আন্তর্জাতিক

ভবনের ছাদে হোয়াইট হাউসের আদলে প্রাসাদ বানিয়েও একদিনও থাকা হলো না ভারতীয় ধনকুবেরের

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৬, ২০২৬ ১০:৪৪
বেঙ্গালুরুতে বহুতল ভবনের চূড়ায় হোয়াইট হাউসের আদলে রাজপ্রাসাদ বানিয়েও থাকতে পারলেন না বিজয় মালিয়া। ছবি: সংগৃহীত
বেঙ্গালুরুতে বহুতল ভবনের চূড়ায় হোয়াইট হাউসের আদলে রাজপ্রাসাদ বানিয়েও থাকতে পারলেন না বিজয় মালিয়া। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের ব্যবসায়ী বিজয় মালিয়া বেঙ্গালুরুর কিংফিশার টাওয়ারসের চূড়ায় হোয়াইট হাউসের আদলে একটি বিলাসবহুল প্রাসাদ নির্মাণ করেছিলেন। তবে আর্থিক ও আইনি জটিলতার কারণে সেই প্রাসাদে তার আর কখনো বসবাস করা হয়নি।

 

প্রায় ৪০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত এই দুইতলা প্রাসাদের আয়তন প্রায় ৪০ হাজার বর্গফুট। এটি দুটি টাওয়ারকে সংযুক্ত করা একটি বিশাল প্ল্যাটফর্মের ওপর নির্মিত। প্রাসাদটির সাদা বাহ্যিক নকশার কারণে এটি ‘আকাশের হোয়াইট হাউস’ নামে পরিচিতি পায়।

 

প্রাসাদটির নকশায় ব্যক্তিগত লিফট, ল্যান্ডস্কেপড বাগান, জিম, স্পা, সেলুন, ওয়াইন সেলার, ইনডোর হিটেড সুইমিং পুল, শহরের দিকে মুখ করা ইনফিনিটি সুইমিং পুল এবং ছাদে একটি হেলিপ্যাড রাখা হয়েছিল।

 

২০১৬ সালে কিংফিশার এয়ারলাইনসের পতনকে ঘিরে আর্থিক ও আইনি কার্যক্রমের মধ্যে বিজয় মালিয়া ভারত ছেড়ে যুক্তরাজ্যে চলে যান। সে সময় প্রাসাদটির নির্মাণকাজও শেষ হয়নি।

 

পরবর্তী সময়ে প্রাসাদটি দীর্ঘদিন ধরে অসমাপ্ত ও জনশূন্য অবস্থায় রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বহু অর্থ ব্যয় করে নির্মিত এই বিলাসবহুল আবাসে বিজয় মালিয়ার বসবাসের সুযোগ আর হয়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন
বিল ক্লিনটনের পুরোনো মন্তব্য ঘিরে আবারও আলোচনায় ইসরায়েল-ফিলিস্তিন শান্তি আলোচনা

মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের স্থায়ী সমাধান কেন আজও সম্ভব হয়নিএ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের দুই দশকেরও বেশি পুরোনো মন্তব্য আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক আলোচনায় সামনে এসেছে। ২০০০ সালের ক্যাম্প ডেভিড শান্তি সম্মেলনে ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় তৎকালীন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী এহুদ বারাক এবং ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত চূড়ান্ত শান্তিচুক্তির চেষ্টা করেছিলেন। আলোচনায় সীমান্ত, জেরুজালেমের মর্যাদা, নিরাপত্তা, শরণার্থী এবং সম্ভাব্য ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের মতো সবচেয়ে জটিল বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে দীর্ঘ আলোচনার পরও কোনো সমঝোতা হয়নি।   সম্মেলন শেষে বিল ক্লিনটন বলেন, উভয় পক্ষই ইতিহাসের সবচেয়ে সংবেদনশীল বিষয়গুলো নিয়ে নজিরবিহীন আলোচনা করেছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তিনি একই সঙ্গে উল্লেখ করেন, তবুও মূল বিষয়গুলোতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছিল এবং শান্তির প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া জরুরি। বর্তমানে প্রো-ইসরায়েল অবস্থানের অনেক বিশ্লেষক ও রক্ষণশীল রাজনীতিক দাবি করছেন, অতীতের বিভিন্ন শান্তি প্রস্তাব ফিলিস্তিনি নেতৃত্ব বারবার প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের মতে, এই ইতিহাস বর্তমান রাজনৈতিক আলোচনায় প্রায়ই উপেক্ষিত হয় এবং তা সংঘাতের বাস্তব চিত্র বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। তবে তারা ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও অস্তিত্বের স্বীকৃতির বিষয়টিকেও আলোচনার কেন্দ্রে রাখার আহ্বান জানান।   অন্যদিকে সমালোচক ও বহু গবেষক মনে করেন, সংঘাতের ব্যর্থতার জন্য একক কোনো পক্ষকে দায়ী করা যায় না। তাদের মতে, সীমান্ত নির্ধারণ, ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ, জেরুজালেমের ভবিষ্যৎ, ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের প্রত্যাবর্তনের দাবি, নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং পারস্পরিক অবিশ্বাস—এসব দীর্ঘদিনের জটিল ইস্যু শান্তিচুক্তির পথে বড় বাধা হয়ে রয়েছে। দুই দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ক্যাম্প ডেভিড আলোচনার ব্যর্থতা এখনো মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বর্তমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সেই আলোচনা এবং বিল ক্লিনটনের মন্তব্য নতুন করে মূল্যায়নের কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৬, ২০২৬ ১৬:১৪
মানবতার ডাকে সাড়া দিন, নতুন স্বেচ্ছাসেবক নিচ্ছে রেড ক্রস ও ফুড ব্যাংক

মানবতার ডাকে সাড়া দিন, নতুন স্বেচ্ছাসেবক নিচ্ছে রেড ক্রস ও ফুড ব্যাংক

স্কটল্যান্ডে শিশু স্কাউটদের মসজিদ সফরের ভিডিও ঘিরে বিভ্রান্তিকর প্রচার, ছড়ানো হয়েছে সম্পাদিত ও এআই ছবি

স্কটল্যান্ডে শিশু স্কাউটদের মসজিদ সফরের ভিডিও ঘিরে বিভ্রান্তিকর প্রচার, ছড়ানো হয়েছে সম্পাদিত ও এআই ছবি

জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব হিসেবে ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোকে চান ট্রাম্প

জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব হিসেবে ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোকে চান ট্রাম্প

বুরকিনা ফাসোর প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম ত্রাওরে
আলেমদের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ ঘোষণার মধ্যেই ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হচ্ছে মুসলিম দেশ বুরকিনা ফাসো

বুরকিনা ফাসোর প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম ত্রাওরে দেশের আলেম ও ইসলামিক স্কলারদের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। ধর্মের নামে যারা ‘উগ্র ব্যাখ্যা’ প্রচার করবে, তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি ‘যুদ্ধ’ করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি আলেমদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে ত্রাওরে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, উগ্রপন্থীদের মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে হবে, অন্যথায় রাষ্ট্র তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তিনি বলেন, ধর্মকে উগ্রতার প্রচারে ব্যবহার করা হলে সরকার তার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবে।   ধর্মীয় খুতবাকে হাতিয়ার করে উগ্র ধারণা ছড়ানোর প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ইমামদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান প্রেসিডেন্ট। সরকারের প্রণীত নতুন ‘ধর্মীয় স্বাধীনতা আইন’ দেশের ধর্মনিরপেক্ষ অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে তিনি দাবি করেন। সেই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন যে, কিছু বিদেশি শক্তি বুরকিনা ফাসোকে অস্থিতিশীল করতে ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার ষড়যন্ত্র করছে। তবে যারা ইসলামের শান্তিপূর্ণ ব্যাখ্যার পক্ষে থাকবেন, রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি।   এদিকে, সরকারের নতুন ধর্মীয় স্বাধীনতা আইনের খসড়ার সমালোচনা করায় গত মে মাসের শেষ দিকে দেশটির অন্যতম প্রভাবশালী সুন্নি আলেম ইমাম মোহাম্মদ ইসহাক কিনদোকে গ্রেপ্তার করে প্রশাসন। তার মুক্তির দাবিতে সাধারণ মুসল্লিরা বিক্ষোভ শুরু করলে বিশৃঙ্খলার আশঙ্কায় রাজধানী উয়াগাদুগুর সবচেয়ে বড় সুন্নি মসজিদটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।   এর আগে এপ্রিলে বোবো-দিউলাসো শহর থেকে মাহমুদ বারো নামের আরেক ইমামকে আটক করা হয়, যার অবস্থান সম্পর্কে এখনও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ডাকারভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান টিমবুকতু ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষকদের মতে, এই সংকট কেবল একটি আইনের বিরোধ নয়; বরং ২০২২ সালে ক্ষমতা গ্রহণের সময় যেসব প্রভাবশালী আলেম ত্রাওরে সরকারকে সমর্থন জুগিয়েছিলেন, তাদের সঙ্গে বর্তমান প্রশাসনের বড় ধরনের ফাটলেরই বহিঃপ্রকাশ।   অভ্যন্তরীণ এই রাজনৈতিক ও ধর্মীয় উত্তেজনার মাঝেই ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করছে বুরকিনা ফাসো। কয়েক মাসের স্থগিতাবস্থা কাটিয়ে সম্প্রতি দেশটিতে নিযুক্ত ইসরায়েলের নতুন রাষ্ট্রদূত সাইমন সেরুসি প্রেসিডেন্ট ত্রাওরের কাছে নিজের পরিচয়পত্র পেশ করেছেন। বুরকিনা ফাসো, মালি ও নাইজারের সামরিক সরকারগুলোর জোট ‘অ্যালায়েন্স অব সাহেল স্টেটস’-এর সঙ্গে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটেই এই ঘটনাগুলো সামনে আসছে।   সাহেল অঞ্চলের দেশগুলো বর্তমানে ইসরায়েলি নিরাপত্তা প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা সহায়তার দিকে ঝুঁকছে বলেও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৬, ২০২৬ ১৪:৭
ভারতে ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে মুসলিম দম্পতিকে রাস্তায় ফেলে মারধর I ছবি: সংগৃহীত

ভারতে ‘বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে মুসলিম দম্পতিকে রাস্তায় ফেলে মারধর

প্যারিসে প্রবাসীদের ই-পাসপোর্ট জটিলতা নিরসনে বাংলাদেশ দূতাবাসের বিশেষ উদ্যোগ I ছবি: সংগৃহীত

প্যারিসে প্রবাসীদের ই-পাসপোর্ট জটিলতা নিরসনে বাংলাদেশ দূতাবাসের বিশেষ উদ্যোগ

বিশ্বের একমাত্র দেশ, যেখানে নেই কোনো ট্রাফিক সিগন্যাল, তবু নেই বিশৃঙ্খলা

বিশ্বের একমাত্র দেশ, যেখানে নেই কোনো ট্রাফিক সিগন্যাল, তবু নেই বিশৃঙ্খলা

যুক্তরাজ্যের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনা করতে প্রস্তুত প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাজ্যের স্বার্থে দরকার হলে ট্রাম্পের সমালোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী বার্নহাম

যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বার্থ সবার আগে নিশ্চিত করতে এবং প্রয়োজন হলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনা করতে প্রস্তুত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম। বিবিসির সঙ্গে একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই অবস্থান স্পষ্ট করেন।   বিবিসির সাংবাদিক লরা কুয়েন্সবার্গকে দেওয়া তাঁর প্রথম বড় এই সাক্ষাৎকারে বার্নহাম জানান, ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর একটি ভালো প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে এবং তিনি তাকে বেশ আন্তরিক হিসেবে পেয়েছেন। তবে ট্রাম্পকে তিনি বিশ্বাস করেন কি না—এমন প্রশ্নের সরাসরি কোনো উত্তর না দিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ব পরিস্থিতি পরিবর্তনশীল এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী যেকোনো বিষয়ে স্বাধীন মতামত প্রকাশ করতে হয়।   যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজের দেশের স্বার্থের চেয়ে বড় করে অন্য কিছু দেখার সুযোগ নেই। সঠিক দায়িত্ব পালনের জন্য এটিই প্রথম শর্ত বলে উল্লেখ করেন তিনি। এর আগে ইরানের সঙ্গে দ্বন্দ্ব শুরু করার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের পদক্ষেপ নিয়ে নিজের উদ্বেগের কথাও জানান তিনি। কোনো বিষয়ে মতপার্থক্য দেখা দিলে ব্রিটিশ স্বার্থে নিজের মতামত প্রকাশ করতে তিনি পিছপা হবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন।   এদিকে প্রতিরক্ষায় জিডিপির তিন শতাংশ ব্যয় করার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা বা তারিখ ঘোষণা করেননি প্রধানমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রতিরক্ষার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং আসন্ন বাজেটেই এই বিনিয়োগ পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করবে সরকার। এছাড়া ২০২৯ সালের আগে আগাম কোনো সাধারণ নির্বাচনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, দেশের পুনর্গঠনেই তাঁর মূল মনোযোগ রয়েছে।   সূত্র: বিবিসি

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৬, ২০২৬ ১২:২৫
তীব্র গরম থেকে স্বস্তি দিতে জাপানে মাত্র ১০ মিনিটে শরীর ঠান্ডা করার ‘হিউম্যান ফ্রিজ’ চালু। ছবি: সংগৃহীত

জাপানে মাত্র ১০ মিনিটে শরীর ঠান্ডা করার ‘হিউম্যান ফ্রিজ’ চালু

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে চালানো ইরানি হামলায় ২০০-র বেশি সেনা নিহতের দাবি করেছে তেহরান। ছবি: সংগৃহীত

ইরানে সামরিক অভিযানে ২০০ জনের বেশি মার্কিন সেনা নিহত, দাবি আইআরজিসির

অবৈধভাবে অবস্থানরত ও আইন লঙ্ঘনকারী প্রবাসীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবে এক সপ্তাহে ১৫ হাজার অভিবাসী গ্রেফতার

0 Comments