সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

ট্রাম্পের পেছনে ব্যঙ্গাত্মক অঙ্গভঙ্গি করে ভাইরাল সেই শিক্ষার্থী!  এবার মুখ খুলে জানালেন আসল ঘটনা

বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ: জুলাই ২৫, ২০২৬ ৭:৩১
ট্রাম্পের পেছনে ব্যঙ্গাত্মক অঙ্গভঙ্গি করে ভাইরাল সেই শিক্ষার্থী। ছবি:সংগৃহীত
ট্রাম্পের পেছনে ব্যঙ্গাত্মক অঙ্গভঙ্গি করে ভাইরাল সেই শিক্ষার্থী। ছবি:সংগৃহীত

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষণ দেওয়ার সময় তার পেছনে দাঁড়িয়ে তাঁর অঙ্গভঙ্গি অনুকরণ করার একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর মুখ খুলেছেন ওই ছাত্র। ২০ বছর বয়সী রাইলান ফার্গুসন বলেন, বুধবার ম্যারিটার হুইলার হাই স্কুলে প্রেসিডেন্টের ভাষণের সময় তার এই অনুকরণ ছিল সম্পূর্ণ মজার ছলে।

 

ভিডিওটিতে ফার্গুসনকে প্রেসিডেন্টের ঠিক পেছনে দাঁড়িয়ে তাঁর প্রায় প্রতিটি অঙ্গভঙ্গি অনুকরণ করতে দেখা যায়। এই ক্লিপটি ইতিমধ্যে ভারত, রাশিয়া এবং জাপানসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে এবং লক্ষাধিক মানুষ দেখেছেন।

 

ফার্গুসন জানান, তিনি সুযোগ পেয়েই এই সমাবেশে অংশ নেন। হুইলার হাই স্কুলের সাবেক ছাত্র হওয়ার কারণে হোয়াইট হাউসের কর্মীরা তাকে এবং তার বন্ধুদের পডিয়ামের পেছনে বসার জন্য মনোনীত করেন। ফার্গুসন বর্তমানে আলাবামা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিষয়ে পড়াশোনা করছেন। তিনি বলেন, তিনি সর্বদা কমেডি নিয়ে কাজ করতে চেয়েছিলেন এবং এই ভাইরাল মুহূর্তটি তার ক্যারিয়ার গঠনে সহায়ক হতে পারে।

 

প্রায় এক ঘন্টা পনের মিনিটের ভাষণে ফার্গুসন তাঁর এই চরিত্রে ছিলেন। ক্যামেরা তাঁর প্রায় প্রতিটি অঙ্গভঙ্গি অনুকরণের মুহূর্ত ধারণ করে। তবে ফার্গুসন জোর দিয়ে বলেন, এই অনুকরণ কোনো অপমান বা কটূক্তি ছিল না। তিনি প্রেসিডেন্টকে সমর্থন করেন এবং এটি ছিল সম্পূর্ণ মজার উদ্দেশ্যে।

 

ফার্গুসনের বন্ধু জ্যাকসন স্টিফেনস বলেন, বন্ধুদের সাথে আড্ডার সময় ফার্গুসন প্রায়ই এই অনুকরণটি করে থাকেন। ফার্গুসন হাই স্কুলের কয়েক ব্লক দূরে থাকেন এবং তিনি আশা করছেন যে এই ভাইরাল মুহূর্তটি তাকে হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্টের সাথে সাক্ষাতের সুযোগ এনে দিতে পারে।

 

এখন পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই ভিডিও ক্লিপ দেখেছেন কিনা, তা জানা যায়নি। তবে এই ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে এবং ফার্গুসন এখন পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
বাংলাদেশ থেকে পুরো পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার বৈধ ৮ পথ, জেনে নিন কোনটি আপনার জন্য উপযুক্ত
বাংলাদেশ থেকে পুরো পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার বৈধ ৮ পথ, জেনে নিন কোনটি আপনার জন্য উপযুক্ত

বাংলাদেশ থেকে পুরো পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বসবাস করতে চান অনেকেই। কারও লক্ষ্য স্থায়ীভাবে গ্রিন কার্ড পাওয়া, কেউ চাকরি বা ব্যবসার মাধ্যমে কয়েক বছর বৈধভাবে থাকতে চান, আবার কেউ উচ্চশিক্ষার সুযোগ কাজে লাগিয়ে পরিবারকে সঙ্গে নিতে চান। তবে পরিবারের সবার জন্য একই ধরনের ভিসা প্রযোজ্য নয়। পরিবারের একজন সদস্যের যোগ্যতা, পেশা, শিক্ষা, যুক্তরাষ্ট্রে থাকা আত্মীয় এবং আর্থিক সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে ইমিগ্রেশনের পথ আলাদা হয়।   বর্তমান মার্কিন ইমিগ্রেশন নিয়ম অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে পুরো পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আসার কয়েকটি বাস্তব ও বৈধ পথ রয়েছে। এর মধ্যে কিছু সরাসরি স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ তৈরি করে, আবার কিছু পথ পরিবারকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সুযোগ দেয়।   ১. ফ্যামিলি-বেসড ইমিগ্রেশন: প্রথম এবং সবচেয়ে পরিচিত পথ হলো ফ্যামিলি-বেসড ইমিগ্রেশন। পরিবারের কোনো সদস্য যদি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক বা গ্রিন কার্ডধারী হন, নির্দিষ্ট পারিবারিক সম্পর্কের ভিত্তিতে তিনি বিদেশে থাকা পরিবারের সদস্যদের জন্য পিটিশন করতে পারেন।   যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক তার স্বামী বা স্ত্রী, নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সন্তান ও বাবা-মায়ের জন্য আবেদন করতে পারেন। এছাড়া নাগরিকের কিছু প্রাপ্তবয়স্ক সন্তান এবং ভাই-বোন ফ্যামিলি প্রেফারেন্স ক্যাটাগরির আওতায় আসতে পারেন। গ্রিন কার্ডধারী সাধারণত তার স্বামী বা স্ত্রী এবং অবিবাহিত সন্তানদের জন্য পিটিশন করতে পারেন।   তবে ফ্যামিলি-বেসড ইমিগ্রেশনের সব ক্যাটাগরিতে ভিসা সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া যায় না। অনেক ক্ষেত্রে প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ী অপেক্ষা করতে হয় এবং সময়টা মোটামুটি ১২-১৪ বছর।   ২. এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ইমিগ্রেশন: দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ পথ হলো এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ইমিগ্রেশন। কোনো বাংলাদেশি পেশাজীবীর যুক্তরাষ্ট্রে যোগ্য চাকরির সুযোগ, উচ্চতর ডিগ্রি, বিশেষ দক্ষতা বা উল্লেখযোগ্য পেশাগত যোগ্যতা থাকলে তিনি বিভিন্ন এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ইমিগ্রেশন ক্যাটাগরিতে যাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।   এর মধ্যে ইবি-১, ইবি-২ এবং ইবি-৩ অন্যতম। কিছু ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের এমপ্লয়ার স্পনসরশিপ প্রয়োজন হয়। আবার ইবি-২-এর ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট ওয়েইভার বা এনআইডব্লিউ-এর মতো নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে যোগ্য ব্যক্তি নিজে পিটিশন করতে পারেন।   এই ধরনের ইমিগ্র্যান্ট ভিসার ক্ষেত্রে মূল আবেদনকারী যোগ্য হলে তার স্বামী বা স্ত্রী এবং ২১ বছরের কম বয়সী অবিবাহিত সন্তানরা ডেরিভেটিভ বেনিফিশিয়ারি হিসেবে একই ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে পারেন।   ৩. ইবি-২ ও ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট ওয়েইভার: উচ্চশিক্ষিত ও দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য ইবি-২ একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। উচ্চতর ডিগ্রি, দীর্ঘ পেশাগত অভিজ্ঞতা বা বিশেষ দক্ষতা থাকা ব্যক্তিরা এই ক্যাটাগরি বিবেচনা করতে পারেন।   আর যোগ্যতার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট-এর বিষয়টি প্রমাণ করা গেলে ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট ওয়েইভারের মাধ্যমে কিছু ক্ষেত্রে জব অফার বা লেবার সার্টিফিকেশনের প্রয়োজনীয়তা থেকে ওয়েইভার পাওয়ার সুযোগ থাকতে পারে।   এই পথের বড় সুবিধা হলো, মূল আবেদনকারী ইমিগ্র্যান্ট ভিসার জন্য যোগ্য হলে তার স্বামী বা স্ত্রী এবং ২১ বছরের কম বয়সী অবিবাহিত সন্তানরাও একই কেসের মাধ্যমে যুক্ত হতে পারেন।   ৪. ইবি-৫ ইমিগ্র্যান্ট ইনভেস্টর প্রোগ্রাম: যেসব পরিবারের বড় অঙ্কের বৈধ বিনিয়োগ করার সক্ষমতা রয়েছে, তাদের জন্য ইবি-৫ ইমিগ্র্যান্ট ইনভেস্টর প্রোগ্রাম যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ।   ইবি-৫-এর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ বিনিয়োগ করতে হয় এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে যোগ্য কর্মসংস্থান তৈরির শর্ত পূরণ করতে হয়। যোগ্য ইবি-৫ ইনভেস্টরের সঙ্গে তার স্বামী বা স্ত্রী এবং ২১ বছরের কম বয়সী অবিবাহিত সন্তানরাও গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন।   ৫. ই-২ ট্রিটি ইনভেস্টর ভিসা: বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পথ হলো ই-২ ট্রিটি ইনভেস্টর ভিসা। বাংলাদেশ ই-২ ট্রিটি কান্ট্রি হওয়ায় যোগ্য বাংলাদেশি নাগরিক এই ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।   ই-২-এর জন্য যুক্তরাষ্ট্রে একটি বাস্তব ও পরিচালনাযোগ্য ব্যবসায় সাবস্ট্যানশিয়াল ইনভেস্টমেন্ট করতে হয় এবং ইনভেস্টরকে ব্যবসাটি পরিচালনা ও উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হয়।   মূল ই-২ আবেদনকারীর স্বামী বা স্ত্রী এবং ২১ বছরের কম বয়সী অবিবাহিত সন্তানরা ডিপেন্ডেন্ট হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন। যোগ্য ই-২ স্পাউস নির্দিষ্ট শর্তে যুক্তরাষ্ট্রে কাজও করতে পারেন। তবে ই-২ গ্রিন কার্ড নয়।   এটি একটি ননইমিগ্র্যান্ট ভিসা। অর্থাৎ ব্যবসা ও ই-২ স্ট্যাটাসের শর্ত বজায় রেখে বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে হয়।   ৬. এইচ-১বি ও এইচ-৪: কোনো বাংলাদেশি পেশাজীবী যুক্তরাষ্ট্রের যোগ্য এমপ্লয়ার-এর মাধ্যমে এইচ-১বি স্ট্যাটাস পেলে তার স্বামী বা স্ত্রী এবং ২১ বছরের কম বয়সী অবিবাহিত সন্তানরা এইচ-৪ ডিপেন্ডেন্ট স্ট্যাটাসে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন। এইচ-১বি নিজে গ্রিন কার্ড নয়। তবে যোগ্য কর্মীর ক্ষেত্রে পরবর্তীতে এমপ্লয়মেন্ট-বেসড গ্রিন কার্ডের পথ তৈরি হতে পারে।   বর্তমানে নতুন এইচ-১বি আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থাকা নির্দিষ্ট আবেদনকারীদের ওপর অতিরিক্ত অর্থপ্রদানের শর্তসহ কিছু বিশেষ বিধিনিষেধ রয়েছে। তাই এইচ-১বি-এর মাধ্যমে পরিবার নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করলে আবেদন করার সময়কার সর্বশেষ সরকারি নিয়ম যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।   ৭. এল-১ ও এল-২: বাংলাদেশে কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি বা একই কর্পোরেট গ্রুপের প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার, এক্সিকিউটিভ অথবা স্পেশালাইজড নলেজ এমপ্লয়ি হিসেবে কাজ করা ব্যক্তি নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট অফিসে ট্রান্সফার হয়ে এল-১ স্ট্যাটাস পেতে পারেন।   এল-১ কর্মীর স্বামী বা স্ত্রী এবং ২১ বছরের কম বয়সী অবিবাহিত সন্তানরা এল-২ ডিপেন্ডেন্ট স্ট্যাটাসে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন। যোগ্য এল-২ স্পাউস নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করার সুযোগও পেতে পারেন।   বিশেষ করে বাংলাদেশে মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে দীর্ঘদিন কাজ করা এবং একই প্রতিষ্ঠানের যুক্তরাষ্ট্রে অফিস রয়েছে, এমন পেশাজীবীদের জন্য এই পথটি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।   ৮. এফ-১ ও এফ-২ : পরিবারের কোনো সদস্য যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পূর্ণকালীন পড়াশোনার জন্য এফ-১ স্টুডেন্ট ভিসা পেলে তার স্বামী বা স্ত্রী এবং ২১ বছরের কম বয়সী অবিবাহিত সন্তানরা এফ-২ ডিপেন্ডেন্ট স্ট্যাটাসে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন।   তবে এফ-১ ও এফ-২ হলো ননইমিগ্র্যান্ট স্ট্যাটাস। অর্থাৎ এটি সরাসরি গ্রিন কার্ড পাওয়ার পথ নয়। শিক্ষার্থী পরবর্তীতে যোগ্যতা অনুযায়ী এমপ্লয়মেন্ট-বেসড বা অন্য কোনো বৈধ ইমিগ্রেশন পথ তৈরি করতে পারলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।   পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে কী দেখবেন: বাংলাদেশ থেকে পুরো পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরিকল্পনা করলে প্রথমেই ঠিক করতে হবে পরিবারের লক্ষ্য কী। স্থায়ীভাবে গ্রিন কার্ডের দিকে যেতে চাইলে ফ্যামিলি-বেসড ইমিগ্রেশন, এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ইমিগ্রেশন এবং ইবি-৫-এর মতো ইমিগ্র্যান্ট পথগুলো গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে ই-২, এইচ-১বি, এল-১ এবং এফ-১ মূলত টেম্পোরারি বা ননইমিগ্র্যান্ট স্ট্যাটাসের ব্যবস্থা।   পরিবারের একজন সদস্যের ভিসা বা পিটিশন অ্যাপ্রুভ হলেই পরিবারের অন্য সদস্যরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার অধিকার পান না। স্পাউস ও চিলড্রেনকে ডিপেন্ডেন্ট বা ডেরিভেটিভ হিসেবে যুক্ত করার ক্ষেত্রে বয়স, বৈবাহিক অবস্থা, পারিবারিক সম্পর্ক এবং সংশ্লিষ্ট ভিসা ক্যাটাগরির শর্ত পূরণ করতে হয়।   তাই বাংলাদেশ থেকে পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরিকল্পনা করার আগে পরিবারের বয়স, শিক্ষা, পেশা, কাজের অভিজ্ঞতা, যুক্তরাষ্ট্রে থাকা আত্মীয়, ব্যবসা বা বিনিয়োগের সক্ষমতা এবং স্থায়ী নাকি অস্থায়ীভাবে থাকার লক্ষ্য বিবেচনা করে সঠিক ইমিগ্রেশন পথ বেছে নেওয়া জরুরি।   অনেক ক্ষেত্রে আবেদন করার আগে ইউএসসিআইএস ও ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটের সর্বশেষ নিয়ম যাচাই করা এবং প্রয়োজন হলে অভিজ্ঞ ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যাটর্নির পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

নুরুল্লাহ সাইদ প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ ২২:৩৪
ফ্লোরিডায় নিজের বিলাসবহুল ইয়টে নারী কর্মীকে মাদক খাইয়ে ধ র্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার মালিক

ফ্লোরিডায় নিজের বিলাসবহুল ইয়টে নারী কর্মীকে মাদক খাইয়ে ধ র্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার মালিক

বাজেট ঘাটতি মেটাতে টেক্সাসের হ্যারিস কাউন্টিতে প্রপার্টি ট্যাক্স বৃদ্ধি, চাপে বাড়ির মালিকরা

বাজেট ঘাটতি মেটাতে টেক্সাসের হ্যারিস কাউন্টিতে প্রপার্টি ট্যাক্স বৃদ্ধি, চাপে বাড়ির মালিকরা

যুক্তরাষ্ট্রে আইসিই হেফাজতে চিকিৎসার অভাবে ২৯ বছর বয়সী যুবকের মৃ ত্যু, বিচার দাবি পরিবারের

যুক্তরাষ্ট্রে আইসিই হেফাজতে চিকিৎসার অভাবে ২৯ বছর বয়সী যুবকের মৃ ত্যু, বিচার দাবি পরিবারের

যুক্তরাষ্ট্রের ২০৩০ সালের আদমশুমারি থেকে অবৈধ অভিবাসীদের বাদ দেওয়ার প্রস্তাব ট্রাম্প প্রশাসনের
যুক্তরাষ্ট্রের ২০৩০ সালের আদমশুমারি থেকে অবৈধ অভিবাসীদের বাদ দেওয়ার প্রস্তাব ট্রাম্প প্রশাসনের

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন ২০৩০ সালের জাতীয় আদমশুমারি বা সেনসাস থেকে অবৈধ অভিবাসীদের বাদ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। বুধবার মার্কিন সেনসাস ব্যুরোর উত্থাপিত এই নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, ভবিষ্যতে আদমশুমারিতে শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের বৈধ নাগরিক এবং স্থায়ী বাসিন্দাদের (Permanent Residents) গণনা করা হবে।   এর মানে হলো, যারা অবৈধভাবে দেশটিতে বসবাস করছেন বা বৈধ উপায়ে সাময়িকভাবে অবস্থান করছেন, তারা এই গণনার বাইরে থাকবেন। এছাড়া ১৭৯০ সাল থেকে আদমশুমারিতে চলে আসা জাতি বা বর্ণ (Race or Ethnicity) সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের অংশটিও বাদ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।   এই প্রস্তাবের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব এবং কেন্দ্রীয় তহবিলের বরাদ্দে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মার্কিন সংবিধানের ১৪তম সংশোধনী অনুযায়ী, প্রতিটি রাজ্যের মোট জনসংখ্যার ভিত্তিতে কংগ্রেসের প্রতিনিধি সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়। যদি বিপুল সংখ্যক অভিবাসীকে গণনার বাইরে রাখা হয়, তবে অভিবাসী-অধ্যুষিত শহর ও অঙ্গরাজ্যগুলো তাদের ন্যায্য রাজনৈতিক আসন এবং কেন্দ্রীয় অনুদান থেকে বঞ্চিত হবে।   ডেমোগ্রাফি বিশেষজ্ঞ এবং নাগরিক অধিকারকর্মীরা সতর্ক করেছেন যে, এই পদক্ষেপটি চরম বৈষম্যমূলক এবং এর ফলে দেশের একটি ভুল চিত্র তৈরি হবে। সিভিল অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের লিডারশিপ কনফারেন্সের জ্যেষ্ঠ পরিচালক মিতা আনন্দ জানিয়েছেন, ত্রুটিপূর্ণ তথ্যের ওপর ভিত্তি করে নীতি নির্ধারণ করা হলে তা দীর্ঘ মেয়াদে দেশের জন্য ক্ষতিকর হবে।   প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই আদমশুমারিতে অবৈধ অভিবাসীদের অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করে আসছেন। তার প্রথম মেয়াদে ২০২০ সালের আদমশুমারিতেও নাগরিকত্ব সংক্রান্ত প্রশ্ন যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্ট আটকে দেয়।   গত ২ সেপ্টেম্বর মার্কিন বিচার বিভাগও এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, যেসব অঙ্গরাজ্য তাদের অঞ্চলে অবস্থানরত অবৈধ অভিবাসীদের তথ্য ঠিকমতো রিপোর্ট করবে না, তারা কেন্দ্রীয় সরকারের বিলিয়ন ডলারের কল্যাণ তহবিল থেকে বঞ্চিত হতে পারে। বর্তমানে এই নতুন আদমশুমারি প্রস্তাবটি ৩০ দিনের জন্য জনসাধারণের মতামতের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ ২১:১
ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধের জেরে তলোয়ার হাতে পুলিশের ওপর হা মলা, গু লিবিদ্ধ যুবক

ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধের জেরে তলোয়ার হাতে পুলিশের ওপর হা মলা, গু লিবিদ্ধ যুবক

লেবার ডে লং উইকেন্ডে মিসিসিপি বাংলা একাডেমির মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

লেবার ডে লং উইকেন্ডে মিসিসিপি বাংলা একাডেমির মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

ফোবানা অ্যালামনাই: ৩৪ বছরের গল্প, স্মৃতির পাতায় এক সকাল

ফোবানা অ্যালামনাই: ৩৪ বছরের গল্প, স্মৃতির পাতায় এক সকাল

৫০ বছর বয়সী ইরসি এসপেরানজা মাচাদো রিভেরা
স্বামীর সঙ্গে পরকীয়ার জেড়ে প্রতিবেশী নারীর মুখে মল ছুরলেন স্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার ওপা-লকার এক নারীকে প্রতিবেশীর বাড়িতে ঢুকে তাকে মারধর এবং মুখে মল ছোড়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ৫০ বছর বয়সী ইরসি এসপেরানজা মাচাদো রিভেরার বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রতিবেশী নারীর সঙ্গে তার স্বামীর যৌন সম্পর্ক রয়েছে - এমন সন্দেহ থেকেই তিনি ওই নারীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান।   ঘটনাটি ঘটে ৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রয়্যাল কান্ট্রি মোবাইল হোমস এলাকায়। পুলিশি নথি অনুযায়ী, মাচাদো রিভেরা প্রতিবেশীর বাসার দরজায় গিয়ে জোরে ধাক্কা দিতে থাকেন। দরজা খোলার পর তিনি ওই নারীকে তার স্বামীর সঙ্গে যৌন সম্পর্কে জড়িত থাকার অভিযোগ করেন।   অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, একপর্যায়ে মাচাদো রিভেরা জোর করে প্রতিবেশীর বাসায় ঢুকে তাকে ধাক্কা দেন। এরপর বেরিয়ে যাওয়ার আগে একটি বালতিতে থাকা মানবমল ওই নারীর দিকে ছুড়ে মারেন বলে পুলিশ অভিযোগ করেছে।   পুলিশ আরও বলেছে, ঘটনার আগে মাচাদো রিভেরা এক প্রত্যক্ষদর্শীকে জানিয়েছিলেন যে তিনি একটি বালতিতে মল রেখে সেটি প্রতিবেশীর মুখে ছুড়ে মারার জন্য প্রস্তুত করেছিলেন।   তবে পুলিশের কাছে দেওয়া বক্তব্যে মাচাদো রিভেরা ভিন্ন দাবি করেন। তার ভাষ্য, বাড়ির টয়লেট নষ্ট থাকায় তিনি বালতিটি ব্যবহার করছিলেন এবং সেটির মল ফেলার চেষ্টা করছিলেন। তিনি দাবি করেন, প্রতিবেশীর সঙ্গে তাদের মধ্যে বালতির মলের দুর্গন্ধ নিয়ে তর্ক হয়েছিল।   মাচাদো রিভেরা আরও অভিযোগ করেন, ওই নারী তাকে মাথায় ব্যাট দিয়ে আঘাত করেছিলেন। তিনি প্রতিবেশীর বাড়িতে ঢোকা এবং তার দিকে মল ছোড়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে পুলিশের নথিতে তার এক প্রত্যক্ষদর্শীকে দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে এই দাবির অসঙ্গতি তুলে ধরা হয়েছে।   এ ঘটনায় মাচাদো রিভেরার বিরুদ্ধে বসতবাড়িতে অবৈধভাবে প্রবেশ এবং ব্যাটারি অভিযোগ আনা হয়েছে। তাকে মিয়ামি-ডেড কাউন্টির টার্নার গিলফোর্ড নাইট কারেকশনাল সেন্টারে রাখা হয়েছে। আদালত তাকে জামিন না দেওয়া পর্যন্ত হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে বলে স্থানীয় প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬ ১৭:২৪
জ্যামাইকার ফুটপাতে নিউ ইয়র্ক পুলিশের অভিযান

জ্যামাইকার ফুটপাতে নিউ ইয়র্ক পুলিশের অভিযান, ছোট দোকান ও ভ্যান সরিয়ে জায়গা খালি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নাটালি হার্প

ছুটির উপহার হিসেবে চার হোয়াইট হাউস কর্মকর্তাকে ট্রাম্প দিলেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ডলার

ভারতীয় আইটি জায়ান্ট কগনিজ্যান্টের গ্রিন কার্ড আবেদন স্থগিত

ভিসা জালিয়াতির অভিযোগের তদন্তে ভারতীয় আইটি জায়ান্ট কগনিজ্যান্টের গ্রিন কার্ড আবেদন স্থগিত

0 Comments