আমেরিকা

নিউইয়র্ক আর একমাত্র গন্তব্য নয়, বাংলাদেশিদের নতুন পছন্দের ১০ অঙ্গরাজ্য

নুরুল্লাহ সাইদ প্রকাশ: জুলাই ১৮, ২০২৬ ১০:২৪
ছবি: স্বপ্নের আমেরিকা এখন শুধু নিউইয়র্কেই সীমাবদ্ধ নয়
ছবি: স্বপ্নের আমেরিকা এখন শুধু নিউইয়র্কেই সীমাবদ্ধ নয়

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশিদের সবচেয়ে বড় আবাস এখনো নিউইয়র্ক। তবে গত কয়েক বছরে বাড়িভাড়া, বাড়ির মূল্য, সম্পত্তি কর, গাড়ির বীমা, ডে-কেয়ার, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এবং সামগ্রিক জীবনযাত্রার ব্যয় দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় অনেক বাংলাদেশি পরিবার নিউইয়র্ক ছেড়ে অন্য অঙ্গরাজ্যে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করছেন। বিশেষ করে যারা প্রথম বাড়ি কিনতে চান, সন্তানদের ভালো স্কুলে পড়াতে চান কিংবা অবসরের পর তুলনামূলক শান্ত ও সাশ্রয়ী জীবন কাটাতে চান, তাদের মধ্যে এই প্রবণতা স্পষ্ট।

 

যুক্তরাষ্ট্রের জনশুমারি ব্যুরো, আবাসন বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন রিয়েল এস্টেট সংস্থার সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, নিউইয়র্কের তুলনায় দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলের বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে বাড়ির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কম। একই সঙ্গে এসব এলাকায় কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, মুসলিম কমিউনিটি এবং বাংলাদেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও দ্রুত সম্প্রসারিত হয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি বসতির মানচিত্রে বড় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।

 

আমেরিকা বাংলার বিশ্লেষণে আবাসন ব্যয়, মধ্যম পারিবারিক আয়, চাকরির সুযোগ, বাংলাদেশি কমিউনিটি, মসজিদ, ইসলামিক স্কুল, হালাল ব্যবসা, সন্তানের শিক্ষার পরিবেশ এবং নিউইয়র্কের সঙ্গে যোগাযোগের সুবিধা বিবেচনা করে বাংলাদেশি পরিবারের জন্য সবচেয়ে উপযোগী ১০টি অঙ্গরাজ্যের চিত্র তুলে ধরা হলো।

 

জর্জিয়া: দক্ষিণের নিউইয়র্ক

বাংলাদেশি পরিবারের কাছে বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় গন্তব্যগুলোর একটি জর্জিয়া। আটলান্টা মেট্রো এলাকার ডুলুথ, লিলবার্ন, ডোরাভিল, চ্যাম্বলি, টাকার, নরক্রস, আলফারেটা, কামিং ও ডিকেটর গত এক দশকে বাংলাদেশি কমিউনিটি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

 

অঙ্গরাজ্যটিতে মধ্যম পারিবারিক আয় প্রায় ৮০ হাজার ডলার এবং একটি বাড়ির মধ্যম মূল্য প্রায় ৩৯০ থেকে ৪১০ হাজার ডলারের মধ্যে। নিউইয়র্কে যে দামে একটি ছোট কনডো কেনা যায় না, সেই অর্থে জর্জিয়ায় অনেক ক্ষেত্রে চার বা পাঁচ বেডরুমের বাড়ি কেনা সম্ভব।

 

বাংলাদেশি ব্যবসার ক্ষেত্রেও জর্জিয়া এখন নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আটলান্টা মেট্রো এলাকায় অসংখ্য বাংলাদেশি গ্রোসারি, হালাল সুপারমার্কেট, মাছ-মাংসের দোকান, রেস্টুরেন্ট, ট্রাভেল এজেন্সি, চিকিৎসক, আইনজীবী এবং অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। অনেক বাংলাদেশি মার্কেট সপ্তাহের সাত দিন গভীর রাত পর্যন্ত খোলা থাকে, এমনকি কিছু এলাকায় ২৪ ঘণ্টা সেবাও দেওয়া হয়।

 

ধর্মীয় পরিবেশও সমৃদ্ধ। আটলান্টা অঞ্চলে ডজনখানেক বড় মসজিদ, ইসলামিক সেন্টার, ফুল-টাইম ইসলামিক স্কুল, হিফজ প্রোগ্রাম এবং সানডে মাদ্রাসা রয়েছে। ঈদ জামাত, রমজানের ইফতার, ইসলামিক কনফারেন্স এবং বাংলাদেশি কমিউনিটির সামাজিক অনুষ্ঠান নিয়মিত আয়োজন করা হয়।

 

এ কারণেই অনেক বাংলাদেশি এখন আটলান্টাকে অনানুষ্ঠানিকভাবে “দক্ষিণের নিউইয়র্ক” বলে উল্লেখ করেন।

 

ফ্লোরিডা: বাংলাদেশের আবহাওয়ার কাছাকাছি, অবসরজীবনের নতুন গন্তব্য

নিউইয়র্ক থেকে স্থানান্তরিত হওয়া বাংলাদেশিদের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য এখন ফ্লোরিডা। ট্যাম্পা, অরল্যান্ডো, কিসিমি, জ্যাকসনভিল ও মায়ামিতে বাংলাদেশি কমিউনিটি দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে।

 

ফ্লোরিডায় ব্যক্তিগত আয়ের ওপর কোনো অঙ্গরাজ্য কর নেই। মধ্যম পারিবারিক আয় প্রায় ৭৫ হাজার ডলার এবং একটি বাড়ির মধ্যম মূল্য প্রায় ৪২০ হাজার ডলার ।

 

বাংলাদেশি পরিবারের কাছে ফ্লোরিডার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এর আবহাওয়া। বছরের অধিকাংশ সময় উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু বিরাজ করায় অনেকেই এটিকে বাংলাদেশের আবহাওয়ার সঙ্গে তুলনা করেন। এখানকার প্রকৃতি, সবুজ পরিবেশ এবং দীর্ঘ গ্রীষ্মকাল নতুন অভিবাসীদের সহজে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে।

 

ফ্লোরিডায় আম, কাঁঠাল, কলা, পেঁপে, পেয়ারা, নারিকেল, লিচুসহ বিভিন্ন উষ্ণমণ্ডলীয় ফলের চাষ হয় এবং স্থানীয় বাজারে সহজেই পাওয়া যায় এমনকি অনেক বাংলাদেশি পরিবারের ব্যাকয়ার্ডে এসব ফলমূলের বাগান রয়েছে। যারা এই অঙ্গরাজ্যে থাকেন তারা মনে করেন, খাবার ও আবহাওয়ার দিক থেকে ফ্লোরিডা যুক্তরাষ্ট্রের অন্য অনেক অঙ্গরাজ্যের তুলনায় বাংলাদেশের কাছাকাছি অনুভূতি দেয়।

 

অবসরপ্রাপ্তদের কাছেও ফ্লোরিডা অত্যন্ত জনপ্রিয়। রাজ্য আয়কর না থাকা, উষ্ণ আবহাওয়া এবং উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার কারণে অনেক বাংলাদেশি সিনিয়র নাগরিক অবসরের পর এখানে স্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা করছেন।

 

ট্যাম্পা, অরল্যান্ডো ও জ্যাকসনভিলে বর্তমানে একাধিক মসজিদ, ইসলামিক সেন্টার, ফুল-টাইম ইসলামিক স্কুল, উইকএন্ড মাদ্রাসা, হালাল মার্কেট এবং বাংলাদেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।

 

টেক্সাস: চাকরি ও কর সুবিধার বড় কেন্দ্র

ডালাস, হিউস্টন, প্লানো, আরভিং, অস্টিন ও সুগার ল্যান্ডে বাংলাদেশি কমিউনিটি দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে।

 

মধ্যম পারিবারিক আয় প্রায় ৮০ হাজার ডলার। একটি বাড়ির মধ্যম মূল্য প্রায় ৩৪০ থেকে ৩৬০ হাজার ডলার। ব্যক্তিগত আয়ের ওপর কোনো অঙ্গরাজ্য কর না থাকায় অনেক পরিবার টেক্সাসকে দীর্ঘমেয়াদি বসবাসের জন্য বেছে নিচ্ছেন।

 

প্রযুক্তি, জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা, নির্মাণ এবং ব্যবসায়িক খাতে প্রচুর কর্মসংস্থান রয়েছে। পাশাপাশি ইসলামিক সেন্টার, ইসলামিক একাডেমি, মসজিদ, হালাল সুপারমার্কেট এবং বাংলাদেশি ব্যবসা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

 

নিউ জার্সি: নিউইয়র্কের সবচেয়ে কাছের বিকল্প

যারা নিউইয়র্কে চাকরি বা ব্যবসা বজায় রাখতে চান কিন্তু বসবাসের জন্য তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক পরিবেশ খুঁজছেন, তাদের জন্য নিউ জার্সি অন্যতম সেরা বিকল্প।

 

জার্সি সিটি, প্যাটারসন, এডিসন, উডব্রিজ ও নর্থ ব্রান্সউইকে শক্তিশালী বাংলাদেশি কমিউনিটি রয়েছে। প্রতিদিন হাজারো মানুষ নিউইয়র্কে যাতায়াত করেন। অসংখ্য মসজিদ, ইসলামিক স্কুল, বাংলাদেশি গ্রোসারি, রেস্টুরেন্ট এবং কমিউনিটি সংগঠনের কারণে নতুন অভিবাসীদের জন্য এখানকার পরিবেশ বেশ পরিচিত।

 

মেরিল্যান্ড: নিউইয়র্কের কাছাকাছি, চাকরির বড় বাজার

বাল্টিমোর, সিলভার স্প্রিং, এলিকট সিটি ও ডিসি মেট্রো এলাকায় বাংলাদেশি কমিউনিটি দ্রুত বাড়ছে।

 

মধ্যম পারিবারিক আয় এক লাখ ডলারের বেশি, যা যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চগুলোর মধ্যে অন্যতম। স্বাস্থ্যসেবা, বায়োটেক, শিক্ষা, সরকারি সংস্থা এবং ফেডারেল কন্ট্রাক্টিং খাতে প্রচুর কর্মসংস্থান রয়েছে। বাল্টিমোর থেকে কয়েক ঘণ্টার ড্রাইভেই নিউইয়র্কে পৌঁছানো যায়।

 

এখানেও বাংলাদেশি গ্রোসারি, হালাল ব্যবসা, ইসলামিক সেন্টার ও মসজিদের সংখ্যা বাড়ছে।

 

নর্থ ক্যারোলাইনা: প্রযুক্তি খাতের নতুন গন্তব্য

র্যালি, ক্যারি, মরিসভিল ও শার্লটে তথ্যপ্রযুক্তি, গবেষণা ও স্বাস্থ্যসেবা খাতের চাকরির কারণে বাংলাদেশি পেশাজীবীদের সংখ্যা বাড়ছে। ভালো পাবলিক স্কুল, তুলনামূলক কম জীবনযাত্রার ব্যয় এবং ক্রমবর্ধমান মুসলিম কমিউনিটি এই অঙ্গরাজ্যকে পরিবারগুলোর কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছে।

 

মিশিগান: পুরোনো বাংলাদেশি কমিউনিটির শক্ত ঘাঁটি

হ্যামট্রাম্যাক, ট্রয়, ক্যান্টন ও ওয়ারেনে বহু বছর ধরেই বাংলাদেশি ও মুসলিম কমিউনিটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। মধ্যম বাড়ির মূল্য প্রায় ২৬০ হাজার ডলার, যা তালিকার অনেক অঙ্গরাজ্যের তুলনায় কম। মসজিদ, ইসলামিক স্কুল, হিফজ মাদ্রাসা, হালাল মার্কেট এবং বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট সহজেই পাওয়া যায়।

 

পেনসিলভানিয়া: কম খরচে নিউইয়র্কের কাছাকাছি

ফিলাডেলফিয়া, হ্যারিসবার্গ ও পিটসবার্গে বাংলাদেশি কমিউনিটি ধীরে ধীরে সম্প্রসারিত হচ্ছে। মধ্যম বাড়ির মূল্য প্রায় ৩০০ হাজার ডলারের কাছাকাছি। নিউইয়র্কের তুলনায় আবাসন ব্যয় অনেক কম হওয়ায় অনেক পরিবার এই অঙ্গরাজ্য বেছে নিচ্ছেন।

 

ভার্জিনিয়া: উচ্চ আয় ও উন্নত শিক্ষা

ফেয়ারফ্যাক্স, অ্যাশবার্ন, আলেকজান্দ্রিয়া ও উডব্রিজ এলাকায় তথ্যপ্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা এবং ফেডারেল সরকারের চাকরির বড় বাজার রয়েছে। মধ্যম পারিবারিক আয় ১ লাখ ডলারের কাছাকাছি। উন্নত পাবলিক স্কুল, ইসলামিক স্কুল এবং শক্তিশালী মুসলিম কমিউনিটির কারণে বাংলাদেশি পেশাজীবীদের কাছে এটি একটি আকর্ষণীয় অঙ্গরাজ্য।

 

মিনেসোটা: নিরাপদ পরিবেশ ও ইসলামিক কমিউনিটি

মিনিয়াপোলিস, ব্লুমিংটন ও ইডেন প্রেইরিতে শক্তিশালী মুসলিম কমিউনিটি, উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা এবং নিরাপদ পরিবেশের কারণে বাংলাদেশি পরিবারের আগ্রহ বাড়ছে। সোমালি, দক্ষিণ এশীয় ও অন্যান্য মুসলিম কমিউনিটির উপস্থিতির কারণে অসংখ্য মসজিদ, ইসলামিক সেন্টার, হালাল ব্যবসা এবং ইসলামিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন অঙ্গরাজ্যে যাওয়ার আগে শুধু বাড়ির দাম বা ভাড়া নয়, চাকরির সুযোগ, সন্তানের স্কুল, স্বাস্থ্যসেবা, সম্পত্তি কর, গাড়ি ও বাড়ির বীমা, নিকটস্থ মসজিদ, ইসলামিক স্কুল, বাংলাদেশি গ্রোসারি এবং কমিউনিটি সাপোর্ট—সবকিছু একসঙ্গে বিবেচনা করা উচিত।

 

এক সময় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশিদের স্বপ্নের ঠিকানা ছিল শুধু নিউইয়র্ক। কিন্তু সময় বদলেছে। আজ জর্জিয়া, ফ্লোরিডা, টেক্সাস, নিউ জার্সি, মেরিল্যান্ড, নর্থ ক্যারোলাইনা, মিশিগান, পেনসিলভানিয়া, ভার্জিনিয়া ও মিনেসোটায় দ্রুত গড়ে উঠছে নতুন বাংলাদেশি জনপদ। ফলে অনেক প্রবাসী এখন মনে করছেন, আমেরিকায় ভালো জীবন মানেই শুধু নিউইয়র্ক নয়; বরং যেখানে কম খরচে নিজের বাড়ি, সন্তানের জন্য ভালো স্কুল, শক্তিশালী বাংলাদেশি ও মুসলিম কমিউনিটি এবং উন্নত জীবনযাত্রার সুযোগ রয়েছে, সেখানেই তৈরি হচ্ছে আগামী দিনের নতুন প্রবাসী বাংলাদেশ।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Advertisement

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ হবে মার্সিডিজ-বেঞ্জ!
যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ হবে মার্সিডিজ-বেঞ্জ! নতুন বিল ঘিরে বাড়ছে জোর সমালোচনা

যুক্তরাষ্ট্রে বিলাসবহুল গাড়ি নির্মাতা মার্সিডিজ-বেঞ্জের গাড়ি বিক্রি নিষিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন সিনেটের একটি কমিটিতে অগ্রসর হওয়া নতুন এক বিলে বলা হয়েছে, যেসব গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানে চীনা প্রতিষ্ঠানের মালিকানা ১৫ শতাংশের বেশি, তারা যুক্তরাষ্ট্রে সংযুক্ত  যানবাহন বিক্রি করতে পারবে না। বর্তমান মালিকানা কাঠামোর কারণে মার্সিডিজ-বেঞ্জও এই বিধিনিষেধের আওতায় পড়তে পারে।    প্রস্তাবিত আইনটি গত সপ্তাহে সিনেট কমার্স কমিটিতে অনুমোদন পেয়েছে। বিলটির লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চীনা প্রযুক্তি ও চীনা মালিকানার প্রভাব কমানো। আইনপ্রণেতাদের দাবি, আধুনিক কানেক্টেড গাড়িতে থাকা সফটওয়্যার ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে সংবেদনশীল তথ্য বিদেশে পৌঁছে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের কারণ।    বর্তমানে মার্সিডিজ-বেঞ্জে চীনের দুটি বিনিয়োগকারীর সম্মিলিত মালিকানা প্রায় ২০ শতাংশ, যা প্রস্তাবিত ১৫ শতাংশ সীমার বেশি। এ কারণে বিলটি বর্তমান রূপে আইনে পরিণত হলে কোম্পানিটি যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ি বিক্রিতে বাধার মুখে পড়তে পারে। তবে আইনটি এখনও চূড়ান্ত নয়। এটি কার্যকর হওয়ার আগে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদের অনুমোদন এবং পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।    তবে বিলটি নিয়ে সিনেটের ভেতরেও মতভেদ রয়েছে। সিনেট কমার্স কমিটির চেয়ারম্যান টেড ক্রুজ বলেছেন, বর্তমান ভাষায় বিলটি মার্সিডিজ-বেঞ্জের মতো প্রতিষ্ঠানের ওপর অনাকাঙ্ক্ষিত প্রভাব ফেলতে পারে। তার মতে, আইনটি কার্যকর হওয়ার আগে সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে। অন্যদিকে বিলটির অন্যতম প্রস্তাবক সিনেটর বার্নি মোরেনো বলেছেন, প্রয়োজনে মার্সিডিজ-বেঞ্জকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত সময় দেওয়া হতে পারে এবং বিশেষ ক্ষেত্রে ছাড় পাওয়ার সুযোগও থাকতে পারে।    মার্সিডিজ-বেঞ্জ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সুরক্ষার উদ্যোগকে সমর্থন করে। একই সঙ্গে কোম্পানিটি বলেছে, তাদের যুক্তরাষ্ট্রে বড় পরিসরের উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ রয়েছে এবং নতুন আইন যেন এসব কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে, সে বিষয়টি তারা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৮, ২০২৬ ৫:২৭
ডিমের সংক্রমণে দ্রুত বিস্তারে যুক্তরাষ্ট্রের ১৭ অঙ্গরাজ্যে ৯৮ জন আক্রান্ত

ডিমের সংক্রমণে দ্রুত বিস্তারে যুক্তরাষ্ট্রের ১৭ অঙ্গরাজ্যে ৯৮ জন আক্রান্ত, বড় পরিসরে ডিম প্রত্যাহারের নির্দেশ

'সবাইকে মেরে ফেলতে হবে’ হত্যাকাণ্ডের আগেই ক্যামেরায় ধরা পড়ে রেস্তোরাঁ মালিকের ভয়ংকর মন্তব্য

'সবাইকে মেরে ফেলতে হবে’ হত্যাকাণ্ডের আগেই ক্যামেরায় ধরা পড়ে রেস্তোরাঁ মালিকের ভয়ংকর মন্তব্য

যুক্তরাষ্ট্রে একটি সন্তান, তাতেই প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার খরচ! তালিকায় শীর্ষে মেরিল্যান্ড

যুক্তরাষ্ট্রে একটি সন্তান, তাতেই প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার খরচ! তালিকায় শীর্ষে মেরিল্যান্ড

যুক্তরাষ্ট্রের ছাড়া হচ্ছে ৬ লাখ মশা
যুক্তরাষ্ট্রের ছাড়া হচ্ছে ৬ লাখ মশা, নতুন অভিনব উদ্যোগ

যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি এলাকায় ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, জিকা ও ওয়েস্ট নাইল ভাইরাস ছড়ানো মশার সংখ্যা কমাতে চলতি গ্রীষ্মে প্রায় ৬ লাখ বিশেষভাবে প্রস্তুত করা পুরুষ মশা অবমুক্ত করা হচ্ছে। মেরিল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান বি সেফ মস্কিটো কন্ট্রোল প্রথমবারের মতো এই জৈবিক পদ্ধতি ব্যবহার করছে, যার লক্ষ্য রাসায়নিক কীটনাশক ছাড়াই রোগবাহী মশার বংশবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা।   প্রতিষ্ঠানটির ছাড়া পুরুষ মশাগুলো ওলবাকিয়া নামের একটি প্রাকৃতিক ব্যাকটেরিয়া বহন করে। এসব পুরুষ মশা মানুষের রক্ত খায় না এবং কামড়ায়ও না। তবে তারা যখন বন্য স্ত্রী মশার সঙ্গে প্রজনন করে, তখন স্ত্রী মশার পাড়া ডিম আর ফুটে না। ফলে ধীরে ধীরে রোগবাহী মশার সংখ্যা কমে আসে।    বি সেফ মস্কিটো কন্ট্রোলের মালিক টড মন্টগোমারি বলেন, একবার প্রজননের পর আক্রান্ত স্ত্রী মশাটি কার্যত সারা জীবনের জন্য বন্ধ্যা হয়ে যায়। সে পরে যত ডিমই দিক, সেগুলো থেকে আর নতুন মশা জন্মায় না। এই কারণে পদ্ধতিটি দীর্ঘমেয়াদে মশার সংখ্যা কমাতে কার্যকর বলে আশা করা হচ্ছে।    এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য এশিয়ান টাইগার মশা, যা যুক্তরাষ্ট্রে দ্রুত বিস্তার লাভ করা একটি আক্রমণাত্মক প্রজাতি এবং ডেঙ্গু, জিকা ও চিকুনগুনিয়াসহ বিভিন্ন ভাইরাস ছড়াতে সক্ষম। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রজাতির সংখ্যা কমাতে পারলে মশাবাহিত রোগের ঝুঁকিও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেতে পারে।    এ ধরনের প্রযুক্তি নতুন নয়। ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া ও সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে *ওলবাকিয়া*ভিত্তিক মশা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি ইতোমধ্যে সফল হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রেও এই পদ্ধতির ব্যবহার ধীরে ধীরে বাড়ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভবিষ্যতে এটি প্রচলিত কীটনাশকের বিকল্প হিসেবে আরও বড় পরিসরে ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৮, ২০২৬ ২:৫
গ্রিন কার্ডের আবেদন শুরুর আগেই জেনে নিন কোন খাতে কত ডলার লাগবে

গ্রিন কার্ডের স্বপ্ন দেখছেন? আবেদন শুরুর আগেই জেনে নিন কোন খাতে কত ডলার লাগবে

ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নিয়মে বদলে যাচ্ছে পুরো প্রক্রিয়া

যুক্তরাষ্ট্রে এলাইলাম পাওয়া আরও কঠিন! ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নিয়মে বদলে যাচ্ছে পুরো প্রক্রিয়া

আমেরিকার উচ্চশিক্ষার প্রচারণায় হিজাবি তরুণী

আমেরিকার উচ্চশিক্ষার প্রচারণায় হিজাবি তরুণী, ইতিবাচক বার্তা মুসলিম কমিউনিটিতে

অবশেষে ফাঁস হলো বাইডেনের গোপন রেকর্ডিং
অবশেষে ফাঁস হলো বাইডেনের গোপন রেকর্ডিং! কী আছে সেই অডিওতে? নতুন বিতর্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের দীর্ঘদিন গোপন রাখা অডিও রেকর্ডিং প্রকাশের পর নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। ২০১৬ ও ২০১৭ সালে নিজের স্মৃতিকথা লেখার সময় ঘোস্টরাইটার মার্ক জভোনিটজারের সঙ্গে হওয়া এসব কথোপকথনে বাইডেনকে একাধিকবার সম্ভাব্য শ্রেণিবদ্ধ (ক্লাসিফায়েড) তথ্য ও নথির প্রসঙ্গ তুলতে শোনা যায়।    প্রকাশিত প্রায় ৭০ ঘণ্টার অডিওতে এক পর্যায়ে বাইডেনকে বলতে শোনা যায়, "এর কিছু হয়তো শ্রেণিবদ্ধ হতে পারে, তাই সতর্ক থাকুন।" আরেকটি অংশে তিনি বলেন, "পরের বিষয়টি শ্রেণিবদ্ধ।" তবে প্রকাশিত স্মৃতিকথায় কোনো শ্রেণিবদ্ধ তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেনি।    এই রেকর্ডিংগুলো ২০২৪ সালে বিশেষ কৌঁসুলি রবার্ট হারের তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তদন্তে বাইডেনের বাড়ি ও ব্যক্তিগত কার্যালয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট থাকাকালের কিছু শ্রেণিবদ্ধ নথি পাওয়া গেলেও শেষ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ আনা হয়নি। প্রতিবেদনে হার উল্লেখ করেছিলেন, বিচারক বা জুরি বাইডেনকে "সদুদ্দেশ্যসম্পন্ন কিন্তু দুর্বল স্মৃতিশক্তির একজন বয়স্ক ব্যক্তি" হিসেবে দেখতে পারেন, যা দণ্ডাদেশ পাওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেবে।    অডিও প্রকাশের পথ তৈরি হয় দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর। একটি ফেডারেল আপিল আদালত জনস্বার্থের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রেকর্ডিং প্রকাশে বাধা দেওয়ার বাইডেনের আবেদন খারিজ করে। পরে বাইডেনও এ বিষয়ে করা নিজের মামলা প্রত্যাহার করে নেন, ফলে রেকর্ডিং প্রকাশের আর কোনো আইনি বাধা থাকেনি।    সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রেকর্ডিংয়ে বাইডেনকে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ, সিআইএ এবং হোয়াইট হাউসের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের নোট নিয়ে আলোচনা করতে শোনা যায়। তবে বাইডেন আগেও দাবি করেছিলেন, তিনি তার ঘোস্টরাইটারের কাছে কোনো শ্রেণিবদ্ধ তথ্য ইচ্ছাকৃতভাবে প্রকাশ করেননি এবং কীভাবে কিছু নথি তার বাড়িতে চলে এসেছিল, সে বিষয়েও তিনি অবগত ছিলেন না।    নতুন করে প্রকাশিত এই অডিও যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি গোপন নথি সংরক্ষণ, সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তাদের দায়বদ্ধতা এবং বাইডেনের স্মৃতিশক্তি নিয়ে বহুদিনের রাজনৈতিক বিতর্ককে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৮, ২০২৬ ০:৯
ছবি:  কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে প্রতীকীভাবে তৈরি করা হয়েছে।

নিউইয়র্কে সার্কাসের খেলা দেখাতে গিয়ে শিল্পীর ঘাড়ে ঢুকে গেল তীর, হেলিকপ্টারে করে নেওয়া হলো হাসপাতালে

সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা মহিউদ্দিন খান ও পরিবার

নিউইয়র্কে ক্যানসারের সঙ্গে তিন মাসের লড়াই শেষে সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা মহিউদ্দিন খানের ইন্তেকাল

টেনেসির প্রাণঘাতী সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনায় আত্মসমর্পণ করেছেন অভিযুক্ত চালক জেমস ব্রিউইংটন জুনিয়র। ছবি: সংগৃহীত

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাবার, গুরুতর আহত মা-মেয়ে: গ্রেপ্তারের পর অপরাধীর অদ্ভুত হাসি

0 Comments