ফ্লোরিডার পথে বেরিয়ে আর ফেরেননি মেরিল, কোথায় হারালেন এই মেরিল?
যুক্তরাষ্ট্রের মেইন অঙ্গরাজ্যের গ্রিনভিল থেকে ফ্লোরিডার উদ্দেশে যাত্রা করা এলিয়েনর "মেরিল" প্রিথাম রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়েছেন। পরিবার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, তিনি গন্তব্যে পৌঁছাননি। তদন্তকারীদের ধারণা, তাঁর সর্বশেষ অবস্থান ছিল দক্ষিণ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যে।
নিখোঁজের ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাঁর অবস্থান শনাক্তে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে অনুসন্ধান চালাচ্ছে। পরিবারের সদস্যরা সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর অবস্থান সম্পর্কে যেকোনো তথ্য থাকলে দ্রুত পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রিথাম মেইনের গ্রিনভিল থেকে ব্যক্তিগত সফরে ফ্লোরিডার উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি গন্তব্যে পৌঁছাননি এবং এরপর থেকে তাঁর সঙ্গে পরিবারের কোনো যোগাযোগও হয়নি। পরবর্তী অনুসন্ধানে জানা যায়, তাঁর মোবাইল ফোন বা ভ্রমণ-সংক্রান্ত তথ্যের ভিত্তিতে সর্বশেষ দক্ষিণ ক্যারোলাইনায় তাঁর উপস্থিতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তবে ঠিক কোন শহরে তাঁকে শেষ দেখা গেছে, সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত প্রকাশ করেনি।
তদন্তকারীরা সম্ভাব্য যাত্রাপথের সিসিটিভি ফুটেজ, টোল প্লাজা, জ্বালানি স্টেশন এবং অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণ করছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের পুলিশ বিভাগকে সতর্ক করা হয়েছে যাতে তাঁকে কোথাও দেখা গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
এখন পর্যন্ত তদন্তে কোনো অপরাধমূলক ঘটনার প্রমাণ বা অপহরণের বিষয় নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে ঘটনাটিকে নিখোঁজ ব্যক্তির মামলা হিসেবেই তদন্ত করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, নতুন তথ্য পাওয়া গেলে তদন্তের দিক পরিবর্তন হতে পারে।
পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এলিয়েনর "মেরিল" প্রিথামের অবস্থান সম্পর্কে কেউ কোনো তথ্য জানলে যেন দ্রুত স্থানীয় পুলিশ অথবা সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। জনসাধারণের দেওয়া তথ্য তাঁর সন্ধান পেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreযুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসের সিটি হল ইস্ট ভবনের ডাক কক্ষে একটি সিল করা ব্যাগের ভেতর থেকে রহস্যজনক সাদা গুঁড়া জাতীয় পদার্থ পাওয়ার পর সোমবার দুপুরে ব্যাপক সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থ মোকাবিলা দল (হ্যাজম্যাট) তদন্ত শুরু করেছে। লস অ্যাঞ্জেলেস অগ্নিনির্বাপণ বিভাগ (এলএএফডি) জানিয়েছে, সন্দেহজনক পদার্থের খবর পাওয়ার পর জরুরি সেবাকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ডাক কক্ষ এবং আশপাশের এলাকা ঘিরে ফেলেন। নিরাপত্তার স্বার্থে ভবনের একটি অংশ খালি করা হয় এবং ঘটনাস্থলে বিশেষ সুরক্ষা পোশাক পরিহিত হ্যাজম্যাট সদস্যরা নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা শুরু করেন। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সাদা গুঁড়াটি একটি সিল করা ব্যাগের ভেতরে পাওয়া যায়। কী ধরনের পদার্থ এটি এবং এটি কীভাবে সেখানে পৌঁছেছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কর্মকর্তারা এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত মন্তব্য করতে রাজি হননি। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি অসুস্থ হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং জনসাধারণের জন্য তাৎক্ষণিক কোনো হুমকি রয়েছে বলে প্রমাণ মেলেনি। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ভবনের নির্দিষ্ট অংশে প্রবেশ সীমিত রাখা হয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ বিভাগ এবং অগ্নিনির্বাপণ বিভাগের বিশেষজ্ঞরা যৌথভাবে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছেন। পরীক্ষাগারের ফলাফল পাওয়ার পরই পদার্থটির প্রকৃতি এবং প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে।
যুক্তরাষ্ট্রে শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হোসে কা'আল পপ
ফ্লোরিডার পথে বেরিয়ে আর ফেরেননি মেরিল, কোথায় হারালেন এই মেরিল?
নতুন কর্মস্থলেই প্রাণ গেল ২৩ বছরের অ্যাশলির, কাঁদছে আইডাহোর ইন-অ্যান্ড-আউট পরিবার
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসের ২৩ বছর বয়সী এক বাসিন্দাকে অ্যান্টি-আইসিই (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) বিক্ষোভে সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে ৩৭ মাসের ফেডারেল কারাদণ্ড দিয়েছেন একটি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালত। আদালত তাকে ২ লাখ ৫৩ হাজার ৪১৫ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ পরিশোধেরও নির্দেশ দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, দণ্ডপ্রাপ্ত ইয়াচুয়া মাউরিসিও ফ্লোরেস ২০২৫ সালের ৮ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে অভিবাসনবিরোধী অভিযানকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে পড়া বিক্ষোভে অংশ নেন। ওই সময় তিনি একটি জ্বলন্ত ক্যালিফোর্নিয়া হাইওয়ে প্যাট্রোল (সিএইচপি) গাড়ির ওপর লাইটার ফ্লুইড ঢেলে আগুন আরও ছড়িয়ে দেন। একই ঘটনায় একটি ফ্রিওয়ে ওভারপাস থেকে একটি বৈদ্যুতিক স্কুটারও নিচে ছুড়ে মারা হয়, যা নিচে অবস্থানরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জীবনের জন্য গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করে। আদালতের নথি অনুযায়ী, ফ্লোরেস দাঙ্গাকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। প্রসিকিউটররা বলেন, অভিযুক্তের কর্মকাণ্ডে কর্মকর্তাদের মৃত্যু বা গুরুতর আহত হওয়ার বাস্তব ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। ঘটনাটি ঘটে ২০২৫ সালের জুনে, যখন লস অ্যাঞ্জেলেসে অভিবাসনবিষয়ক ফেডারেল অভিযানের প্রতিবাদে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভের একপর্যায়ে কয়েকটি স্বয়ংচালিত গাড়ি ও একটি সিএইচপি টহলযানে আগুন দেওয়া হয়। বিক্ষোভকারীদের একাংশ ওভারপাস থেকে পাথর, আতশবাজি, স্কুটার ও অন্যান্য বস্তু নিচে থাকা পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে নিক্ষেপ করে বলে তদন্তে উঠে আসে। মামলার তদন্তে এফবিআই, ক্যালিফোর্নিয়া হাইওয়ে প্যাট্রোল এবং লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ বিভাগ (এলএপিডি) যৌথভাবে কাজ করে। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, ওই সহিংসতার ঘটনায় জড়িত আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
জাপানে গবেষণা ইন্টার্নশিপে সুযোগ পেলেন চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের মেয়ে তাহিয়া তাবাসসুম
ইরানের নেতৃত্বকে ‘চরম ভণ্ডামিপূর্ণ’ আখ্যা দিয়ে ক্ষেপলেন ট্রাম্প
জর্জিয়ায় ১২ কোটি ৫০ লাখ ডলারের নতুন কারখানা, তৈরি হবে ৫০০ কর্মসংস্থান
অস্ট্রেলিয়ার একজন জ্যোতির্বিজ্ঞানীর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশটির গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। তিনি বলেছেন, “চাঁদ শুধু এমন একটি স্থান নয়, যেখানে আমরা গিয়ে অনুসন্ধান করব। এটি আদিবাসীদের ‘আকাশের দেশ’ এবং তাদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও লোককাহিনির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।” অস্ট্রেলিয়ার সুইনবার্ন প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মহাকাশ প্রযুক্তি ও শিল্প গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সহপরিচালক ড. রেবেকা অ্যালেন এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন। সাক্ষাৎকারে তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, একটি মহাকাশযানের অবশিষ্টাংশ চাঁদে আঘাত হানতে পারে—এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ আছে কি না। জবাবে তিনি বলেন, চাঁদ কেবল বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের বিষয় নয়; এটি অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীদের বিশ্বাস, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা লোককাহিনির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। তাই মহাকাশ অনুসন্ধান বা অন্য যেকোনো কার্যক্রম পরিচালনার সময় সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ ও ঐতিহ্যের প্রতিও সম্মান দেখানো উচিত। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে মহাকাশ ব্যবহারের নীতি ও নিয়ম নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা চলছে। ভবিষ্যতে চাঁদ বা অন্য মহাজাগতিক স্থানে পরিচালিত কার্যক্রমে শুধু বৈজ্ঞানিক বা বাণিজ্যিক দিক নয়, সাংস্কৃতিক ও নৈতিক বিষয়ও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। ড. অ্যালেনের এই বক্তব্য প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। সমালোচকদের একাংশের দাবি, বৈজ্ঞানিক আলোচনায় সাংস্কৃতিক বিষয় যুক্ত করা অপ্রয়োজনীয়। অন্যদিকে অনেকের মতে, আদিবাসীদের ঐতিহ্য ও বিশ্বাসের প্রতি সম্মান দেখিয়ে মহাকাশ অনুসন্ধান পরিচালনা করা সময়ের দাবি। এদিকে অস্ট্রেলিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রতি এমন একটি গবেষণার কাজ শুরু করেছে, যেখানে আদিবাসীদের আকাশবিষয়ক জ্ঞান ও ঐতিহ্যকে ভবিষ্যতের মহাকাশনীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়ে গবেষণা করা হবে। ঘটনাটি মহাকাশ অনুসন্ধান, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার প্রশ্নকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।
অভিবাসন সুবিধায় কঠোর যাচাই শুরু, উচ্চ ঝুঁকির দেশগুলোর আবেদন আরও কড়াভাবে খতিয়ে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র
অপরাধ কমে নিউইয়র্কে নতুন রেকর্ড, ২০২৬ সালকে ‘সবচেয়ে নিরাপদ বছর’ বলছে এনওয়াইপিডি