বিশ্ব

আরব সাগরে যৌথ নৌ মহড়া করছে পাকিস্তান ও চীন

নীলুফা নিশাত প্রকাশ: এপ্রিল ২, ২০২৬ ২:২০
গত ২৫ মার্চ থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: সংগৃহীত
গত ২৫ মার্চ থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তান নৌবাহিনী ও চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি নেভি যৌথভাবে পরিচালিত সামুদ্রিক মহড়া “সি গার্ডিয়ান-৪” সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই মহড়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল দুই দেশের নৌবাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করা, খবর দিয়েছে সামা টিভি।

 

পাকিস্তানের সামরিক তথ্যমাধ্যম ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশন (আইএসপিআর) জানিয়েছে, মহড়াটি ২৫ মার্চ থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ছিল করাচিতে পাঁচ দিনের “পোর্ট ফেজ” এবং উত্তর আরব সাগরে দুই দিনের “সি ফেজ”।

 

করাচি বন্দরে চীনা নৌবাহিনীর জাহাজকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয় পিএনএস তাইমুর দ্বারা।

 

পোর্ট ফেজে দুই দেশের প্রতিনিধি দল পারস্পরিক মতবিনিময়, নৌ স্থাপনা পরিদর্শন, পেশাগত আলোচনা এবং বিভিন্ন সেমিনার আয়োজন করে, যা বোঝাপড়া বাড়াতে সহায়ক হয়েছে।

 

সি ফেজে যৌথ সামরিক মহড়া এবং কৌশলগত অনুশীলনের মাধ্যমে দুই নৌবাহিনীর কার্যকর সমন্বয় আরও উন্নত করা হয়।

 

মহড়ার শেষ দিনে আরব সাগরে যৌথ টহলের মাধ্যমে মহড়ার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। এটি আঞ্চলিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রতি দুই দেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Advertisement

বিশ্ব

View more
মিথ্যা ধর্ষণের অভিযোগে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করায় দণ্ডিত ব্রিটিশ নারী ইসাবেল রোজ। ছবি: সংগৃহীত
ধর্ষণ অভিযোগ দিয়ে ব্ল্যাকমেইলের চেষ্টা! ব্রিটিশ নারীকে কারাগারে দিল হংকং আদালত

হংকংয়ে এক নারী ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ তুলে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করার দায়ে কারাদণ্ড পেয়েছেন। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, ওই নারী পরিকল্পিতভাবে অভিযোগটি তৈরি করেছিলেন এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যেই এই অভিযোগ করেছিলেন।   ঘটনার শুরু ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে। ইসাবেল রোজ নামের ওই নারী হংকং পুলিশের কাছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। তবে ঘটনার দুই দিন পর পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে মোড় নেয়। রোজকেই গ্রেপ্তার করা হয় ওই ব্যক্তিকে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে। তদন্তে উঠে আসে, তিনি যাকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত করেছিলেন, সেই একই ব্যক্তির কাছ থেকেই ১ লাখ ৩৩ হাজার ডলার দাবি করেছিলেন। মামলাটি আদালতে গেলে হংকংয়ের জেলা আদালতের বিচারক অ্যাড্রিয়ানা সে পুরো বিষয়টি পর্যালোচনা করেন। বিচারক বলেন, অভিযোগটি অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে সাজানো হয়েছিল এবং তা “স্পষ্টভাবে মিথ্যা” বলে প্রমাণিত হয়েছে।   আদালত অভিযুক্ত পুরুষকে সম্পূর্ণভাবে নির্দোষ ঘোষণা করে। বিচারক তাকে সৎ, বিশ্বাসযোগ্য ও নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। অন্যদিকে রোজকে ব্ল্যাকমেইল এবং বিচারপ্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। রোজের আইনজীবীরা আদালতের কাছে সাজা কমানোর আবেদন করেছিলেন। তবে বিচারক সেই আবেদন গ্রহণ করেননি। আদালত তাকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থার কারাগারে ছয় বছরের কারাদণ্ড দেন। বর্তমানে রোজ হংকংয়ের তাই লাম সংশোধনাগারে সাজা ভোগ করছেন।   আদালতের রায়ের পর বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে। কারণ মিথ্যা অভিযোগ শুধু অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনি অবস্থানই নয়, তার ব্যক্তিগত জীবন, সামাজিক সম্মান এবং মানসিক অবস্থার ওপরও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।   তবে বিচার সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, যৌন অপরাধের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর বিষয় হওয়ায় প্রতিটি অভিযোগ যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি। একই সঙ্গে ইচ্ছাকৃত মিথ্যা অভিযোগের ক্ষেত্রেও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, যাতে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের অভিযোগের গুরুত্ব ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৬, ২০২৬ ২৩:৫৯
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি হামলার ঘটনায় কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত

ইরানি জাহাজে হামলার জবাব দেওয়া হবে, ইউক্রেনকে কড়া বার্তা আরাগচির

হামলার পর টিয়ারগার্টেন এলাকায় তদন্ত চালাচ্ছে জার্মান পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

জার্মানিতে সমকামীদের মিছিলে হামলাকারী পুলিশের গুলিতে নিহত

আল-আকসা সংলগ্ন নিজের বাড়ির সামনে ফিলিস্তিনি নারী আয়েশা মসলুহি। ছবি: সংগৃহীত

আল-আকসার পাশের ছোট্ট ঘরের জন্য ১০ লাখ ডলারের প্রস্তাব, ফিরিয়ে দিলেন ফিলিস্তিনি নারী

বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি জোগাতে নির্মাণস্থলে ইট বহন করছে ইউয়ানইউয়ান। ছবি: সংগৃহীত
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির খরচ জোটাতে মায়ের সাথে কড়া রোদে ইট টানছেন চিনা তরুণ

চীনের অধিকাংশ শিক্ষার্থী যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার পর ভ্রমণ কিংবা অবকাশযাপনে সময় কাটান, সেখানে এক কিশোরী সম্পূর্ণ ভিন্ন পথ বেছে নিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি জোগাড় করতে সে যোগ দিয়েছে নির্মাণকাজে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত মায়ের সঙ্গে। পিঠে ইট বহন করে উপার্জনের সেই গল্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকের প্রশংসা কুড়িয়েছে।   সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট এবং শিয়াওশিয়াং মর্নিং হেরাল্ড-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, 'ইউয়ানইউয়ান' নামে পরিচিত ওই কিশোরী সম্প্রতি চীনের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা গাওকাও সম্পন্ন করেছে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর গত জুনের শেষ দিক থেকে দক্ষিণ চীনের গুয়াংডং প্রদেশে মায়ের কর্মস্থল নির্মাণ সাইটে কাজ শুরু করে সে।   ইউয়ানইউয়ানের মা ওয়েই ইউনগুই গত ১৬ বছর ধরে নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ করছেন। ৪০ বছর বয়সী ওয়েই একজন একক মা। হুনান প্রদেশের কিদং কাউন্টিতে থাকা ছেলে ও মেয়ের ভরণপোষণের সম্পূর্ণ দায়িত্ব তার কাঁধে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মা ও মেয়ে পিঠে করে একের পর এক ইট বহন করে ভবনের ওপরের তলায় নিয়ে যাচ্ছেন। প্রচণ্ড গরমে ঘাম ঝরিয়ে দুজনের নিরলস পরিশ্রম অনেকের দৃষ্টি কেড়েছে।   ভিডিওতে ওয়েই মেয়েকে বলেন, "তুমি একবারে ১০টি ইট বহন করে ৪ ইউয়ান আয় করেছ। আমি চার গুণ বেশি ইট বহন করে ১৬ ইউয়ান পেয়েছি। সব মিলিয়ে আজ ২০ ইউয়ান আয় হলো। এভাবেই ধীরে ধীরে তোমার বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি জোগাড় হবে।" ইউয়ানইউয়ান পরে স্বীকার করে, এই কাজ অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। তার ভাষায়, "আমি যতটা পারি, ততটাই করছি। আমি চাই মায়ের কষ্ট কিছুটা হলেও কমাতে।" মা ওয়েই জানান, শুরুতে মেয়েকে এত কঠিন শারীরিক শ্রমের কাজে আনতে তিনি রাজি ছিলেন না। কিন্তু মেয়ের অনুরোধ ও দৃঢ় ইচ্ছার কাছে শেষ পর্যন্ত সম্মতি দেন।   তিনি বলেন, "আগে আমার মেয়ে শুধু আমাকে সারাদিন পরিশ্রম করতে দেখত, কিন্তু সেই কষ্টটা অনুভব করতে পারত না। এখন নিজে কাজ করার পর সে আমার জীবনের সংগ্রাম আরও ভালোভাবে বুঝতে শিখেছে এবং আমার প্রতি তার সহমর্মিতা বেড়েছে।"   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউয়ানইউয়ান গাওকাও পরীক্ষায় ঠিক কত নম্বর পেয়েছে বা কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছে, তা প্রকাশ করতে চাননি তার মা। তবে তিনি জানিয়েছেন, মেয়ের ফলাফলে তিনি সন্তুষ্ট এবং সে একটি মাঝারি মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। ইউয়ানইউয়ান ভবিষ্যতে মনোবিজ্ঞানে পড়াশোনা করতে আগ্রহী।   তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের খরচের জন্য ঠিক কত অর্থ প্রয়োজন, সেটিও প্রকাশ করা হয়নি। তবে চীনে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বছরে গড়ে প্রায় ৫ হাজার ইউয়ান টিউশন ফি দিতে হয়। চীনে গাওকাও পরীক্ষা অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘ প্রস্তুতি ও কঠোর পরীক্ষার পর অনেক শিক্ষার্থী পরিবার নিয়ে ভ্রমণে যান অথবা নিজেদের জন্য দামি প্রযুক্তিপণ্য কেনেন। বিশেষ করে আইফোন, আইপ্যাড ও ম্যাকবুক কেনার প্রবণতা অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যে দেখা যায়।   সে তুলনায় ইউয়ানইউয়ানের সিদ্ধান্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই মা-মেয়ের সংগ্রাম ও পারস্পরিক দায়িত্ববোধের প্রশংসা করেছেন। একজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী লিখেছেন, "মা ও মেয়ের এই গল্প সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। তাদের জন্য শুভকামনা।" আরেকজন মন্তব্য করেন, "এত অল্প বয়সে কঠোর পরিশ্রম করতে রাজি হওয়া আজকের দিনে বিরল। এমন মানসিকতা ভবিষ্যতে তাকে আরও শক্ত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে।"   তবে সবাই একই মত পোষণ করেননি। কেউ কেউ বলেছেন, নির্মাণশ্রমের মতো কঠিন কাজের পরিবর্তে তিনি চাইলে রেস্তোরাঁ বা অন্য কোনো খণ্ডকালীন চাকরি করেও বিশ্ববিদ্যালয়ের খরচের জন্য অর্থ উপার্জন করতে পারতেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৬, ২০২৬ ২২:৪
অতিরিক্ত পর্যটকের চাপ সামাল দিতে নতুন পরিকল্পনা করছে বার্সেলোনা। ছবি: সংগৃহীত

'আর একজন পর্যটকও নয়’! পর্যটকের চাপে অতিষ্ঠ ইউরোপের জনপ্রিয় শহর

গলার বিশেষ কলার খুলে বিড়ালটির তল্লাশি চালাচ্ছেন কারা কর্মকর্তারা। ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার কারাগারে ধরা পড়ল মাদক পাচারকারী বিড়াল, তদন্ত শুরু

ইসরায়েলি সেনাকে হত্যার জেরে জ্বালিয়ে দেওয়া হলো ফিলিস্তিনি মসজিদ

অস্ত্র কেড়ে নিয়ে দুই ইসরায়েলি সেনাকে হত্যার জেরে জ্বালিয়ে দেওয়া হলো ফিলিস্তিনি মসজিদ

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি
মোদির ইনস্টাগ্রাম রিলে ২৪ ঘণ্টায় ৩০ কোটির বেশি ভিউ, নতুন বিশ্বরেকর্ডের দাবি

ভারতজুড়ে শিক্ষার্থী আন্দোলনের মধ্যে তরুণদের উদ্দেশে প্রকাশ করা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি ইনস্টাগ্রাম রিল ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ৩০ কোটির বেশি ভিউ অর্জন করেছে। বিভিন্ন ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, এটি ইনস্টাগ্রামে প্রথম ২৪ ঘণ্টায় সর্বাধিক ভিউ পাওয়া রিলের নতুন বিশ্বরেকর্ড।     মোদি সম্প্রতি সেলফি-ধাঁচের একটি ভিডিও বার্তায় পরীক্ষা-সংক্রান্ত অনিয়ম ও শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ নিয়ে কথা বলেন। ভিডিওটি প্রকাশের একদিনের মধ্যেই ৩০৩ মিলিয়নের বেশি ভিউ অতিক্রম করে। এর আগে ২৪ ঘণ্টায় সর্বাধিক ভিউয়ের রেকর্ডটি ছিল জনপ্রিয় ইউটিউবার ও স্ট্রিমার আইশোস্পিডের একটি ইনস্টাগ্রাম রিলের দখলে, যা প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ভিউ পেয়েছিল।   ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর মোদি আরেকটি রিল প্রকাশ করে দর্শকদের ধন্যবাদ জানান। একই সময়ে তার ইনস্টাগ্রাম অনুসারীর সংখ্যাও দ্রুত বেড়ে যায়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাত্র এক রাতেই তার অনুসারী প্রায় ১০ লাখ বৃদ্ধি পেয়ে ১০ কোটিরও বেশি হয়েছে।    ভারতে সাম্প্রতিক শিক্ষার্থী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে তরুণদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়াতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। এ পরিস্থিতিতে মোদির ভাইরাল রিলকে তরুণদের কাছে পৌঁছানোর একটি নতুন ডিজিটাল কৌশল হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।    ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা এখন পর্যন্ত এ ভিউসংখ্যাকে কেন্দ্র করে কোনো আনুষ্ঠানিক "বিশ্বরেকর্ড" ঘোষণা করেনি। রেকর্ডের দাবিটি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৬, ২০২৬ ৮:১৭
১৫ দিনে ২০০ মার্কিন সেনা হত্যার দাবি ইরানের

১৫ দিনে ২০০ মার্কিন সেনা হত্যার দাবি ইরানের

গাজার শিশুদের আঁকা ছবি অফিসে রাখি

‘গাজার শিশুদের আঁকা ছবি অফিসে রাখি, যেন ভুলে না যাই: স্পেনের প্রধানমন্ত্রী

আমি গরিব হয়েই মরতে চাই

'আমি গরিব হয়েই মরতে চাই’ বলে, ৪ বিলিয়ন ডলার দান করে মারা গেলেন বিলিয়নিয়ার

0 Comments