- প্রচ্ছদ
- Topic
#যুক্তরাজ্যেরখবর
ব্রিটেনে এক কিশোরকে মদ ও সিগারেটের প্রলোভন দেখিয়ে বারবার যৌন নি র্যাতনের দায়ে ট্রেসি ব্যানক্রফট নামের ৬৪ বছর বয়সী এক নারীকে ৯ বছর ৪ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাঁকে আজীবনের জন্য যৌন অপরাধীর নিবন্ধনে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ইয়র্ক ক্রাউন কোর্টে সাজা ঘোষণার সময় মামলার বিবরণ তুলে ধরা হয়। আদালতে জানানো হয়, ব্যানক্রফট প্রথমবার ওই কিশোরকে নি র্যাতনের আগে দুই গ্লাস কড়া রাম পান করিয়েছিলেন। এরপর তিনি কিশোরটিকে চুমু দেন। আকস্মিক এ ঘটনায় ভয় ও বিস্ময়ে কিশোরটি নিশ্চুপ হয়ে পড়ে। আদালতে দেওয়া বক্তব্যে ভুক্তভোগী জানায়, প্রথম ঘটনার পরও সে ওই নারীর হাতে অন্তত আরও ২০ বার যৌন নি র্যাতনের শিকার হয়েছে। তবে ব্যানক্রফট অন্তত নয়বার এ ধরনের অপরাধ করার কথা স্বীকার করেছেন। ২০২৩ সালে কিশোরটি পুলিশের কাছে অভিযোগ জানায়। পরবর্তী সময়ে ২০২৪ সালের মার্চে ব্যানক্রফটকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তাঁর বিরুদ্ধে আটটি যৌন অপরাধের অভিযোগ আনা হয়। শুরুতে অভিযোগ অস্বীকার করলেও গত সেপ্টেম্বরে শিশুর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার তিনটি অভিযোগ স্বীকার করেন ব্যানক্রফট। মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আদালতে ভুক্তভোগী কিশোরের মায়ের দেওয়া বক্তব্যে বলা হয়, এ ঘটনার পর তাঁর ছেলে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সন্তানের ওপর এ ঘটনার প্রভাব নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী আদালতে জানান, মদে আসক্তি ব্যানক্রফটের আচরণকে প্রভাবিত করেছিল। নিজের কর্মকাণ্ডের জন্য তিনি গভীরভাবে লজ্জিত বলেও আইনজীবী উল্লেখ করেন। সাজার বিষয়ে বিচারক সাইমন হিকি বলেন, ব্যানক্রফটের কর্মকাণ্ডে ভুক্তভোগীর অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। কিশোরকে প্রলুব্ধ করে যৌন নি র্যাতনের সুস্পষ্ট উপাদান এ মামলায় রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আদালতের রায় অনুযায়ী, কারাদণ্ডের পাশাপাশি ব্যানক্রফটকে আজীবন যৌন অপরাধীর নিবন্ধনে থাকতে হবে।
ইংল্যান্ডের গ্রেটার ম্যানচেস্টারে স্কুলছাত্রীদের ছবি ব্যবহার করে যৌ ন ইঙ্গিতপূর্ণ ভুয়া ছবি তৈরি এবং গোপনে তাঁদের ব্যক্তিগত ছবি তোলাসহ ২১টি অ প রাধে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক ও সাবেক শিক্ষক আবুসালি রহমানকে ছয় বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, বোল্টন ক্রাউন কোর্ট তাঁর সাজা ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অ প রাধ প্রতিরোধে তাঁর বিরুদ্ধে ২০ বছরের যৌ ন ক্ষতি প্রতিরোধ আদেশ জারি করা হয়েছে। গ্রেটার ম্যানচেস্টার পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সালফোর্ডের বাসিন্দা রহমান বিভিন্ন বিদ্যালয়ে অস্থায়ী শিক্ষক হিসেবে কাজ করতেন। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত প্রায় দেড় বছর ধরে তিনি শিক্ষকের অবস্থান ও শিক্ষার্থীদের আস্থার অপব্যবহার করেন। এ সময় বোল্টন, ব্যুরি ও সালফোর্ডের সাতটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে ছাত্রীদের অজান্তে ছবি তোলেন তিনি। যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রীয় কৌঁসুলি সংস্থা ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিস জানিয়েছে, রহমান শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের অ্যাকাউন্ট খুঁজে বের করতেন। সেখান থেকে ছবি নিয়ে প্রযুক্তির সাহায্যে সেগুলো বিকৃত করে যৌ ন ইঙ্গিতপূর্ণ ভুয়া ছবি তৈরি করতেন এবং অনলাইনে ছড়িয়ে দিতেন। তাঁর ইলেকট্রনিক ফাইল থেকে ছাত্রীদের নাম ও ঠিকানাসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্যও উদ্ধার করা হয়। ২০২৫ সালের ২ মার্চ উদ্বিগ্ন কয়েকজন অভিভাবক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দুটি অ্যাকাউন্টে শিক্ষার্থীদের ছবি দেখতে পেয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানান। তদন্তে রহমানের সংশ্লিষ্টতা বেরিয়ে এলে তাঁর ল্যাপটপ ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্র জব্দ করা হয়। এসব যন্ত্রে বিকৃত ছবির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অজান্তে তোলা ব্যক্তিগত ছবিও পাওয়া যায়। পুলিশ জানায়, ২০২৫ সালের জুনে রহমানকে প্রথম গ্রে প্তা র করা হয়। পরে তদন্তে আরও অ প রাধের তথ্য পাওয়া গেলে এবং জামিনের শর্ত ভঙ্গের ঘটনায় তাঁকে আবারও গ্রে প্তা র করা হয়। তদন্তকারীরা তাঁর সংগ্রহে তিন শতাধিক যৌ ন নি পী ড়নমূলক ছবি পান। রহমান ২০২৬ সালের ২৮ মে আদালতে ২১টি অ প রাধ স্বীকার করেন। এর মধ্যে শিশুদের অ শা লী ন ছবি তৈরির ১২টি, অ শ্লী ল উপাদান প্রকাশের চারটি, বিকৃত ছবি তৈরির তিনটি এবং ছবি বিতরণ ও সম্মতি ছাড়া পোশাকের নিচে ছবি তোলার যন্ত্র ব্যবহারের একটি করে অ প রাধ রয়েছে। জ্যেষ্ঠ কৌঁসুলি আলেকজান্দ্রা ম্যান বলেন, বিদ্যালয়ে শিশুদের নিরাপদ বোধ করার অধিকার রয়েছে। রহমান শিক্ষার্থীদের অজান্তে ছবি তুলে এবং বিকৃত ছবি ছড়িয়ে শিক্ষকের প্রতি তাঁদের আস্থার গুরুতর লঙ্ঘন করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
যুক্তরাজ্যের পোর্টসমাউথে অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভে মুখ ও পরিচয় ঢেকে রাখার অভিযোগে ৭৬ বছর বয়সী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মা মলা করেছে পুলিশ। টিমোথি মিলার নামের ওই ব্যক্তি শনিবারের বিক্ষোভে বো রকা পরেছিলেন বলে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট জানিয়েছে। বিক্ষোভস্থলে পরিচয় গোপন করার অভিযোগে তাকে অ ভি যুক্ত করা হয়েছে। সোমবার পোর্টসমাউথ ম্যাজিস্ট্রেটস কোর্টে তার হাজির হওয়ার কথা রয়েছে। সাউদাম্পটনের হেজ এন্ড এলাকার বাসিন্দা মিলারের বিরুদ্ধে অ ভি যোগ, বিক্ষোভের সময় তিনি এমন পোশাক পরেছিলেন, যা তার পরিচয় আড়াল করছিল। একই বিক্ষোভ থেকে আরও কয়েকজনকে আ ট ক করা হয়। তাদের মধ্যে ৩৩ বছর বয়সী ডেভিড ম্যাকন্যালির বিরুদ্ধে মহাসড়ক অবরোধ এবং ক্ষতিসাধনের চেষ্টার অ ভি যোগ আনা হয়েছে। পোর্টসমাউথে বিক্ষোভের সময় মুখ ঢেকে পরিচয় গোপন করার বিরুদ্ধে নতুন পুলিশি ক্ষমতা প্রয়োগের মধ্যেই এ ঘটনা ঘটল। গত সপ্তাহে শহরের ইস্টনি মেরিনায় অভিবাসনবিরোধী একটি বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সহিংসতা ও পুলিশের সঙ্গে সং ঘ র্ষের পর কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেয়। পরবর্তী বিক্ষোভের আগে হ্যাম্পশায়ার পুলিশ জানায়, নির্ধারিত এলাকায় নতুন ক্ষমতা প্রয়োগ করা হবে। যুক্তরাজ্যের নতুন ক্রাইম অ্যান্ড পুলিশিং অ্যাক্ট ২০২৬-এর আওতায় পুলিশ নির্দিষ্ট এলাকায় বিক্ষোভ চলাকালে পরিচয় গোপনের উদ্দেশ্যে মুখ ঢাকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে। কোনো এলাকায় বিক্ষোভ থেকে অ প রাধ সংঘটনের আশঙ্কা থাকলে একজন পরিদর্শক বা তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টার জন্য ওই এলাকা নির্ধারণ করতে পারেন। এই বিধান লঙ্ঘনের শাস্তি হিসেবে সর্বোচ্চ এক মাসের কারাদণ্ড, ১ হাজার পাউন্ড জ রি মানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। তবে আইনে কিছু ব্যতিক্রমও রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্যগত কারণ, কর্মক্ষেত্রের প্রয়োজন কিংবা ধর্মীয় পালনের উদ্দেশ্যে মুখ ঢেকে রাখলে এই বিধান প্রযোজ্য হবে না। সরকারি ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, নতুন আইনের উদ্দেশ্য ধর্মীয় পোশাক নিষিদ্ধ করা নয়; বরং বিক্ষোভের সময় অ প রাধ করার উদ্দেশ্যে পরিচয় গোপনের সুযোগ বন্ধ করা। শনিবারের বিক্ষোভে পোর্টসমাউথে অভিবাসনবিরোধী ও অভিবাসনপন্থী দুই পক্ষের কর্মীরা মুখোমুখি অবস্থান নেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করে এবং দুই পক্ষকে আলাদা রাখে। এর আগে ৬ সেপ্টেম্বর ইস্টনি মেরিনায় প্রায় ২০০ জনের একটি বিক্ষোভে পুলিশের গাড়ি, কোস্টগার্ড ও বর্ডার ফোর্সের কয়েকটি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই ঘটনার তদন্তে ৪২ বছর বয়সী ডেল লিওন সোমারভিলকে সহিংস বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং দায়িত্ব পালনরত এক পুলিশ কর্মকর্তাকে হা ম লার অভিযোগে অ ভি যুক্ত করা হয়েছে। হ্যাম্পশায়ার পুলিশ বলেছে, নতুন ক্ষমতা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অধিকার সীমিত করার জন্য নয়। অ প রাধ ও বিশৃঙ্খলা ঠেকানোর পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এর মূল উদ্দেশ্য। নতুন আইন কার্যকর হওয়ার পর পোর্টসমাউথে বিক্ষোভে মুখ ঢেকে পরিচয় গোপনের অভিযোগে মা মলা দায়েরের ঘটনাটি এ ক্ষমতার প্রয়োগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।