সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার

চিকিৎসাসেবা

চীনের ফুজিয়ান প্রদেশে ২০১৪ সালে টানা ৩২ ঘণ্টার জটিল অস্ত্রোপচার শেষে ক্লান্ত চিকিৎসকদের মেঝেতে বিশ্রাম নেওয়ার ছবি আলোচনায় আসে। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
রোগীর জীবন বাঁচাতে টানা ৩২ ঘণ্টা অপরারেশন, ক্লান্তিতে মেঝেতে শুয়ে পড়লেন চিকিৎসকেরা

রোগীর জীবন বাঁচাতে টানা ৩২ ঘণ্টা ধরে জটিল অস্ত্রোপচার করেছেন চীনের একদল চিকিৎসক। অস্ত্রোপচার শেষে ক্লান্তিতে অপারেশন কক্ষের মেঝেতে শুয়ে পড়েন তাঁদের কয়েকজন। তাঁদের একজন মেঝেতে শুয়েই ক্যামেরার দিকে বিজয়চিহ্ন দেখান। চিকিৎসকদের এই মুহূর্তের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১৪ সালের জুনে, চীনের ফুজিয়ান প্রদেশের ফুঝৌ শহরের ফুজিয়ান মেডিকেল ইউনিভার্সিটি ইউনিয়ন হাসপাতালে।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোগীর মস্তিষ্কে দুটি গুরুতর সমস্যা ছিল। একটি হলো মস্তিষ্কের রক্তনালিতে অ্যানিউরিজম, অর্থাৎ রক্তনালির দেয়াল দুর্বল হয়ে অস্বাভাবিকভাবে ফুলে ওঠা। অন্যটি ছিল ব্রেনস্টেমে হেমানজিওব্লাস্টোমা নামের বিরল ধরনের টিউমার। মস্তিষ্কের এই অংশটি শ্বাসপ্রশ্বাস ও হৃদস্পন্দনের মতো গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। চিকিৎসকদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল, একটি সমস্যার চিকিৎসা করতে গিয়ে অন্যটির জটিলতা বা রক্তক্ষরণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এ কারণে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে অস্ত্রোপচারের পরিকল্পনা করতে হয়।   অস্ত্রোপচারে অংশ নেন তিনজন সার্জন, ছয়জন অ্যানেসথেশিওলজিস্ট এবং আটজন নার্স। প্রায় ৩২ ঘণ্টার এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় মোট ছয়টি ধাপে অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসকদের দীর্ঘ সময় ধরে নিবিড় মনোযোগ ও সমন্বয়ের সঙ্গে কাজ করতে হয়েছিল। প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়, অস্ত্রোপচারের সময় চিকিৎসকেরা কেবল অল্প সময়ের জন্য বিরতি নিয়েছিলেন। রোগীর অবস্থা বিবেচনায় প্রতিটি ধাপে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এগোতে হয়েছে তাঁদের।   অস্ত্রোপচার শেষে তোলা ছবিতে চিকিৎসকদের শারীরিক ক্লান্তির ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। কয়েকজন সার্জন অপারেশন কক্ষের মেঝেতে শুয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। তাঁদের একজন ক্লান্ত অবস্থাতেও ক্যামেরার দিকে দুই আঙুল তুলে বিজয়চিহ্ন দেখান। ছবিটি মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মূলত দীর্ঘ সময় ধরে চলা জটিল অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসকদের শারীরিক পরিশ্রম ও মানসিক চাপের বাস্তব চিত্র তুলে ধরায়। তবে ছবিটি ভাইরাল হওয়ার নির্দিষ্ট সময় ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর প্রতিক্রিয়ার পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যায়নি।   প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, অস্ত্রোপচারের পর রোগী বেঁচে যান। তবে তাঁর পরবর্তী শারীরিক অবস্থা ও দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সহজলভ্য নয়। ঘটনাটি চিকিৎসকদের দক্ষতা, দলগত কাজ এবং জটিল চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে। একই সঙ্গে দীর্ঘ অস্ত্রোপচারে চিকিৎসাকর্মীদের শারীরিক সক্ষমতা ও বিশ্রামের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও সামনে আনে।   সূত্র: গ্লোবাল টাইমস ও সিএনটিভির বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদন।

মোহাম্মদ ইব্রাহিম অক্টোবর ২৫, ২০২৬ ১৪:০
নিউইয়র্কে বিনা খরচে ইএমটি প্রশিক্ষণের বৃত্তি
নিউইয়র্কে বিনা খরচে ইএমটি প্রশিক্ষণের বৃত্তি, আবেদন করতে পারবেন ১৭ বছর বয়সীরাও

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের স্ট্যাটেন আইল্যান্ডে জরুরি চিকিৎসাসেবা পেশায় ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহীদের জন্য বৃত্তির সুযোগ দিচ্ছে স্ট্যাটেন আইল্যান্ড ইউনিভার্সিটি হাসপাতাল। ২০২৭ সালের ইমার্জেন্সি মেডিকেল টেকনিশিয়ান (ইএমটি) বৃত্তি কর্মসূচির আওতায় ১০ জনকে প্রশিক্ষণের সুযোগ দেওয়া হবে। হাসপাতালের প্রশিক্ষণ অংশীদার ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ফর মেডিকেল ইমার্জেন্সিজ অ্যান্ড রেসকিউয়ের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। নির্বাচিত প্রশিক্ষণার্থীদের ক্লাস শুরু হবে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে।   কারা আবেদন করতে পারবেন? প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৭ বছর বা তার বেশি বয়সীরা এ বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। জরুরি চিকিৎসাসেবা, স্বাস্থ্যসেবা কিংবা জনসেবামূলক পেশায় আগ্রহী ব্যক্তিদের জন্য এ কর্মসূচি তৈরি করা হয়েছে। তবে বয়স ছাড়া অন্য কোনো অতিরিক্ত যোগ্যতার শর্ত রয়েছে কি না, তা বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়নি। তাই আবেদন করার আগে মূল আবেদনপত্রের নির্দেশনা যাচাই করা জরুরি।   আবেদনের সঙ্গে জমা দিতে হবে: আবেদনকারীর নাম, ঠিকানা ও ফোন নম্বর, উচ্চবিদ্যালয়ের নম্বরপত্র, একটি সুপারিশপত্র এবং একটি প্রচ্ছদপত্র। সুপারিশপত্রে সুপারিশকারীর নাম, ফোন নম্বর ও আবেদনকারীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক উল্লেখ করতে হবে। প্রচ্ছদপত্রে ‘আপনি কেন একজন ইএমটি হতে চান?’—এই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রচ্ছদপত্র পিডিএফ আকারে জমা দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।   আবেদনের শেষ তারিখ সোমবার, ৪ জানুয়ারি ২০২৭। আবেদন জমা দেওয়ার জন্য নিচের লিংকে প্রবেশ করা যাবে:   প্রশিক্ষণে কী শেখানো হবে? ইএমটি বা জরুরি চিকিৎসা প্রযুক্তিবিদরা জরুরি পরিস্থিতিতে রোগীর প্রাথমিক মূল্যায়ন ও চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকেন। প্রশিক্ষণে রোগীর শারীরিক অবস্থা মূল্যায়ন, দুর্ঘটনাজনিত আঘাতের প্রাথমিক চিকিৎসা, রক্তপাত নিয়ন্ত্রণ, সিপিআর, জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম ব্যবহার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে রোগীকে নিরাপদে হাসপাতালে নেওয়ার মতো দক্ষতা শেখানো হয়।   প্রশিক্ষণ শেষে কী সনদ পাওয়া যাবে?প্রশিক্ষণ শেষ করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের ইএমটি সনদ পাওয়া যায় না। প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করার পর প্রার্থীদের অঙ্গরাজ্যের নির্ধারিত ব্যবহারিক দক্ষতা মূল্যায়ন ও সনদ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করলে তাঁরা নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের ইএমটি-বেসিক সনদ অর্জন করতে পারবেন।   এই সনদ অর্জনের মাধ্যমে জরুরি চিকিৎসাসেবা খাতে কাজের জন্য প্রয়োজনীয় একটি পেশাগত যোগ্যতা অর্জিত হয়। তবে প্রশিক্ষণ শেষে চাকরি পাওয়া নিশ্চিত নয়। সংশ্লিষ্ট নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব শর্ত, যাচাইপ্রক্রিয়া এবং অন্যান্য যোগ্যতাও পূরণ করতে হতে পারে। প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানটি চাকরি খোঁজার ক্ষেত্রে সহায়তা করলেও চাকরির নিশ্চয়তা দেয় না।

নুরুল্লাহ সাইদ অক্টোবর ২৩, ২০২৬ ১৪:০
ড. ফয়জুল ইসলামের উদ্যোগে পরিচালিত এসব কার্যক্রম
গ্রামের শিক্ষার্থীদের ইংরেজি, কম্পিউটার শিক্ষা ও বিনামূল্যে চিকিৎসা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কেএআইএফ ফাউন্ডেশন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা কেএআইএফ ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে বাংলাদেশের একটি গ্রামীণ এলাকায় শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষা ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ এবং স্থানীয় মানুষের জন্য বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফাউন্ডেশনটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ড. ফয়জুল ইসলামের উদ্যোগে পরিচালিত এসব কার্যক্রমের লক্ষ্য হলো গ্রামের শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত দক্ষতা বাড়ানো এবং স্থানীয় মানুষের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ তৈরি করা।   ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে পরিচালিত জহিরউদ্দিন–হরমুজা ইংরেজি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা দুটি বিভাগ রয়েছে। নিয়মিত বিদ্যালয়ের সময়ের বাইরে সপ্তাহে চার দিন এসব ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছে। বর্তমান সময়ে উচ্চশিক্ষা, কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার ক্ষেত্রে ইংরেজি ভাষার দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এ ধরনের প্রশিক্ষণ গ্রামীণ শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়ক হতে পারে।   ইংরেজি শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াতে রয়েছে জহিরউদ্দিন–হরমুজা কম্পিউটার সেন্টার। এখানেও নিয়মিত বিদ্যালয়ের সময়ের বাইরে সপ্তাহে চার দিন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। কম্পিউটার ব্যবহারের প্রাথমিক দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি করাই এ উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার যেসব শিক্ষার্থীর নিয়মিত কম্পিউটার ব্যবহারের সুযোগ সীমিত, তাদের জন্য এ ধরনের প্রশিক্ষণ ভবিষ্যৎ শিক্ষা ও কর্মজীবনে কাজে আসতে পারে।   শিক্ষা ও প্রযুক্তির পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের স্বাস্থ্যসেবার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে এই উদ্যোগে। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, গ্রামের উচ্চবিদ্যালয়ের পাশে রয়েছে জহিরউদ্দিন–হরমুজা মেডিকেল সেন্টার। কেন্দ্রটিতে বিনামূল্যে বহির্বিভাগের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়। প্রতি শুক্রবার, অর্থাৎ স্থানীয় হাটের দিনে, চিকিৎসাকেন্দ্রটি খোলা থাকে। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ পান। তবে চিকিৎসাকেন্দ্রে কী ধরনের সেবা দেওয়া হয়, কোন কোন স্বাস্থ্যকর্মী দায়িত্ব পালন করেন এবং প্রতিদিন বা প্রতি সপ্তাহে কতজন রোগী সেবা নেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।   কেএআইএফ ফাউন্ডেশন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের লর্টন ও স্প্রিংফিল্ড এলাকার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি অলাভজনক সংস্থা। সংস্থাটি শিক্ষা, সংস্কৃতি, মানবিক সহায়তা ও ধর্মীয় দাতব্য কর্মকাণ্ডে কাজ করার লক্ষ্য নিয়ে পরিচালিত হয় বলে জানানো হয়েছে। ফাউন্ডেশনটির অর্থায়নে পরিচালিত ইংরেজি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, কম্পিউটার সেন্টার ও মেডিকেল সেন্টার একই এলাকার মানুষের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখার উদ্দেশ্যে গড়ে তোলা হয়েছে।   ড. ফয়জুল ইসলাম প্রায় ৩০ বছর ধরে দাতব্য কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট তথ্য থেকে জানা যায়। তাঁর নিজস্ব অর্থায়নে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হয় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ফাউন্ডেশনের অর্থায়নের পরিমাণ, প্রকল্পগুলোর বার্ষিক ব্যয়, উপকারভোগীর সংখ্যা এবং কার্যক্রমের দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে উদ্যোগগুলোর প্রকৃত ব্যাপ্তি ও প্রভাব মূল্যায়নের জন্য এসব তথ্য গুরুত্বপূর্ণ।   গ্রামীণ এলাকার শিক্ষার্থীদের ভাষা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়ানো এবং স্থানীয় মানুষের জন্য বিনামূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা একই সঙ্গে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সহায়তার একটি উদাহরণ। কেএআইএফ ফাউন্ডেশনের এসব উদ্যোগ কতসংখ্যক শিক্ষার্থী ও রোগীর কাছে পৌঁছাচ্ছে, তা নির্দিষ্ট তথ্যের মাধ্যমে জানা গেলে এর সামাজিক প্রভাব আরও স্পষ্টভাবে মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে।   স্যাম রিয়া ওয়াশিংটন ডিসি প্রতিনিধি 

নুরুল্লাহ সাইদ অক্টোবর ১৫, ২০২৬ ১৪:০
তথ্য গোপন ও পেশাগত দক্ষতা নিয়ে প্রশ্নের ঘটনায় বৃটেনে ডা. নাজিবের নিবন্ধন বাতিলের নির্দেশ
পেশাগত অসদাচরণ, চিকিৎসাসেবায় ঘাটতি ও তথ্য গোপনের দায়ে বৃটেনে ডা. নাজিবের নিবন্ধন বাতিল

পেশাগত দক্ষতার ঘাটতি, চিকিৎসাসেবায় প্রয়োজনীয় সক্ষমতা দেখাতে ব্যর্থতা এবং নতুন নিয়োগদাতার কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপনের ঘটনায় যুক্তরাজ্যে চিকিৎসক ডা. সুরাইয়া কামাল নাজিবের চিকিৎসক নিবন্ধন বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মেডিকেল প্র্যাকটিশনার্স ট্রাইব্যুনালের এক শুনানিতে তার বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণ ও চিকিৎসাসেবায় ঘাটতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত আসে।   ট্রাইব্যুনালের নথি অনুযায়ী, ডা. নাজিব ১৯৮৫ সালে পাকিস্তানের করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ধ মেডিকেল কলেজ থেকে চিকিৎসাবিদ্যায় যোগ্যতা অর্জন করেন। তিনি ২০২১ সালের জুন থেকে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ব্ল্যাকপুল টিচিং হসপিটালসে অস্থায়ী কনসালট্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।   কনসালট্যান্ট পর্যায়ে তার কাজের সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় ২০২২ সালের অক্টোবরে তাকে রেজিস্ট্রার পর্যায়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু পরে কিংস লিনের কুইন এলিজাবেথ হাসপাতালে কনসালট্যান্ট পদে আবেদন করার সময় তিনি দায়িত্ব পরিবর্তনের বিষয়টি এবং নিজের দক্ষতা নিয়ে ওঠা উদ্বেগ নতুন নিয়োগদাতাকে জানাননি। ট্রাইব্যুনাল এই তথ্য গোপন করাকে অসততা হিসেবে বিবেচনা করে।   ২০২২ সালের ২৯ নভেম্বর জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসার একটি প্রশিক্ষণে প্রয়োজনীয় দক্ষতা প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হন ডা. নাজিব। ফলে তিনি পরবর্তী পরীক্ষার ধাপে যেতে পারেননি। এর মাত্র দুই দিন পর চাকরির ইন্টারভিউ অনুষ্ঠিত হলেও সেখানেও তিনি বিষয়টি প্রকাশ করেননি। পরে ২০২৩ সালের মার্চে তিনি নতুন হাসপাতালে যোগ দেন।   ট্রাইব্যুনালের মূল্যায়নে, তার পেশাগত দক্ষতার ঘাটতি এবং তথ্য গোপনের ঘটনায় রোগীর নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। ব্ল্যাকপুল কর্তৃপক্ষ তাকে তত্ত্বাবধানে পুনঃপ্রশিক্ষণের সুযোগ দিলেও তিনি সেই সুযোগ গ্রহণ করেননি।   শুনানি শেষে মেডিকেল প্র্যাকটিশনার্স ট্রাইব্যুনাল ডা. নাজিবের নাম যুক্তরাজ্যের চিকিৎসক নিবন্ধন থেকে মুছে ফেলার নির্দেশ দেয়। একই সঙ্গে তার ওপর তাৎক্ষণিক স্থগিতাদেশও দেওয়া হয়েছে।   নোটিশ আনুষ্ঠানিকভাবে পৌঁছানোর ২৮ দিন পর নিবন্ধন বাতিলের মূল নির্দেশ কার্যকর হওয়ার কথা। তবে এর মধ্যে তিনি আপিল করলে আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।

অলি উল্লাহ আল মাসুদ অক্টোবর ১, ২০২৬ ১৪:০
সৌদি আরবের জেদ্দায় আগামী ৮ থেকে ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ষষ্ঠ হজ সম্মেলন ও প্রদর্শনী। ছবি: সংগৃহীত
হজযাত্রীদের চিকিৎসাসহ আধুনিক প্রযুক্তির নতুন উদ্ভাবন উন্মোচনে জেদ্দায় ষষ্ঠ হজ সম্মেলন

সৌদি আরবের জেদ্দায় আগামী ৮ থেকে ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ষষ্ঠ হজ সম্মেলন ও প্রদর্শনী। বাদশাহ সালমানের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত এই সম্মেলনে হজযাত্রীদের সেবা আরও উন্নত করতে চিকিৎসা, পরিবহন, প্রযুক্তি, অবকাঠামো, নিরাপত্তা এবং টেকসই উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন উদ্ভাবন তুলে ধরা হবে। সম্মেলনে সরকারি, বেসরকারি ও অলাভজনক খাতের স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ৫২০টির বেশি প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরা অংশ নেবেন।   সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় পিলগ্রিম এক্সপেরিয়েন্স কর্মসূচির সহযোগিতায় সম্মেলনটির আয়োজন করছে। হজসেবা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন পক্ষকে একই প্ল্যাটফর্মে আনা, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব জোরদার করা এবং হজযাত্রীদের জন্য দেওয়া সেবার মান উন্নত করাই আয়োজনটির অন্যতম লক্ষ্য।   সম্মেলনে গবেষক, উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবকেরা হজসেবা খাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করবেন। পাশাপাশি হজযাত্রীদের সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে সৌদি আরবের অভিজ্ঞতা এবং সংশ্লিষ্ট খাতে দেশটির বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরা হবে। বিভিন্ন দেশের হজবিষয়ক দপ্তর ও আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিরাও মক্কা ও মদিনার সেবাব্যবস্থার অভিজ্ঞতার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন।   আয়োজনে তিনটি প্রধান ধারায় হজসেবা নিয়ে আলোচনা হবে। অবকাঠামো ও পরিচালনাসেবা বিষয়ক ধারায় পরিবহন ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামো ও স্থাপনা পরিচালনা, আবাসন ও আতিথেয়তা এবং খাবার সরবরাহের মতো বিষয় গুরুত্ব পাবে। হজের সময় বিপুলসংখ্যক মানুষের চলাচল ও প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে এসব খাতে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হবে।   ক্ষমতায়ন ও সমন্বয় বিষয়ক ধারায় নিরাপত্তা ও সুরক্ষা, চিকিৎসাসেবা, গণমাধ্যম ও যোগাযোগ এবং প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নিয়ে আলোচনা হবে। বিশেষ করে প্রযুক্তিনির্ভর নতুন সেবা ও উদ্ভাবনী সমাধান কীভাবে হজযাত্রীদের অভিজ্ঞতা উন্নত করতে পারে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মতবিনিময় করবেন।   তৃতীয় ধারায় থাকবে টেকসই উন্নয়ন। এতে অলাভজনক খাত, উদ্যোক্তা তৈরি, প্রশিক্ষণ, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন এবং হজযাত্রীদের অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ করার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হবে। গবেষক, উদ্যোক্তা ও বিভিন্ন খাতের বিশেষজ্ঞরা নিজেদের অভিজ্ঞতা ও সম্ভাব্য সমাধান তুলে ধরবেন।   সম্মেলনের পাশাপাশি একটি বিশেষায়িত প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হবে। এতে ১৫০টির বেশি দেশের হজসেবা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও সেবাদাতারা অংশ নেবেন। তারা হজযাত্রীদের জন্য বিভিন্ন সেবা ও সমাধান তুলে ধরার পাশাপাশি নিজেদের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন প্রদর্শনের সুযোগ পাবেন।   প্রদর্শনীতে বিমান চলাচল, পরিবহন, আতিথেয়তা, চিকিৎসাসেবা, অবকাঠামো, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, জনবল, বিনিয়োগ এবং ব্যবসা উন্নয়ন খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। হজবিষয়ক দপ্তর, সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিদের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।   সম্মেলন ও প্রদর্শনীর অংশ হিসেবে বিশেষায়িত ফোরাম, প্যানেল আলোচনা, গোলটেবিল বৈঠক, কর্মশালা এবং ব্যবসায়িক বৈঠকের আয়োজন থাকবে। এসব আয়োজনে নতুন উদ্যোগ ও অংশীদারত্বের সুযোগ তৈরি করার পাশাপাশি হজসেবা খাতে বিভিন্ন উদ্ভাবনী সমাধান তুলে ধরা হবে।   আয়োজকদের লক্ষ্য, হজসেবা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে সমন্বয় আরও শক্তিশালী করা এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব বাড়ানো। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে এক জায়গায় এনে হজযাত্রীদের জন্য আরও উন্নতমানের সেবা নিশ্চিত করার পথ তৈরি করা।   গতবারের হজ সম্মেলনে ১৫০টির বেশি দেশের ২৭০টি প্রদর্শক প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছিল। ওই আয়োজনে দর্শনার্থীর সংখ্যা ২ লাখ ৪ হাজারের বেশি ছিল। এছাড়া ১৩৪টি বিশেষায়িত অধিবেশন ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে ২ হাজার ৬০০ জনের বেশি অংশগ্রহণ করেন।   হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় সম্মেলনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রতিষ্ঠান, বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিবন্ধনের আহ্বান জানিয়েছে। সম্মেলনের বিভিন্ন কর্মসূচি ও সময়সূচিও অংশগ্রহণকারীদের জন্য প্রকাশ করা হবে।   সূত্র: আরব নিউজ

তাবাস্সুম সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Top week

ড. ফেরদৌস সালেহীনের লেখা সূরা আল-ফাতিহার তাফসির ও জীবনের প্রতিফলনবিষয়ক নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন বা উপস্থাপনা। ছবি: সংগৃহীত

সূরা ফাতিহার সাত আয়াত যেভাবে বদলে দিল ড. ফেরদৌস সালেহীনের জীবনদৃষ্টি

অক্টোবর ২৬, ২০২৬ ১৪:০