বাংলাদেশ

সৌদি প্রবাসীর সাতদিন আগে মৃত্যু, শেষবারের মতো বাবাকে দেখতে চায় তিন কন্যা

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ১৮, ২০২৬ ২১:২৯
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

উন্নত জীবনের স্বপ্ন নিয়ে ধারদেনা করে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বাসিন্দা তৈওয়েব আলী। পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটিয়ে স্ত্রী ও তিন কন্যার মুখে হাসি ফোটানোর আশা ছিল তার। কিন্তু সেই স্বপ্ন অপূর্ণ রেখেই প্রবাসে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। মৃত্যুর সাতদিন পেরিয়ে গেলেও এখনো দেশে ফিরিয়ে আনা যায়নি তার মরদেহ। ফলে শেষবারের মতো স্বামীর মুখ দেখতে এবং বাবাকে একনজর দেখতে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন তার স্ত্রী ও তিন কন্যা।

 

নিহত তৈওয়েব আলী (৫৩) মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা সদরের পূর্ব নারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত হালিম মোল্যার ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের আর্থিক সংকট কাটিয়ে উঠতে নানা চেষ্টা করছিলেন তৈওয়েব আলী। শেষ পর্যন্ত ২০২৪ সালের শুরুতে প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকা ব্যয় করে সৌদি আরবে যান। বিদেশে যাওয়ার জন্য তাকে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিতে হয়েছিল। সৌদি আরবে গিয়ে তিনি রড মিস্ত্রির কাজ শুরু করেন। তবে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সেই ঋণের প্রায় দুই লাখ টাকা এখনও পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি।

 

পরিবারের সদস্যরা জানান, কিছুদিন আগে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে চিকিৎসকেরা তার লিভার ক্যান্সার শনাক্ত করেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১২ জুন তার মৃত্যু হয়।

মৃত্যুর এক সপ্তাহ পার হলেও এখনও মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হয়নি। এতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে চরম অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

স্বজনদের অভিযোগ, সৌদি আরবে অবস্থানরত পরিচিত কয়েকজন ব্যক্তি এবং দূর সম্পর্কের কিছু আত্মীয় মরদেহ গ্রহণ ও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন। ফলে মরদেহ দেশে পাঠানোর কার্যক্রম জটিল হয়ে পড়েছে।

 

নিহতের স্ত্রী বিউটি বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার স্বামী অনেক কষ্ট করে বিদেশে গিয়েছিলেন। সংসারের জন্য কত স্বপ্ন ছিল তার। এখনও দুই লাখ টাকার বেশি ঋণ বাকি আছে। তিন মেয়েকে নিয়ে এখন কীভাবে চলব জানি না। সাতদিন হয়ে গেল, কিন্তু তার মরদেহ এখনও দেশে আসেনি। শেষবারের মতো স্বামীর মুখটা দেখতে চাই।”

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দেশে থাকাকালে তৈওয়েব আলী কৃষিকাজের পাশাপাশি দিনমজুরি ও অন্যান্য শ্রমভিত্তিক কাজ করতেন। তার উপার্জনের ওপরই নির্ভরশীল ছিল পুরো পরিবার। সংসারের স্বচ্ছলতার আশায় বিদেশে গেলেও সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না।

গ্রামের মানুষও দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে এনে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলছেন, পরিবারের সদস্যরা চরম মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

 

এ বিষয়ে মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বেদবতী মিস্ত্রি বলেন, যদি তৈওয়েব আলী বৈধভাবে সৌদি আরবে গিয়ে থাকেন এবং পরিবারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করা হয়, তাহলে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর বিদেশে কর্মরত অনেক বাংলাদেশির মৃত্যু হলে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। যথাযথ নথিপত্র এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয় থাকলে সাধারণত এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।

 

এদিকে দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে এনে যথাযথভাবে দাফনের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী। তাদের একটাই প্রত্যাশা, দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে যেন স্ত্রী ও তিন কন্যা শেষবারের মতো তাদের প্রিয় মানুষটিকে দেখতে পারেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বাংলাদেশ

View more
জুলাই অভ্যুত্থানের দুই বছর: সংকট, বিতর্ক ও বিভাজন
জুলাই অভ্যুত্থানের দুই বছর: সংকট, বিতর্ক ও বিভাজন

স্মৃতির জুলাই থেকে বর্তমানের অচলাবস্থা!   আজ ৫ আগস্ট, ২০২৬। ঠিক দুই বছর আগে এই দিনে বাংলাদেশের ইতিহাসে ঘটেছিল এক অভূতপূর্ব পরিবর্তন। রক্তক্ষয়ী রাজপথ, শতশত মানুষের আত্মত্যাগ এবং ছাত্র-জনতার গণবিক্ষোভের মুখে আওয়ামীলীগের দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনব্যবস্থার পতন ঘটেছিল। গোটা দেশ দেখেছিল এক নতুন ভোরের স্বপ্ন—যেখানে থাকার কথা ছিল বৈষম্যহীনতা, বাকস্বাধীনতা আর ইনসাফ।   কিন্তু দুই বছর পর আজ আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে?   যে স্বপ্ন নিয়ে তরুণরা বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছিল, সেই বাংলাদেশে আজ তৈরি হয়েছে গভীর রাজনৈতিক বিভাজন, নতুন ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, আর একের পর এক অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্ক। ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান কি তার মূল লক্ষ্য অর্জন করতে পেরেছে, নাকি বাংলাদেশ আবার ঘুরেফিরে পুরোনো রাজনৈতিক ঘূর্ণাবর্তেই আটকা পড়েছে?   ২০২৪-এর রাজপথ ও ক্ষমতার আকস্মিক পতন!   ঘটনার সূত্রপাত ২০২৪ সালের জুলাই মাসে। একটি সাধারণ কোটা সংস্কার আন্দোলন হঠাৎ করেই রূপ নেয় এক নজিরবিহীন গণঅভ্যুত্থানে। তৎকালীন সরকারের কঠোর দমন-পীড়ন, গুলির ঘটনা এবং শত শত প্রাণহানি পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া।   যার ফলশ্রুতিতে ৫ আগস্ট দুপুরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ কোরে একপ্রকার আকস্মিকভাবেই দেশ ছেড়ে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। সেই সাথে পতন হয় আওয়ামীলীগের ফ্যাসিস্ট শাসন ব্যবস্থার। দীর্ঘ দেড় দশকের রাজনৈতিক কর্তৃত্ববাদের পতন দেখে গোটা দেশ। বাংলাদেশের ক্ষমতার কেন্দ্রে শূন্যতা তৈরি হয়, আর সেই শূন্যতা পূরণে সামনে আসেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।   অন্তর্বর্তী সরকার, সংস্কারের ধীরগতি ও দুর্নীতির ছায়া!   বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এই সরকারের প্রধান প্রতিশ্রুতি ছিল—প্রশাসনিক সংস্কার, অপরাধীদের বিচার এবং একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করা।   কিন্তু সময়ের সাথে সাথে অন্তর্বর্তী সরকারের যাত্রাপথ সহজ থাকেনি। বিচার প্রক্রিয়ায় ধীরগতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিত্যপণ্যের অনিয়ন্ত্রিত বাজার সাধারণ মানুষের মাঝে অসন্তোষ সৃষ্টি করে। শুধু তা-ই নয়, সংস্কারের নামে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে নতুন করে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং কয়েকজন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে ওঠার স্বজনপ্রীতি ও প্রশাসনিক দুর্নীতির অভিযোগ ড. ইউনুসের সরকারের ভাবমূর্তিতে বড় ধাক্কা দেয়। গণমাধ্যমের খবরে উঠে আসে অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরে থাকা বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বের কথা। ফলে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জাগে—পরিবর্তনের স্বপ্ন কি তবে সুদূর পরাহত?   তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ও ২০২৬-এর নির্বাচনী ঝড়!   রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের অন্যতম প্রধান মাইলফলক ছিল দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে বিএনপি  চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশে ফেরা। তার প্রত্যাবর্তন দলীয় কর্মীদের মধ্যে অভূতপূর্ব উদ্দীপনা তৈরি করে এবং বিএনপির ক্ষমতা পুনর্দখলের পথকে সুগম করে।   পরবর্তীতে দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও নানা বিতর্কের পর আয়োজিত হয় বহুল প্রতীক্ষিত ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচন। আর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয় লাভ করে।   কিন্তু এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আবার দেখা দেয় বিভাজন। নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আসন ভাগাভাগি, ইসি গঠন নিয়ে বিতর্ক এবং নির্বাচনকালীন সময়সূচি নিয়ে বিএনপি ও অন্যান্য মিত্রদের মধ্যে তৈরি হয় তুমুল সংঘাত। নির্বাচন কতটা নিরপেক্ষ হয়েছে, তা নিয়ে দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকদের মন্তব্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়াও দেখা যায়।   নতুন দল এনসিপির জন্ম, রাজনীতি ও জামায়াত-জোট বিতর্ক!   জুলাই অভ্যুত্থানের সবচেয়ে বড় বাই-প্রোডাক্ট ছিল তরুণ ছাত্রনেতাদের দ্বারা গঠিত নতুন রাজনৈতিক দল—ন্যাশনাল সিটিজেনস পার্টি বা এনসিপি। গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে বিকল্প রাজনীতি গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি নিয়ে তারা আত্মপ্রকাশ করেছিল।   তবে রাজনীতিতে পা দিয়েই দ্রুত বিতর্কের মুখে পড়ে এনসিপি। আদর্শগত অবস্থান স্পষ্ট করার আগেই তারা নির্বাচনে সুবিধাজনক অবস্থানে যেতে বাংলাদেশের বিতর্কিত রাজনৈতিক সংগঠন জামায়াতে ইসলামীর সাথে রাজনৈতিক সমঝোতা ও নির্বাচনী জোট গঠন করে।   এক সময়ের প্রগতিশীল ও বৈষম্যবিরোধী স্লোগান দেওয়া তরুণদের সাথে জামায়াতের এই জোটকে কেন্দ্র করে সুশীল সমাজ ও সাধারণ তরুণদের একাংশের মধ্যে গভীর হতাশা ও সমালোচনার ঝড় ওঠে। এনসিপি কি তার মূল আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়েছে—এই প্রশ্ন উঠে আসে রাজনীতির টেবিলে।   ক্ষমতায় বিএনপি: সাফল্য, ব্যর্থতা ও দুর্নীতির পুরোনো চক্র!   বিতর্কিত নির্বাচনের মধ্য দিয়েই শেষ পর্যন্ত জাতীয় সংসদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ক্ষমতায় আসার পর প্রথম দিকে তারা বেশ কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করে।   কিন্তু এরপরই সামনে দলটির জন্য নানা চ্যালেঞ্জ। প্রথম সারির প্রধান প্রধান গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ আমলের টেন্ডারবাজি, দখলদারিত্ব এবং প্রশাসনিক দুর্নীতির সিন্ডিকেট ভেঙে ফেলার বদলে কেবল হাতবদল হয়েছে।   বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিএনপি নেতাকর্মীদের আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ব্যর্থতা নতুন সরকারকে তীব্র সমালোচনার মুখে ফেলে। জনগণ আবারও দেখতে পায়—নেতৃত্ব বদলালেও ক্ষমতার চরিত্র অপরিবর্তিতই রয়ে গেছে।   দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার আকস্মিক প্রেস কনফারেন্স!   ঠিক এই উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই, আজ—৫ আগস্ট ২০২৬—অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে হঠাৎ করেই নতুন বোমা ফাটানোর মত অবস্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দীর্ঘ দুই বছর পর নজিরবিহীনভাবে দিল্লী থেকে গত ৩ আগস্ট এক আকস্মিক আন্তর্জাতিক সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শেখ হাসিনা।   সংবাদ সম্মেলনে তিনি ২০২৪-এর অভ্যুত্থানকে 'পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র' এবং বর্তমান বিএনপি সরকারের বৈধতা নিয়েও কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন। এছাড়া প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে অবিলম্বে তার দলের রাজনীতি করার অধিকার ফেরানোর ব্যাপারেও জানান তিনি।   অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তির দিনেই নয়াদিল্লি থেকে সরাসরি তার জনসম্মুখে আসাকে ঢাকার রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে নতুন এক কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক ঝড়ের জন্ম দিয়েছে। বিএনপি এবং এনসিপি উভয় দলই একে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর হস্তক্ষেপ বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।   বাংলাদেশ কোথায় দাঁড়িয়ে?   জুলাই অভ্যুত্থানের দুই বছর পার হয়ে গেল। শহীদের রক্তে ভেজা রাজপথ আমাদের এক নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছিল। কিন্তু দুই বছর পর আজকের বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে আছে গভীর রাজনৈতিক সংকট, অর্থনৈতিক মন্দা, দুর্নীতির পুনরাবৃত্তি আর নিত্যনতুন ক্ষমতার বিভাজন।   অভ্যুত্থানের চেতনা কি তবে রাজনীতির সমীকরণে হারিয়ে গেল? নাকি এই সংকট কাটিয়ে বাংলাদেশ আবার তার গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় ফিরতে পারবে?    

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৪, ২০২৬ ১৪:২৫
বাংলাদেশ ছাড়ার দুই বছর পূর্তির প্রাক্কালে এফসিসি সাউথ এশিয়ার ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেবেন শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

দেশত্যাগের এক বছর পর ‘হোমকামিং’ আয়োজন: ৫ আগস্ট দিল্লিতে ভার্চুয়াল বক্তব্য দেবেন শেখ হাসিনা

জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠকে

জুলাই আন্দোলনের অংশীজনদের মতামত নিয়েই হবে সংবিধান সংশোধন: বিশেষ কমিটি

মন্ত্রিসভার বৈঠক

মন্ত্রিসভায় বড় পরিবর্তনের আভাস: বাদ পড়তে পারেন ৩ মন্ত্রী ও ২ প্রতিমন্ত্রী

কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া
পরকীয়ার অভিযোগে গ্রামবাসীর হাতে আটক কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া

জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়াকে ঘিরে পরকীয়ার অভিযোগের একটি ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে নেত্রকোণা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নে স্থানীয় কিছু লোক তাকে আটক করে সালিশে বসিয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হচ্ছে। এ ঘটনার একটি ভিডিওও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।   জানা গেছে, উপজেলার ৮ নম্বর দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত একটি সালিশি বৈঠকে রিপন মিয়াকে উপস্থিত রাখা হয়। সেই বৈঠকের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হচ্ছে, বিবাহিত রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে পাশের গ্রামের এক তরুণীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ ওঠে। ওই অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সালিশে তাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং গ্রাম ছাড়ার দাবি জানানো হয় বলেও প্রচার করা হচ্ছে।   তবে এসব দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রশাসন, পুলিশ কিংবা অন্য কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি। একইভাবে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত অভিযোগ ও সালিশের সিদ্ধান্তের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।   পারিবারিকভাবে রিপন মিয়া বিবাহিত। তার স্ত্রী ছাড়াও এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।   ২০১৬ সালে ফেসবুকে কনটেন্ট নির্মাতা হিসেবে যাত্রা শুরু করেন রিপন মিয়া। অল্প সময়ের মধ্যেই সহজ-সরল উপস্থাপনা ও ঘরোয়া ভিডিওর মাধ্যমে তিনি দর্শকদের কাছে পরিচিতি লাভ করেন। বিশেষ করে ‘হাই, আই অ্যাম রিপন ভিডিও’ এবং ‘আই লাভ ইউ, এটাই বাস্তব’, এই সংলাপ দুটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় এবং তাকে ভাইরাল কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিতি এনে দেয়।   এদিকে ভাইরাল হওয়া ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের দাবি-দাওয়া ও মন্তব্য ছড়িয়ে পড়লেও, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা তদন্তের ফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগগুলোকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা আইনি অগ্রগতির তথ্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৪, ২০২৬ ৫:৩৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

১০ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ঢাকায় আসছেন মার্কিন নৌবাহিনীর শীর্ষ কমান্ডার

ঢাকায় আসছেন মার্কিন নৌবাহিনীর শীর্ষ কমান্ডার

‘পিস্তল’ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি

‘পিস্তল’ দেখিয়ে স্ত্রীর কাছে যৌতুক দাবি, গ্রেপ্তারের পর দেখা গেল সেটি ‘লাইটার’

টাঙ্গাইলের সখীপুরে প্রবাসফেরত অসুস্থ স্বামীকে রাস্তার পাশে ফেলে যাওয়ার অভিযোগ স্ত্রীর বিরুদ্ধে। ছবি: সংগৃহীত
প্রবাসফেরত অসুস্থ স্বামীকে রাস্তায় ফেলে যাওয়ার অভিযোগ স্ত্রীর বিরুদ্ধে

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় প্রবাসফেরত এক অসুস্থ ব্যক্তিকে রাস্তার পাশে ফেলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার কালমেঘা এলাকায় তাকে রেখে চলে যান স্ত্রী ও সন্তানরা। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় তিনি আশ্রয় পান স্বজনের বাড়িতে।   অভিযোগের শিকার জামাল উদ্দিন (৪৯) কালমেঘা গ্রামের ফজর আলীর ছেলে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় ২৫ বছর আগে তিনি নিজ গ্রাম ছেড়ে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার শ্বশুরবাড়িতে বসবাস শুরু করেন। পরে জীবিকার প্রয়োজনে সৌদি আরবে যান এবং সেখানে প্রায় ১২ বছর কাজ করেন।   স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রবাসে থাকাকালে তিনি উপার্জিত অর্থ পরিবারের কাছে পাঠাতেন। কয়েক বছর আগে কিডনির জটিলতাসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার পর প্রায় আট মাস আগে দেশে ফেরেন। দেশে ফেরার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসা ও দেখভালের ক্ষেত্রে অবহেলার অভিযোগও ওঠে।   স্থানীয়দের অভিযোগ, শনিবার গভীর রাতে জামাল উদ্দিনকে তার পৈতৃক ভিটার পাশের সড়কে রেখে চলে যান তার স্ত্রী রিনা আক্তার ও সন্তানরা। পরে রাতে বৃষ্টি শুরু হলে তিনি অসহায় অবস্থায় পড়ে থাকেন। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়রা এগিয়ে আসেন এবং পরে তার ভাতিজি ইসমতারার বাড়িতে তাকে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেন। বর্তমানে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন।   স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোশাররফ জানান, খবর পেয়ে এলাকাবাসী দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে জামাল উদ্দিনকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান। অন্যদিকে জামাল উদ্দিনের বড় ভাই সোহরাব আলী বলেন, তিনি আগে থেকেই ভাইকে শ্বশুরবাড়িতে না থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন। পরে জানতে পারেন, অসুস্থ অবস্থায় তাকে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছে।   তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জামাল উদ্দিনের স্ত্রী রিনা আক্তার। তার দাবি, কয়েক মাস আগেই তিনি স্বামীকে তালাক দিয়েছেন। ফলে বর্তমানে তাদের মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্ক নেই। রাতের বেলায় জামাল উদ্দিন কীভাবে ওই এলাকায় পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলেও দাবি করেন।   এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম জানান, বিষয়টি উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৩, ২০২৬ ১০:২৭
রাতের আঁধারে পাঁচটি হিন্দু পরিবারের বাড়িতে আলাদাভাবে হুমকির চিঠি রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা। ছবি: সংগৃহীত

চাঁদা না দেয়ায় চিঠি দিয়ে পাঁচ হিন্দু পরিবারকে হত্যার হুমকি

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় চীনা চক্রের আস্তানায় ডিবির অভিযানে ৪ সদস্য গ্রেপ্তার। ছবি: সংগৃহীত

বসুন্ধরায় ভুয়া চাকরির প্রলোভনে প্রতারণার আস্তানা: ৬ হাজার সক্রিয় সিমসহ বিদেশি চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

সিফাত। ছবি:সংগৃহীত

এইচএসসি পরীক্ষার আগেই এমআইটিতে ১০ কোটি টাকার স্কলারশিপ অর্জন চাঁদপুরের সিফাতের

0 Comments