সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

ধীর গতিতে চলছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি: দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি কমে দাঁড়িয়েছে ১.৫ শতাংশে

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ৩০, ২০২৬ ১০:৩৯
চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে দাঁড়িয়েছে ১.৫ শতাংশে। ছবি: সংগৃহীত
চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে দাঁড়িয়েছে ১.৫ শতাংশে। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির গতি উল্লেখযোগ্যভাবে মন্থর হয়ে এসেছে। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) দেশটির মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি বার্ষিক হিসেবে ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বাজার বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের চেয়ে বেশ কম। এর আগে বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) প্রবৃদ্ধির হার ছিল সংশোধিত ২.১ শতাংশ।

 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের অন্তর্ভুক্ত বিউরো অব ইকোনমিক অ্যানালাইসিসের প্রকাশিত প্রাথমিক প্রাক্কলন বা অ্যাডভান্স এস্টিমেটে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে অর্থনীতিবিদরা দ্বিতীয় প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ২.১ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। মূলত সরকারি ব্যয় কমে যাওয়া এবং ব্যবসায়িক বিনিয়োগ ও রপ্তানির গতি মন্থর হওয়ায় সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এই ধীরগতি দেখা দিয়েছে। যদিও এই সময়ের মধ্যে ভোক্তাদের ব্যয় এবং ব্যক্তিগত খাতের অভ্যন্তরীণ চাহিদা ইতিবাচক অবস্থানে ছিল।

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দ্বিতীয় প্রান্তিকে অর্থনৈতিক কার্যকলাপের মূল চালিকাশক্তি ছিল ভোক্তা ব্যয়, বিনিয়োগ ও রপ্তানি বৃদ্ধি, যা সরকারি খাতের ব্যয়ের পতনের কারণে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ব্যক্তিগত খাতের অভ্যন্তরীণ চাহিদার মূল পরিমাপক ‘রিয়েল ফাইনাল সেলস টু প্রাইভেট ডমেস্টিক পারচেজার্স’ ৩.৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা প্রথম প্রান্তিকে ছিল মাত্র ১.৭ শতাংশ। অন্যদিকে, জিডিপি গণনার সময় আমদানি ব্যয় বাদ দেওয়া হয়, এবং এই প্রান্তিকে আমদানির পরিমাণ আগের তুলনায় বেশি ছিল।

 

এদিকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি শ্লথ হলেও এই প্রান্তিকে মূল্যস্ফীতির চাপ বেশ অনেকটাই বেড়েছে। দেশটির গ্রস ডমেস্টিক পারচেসেস প্রাইস ইনডেক্স ৫.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগের তিন মাসের সময়সীমায় ছিল ৩.৬ শতাংশ। পাশাপাশি, ব্যক্তিগত খরচ বা পিসিই মূল্যসূচক বেড়ে ৫.১ শতাংশ হয়েছে, যা প্রথম প্রান্তিকে ছিল ৪.৬ শতাংশ। তবে স্বস্তির বিষয় হলো—খাদ্য ও জ্বালানির মতো অস্থিতিশীল খাতগুলো বাদ দিয়ে পরিমাপ করা মূল পিসিই মূল্যস্ফীতি ৪.৪ শতাংশ থেকে কমে ৩.৪ শতাংশে নেমে এসেছে। একই সাথে বর্তমান ডলারে হিসাবকৃত জিডিপি এই প্রান্তিকে বার্ষিক ৭.৯ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

 

বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে, তা সামনের দিনগুলোতে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রানীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে। বাণিজ্য বিভাগ পরবর্তীতে এই প্রবৃদ্ধির আরও দুটি সংশোধিত প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।

 

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
নিউইয়র্কে সরকারি-বেসরকারি খাতে নতুন নিয়োগ
চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সুখবর! নিউইয়র্কে সরকারি-বেসরকারি খাতে নতুন নিয়োগ

নিউইয়র্ক সিটি ও স্টেট সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতেও বিভিন্ন পদে নিয়োগ চলছে। ১৩ সেপ্টেম্বরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নিউইয়র্ক সিটির Department for the Aging, Administration for Children’s Services এবং অন্যান্য সরকারি দপ্তরে একাধিক পদে আবেদন নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে হসপিটালিটি খাতেও নতুন চাকরির সুযোগ রয়েছে। চাকরিপ্রার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সরকারি চাকরির অনেক পদে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিউইয়র্ক সিটিতে বসবাসের শর্ত প্রযোজ্য।    নিউইয়র্ক সিটির Department for the Aging বা NYC Aging-এ Community Coordinator পদে Job Developer নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি রয়েছে। পদটির বেতন ৬২ হাজার ৮৬৮ ডলার থেকে ৭২ হাজার ২৯৮ ডলার পর্যন্ত। কর্মস্থল ২ লাফায়েট স্ট্রিট, ম্যানহাটন। সরকারি চাকরির অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে এই পদের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।    NYC Aging-এর বর্তমান ক্যারিয়ার পেজেও একাধিক পদে নিয়োগের তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে Community Coordinator, City Research Scientist II, Principal Administrative Associate III, Administrative Staff Analyst এবং Aging Specialist ধরনের পদ রয়েছে। ফলে যারা সিটি সরকারের চাকরিতে আগ্রহী, তাদের জন্য একাধিক বিভাগে সুযোগ খোলা রয়েছে।    এদিকে নিউইয়র্ক সিটির Administration for Children’s Services বা ACS আজ ১৪ সেপ্টেম্বর একটি সরাসরি Hiring Event আয়োজন করছে। ২ লাফায়েট স্ট্রিটে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত আয়োজিত এই ইভেন্টে Case Manager পদে নিয়োগের সুযোগ রয়েছে। পদগুলো Division of Youth and Family Justice-এর অধীনে Crossroads বা Horizon Juvenile Detention Facility-তে কাজের জন্য। যোগ্য প্রার্থীদের ঘটনাস্থলেই ইন্টারভিউ এবং শর্তসাপেক্ষে চাকরির অফার পাওয়ার সুযোগ থাকতে পারে।    Case Manager পদের জন্য বিভিন্ন শিক্ষাগত ও অভিজ্ঞতার যোগ্যতা রয়েছে। চার বছরের কলেজ ডিগ্রির সঙ্গে কমিউনিটি ওয়ার্ক, কাউন্সেলিং, সোশ্যাল ওয়ার্ক, যুব উন্নয়ন বা রিহ্যাবিলিটেশন ক্ষেত্রে অন্তত দুই বছরের পূর্ণকালীন অভিজ্ঞতা থাকলে একটি পথে আবেদন করা যায়। হাইস্কুল ডিপ্লোমার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ছয় বছরের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেও যোগ্যতার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া শিক্ষা ও অভিজ্ঞতার সমন্বিত যোগ্যতার পথও রাখা হয়েছে।    নিউইয়র্ক সিটির সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে Residency Requirement-ও গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণভাবে নিয়োগের পর ৯০ দিনের মধ্যে নিউইয়র্ক সিটিতে বসবাস প্রতিষ্ঠা করতে হয়। কিছু নির্দিষ্ট পদ ও কর্মীদের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রয়েছে। তাই আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট চাকরির বিজ্ঞপ্তিতে residency requirement কীভাবে প্রযোজ্য, তা দেখে নেওয়া জরুরি।    বেসরকারি খাতেও নিউইয়র্কে নিয়োগ অব্যাহত রয়েছে। হসপিটালিটি খাতে OysterLink-এর বর্তমান তালিকায় নিউইয়র্ক সিটিতে Private Chef-এর ৬২টি চাকরির সুযোগ দেখা যাচ্ছে। এসব পদের মধ্যে কিছু চাকরিতে ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার ডলার পর্যন্ত বার্ষিক বেতনের সুযোগ রয়েছে। তবে পদ, নিয়োগকর্তা, অভিজ্ঞতা এবং কাজের ধরন অনুযায়ী বেতন ও সুবিধা ভিন্ন হতে পারে।    বর্তমান চাকরির বাজারে শুধু সরকারি চাকরিই নয়, রেস্টুরেন্ট, হোটেল, প্রাইভেট হাউসহোল্ড এবং অন্যান্য হসপিটালিটি প্রতিষ্ঠানে দক্ষ কর্মীদের জন্যও সুযোগ রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে OysterLink-এর তালিকায় নিউইয়র্কে Private Chef ছাড়াও Sous Chef, Executive Chef এবং অন্যান্য কুলিনারি পদের বিজ্ঞপ্তি রয়েছে। কিছু পদে হেলথ ইন্স্যুরেন্স, পেইড টাইম অফ, রিটায়ারমেন্ট প্ল্যানসহ বিভিন্ন সুবিধার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।    চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তার সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি যাচাই করা। সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে City of New York-এর Jobs পোর্টাল এবং সংশ্লিষ্ট সিটি এজেন্সির ক্যারিয়ার পেজে যোগ্যতা, বেতন, কর্মস্থল, আবেদন শেষ হওয়ার তারিখ ও residency requirement দেখে আবেদন করা উচিত। কারণ চাকরির সংখ্যা, বেতন এবং আবেদন শেষ হওয়ার সময় পরিবর্তিত হতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ ৪:৩০
মেরিল্যান্ডে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ব্যাটন দিয়ে পেটালো আইসিই

মেরিল্যান্ডে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ব্যাটন দিয়ে পেটালো আইসিই, তদন্তের দাবি

এআই প্রতিযোগিতায় জয়ী দেশই এগিয়ে থাকবে

এআই প্রতিযোগিতায় জয়ী দেশই এগিয়ে থাকবে, চীনের সঙ্গে জিততে চান ট্রাম্প

বিদ্রুপ ও আপত্তি সত্বেও  ৯/১১ স্মরণে উপস্থিত মামদানি

বিদ্রুপ ও আপত্তি সত্বেও ৯/১১ স্মরণে উপস্থিত মামদানি, স্মরণানুষ্ঠান শেষ হওয়া পর্যন্ত পাশে ছিলেন তিনি

পেন স্টেটের ফ্র্যাট হাউসে কোকেন ভাগ করে করা হচ্ছে প্যাকেট
পেন স্টেটের ফ্র্যাট হাউসে কোকেন ভাগ করে করা হচ্ছে প্যাকেট, ক্যাম্পাসে বাড়ছে মাদকঝুঁকি

যুক্তরাষ্ট্রের পেন স্টেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের জড়িত একটি বড় কোকেন পাচার চক্রের অভিযোগ সামনে আসার পর কলেজ ক্যাম্পাসে মাদক ব্যবহারের বিস্তার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পেনসিলভানিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ ও ২০২৪ সালে দুইটি অফ ক্যাম্পাস ফ্র্যাটারনিটি হাউসকে কেন্দ্র করে কোকেন কেনাবেচার অভিযোগে ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৩ জন ওই সময় পেন স্টেটের শিক্ষার্থী ছিলেন।    তদন্তকারীদের অভিযোগ, ডেল্টা আপসিলন ও সিগমা চি ফ্র্যাটারনিটি হাউসে কোকেন এনে তা ভাগ করে প্যাকেট করা হতো। পরে মূলত পেন স্টেটের শিক্ষার্থীদের কাছেই এসব মাদক বিক্রি করা হতো। তদন্তে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত দুই মূল সরবরাহকারী ফিলাডেলফিয়া ও নিউইয়র্কে নিয়মিত যাতায়াত করে বড় পরিমাণ কোকেন সংগ্রহ করতেন।    পেনসিলভানিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল ডেভ সানডের কার্যালয় জানিয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন ফ্র্যাটারনিটির নতুন সদস্য বা pledges ছিলেন। তদন্তকারীদের দাবি, তাদের কেউ কেউ ফ্র্যাটারনিটিতে অন্তর্ভুক্তির অংশ হিসেবে কোকেন কাটিং ও প্যাকেজিংয়ের কাজে যুক্ত হয়েছিলেন। তবে এসব অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং সব আসামিই আইন অনুযায়ী নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন, যতক্ষণ না আদালতে তাদের দোষ প্রমাণিত হয়।    মামলার অন্যতম অভিযুক্ত অ্যাগোস্টিনো অ্যাবাতিয়েলোকে তদন্তকারীরা চক্রটির প্রধান সরবরাহকারী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তার বিরুদ্ধে কোকেন সরবরাহ ও ষড়যন্ত্রসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। আগস্টে তিনি পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন এবং তার প্রাথমিক কোর্ট হিয়ারিংয়ে জামিন নাকচ করা হয়। পরে সেপ্টেম্বরে তার বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগগুলো কাউন্টি কোর্টে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়।    তদন্তে উঠে এসেছে আরও একজন গুরুত্বপূর্ণ অভিযুক্তের নাম, থমাস রবিনসন। আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালে গোপন তথ্যদাতার মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। তদন্তকারীদের দাবি, তিনি ডেল্টা আপসিলন হাউস থেকে কোকেন বিক্রি করতেন এবং বিভিন্ন লেনদেনে পেমেন্ট অ্যাপ ব্যবহার করা হয়েছিল। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।    এই মামলায় রবিনসনের বাবার বিরুদ্ধেও অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, তিনি মাদক ও নগদ অর্থ থাকা একটি সেফ লুকিয়ে প্রমাণ গোপন এবং তদন্তে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে তার বিরুদ্ধেও অভিযোগগুলো এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।    পেন স্টেটের ঘটনাটি কলেজ ক্যাম্পাসে মাদক পাচারের বৃহত্তর প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে মাদক পাচারের পৃথক তদন্তে শিক্ষার্থীদের জড়িত থাকার ঘটনাও সামনে এসেছে। তবে পেন স্টেটের এই মামলাকে কেন্দ্র করে পুরো যুক্তরাষ্ট্রের কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদক ব্যবহারের হার বেড়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো জাতীয় পর্যায়ের প্রমাণ এই তদন্ত একাই দেয় না।   স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা অবশ্য সতর্ক করছেন, কলেজ বয়সী তরুণদের মধ্যে কোকেনের পাশাপাশি অন্যান্য স্টিমুল্যান্ট ও ভেজাল মাদকের ব্যবহারও উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠছে। বিশেষ করে অবৈধ মাদকে অন্য ক্ষতিকর উপাদান মিশে থাকার ঝুঁকি থাকায় ব্যবহারকারীরা কী গ্রহণ করছেন, তা অনেক সময় নিশ্চিতভাবে জানেন না।   পেন স্টেটের ঘটনাটি এখনো চলমান আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। সেপ্টেম্বরে কয়েকজন অভিযুক্তের মামলা কাউন্টি কোর্টে পাঠানো হয়েছে এবং আরও কয়েকজনের প্রাথমিক শুনানি অক্টোবরের জন্য নির্ধারিত রয়েছে। ফলে তদন্তে উঠে আসা অভিযোগগুলোর পূর্ণ সত্যতা আদালতের পরবর্তী কার্যক্রমেই নির্ধারিত হবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ ২:৪৮
আইসিইর আটক নিয়ে প্রশ্ন তোলার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বরখাস্ত

আইসিইর আটক নিয়ে প্রশ্ন তোলার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বরখাস্ত, ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে সাবেক বিচারকের মামলা

ফ্লোরিডার লেকল্যান্ডে জলাভূমির মধ্যে দুই শিশুকে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশি অভিযানে আটক হন আইজ্যাক কিনসে। ছবি: সংগৃহীত

ফ্লোরিডায় পুলিশের তাড়া খেয়ে দুই শিশুকে নিয়ে কুমিরভর্তি জলাভূমিতে পালালেন বাবা

পানি সংরক্ষণে ‘ওয়াটার সেভার’ ওয়েব অ্যাপ তৈরি করেছে ১৩ বছর বয়সী নেহা ব্লান্ট। ছবি: সংগৃহীত

পানির অপচয় ঠেকাতে ১৩ বছর বয়সেই অ্যাপ তৈরি, নেহার উদ্যোগে সাশ্রয় ২ কোটি গ্যালন পানি

চীনা ব্যবসায়ী শু বোকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে সারোগেসি নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
সারোগেট মা হয়ে জানলেন অনাগত সন্তানের বাবার আরও ৩০০ সন্তান রয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার এক নারী সারোগেট হিসেবে একটি শিশুকে গর্ভে ধারণ করার পর জানতে পারেন, শিশুটির অভিপ্রেত বাবা চীনা ধনকুবের শু বো। ওই ব্যবসায়ী যুক্তরাষ্ট্রে সারোগেসির মাধ্যমে শতাধিক সন্তানের বাবা হয়েছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তাঁর সাবেক সঙ্গী আবার দাবি করেছেন, তাঁর সন্তানের সংখ্যা ৩০০-এরও বেশি।   নিজের পরিচয় গোপন রাখতে সিবিএস নিউজ ওই নারীকে ‘জুডি’ নামে পরিচয় করিয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, সারোগেসির জন্য চুক্তি করার সময় শিশুটির বাবা সম্পর্কে তাঁকে পর্যাপ্ত তথ্য দেওয়া হয়নি। পরে বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ওই ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করলেও এখন পর্যন্ত তা সম্ভব হয়নি।   জুডি সিবিএস নিউজকে বলেন, সন্তানটি কার জন্য ধারণ করছেন এবং সেই পরিবারের পরিচয় সম্পর্কে শুরুতেই সারোগেসি সংস্থার আরও স্বচ্ছ হওয়া উচিত ছিল। তাঁর ভাষায়, বিষয়টি তাঁকে ভাবতে বাধ্য করেছে, শিশুটির অভিপ্রেত বাবাকে জানার অধিকার তাঁর আদৌ আছে কি না।   জুডির সারোগেসির যাত্রা শুরু হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি বিজ্ঞাপন দেখে। সেখানে সারোগেট হওয়ার বিনিময়ে ১ লাখ ২০ হাজার ডলার দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। সাত বছর বয়সী এক কন্যাসন্তানকে একা বড় করা জুডি নিজের ও মেয়ের জন্য একটি ভালো বাসস্থান তৈরি করার সুযোগ হিসেবে বিষয়টি দেখেছিলেন।   পরে তিনি প্যাট্রিয়ট কনসেপশন্স নামের একটি সারোগেসি সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সংস্থাটি শিশুটির অভিপ্রেত বাবাকে এমন একজন একক বাবা হিসেবে উপস্থাপন করেছিল, যিনি তাঁর পরিবার আরও বড় করতে চান।   তবে পরে জুডি জানতে পারেন, একই ব্যক্তির জন্য আরও অনেক নারী সারোগেট হিসেবে সন্তান ধারণ করছেন। তাঁর দাবি, তাঁকে জানানো হয়েছিল, সংখ্যাটি প্রায় দুই ডজনের কাছাকাছি। এত সংখ্যক গর্ভধারণের বিষয়টি জানার পর উদ্বেগ তৈরি হলেও ইতোমধ্যে চুক্তি হয়ে যাওয়ায় এবং অর্থের প্রয়োজন থাকায় তিনি প্রক্রিয়াটি চালিয়ে যান।   জুডি বলেন, তাঁর বন্ধু ও স্বজনেরাও তাঁকে গর্ভধারণের প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করেছিলেন। তবে শিশুটির অভিপ্রেত বাবার সঙ্গে সরাসরি দেখা করার তাঁর একাধিক চেষ্টা সফল হয়নি।   শু বো চীনের অনলাইন গেমিং প্রতিষ্ঠান দুওইয়ের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি তুলনামূলকভাবে লোকচক্ষুর আড়ালে থাকেন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে তাঁর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কিছু পোস্ট এবং তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে সারোগেসির মাধ্যমে তাঁর শতাধিক সন্তান থাকতে পারে।   শুর সাবেক সঙ্গী তাং জিং অবশ্য আরও বড় দাবি করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, শু বো ৩০০-এর বেশি সন্তানের বাবা হয়েছেন। তাঁদের নিজেদেরও দুই কন্যাসন্তান রয়েছে এবং এ দুই সন্তানকে ঘিরে তাঁদের মধ্যে আইনি বিরোধ চলছে।   শুর সঙ্গে সম্পর্কিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি ভিডিও নিয়েও আলোচনা তৈরি হয়েছে। ২০২২ সালে প্রকাশিত ওই ভিডিওতে একটি বড় বাড়িতে কয়েক ডজন ছোট ছেলেকে দেখা যায়। ক্যামেরা তাঁদের দিকে এগিয়ে গেলে শিশুরা উঠে এসে চীনা ভাষায় ‘বাবা’ বলে ডাকতে থাকে বলে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে।   শু বো সম্পর্কে প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, তিনি বিপুলসংখ্যক সন্তান নেওয়ার বিষয়ে প্রকাশ্যে আগ্রহ দেখিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে ভবিষ্যতে তাঁর সন্তানদের ইলন মাস্কের সন্তানদের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার মতো কল্পনার কথাও উঠে এসেছে। তবে মাস্কের ক্ষেত্রেও নিজের বংশধারা বিস্তারের জন্য পরিচিতদের শুক্রাণু দেওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন দাবি রয়েছে, যা তিনি অস্বীকার করেছেন।   ২০২৩ সালের গ্রীষ্মে ক্যালিফোর্নিয়ার একটি আদালতে শু বো চারটি অনাগত শিশুর পাশাপাশি সারোগেসির মাধ্যমে জন্ম নেওয়া আরও অন্তত আটটি শিশুর ওপর অভিভাবকত্বের অধিকার পাওয়ার আবেদন করেছিলেন বলে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে। আদালত এ বিষয়ে একটি গোপন শুনানির আয়োজন করে এবং শু ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শুনানিতে অংশ নেন।   সেই শুনানিতে শু জানিয়েছিলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া ২০ বা তার বেশি সন্তানের বাবা হতে চান এবং তাঁর ব্যবসা ভবিষ্যতে সন্তানদের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি বিশেষ করে ছেলে সন্তান চাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।   ক্যালিফোর্নিয়ার ইরভাইনে তাঁর কয়েকজন সন্তান ন্যানিদের তত্ত্বাবধানে বসবাস করেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। শু আদালতে জানিয়েছিলেন, কাজের ব্যস্ততার কারণে তিনি তখনও অনেক সন্তানের সঙ্গে দেখা করেননি, তবে ভবিষ্যতে তাঁদের চীনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।   তবে আদালত তাঁর অভিভাবকত্বের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট অনাগত শিশুদের আইনি অবস্থান নিয়ে জটিলতা তৈরি হয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের সারোগেসি ব্যবস্থায় বিদেশি ধনী ব্যক্তিদের ব্যাপক ব্যবহারের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।   শুর প্রতিষ্ঠান দুওইয়ের এক প্রতিনিধি অবশ্য তাঁর বিষয়ে প্রকাশিত তথ্যের বড় একটি অংশকে অসত্য বলে দাবি করেছেন। তবে কোন তথ্যগুলো ভুল, সে বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি।   যুক্তরাষ্ট্রে বাণিজ্যিক সারোগেসি একটি বড় শিল্পে পরিণত হয়েছে। চীনে সারোগেসি আইনগতভাবে নিষিদ্ধ হওয়ায় কিছু চীনা নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রসহ বিদেশে এ ধরনের সেবার দিকে ঝুঁকছেন। যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুর নাগরিকত্বের বিষয়টিও কিছু বিদেশি অভিভাবকের কাছে অতিরিক্ত আকর্ষণ তৈরি করে বলে গবেষণা ও শিল্পসংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।   জুডির ঘটনা অবশ্য এই ব্যবস্থার আরেকটি দিক সামনে এনেছে। সারোগেট মায়েরা যাঁদের জন্য সন্তান ধারণ করছেন, তাঁদের পরিচয়, পরিবার ও একই সময়ে কতজন সারোগেট কাজ করছেন, এসব তথ্য কতটা স্বচ্ছভাবে জানানো হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।   সূত্র: সিবিএস নিউজ, দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ ২১:৩৭
ইরানে যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর উদ্ধার হওয়া মার্কিন বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা ব্রাভো। ছবি: সংগৃহীত

ইরানে যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর ৫০ ঘণ্টা আত্মগোপনে মার্কিন সেনা, জানালেন বেঁচে ফেরার অভিজ্ঞতা

যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা শেষে কাজ করতে গুনতে হতে পারে ১ লাখ ডলার, ওপিটি ফি বাড়ানোর পথে ট্রাম্প প্রশাসন

যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা শেষে কাজ করতে গুনতে হতে পারে ১ লাখ ডলার, ওপিটি ফি বাড়ানোর পথে ট্রাম্প প্রশাসন

যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমানোর দাবি ট্রাম্পের, না কমালে বাণিজ্য বন্ধের হুঁশিয়ারি

যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমানোর দাবি ট্রাম্পের, না কমালে বাণিজ্য বন্ধের হুঁশিয়ারি

0 Comments