বিশ্ব

ইরান-ইসরাইল যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইসরাইলিদের প্রতিক্রিয়া

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0
ইরান-ইসরাইল যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইসরাইলিদের প্রতিক্রিয়া
ইরান-ইসরাইল যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইসরাইলিদের প্রতিক্রিয়া

ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই দেশটির জনগণের মনোভাব নিয়ে নতুন একটি চিত্র সামনে এসেছে জেরুজালেমের হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক জরিপে। এতে দেখা যায়, ইরানের সঙ্গে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি নিয়ে বেশিরভাগ ইসরাইলি সন্তুষ্ট নন।

 

জরিপ অনুযায়ী, প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ নাগরিক এই যুদ্ধবিরতির বিরোধিতা করছেন। তবে এই বিরতি মেনে চলা হবে, নাকি আবার সামরিক অভিযান শুরু করা উচিত—এই প্রশ্নে জনমত প্রায় সমানভাবে বিভক্ত।

 

এদিকে লেবানন সীমান্তে হিজবুল্লাহর সঙ্গে চলমান সংঘাত নিয়েও ইসরাইলিদের অবস্থান বেশ কঠোর। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় তেহরান হিজবুল্লাহর ওপর হামলা বন্ধের আহ্বান জানালেও, জরিপে অংশ নেওয়া ৬১ শতাংশ ইসরাইলি মনে করেন, লেবাননে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়া উচিত। তাদের মতে, ইরানের সঙ্গে কোনো সমঝোতা হলেও তা হিজবুল্লাহর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়া উচিত নয়।

 

ইরানকে ঘিরে ভবিষ্যৎ কৌশল সম্পর্কে মতামত জানতে চাইলে ৩৯ শতাংশ পুনরায় হামলার পক্ষে মত দেন, আর ৪১ শতাংশ আপাতত যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার পক্ষে থাকেন।

 

এ পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও। প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu–এর জনপ্রিয়তায় কিছুটা ভাটা দেখা গেছে। জরিপ অনুযায়ী, ইরানের সঙ্গে সংঘাত শুরুর সময় যেখানে ৪০ শতাংশ নাগরিক তাকে সমর্থন করতেন, এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৪ শতাংশে।

 

সব মিলিয়ে, ইসরাইলি জনমতে একদিকে কঠোর সামরিক অবস্থানের প্রতিফলন দেখা গেলেও, অন্যদিকে রাজনৈতিক নেতৃত্বের ওপর আস্থায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট।

 

সূত্র: আল জাজিরা

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

বিশ্ব

View more
ডোনাল্ড ট্রাম্পের শেয়ার করা সেই এআই ছবি (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত
নিজের ছবি যিশুর রূপে শেয়ার, সমালোচনার মুখে ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যিশু খ্রিস্টের আদলে নিজের একটি এআই-নির্ভর ছবি প্রকাশ করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। পোপ লিও-র সমালোচনার পরই এই পোস্টটি সামনে আসে বলে ধারণা করা হচ্ছে।   সোমবার (১৩ এপ্রিল) নিজের প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল এ কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই ছবিটি শেয়ার করেন ট্রাম্প। এর আগে ইরান যুদ্ধ নিয়ে কড়া মন্তব্য করে পোপ বলেছিলেন, যারা যুদ্ধ শুরু করে তাদের হাত রক্তে রঞ্জিত থাকে এবং ঈশ্বর তাদের প্রার্থনা গ্রহণ করেন না। এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়াতেই ট্রাম্পের এমন পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।   ট্রাম্প তার পোস্টে পোপকে ‘অপরাধ দমনে দুর্বল’ ও ‘পররাষ্ট্রনীতিতে ব্যর্থ’ বলে সমালোচনা করেন। এমনকি তিনি দাবি করেন, তিনি ক্ষমতায় না থাকলে পোপের পক্ষে ভ্যাটিকানে টিকে থাকা কঠিন হতো। তবে এই পোস্ট ঘিরে তার সমর্থকদের মধ্যেও ভিন্নমত দেখা গেছে; কেউ কেউ ছবিটি সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।   এর আগেও ট্রাম্প বিভিন্ন জনপ্রিয় সিনেমা বা চরিত্রের আদলে এআই ছবি প্রকাশ করেছিলেন, যা প্রায়ই আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সাম্প্রতিক এক সংবাদ সম্মেলনেও তিনি সরাসরি জানান, পোপের কর্মকাণ্ডে তিনি সন্তুষ্ট নন এবং অভিযোগ করেন, পোপ ইরানের পারমাণবিক ইস্যু ও যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ অপরাধ নিয়ে নরম অবস্থান নিচ্ছেন—যদিও এ অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।   অন্যদিকে পোপ সংবাদমাধ্যমকে জানান, ট্রাম্প প্রশাসনের মন্তব্যে তিনি বিচলিত নন। তার বক্তব্য, শান্তির আহ্বান কেবল ধর্মীয় শিক্ষার ভিত্তিতেই দেওয়া হয়েছে এবং তিনি রাজনৈতিক বিতর্কে জড়াতে চান না। একই সঙ্গে ধর্মীয় প্রতীকের অপব্যবহার না করার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।   ইরানকে ঘিরে বৈশ্বিক উত্তেজনার মধ্যেই এই বাকযুদ্ধ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একদিকে পোপ শান্তির বার্তা দিচ্ছেন, অন্যদিকে ট্রাম্পের কড়া অবস্থান ও বিতর্কিত পোস্ট পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলছে।   এদিকে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক অস্থিরতাও বেড়েছে, যা পুরো পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।   সূত্র: স্কাই নিউজ

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0
উপসাগরীয় অঞ্চলের বন্দরগুলো অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ হুমকি ‘অবৈধ ও দস্যুতার শামিল’

ইরান-ইসরাইল যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইসরাইলিদের প্রতিক্রিয়া

ইরান-ইসরাইল যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইসরাইলিদের প্রতিক্রিয়া

ছবি : সংগৃহীত

সমঝোতায় পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘কর্তৃত্ববাদী’ মনোভাব ছাড়ার আহ্বান পেজেশকিয়ানের

ছবি: সংগৃহীত
জ্বালানির দামে স্বস্তি দিতে দুই মাস কর কমাবে জার্মানি

যুদ্ধের প্রভাবে বেড়ে যাওয়া জ্বালানির দামের চাপ কমাতে পেট্রোল ও ডিজেলের ওপর কর কমানোর ঘোষণা দিয়েছে জার্মানি। দেশটির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত আগামী দুই মাসের জন্য কার্যকর থাকবে।   কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সময়ের জন্য প্রতি লিটার জ্বালানিতে প্রায় ১৭ ইউরো সেন্ট (প্রায় ০.২০ ডলার) কর কমানো হবে।   সিডিইউ দল ও জোটসঙ্গীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান জার্মান চ্যান্সেলর। তিনি বলেন, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা যে চাপের মুখে পড়েছেন, তা কমাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও সরবরাহ অনিশ্চয়তার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বাড়ছে। এর প্রভাব ইউরোপের দেশগুলোতেও পড়েছে, যার ফলে সরকারগুলোকে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

শর্তে অচলাবস্থা, যুদ্ধবিরতিতে একমত নয় ইরান–যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধে সমর্থন দেবে না ব্রিটেন

ইরানের নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি।  ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন নৌ-অবরোধের হুমকি ‘হাস্যকর’: ইরানের নৌবাহিনী প্রধান

ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি সাবেক সিআইএ প্রধানের, ‘মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন’ অভিযোগ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক পরিচালক জন ব্রেনান। তিনি ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড ও মানসিক অবস্থাকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন।   বারাক ওবামা প্রশাসনের সময় দায়িত্ব পালন করা জন ব্রেনান বলেন, বর্তমান প্রেসিডেন্টকে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে রাখা নিরাপদ নয়। তিনি মার্কিন সংবিধানের ২৫তম সংশোধনীর উল্লেখ করে বলেন, কোনো প্রেসিডেন্ট শারীরিক বা মানসিকভাবে দায়িত্ব পালনে অযোগ্য হয়ে পড়লে তাকে অপসারণের বিধান রয়েছে এবং ট্রাম্প সেই অবস্থার উদাহরণ হতে পারেন।   গত শনিবার এমএস নাউ টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্রেনান বলেন, “এই ব্যক্তি স্পষ্টতই মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন।” তিনি বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক উসকানিমূলক বক্তব্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।   ব্রেনানের মতে, এ ধরনের বক্তব্য ও সিদ্ধান্ত লাখো মানুষের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পকে ক্ষমতায় রাখা মানে বৈশ্বিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলা।   সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, মার্কিন সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী যেন ঠিক এমন পরিস্থিতির জন্যই প্রণীত। একজন প্রেসিডেন্টের হাতে যখন পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার ও শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ থাকে, তখন তার মানসিক স্থিতিশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।   দীর্ঘদিন গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ পদে কাজ করার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ব্রেনান বলেন, একজন রাষ্ট্রপ্রধানের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা হতে হয় সুসংহত ও বিচক্ষণ। কিন্তু ট্রাম্পের আচরণে তার বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে। তিনি মনে করেন, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে ট্রাম্পকে দায়িত্ব থেকে সরানো ছাড়া বিকল্প নেই।   ব্রেনানের এই মন্তব্যের পর ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রেসিডেন্টের সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। অনেক মার্কিন সংবাদমাধ্যম এই মন্তব্যকে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কোনো সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তার অন্যতম কঠোর সমালোচনা হিসেবে দেখছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ৩ কোটির বেশি মানুষ চরম দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে: জাতিসংঘ

ছবি: সংগৃহীত

হাইতির ঐতিহাসিক দুর্গে পদদলিত হয়ে নিহত অন্তত ৩০

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজে মার্কিন অবরোধের ঘোষণা, লাফিয়ে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম

0 Comments