আমেরিকা

লস অ্যাঞ্জেলেসে অ্যান্টি-আইসিই বিক্ষোভে সহিংসতা: পুলিশের গাড়িতে আগুন

বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ: আগস্ট ৩, ২০২৬ ১৫:৪৮
২৩ বছর বয়সী এক যুবককে ৩৭ মাসের ফেডারেল কারাদণ্ড দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের আদালত। ঘটনাটি গত বছরের বিক্ষোভকে ঘিরে দায়ের করা মামলার রায়ের অংশ। ছবি: সংগৃহীত
২৩ বছর বয়সী এক যুবককে ৩৭ মাসের ফেডারেল কারাদণ্ড দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের আদালত। ঘটনাটি গত বছরের বিক্ষোভকে ঘিরে দায়ের করা মামলার রায়ের অংশ। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসের ২৩ বছর বয়সী এক বাসিন্দাকে অ্যান্টি-আইসিই (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) বিক্ষোভে সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে ৩৭ মাসের ফেডারেল কারাদণ্ড দিয়েছেন একটি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালত। আদালত তাকে ২ লাখ ৫৩ হাজার ৪১৫ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ পরিশোধেরও নির্দেশ দিয়েছেন।

 

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, দণ্ডপ্রাপ্ত ইয়াচুয়া মাউরিসিও ফ্লোরেস ২০২৫ সালের ৮ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে অভিবাসনবিরোধী অভিযানকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভে অংশ নেন। ওই সময় তিনি একটি জ্বলন্ত ক্যালিফোর্নিয়া হাইওয়ে প্যাট্রোল (সিএইচপি) গাড়ির ওপর লাইটার ফ্লুইড ঢেলে আগুন আরও ছড়িয়ে দেন। একই ঘটনায় একটি ফ্রিওয়ে ওভারপাস থেকে একটি বৈদ্যুতিক স্কুটারও নিচে ছুড়ে মারা হয়, যা নিচে অবস্থানরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জীবনের জন্য গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করে।

 

আদালতের নথি অনুযায়ী, ফ্লোরেস দাঙ্গাকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। প্রসিকিউটররা বলেন, অভিযুক্তের কর্মকাণ্ডে কর্মকর্তাদের মৃত্যু বা গুরুতর আহত হওয়ার বাস্তব ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল।

 

ঘটনাটি ঘটে ২০২৫ সালের জুনে, যখন লস অ্যাঞ্জেলেসে অভিবাসনবিষয়ক ফেডারেল অভিযানের প্রতিবাদে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভের একপর্যায়ে কয়েকটি স্বয়ংচালিত গাড়ি ও একটি সিএইচপি টহলযানে আগুন দেওয়া হয়। বিক্ষোভকারীদের একাংশ ওভারপাস থেকে পাথর, আতশবাজি, স্কুটার ও অন্যান্য বস্তু নিচে থাকা পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে নিক্ষেপ করে বলে তদন্তে উঠে আসে।

 

মামলার তদন্তে এফবিআই, ক্যালিফোর্নিয়া হাইওয়ে প্যাট্রোল এবং লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ বিভাগ (এলএপিডি) যৌথভাবে কাজ করে। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, ওই সহিংসতার ঘটনায় জড়িত আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রে শিশুকে যৌ/ন নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হোসে কা'আল পপ
যুক্তরাষ্ট্রে শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হোসে কা'আল পপ

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে শিশুর প্রতি যৌন নির্যাতনের অভিযোগে চাওয়া হোসে কা'আল পপকে লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়েছে এবং নিউ জার্সিতে প্রত্যর্পণের আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।   তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে শিশুকে যৌন নির্যাতন এবং শিশু শ্লীলতাহানির অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে নিউ জার্সির আদালত থেকে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত অভিযানে তাঁকে লুইজিয়ানায় শনাক্ত করে আটক করা হয়।   কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারের সময় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বর্তমানে তাঁকে লুইজিয়ানার একটি আটককেন্দ্রে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তাঁকে নিউ জার্সিতে নিয়ে যাওয়া হবে, যেখানে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিচার চলবে।    তদন্তকারীরা মামলার বিষয়ে অতিরিক্ত তথ্য প্রকাশে সংযম দেখাচ্ছেন, যাতে ভুক্তভোগীর পরিচয় ও গোপনীয়তা সুরক্ষিত থাকে। একই সঙ্গে কেউ যদি এ ঘটনাসংক্রান্ত অতিরিক্ত তথ্য জানেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।    মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন। যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, আদালতে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত হোসে কা'আল পপ আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৩, ২০২৬ ১৬:৫৭
মেইনের গ্রিনভিল থেকে ফ্লোরিডার উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর নিখোঁজ হয়েছেন ৮৩ বছর বয়সী এলিয়েনর ‘মেরিল’ প্রিথাম। কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, তাঁর সর্বশেষ অবস্থান দক্ষিণ ক্যারোলাইনায় শনাক্ত হয়েছে। তাঁর সন্ধানে জনসাধারণের সহযোগিতা চেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ছবি:

ফ্লোরিডার পথে বেরিয়ে আর ফেরেননি মেরিল, কোথায় হারালেন এই মেরিল?

আইডাহোর টুইন ফলসে ইন-অ্যান্ড-আউট বার্গার রেস্তোরাঁয় বন্দুক হামলায় নিহত হন ২৩ বছর বয়সী কর্মী অ্যাশলি গারিবে। ক্যালিফোর্নিয়া থেকে নতুন জীবন শুরু করতে আসা এই তরুণীসহ তিনজন নিহত হন। ছবি: সংগৃহীত

নতুন কর্মস্থলেই প্রাণ গেল ২৩ বছরের অ্যাশলির, কাঁদছে আইডাহোর ইন-অ্যান্ড-আউট পরিবার

২৩ বছর বয়সী এক যুবককে ৩৭ মাসের ফেডারেল কারাদণ্ড দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের আদালত। ঘটনাটি গত বছরের বিক্ষোভকে ঘিরে দায়ের করা মামলার রায়ের অংশ। ছবি: সংগৃহীত

লস অ্যাঞ্জেলেসে অ্যান্টি-আইসিই বিক্ষোভে সহিংসতা: পুলিশের গাড়িতে আগুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সন্দ্বীপের মেয়ে তাহিয়া তাবাসসুম। ছবি;সংগৃহীত
জাপানে গবেষণা ইন্টার্নশিপে সুযোগ পেলেন চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের মেয়ে তাহিয়া তাবাসসুম

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষার্থী এবং সন্দ্বীপের মেয়ে তাহিয়া তাবাসসুম জাপানের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর ফিজিওলজিক্যাল সায়েন্সেস (এনআইপিএস)-এর একটি প্রতিযোগিতামূলক গবেষণা ইন্টার্নশিপে নির্বাচিত হয়েছেন। আগামী নভেম্বরে তিনি জাপানে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির মলিকুলার নিউরোইমিউনোলজি ল্যাবরেটরিতে স্নায়ুবিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণায় অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।   এই ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে তাহিয়া বর্তমান বিশ্বের অন্যতম বড় স্বাস্থ্যচ্যালেঞ্জ আলঝেইমার রোগ, স্মৃতিভ্রম এবং অন্যান্য স্নায়বিক অবক্ষয়জনিত রোগ নিয়ে চলমান গবেষণায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। গবেষণায় মস্তিষ্কের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, স্নায়ুকোষের পরিবর্তন এবং সম্ভাব্য চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে কাজ করা হবে।   তাহিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী, কলেজ জীবন থেকেই গবেষক হওয়ার স্বপ্ন ছিল তাঁর। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর গবেষণাগারের সীমিত সুযোগ-সুবিধা তাঁকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গবেষণার প্রস্তুতি নিতে অনুপ্রাণিত করে। নিয়মিত একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ বায়োলজি অলিম্পিয়াড, বিজ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন সংগঠন এবং গবেষণাসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থেকে নিজের দক্ষতা বাড়িয়েছেন। তাঁর লিংকডইন প্রোফাইলেও বাংলাদেশ বায়োলজি অলিম্পিয়াডের সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য উল্লেখ রয়েছে।   তাহিয়া জানান, ভালো ফলাফলের পাশাপাশি গবেষণার প্রতি আগ্রহ, আন্তর্জাতিক পর্যায়ের প্রস্তুতি এবং সিনিয়রদের দিকনির্দেশনা তাঁকে এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছে। তাঁর লক্ষ্য ভবিষ্যতে মলিকুলার জেনেটিকস বিষয়ে উচ্চতর গবেষণা করা এবং মানবস্বাস্থ্যের জটিল রোগের সমাধানে অবদান রাখা।   স্থানীয় সূত্র এবং বিজ্ঞান সংগঠনের সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়া থেকে প্রতিবছর খুব সীমিতসংখ্যক শিক্ষার্থী এ ধরনের গবেষণা ইন্টার্নশিপের সুযোগ পান। যদিও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত পরিসংখ্যানে "প্রতি বছর মাত্র দুই থেকে তিনজন" নির্বাচিত হওয়ার দাবির স্বাধীন সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই এ তথ্যকে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।   তাহিয়ার বিশ্বাস, আন্তর্জাতিক গবেষণায় অংশ নিতে চাইলে শুধু ভালো ফলাফলই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন নতুন কিছু শেখার আগ্রহ, গবেষণার দক্ষতা, কার্যকর যোগাযোগ এবং ধারাবাহিক প্রস্তুতি। তাঁর মতে, বিশ্বমানের গবেষণার সুযোগ তৈরি হয় নিজের সক্ষমতা গড়ে তোলার মাধ্যমে।

সিদ্দিকুর রহমান প্রকাশ: আগস্ট ৩, ২০২৬ ১৫:২১
আমেরিকার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।  ছবি:সংগৃহীত

ইরানের নেতৃত্বকে ‘চরম ভণ্ডামিপূর্ণ’ আখ্যা দিয়ে ক্ষেপলেন ট্রাম্প

কারখানা স্থাপন। ছবি:সংগৃহীত

জর্জিয়ায় ১২ কোটি ৫০ লাখ ডলারের নতুন কারখানা, তৈরি হবে ৫০০ কর্মসংস্থান

চাঁদকে শুধু বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের স্থান নয়, আদিবাসীদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করে দেওয়া এক বক্তব্য ঘিরে অস্ট্রেলিয়ায় শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক। ছবি: প্রতীকী।

চাঁদকে ঘিরে জ্যোতির্বিজ্ঞানীর বক্তব্যে বিশ্বজুড়ে আলোচনা

উচ্চ ঝুঁকির দেশগুলোর আবেদন আরও কড়াভাবে খতিয়ে দেখতে অভিবাসন সুবিধায় কঠোর যাচাই শুরু যুক্তরাষ্ট্রের। ছবি: সংগৃহীত
অভিবাসন সুবিধায় কঠোর যাচাই শুরু, উচ্চ ঝুঁকির দেশগুলোর আবেদন আরও কড়াভাবে খতিয়ে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থা জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী বিদেশি নাগরিকদের অভিবাসন-সংক্রান্ত আবেদন যাচাই ও নিরাপত্তা পরীক্ষা আরও কঠোর করা হয়েছে। সংস্থাটির দাবি, আগের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের ঘাটতি ছিল, যার ফলে যথাযথ নিরাপত্তা যাচাই ছাড়াই কিছু আবেদন অনুমোদিত হয়েছিল।   ইউএসসিআইএসের প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্যে বলা হয়েছে, এক্সিকিউটিভ অর্ডার ১৪১৬১ এবং সাম্প্রতিক দুটি প্রেসিডেন্সিয়াল প্রোক্লেমেশনের আওতায় নিরাপত্তা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত ৩৯টি দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। এসব দেশের অনেক আবেদন সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে পুনরায় যাচাই করা হচ্ছে।   সংস্থাটি জানিয়েছে, আশ্রয়, স্থায়ী বাসিন্দা, ডাইভার্সিটি ভিসা এবং অন্যান্য অভিবাসন সুবিধার আবেদন নতুন করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কার্যক্রম, আর্থিক তথ্য, বায়োমেট্রিক তথ্য, অপরাধমূলক রেকর্ড এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। প্রয়োজনে পুনরায় সাক্ষাৎকারও নেওয়া হচ্ছে।   ইউএসসিআইএস আরও জানায়, “অপারেশন প্যারিস” নামে একটি বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে শরণার্থী ও উচ্চ ঝুঁকির দেশের আবেদনকারীদের অতিরিক্ত ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাই করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পরিচয় নিশ্চিত করতে বায়োমেট্রিক যাচাই জোরদার করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নতুন তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত করার ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে।   সংস্থাটির দাবি, নতুন এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো অভিবাসন ব্যবস্থায় জালিয়াতি রোধ, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শুধুমাত্র যোগ্য ও নিরাপত্তা যাচাইয়ে উত্তীর্ণ ব্যক্তিদেরই অভিবাসন সুবিধা প্রদান করা।   তবে ইউএসসিআইএস জানিয়েছে, সব আবেদন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত নয়। যেসব আবেদন নিরাপত্তা যাচাই সম্পন্ন করেছে বা কম ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে, সেগুলো ধাপে ধাপে নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া আবারও শুরু করা হচ্ছে।   ট্রাম্প প্রশাসনের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রকে বিদেশি সন্ত্রাসবাদ, জালিয়াতি এবং জাতীয় নিরাপত্তার সম্ভাব্য হুমকি থেকে সুরক্ষিত রাখতেই এই কঠোর যাচাই-বাছাই কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৩, ২০২৬ ১৩:৪৫
অপরাধের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসায় ২০২৬ সালকে সবচেয়ে নিরাপদ বছর বলছে এনওয়াইপিডি। ছবি: সংগৃহীত

অপরাধ কমে নিউইয়র্কে নতুন রেকর্ড, ২০২৬ সালকে ‘সবচেয়ে নিরাপদ বছর’ বলছে এনওয়াইপিডি

রুশ নাগরিক। ছবি : সংগৃহীত

রূপপুরে মদ্যপ অবস্থায় দুই রুশ নাগরিকের মারামারি,নিহত ১

ইলিনয়ে ফেডারেল খাদ্য সহায়তা হারানো পরিবারকে এককালীন ৪০০ ডলার দেবে রাজ্য সরকার। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয়ে খাদ্য সহায়তা হারানো পরিবারকে ৪০০ ডলার দেবে রাজ্য সরকার

0 Comments