শিক্ষা মন্ত্রণালয়

সারাদেশে শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
সারাদেশে শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা আজ সকাল ১০টা থেকে সারাদেশে শুরু হয়েছে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবারের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন ছাত্র এবং ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন ছাত্রী।   শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে প্রায় ৭১ হাজার ৬২৬ জন। বোর্ডভিত্তিক হিসেবে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ঢাকা বোর্ডে এবং সবচেয়ে কম সিলেট বোর্ডে অংশ নিচ্ছে।   সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মানবিক বিভাগে সর্বাধিক ৬ লাখ ২৭ হাজার ৪৫১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগে ৫ লাখ ৬৯ হাজার ৭৬৩ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে অংশ নিচ্ছে ২ লাখ ২১ হাজার ১৮৪ জন। বেশিরভাগ বিভাগেই ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ছাত্রদের তুলনায় বেশি।   এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।   পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত রাখতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে কর্তৃপক্ষ। সব পরীক্ষাকেন্দ্র সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে এবং প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। কেন্দ্রের আশপাশে ২০০ গজের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করে অননুমোদিত প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ফোনসহ সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিষিদ্ধ করা হয়েছে।   পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষামন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনের সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে পরীক্ষার্থীদের জন্য সহনশীল ও ভীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টরা গুরুত্ব দিচ্ছেন।   সূচি অনুযায়ী, আজ বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে পরীক্ষা শুরু হয়েছে। লিখিত পরীক্ষা চলবে আগামী ২০ মে পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে। এরপর ৭ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
কোচিং সেন্টার বন্ধ ও নকলমুক্ত পরীক্ষার ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানিয়েছেন, দেশে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠা কোচিং সেন্টারগুলোকে আইনের আওতায় আনা হবে এবং পর্যায়ক্রমে এগুলো শতভাগ বন্ধ করা হবে। শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে কুমিল্লা অঞ্চলের পরীক্ষা কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই কড়া হুঁশিয়ারি দেন। মন্ত্রী বলেন, বেআইনিভাবে কোনো কোচিং সেন্টার চলবে না এবং শিক্ষকদের দায়িত্ব নিতে হবে যাতে শিক্ষার্থীরা কোনো বিষয়ে দুর্বল না থাকে।   সভায় শিক্ষামন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসলেই দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নকলমুক্ত হয় এবং প্রধানমন্ত্রী তাকে সেই বিশেষ দায়িত্বই দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, আগামীতে দেশের সব পরীক্ষা সম্পূর্ণ নকলমুক্ত হবেই। এ লক্ষ্যে সকল শিক্ষককে এখনই প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, বিশেষ করে পিছিয়ে পড়া ও দুর্বল শিক্ষার্থীদের প্রতি আলাদা নজর দিতে হবে যাতে তারা মেধার ভিত্তিতে সাফল্য পায়।   এহসানুল হক মিলন অতীতের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি নকলের বিরুদ্ধে সফল সংগ্রাম করেছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে সেই ধারা ব্যাহত হয়েছে। তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, "আপনারা সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করেন; এবার আমরা এসেছি, আর কোনো নকল বরদাস্ত করা হবে না।" নকলের বিষয়ে সরকার এখন থেকে 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করবে বলেও তিনি সতর্ক করে দেন।   কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শামসুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় শিক্ষামন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, তার মূল স্বপ্ন তারেক রহমানের আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়া। এ সময় কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী এবং কুমিল্লা-৫ আসনের সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী শিক্ষকদের মনে করিয়ে দেন যে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কাজ করা একটি মহৎ কাজ এবং এটি ‘সদকায়ে জারিয়া’র সমতুল্য।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
ঢাবিসহ সাত বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিচ্ছে সরকার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগ দিতে যাচ্ছে সরকার। সোমবার (১৬ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।   নতুন নিয়োগের তালিকা অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।   এ ছাড়া উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে সিদ্দিকুর রহমান খান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক আল ফোরকান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. মো. মাসুদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক মো. রইছ উদ্দীন এবং সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপক নুরুল ইসলাম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন।   অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মামুন আহমেদ। এর আগে সোমবার সকালে শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ইউজিসি চেয়ারম্যানের পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজ।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
আগামী বছর থেকে স্কুল ভর্তিতে লটারি প্রথা থাকবে না: শিক্ষামন্ত্রী

স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি চূড়ান্তভাবে বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, আগামী বছর থেকে ভর্তিতে বিদ্যমান লটারি প্রথা আর থাকবে না।   সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।   শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী বছর থেকে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি তুলে দেওয়া হবে এবং খুবই সাধারণ উপায়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে। এতে কোনো ধরনের প্রতিযোগিতা আনা হবে না। তিনি বলেন, লটারি কোনো শিক্ষাব্যবস্থায় থাকতে পারে না এবং দীর্ঘদিনের গবেষণার ভিত্তিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে এবং সামনেও আলোচনা চলবে।   তিনি আরও বলেন, সংসদে আগেই জানানো হয়েছে যে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করেই ভর্তির পদ্ধতি নির্ধারণ করা হবে এবং সেই প্রক্রিয়াই বহাল থাকবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও সেভাবেই নেওয়া হবে।   মন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারিকে অনেকটা জুয়া খেলার সঙ্গে তুলনা করা যায় এবং এটি কোনো গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি নয়। ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে কেউ কোচিং বাণিজ্য করার চেষ্টা করলে সরকার তা সহ্য করবে না। প্রয়োজনে সরকার নিজস্ব ব্যবস্থায় ইনহাউজ কোচিংয়ের ব্যবস্থা করবে বলেও তিনি জানান।   সংবাদ সম্মেলনে এর আগে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যানের নাম ঘোষণার পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্যদের নামও ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
ঈদুল ফিতরের আগে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বোনাস

ঈদুল ফিতর সামনে রেখে দেশের চার লাখের বেশি এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য সুখবর এসেছে। সব প্রক্রিয়া ঠিক থাকলে আগামী সপ্তাহের শুরুতেই তারা নিজেদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ঈদ বোনাসের টাকা তুলতে পারবেন।   মঙ্গলবার (১০ মার্চ) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। মাউশি জানিয়েছে, বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব ইতিমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) মন্ত্রণালয় থেকে এ প্রস্তাবের চূড়ান্ত প্রশাসনিক ও আর্থিক অনুমোদন পাওয়ার কথা রয়েছে। অনুমোদন মিললেই পরবর্তী প্রযুক্তিগত ধাপগুলো সম্পন্ন করবে মাউশি কর্তৃপক্ষ।   মাউশির অর্থ ও ক্রয় শাখার পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ মনির হোসেন পাটওয়ারী জানান, পবিত্র ঈদের আগেই দ্রুততম সময়ের মধ্যে শিক্ষকদের হাতে বোনাসের অর্থ পৌঁছে দিতে কাজ চলছে। মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন এলে আগামী বৃহস্পতিবার সেটি ‘আইবাস’ (iBAS++) সিস্টেমে পাঠানো হবে।   তিনি আরও বলেন, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী রোববার বা সোমবারের (১৬ মার্চ) মধ্যে শিক্ষক-কর্মচারীরা নিজ নিজ ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে পারবেন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১০, ২০২৬ 0
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শিক্ষামন্ত্রী: দুর্নীতিমুক্ত কর্মকর্তা ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পবিত্রতা ফিরবে না

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের পবিত্র ও দুর্নীতিমুক্ত থাকতে হবে। তিনি বলেন, ‘হান্টাররাই যদি অপবিত্র হয় বা ঘুষ খায়, তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পবিত্রতা কোনোভাবেই ফিরে আসবে না।’   বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) পরিদর্শন নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ইইডি) কর্মকর্তাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন।   মন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সূচক নির্ধারণের কাজ চলমান রয়েছে এবং আগামী তিন দিনের মধ্যে ফল জানতে চান। সরকারি কাজে সমন্বয় ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষা খাতের সেবা মান ও গতি বৃদ্ধিই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।   শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘শিক্ষা অবকাঠামো উন্নয়নে দপ্তরের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এলজিইডি ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজের গতিশীলতা বাড়ানো সম্ভব।’   মন্ত্রী শিক্ষক বদলিতে অনাকাঙ্ক্ষিত তদবির বন্ধ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক সফটওয়্যার চালুর নির্দেশ দেন। তিনি শিক্ষকদের বেতন-ভাতা, পেনশন ও ছুটির মতো প্রশাসনিক কাজ করাতে যেন দপ্তরে দপ্তরে ঘুরে হয়রানির শিকার হতে না হয়, সে দিকে বিশেষ নজর দিতে বলেন।   মতবিনিময় সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহজাহান মিয়া সহ স্ব স্ব দপ্তরের প্রধান ও কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
এমপিও শিক্ষকদের উৎসব ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাব

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ১০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ প্রস্তাব অনুযায়ী বর্তমানে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে পাওয়া উৎসব ভাতা বাড়িয়ে ৬০ শতাংশ করার জন্য অর্থমন্ত্রীর কাছে ডিও লেটার পাঠানো হয়েছে।   বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা খাতের উন্নয়নে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের অবদান অপরিসীম। তাদের চাকরির সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষা প্রদানের সার্বিক সেবা উন্নয়ন করা সরকারের দায়িত্ব।   চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, অতীতে শিক্ষা খাতের উন্নয়নের পরিবর্তে অন্যান্য ভৌত অবকাঠামো খাতে বেশি অর্থ ব্যয়ের কারণে শিক্ষার বাজেট সংকুচিত হয়েছে। ফলে শিক্ষকদের জীবনযাত্রা ও সামাজিক অবস্থানে নানা ধরনের বৈষম্য দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিক্ষা খাতে আনুপাতিক বাজেট বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছে সরকার।   এতে বলা হয়েছে, বর্তমানে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ৬ লাখ ৪ হাজার ৬৫১ জন। তারা বর্তমানে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে উৎসব ভাতা পাচ্ছেন। শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়ন ও শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে এ ভাতা ৬০ শতাংশে উন্নীত করা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।   চিঠিতে আরও বলা হয়, অতিরিক্ত ১০ শতাংশ উৎসব ভাতা বাড়ানো হলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জন্য বছরে অতিরিক্ত ১৯০ কোটি টাকা এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের জন্য ৯৫.৮০ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। অর্থাৎ মোট অতিরিক্ত ব্যয় হবে ২৮৫.৮০ কোটি টাকা।   ডিও লেটারে বলা হয়েছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সার্বিক কল্যাণ ও দীর্ঘদিনের সমস্যা নিরসনের অংশ হিসেবে এ আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধি তাদের জীবনমান উন্নয়নে সহায়তা করবে এবং শিক্ষার সামগ্রিক মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।   চিঠিতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জন্য অতিরিক্ত ১৯০ কোটি টাকা এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের জন্য অতিরিক্ত ৯৫.৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৫, ২০২৬ 0
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি: সংগৃহীত
টয়লেটে নকল মিললেও দায়ী কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ: শিক্ষামন্ত্রী

আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানিয়েছেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে এবং পরীক্ষার্থীদের প্রবেশের সময় প্রয়োজন হলে শরীর তল্লাশি বা ‘বডি সার্চ’ পরিচালনা করতে হবে।   শিক্ষা মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ–এর সভাকক্ষে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা–সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব নির্দেশনা দেন।   শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নকল প্রতিরোধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে। পরীক্ষাকেন্দ্রগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর তালিকা হালনাগাদ করা হবে। তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রের টয়লেটে নকল পাওয়া গেলেও সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র কর্তৃপক্ষকে দায় নিতে হবে।   ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে নকল ঠেকাতে নতুন আইন প্রণয়নের কথাও জানান মন্ত্রী। পরীক্ষা চলাকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র বা পরীক্ষাসংশ্লিষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ পেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে অটোপাসের সুযোগ থাকবে না। মেধাভিত্তিক জাতি গঠনে মূল্যায়ন পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা রয়েছে। ব্যবহারিক পরীক্ষায় গড় নম্বর দেওয়ার প্রচলিত ধারা থেকে সরে এসে প্রকৃত দক্ষতা মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।   এ সময় দেশের শিক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করতে নতুন জেলা স্কুল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী। প্রস্তাবিত এসব স্কুল প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের আদলে পরিচালিত হতে পারে।   অন্যদিকে, শিক্ষাক্রম আধুনিক ও সময়োপযোগী করতে পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড–এর কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত বৈঠকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে শারীরিক, মানসিক স্বাস্থ্য ও শিল্পকলা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনার বিষয়েও আলোচনা হয়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ৪, ২০২৬ 0
অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল। সংগৃহীত ছবি
শিক্ষামন্ত্রীর পিএস হলেন অধ্যাপক সোহেল

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের একান্ত সচিব (পিএস) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল। তিনি বর্তমানে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মাধ্যমিক উইংয়ের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং শিক্ষা ক্যাডারের ১৬তম বিসিএস-এর একজন কর্মকর্তা।   মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে তাকে এই নিয়োগ দেওয়া হয়। আদেশে বলা হয়, মাউশির পরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলকে শিক্ষামন্ত্রী যতদিন তার পদ অলংকৃত করবেন অথবা যতদিন তাকে নিজের একান্ত সচিব পদে বহাল রাখার অভিপ্রায় ব্যক্ত করবেন, ততদিন পর্যন্ত তার নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে শিক্ষামন্ত্রীর একান্ত সচিব পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো।   অফিস আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়, The Ministers, Ministers of State and Deputy Ministers (Remuneration and Privileges) Act, 1973-এর Section 14.(1) মোতাবেক এই নিয়োগ কার্যকর করা হয়েছে। পাশাপাশি, অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের জন্য অধ্যাপক সোহেল বিধি অনুযায়ী দায়িত্বভার ভাতা প্রাপ্য হবেন। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।  

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
২০২৬ শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মোট ছুটি ৬৭ দিন

সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি সংশোধন করে প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন তালিকা অনুযায়ী, শুক্রবার ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি ব্যতিরেকে সারা বছরে মোট ৬৭ দিন ছুটি থাকবে। বুধবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।   শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত টানা ২৬ দিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। এছাড়া ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশের জন্য ২৪ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত ১০ দিন এবং বছরের শেষে শীতকালীন অবকাশ ও বড়দিন উপলক্ষ্যে ২০ ডিসেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৮ দিন ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব ও জাতীয় দিবসে নির্ধারিত দিনে ছুটি থাকবে।   পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়সূচি অনুযায়ী, অর্ধবার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা ২৮ জুন থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত চলবে। নির্বাচনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৮ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বর এবং বার্ষিক পরীক্ষা ১৯ নভেম্বর থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এছাড়া ১৫ ডিসেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।   মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো পরীক্ষার সময়কাল ১২ কর্মদিবসের বেশি হবে না এবং বিদ্যালয়গুলোকে নিজস্ব প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নিতে হবে। বাইরে থেকে সংগৃহীত প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া যাবে না। বিশেষ কারণ ছাড়া পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা নিষিদ্ধ, তবে প্রয়োজনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পূর্বানুমতি নিতে হবে।   এছাড়া কোনো সরকারি কর্মকর্তার পরিদর্শন বা সংবর্ধনা উপলক্ষ্যে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া কিংবা শিক্ষার্থীদের ক্লাস বন্ধ রাখা যাবে না। পরিদর্শনের সময় শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে ভর্তি কার্যক্রম বা অন্যান্য পরীক্ষার প্রয়োজনে ছুটির দিনেও বিদ্যালয় খোলা রাখা যাবে। পাশাপাশি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলো যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগে নতুন নিয়ম, পরিপত্র জারি

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন এনেছে সরকার।   এখন থেকে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকসহ সমজাতীয় পদে নিয়োগ সুপারিশের দায়িত্ব পালন করবে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।   মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) এ-সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরিপত্র অনুযায়ী, এনটিআরসিএ আইন ২০০৫-এর ধারা ৮(ট) প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই নতুন দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। এখন থেকে সংশ্লিষ্ট তিন অধিদফতর (মাউশি, কারিগরি ও মাদ্রাসা) বছরে অন্তত একবার শূন্য পদের চাহিদা এনটিআরসিএ-র কাছে পাঠাবে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নিয়োগ সুপারিশের জন্য প্রার্থীদের লিখিত, মৌখিক ও শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে। মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষার মধ্যে লিখিত বা বাছাই পরীক্ষায় ৮০ নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদে ১২ নম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষায় ৮ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। লিখিত ও মৌখিক উভয় ক্ষেত্রে পৃথকভাবে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। লিখিত পরীক্ষায় শূন্য পদের বিপরীতে সর্বোচ্চ তিনগুণ প্রার্থীকে উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হবে।   লিখিত, মৌখিক ও শিক্ষাগত যোগ্যতার মোট নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম তৈরি করে ১:১ অনুপাতে তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রার্থীরা অনলাইনে সর্বোচ্চ পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পছন্দক্রম (চয়েস লিস্ট) দিতে পারবেন। প্রার্থীদের মেধাক্রম ও পছন্দ বিবেচনায় নিয়ে প্রতিটি পদের বিপরীতে একজনকে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা হবে। এনটিআরসিএ-র সুপারিশ প্রাপ্তির পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডিকে এক মাসের মধ্যে নিয়োগপত্র ইস্যু করতে হবে। যদি কোনো প্রার্থী প্রতিষ্ঠানের ভুল তথ্য বা অন্য কোনো কারণে যোগদান করতে না পারেন, তবে শূন্যপদ থাকা সাপেক্ষে মেধাক্রম অনুযায়ী তাকে পুনরায় নিয়োগ সুপারিশের সুযোগ থাকবে। তবে ফৌজদারি মামলায় আদালত কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত বা বিভাগীয় মামলায় দণ্ডিত কোনো ব্যক্তি এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আবেদন করার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন না।

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ২৭, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Top week

ছবি: আমেরিকা বাংলা
আমেরিকা

১৭ কোটি টাকার বৃত্তি নিয়ে হার্ভার্ডে অনন্যা, মিশিগানে বাঙালি কমিউনিটিতে উচ্ছ্বাস

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মে ১১, ২০২৬ 0