঘদিন ধরে তারা বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠান ও এয়ার শোতে দলীয় উড্ডয়ন প্রদর্শনের মাধ্যমে কানাডার প্রতিনিধিত্ব করে আসছে।   সোর্স: রয়্যাল কানাডিয়ান এয়ার ফোর্স স্নোবার্ডস

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ ৪:৩৮
ইরান যুদ্ধ ও কূটনীতির টানাপোড়েনে বিশ্ববাজারে ওঠানামা করছে তেলের দাম

ইরান যুদ্ধ ও কূটনীতির টানাপোড়েনে বিশ্ববাজারে ওঠানামা করছে তেলের দাম

আকাশপথে কানাডায় ঢুকেই অ্যাসাইলাম চাইলেন মার্কিন নারী

আকাশপথে কানাডায় ঢুকেই অ্যাসাইলাম চাইলেন মার্কিন নারী, হাতে ছিল চিরকুট

গাজায় হুইলচেয়ার, টয়লেটও  প্রবেশে নিষেধ করেছে ইসরাইল

গাজায় হুইলচেয়ার, টয়লেটও প্রবেশে নিষেধ করেছে ইসরাইল

0 Comments