সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আন্তর্জাতিক

রান্না না করে নাচের ক্লাসে যাওয়ায় ঝগড়া, স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা করেন স্বামী

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬ ৯:১৪
নাচের ক্লাসে যাওয়ার জন্য খাবার রান্না না করাকে কেন্দ্র করে স্বামীর মারধরে গুরুতর আহত যামিনী যাদব মারা গেছেন। ছবি: সংগৃহীত
নাচের ক্লাসে যাওয়ার জন্য খাবার রান্না না করাকে কেন্দ্র করে স্বামীর মারধরে গুরুতর আহত যামিনী যাদব মারা গেছেন। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের মহারাষ্ট্রের নাগপুরে নাচের ক্লাসে যাওয়ার জন্য খাবার রান্না না করাকে কেন্দ্র করে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়ার পর তাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত ৩৮ বছর বয়সী যামিনী কৃষ্ণলাল যাদব চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় তার স্বামী ৪১ বছর বয়সী কৃষ্ণলাল যাদবকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

 

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতে ঝিংগাবাই টাকলি এলাকার একটি আবাসিক ভবনে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, কাজ শেষে বাড়ি ফিরে কৃষ্ণলাল স্ত্রী ও দুই সন্তানের জন্য খাবার প্রস্তুত করতে বলেন। এ সময় যামিনী তাদের আবাসিক এলাকায় আয়োজিত নাচের ক্লাসে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। রান্না না করা নিয়ে দুজনের মধ্যে তর্ক শুরু হয়।

 

পুলিশের অভিযোগ, একপর্যায়ে কৃষ্ণলাল যামিনীর ঘাড় ও পেটে আঘাত করেন। সে সময় তাদের দুই সন্তানও সেখানে ছিল। মারধরের পর যামিনী ঘাড় ও পেটে তীব্র ব্যথার কথা জানান এবং স্বামীকে ওষুধ আনতে বলেন। কৃষ্ণলাল ওষুধ কিনতে গেলেও দোকান বন্ধ থাকায় ফিরে আসেন।

 

এরপর যামিনীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

 

প্রথমে ঘটনাটিকে অস্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে নথিভুক্ত করে পুলিশ এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়। পরে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে ঘাড়ের হাড় ভেঙে যাওয়া এবং অন্ত্রে গুরুতর আঘাতসহ একাধিক ক্ষত ধরা পড়ে। প্রতিবেদনের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের সন্দেহ বাড়ে এবং কৃষ্ণলালকে জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেপ্তার করা হয়।

 

পুলিশ তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেছে। ঘটনাটি নিয়ে আরও তদন্ত চলছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আইন অনুযায়ী অভিযুক্তকে দোষী বলা যায় না।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

বিষয়

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আন্তর্জাতিক

View more
নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, ডেভিসের দুই অধ্যাপক নিখোঁজ রয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত
নেপালের ভয়াবহ বন্যায় নিখোঁজ ক্যালিফোর্নিয়ার দুই অধ্যাপক

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, ডেভিসের দুই অধ্যাপক নিখোঁজ রয়েছেন। ২৬ আগস্ট তিব্বত সীমান্তের কাছে বন্যা আঘাত হানার সময় হানুমান্থা রাও উননাভা ও তার স্ত্রী বাসুন্ধরা ‘বাসু’ উননাভা দেশটির তিমুরে এলাকায় একটি হোটেলে অবস্থান করছিলেন। এরপর থেকে তাদের সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।    রাও উননাভা চলতি বছরের ১ জুলাই পর্যন্ত এক দশক ইউসি ডেভিসের গ্র্যাজুয়েট স্কুল অব ম্যানেজমেন্টের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি সাব্বাটিক্যালে রয়েছেন এবং পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে ফিরবেন। তার স্ত্রী বাসু একই স্কুলের অ্যাডজাঙ্ক্ট অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর এবং মার্কেটিং পড়ান।    পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, দম্পতি অবসর-পরবর্তী একটি ভ্রমণে নেপালে গিয়েছিলেন। তাদের পরিকল্পনায় ছিল তিব্বতের কৈলাশ পর্বত সফর এবং এরপর ভারতে থাকা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটানো। বন্যার খবর পাওয়ার পর তাদের মেয়ে ফোনে ও হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কিন্তু বার্তা পৌঁছায়নি।    ইউসি ডেভিস জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশ্বিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও সংকট মোকাবিলা দলের সদস্যরা নেপালের কর্তৃপক্ষ এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের সন্ধানে কাজ করছেন। নিখোঁজ দম্পতির সন্তান ও পরিবারের সদস্যরাও যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সংস্থাগুলোর সহায়তা চেয়েছেন।    নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী পার্বত্য এলাকায় ২৬ আগস্টের ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দুর্গম এলাকাগুলোতে উদ্ধার ও অনুসন্ধান অভিযান কঠিন হয়ে পড়েছে। ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নেপালি কর্তৃপক্ষের হিসাবে ৫ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ এবং মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ২০০ ছাড়িয়েছে।    এই পরিস্থিতিতে ইউসি ডেভিস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাও ও বাসুকে নিরাপদে খুঁজে পাওয়ার আশা তারা এখনও ছাড়েনি।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬ ১০:৫১
ইন্দোনেশিয়ার আনাক ক্রাকাতোয়া আগ্নেয়গিরিতে অগ্ন্যুৎপাতের পর জাকার্তার প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

ইন্দোনেশিয়ার ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাত, ছাইয়ে বন্ধ জাকার্তার বিমানবন্দর

নাচের ক্লাসে যাওয়ার জন্য খাবার রান্না না করাকে কেন্দ্র করে স্বামীর মারধরে গুরুতর আহত যামিনী যাদব মারা গেছেন। ছবি: সংগৃহীত

রান্না না করে নাচের ক্লাসে যাওয়ায় ঝগড়া, স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা করেন স্বামী

কুকুর দিয়ে মুসলিম ট্যাক্সিচালককে ভয় দেখানোর ভিডিও ঘিরে যুক্তরাজ্যে ব্যাপক সমালোচনা

যুক্তরাজ্যে মুসলিম ট্যাক্সি চালককে কুকুর দিয়ে হেনস্তা! ভিডিও ভাইরাল

উত্তরাখণ্ডে একের পর এক মাদ্রাসায় ঝুলছে তালা, অভিযানে বন্ধ ২০টি প্রতিষ্ঠান
ভারতের উত্তরাখণ্ডে বন্ধ হচ্ছে মাদ্রাসা, ইতোমধ্যে ১৭টি সিলগালা

ভারতের উত্তরাখণ্ডে নির্ধারিত স্বীকৃতি ও শিক্ষার মানদণ্ড পূরণ না করার অভিযোগে মাদ্রাসাগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেছে রাজ্য সরকার। এখন পর্যন্ত ২০টি মাদ্রাসার কার্যক্রম বন্ধ হয়েছে। এর মধ্যে ১৭টি সিলগালা করা হয়েছে এবং আরও তিনটির কর্তৃপক্ষ লিখিতভাবে কার্যক্রম বন্ধের বিষয়টি জানিয়েছে।  দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সর্বশেষ অভিযানে দেহরাদুন ও হালদোয়ানির পাঁচটি মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দেহরাদুনে একটি মাদ্রাসা সিলগালা করা হয়েছে, আর দুটি প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ নিজেরাই কার্যক্রম বন্ধের লিখিত ঘোষণা দিয়েছে। হালদোয়ানিতে আরও দুটি মাদ্রাসা সিলগালা করা হয়েছে।  উত্তরাখণ্ডের সংখ্যালঘুবিষয়ক বিশেষ সচিব পরাগ মধুকর ধাকাতে জানিয়েছেন, নির্ধারিত স্বীকৃতি ও শিক্ষার মানদণ্ড পূরণ না করা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সরকারি নিয়ম ও স্বীকৃতির শর্ত পূরণ ছাড়া কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে কার্যক্রম চালাতে দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।  এই অভিযান উত্তরাখণ্ডে মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থায় সাম্প্রতিক পরিবর্তনের অংশ। চলতি বছরের জুলাইয়ে রাজ্যের পুরোনো মাদ্রাসা বোর্ড বিলুপ্ত করে সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন নিয়ন্ত্রণ ও স্বীকৃতি কাঠামো চালুর উদ্যোগ নেয় সরকার। নতুন ব্যবস্থায় মুসলিমদের পাশাপাশি খ্রিষ্টান, শিখ, পারসি, জৈন ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।  রাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী, নতুন কাঠামো চালুর আগে উত্তরাখণ্ডে মাদ্রাসা বোর্ডের স্বীকৃত ৪৫২টি মাদ্রাসা ছিল। এর আগে স্বীকৃতির জন্য আবেদন না করা ২০০টির বেশি মাদ্রাসার বিরুদ্ধেও অভিযান চালানো হয়েছিল।  এদিকে সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র কতটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, তা নিয়ে ২০২৪ সালে ভারতের সুপ্রিম কোর্টও গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দিয়েছিল। আদালত বলেছিল, সংখ্যালঘুদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার অধিকার থাকলেও শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬ ৮:৪১
অস্ত্রোপচারের পর মুখে ব্যান্ডেজ নিয়ে বিমানবন্দরে বসে আছেন তিন চীনা নারী

প্লাস্টিক সার্জারি করিয়ে বিমানবন্দরে আটকা পর্যটকরা, পাসপোর্টের ছবির সঙ্গে চেহারার নেই মিল

মুসলিম নারীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে হিজাব পরে ফরাসি নারীদের অভিনব প্রতিবাদ

হিজাব নিষেধের প্রস্তাব, মুসলিম নারীদের পাশে দাঁড়াতে হিজাব পরে ফরাসি নারীদের প্রতিবাদ

অস্ত্রোপচারের সময় অন্ত্রের গ্যাস লেজারের সংস্পর্শে আগুন ধরে টোকিওর হাসপাতালে গুরুতর দগ্ধ হন এক নারী

অস্ত্রোপচারের সময় এক নারী রোগীর বায়ুত্যাগের জন্য লেজারে ধরে যায় আগুন, দগ্ধ হয় রোগী নিজেই!

সার্কিট হাউসের সড়কে নামাজ পড়ার অভিযোগে এফআইআর, আলোচনায় সমাজবাদী পার্টির নেতা হাজি মোহাম্মদ উসমান
ভারতে রাস্তায় নামাজ পড়ার অভিযোগে নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর

ভারতের উত্তর প্রদেশের মোরাদাবাদে সরকারি সার্কিট হাউসের ভেতরের সড়কে নামাজ পড়ার অভিযোগে সমাজবাদী পার্টির জেলা সহসভাপতি হাজি মোহাম্মদ উসমানের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছে পুলিশ। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। পুলিশ জানিয়েছে, জনসাধারণের চলাচলে বাধা ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টির অভিযোগে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৮৫ ও ২৯২ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।   পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ৩ সেপ্টেম্বর মোরাদাবাদের সরকারি সার্কিট হাউসে সমাজবাদী পার্টির নেতাদের একটি বৈঠক হয়। সেখানে উত্তর প্রদেশ বিধান পরিষদের বিরোধীদলীয় নেতা লাল বিহারি যাদবও অবস্থান করছিলেন। বৈঠক শেষে উসমান সার্কিট হাউসের বাইরে একটি গাড়ির পাশে নামাজ পড়েন বলে অভিযোগ। পরে ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।  মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, উসমান তার গাড়িটি সার্কিট হাউসে প্রবেশ ও বের হওয়ার পথে রেখে গাড়িটির পেছনে নামাজ পড়ছিলেন। এতে যানবাহন ও মানুষের চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন সার্কিট হাউসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। তার অভিযোগের ভিত্তিতেই এফআইআর করা হয়। মোরাদাবাদের পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে। এফআইআরে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৮৫ ধারা জনসাধারণের চলাচলের পথে বিপদ বা বাধা সৃষ্টি এবং ২৯২ ধারা জনদুর্ভোগ সৃষ্টির সঙ্গে সম্পর্কিত।  হাজি মোহাম্মদ উসমান বিলারি আসনের সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক মোহাম্মদ ফহিম ইরফানের চাচা। এ ঘটনায় উসমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, এটি ইবাদতের বিষয় এবং তিনি কোনো অপরাধ করেননি।  ঘটনার ভিডিও প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। তবে পুলিশ যে অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা করেছে, তা এখন তদন্তাধীন এবং আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে উসমানকে দোষী হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬ ৬:৪৯
শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর ছবি প্রকাশ করে আলোচনায় কলম্বিয়ার ট্রান্স পুরুষ ম্যাক্সিমো কাস্তেয়ানোস

শিশুকে বুকের দুধ খাইয়ে ভাইরাল ট্রান্স বাবা! দিলেন সমালোচনার জবাব

রের আদালতে মাদক মামলায় মৃত্যুদণ্ড পেলেন টিভি উপস্থাপিকা সারাহ খলিফা

মাদক মামলায় মিসরের টিভি উপস্থাপিকা সারাহ খলিফার মৃত্যুদণ্ড

এফবিআইয়ের 'মোস্ট ওয়ান্টেড' প্রতারক মনজিৎ সিং ভারতে গ্রেপ্তার

৬ লাখ ডলার আত্মসাৎ করে পলাতক, ভারতে ধরা পড়ল এফবিআইয়ের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ প্রতারক

0 Comments