সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

৫ সন্তানের স্বপ্ন থেকে ৩৭ সন্তানের পরিবার, দত্তক নিয়েই বদলে দিলেন অসহায় শিশুদের জীবন

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৯, ২০২৬ ২০:৩৬
৩৭ সন্তানের সঙ্গে পল ও জিন ব্রিগসের পরিবারের একটি মুহূর্ত। ছবি: সংগৃহীত
৩৭ সন্তানের সঙ্গে পল ও জিন ব্রিগসের পরিবারের একটি মুহূর্ত। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম ভার্জিনিয়ার এক দম্পতির পরিবার এখন ৩৭ সন্তানের। তবে এত বড় পরিবার গড়ার পরিকল্পনা তাদের কখনোই ছিল না। জীবনের বিভিন্ন সময়ে অসহায় ও পরিত্যক্ত শিশুদের আশ্রয় দিতে দিতে আজ তারা হয়ে উঠেছেন ৩৭ সন্তানের মা-বাবা।

 

মার্কিন সাময়িকী পিপল-এ প্রকাশিত এক বিশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে পল ও জিন ব্রিগস দম্পতির ব্যতিক্রমী জীবনের গল্প। ১৯৭৬ সালে বিয়ের পর তারা সন্তান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু একসময় তাদের পরিবারে ৩৭ সন্তান হবে, এমন কল্পনাও করেননি।

 

বর্তমানে ৭১ বছর বয়সী পল ব্রিগস তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কাজ করেন। তার স্ত্রী ৬৯ বছর বয়সী জিন ব্রিগস দীর্ঘদিন ধরে পুরো পরিবারের দেখভাল করছেন। তাদের মোট ৩৭ সন্তানের মধ্যে পাঁচজন জৈবিক সন্তান এবং ৩২ জন দত্তক নেওয়া। সন্তানদের বয়স ১০ থেকে ৪৭ বছরের মধ্যে।

 

পল ব্রিগস বলেন, কখনোই নির্দিষ্ট সংখ্যক সন্তান নেওয়ার লক্ষ্য ছিল না। বরং সময়ের সঙ্গে এমন অনেক শিশুর মুখোমুখি হয়েছেন, যাদের একটি পরিবারের প্রয়োজন ছিল। সেই পরিস্থিতিগুলোই তাদের বারবার নতুন সন্তানকে পরিবারে স্বাগত জানাতে উদ্বুদ্ধ করেছে।

 

তাদের দত্তক নেওয়ার যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৫ সালে। সে সময় তারা মেক্সিকো থেকে আব্রাহাম নামের এক শিশুকে দত্তক নেন। পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া ওই শিশুটি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ছিল। বর্তমানে সে প্রাপ্তবয়স্ক হলেও বাবা-মায়ের সঙ্গেই থাকে। এরপর ধীরে ধীরে বিভিন্ন দেশ থেকে আরও অনেক শিশুকে দত্তক নেন তারা, যাদের অনেকেই বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন বা অন্য পরিবারের কাছে দত্তক যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল খুবই কম।

 

ব্রিগস দম্পতির ভাষ্য, তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসও এ সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তারা প্রতিটি দত্তক নেওয়ার আগে প্রার্থনা করতেন এবং মনে করতেন, যেসব শিশুকে নিয়ে তাদের মনে দৃঢ় বিশ্বাস জন্মাত, তারাই তাদের পরিবারের অংশ হওয়ার জন্য উপযুক্ত।

 

বর্তমানে পশ্চিম ভার্জিনিয়ার ফলিং ওয়াটার্সে পাঁচ হাজার বর্গফুটেরও বেশি আয়তনের বাড়িতে তাদের সঙ্গে ১৪ সন্তান বসবাস করছে। এত বড় পরিবার পরিচালনা করতে সবাইকে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। কেউ রান্নার প্রস্তুতিতে সাহায্য করে, কেউ খাবারের টেবিল সাজায়, কেউ আবার বাসার রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করে।

 

জিন ব্রিগস পরিবারের প্রধান রাঁধুনি। রান্নায় সন্তানরাও তাকে সহযোগিতা করে। স্প্যাগেটি, গ্রিলড চিজ, স্যুপ কিংবা রাতের খাবারে সকালের নাশতার মেনু, সবই পরিবারের সদস্যদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে। বড় পরিবারের জন্য রান্নার পরিমাণ ঠিক রাখতে তারা আলাদা পরিমাপের তালিকাও ব্যবহার করেন।

পরিবারের আর্থিক ব্যয় মূলত পলের চাকরির আয় ও কর্মস্থলের বিভিন্ন সুবিধার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এছাড়া বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন তিন সন্তানের জন্য সরকারি সহায়তাও পান তারা।

 

২০০৫ সালে ইউক্রেনের একটি এতিমখানা থেকে ১৫ বছর বয়সে দত্তক নেওয়া হয় জোসেফকে। বর্তমানে তিনি মেরিল্যান্ডের একটি স্যামস ক্লাব শাখার ব্যবস্থাপক। তার ভাষায়, নতুন পরিবার পাওয়ার পরই তিনি প্রথমবারের মতো নিরাপদ আশ্রয়, পরিচ্ছন্ন পোশাক, আর ভালোবাসার অনুভূতি পেয়েছিলেন।

 

জোসেফসহ ব্রিগস পরিবারের ১৭ সন্তান ওয়ালমার্ট বা স্যামস ক্লাবে কর্মজীবন শুরু করেছেন। ওয়ালমার্টের শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবারের পাঁচ সদস্য উচ্চশিক্ষার জন্য উল্লেখযোগ্য আর্থিক সহায়তাও পেয়েছেন।

 

এদিকে তাদের বড় মেয়ে মেরি কেট জনসনও বাবা-মায়ের পথ অনুসরণ করেছেন। তার নিজের ১৪ সন্তানের মধ্যে চারজনকে তিনি ঘানা থেকে দত্তক নিয়েছেন। তিনি বাবা-মায়ের বাড়ি থেকে অল্প দূরেই থাকেন এবং বলেন, নতুন ভাইবোন পরিবারে আসার প্রতিটি মুহূর্তই ছিল আনন্দের।

 

দীর্ঘ কয়েক দশকের অভিজ্ঞতায় সন্তানদের জন্য কিছু নিয়মে নমনীয় হলেও পারিবারিক মূল্যবোধ ধরে রেখেছেন ব্রিগস দম্পতি। তাদের দাবি, বড় পরিবার হলেও সময়মতো সবাইকে নিয়ে গির্জায় পৌঁছানো বা পারিবারিক দায়িত্ব ভাগাভাগি করার ক্ষেত্রে তারা এখনো শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সক্ষম।

 

আর ভবিষ্যতে আবারও কোনো শিশুকে দত্তক নেবেন কি না, এমন প্রশ্নে জিন ব্রিগস হাসতে হাসতে বলেন, যদি কোনো অসহায় শিশুর প্রয়োজন হয়, তাহলে বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনা করবেন, তবে এবার তিনি চান শিশুটি যেন নবজাতক না হয়।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে আদালতে গেছে নিউইয়র্ক সিটি। ছবি: সংগৃহীত
অভিবাসীদের সরকারি সুবিধা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নীতির বিরুদ্ধে নিউইয়র্ক সিটির মামলা

অভিবাসীদের সরকারি সুবিধা গ্রহণের বিষয়টি ভিসা ও গ্রিন কার্ডের আবেদন মূল্যায়নে বিবেচনায় নেওয়ার সুযোগ বাড়ানো ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন ‘পাবলিক চার্জ’ নীতির বিরুদ্ধে মামলা করেছে নিউইয়র্ক সিটি। মেয়র জোহান মামদানি সোমবার এ তথ্য জানিয়েছেন।   ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে করা মামলায় নিউইয়র্ক সিটির নেতৃত্বে একাধিক স্থানীয় সরকার এই নীতির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেছে। মামলাকারীদের দাবি, নতুন বিধির মাধ্যমে ফেডারেল সরকার ‘পাবলিক চার্জ’ ধারণার প্রচলিত ও দীর্ঘদিনের আইনি ব্যাখ্যার সীমা অতিক্রম করেছে।   ট্রাম্প প্রশাসন চলতি বছরের জুলাইয়ে নতুন ‘পাবলিক চার্জ’ বিধি প্রকাশ করে। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে এটি কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। নতুন বিধির আওতায় নির্দিষ্ট ভিসা ও গ্রিন কার্ডের আবেদনকারীরা ভবিষ্যতে সরকারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারেন কি না, তা মূল্যায়নের সময় আগের তুলনায় বিস্তৃত পরিসরের সরকারি সুবিধা বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে।   এর মধ্যে আয়ভিত্তিক সরকারি স্বাস্থ্যসেবা, খাদ্য সহায়তা এবং আবাসন সহায়তার মতো সুবিধা রয়েছে। তবে কোনো অভিবাসী এসব সুবিধার একটি গ্রহণ করলেই তার ভিসা বা গ্রিন কার্ডের আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে, এমন বিধান নেই। কর্মকর্তারা আবেদনকারীর সামগ্রিক আর্থিক ও ব্যক্তিগত পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন।   নিউইয়র্ক সিটির মামলায় বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে ‘পাবলিক চার্জ’ শব্দটি দীর্ঘদিন ধরে এমন ব্যক্তিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে, যিনি মূলত সরকারের কাছ থেকে নগদ সহায়তার ওপর জীবিকা নির্বাহের জন্য নির্ভরশীল। মামলাকারীদের মতে, সাময়িক, সম্পূরক বা নগদ নয় এমন সরকারি সুবিধাকে এই ধারণার আওতায় বিস্তৃতভাবে অন্তর্ভুক্ত করা ঐতিহাসিক আইনি ব্যাখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।   মামলায় আরও দাবি করা হয়েছে, কংগ্রেস অতীতে ‘পাবলিক চার্জ’ ধারণার পরিধি বাড়ানোর বিভিন্ন উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। ফলে প্রশাসনিকভাবে নতুন বিধির মাধ্যমে এর অর্থ ও প্রয়োগের ক্ষেত্র ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণ করা আইনগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।   মেয়র মামদানি বলেন, নতুন নীতি অভিবাসী পরিবারগুলোকে এমন সরকারি কর্মসূচি থেকেও দূরে সরিয়ে দিতে পারে, যেগুলো তারা আইন অনুযায়ী পাওয়ার অধিকার রাখে। তার আশঙ্কা, প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা, খাদ্য সহায়তা বা আবাসন সহায়তা নেওয়ার ক্ষেত্রেও অভিবাসীদের মধ্যে ভয় তৈরি হতে পারে।   মামদানি বলেন, নিউইয়র্কের অভিবাসী সম্প্রদায় কোনো বোঝা নয়। তারা শহর ও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাদের মর্যাদা ও নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের সুযোগ নিশ্চিত করতে শহর কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব আইনি পদক্ষেপ নেবে বলেও জানান তিনি।   নিউইয়র্ক সিটির সঙ্গে শিকাগো ও সিয়াটলসহ আরও কয়েকটি স্থানীয় সরকার এই আইনি চ্যালেঞ্জে যুক্ত হয়েছে। তাদের মূল উদ্বেগ হলো, নতুন নীতি কার্যকর হলে বৈধভাবে সরকারি সহায়তা পাওয়ার যোগ্য অভিবাসীরাও প্রয়োজনীয় সুবিধা নেওয়া থেকে বিরত থাকতে পারেন।   যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকার অবশ্য নতুন নীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। সরকারের বক্তব্য, অভিবাসন আইনে আবেদনকারীদের ভবিষ্যতে সরকারের ওপর নির্ভরশীল হওয়ার সম্ভাবনা বিবেচনার সুযোগ রয়েছে এবং নতুন বিধি সেই আইনগত কাঠামোকে আরও কার্যকরভাবে প্রয়োগ করবে।   যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা জানিয়েছে, অভিবাসীদের নিজেদের আর্থিকভাবে সক্ষম থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করা এই নীতির অন্যতম উদ্দেশ্য। কোনো আবেদনকারীর ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় শুধু একটি সরকারি সুবিধা গ্রহণের তথ্য নয়, বরং তার বয়স, স্বাস্থ্য, আয়, সম্পদ, পারিবারিক পরিস্থিতি, চাকরি এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনা করা হবে।   যুক্তরাষ্ট্রে ‘পাবলিক চার্জ’ নীতি দীর্ঘদিনের। তবে এর ব্যাখ্যা ও প্রয়োগ নিয়ে বিভিন্ন প্রশাসনের সময়ে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ২০১৯ সালে এই নীতির পরিধি বাড়ানো হয়েছিল। পরে বাইডেন প্রশাসন ২০২২ সালে সেই বিস্তৃত বিধান বাতিল করে তুলনামূলকভাবে সীমিত কাঠামো চালু করে।   নতুন বিধি কার্যকর হওয়ার আগেই নিউইয়র্কসহ কয়েকটি স্থানীয় সরকারের করা মামলার কারণে বিষয়টি আবার আদালতের সামনে এসেছে। এখন আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন ‘পাবলিক চার্জ’ নীতি নির্ধারিত সময়ে কার্যকর হবে কি না এবং এর কতটা অংশ বাস্তবে প্রয়োগ করা যাবে।   নিউইয়র্ক সিটির মেয়রের অভিবাসনবিষয়ক কার্যালয় অভিবাসন-সংক্রান্ত আইনি সহায়তা প্রয়োজন এমন বাসিন্দাদের নিরাপদ ও গোপনীয় আইনি সহায়তার জন্য শহরের হটলাইনে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে।   সূত্র: রয়টার্স

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ ২০:৪৬
মিয়ামিগামী আমেরিকান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে যাত্রীকে ঘিরে গোলযোগের অভিযোগ

সম্পূর্ণ পোশাক খুলে আশপাশের যাত্রীদের সঙ্গে অশা লী ন আচরণ, নারী আ ট ক

চীনে সফরকালে পরিবারের সঙ্গে মার্কিন গবেষক মিন জিনের একটি পুরোনো ছবি

চীনে আমন্ত্রণ পেয়ে গেলেন মার্কিন গবেষক, এরপরই আ ট ক

এআইয়ের ঝুঁকিকে ‘হোক্স’ বললেন ট্রাম্প

এআই নিয়ে সতর্কবার্তাকে ভিত্তিহীন প্রচারণা বলে উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প, ডেটা সেন্টার নিয়েও ক্ষোভ

আটলান্টায় ভাড়াটিয়াদের জন্য ৫০০ ডলারের সুদমুক্ত ঋণ কর্মসূচি
ভাড়া দিতে আটলান্টায় মিলবে ৫০০ ডলারের সুদমুক্ত ঋণ, নেই ক্রেডিট চেকও

যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা শহরে আর্থিক সংকটে থাকা ভাড়াটিয়াদের উচ্ছেদ ঠেকাতে নতুন একটি সুদমুক্ত ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচি চালু করেছে নগর কর্তৃপক্ষ। ‘নো-ফি মাইক্রোলোন অ্যান্টি-ডিসপ্লেসমেন্ট প্রোগ্রাম’ নামে এই উদ্যোগের মাধ্যমে যোগ্য পরিবারগুলোকে সর্বোচ্চ ৫০০ ডলার পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হবে। ঋণ নিতে কোনো ফি, সুদ বা জামানত দিতে হবে না।   আটলান্টার মেয়র আন্দ্রে ডিকেন্সের কার্যালয় জানিয়েছে, দুই বছরের পরীক্ষামূলক কর্মসূচিটির লক্ষ্য হলো সাময়িক আর্থিক সংকটে পড়া পরিবারগুলোকে বাসাভাড়া পরিশোধে সহায়তা করা। এতে ভাড়া দিতে না পারার কারণে কোনো পরিবার যেন হঠাৎ করে উচ্ছেদের মুখে না পড়ে, সেটিই মূল উদ্দেশ্য।   এই কর্মসূচির সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো—ঋণ পেতে ক্রেডিট চেক, সুদ, ফি, ক্রেডিট রিপোর্টিং কিংবা কালেকশন প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হবে না। এমনকি ঋণের জন্য কোনো জামানতও দিতে হবে না। ফলে প্রচলিত ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যায় থাকা ভাড়াটিয়ারাও এই সহায়তার সুযোগ পেতে পারেন।   তবে ৫০০ ডলারের ঋণটি পুরোপুরি ফেরত দিতে হবে। ঋণগ্রহীতাদের প্রতি সপ্তাহে ২০ ডলার করে মোট ২৫ সপ্তাহে অর্থটি পরিশোধ করতে হবে। কোনো সুদ বা অতিরিক্ত জরিমানাও দিতে হবে না।   মেয়র আন্দ্রে ডিকেন্স বলেন, অনেক সময় সাময়িক সংকট ও স্থিতিশীলতার মধ্যে পার্থক্য হতে পারে মাত্র কয়েকশ ডলার। তার মতে, এই কর্মসূচি পরিবারগুলোকে নিজেদের ঘরে থাকতে সহায়তা করবে এবং সাময়িক আর্থিক সমস্যাকে উচ্ছেদের মতো বড় সংকটে পরিণত হওয়া ঠেকাতে সাহায্য করবে।   এই উদ্যোগটি আটলান্টার সম্প্রতি অনুমোদিত ‘নেইবারহুড রিইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভ’-এর অংশ। প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলারের এই বৃহৎ প্রকল্পের লক্ষ্য শহরের আবাসন ও জীবনযাত্রার ব্যয় আরও সহনীয় করা এবং বিভিন্ন এলাকায় বিনিয়োগ বাড়ানো।   প্রাথমিকভাবে কর্মসূচির জন্য আটলান্টা শহর ৫০ হাজার ডলার দিচ্ছে। এয়ারবিএনবিও ঋণের খরচ বাবদ আরও ৫০ হাজার ডলার দিয়েছে। পাশাপাশি কমিউনিটি ফাউন্ডেশন অব গ্রেটার আটলান্টা এবং উইলিয়াম জোসেফ ফাউন্ডেশন—দুটি প্রতিষ্ঠান ঋণের মূলধন হিসেবে ১ লাখ ৫০ হাজার ডলার করে দিয়েছে।   ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠিত অলাভজনক সংস্থা ফ্ল্যাগস্টোন ইনিশিয়েটিভ দুই বছরের পরীক্ষামূলক সময়ে আটলান্টা শহরের হয়ে কর্মসূচিটি পরিচালনা করবে। যোগ্য ভাড়াটিয়ারা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন অথবা আটলান্টার হাউজিং হেল্প সেন্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ ১৯:৮
আইসিই কর্মকর্তার পরিবারকে হু ম কি দাতা হোসে

আইসিই কর্মকর্তার পরিবারকে হু মকির অভিযোগে গুয়াতেমালার নাগরিক আ টক

যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও ভিসা নীতির প্রতীকী চিত্র

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভিসার মেয়াদ সীমিত করার ট্রাম্প প্রশাসনের পরিকল্পনা আটকে দিল আদালত

বিদেশে সামরিক অভিযানে মার্কিন চার সেনা

ইরানসহ বিদেশে অভিযানে ৪০৬ মার্কিন সেনা আ হ ত, ৪ জন সেনা নি হ তের তথ্য প্রকাশ পেন্টাগনের

বাংলাদেশের ফ্লাইটে কম ভাড়া পেতে জেনে নিন বুকিংয়ের কৌশল
কম দামে বিমানের টিকিট পেতে কখন কাটবেন? যে কৌশলে সাশ্রয় হতে পারে অনেক টাকা

বাংলাদেশে ভ্রমণের জন্য বিমানের টিকিট কম দামে পেতে হলে শুধু কখন টিকিট কাটছেন, সেটিই নয়, বরং কোন সময়ে ভ্রমণ করছেন এবং কতটা আগে বুকিং করছেন, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। যাত্রার সময় কিছুটা নমনীয় রাখা, আগেভাগে ভাড়া পর্যবেক্ষণ করা এবং সপ্তাহের মাঝামাঝি দিনের ফ্লাইট বেছে নেওয়ার মতো কৌশলে অনেক সময় টিকিটের খরচ কমানো সম্ভব।   নিউ ইয়র্ক ও আটলান্টা ভিত্তিক বাংলা ট্রাভেলের এজেন্ট আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, বাংলাদেশে যাতায়াতের ক্ষেত্রে তুলনামূলক কম দামে টিকিট পাওয়ার একটি ভালো সময় হলো অফ সিজন। তার মতে, সাধারণত জানুয়ারি থেকে মার্চ এবং সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবরের সময় ভ্রমণের চাহিদা তুলনামূলক কম থাকায় এই সময়ে ভালো ভাড়া পাওয়ার সুযোগ থাকে।   তার পরামর্শ, একেবারে শেষ মুহূর্তে টিকিট কাটার পরিবর্তে আগে থেকেই পরিকল্পনা করা ভালো। সাধারণভাবে অন্তত এক মাস আগে বুকিং করার পরামর্শ দিলেও তিনি দুই থেকে তিন মাস আগে টিকিটের দাম পর্যবেক্ষণ করে বুকিং করার কথা বলেন। কারণ বিমান ভাড়া প্রতিদিন পরিবর্তিত হতে পারে এবং একই রুটের টিকিটের দামও সময়ভেদে ওঠানামা করে।   আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হলো যাত্রার দিন নিয়ে কিছুটা নমনীয় থাকা। আব্দুল্লাহ আল মামুনের মতে, মঙ্গলবার ও বুধবারের মতো সপ্তাহের মাঝামাঝি দিনে ফ্লাইট নিলে অনেক সময় তুলনামূলক কম ভাড়া পাওয়া যায়। গুগল ফ্লাইটস এর সাম্প্রতিক বিশ্লেষণেও দেখা গেছে, সোমবার, মঙ্গলবার ও বুধবারে উড়লে সপ্তাহান্তের তুলনায় গড়ে প্রায় ১৩ শতাংশ কম ভাড়া পাওয়া গেছে। তবে এটি কোনো নির্দিষ্ট রুটে প্রতিবার একইভাবে প্রযোজ্য নয়।   তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি, মঙ্গলবার বা বুধবারে টিকিট কাটলেই যে কম দাম পাওয়া যাবে, এমন নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। গুগল এর তথ্য অনুযায়ী, সপ্তাহের কোন দিনে টিকিট কেনা হচ্ছে, তার প্রভাব তুলনামূলকভাবে খুবই কম। তাই শুধু মঙ্গলবার আসার অপেক্ষায় না থেকে ভাড়া ভালো থাকলে আগেই বুকিং করা বেশি যুক্তিযুক্ত।   অনলাইনেও রয়েছে বেশ কিছু কার্যকর কৌশল। গুগল ফ্লাইটস এর প্রাইস ট্র্যাকিং চালু করলে নির্দিষ্ট রুট বা ফ্লাইটের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমলে ই-মেইল বা নোটিফিকেশন পাওয়া যায়। যাদের যাত্রার তারিখে নমনীয়তা আছে, তারা নির্দিষ্ট তারিখের পরিবর্তে এনি ডেটস অপশন ব্যবহার করে কম ভাড়ার সুযোগ খুঁজতে পারেন।   আরেকটি সুবিধা হলো ফ্লেক্সিবল ডেটস বা ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা। একই গন্তব্যে একদিন আগে বা পরে যাত্রা করলেই কখনো কখনো ভাড়ায় বড় পার্থক্য দেখা যায়। গুগল ফ্লাইটস এর ক্যালেন্ডার ও প্রাইস গ্রাফ ব্যবহার করে বিভিন্ন দিনের ভাড়া একসঙ্গে তুলনা করা যায়। পাশাপাশি কাছাকাছি একাধিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইটের দামও যাচাই করা যেতে পারে।   বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের মতো আন্তর্জাতিক রুটের ক্ষেত্রে আরও একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। গুগল এর ২০২৫ সালের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে সাধারণত আগেভাগে বুকিং করার প্রবণতাই ভালো ফল দেয়। তবে নির্দিষ্ট রুট ও যাত্রার তারিখ অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো সময় ভিন্ন হতে পারে। তাই একটি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ না করে নিজের রুটের ভাড়া কিছুদিন পর্যবেক্ষণ করা বেশি কার্যকর।   কম দামের টিকিট খুঁজতে গিয়ে শুধু মূল ভাড়া দেখলেও চলবে না। লাগেজ ফি, সিট নির্বাচনের খরচ, দীর্ঘ লে-ওভার, বিমানবন্দর পরিবর্তন কিংবা আলাদা টিকিটে যাত্রার মতো অতিরিক্ত বিষয় থাকলে শেষ পর্যন্ত মোট খরচ বেড়ে যেতে পারে। তাই বুকিংয়ের আগে সব অতিরিক্ত খরচ যোগ করে মোট ভাড়া তুলনা করা জরুরি।   সব মিলিয়ে কম দামে বিমানের টিকিট পেতে সবচেয়ে কার্যকর কৌশল হতে পারে অফ সিজনে ভ্রমণের পরিকল্পনা, দুই থেকে তিন মাস আগে থেকেই ভাড়া পর্যবেক্ষণ, সপ্তাহের মাঝামাঝি দিনের ফ্লাইট বিবেচনা, ফ্লেক্সিবল ডেটস ব্যবহার এবং প্রাইস ট্র্যাকিং চালু রাখা। তবে কোনো কৌশলই প্রতিটি রুটে কম দাম নিশ্চিত করে না। ভ্রমণের মৌসুম, চাহিদা, আসনসংখ্যা এবং এয়ারলাইন্সের মূল্য নির্ধারণের ওপর নির্ভর করে টিকিটের দাম পরিবর্তিত হয়।    

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ ১৭:৩২
‘পাবলিক চার্জ’ নীতির বিরুদ্ধে নিউইয়র্ক সিটির মামলা

গ্রিন কার্ড নিয়ে উদ্বেগ নতুন ‘পাবলিক চার্জ’ নীতির বিরুদ্ধে নিউইয়র্ক সিটির মামলা

নিউইয়র্কে দুই বছর বয়সী শিশুদের জন্য বিনামূল্যের ২-কে কর্মসূচি

নিউইয়র্কে শিশুদের ফ্রি চাইল্ডকেয়ার, বছরে বাঁচবে ২৬ হাজার ডলার

লস অ্যাঞ্জেলেসে কয়েক ঘণ্টায় প্রায় ৯০টি ক্ষুদ্র ভূমিকম্প

দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় ৯০টি ক্ষুদ্র ভূমিকম্প, লস অ্যাঞ্জেলেসের বিস্তীর্ণ এলাকায় কম্পন

0 Comments