আমেরিকা

আজই বিক্রির জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে স্পেসএক্সের ৯০০ মিলিয়নের বেশি শেয়ার, মার্কেটে কী প্রভাব পড়তে পারে?

বায়জিদ হাসান প্রকাশ: আগস্ট ৬, ২০২৬ ৬:২৫
বিক্রির জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে স্পেসএক্সের ৯০০ মিলিয়নের বেশি শেয়ার ছবি: কোলাজ আমেরিকা বাংলা
বিক্রির জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে স্পেসএক্সের ৯০০ মিলিয়নের বেশি শেয়ার ছবি: কোলাজ আমেরিকা বাংলা

বুধবার দিনের লেনদেন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম প্রায় ১৪ শতাংশ কমে যায়। এতে স্পেসএক্সের মার্কেট মূল্য থেকে শত শত বিলিয়ন ডলার মুছে যাওয়ার পাশাপাশি মাস্কের ব্যক্তিগত সম্পদেও বড় ধাক্কা লেগেছে।


 

স্পেসএক্স গত জুনে শেয়ার মার্কেটে প্রবেশ করে। প্রতিটি শেয়ারের প্রাথমিক মূল্য ছিল ১৩৫ ডলার। তালিকাভুক্তির পর দ্রুত দাম বাড়লেও পরবর্তী সময়ে ধারাবাহিক পতনের মুখে পড়ে কোম্পানিটি। বুধবার শেয়ারটি ১০৮ দশমিক ২৭ ডলারে বন্ধ হয়, যা প্রাথমিক মূল্যেরও নিচে।



 

কোম্পানিটির ওপর আরও চাপ তৈরি করতে পারে ভেতরের বিনিয়োগকারী ও কর্মীদের শেয়ার বিক্রির সুযোগ। বৃহস্পতিবার থেকে প্রায় ৯১ কোটি শেয়ারের বিক্রি নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এসব শেয়ারের একটি অংশ মার্কেটে এলে সরবরাহ বেড়ে দাম আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।


 

শেয়ারবাজার বিশ্লেষকদের মতে, স্পেসএক্সের দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা এখনও শক্তিশালী। কিন্তু সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে কোম্পানিকে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, ধারাবাহিক মুনাফা এবং নতুন প্রকল্প থেকে দ্রুত আয় নিশ্চিত করতে হবে। আগামী কয়েক দিনের শেয়ার লেনদেনই দেখাবে, বুধবারের বড় পতন সাময়িক ছিল নাকি স্পেসএক্সকে আরও দীর্ঘ মার্কেট চাপের মুখে পড়তে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
বিক্রির জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে স্পেসএক্সের ৯০০ মিলিয়নের বেশি শেয়ার ছবি: কোলাজ আমেরিকা বাংলা
আজই বিক্রির জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে স্পেসএক্সের ৯০০ মিলিয়নের বেশি শেয়ার, মার্কেটে কী প্রভাব পড়তে পারে?

বুধবার দিনের লেনদেন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম প্রায় ১৪ শতাংশ কমে যায়। এতে স্পেসএক্সের মার্কেট মূল্য থেকে শত শত বিলিয়ন ডলার মুছে যাওয়ার পাশাপাশি মাস্কের ব্যক্তিগত সম্পদেও বড় ধাক্কা লেগেছে।   স্পেসএক্স গত জুনে শেয়ার মার্কেটে প্রবেশ করে। প্রতিটি শেয়ারের প্রাথমিক মূল্য ছিল ১৩৫ ডলার। তালিকাভুক্তির পর দ্রুত দাম বাড়লেও পরবর্তী সময়ে ধারাবাহিক পতনের মুখে পড়ে কোম্পানিটি। বুধবার শেয়ারটি ১০৮ দশমিক ২৭ ডলারে বন্ধ হয়, যা প্রাথমিক মূল্যেরও নিচে।   কোম্পানিটির ওপর আরও চাপ তৈরি করতে পারে ভেতরের বিনিয়োগকারী ও কর্মীদের শেয়ার বিক্রির সুযোগ। বৃহস্পতিবার থেকে প্রায় ৯১ কোটি শেয়ারের বিক্রি নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এসব শেয়ারের একটি অংশ মার্কেটে এলে সরবরাহ বেড়ে দাম আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।   শেয়ারবাজার বিশ্লেষকদের মতে, স্পেসএক্সের দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা এখনও শক্তিশালী। কিন্তু সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে কোম্পানিকে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, ধারাবাহিক মুনাফা এবং নতুন প্রকল্প থেকে দ্রুত আয় নিশ্চিত করতে হবে। আগামী কয়েক দিনের শেয়ার লেনদেনই দেখাবে, বুধবারের বড় পতন সাময়িক ছিল নাকি স্পেসএক্সকে আরও দীর্ঘ মার্কেট চাপের মুখে পড়তে হবে।

বায়জিদ হাসান প্রকাশ: আগস্ট ৬, ২০২৬ ৬:২৫
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়ার ৭ ধাপ

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়ার ৭ ধাপ, ২০২৬ সালে আবেদন করার আগে যা জানা জরুরি

হ্যালোপিনো মরিচে ব্যাকটেরিয়া

মেক্সিকোর হ্যালোপিনো মরিচে ভয়াবহ ব্যাকটেরিয়া , যুক্তরাষ্ট্রের ২৭ অঙ্গরাজ্যে অসুস্থ ৩৪৫ জন

ওয়ার্কিং ক্লাসের মানুষ এল-সায়েদের পাশে নেই', দাবি ভ্যান্সের

ওয়ার্কিং ক্লাসের মানুষ এল-সায়েদের পাশে নেই', দাবি ভ্যান্সের

কস্টকোর এই ৫টি ট্রিক জানলে বাংলাদেশি পরিবার বছরে বাঁচাতে পারে ৮০০–১,২০০ ডলার
কস্টকোর এই ৫টি ট্রিক জানলে বাংলাদেশি পরিবার বছরে বাঁচাতে পারে ৮০০–১,২০০ ডলার

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অনেক বাংলাদেশি পরিবারের কাছে কস্টকো এখন মাসিক বাজার, গ্যাস, বেবি প্রোডাক্ট এবং গাড়ির টায়ার কেনার পরিচিত জায়গা। তবে শুধু মেম্বারশিপ নিলেই সাশ্রয় নিশ্চিত হয় না। পরিবারের খরচের ধরন, স্টোরের দূরত্ব এবং কেনাকাটার পরিকল্পনা ঠিক থাকলেই বার্ষিক ফি তুলে অতিরিক্ত সেভিংস করা সম্ভব।   প্রথমেই মেম্বারশিপের সঠিক হিসাব বুঝতে হবে। বর্তমানে কস্টকোর গোল্ড স্টার মেম্বারশিপের বার্ষিক ফি ৬৫ ডলার এবং এক্সিকিউটিভ মেম্বারশিপের মোট ফি ১৩০ ডলার। অর্থাৎ এক্সিকিউটিভে আপগ্রেড করতে অতিরিক্ত ৬৫ ডলার দিতে হয়। যোগ্য কেনাকাটায় এক্সিকিউটিভ সদস্যরা বছরে প্রায় ২ শতাংশ রিওয়ার্ড পান। বছরে প্রায় ৩ হাজার ২৫২ ডলারের যোগ্য কেনাকাটা করলে আনুমানিক ৬৫ ডলার রিওয়ার্ড পাওয়া যায়, যা মূলত আপগ্রেডের অতিরিক্ত খরচ তুলে দিতে পারে। পুরো ১৩০ ডলারের মেম্বারশিপ ফি রিওয়ার্ড দিয়ে তুলতে হলে বছরে প্রায় ৬ হাজার ৫০৪ ডলারের যোগ্য কেনাকাটা প্রয়োজন। তবে গ্যাস, মেম্বারশিপ ফি, ফুড কোর্ট এবং কিছু নির্দিষ্ট কেনাকাটা এই ২ শতাংশ রিওয়ার্ডের আওতায় পড়ে না।    দ্বিতীয় বড় সুযোগ কস্টকো গ্যাস। অনেক এলাকায় আশপাশের গ্যাস স্টেশনের তুলনায় কস্টকোর দাম কম থাকতে পারে। তবে প্রতি গ্যালনে সব জায়গায় নির্দিষ্টভাবে ৪০ সেন্ট কম পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। লোকেশন, স্থানীয় প্রতিযোগিতা এবং বাজারদরের কারণে দাম পরিবর্তিত হয়। তাই কস্টকো অ্যাপের মাধ্যমে কাছাকাছি স্টেশনের বর্তমান দাম দেখে বাইরে অন্য স্টেশনের সঙ্গে তুলনা করা উচিত।    তৃতীয় কৌশল হলো নিয়মিত কেনা কয়েকটি পণ্যকে কেন্দ্র করে বাজার করা। কস্টকোর ৪ ডলার ৯৯ সেন্টের রোটিসেরি চিকেন দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রিয়। বড় পরিবারের জন্য চাল, তেল, ডিম, দুধ, মাংস, ফ্রোজেন খাবার, টিস্যু এবং পরিষ্কার করার সামগ্রী বাল্কে কিনলে ইউনিটপ্রতি দাম কম হতে পারে। তবে খাবার নষ্ট হয়ে গেলে সাশ্রয়ের বদলে লোকসান হবে। তাই পরিবারের ব্যবহার অনুযায়ী প্যাকেটের আকার ও প্রতি আউন্স বা প্রতি পাউন্ডের দাম তুলনা করা জরুরি।    চতুর্থ বিষয়টি হলো কস্টকোর রিটার্ন পলিসি। প্রতিষ্ঠানটি অধিকাংশ পণ্যে সন্তুষ্টির নিশ্চয়তা দিলেও সব পণ্য এক বছর পর ফেরত দেওয়া যায়, এমন ধারণা সঠিক নয়। টেলিভিশন, প্রজেক্টর, নির্দিষ্ট ইলেকট্রনিক্স এবং বড় হোম অ্যাপ্লায়েন্সের ক্ষেত্রে সাধারণত পণ্য হাতে পাওয়ার দিন থেকে ৯০ দিনের সীমা রয়েছে। তাই ১১ মাস পর টিভি বা ভ্যাকুয়াম ফেরত নেওয়া হবে ধরে কেনাকাটা করা উচিত নয়। পণ্যভেদে আলাদা শর্ত থাকায় কেনার আগে রিটার্ন পলিসি দেখে নেওয়া নিরাপদ।    পঞ্চম কৌশল হলো কস্টকো ট্রাভেল ও টায়ার সেন্টারের সুবিধা যাচাই করা। কস্টকো ট্রাভেলের রেন্টাল কার বুকিংয়ে সদস্যদের বিশেষ রেট, যুক্তরাষ্ট্রের নির্দিষ্ট কোম্পানিতে একজন অতিরিক্ত ড্রাইভারের ফি মওকুফ এবং ক্যানসেলেশন ফি না থাকার মতো সুবিধা থাকতে পারে। তবে প্রতিটি ভ্রমণে ২০০ ডলার সাশ্রয় নিশ্চিত নয়। একই তারিখ ও একই গাড়ির জন্য অন্য বুকিং সাইটের দামও তুলনা করা উচিত।    কস্টকো থেকে টায়ার কিনলে ইনস্টলেশনের সঙ্গে টায়ারের কার্যকালজুড়ে রোটেশন, ব্যালান্সিং, বাতাসের চাপ পরীক্ষা এবং ফ্ল্যাট রিপেয়ারের মতো সেবা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। এতে দীর্ঘমেয়াদে আলাদা । 

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৬, ২০২৬ ২:৪৭
লাস ভেগাসে মঞ্চে পথ হারানো শিশুকে থামিয়ে ট্রাম্পের খোঁচা

লাস ভেগাসে মঞ্চে পথ হারানো শিশুকে থামিয়ে ট্রাম্পের খোঁচা, “বাইডেনের মতো মঞ্চ থেকে পড়ে যেও না”

বিচ্ছেদের পর সাবেক প্রেমিকাকে ৭.৬ মিলিয়ন ডলার দিলেন ট্রাম্প জুনিয়র

বিচ্ছেদের পর সাবেক প্রেমিকাকে ৭.৬ মিলিয়ন ডলার দিলেন ট্রাম্প জুনিয়র, কেন?

আমেরিকার জাতীয় প্রতীক বল্ড ঈগল গুলি করে হত্যা করায় ওয়াশিংটনের বাসিন্দার বিরুদ্ধে ফেডারেল মামলা

আমেরিকার জাতীয় প্রতীক বল্ড ঈগল গুলি করে হত্যা করায় ওয়াশিংটনের বাসিন্দার বিরুদ্ধে ফেডারেল মামলা

আমেরিকায় এই ৫টি জিনিস কখনোই ফুল প্রাইসে কিনবেন না
আমেরিকায় এই ৫টি জিনিস কখনোই ফুল প্রাইসে কিনবেন না, সঠিক সময়ে কিনলেই বড় সাশ্রয়

যুক্তরাষ্ট্রে নতুন বসবাস শুরু করা অনেকেই প্রয়োজনের তাগিদে ইলেকট্রনিক্স, ফার্নিচার বা শিশুদের বিভিন্ন সামগ্রী ফুল প্রাইসে কিনে ফেলেন। কিন্তু মার্কিন রিটেইল বাজারে বছরের নির্দিষ্ট সময়ে বড় ধরনের সিজনাল সেল, ক্লিয়ারেন্স এবং হলিডে ডিসকাউন্টের সুযোগ থাকে। সঠিক সময়ে কেনাকাটা করলে একটি পরিবারের বছরে কয়েকশ থেকে কয়েক হাজার ডলার পর্যন্ত সাশ্রয় করা সম্ভব বলে ভোক্তা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।   সবচেয়ে বেশি ছাড় পাওয়া যায় ইলেকট্রনিক্স পণ্যে। টেলিভিশন, ল্যাপটপ, হেডফোন বা অন্যান্য প্রযুক্তিপণ্য সাধারণত ব্ল্যাক ফ্রাইডে, সাইবার মানডে, মেমোরিয়াল ডে এবং ব্যাক টু স্কুল মৌসুমে উল্লেখযোগ্য ছাড়ে বিক্রি হয়। নতুন মডেল বাজারে আসার আগে পুরোনো মডেলের দামও অনেক কমে যায়। তাই জরুরি প্রয়োজন না থাকলে এসব পণ্য কেনার আগে বড় সেলের জন্য অপেক্ষা করাই লাভজনক।   ফার্নিচার ও ম্যাট্রেসের ক্ষেত্রেও একই কৌশল কার্যকর। যুক্তরাষ্ট্রে বছরে দুই দফা নতুন ফার্নিচার কালেকশন আসে। প্রেসিডেন্টস ডে, লেবার ডে এবং ফোর্থ অব জুলাই উপলক্ষে পুরোনো স্টক ক্লিয়ারেন্স সেলে ছেড়ে দেওয়া হয়। ফলে একই মানের পণ্য তুলনামূলক কম দামে কেনার সুযোগ তৈরি হয়।   মৌসুমি পোশাক কেনার ক্ষেত্রেও সময় নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। শীতের পোশাক সাধারণত ফেব্রুয়ারি ও মার্চে এবং গ্রীষ্মকালীন পোশাক আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হয়। নতুন মৌসুমের পণ্য রাখার জন্য রিটেইলাররা এ সময় এন্ড অব সিজন সেল ঘোষণা করে।   রান্নাঘর ও গৃহস্থালির ছোট অ্যাপ্লায়েন্সেও বড় ছাড় পাওয়া যায় বছরের বিশেষ সময়গুলোতে। এয়ার ফ্রায়ার, কফি মেকার, ব্লেন্ডার এবং ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের মতো পণ্যে অ্যামাজন প্রাইম ডে, ব্ল্যাক ফ্রাইডে এবং বছরের শেষের হলিডে সিজনে আকর্ষণীয় অফার দেওয়া হয়।   শিশুদের জন্য কার সিট, স্ট্রলার এবং অন্যান্য বেবি গিয়ার কেনার ক্ষেত্রেও আগে থেকে পরিকল্পনা করলে ভালো সাশ্রয় সম্ভব। টার্গেট, ওয়ালমার্টসহ বিভিন্ন বড় রিটেইলার নিয়মিত রেজিস্ট্রি ডিসকাউন্ট, কুপন এবং বান্ডেল অফার দেয়। পাশাপাশি বিভিন্ন স্টোরের দাম, ওয়ারেন্টি এবং রিটার্ন নীতিমালা তুলনা করলে আরও ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।   ভোক্তা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, বড় কেনাকাটার আগে অন্তত দুই থেকে তিনটি স্টোরের দাম তুলনা করা, কুপন ও ক্যাশব্যাক অফার যাচাই করা এবং স্টোরের লয়্যালটি প্রোগ্রাম ব্যবহার করা উচিত। অনেক সময় সামান্য অপেক্ষা এবং পরিকল্পিত কেনাকাটাই একটি পরিবারের বার্ষিক খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনতে পারে।   তবে ডিসকাউন্ট ও অফারের সময়, পরিমাণ এবং শর্ত স্টোর, অঙ্গরাজ্য ও মৌসুমভেদে ভিন্ন হতে পারে। তাই কেনাকাটার আগে সংশ্লিষ্ট স্টোর বা বিক্রেতার সর্বশেষ অফার যাচাই করে নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ সিদ্ধান্ত।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৬, ২০২৬ ০:২৯
আইসিইর জন্য বোস্টনে ২৫০ পার্কিং স্পেসের পরিকল্পনা

আইসিইর জন্য বোস্টনে ২৫০ পার্কিং স্পেসের পরিকল্পনা, শুরু তীব্র বিরোধিতা

কারাগার ১৩৬ ঘণ্টা কাজ করে পাওয়া ১৭ ডলার গাজায় দান করলেন মার্কিন বন্দি

কারাগার ১৩৬ ঘণ্টা কাজ করে পাওয়া ১৭ ডলার গাজায় দান করলেন মার্কিন বন্দি

অবসরজীবনের জন্য সবচেয়ে সাশ্রয়ী অঙ্গরাজ্যের তালিকায় শীর্ষে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া। ছবি: সংগৃহীত

অবসরের পর বসবাসের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে সাশ্রয়ী অঙ্গরাজ্য কোনটি? প্রকাশ পেল ২০২৬ সালের তালিকা

0 Comments