সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

নিউইয়র্কে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য কবরস্থানের ব্যবস্থা, ২০ হাজার কবর প্রস্তুত; ১ জুলাই থেকে দাফন শুরু

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: জুন ১৩, ২০২৬ ৬:৪০
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বৃহৎ পরিসরের কবরস্থানের ব্যবস্থা করতে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে বাস্তবায়িত ‘বাংলাদেশ সেমিট্রি’ প্রকল্পের প্রথম ধাপের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটি ইউএসএর উদ্যোগে গড়ে ওঠা এ প্রকল্পে প্রথম ধাপে বিক্রি করা ২০ হাজার কবর প্রস্তুত করা হয়েছে। আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে সেখানে দাফন কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের মুনলাইট রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটি ইউএসএর ট্রাস্টি বোর্ড, কার্যকরী পরিষদ ও উপদেষ্টা পরিষদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

 

সংবাদ সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন নোয়াখালী সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রফিকুল ইসলাম মিয়া। উপস্থিত ছিলেন বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির সভাপতি জাহিদ মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক এ এস এম মাঈনুদ্দীন পিন্টু, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি এবং বাংলাদেশ সেমিট্রি প্রকল্পের অন্যতম উদ্যোক্তা আব্দুর রব মিয়াসহ প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেতৃবৃন্দ।

 

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক এ এস এম মাঈনুদ্দীন পিন্টু। লিখিত ও মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন সভাপতি জাহিদ মিন্টু। সমাপনী বক্তব্য দেন রফিকুল ইসলাম মিয়া।

 

জাহিদ মিন্টু বলেন, প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের প্রয়োজন বিবেচনায় নিউইয়র্কের আপস্টেটে প্রায় ১২৬ একর জমির ওপর বাংলাদেশ সেমিট্রি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বৃহত্তর নোয়াখালিবাসীর সহযোগিতায় ২০২৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর সম্পূর্ণ নগদ অর্থে জমি ক্রয় করা হয়। সেখানে পর্যায়ক্রমে এক লাখেরও বেশি কবর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

 

তিনি জানান, ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা ও অপপ্রচারের মুখোমুখি হলেও সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতায় প্রকল্পের প্রথম ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

 

জাহিদ মিন্টু বলেন, “আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে দাফন কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছি। তার আগে ২০ জুন স্কটটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রিতে কবর ক্রয়কারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ওই দিন ক্রেতাদের কাছে কবর হস্তান্তরের কার্যক্রমও শুরু হবে।”

 

তিনি আরও বলেন, “যারা কবর বুকিং দিয়ে এখনো বাকি অর্থ পরিশোধ করেননি, তাদের দ্রুত যোগাযোগ করে অর্থ পরিশোধের আহ্বান জানানো হচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ী সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ না হলে কবরের স্থান বুঝিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে না।”

 

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রথম ধাপে ২০ হাজার কবর বিক্রির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল এবং ১১ জুন পর্যন্ত সেই লক্ষ্য পূরণ হয়েছে।

 

জাহিদ মিন্টু বলেন, “যাদের নিজস্ব কবর রয়েছে, তাদের জন্য প্রতি দাফনে ব্যয় হবে ২ হাজার ৫০০ ডলার। শিশুদের (ইনফ্যান্ট) জন্য ব্যয় হবে ১ হাজার ২০০ ডলার। যাদের কবর কেনা নেই, তাদের ক্ষেত্রে দাফনের মোট ব্যয় হবে ৩ হাজার ৫০০ ডলার। এর মধ্যে ১ হাজার ডলার কবরের জন্য এবং ২ হাজার ৫০০ ডলার দাফন-সংক্রান্ত সেবার জন্য নির্ধারিত।”

 

তিনি জানান, হেডস্টোনের জন্য অতিরিক্ত ১ হাজার ২৫০ ডলার খরচ হবে এবং সব হেডস্টোন একই নকশার হবে।

 

বর্তমানে দাফন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও মেশিন সংগ্রহ করা হয়েছে এবং জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কবর খনন, মরদেহ নামানোসহ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম মেশিনের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। আপাতত সোমবার থেকে শনিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দাফনের ব্যবস্থা থাকবে। রোববার দাফনের বিষয়টি আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারিত হবে।

 

জাহিদ মিন্টু বলেন, “ফিউনারেল হোমের কাজ এখনো সম্পূর্ণ হয়নি। তবে আমরা এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছি। ভবিষ্যতে এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে। কেউ সহযোগিতা চাইলে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো।”

 

তিনি আরও জানান, সেমিট্রি এলাকায় অস্থায়ীভাবে জানাজার ব্যবস্থা, পানি সরবরাহ ও অজুর সুবিধা থাকবে। স্থায়ী ভবনের নির্মাণকাজও শিগগির শুরু হবে।

 

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দ্বিতীয় ধাপে প্রায় ৪২ হাজার কবর নির্মাণের কাজ আগামী জুলাই-আগস্ট মাসে শুরু হবে। দ্বিতীয় ধাপের কবরের মূল্য বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির ট্রাস্টি, উপদেষ্টা ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।

 

তৃতীয় ধাপের কাজ কবে শুরু হবে, সে বিষয়ে জানতে চাইলে জাহিদ মিন্টু বলেন, দ্বিতীয় ধাপ চলাকালে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শেষ ধাপে প্রায় ৩০ হাজার কবর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

 

বকেয়া অর্থ পরিশোধ না করা কবর ক্রেতাদের বিষয়ে তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ ও যোগাযোগ না করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কবর গ্রহণে আগ্রহী নন বলে বিবেচিত হবে। তবে এসব কবর পুনরায় বিক্রির বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

 

তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, “এই প্রকল্পের শুরু থেকে আপনারা আমাদের পাশে ছিলেন। আপনাদের সহযোগিতা, পরামর্শ এবং সংবাদ পরিবেশন আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। যারা এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে অর্থ ও সহযোগিতা দিয়েছেন, তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।”


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রে আইসিইর অভিবাসনবিরোধী অভিযানের প্রতীকী চিত্র
ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি যেন ‘যত গর্জে তত বর্ষে না’

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনপ্রত্যাশী ও অনিবন্ধিত অভিবাসীদের আটক করার ঘটনা সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে আইসিইর (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) সহযোগিতা বৃদ্ধি, মানুষ শনাক্ত ও নজরদারিতে প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বিভিন্ন ফেডারেল সংস্থার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান জোরদারের ফলে এই অভিযান আরও বিস্তৃত হয়েছে। তবে গ্রীষ্মজুড়ে ব্যাপক অভিযান চললেও সে তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে অভিবাসীদের দেশত্যাগের সংখ্যা বাড়েনি। রয়টার্সের পর্যালোচনা করা মার্কিন সরকারের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বড় পরিসরে অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর লক্ষ্য বাস্তবায়নে আইনি ও বাস্তব নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আগস্টে আইসিইর আটক কার্যক্রমে প্রায় ৫১ হাজার মানুষকে হেফাজতে নেওয়া হয়। টানা তৃতীয় মাসের মতো এ সংখ্যা ছিল রেকর্ড। কিন্তু একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১ হাজার ২০০ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে, যা মে মাসের দৈনিক গড়ের কাছাকাছি। অথচ মে মাসে আইসিইর আটক কার্যক্রম আগস্টের তুলনায় প্রায় ১৯ হাজার কম ছিল। রয়টার্সের বিশ্লেষণ বলছে, আটক ও দেশত্যাগের সংখ্যার এই ব্যবধানের অন্যতম কারণ হলো আটক ব্যক্তিদের একটি বড় অংশের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার বাধ্যবাধকতা নেই। বর্তমান ও সাবেক পাঁচজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে এমন মানুষের সংখ্যা বাড়ছে, যাদের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি অভিযোগ বা দণ্ড নেই এবং যাদের ক্ষেত্রে এখনো দেশত্যাগের চূড়ান্ত আদেশও দেওয়া হয়নি। আটক ব্যক্তিদের অনেকেরই আশ্রয়ের আবেদন বা অন্য কোনো আইনি দাবি বিচারাধীন রয়েছে। ফলে তাদের তাৎক্ষণিকভাবে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয় না। কিছু ক্ষেত্রে তারা নিজেদের আইনি অধিকার ত্যাগ করে স্বেচ্ছায় যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে রাজি হলে দ্রুত দেশত্যাগ করতে পারেন। এ ছাড়া পর্যাপ্ত ফ্লাইটের অভাব এবং কিছু দেশ তাদের নাগরিকদের ফেরত নেওয়ার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা রাখায় ফেরত পাঠানোর কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সাবেক মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, এসব কারণে ট্রাম্প প্রশাসনের বড় পরিসরে অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গতি কমছে। তবে রয়টার্সের প্রতিবেদনে উঠে আসা এই বিশ্লেষণ প্রত্যাখ্যান করেছে হোয়াইট হাউস। মুখপাত্র লরেন বিস এটিকে ‘ভুল বর্ণনা’ বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর দাবি, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির কারণে ইতোমধ্যে ৩০ লাখ মানুষ যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে গেছেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ ১৩:২২
স্কুলের প্রথম দিন কফির কাপ নিয়ে ক্লাসে প্রবেশ করায় ইন-স্কুল সাসপেনশনের মুখে পড়েছেন এক শিক্ষার্থী। ছবি: সংগৃহীত

কফির কাপ নিয়ে ক্লাসে প্রবেশে সাসপেন্ড মার্কিন ছাত্রী, নতুন নিয়ম ঘিরে স্কুলে চরম বিতর্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কারাগারে ট্রান্সজেন্ডার বন্দীদের আবাসন ও চিকিৎসা নীতিতে বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নীতিতে ট্রান্সজেন্ডার বন্দীরা যাবে পুরুষ কারাগারে, চিকিৎসায়ও পরিবর্তন

নিউইয়র্কের লোয়ার ম্যানহাটনে সাবওয়ে ট্র্যাকে বসে থাকা তরুণ ও তরুণী ট্রেনের ধাক্কায় নিহত হয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে সাবওয়ে ট্র্যাকে বসে ছিলেন তরুণ-তরুণী, ট্রেনের ধাক্কায় নিহত

যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চশিক্ষিত নাগরিকদের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধারাবাহিক পতন দেখা দিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
উচ্চশিক্ষিত আমেরিকানদের মধ্যে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস, নির্বাচনের আগে বিপাকে রিপাবলিকানরা

যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চশিক্ষিত নাগরিকদের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধারাবাহিক পতন দেখা দিয়েছে। ইকোনমিস্ট ও ইউগভের সর্বশেষ তিনটি জরিপে কলেজ-শিক্ষিত আমেরিকানদের মধ্যে ট্রাম্পের কাজের অনুমোদন ৩৪ শতাংশ থেকে কমে ৩০ শতাংশে নেমেছে। একই সময়ে তার প্রতি অননুমোদনের হার ৬৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ৬৯ শতাংশ হয়েছে। এই প্রবণতা নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে রিপাবলিকানদের জন্য নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।   ২১ থেকে ২৪ আগস্ট পরিচালিত জরিপে কলেজ-শিক্ষিতদের ৩৪ শতাংশ ট্রাম্পের কাজের অনুমোদন দিয়েছিলেন এবং ৬৩ শতাংশ অননুমোদন করেছিলেন। ২৮ থেকে ৩১ আগস্টের জরিপে অনুমোদনের হার কমে ৩১ শতাংশে দাঁড়ায়, বিপরীতে অননুমোদন বেড়ে হয় ৬৮ শতাংশ। এরপর ৪ থেকে ৮ সেপ্টেম্বরের সর্বশেষ জরিপে অনুমোদন আরও এক শতাংশীয় পয়েন্ট কমে ৩০ শতাংশে নামে এবং অননুমোদন বেড়ে ৬৯ শতাংশে পৌঁছে।   ফলে কলেজ-শিক্ষিত ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্পের নেট অনুমোদন ঘাটতি তিন সপ্তাহেরও কম সময়ে ২৯ শতাংশীয় পয়েন্ট থেকে বেড়ে ৩৯ শতাংশীয় পয়েন্ট হয়েছে। সর্বশেষ জরিপে এই শ্রেণির ৬১ শতাংশ নাগরিক ট্রাম্পের কাজকে দৃঢ়ভাবে অননুমোদন করেছেন। তবে ইউগভ কলেজ-শিক্ষিত উপগোষ্ঠীর জন্য আলাদা ভুলের সীমা প্রকাশ করেনি। ফলে একেক সপ্তাহের পরিবর্তনের কিছু অংশ স্বাভাবিক জরিপগত ওঠানামার ফল হতে পারে।   ট্রাম্পের প্রতি উচ্চশিক্ষিতদের নেতিবাচক মনোভাব শুধু সামগ্রিক চাকরির অনুমোদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। সর্বশেষ জরিপে কলেজ-শিক্ষিতদের মাত্র ২৮ শতাংশ তার অর্থনীতি পরিচালনার অনুমোদন দিয়েছেন, যেখানে ৭২ শতাংশ অননুমোদন করেছেন। মূল্যস্ফীতি মোকাবিলায় তার কার্যক্রমের পক্ষে ছিলেন মাত্র ২৫ শতাংশ এবং বিপক্ষে ৭৩ শতাংশ। কর ও সরকারি ব্যয়ের ক্ষেত্রেও এই শ্রেণির ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্পের মূল্যায়ন নেতিবাচক ছিল।   শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে ট্রাম্পের অবস্থানের পার্থক্যও স্পষ্ট হয়েছে। সর্বশেষ জরিপে কলেজ ডিগ্রিবিহীন আমেরিকানদের মধ্যে ৪১ শতাংশ ট্রাম্পের কাজের অনুমোদন দিয়েছেন এবং ৫৭ শতাংশ অননুমোদন করেছেন। অর্থাৎ কলেজ-শিক্ষিতদের তুলনায় ডিগ্রিবিহীনদের মধ্যে ট্রাম্পের অনুমোদন ১১ শতাংশীয় পয়েন্ট বেশি ছিল। এতে তার রাজনৈতিক সমর্থনের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত বিভাজন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।   মধ্যবর্তী নির্বাচনের হিসাবেও কলেজ-শিক্ষিত ভোটারদের অবস্থান রিপাবলিকানদের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে। ৪ থেকে ৮ সেপ্টেম্বরের জরিপে ৫৭ শতাংশ কলেজ-শিক্ষিত নাগরিক জানিয়েছেন, নিজ নিজ কংগ্রেসনাল আসনে তারা ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে ভোট দিতে চান। রিপাবলিকান প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন ২৮ শতাংশ। অর্থাৎ এই শ্রেণির ভোটারদের মধ্যে ডেমোক্র্যাটদের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ২৯ শতাংশীয় পয়েন্টে।   ভোট দেওয়ার আগ্রহের ক্ষেত্রেও কলেজ-শিক্ষিত ভোটাররা এগিয়ে রয়েছেন। জরিপে ৭৮ শতাংশ কলেজ-শিক্ষিত নাগরিক জানিয়েছেন, তারা নভেম্বরে নিশ্চিতভাবে ভোট দেবেন। কলেজ ডিগ্রি নেই এমন নাগরিকদের মধ্যে এই হার ৬৭ শতাংশ। ফলে যে শ্রেণির ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্পের অনুমোদন কমছে, তাদের ভোট দেওয়ার সম্ভাবনাও তুলনামূলকভাবে বেশি বলে জরিপে উঠে এসেছে।   এই পরিস্থিতি রিপাবলিকানদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, কারণ ২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পের সমর্থনের বড় অংশ এসেছিল চার বছরের কলেজ ডিগ্রি না থাকা ভোটারদের কাছ থেকে। নিউজউইকের প্রতিবেদনে পিউ রিসার্চ সেন্টারের যাচাইকৃত ভোটারদের বিশ্লেষণ উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের ভোটারদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের চার বছরের কলেজ ডিগ্রি ছিল না। বিপরীতে সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমালা হ্যারিসের সমর্থকদের মধ্যে কলেজ-শিক্ষিতদের অংশ ছিল ৪৮ শতাংশ।   তবে জরিপের এই ফলাফলকে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলের সরাসরি পূর্বাভাস হিসেবে দেখছেন না বিশ্লেষকেরা। জাতীয় পর্যায়ের জনমত জরিপ পৃথক কংগ্রেসনাল আসনে কোন দল জয়ী হবে, তা নির্ধারণ করতে পারে না। স্থানীয় ইস্যু, প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা, প্রচারণা এবং ভোটার উপস্থিতি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফলে বড় ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে অতীতে বিভিন্ন নির্বাচনে ট্রাম্পের সমর্থন জরিপে কম করে দেখানোর নজিরও রয়েছে।   তবু টানা তিনটি জরিপে কলেজ-শিক্ষিতদের মধ্যে ট্রাম্পের অনুমোদন কমে একই দিকে যাওয়াকে রিপাবলিকানদের জন্য সতর্কসংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এই ভোটারদের মধ্যে ডেমোক্র্যাটদের বড় ব্যবধান এবং তুলনামূলক বেশি ভোট দেওয়ার আগ্রহ রিপাবলিকানদের জন্য নির্বাচনী প্রতিযোগিতা আরও কঠিন করে তুলতে পারে।   সূত্র: নিউজউইক

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ ১০:৩৪
মেডিকেয়ার জালিয়াতির মামলায় যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসির এক চিকিৎসককে সাড়ে ৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ছবি: সংগৃহীত

৬.৯ মিলিয়ন ডলারের মেডিকেয়ার জালিয়াতিতে মার্কিন চিকিৎসকের সাড়ে ৩ বছরের কারাদণ্ড

ক্যালিফোর্নিয়ায় হঠাৎ কোনো জরুরি বা জীবন-হুমকির পরিস্থিতিতে ৯১১ নম্বরে দ্রুত কল করতে বলা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ আপডেট: ক্যালিফোর্নিয়ার সব হাসপাতালের লিস্ট ও জরুরি নম্বরসমূহ জেনে নিন

মিয়ামিগামী ফ্লাইটে অ শা লীন আচরণের অ ভি যোগ

মাঝ আকাশে পোশাক খুলে অ শা লীন আচরণের অ ভি যোগ, মিয়ামিতে আ টক নারী

সন্তান পালনে খরচ বাড়ছে, এক অভিভাবকের বাড়িতে থাকা নিয়ে নতুন গবেষণা
সন্তান পালনে এক অভিভাবক ঘরে থাকলে যেসব রাজ্যে খরচ কম

যুক্তরাষ্ট্রে সন্তান লালন-পালনের খরচ বাড়তে থাকায় অনেক পরিবার ভাবছে, দুজনই চাকরি করবেন নাকি একজন বাড়িতে থেকে সন্তানের দেখাশোনা করবেন। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের কিছু রাজ্যে একজন অভিভাবক চাকরি ছেড়ে বাড়িতে থাকলেও পরিবারের প্রয়োজনীয় খরচ তুলনামূলক কম আয়ে সামলানো সম্ভব। আর্থিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্মার্টঅ্যাসেটের ২০২৬ সালের বিশ্লেষণে ৫০টি রাজ্যে তিন সদস্যের একটি পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় আয় তুলনা করা হয়েছে। হিসাবটি করা হয়েছে এমন একটি পরিবার ধরে, যেখানে দুজন প্রাপ্তবয়স্ক ও একটি শিশু রয়েছে এবং একজন অভিভাবক চাকরি না করে বাড়িতে থেকে শিশুর যত্ন নিচ্ছেন। গবেষণাটি ৮ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করা হয়। গবেষণা অনুযায়ী, সবচেয়ে কম আয়ে এমন পরিবার চালানো সম্ভব আরকানসাসে। সেখানে একজন কর্মজীবী অভিভাবকের বার্ষিক আয় প্রয়োজন প্রায় ৬৮ হাজার ৮৬৯ ডলার। এরপর রয়েছে মিসিসিপি, কেনটাকি, পশ্চিম ভার্জিনিয়া ও নর্থ ডাকোটা। এসব রাজ্যে একজন অভিভাবক বাড়িতে থেকে সন্তান দেখাশোনা করলে পরিবারের প্রয়োজনীয় আয় তুলনামূলকভাবে কম। কেনটাকিতে এই পরিবারের জন্য একজন কর্মজীবী অভিভাবকের প্রয়োজনীয় বার্ষিক আয় প্রায় ৭০ হাজার ১৭৯ ডলার। অন্যদিকে টেনেসিতে প্রয়োজন প্রায় ৭২ হাজার ৯৪৬ ডলার। টেনেসির ক্ষেত্রে দুজন অভিভাবক কাজ করলে পরিবারের মোট প্রয়োজনীয় আয় বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৮৩ হাজার ৭৫ ডলার। তবে সব রাজ্যে পরিস্থিতি একই নয়। হাওয়াইয়ে একজন অভিভাবককে বাড়িতে রেখে পরিবার চালাতে সবচেয়ে বেশি আয় প্রয়োজন—প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার ৪৯৬ ডলার। ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রয়োজন প্রায় ১ লাখ ১ হাজার ২১৩ ডলার এবং ম্যাসাচুসেটসে প্রায় ৯৯ হাজার ৯৬৫ ডলার। অর্থাৎ বসবাসের রাজ্য অনুযায়ী একজন অভিভাবক ঘরে থেকে সন্তান লালন-পালনের আর্থিক বাস্তবতায় বড় পার্থক্য রয়েছে। স্মার্টঅ্যাসেটের হিসাব অনুযায়ী, একজন অভিভাবক বাড়িতে থাকলে পরিবারের বড় একটি ব্যয়—শিশুর দেখাশোনার খরচ—কমতে পারে। তবে এর বিপরীতে একজনের বেতন, অবসরকালীন সঞ্চয়ে অবদান, সোশ্যাল সিকিউরিটির উপার্জনভিত্তিক সুবিধা এবং নিয়োগকর্তার দেওয়া স্বাস্থ্যসুবিধার মতো বিষয় হারানোর ঝুঁকি থাকে। তাই শুধু আয় নয়, পরিবারের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পরিকল্পনাও এ ধরনের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণাটিতে আরও বলা হয়েছে, এসব হিসাব রাজ্যভিত্তিক গড় মডেলের ওপর তৈরি। বসবাসের কাউন্টি, সন্তানের বয়স, কর ও সরকারি সুবিধার পার্থক্যের কারণে একটি পরিবারের প্রকৃত প্রয়োজনীয় আয় এর চেয়ে কম-বেশি হতে পারে। গবেষণার তথ্যের ভিত্তি হিসেবে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির এমআইটি লিভিং ওয়েজ ক্যালকুলেটরের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। সূত্র: ডব্লিউকেআরএন, স্মার্টঅ্যাসেট, এমআইটি লিভিং ওয়েজ ক্যালকুলেটর।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ ৭:৪৩
ট্রাম্পের নীতিতে ক্ষুব্ধ কানাডিয়ানরা, আমেরিকান পণ্য ও ভ্রমণ বর্জনের পথে

ট্রাম্পের নীতিতে ক্ষুব্ধ কানাডিয়ানরা, বয়কট করছেন আমেরিকা: বন্ধ হচ্ছে কেনাকাটা ও ভ্রমণ

যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের ঋণ ১৮ ট্রিলিয়ন ডলারে, বাড়ছে ক্রেডিট কার্ডের নির্ভরতা

খরচ বাড়ছে, সঞ্চয় ফুরোচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারগুলোর ঋণ এখন ১৮ ট্রিলিয়ন ডলার

যুক্তরাষ্ট্রে ৪০১(কে) সঞ্চয়ে নতুন রেকর্ড

৪০১(কে)-তে আমেরিকানদের গড় সঞ্চয় বেড়ে রেকর্ড, এক বছরে বাড়ল ১৩ শতাংশ

0 Comments