সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আন্তর্জাতিক

ন্যাটো মিশন থেকে বিমান ও নৌবাহিনীর বড় অংশ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ট্রাম্প প্রশাসনের

ইসতিয়াক আহমেদ প্রকাশ: জুন ১২, ২০২৬ ১৫:৩৯
ছবিঃ লকহিড মার্টিন
ছবিঃ লকহিড মার্টিন

ইউরোপে ন্যাটোর (ন্যাটো) সামরিক অভিযানে নিয়োজিত মার্কিন বিমান ও নৌবাহিনীর বড় একটি অংশ প্রত্যাহারের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের এই আকস্মিক সিদ্ধান্ত আটলান্টিক মহাসাগরের দুই পাড়ের এই শক্তিশালী সামরিক জোটের প্রতি মার্কিন প্রতিশ্রুতি নিয়ে ইউরোপীয় মিত্রদের মনে গভীর আস্থার সংকট তৈরি করেছে।

 

মার্কিন সংবাদমাধ্যম 'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'-এর এক প্রতিবেদনের বরাতে ইউরোপীয় কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ন্যাটোতে নিয়োজিত ফাইটার জেট ও সামুদ্রিক নজরদারি বিমানের সংখ্যা মারাত্মকভাবে কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

 

একই সাথে ইউরোপে মোতায়েন করা একটি সাবমেরিন, একটি বিমানবাহী রণতরী (এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার) এবং বেশ কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ অন্য অঞ্চলে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে। মূলত মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া এবং আমেরিকা অঞ্চলে নিজেদের সামরিক শক্তি পুনঃবিন্যাস করার কৌশলগত পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপে তাদের এই সামরিক উপস্থিতি কমানোর পদক্ষেপ নিয়েছে।

 

নিউ ইয়র্ক টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, ওয়াশিংটন ন্যাটোতে বরাদ্দকৃত এফ-১৬ এবং এফ-১৫ই ফাইটার জেটের সংখ্যা ১৫০টি থেকে কমিয়ে ১০০টিতে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি সামুদ্রিক নজরদারি বিমান ২৬টি থেকে কমিয়ে ১৫টি করা হচ্ছে এবং ৮টি আকাশসীমায় জ্বালানি সরবরাহকারী (এয়ার রিফুয়েলিং) বিমান পুরোপুরি প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।

 

এছাড়া, ইউরোপের প্রতিরক্ষায় নিয়োজিত দুটি বোম্বার টাস্ক ফোর্সের একটিকে অন্য অঞ্চলে স্থানান্তর করা হবে এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম একটি সাবমেরিন ও একটি বিমানবাহী রণতরীকেও অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হবে। রাশিয়ার কাছ থেকে সম্ভাব্য সামরিক হুমকির মুখে যখন পুরো ইউরোপ নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন, ঠিক তখনই মার্কিন এই সামরিক সংকোচন ন্যাটোর নজরদারি এবং দূরপাল্লার আঘাত হানার সক্ষমতাকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

 

তবে ন্যাটোর পক্ষ থেকে মার্কিন এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে। ন্যাটোর মুখপাত্র অ্যালিসন হার্ট আনাদোলু নিউজ এজেন্সিকে জানিয়েছেন, জোটটি যুক্তরাষ্ট্রের এই পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত এবং এটি মূলত দীর্ঘমেয়াদী টেকসই ব্যবস্থার একটি অংশ।

 

তিনি বলেন, এই পরিবর্তন একক কোনো মিত্রের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে ন্যাটোর প্রতিরক্ষা পরিকল্পনাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং এটি জোটের অভ্যন্তরে একটি বৃহত্তর পরিবর্তনেরই প্রতিফলন। তবে মার্কিন জেনারেল অ্যালেক্স গ্রিনকেভিচ বার্লিনে এক এয়ারশোতে জানান, সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবেলায় ইউরোপীয় সদস্য দেশগুলোকে এখন নিজস্ব ড্রোন এবং দূরপাল্লার সমরাস্ত্রের দিকে মনোযোগ দিতে হবে।

 

উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই ন্যাটোর সমালোচনা করে আসছেন এবং তিনি ইউরোপীয় ও এশীয় মিত্রদের প্রতিরক্ষা বাজেট জিডিপির ৩.৫ শতাংশে উন্নীত করার আহ্বান জানিয়েছেন। আগামী ৭-৮ জুলাই তুরস্কে অনুষ্ঠেয় ন্যাটো সম্মেলনে ট্রাম্পের যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে, যাকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ন্যাটোর ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক বলে অভিহিত করেছেন।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আন্তর্জাতিক

View more
তেহরানে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনায় তিন দেশের প্রতিনিধিরা
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের আশঙ্কার মধ্যেই তেহরানে যাচ্ছে সৌদি, পাকিস্তান ও তুরস্কের শীর্ষ কর্মকর্তারা

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘা ত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার মধ্যে ইরানের রাজধানী তেহরানে বৈঠকে বসছেন সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের শীর্ষ কর্মকর্তারা। সোমবারের এই বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, চলমান উত্তেজনা কমানো এবং কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে সংকট মোকাবিলার বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ার পাশাপাশি ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি গোষ্ঠীর ধারাবাহিক হা মলায় সৌদি আরবের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে তিন দেশের প্রতিনিধিদের তেহরান সফর মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক তৎপরতায় নতুন গুরুত্ব তৈরি করেছে।   বৈঠকে সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্ব করবেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে অংশ নেবেন দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। তুরস্কের প্রতিনিধিদলে থাকবেন দেশটির গোয়েন্দাপ্রধান ইব্রাহিম কালিন। ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁদের আলোচনার মূল লক্ষ্য হবে আঞ্চলিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং উত্তেজনা কমানোর সম্ভাব্য পথ খুঁজে বের করা। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, আলোচনায় ইসরায়েলের সম্প্রসারণবাদী নীতি, ফিলিস্তিন ও লেবাননের পরিস্থিতি এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপের প্রভাব উঠে আসবে। ইরানের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সঙ্গে বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন তিন দেশের প্রতিনিধিরা। ইরানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের গত সপ্তাহের তেহরান সফরের সময় এই বৈঠকের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। ওই সফরে মুনির ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ দেশটির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। ইরানের পক্ষ থেকে তখন জানানো হয়েছিল, তেহরানের দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসার বিষয়ে তারা আগ্রহী নয়। সৌদি আরবের জনকূটনীতি বিষয়ক উপমন্ত্রী রায়েদ ক্রিমলি বলেছেন, মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির সদস্য দেশগুলোর চলমান উদ্যোগের অংশ হিসেবেই এই বৈঠক হচ্ছে। এর লক্ষ্য আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানো, কূটনৈতিক সমাধানের পথ তৈরি এবং কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করা। তাঁর মতে, মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় চুক্তির সদস্য দেশগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ লক্ষ্য অর্জনে তারা অঞ্চলের অন্য দেশগুলোর সঙ্গেও কাজ করতে আগ্রহী। গত আগস্টে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ শর্ত অনুযায়ী, সদস্য দেশগুলোর কোনো একটির ওপর সশস্ত্র হা মলাকে সব সদস্যের ওপর হা মলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। সদস্য দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমান্ত রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিও চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পাকিস্তান সম্প্রতি চুক্তিটি অনুমোদন করেছে। তুরস্কের পার্লামেন্টেও এটি অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই চুক্তির গুরুত্ব বেড়েছে সৌদি আরবের ওপর ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা চাপের কারণে। ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি গোষ্ঠী সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তাদের হা মলা জোরদার করেছে। রোববার সৌদি আরবের দিকে ছোড়া আরও এক দফা ক্ষে প ণা স্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে দেশটি। এর আগে চলতি মাসে রিয়াদে মক্কা চুক্তির সদস্য দেশগুলোর মন্ত্রীরা জরুরি বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে সৌদি আরবে সামরিক বাহিনী ও প্রয়োজনীয় সক্ষমতা দ্রুত মোতায়েনের বিষয়ে একমত হন তাঁরা। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক অভিযানের সম্ভাবনার কথা বলেন। জবাবে ইরানের নেতারা সতর্ক করে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে সামরিক পদক্ষেপ নিলে তেহরান আগের চেয়ে আরও কঠোর জবাব দেবে। ইরানের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের সমুদ্রতলের যোগাযোগ কেবল লক্ষ্য করে পাল্টা পদক্ষেপের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন। এসব পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর সংঘা তের আশঙ্কা বাড়াচ্ছে। সংকট নিরসনে কূটনৈতিক তৎপরতাও চলছে। রোববার কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা তেহরানে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। কয়েক মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে কাতার। এর আগে পাকিস্তান ও কাতারের উদ্যোগে জুনে একটি অন্তর্বর্তী শান্তি সমঝোতা হয়েছিল। তবে কয়েক সপ্তাহ পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আবার লড়াই শুরু হওয়ায় সেই সমঝোতা টেকেনি। তিন দেশের প্রতিনিধিদের এবারের বৈঠক থেকে তাৎক্ষণিক কোনো সমঝোতা আসবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে সৌদি আরবের নিরাপত্তা উদ্বেগ, হুতি গোষ্ঠীর ধারাবাহিক হা মলা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার মধ্যে এই আলোচনা আঞ্চলিক কূটনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বৈঠকে উত্তেজনা কমানোর কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হলে তা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার প্রচেষ্টায় ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৬, ২০২৬ ৬:২৩
বিদ্যুৎহীন গাজায় সৌরবাতির আলোয় চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছেন কারিম

বিদ্যুৎহীন গাজায় সৌরবাতির আলোয় চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছেন কারিম

কানাডায় চাকরি ও স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে এক বাংলাদেশি নারীকে মানব পাচার

কানাডায় নারীকে পাচার ও ধর্ষণ, দুই বাংলাদেশির ১৪ ও ৪ বছরের কারাদণ্ড

ব্রিটিশ তরুণ ড্যানিয়েল জ্যাকসন

ইউরোপে নিজের নতুন দেশ প্রতিষ্ঠা করে ২১ বছরের তরুণ পেলেন জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সম্মাননা

নতুন গাড়ি কেনার আনন্দ এক রাতেই পরিণত হলো হতাশায়
নতুন গাড়ি কিনে বাড়ির সামনে রাখলেন, সকালে দেখলেন আঁচড়ে ভরা! এক রাতেই আনন্দ পরিণত হতাশায়

নতুন গাড়ি কেনার আনন্দ এক রাতেই পরিণত হলো হতাশায়। শখ করে কেনা গাড়িটি বাড়ির সামনে পার্ক করে রেখেছিলেন এক ব্যক্তি। কিন্তু পরদিন সকালে বাইরে এসে দেখেন, গাড়ির গায়ে অসংখ্য আঁচড়ের দাগ। চকচকে নতুন গাড়ির এমন অবস্থা দেখে হতবাক হয়ে যান তিনি। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ঘটনার বর্ণনা অনুযায়ী, নতুন গাড়িটি বাড়িতে নিয়ে আসার পর রাতে সেটি বাইরে পার্ক করে রেখেছিলেন মালিক। সবকিছু স্বাভাবিক থাকলেও পরদিন সকালে গাড়ির কাছে গিয়ে তিনি দেখতে পান, এর বাইরের অংশজুড়ে আঁচড়ের দাগ। নতুন গাড়ির এমন ক্ষতি দেখে তাঁর আনন্দ মুহূর্তেই ম্লান হয়ে যায়। গাড়িটির ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থার খবর ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই তাঁর প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেন।   ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের মন্তব্য করছেন ব্যবহারকারীরা। কেউ কেউ বলছেন, অন্যের সাফল্য কিংবা নতুন কিছু অর্জন মেনে নিতে না পারার মানসিকতা থেকেই এমন ঘটনা ঘটতে পারে। আবার অনেকে গাড়ির মালিকের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে ক্ষয়ক্ষতির জন্য দায়ী ব্যক্তিকে শনাক্ত করার দাবি জানিয়েছেন। তবে এসব মন্তব্যের কোনোটিই গাড়ির ক্ষতির প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত প্রমাণ নয়। গাড়িটির গায়ে কীভাবে আঁচড়ের দাগ তৈরি হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে ক্ষতি করেছে কি না, সে সম্পর্কেও নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি কোথায় ঘটেছে, গাড়ির মালিকের পরিচয় কী কিংবা এ ঘটনায় পুলিশের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে কি না, সেসব বিষয়ও স্পষ্ট নয়। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন অনুমানকে নিশ্চিত ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই।   নতুন গাড়ি কেনা অনেকের কাছেই দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণের মতো একটি ঘটনা। নিজের সঞ্চয় ও পরিশ্রমের অর্থে কেনা গাড়িতে এমন ক্ষতি হওয়া স্বাভাবিকভাবেই মালিকের জন্য হতাশাজনক। এ ধরনের ঘটনায় ক্ষতির প্রকৃত কারণ জানতে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা এবং প্রয়োজন হলে পুলিশের সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে আলোচিত এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে দায়ী করার মতো নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি।  

প্রকাশ: অক্টোবর ২৬, ২০২৬ ১:২১
১১ হাজার ভোল্টের বিদ্যুতের তারে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

৩ তলা থেকে পানের পিক ফেলতে গিয়ে ১১ হাজার ভোল্টের বিদ্যুতের তারে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ভিনসেন্ট ভ্যান গঘের ‘দ্য স্টারি নাইট’ বা ‘তারাভরা রাত’ চিত্রকর্মটি নিয়ে নতুন গবেষণা আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

রাতের আকাশে লুকিয়ে কোন রহস্য, ভ্যান গঘের বিখ্যাত ছবিতে নতুন চমক

মার্কিন অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞার কারণে শ্রীলঙ্কা উপকূলে আটকে থাকা জাহাজের অসুস্থ ইরানি নাবিকদের উদ্ধার করে গল বন্দরে আনা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন অবরোধে আটকা ৪০ ইরানি নাবিককে উদ্ধার করে দেশে ফেরাল শ্রীলঙ্কা

উত্তরপ্রদেশের শ্মশানঘাটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি ঘিরে কথিত কালোজাদুর আয়োজনের অভিযোগে চারজনকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত
শ্মশানে মোদির ছবি ঘিরে কালোজাদুতে আটক চারজনের বিরুদ্ধে এফআইআর, তদন্তে পুলিশ

ভারতের উত্তরপ্রদেশে একটি শ্মশানঘাটের পাশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি ঘিরে কথিত কালোজাদুর আয়োজনের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। রাজ্যের মউ জেলার দোহরিঘাট এলাকায় সরযূ নদীর তীরে অবস্থিত মুক্তিধাম শ্মশানঘাটে ঘটনাটি ঘটেছে। সেখানে মোদির ছবির পাশে নারকেল, লেবু, লাল সুতা ও সিঁদুরসহ বিভিন্ন সামগ্রী রাখা ছিল বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) এসব ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় আলোচনা ও উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।   ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দোহরিঘাটের মুক্তিধাম শ্মশানঘাটের কাছে মাটিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি ছবি রাখা ছিল। ছবির আশপাশে কয়েকটি নারকেল, সিঁদুর, লাল সুতা এবং সুচ ফোটানো লেবু দেখা যায়। এসব সামগ্রী সাধারণত কিছু তান্ত্রিক আচার বা লোকজ বিশ্বাসের সঙ্গে যুক্ত থাকায় ঘটনাটিকে কালোজাদুর চেষ্টা বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়। তবে পুলিশ এখনো নিশ্চিত করেনি, সেখানে সত্যিই কোনো তান্ত্রিক আচার পালন করা হয়েছিল কি না। ছবিটি কে রেখেছেন এবং কী উদ্দেশ্যে এসব সামগ্রী সাজানো হয়েছিল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে।   ঘটনার ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর শনিবার (২৪ অক্টোবর) দোহরিঘাট থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩৫৩(২) ধারায় মামলাটি নথিভুক্ত হয়েছে বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। এ ধারায় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্বেষ, শত্রুতা বা সংঘাত তৈরি করতে পারে এমন মিথ্যা তথ্য, গুজব কিংবা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রচারের বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পুলিশের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর ছবি ঘিরে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে স্থানীয় মানুষের মধ্যে অসন্তোষ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় দ্রুত তদন্ত শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।   এদিকে রোববার (২৫ অক্টোবর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম লাইভ হিন্দুস্তানের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে চারজনকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে ওই চারজনের পরিচয় কিংবা ঘটনায় তাঁদের নির্দিষ্ট ভূমিকা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। কাউকে হেফাজতে নেওয়ার অর্থ তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া নয়। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।   ঘোসি এলাকার সার্কেল অফিসার সত্যেন্দ্র ভূষণ তিওয়ারি জানিয়েছেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে শ্মশানঘাটে যাওয়ার রাস্তার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওর উৎস খুঁজতে কাজ করছে পুলিশের সাইবার সেল। তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, কে বা কারা প্রধানমন্ত্রীর ছবি সেখানে রেখেছিল, কীভাবে ভিডিও ধারণ করা হয়েছিল এবং কারা প্রথম সেটি অনলাইনে ছড়িয়ে দেয়। এসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার পর ঘটনার প্রকৃত উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছে পুলিশ।   ঘটনার পর স্থানীয় বিজেপি নেতারাও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। মউ জেলা বিজেপির সভাপতি রামাশ্রয় মৌর্য ঘটনাটিকে আপত্তিকর হিসেবে উল্লেখ করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কেউ এ ধরনের কাজ করে থাকতে পারে। তবে কারা এর সঙ্গে জড়িত কিংবা এর পেছনে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল কি না, সে বিষয়ে এখনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে দায়ী করার সুযোগ নেই।   ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে তন্ত্রমন্ত্র বা কালোজাদু নিয়ে প্রচলিত লোকবিশ্বাস রয়েছে। বিশেষ করে শ্মশানঘাটের মতো স্থানে কিছু আচার পালনের ধারণা লোকসংস্কৃতিতে প্রচলিত হলেও এসব বিশ্বাসের পক্ষে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। মউ জেলার ঘটনাতেও ছবি ও সামগ্রীর উপস্থিতি থেকে নানা ধারণা ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু পুলিশের তদন্তের মূল বিষয় হচ্ছে, কারা এসব সামগ্রী সেখানে রেখেছিল এবং এর মাধ্যমে কোনো আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে কি না। তদন্তে নতুন তথ্য পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৫, ২০২৬ ১১:৩৮
জাপানে ইসলামকে কাছ থেকে জানার আমন্ত্রণ মুসলিমদের, টোকিও মসজিদে অমুসলিমদের মিলনমেলা

জাপানে ইসলামকে কাছ থেকে জানার আমন্ত্রণ মুসলিমদের, টোকিও মসজিদে অমুসলিমদের মিলনমেলা

রাশিয়ায় পাসপোর্ট ও নাগরিকত্বের আবেদনের ছবিতে মুখমণ্ডল দৃশ্যমান রাখার শর্তে মুসলিম নারীদের হিজাব পরার অনুমতি আগে থেকেই রয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ায় পাসপোর্ট ও নাগরিকত্বের ছবিতে মিলল আনুষ্ঠানিকভাবে হিজাবের অনুমতি

১৪ বছর বয়সে সংঘটিত কথিত অপরাধের অভিযোগে সৌদি আরবে ২৯ বছর বয়সী যুবক হাসান জাকি আল ফারাজের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

১৪ বছর বয়সের করা এক অপরাধের জন্য সৌদিতে ২৯ বছরের যুবকের মৃত্যুদণ্ড

0 Comments