সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

নিউইয়র্কে সংগীতশিল্পী রোকসানা মির্জা ও রিয়েলটর মোহাম্মদ আজাদের বিচ্ছেদ

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: অক্টোবর ৩০, ২০২৬ ১:৬
পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে দাম্পত্য সম্পর্কের ইতি টেনেছেন নিউইয়র্কপ্রবাসী সংগীতশিল্পী রোকসানা মির্জা ও মোহাম্মদ আজাদ। ছবি: সংগৃহীত
পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে দাম্পত্য সম্পর্কের ইতি টেনেছেন নিউইয়র্কপ্রবাসী সংগীতশিল্পী রোকসানা মির্জা ও মোহাম্মদ আজাদ। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কপ্রবাসী সংগীতশিল্পী রোকসানা মির্জা ও তাঁর স্বামী রিয়েলটর মোহাম্মদ আজাদ পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে তাঁদের দাম্পত্য সম্পর্কের ইতি টেনেছেন। বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দুজনই বলেছেন, ব্যক্তিগত জীবনে আলাদা পথে এগিয়ে গেলেও একে অপরের প্রতি সম্মান ও শুভকামনা বজায় থাকবে।

 

দাম্পত্য সম্পর্কের অবসান ঘটলেও বিষয়টি নিয়ে কোনো বিরোধ বা অভিযোগের কথা তাঁদের দেওয়া তথ্যে উল্লেখ করা হয়নি। বরং পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতেই আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তাঁরা। সম্পর্কের ইতি টানার পরও পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েছেন দুজন।

 

নিউইয়র্কের প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে রোকসানা মির্জা একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে মোহাম্মদ আজাদ রিয়েল এস্টেট পেশার সঙ্গে যুক্ত। ব্যক্তিগত জীবনের এই পরিবর্তনের কথা জানালেও বিচ্ছেদের পেছনের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

 

তাঁদের দাম্পত্য সম্পর্কের অবসান ঠিক কবে হয়েছে, সে বিষয়েও নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে দুজনের বক্তব্যে স্পষ্ট, আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্তটি পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতেই নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে নিজেদের জীবন আলাদাভাবে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি একে অপরের মঙ্গল কামনা করেছেন তাঁরা।

 

ব্যক্তিগত সম্পর্কের অবসানকে কেন্দ্র করে কোনো অভিযোগ বা বিতর্কের পরিবর্তে পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখার বার্তাই দিয়েছেন রোকসানা মির্জা ও মোহাম্মদ আজাদ। তাঁদের বিচ্ছেদের বিষয়ে এর বাইরে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে দাম্পত্য সম্পর্কের ইতি টেনেছেন নিউইয়র্কপ্রবাসী সংগীতশিল্পী রোকসানা মির্জা ও মোহাম্মদ আজাদ। ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কে সংগীতশিল্পী রোকসানা মির্জা ও রিয়েলটর মোহাম্মদ আজাদের বিচ্ছেদ

নিউইয়র্কপ্রবাসী সংগীতশিল্পী রোকসানা মির্জা ও তাঁর স্বামী রিয়েলটর মোহাম্মদ আজাদ পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে তাঁদের দাম্পত্য সম্পর্কের ইতি টেনেছেন। বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দুজনই বলেছেন, ব্যক্তিগত জীবনে আলাদা পথে এগিয়ে গেলেও একে অপরের প্রতি সম্মান ও শুভকামনা বজায় থাকবে।   দাম্পত্য সম্পর্কের অবসান ঘটলেও বিষয়টি নিয়ে কোনো বিরোধ বা অভিযোগের কথা তাঁদের দেওয়া তথ্যে উল্লেখ করা হয়নি। বরং পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতেই আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তাঁরা। সম্পর্কের ইতি টানার পরও পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েছেন দুজন।   নিউইয়র্কের প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে রোকসানা মির্জা একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে মোহাম্মদ আজাদ রিয়েল এস্টেট পেশার সঙ্গে যুক্ত। ব্যক্তিগত জীবনের এই পরিবর্তনের কথা জানালেও বিচ্ছেদের পেছনের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।   তাঁদের দাম্পত্য সম্পর্কের অবসান ঠিক কবে হয়েছে, সে বিষয়েও নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে দুজনের বক্তব্যে স্পষ্ট, আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্তটি পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতেই নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে নিজেদের জীবন আলাদাভাবে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি একে অপরের মঙ্গল কামনা করেছেন তাঁরা।   ব্যক্তিগত সম্পর্কের অবসানকে কেন্দ্র করে কোনো অভিযোগ বা বিতর্কের পরিবর্তে পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখার বার্তাই দিয়েছেন রোকসানা মির্জা ও মোহাম্মদ আজাদ। তাঁদের বিচ্ছেদের বিষয়ে এর বাইরে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

প্রকাশ: অক্টোবর ৩০, ২০২৬ ১:৬
যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য সরকারি আর্থিক সহায়তার ফাফসা আবেদন শুরু হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে কলেজে পড়ার খরচ কমাতে সরকারি সহায়তার আবেদন শুরু, জেনে নিন আবেদনের নিয়ম

ইলহান ওমরের বিরুদ্ধে চলমান তদন্তের প্রতিবাদ লিপিতে সই করেননি ন্যান্সি পেলোসিসহ ৪০ ডেমোক্র্যাট নেতা। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

অভিবাসন জালিয়াতির তদন্ত, ইলহান ওমরের পক্ষে চিঠিতে সই করেননি দলের ৪০ আইনপ্রণেতা

যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা শেষে অভিবাসনের বিভিন্ন আইনি পথ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করবেন আইনজীবী রাজু মাহাজান। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

পড়াশোনা শেষে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার আইনি পথ নিয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ আয়োজন

স্ত্রী ও দুই ছোট মেয়েকে রেখে গেছেন ৩১ বছর বয়সী উইলিয়াম ‘স্টোন’ রমবার্গ। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
ফ্লোরিডায় গাঙচিলকে বাঁচাতে গিয়ে সাগরে ডুবে প্রাণ হারালেন দুই সন্তানের বাবা

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় মাছ ধরার সুতোয় আটকে পড়া একটি গাঙচিলকে বাঁচাতে গিয়ে সাগরে ডুবে প্রাণ হারিয়েছেন দুই সন্তানের বাবা উইলিয়াম ‘স্টোন’ রমবার্গ। ৩১ বছর বয়সী এই যুবক পাখিটিকে উদ্ধারের জন্য পানিতে নামলেও ফেরার পথে স্রোতের টানে তীর থেকে দূরে চলে যান। গত রোববার, ২৫ অক্টোবর এ ঘটনা ঘটে। স্ত্রী ও দুই ছোট মেয়েকে রেখে গেছেন তিনি।   ফক্স ৫ আটলান্টার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্লোরিডার ক্যারিলন বিচের কাছে বন্ধুদের সঙ্গে মাছ ধরছিলেন রমবার্গ। এ সময় তাঁর মাছ ধরার সুতোয় একটি গাঙচিল আটকে যায়। পাখিটিকে ছাড়িয়ে আনতে তিনি সাগরে সাঁতরে যান। কিন্তু উদ্ধারের চেষ্টা করতে গিয়ে পাখিটি ও মাছ ধরার বড়শি তাঁর হাতের সঙ্গে আটকে যায়। এরপর তীরে ফেরার চেষ্টা করলে পানির স্রোত তাঁকে আরও গভীর সমুদ্রের দিকে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে পানিতে ডুবে মারা যান তিনি।   রমবার্গ ফ্লোরিডার ক্যারিলন বিচে লা দোলচে ভিটা নামের একটি প্রতিষ্ঠানে সৈকতসেবা ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করতেন। তাঁর মৃত্যুতে সহকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিনি ছিলেন পরিশ্রমী, সদয় এবং অন্যকে সহযোগিতা করতে সব সময় প্রস্তুত একজন মানুষ। তাঁর আন্তরিকতা ও ইতিবাচক মনোভাব কর্মস্থলের সবার মনে গভীর ছাপ রেখে গেছে।   রমবার্গের স্ত্রী টেইলর এবং তাঁদের দুই মেয়ে রয়েছে। বড় মেয়ে হ্যাডলির বয়স তিন বছর, ছোট মেয়ে লেইনির বয়স মাত্র এক বছর। পরিবারের চিকিৎসা ও শেষকৃত্যের ব্যয়সহ আর্থিক সহায়তার জন্য একটি তহবিল সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁর কর্মস্থল ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের সদস্যরাও পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।   ফ্লোরিডার উপসাগরীয় উপকূলের এই এলাকায় সাগরের স্রোত কখনো কখনো সাঁতারুদের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, পানিতে কেউ বিপদে পড়লে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে সরাসরি সাঁতরে উদ্ধারের চেষ্টা করা উচিত নয়। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সম্ভব হলে উদ্ধারকর্মীদের খবর দেওয়া এবং ভাসমান কোনো বস্তু ছুড়ে সহায়তা করাই নিরাপদ।   সূত্র: ফক্স ৫ আটলান্টা, ফক্স ওয়েদার।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৯, ২০২৬ ২২:৫৭
নিউ ইয়র্ক থেকে ১৪৯ দিনে প্রায় ২ হাজার ৫০০ মাইল হেঁটে ক্যালিফোর্নিয়ায় পৌঁছান চান্টজ রিভেরা। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

১৪৯ দিন হেঁটে নিউ ইয়র্ক থেকে ক্যালিফোর্নিয়ায়, পৌঁছাতেই চুরির শিকার যুবক

১৩ হাজার ডলারের কম দামে কেনা পুরোনো টেসলা মডেল এস এক চার্জে চলেছে ২২১ মাইল। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

১৩ হাজার ডলারের পুরোনো টেসলাও এক চার্জে চলে ২২১ মাইল, অবাক নতুন মালিক!

নিউইয়র্কে সাশ্রয়ী মূল্যে বড় বাড়ির খোঁজে ম্যানহাটন ছেড়ে কুইন্সে পাড়ি জমাচ্ছেন বেশিরভাগ ক্রেতা। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

নিউ ইয়র্কে বাড়ি কেনার ক্ষেত্রে ম্যানহাটনের বদলে ক্রেতাদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে কুইন্স

২০২৪ সালের নির্বাচনে নাগরিকত্ব ছাড়াই ভোট দেওয়ার অভিযোগে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি বাংলাদেশি প্রবাসী। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশি প্রবাসীর বিরুদ্ধে মামলা

যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দেশটির নাগরিক না হয়েও ভোট দেওয়ার অভিযোগে এক বাংলাদেশির বিরুদ্ধে ফেডারেল মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ হাচিবুর রহমান। তাঁর বয়স ৩৩ বছর। গত ২৭ অক্টোবর মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি কার্যালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়েরের তথ্য প্রকাশ করে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।   মেরিল্যান্ড ডিস্ট্রিক্টের অ্যাটর্নি কেলি ও হায়েস এবং এফবিআইয়ের বাল্টিমোর ফিল্ড অফিসের বিশেষ এজেন্ট ইনচার্জ জিমি পল যৌথভাবে মামলার বিষয়টি জানান। তাঁদের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হাচিবুর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক নন, বিষয়টি জানা থাকা সত্ত্বেও তিনি ২০২৪ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ভোট দেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছে। ওই নির্বাচনে দেশটির প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট, সিনেট এবং প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য নির্বাচনের জন্য ভোট গ্রহণ করা হয়েছিল।   মার্কিন অ্যাটর্নি কার্যালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। মামলাটির তদন্তে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই কাজ করেছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থার ওয়াশিংটন ফিল্ড অফিসের বাল্টিমোর কার্যালয় তদন্তে সহায়তা করেছে। মামলাটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন সহকারী মার্কিন অ্যাটর্নি ফিলিপ মোৎসে।   অভিযোগ প্রমাণিত হলে হাচিবুর রহমানের সর্বোচ্চ এক বছরের ফেডারেল কারাদণ্ড হতে পারে। তবে অভিযোগ দায়েরের অর্থ অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়। আদালতে দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত আইন অনুযায়ী তাঁকে নির্দোষ হিসেবে গণ্য করতে হবে। সাজা নির্ধারণের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সাজা নির্দেশিকা ও সংশ্লিষ্ট আইনি বিষয়গুলো বিবেচনায় নেবেন বিচারক।   যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার মূলত দেশটির নাগরিকদের জন্য সংরক্ষিত। নাগরিক নন এমন ব্যক্তিরা প্রেসিডেন্ট ও কংগ্রেস নির্বাচনে ভোট দিতে পারেন না। এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ফেডারেল আইনে বিচারের মুখোমুখি হতে হয়।   সূত্র: যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড ডিস্ট্রিক্টের অ্যাটর্নি কার্যালয় ও মার্কিন বিচার বিভাগ।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৯, ২০২৬ ২১:২৯
ডোরড্যাশের ইনস্টাকার্ট অধিগ্রহণের প্রস্তাব নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

গ্রাহক ও কর্মীদের ক্ষতির শঙ্কায় ডোরড্যাশের নতুন চুক্তির বিরোধিতা করলেন নিউ ইয়র্কের মেয়র মামদানি

আইসিইর আটক অভিযান

ক্যালিফোর্নিয়ায় চেহারা ও জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে আইসিইর আটক অভিযান নিষিদ্ধ

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের বন্ড শুনানি নিয়ে নতুন রায়

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের বন্ড শুনানি নিয়ে নতুন রায়, মুক্তির সুযোগে অনিশ্চয়তা

0 Comments