ক্যালিফোর্নিয়ার ডাউন পেমেন্টের কাছাকাছি দামেই ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় বাড়ি!
ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি সাধারণ বাড়ি কিনতে যে পরিমাণ অর্থ ডাউন পেমেন্ট হিসেবে লাগতে পারে, যুক্তরাষ্ট্রের তুলনামূলক সস্তা অঙ্গরাজ্য ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার কিছু এলাকায় সেই অর্থের কাছাকাছি দামেই পুরো বাড়ি কেনার সুযোগ রয়েছে। তবে বাড়ির অবস্থান, আয়তন ও অবস্থা অনুযায়ী দাম ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়।
জিলোর ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত তথ্য অনুযায়ী, ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি বাড়ির গড় মূল্য ৭ লাখ ৭৫ হাজার ৫৪৯ ডলার। অন্যদিকে মে মাসে রাজ্যটির মিডিয়ান বিক্রয়মূল্য ছিল ৭ লাখ ৫১ হাজার ৬৬৭ ডলার।
এই গড় মূল্যের একটি বাড়ি কিনতে কেউ যদি ২০ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দেন, তাহলে শুরুতেই দিতে হবে প্রায় ১ লাখ ৫৫ হাজার ১১০ ডলার। এর বাইরে ক্লোজিং কস্ট, হোম ইন্স্যুরেন্স, প্রপার্টি ট্যাক্স এবং মর্টগেজের অন্যান্য খরচ থাকতে পারে।
তবে ২০ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি কেনার বাধ্যতামূলক নিয়ম নয়। ক্রেতার লোন প্রোগ্রাম, ক্রেডিট প্রোফাইল ও অন্যান্য শর্তের ওপর নির্ভর করে এর চেয়ে কম ডাউন পেমেন্টেও বাড়ি কেনা সম্ভব। ২০ শতাংশ দেওয়ার একটি বড় সুবিধা হলো, প্রচলিত অনেক মর্টগেজে প্রাইভেট মর্টগেজ ইন্স্যুরেন্স এড়ানো যায়।
ক্যালিফোর্নিয়ার সঙ্গে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার দামের ব্যবধান বেশ বড়। একই সময়ের জিলো তথ্য অনুযায়ী, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় একটি বাড়ির গড় মূল্য ১ লাখ ৮২ হাজার ৭০৪ ডলার। অর্থাৎ ক্যালিফোর্নিয়ার গড় বাড়ির মূল্যের ২০ শতাংশ ডাউন পেমেন্টের সঙ্গে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার গড় বাড়ির মূল্যের ব্যবধান প্রায় ২৭ হাজার ৬০০ ডলার।
তবে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার কিছু এলাকায় বাড়ির সাধারণ মূল্য এর চেয়েও কম। জিলোর জুনের তথ্যে সাটনে সাধারণ বাড়ির মূল্য প্রায় ১ লাখ ৪২ হাজার ৮৮২ ডলার, ফ্ল্যাটউডসে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬৫৬ ডলার এবং গ্যাসাওয়েতে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৬৬ ডলার। ফলে ক্যালিফোর্নিয়ার গড় বাড়ির ২০ শতাংশ ডাউন পেমেন্টের সমপরিমাণ অর্থে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার কিছু বাজারে পুরো বাড়ি কেনা বাস্তবেই সম্ভব হতে পারে।
তবে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার সব বাড়ি ১ লাখ ৫০ হাজার ডলারের মধ্যে পাওয়া যায়, এমন ধারণা সঠিক নয়। জিলোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মে মাসে রাজ্যটির মিডিয়ান বিক্রয়মূল্য ছিল ২ লাখ ২১ হাজার ১৬৭ ডলার এবং জুনে মিডিয়ান লিস্টিং প্রাইস ছিল ২ লাখ ৪৯ হাজার ৬০০ ডলার। তাই নির্দিষ্ট একটি কমদামি বাড়ির উদাহরণকে পুরো রাজ্যের বাজারদর হিসেবে বিবেচনা করা ঠিক হবে না।
ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার আরেকটি সুবিধা তুলনামূলক কম প্রপার্টি ট্যাক্স। ট্যাক্স ফাউন্ডেশনের ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, মালিকের নিজস্ব বসবাসের বাড়ির মূল্যের ওপর রাজ্যটির কার্যকর প্রপার্টি ট্যাক্স রেট গড়ে প্রায় শূন্য দশমিক ৫১ শতাংশ।
বাজারে ক্রেতাদের জন্য বাড়ির সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য। জিলোর হিসাবে, জুনের শেষে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় বিক্রির জন্য ৫ হাজার ১৯৮টি বাড়ি ছিল এবং ওই মাসে নতুন করে ১ হাজার ৭৪৯টি বাড়ি বাজারে আসে। মে মাসে ৫৭ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়ি লিস্টিং প্রাইসের নিচে বিক্রি হয়েছে।
তবে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় গেলে শুধু বাড়ির দাম বিবেচনা করলেই হবে না। চাকরির সুযোগ, আয়, স্কুল ডিস্ট্রিক্ট, হেলথ কেয়ার, যাতায়াত, হোম ইন্স্যুরেন্স, বাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ এবং ভবিষ্যতে বাড়িটি বিক্রি করার সম্ভাবনাও হিসাব করতে হবে। বিশেষ করে কমদামি পুরোনো বাড়ির ক্ষেত্রে মেরামতের খরচ উল্লেখযোগ্য হতে পারে।
একই কারণে ক্যালিফোর্নিয়ায় মাসে ৩ হাজার ৫০০ ডলার এবং ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় ৮০০ থেকে ৯০০ ডলার খরচ হবেই, এমন নির্দিষ্ট তুলনাও সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মর্টগেজের পরিমাণ, ডাউন পেমেন্ট, সুদের হার, প্রপার্টি ট্যাক্স ও ইন্স্যুরেন্সের ওপর মাসিক খরচ নির্ভর করে।
আর ক্যালিফোর্নিয়া ও নিউইয়র্ক থেকে “হাজার হাজার বাংলাদেশি পরিবার” ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় চলে যাচ্ছে, এমন দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য সরকারি পরিসংখ্যান পাওয়া যায় না। বরং ইউএস সেনসাস ব্যুরোর হিসাবে ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার মোট জনসংখ্যা কমেছে।
তারপরও বাড়ির দামের বিশাল ব্যবধান একটি বিষয় পরিষ্কার করে। ক্যালিফোর্নিয়ায় বাড়ির মালিক হতে যে অর্থ শুধু ডাউন পেমেন্টে চলে যেতে পারে, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার কিছু শহর ও ছোট কমিউনিটিতে সেই বাজেটেই মর্টগেজ ছাড়াই একটি বাড়ি কেনার সুযোগ পাওয়া যেতে পারে। তবে কোথায় বসবাস করবেন, সেই সিদ্ধান্তে বাড়ির দাম যতটা গুরুত্বপূর্ণ, চাকরি, জীবনযাত্রা ও দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক হিসাবও ঠিক ততটাই গুরুত্বপূর্ণ।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreআকাশে ওড়ার স্বপ্ন ছিল ছোটবেলা থেকেই। কিন্তু দুর্বল দৃষ্টিশক্তির কারণে পাইলট হওয়ার সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ট্রাকচালক ল্যারি ওয়াল্টার্সের। শেষ পর্যন্ত ১৯৮২ সালে এমন এক উপায়ে তিনি সেই স্বপ্ন পূরণ করেন, যা পরে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান চলাচলের ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত অদ্ভুত ঘটনা হয়ে ওঠে। সাধারণ একটি অ্যালুমিনিয়ামের বাগানের চেয়ারে ৪২টি হিলিয়ামভর্তি আবহাওয়া বেলুন বেঁধে তিনি উঠে গিয়েছিলেন প্রায় ১৬ হাজার ফুট ওপরে। ঘটনাটি ১৯৮২ সালের ২ জুলাই। লস অ্যাঞ্জেলেসের সান পেদ্রো এলাকা থেকে নিজের তৈরি উড়ন্ত ব্যবস্থায় যাত্রা শুরু করেন ৩৩ বছর বয়সী ল্যারি। তার পরিকল্পনা ছিল কয়েক শ ফুট ওপরে উঠে কিছুক্ষণ ভেসে বেড়ানোর পর ধীরে ধীরে নিচে নেমে আসা। এই অভিযানের জন্য ল্যারি ও তার বান্ধবী ৪৫টি বড় আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ বেলুন কিনেছিলেন। শেষ পর্যন্ত তার অ্যালুমিনিয়ামের লন চেয়ারের সঙ্গে ৪২টি বেলুন লাগানো হয়। সেগুলো হিলিয়াম দিয়ে পূর্ণ করা হয়েছিল। সঙ্গে প্রস্তুতিও ছিল। খাবার, পানীয়, ক্যামেরা, সিবি রেডিও এবং নিচে নামার জন্য একটি পেলেট গান সঙ্গে নেন তিনি। পরিকল্পনা ছিল নির্দিষ্ট উচ্চতায় পৌঁছানোর পর একে একে কয়েকটি বেলুন ফুটিয়ে ধীরে ধীরে মাটিতে নেমে আসবেন। কিন্তু শুরুতেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। চেয়ারটি আটকে রাখা বাঁধন নির্ধারিত সময়ের আগেই খুলে বা ছিঁড়ে গেলে ল্যারি প্রত্যাশার চেয়ে অনেক দ্রুত ওপরে উঠতে থাকেন। কয়েক শ ফুটে থামার পরিকল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তিনি পৌঁছে যান প্রায় ১৬ হাজার ফুট উচ্চতায়। এত ওপরে উঠে তিনি লং বিচ এলাকার নিয়ন্ত্রিত আকাশসীমায় ঢুকে পড়েন। পরিস্থিতি আরও অস্বাভাবিক হয়ে ওঠে যখন অন্তত দুটি বাণিজ্যিক উড়োজাহাজের পাইলট আকাশে তাকে দেখতে পান। হাজার হাজার ফুট ওপরে একটি বাগানের চেয়ারে বসে একজন মানুষকে বেলুনের সঙ্গে ভেসে থাকতে দেখে বিষয়টি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। ল্যারি নিজেও সিবি রেডিও ব্যবহার করে মাটিতে যোগাযোগ করেছিলেন। তিনি জানতেন যে তার এই উড্ডয়ন অনুমোদিত ছিল না এবং তিনি নিয়ন্ত্রিত আকাশসীমায় ঢুকে পড়েছেন। ওই উচ্চতায় প্রচণ্ড ঠান্ডার মধ্যেও শুরুতে বেলুন ফুটো করতে দ্বিধায় ছিলেন তিনি। কারণ একদিকে বেশি বেলুন ফেটে গেলে পুরো চেয়ারটি ভারসাম্য হারিয়ে বিপজ্জনকভাবে নিচে পড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা ছিল। আকাশে কিছু সময় কাটানোর পর শেষ পর্যন্ত পেলেট গান দিয়ে কয়েকটি বেলুন ফুটো করেন ল্যারি। এতে তার চেয়ার ধীরে ধীরে নিচে নামতে শুরু করে। একপর্যায়ে পেলেট গানটিও তার হাত থেকে নিচে পড়ে যায়। নামার শেষ পর্যায়ে আরেক বিপত্তি ঘটে। বেলুনের ঝুলন্ত দড়ি লং বিচের বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে যায়। এতে ওই এলাকার কিছু অংশে প্রায় ২০ মিনিট বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ছিল। তবে ল্যারি শেষ পর্যন্ত নিরাপদে মাটিতে নামতে সক্ষম হন। ঘটনাটি দ্রুত যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আলোচনায় আসে। সাধারণ একটি লন চেয়ার ও আবহাওয়া বেলুন ব্যবহার করে প্রায় তিন মাইল ওপরে উঠে যাওয়ার কারণে তিনি পরিচিত হয়ে ওঠেন ‘লনচেয়ার ল্যারি’ নামে। তবে এমন ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানের জন্য তাকে আইনি পরিণতিও ভোগ করতে হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন পরে তাকে ১ হাজার ৫০০ ডলার জরিমানা করে। ঘটনার পর কেন এমন ঝুঁকি নিয়েছিলেন জানতে চাইলে ল্যারি জানিয়েছিলেন, আকাশে ওড়ার স্বপ্নটি বহু বছর ধরে তার মধ্যে ছিল। তার বহুল উদ্ধৃত একটি বক্তব্যের সারকথা ছিল, একজন মানুষ তো আর সারাজীবন শুধু বসে থাকতে পারে না। চার দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ১৯৮২ সালের সেই ঘটনা আজও ‘লনচেয়ার ল্যারি ফ্লাইট’ নামে আলোচিত। পাইলট হওয়ার সুযোগ না পাওয়া এক ট্রাকচালকের আকাশে ওড়ার স্বপ্ন শেষ পর্যন্ত তাকে নিয়ে গিয়েছিল এমন এক উচ্চতায়, যেখানে তাকে দেখে অবাক হয়েছিলেন বাণিজ্যিক উড়োজাহাজের পাইলটরাও।
৭/১১-তারিখে ৭:১১ মিনিটে জন্ম, ভবিষ্যতে কলেজে পড়ার জন্য ৭-ইলেভেন দিল ৭,১১১ ডলারের ফান্ড
ক্যালিফোর্নিয়ার ডাউন পেমেন্টের কাছাকাছি দামেই ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় বাড়ি!
মদ্য'প অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে দোষী সাব্যস্ত ওয়ার্নার, জরিমানা ১.৩ লাখ টাকা
নিউইয়র্কে বেড়াতে এসে ভয়াবহ হামলার শিকার হয়েছেন ১৯ বছর বয়সী এক অস্ট্রেলিয়ান তরুণ। ম্যানহাটনের টাইমস স্কয়ার ও পেন স্টেশনের কাছের একটি ম্যাকডোনাল্ডসে বসে খাবার খাওয়ার সময় তাকে একাধিকবার ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় ২৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনাটি ঘটে সোমবার (১৭ আগস্ট) রাত প্রায় ২টার দিকে ম্যানহাটনের এইটথ অ্যাভিনিউয়ের একটি ম্যাকডোনাল্ডসে। নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, হামলায় ওই তরুণের পাঁজরের অংশ ও পিঠে ছুরিকাঘাত করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা দ্রুত ৯১১-এ ফোন করলে জরুরি সেবা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত তরুণকে বেলভিউ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, তার অবস্থা স্থিতিশীল এবং তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ঘটনার পরপরই পুলিশ সন্দেহভাজন একজনকে হেফাজতে নেয়। পরে তাকে ফ্লোরিডার পোর্ট শার্লটের বাসিন্দা ২৫ বছর বয়সী হুয়ান মার্সিডিজ হিসেবে শনাক্ত করা হয়। তার বিরুদ্ধে সেকেন্ড ডিগ্রি অ্যাসল্টের অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হামলার আগে দুজনের মধ্যে সংক্ষিপ্ত কথাবার্তা হয়েছিল। তবে কেন ওই তরুণের ওপর হামলা চালানো হলো, তার স্পষ্ট কারণ এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ঘটনাটি তদন্ত করছে এনওয়াইপিডি। যে ম্যাকডোনাল্ডসে ঘটনাটি ঘটেছে, সেটি ম্যানহাটনের ৪৯০ এইটথ অ্যাভিনিউয়ে। পেন স্টেশন ও টাইমস স্কয়ারের মাঝামাঝি ব্যস্ত এলাকায় থাকা রেস্তোরাঁটি ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে। প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটক এই এলাকা দিয়ে চলাচল করেন। তবে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিশেষ করে গভীর রাতে ওই ম্যাকডোনাল্ডস ও আশপাশের এলাকায় ঝগড়া ও বিশৃঙ্খলার ঘটনা নতুন নয়। নিয়মিত একজন গ্রাহক জানান, রাতে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের কারণে তিনি ওই এলাকায় বেশিক্ষণ অবস্থান করেন না। ঘটনাটি এমন সময়ে সামনে এলো, যখন নিউইয়র্কে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত পর্যটন এলাকা টাইমস স্কয়ার ও আশপাশের এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে পর্যটকদের আগ্রহ সবসময়ই বেশি থাকে। এনওয়াইপিডির মিডটাউন সাউথ প্রিসিঙ্কট এলাকায় চলতি বছর সামগ্রিক বড় ধরনের অপরাধ কমলেও বিচ্ছিন্ন সহিংস ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান তরুণটির পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। নিউইয়র্ক পুলিশ এখন হামলার আগের পরিস্থিতি, দুই ব্যক্তির মধ্যে কোনো পূর্বপরিচয় ছিল কি না এবং ঠিক কী কারণে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে, সেসব বিষয় খতিয়ে দেখছে।
৮ কোটি ৩৩ লাখ ডলারের রায় বাতিলে সুপ্রিম কোর্টে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
নতুন বাড়িতে উঠেছিলেন মাত্র ৭ ঘণ্টা আগে, দাবানলে সব হারাল ৭ সদস্যের পরিবার
বাবা-মাকে ডিপোর্ট করল আইস, ১৩ বছরের বোনের দায়িত্ব এখন ১৯ বছরের মার্কিন তরুণীর
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক মানচিত্রে একসময় যেসব অঙ্গরাজ্যকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে দেখা হতো, সেখানেও দ্রুত বদলাচ্ছে জনমত। নতুন রাজ্যভিত্তিক জরিপ বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, দেশের ৫০ অঙ্গরাজ্যের মধ্যে মাত্র তিনটিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাজের প্রতি অনুমোদন অননুমোদনের চেয়ে বেশি। নভেম্বরের গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগে এই চিত্র রিপাবলিকানদের জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। নিউজউইকের প্রকাশিত রাজ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি ইতিবাচক নেট অনুমোদন এখন মূলত তার সবচেয়ে শক্তিশালী রিপাবলিকান ঘাঁটিগুলোতেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। অর্থাৎ অধিকাংশ অঙ্গরাজ্যে তাকে সমর্থন করা মানুষের তুলনায় তার কাজের প্রতি অসন্তুষ্ট মানুষের সংখ্যা বেশি। তবে এখানে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় রয়েছে। বিভিন্ন জরিপ প্রতিষ্ঠান রাজ্যভিত্তিক অনুমোদন হিসাব করতে আলাদা পদ্ধতি ও সময়সীমা ব্যবহার করে। ফলে কোন জরিপের কোন আপডেট বিবেচনা করা হচ্ছে, তার ওপর ইতিবাচক অঙ্গরাজ্যের সংখ্যা তিন বা চার হতে পারে। সাম্প্রতিক ইকোনমিস্ট-ইউগভ মডেলে আইডাহো, নর্থ ডাকোটা, ওয়াইওমিং ও ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেট অনুমোদন ইতিবাচক দেখানো হয়েছে। তাই “মাত্র তিন রাজ্য” সংখ্যাটি সংশ্লিষ্ট নিউজউইক বিশ্লেষণের নির্দিষ্ট তথ্য হিসেবে দেখা উচিত, সব জরিপের অভিন্ন ফল হিসেবে নয়। কিন্তু রাজ্যভিত্তিক হিসাবের এই পার্থক্যের চেয়েও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য বড় উদ্বেগ তৈরি করেছে জাতীয় জনমত। ১৭ আগস্ট প্রকাশিত রয়টার্স-ইপসসের সর্বশেষ জরিপে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সামগ্রিক অনুমোদন নেমে এসেছে মাত্র ৩৩ শতাংশে। দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর এটিই তার সর্বনিম্ন অনুমোদন। একই জরিপে ৬৪ শতাংশ মার্কিন নাগরিক তার কাজের প্রতি অসন্তোষ জানিয়েছেন। এই পতন আরও তাৎপর্যপূর্ণ কারণ ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অনুমোদন ছিল ৪৭ শতাংশ। অর্থাৎ প্রায় দেড় বছরে জাতীয় পর্যায়ে তার সমর্থনে বড় ধরনের ক্ষয় হয়েছে। কেন কমছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা? এর পেছনে এখন সবচেয়ে বড় দুটি বিষয় সামনে আসছে - ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ এবং আমেরিকানদের জীবনযাত্রার ব্যয়। রয়টার্স-ইপসস জরিপে প্রায় ৮০ শতাংশ মার্কিন নাগরিক মনে করছেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত দীর্ঘ সময় ধরে চলবে। ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে এই আশঙ্কা ৮৭ শতাংশ হলেও রিপাবলিকানদের মধ্যেও ৭১ শতাংশ একই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। আরও তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, মাত্র প্রায় ২০ শতাংশ মার্কিন নাগরিক মনে করছেন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানোর সিদ্ধান্তটি মূল্য দেওয়ার মতো ছিল। এমনকি রিপাবলিকানদের মধ্যেও এই প্রশ্নে সমর্থন প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। যুদ্ধের প্রভাব এখন শুধু পররাষ্ট্রনীতিতে সীমাবদ্ধ নেই। ইরান সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহে অস্থিরতা এবং যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি সাধারণ মানুষের পকেটে পড়ছে। ফলে হোয়াইট হাউসের জন্য ইরান যুদ্ধ ক্রমেই একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমস্যায় পরিণত হচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নিত্যপণ্যের দাম। ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বারবার খাবার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু রয়টার্সের সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর পর ২৬টি গুরুত্বপূর্ণ মুদি পণ্যের দাম গড়ে আরও ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। মূল্যবৃদ্ধির গতি বাইডেন প্রশাসনের সময়ের তুলনায় কম হলেও ভোটারদের প্রত্যাশা অনুযায়ী দাম কমেনি। আর এখানেই রিপাবলিকানদের জন্য আরও একটি বড় সতর্কসংকেত দেখা যাচ্ছে। আগস্টের শুরুতে প্রকাশিত আরেকটি রয়টার্স-ইপসস জরিপে প্রায় এক দশকের মধ্যে প্রথমবার অর্থনীতি পরিচালনায় রিপাবলিকানদের চেয়ে ডেমোক্র্যাটদের সামান্য এগিয়ে রেখেছেন ভোটাররা। নিবন্ধিত ভোটারদের ৩৭ শতাংশ অর্থনীতি পরিচালনায় ডেমোক্র্যাটদের ওপর বেশি আস্থা জানিয়েছেন, রিপাবলিকানদের বেছে নিয়েছেন ৩৬ শতাংশ। একই জরিপের কংগ্রেসনাল ব্যালট পরীক্ষায় নিবন্ধিত ভোটারদের ৪২ শতাংশ ডেমোক্র্যাট এবং ৩৭ শতাংশ রিপাবলিকান প্রার্থীকে সমর্থনের কথা জানিয়েছেন। নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে পাঁচ পয়েন্টের এই ব্যবধান রিপাবলিকানদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ার অর্থ এই নয় যে আগামী নির্বাচনে সব অঙ্গরাজ্য ডেমোক্র্যাটদের দিকে চলে যাচ্ছে। প্রেসিডেন্টের কাজের অনুমোদন এবং নির্বাচনে দলীয় ভোট দুটি আলাদা বিষয়। একজন রিপাবলিকান ভোটার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কোনো নীতিতে অসন্তুষ্ট হলেও কংগ্রেস নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীকেই ভোট দিতে পারেন। একইভাবে রাজ্যভিত্তিক অনুমোদনের জরিপ দিয়ে সরাসরি নির্বাচনের ফল অনুমান করা যায় না। তারপরও বর্তমান প্রবণতাটি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে পেনসিলভানিয়া, মিশিগান, উইসকনসিন, অ্যারিজোনা, জর্জিয়া, নেভাদা ও নর্থ ক্যারোলিনার মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অঙ্গরাজ্যে প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তা রিপাবলিকান প্রার্থীদের ওপর কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটি এখন বড় প্রশ্ন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য কিছু ইতিবাচক দিকও রয়েছে। অভিবাসন ইস্যুতে রিপাবলিকানরা এখনো ডেমোক্র্যাটদের তুলনায় সামান্য এগিয়ে। তবে এখানেও ব্যবধান নাটকীয়ভাবে কমেছে। রয়টার্স-ইপসসের সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে অভিবাসন পরিচালনায় রিপাবলিকানদের সুবিধা যেখানে ছিল ২৬ পয়েন্ট, এখন তা নেমে এসেছে মাত্র ২ পয়েন্টে। সব মিলিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে এখন একই সঙ্গে তিনটি রাজনৈতিক চাপ - ইরান যুদ্ধ, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং অর্থনীতি নিয়ে ভোটারদের অসন্তোষ। আর নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, হোয়াইট হাউসের জন্য প্রশ্নটি ততই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে - প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কি এই নিম্নমুখী জনমত ঘুরিয়ে দিতে পারবেন, নাকি তার জনপ্রিয়তার পতনের মূল্য দিতে হবে কংগ্রেসের রিপাবলিকান প্রার্থীদের? কারণ মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্টের নাম ব্যালটে থাকবে না - কিন্তু তার জনপ্রিয়তা কিংবা অজনপ্রিয়তার প্রভাব ব্যালটের ফলাফলে পড়তে পারে।
যুদ্ধবিচ্ছিন্ন আরও এক শিশুকে মায়ের কাছে ফেরালেন মেলানিয়া ট্রাম্প
স্ত্রীকে গুলি করে হত্যার পর মরদেহ পাশে বসিয়ে ৫ ঘণ্টা গাড়ি চালালেন স্বামী