জ্বালানি সরবরাহ

পত্রিকা
পত্রিকা: মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ভারতের ওপর বাংলাদেশের বাণিজ্যনির্ভরতা আরো বাড়তে পারে

বাংলাদেশি তেলবাহী জাহাজে বাধা দেবে না ইরান — দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড   দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ায় জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ সরকার নানা কৌশলগত পদক্ষেপ নিচ্ছে। এর মধ্যে বাংলাদেশি তেলবাহী জাহাজকে নিরাপদে চলাচলের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে ইরান।   মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালী নিয়ে শঙ্কা তৈরি হলে বাংলাদেশ ইরানের কাছে তেল ও এলএনজি বহনকারী জাহাজের নিরাপদ চলাচলের নিশ্চয়তা চায়।   জ্বালানি খাতের কর্মকর্তারা জানান, প্রণালীতে প্রবেশের আগে ইরানি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলে বাংলাদেশি জাহাজগুলোকে ওই কৌশলগত জলপথ দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে। এতে দেশের জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে তাৎক্ষণিক উদ্বেগ কিছুটা কমেছে।   এদিকে গতকাল সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার টন ডিজেলবাহী একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। এছাড়া চলতি সপ্তাহে আরও চারটি জাহাজে মোট এক লাখ ২০ হাজার ২০৫ টন জ্বালানি নিয়ে বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।   মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ভারতের ওপর বাংলাদেশের বাণিজ্যনির্ভরতা বাড়তে পারে — বণিক বার্তা   বণিক বার্তা পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভারতের ওপর বাংলাদেশের বাণিজ্যনির্ভরতা আরও বাড়তে পারে। বর্তমানে দুই দেশের মোট বাণিজ্যের প্রায় ৮৫ শতাংশই মূলত ভারত থেকে পণ্য আমদানির মাধ্যমে হয়ে থাকে।   মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও জ্বালানি পণ্য নিয়ে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ভারতের কাছে বাড়তি ডিজেল আমদানির প্রস্তাব দেওয়ার পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ।   জানা গেছে, আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে পাঁচ হাজার টন ডিজেল পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে আসছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে ভারতের ওপর বাংলাদেশের নির্ভরতা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।   সরকার জানিয়েছে, দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুদ রয়েছে এবং বাজার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজার পর্যবেক্ষকরা সতর্ক করেছেন, সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে জ্বালানি ছাড়াও খাদ্যপণ্যের বাজারেও চাপ তৈরি হতে পারে।   দুই আসামিকে দেশে আনতে সরকারের প্রস্তুতি — যুগান্তর   যুগান্তর পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেন ভারতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার উদ্যোগ জোরদার করেছে।   বাংলাদেশ-ভারতের প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় দুই আসামিকে ফিরিয়ে আনতে তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি প্রয়োজনীয় চিঠি প্রস্তুত করেছে। খুব শিগগিরই ভারত সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হস্তান্তরের আবেদন পাঠানো হবে।   এদিকে আটক দুই আসামির সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য বাংলাদেশ ইতোমধ্যে কনস্যুলার অ্যাকসেস চেয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং কূটনৈতিক পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে।   জ্বালানি তেলের ডিপোতে সেনা মোতায়েন — মানবজমিন   মানবজমিন পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি তেলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধান তেলের ডিপোগুলোতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত, অতিরিক্ত দামে বিক্রি ও পাচার রোধে জেলা প্রশাসকদের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এ বিষয়ে দেশের সব জেলা প্রশাসকের কাছে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।   সরকার জ্বালানি তেলের বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে নজরদারি জোরদার করেছে। এ জন্য একটি মনিটরিং সেলও গঠন করা হয়েছে।   তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মজুদ দিয়ে উৎপাদন চলবে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত — কালের কণ্ঠ   কালের কণ্ঠ পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, দেশে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বর্তমান মজুদ জ্বালানি দিয়ে সর্বোচ্চ আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন চালানো সম্ভব।   বাংলাদেশ ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন (বিআইপিপিএ) জানিয়েছে, বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদনে এসব কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এসব কেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেলে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।   সংগঠনের তথ্য অনুযায়ী, বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার টন জ্বালানি তেল মজুদ রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কাছেই প্রায় ৫৫ হাজার টন তেল রয়েছে।   জামিনের জন্য এক কোটি টাকা চান প্রসিকিউটর — প্রথম আলো   প্রথম আলো পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এক প্রসিকিউটর আওয়ামী লীগের এক সাবেক কারাবন্দী রাজনীতিককে জামিনে মুক্তি পাইয়ে দেওয়ার জন্য তার পরিবারের কাছে এক কোটি টাকা দাবি করেছেন-এমন তথ্য হোয়াটসঅ্যাপের একাধিক অডিও রেকর্ডিংয়ে পাওয়া গেছে।   রেকর্ডিংগুলো সংগ্রহ করেছে প্রথম আলো ও নেত্র নিউজ। এতে চট্টগ্রাম-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর মামলায় দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রসিকিউটর মো. সাইমুম রেজা তালুকদারের কথোপকথন রয়েছে।   রেকর্ডিংয়ে তিনি জামিনের বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার সময় উল্লেখ করেন, যদি শেষ পর্যন্ত মুক্তি নিশ্চিত করা যায় তবে ‘ভালো অঙ্কের’ টাকা দিতে হবে। সেখানে এক কোটি টাকার পাশাপাশি অগ্রিম ১০ লাখ টাকা দেওয়ার কথাও বলা হয়। আরও চার বেসরকারি ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ — নয়া দিগন্ত   নয়া দিগন্ত পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং খাতে সুশাসন জোরদার করতে আরও চারটি বেসরকারি ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।   ন্যাশনাল ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক ও আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকে এসব পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। তারা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিচালনা কার্যক্রম, আর্থিক সিদ্ধান্ত ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন।   বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, প্রয়োজনে ভবিষ্যতে আরও ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেওয়া হতে পারে।   ১২ মার্চ সংসদে ১৩৩টি অধ্যাদেশ উত্থাপন করবে সরকার — নিউ এইজ   নিউ এইজ পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান আগামী ১২ মার্চ জাতীয় সংসদে মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ উত্থাপন করতে যাচ্ছেন।   সংসদ অধিবেশন না থাকায় অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদের অধীনে রাষ্ট্রপতি এসব অধ্যাদেশ জারি করেছিলেন। এর মধ্যে ২০২৪ সালে ১৭টি, ২০২৫ সালে ৮০টি এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩৬টি অধ্যাদেশ জারি হয়েছে।   আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংবিধান অনুযায়ী কেবল অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপন করতে হয়, রাষ্ট্রপতির আদেশ উপস্থাপনের বাধ্যবাধকতা নেই। শুরুতে কার্ড পাচ্ছে ৩৭,৫৬৪ পরিবার — আজকের পত্রিকা   আজকের পত্রিকা জানায়, নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা জোরদার করতে সরকারের নতুন উদ্যোগ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু হচ্ছে।   পাইলট কর্মসূচির আওতায় প্রথম ধাপে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ৩৭ হাজার ৫৬৪টি পরিবার এই কার্ড পাবে। পরিবারগুলোর নারীপ্রধানের নামে কার্ড দেওয়া হবে এবং তারা মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা পাবেন।   এই কর্মসূচির উদ্বোধন রাজধানীর বনানীতে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে করা হবে বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।   থানায় ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের পরিকল্পনা — দেশ রূপান্তর   দেশ রূপান্তর পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, থানায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের হয়রানি কমাতে প্রতিটি থানায় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে।   পুলিশের নতুন মহাপরিদর্শক আলী হোসেন ফকির জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করতে সরকারকে বিভিন্ন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে চাঁদাবাজ ও মব সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িতদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।   তিনি বলেন, যেই অপরাধ করুক না কেন, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।   ঢাকা বিমানবন্দরে জমছে পণ্য — দ্য ডেইলি স্টার   দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক কয়েকটি এয়ারলাইনের কার্গো ফ্লাইট স্থগিত হওয়ায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পণ্য জমে যাচ্ছে।   দুবাই, আবুধাবি, দোহা ও মাসকাটের মতো গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট রুটে কার্গো ফ্লাইট চলাচল বন্ধ থাকায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।   রপ্তানিকারকদের সংগঠন জানিয়েছে, আকাশপথে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক হলেও বর্তমানে জমে থাকা পণ্যের বড় অংশ ইউরোপ বা যুক্তরাষ্ট্রগামী নয়।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ভারত থেকে পাইপলাইনে দেশে আসছে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল

ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে বাংলাদেশে আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাঠানো হচ্ছে। এটি সরাসরি পাইপলাইনের মাধ্যমে দেশে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।   বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) বাণিজ্য ও অপারেশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মুহাম্মদ মোরশেদ হোসাইন আজাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিপিসি সূত্র জানায়, পাইপলাইনের মাধ্যমে এই প্রথম চালান দেশে পৌঁছানো শুরু হয়েছে এবং এটি জ্বালানি তেলের মজুত স্বাভাবিক রাখা এবং সারাদেশে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।   সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি করার ফলে পরিবহন খরচ ও সময় সাশ্রয় হবে। এর আগে, গত রবিবার অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ-ভারত পাইপলাইন ব্যবহার করে আগামী চার মাসে অতিরিক্ত ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহের প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল।   দেশে ডিজেলের মজুদ এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার জন্য সরকারের এই উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালী কেন বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ?

বিশ্ব বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালী। সাম্প্রতিক সময়ে ইরান এই প্রণালী বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল–এর যৌথ হামলার পর ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে কোনো জাহাজ চলাচলের চেষ্টা করলে সেটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে। সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছে যে, প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজে হামলার আশঙ্কা রয়েছে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বে ব্যবহৃত মোট জ্বালানি তেলের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ এই প্রণালী দিয়ে পরিবহন করা হয়। ওমান ও ইরানের মধ্যবর্তী অবস্থানে থাকা এই সরু সামুদ্রিক পথটি পারস্য উপসাগরকে আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।   হরমুজ প্রণালীর সবচেয়ে সরু অংশের প্রস্থ প্রায় ৩৩ কিলোমিটার হলেও জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত পথ মাত্র প্রায় ৩ কিলোমিটার। এই সংকীর্ণ পথ দিয়েই দুই দিক থেকে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল করে। OPEC–ভুক্ত সৌদি আরব, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও ইরাকের মতো দেশগুলোর অপরিশোধিত তেলের বড় অংশ এই পথ দিয়ে রপ্তানি হয়। এসব তেল মূলত এশিয়ার বাজারে সরবরাহ করা হয়।   এ ছাড়া কাতার বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনকারী দেশ। দেশটি তাদের প্রায় পুরো এলএনজি উৎপাদন হরমুজ প্রণালী হয়ে পরিবহন করে। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা Reuters জানিয়েছে, সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণে কাতার সাময়িকভাবে গ্যাস উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৪, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Top week

ফাইল ফটো।
আমেরিকা

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0