সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

আমেরিকার পাবলিক স্কুলে সন্তানের জন্য ৮টি ফ্রি সুবিধা, যা অনেক বাংলাদেশি অভিভাবক জানেন না

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৫, ২০২৬ ৬:১০
আমেরিকার পাবলিক স্কুল।ছবি:সংগৃহীত
আমেরিকার পাবলিক স্কুল।ছবি:সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের পাবলিক স্কুলে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠদানই নয়, বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা ও সহায়তামূলক কর্মসূচিও চালু রয়েছে। আয়, অঙ্গরাজ্য, স্কুল ডিস্ট্রিক্ট এবং স্থানীয় নীতিমালার ওপর নির্ভর করে অনেক পরিবার বিনামূল্যে ল্যাপটপ, ইন্টারনেট, স্কুল সামগ্রী, খাবার, টিউটরিংসহ বিভিন্ন সুবিধা পেতে পারেন। তবে তথ্যের অভাবে অনেক বাংলাদেশি অভিভাবক এসব সুযোগ সম্পর্কে জানেন না বা আবেদনই করেন না।

 

যোগ্য শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক স্কুল ডিস্ট্রিক্টে বিনামূল্যে ক্রোমবুক বা ল্যাপটপ এবং প্রয়োজন হলে হোম ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ওয়াই-ফাই হটস্পট দেওয়া হয়। এসব কর্মসূচির যোগ্যতা ডিস্ট্রিক্টভেদে ভিন্ন হলেও স্কুলের ফ্রন্ট অফিস বা প্রযুক্তি বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করলে বিস্তারিত জানা যায়।

 

এ ছাড়া অনেক অঙ্গরাজ্যে সব শিক্ষার্থীর জন্য অথবা নির্ধারিত আয়সীমার পরিবারের শিশুদের জন্য বিনামূল্যে সকালের নাশতা ও দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে। কোথাও স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই সুবিধা দেওয়া হয়, আবার কোথাও ফ্রি বা রিডিউসড মিলের জন্য আবেদন করতে হয়।

 

নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগে অনেক স্কুল, স্থানীয় দাতব্য সংস্থা এবং কমিউনিটি সংগঠন শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল ব্যাগ, খাতা, কলম, পেন্সিল, ক্যালকুলেটরসহ প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ বিনামূল্যে বিতরণ করে। একইভাবে শীতপ্রধান এলাকায় বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় শিক্ষার্থীদের জন্য শীতের কোট, জ্যাকেট ও জুতাও সরবরাহ করা হয়।

 

অনেক স্কুল ডিস্ট্রিক্টে আর্থিক অসচ্ছল পরিবারের জন্য শিক্ষা সফর, খেলাধুলা বা অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রমের ফি মওকুফের সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি স্কুল-পরবর্তী বিনামূল্যের টিউটরিং, গণিত ও ভাষা শিক্ষার অতিরিক্ত সহায়তাও অনেক এলাকায় চালু আছে।

 

কিছু স্কুল জেলা বা স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের চোখের পরীক্ষা, দৃষ্টিশক্তি সমস্যা শনাক্তকরণ, প্রয়োজন হলে চশমা এবং মৌলিক ডেন্টাল স্ক্রিনিংয়ের সুবিধাও দেওয়া হয়। তবে এসব সেবা সব এলাকায় সমানভাবে পাওয়া যায় না।

 

গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে অনেক স্কুল ডিস্ট্রিক্ট সামার স্কুল, বিনামূল্যে দুপুরের খাবার এবং কিছু ক্ষেত্রে পরিবহন সুবিধাও দিয়ে থাকে। এতে শিক্ষার্থীদের শেখার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি কর্মজীবী অভিভাবকদেরও সহায়তা হয়।

 

এসব কর্মসূচির অর্থায়ন ফেডারেল, অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় বিভিন্ন উৎস থেকে আসে। তবে কোন সুবিধা পাওয়া যাবে, তার শর্ত ও যোগ্যতা স্কুল ডিস্ট্রিক্টভেদে পরিবর্তিত হতে পারে। তাই সন্তানের স্কুলের ফ্রন্ট অফিস, কাউন্সেলর বা স্কুল ডিস্ট্রিক্টের ওয়েবসাইট থেকে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
মিশিগানে গর্ভবতী মায়েদের নগদ সহায়তা নিয়ে রিপাবলিকানদের আপত্তি
মিশিগানে গর্ভবতী মায়েদের নগদ সহায়তা নিয়ে রিপাবলিকানদের আপত্তি

মিশিগানে গর্ভবতী নারী ও নবজাতকের পরিবারকে সরাসরি নগদ সহায়তা দেওয়া ‘আরএক্স কিডস’ কর্মসূচি নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হয়েছে। রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা কর্মসূচিটির অর্থব্যবহার, যোগ্যতার শর্ত এবং দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা নিয়ে কঠোর তদারকির দাবি তুলেছেন।   মিশিগান হাউস ওভারসাইট কমিটির চেয়ারম্যান ও রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা জে ডিবোয়ার দাবি করেছেন, গ্যারান্টিড ইনকাম ধরনের কর্মসূচি কার্যকর নয় এবং এগুলো মূলত সম্পদ পুনর্বণ্টনের ব্যবস্থা। তার নেতৃত্বে একদল রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা আরএক্স কিডসের অর্থ কীভাবে ব্যয় হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানাচ্ছেন।   আরএক্স কিডসের বর্তমান কাঠামো অনুযায়ী, অংশগ্রহণকারী এলাকায় গর্ভবতী নারীরা গর্ভাবস্থায় এককালীন ১ হাজার ৫০০ ডলার পান। এরপর শিশুর জন্মের পর অধিকাংশ এলাকায় প্রতি মাসে ৫০০ ডলার করে সর্বোচ্চ ছয় মাস দেওয়া হয়। কিছু এলাকায় এই মাসিক সহায়তা শিশুর প্রথম বছর পর্যন্ত চলতে পারে। আয় বা চাকরির শর্ত নেই; তবে নির্দিষ্ট অংশগ্রহণকারী এলাকায় বসবাস, গর্ভাবস্থা বা শিশুর অভিভাবকত্বের মতো যোগ্যতা পূরণ করতে হয়।   কর্মসূচিটি ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে মিশিগানের ফ্লিন্টে শুরু হয়। পরে এটি মিশিগান ও ওহাইওর ৬০টির বেশি কমিউনিটিতে সম্প্রসারিত হয়েছে। মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটি কর্মসূচিটির নেতৃত্ব দিচ্ছে এবং গিভডাইরেক্টলি এর নগদ অর্থ বিতরণ পরিচালনা করছে।   রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের প্রধান আপত্তির একটি হলো, পরিবারগুলো এই অর্থ কীভাবে ব্যয় করবে, তার ওপর নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ নেই। তারা আরও প্রশ্ন তুলেছেন, রাজ্যের সরকারি ব্যবস্থার পরিবর্তে একটি আলাদা প্রশাসনিক কাঠামোর মাধ্যমে কর্মসূচি পরিচালনার প্রয়োজন কেন হচ্ছে এবং এর দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল স্বাধীনভাবে কীভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।    অন্যদিকে কর্মসূচির সমর্থকেরা বলছেন, গর্ভাবস্থা ও শিশুর জীবনের প্রথম কয়েক মাসে পরিবারের আর্থিক চাপ কমানোই এর উদ্দেশ্য। মিশিগান সরকারের একটি স্বাস্থ্যসেবা নথিতেও আরএক্স কিডসকে গর্ভবতী নারী, শিশু ও পরিবারকে শর্তহীন নগদ সহায়তা দেওয়ার একটি কর্মসূচি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।    আরএক্স কিডসের পরিচালক ড. মোনা হানা অবশ্য এটিকে প্রচলিত গ্যারান্টিড ইনকাম বা ইউনিভার্সাল বেসিক ইনকাম কর্মসূচি হিসেবে দেখেন না। তার বক্তব্য অনুযায়ী, এটি মূলত গর্ভাবস্থা ও শিশুর জীবনের শুরুর সময়কে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য ও পারিবারিক প্রয়োজন মোকাবিলার কর্মসূচি। তবে মিশিগান স্বাস্থ্য বিভাগের নথিতে আরএক্স কিডসকে গ্যারান্টিড ইনকাম কর্মসূচির উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে—যা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে।    মিশিগানের এই বিতর্ক এখন মূলত দুটি প্রশ্নকে ঘিরে—করদাতাদের অর্থে সরাসরি নগদ সহায়তা দেওয়া কতটা কার্যকর এবং এমন কর্মসূচির অর্থব্যবহার ও ফলাফল কীভাবে পরিমাপ করা হবে। রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা আরও তদারকি চান, আর কর্মসূচির সমর্থকেরা বলছেন, শিশু ও পরিবারকে আর্থিক স্থিতিশীলতা দেওয়াই এর মূল লক্ষ্য। ফলে আরএক্স কিডস নিয়ে বিতর্কটি এখন শুধু একটি সহায়তা কর্মসূচি নয়, বরং সরকারি নগদ সহায়তার ভূমিকা নিয়েও বৃহত্তর নীতিগত আলোচনায় পরিণত হয়েছে।    Source: ফক্স নিউজ, মিশিগান হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস,

মোহাম্মদ ইব্রাহিম প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬ ১৭:৪২
নিউইয়র্কে তুষার পরিষ্কার কর্মীদের বেতন বাড়িয়ে ৩০ ডলার করলেন মেয়র মামদানি

নিউইয়র্কে তুষার পরিষ্কার কর্মীদের বেতন বাড়িয়ে ৩০ ডলার করলেন মেয়র মামদানি

ট্রাম্প গড়ছেন ‘এআই ফোর্স’

ট্রাম্প গড়ছেন ‘এআই ফোর্স’, নিয়োগ দেবেন নতুন এআই ‘জার’

হুইলচেয়ারে বসা যাত্রীদের দীর্ঘ সারির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে ভারতগামী ফ্লাইটে অহেতুক হুইলচেয়ারে যাত্রীর ভিড়

অভিবাসীদের তৃতীয় দেশে পাঠানোর আগে আপত্তির সুযোগ দিতে হবে: মার্কিন আদালত
অভিবাসীদের তৃতীয় দেশে পাঠানোর আগে আপত্তির সুযোগ দিতে হবে: মার্কিন আদালত

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের নিজ দেশের পরিবর্তে অন্য কোনো দেশে দ্রুত পাঠানোর নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ আইনি বাধা এসেছে। বোস্টনভিত্তিক যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম সার্কিট আপিল আদালতের তিন বিচারকের একটি প্যানেল সর্বসম্মতভাবে রায় দিয়েছে, কোনো অভিবাসীকে এমন তৃতীয় দেশে পাঠানোর আগে তাকে কার্যকরভাবে জানাতে হবে এবং সেখানে নিপীড়ন বা নির্যাতনের আশঙ্কা থাকলে আপত্তি জানানোর অর্থবহ সুযোগ দিতে হবে।   গত ১৮ সেপ্টেম্বর দেওয়া এই রায় ট্রাম্প প্রশাসনের তৃতীয় দেশে অভিবাসী পাঠানোর নীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশকে বেআইনি বলে বহাল রেখেছে। মামলাটি মূলত এমন অভিবাসীদের নিয়ে, যাদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরিয়ে দেওয়ার চূড়ান্ত আদেশ রয়েছে, কিন্তু সরকার তাদের সেই আদেশে উল্লেখ করা হয়নি এমন দেশে পাঠাতে চায়।   সহজভাবে বললে, কোনো ব্যক্তিকে তার নিজের দেশে পাঠানো সম্ভব না হলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র তাকে গ্রহণে রাজি অন্য দেশে পাঠাতে পারে। এটিই সাধারণভাবে ‘তৃতীয় দেশে পাঠানো’ হিসেবে পরিচিত। কিন্তু নতুন রায়ের মূল প্রশ্ন হচ্ছে—সেই ব্যক্তিকে কোথায় পাঠানো হবে তা আগে না জানিয়ে এবং সম্ভাব্য বিপদের কথা জানানোর যথেষ্ট সুযোগ না দিয়ে সরকার দ্রুত তাকে পাঠিয়ে দিতে পারবে কি না। আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এ ধরনের প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় আইনি সুরক্ষা থাকতে হবে।   মামলাটি ২০২৫ সালের মার্চে চারজন অ-নাগরিকের পক্ষ থেকে করা হয়েছিল। তাদের অভিযোগ ছিল, স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের নতুন নীতিতে চূড়ান্ত অপসারণ আদেশ থাকা ব্যক্তিদের এমন দেশে পাঠানোর সুযোগ রাখা হয়েছে, যেসব দেশের নাম তাদের আগের অপসারণ আদেশে ছিল না। একই সঙ্গে সেই দেশে গেলে নিপীড়ন বা নির্যাতনের ঝুঁকি রয়েছে কি না, তা তুলে ধরার যথেষ্ট সুযোগও দেওয়া হচ্ছিল না বলে তারা অভিযোগ করেন।   এরপর ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ তৃতীয় দেশে পাঠানো নিয়ে একটি নির্দেশনা জারি করে। আদালতের নথি অনুযায়ী, কোনো গ্রহণকারী দেশ কূটনৈতিকভাবে নিশ্চয়তা দিলে যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পাঠানো ব্যক্তিদের সেখানে নিপীড়ন বা নির্যাতন করা হবে না, সেই নিশ্চয়তার ওপর নির্ভর করার সুযোগ ছিল ওই নীতিতে। পরবর্তী সময়ে অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থা আরও একটি নির্দেশনা দিয়ে নীতিটির প্রয়োগ স্পষ্ট করে।   কিন্তু অভিবাসীদের আইনজীবীদের যুক্তি ছিল, একটি দেশের সাধারণ কূটনৈতিক নিশ্চয়তা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির জন্য পর্যাপ্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করে না। কারণ একজন ব্যক্তির জাতিগত পরিচয়, ধর্ম, জাতীয়তা, রাজনৈতিক মতামত কিংবা নির্দিষ্ট সামাজিক গোষ্ঠীর সদস্য হওয়ার কারণে কোনো দেশে আলাদা ঝুঁকি থাকতে পারে। একইভাবে কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে নির্যাতনের ব্যক্তিগত আশঙ্কাও থাকতে পারে। মার্কিন আইনে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে এমন দেশে কাউকে পাঠানোর ওপর বিধিনিষেধ রয়েছে, যেখানে তার জীবন বা স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়তে পারে। নির্যাতনবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদের অধীনেও নির্যাতনের গুরুতর ঝুঁকি রয়েছে এমন দেশে কাউকে পাঠানো নিয়ে আইনি সুরক্ষা রয়েছে। প্রথম সার্কিট আপিল আদালতের নথিতে এই দুই ধরনের আশঙ্কার ভিত্তিতে করা দাবিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।   আপিল আদালতের বিচারক সেথ আফ্রামে রায়ের ব্যাখ্যায় মূল সমস্যাটি তুলে ধরেছেন। আদালতের বক্তব্যের সারমর্ম হলো, কোনো ব্যক্তিকে কোন দেশে পাঠানো হবে তা আগে জানানো না হলে সেই দেশে নিপীড়নের আশঙ্কার ভিত্তিতে অপসারণের বিরোধিতা করার অধিকার বাস্তবে খুব কমই কার্যকর থাকে। তাই গন্তব্য সম্পর্কে আগাম কার্যকর নোটিশ এবং সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ার বাস্তব সুযোগ প্রয়োজন।   এর আগে ম্যাসাচুসেটসের একটি ফেডারেল জেলা আদালতও সরকারের নীতির বিরুদ্ধে রায় দিয়েছিল। সেই আদালত বলেছিল, তৃতীয় দেশে পাঠানোর আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে লিখিতভাবে গন্তব্য জানাতে হবে এবং সেই দেশে নিপীড়ন বা নির্যাতনের আশঙ্কা থাকলে তা জানানোর অর্থবহ সুযোগ দিতে হবে। পরে বিষয়টি আপিল আদালতে যায়।   মামলাটি এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্তও পৌঁছেছিল। আগের একটি পর্যায়ে সর্বোচ্চ আদালত জেলা আদালতের প্রাথমিক নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছিল। এরপর মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া চলতে থাকে এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জেলা আদালত সরকারের সংশ্লিষ্ট নির্দেশনাকে বেআইনি ঘোষণা করে। সেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই সরকার প্রথম সার্কিট আপিল আদালতে যায়।   ১৮ সেপ্টেম্বরের রায়ে আপিল আদালত জেলা আদালতের সব যুক্তি অবশ্য বহাল রাখেনি। তৃতীয় দেশে পাঠানোর আগে সরকারকে প্রথমে অভিবাসীর মনোনীত দেশ বা নাগরিকত্বের দেশে পাঠানোর চেষ্টা করতে হবে—এ সংক্রান্ত জেলা আদালতের দুটি ঘোষণামূলক সিদ্ধান্ত মামলাকারীদের আইনি অবস্থানসংক্রান্ত কারণে বাতিল করা হয়েছে। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ, অর্থাৎ কার্যকর নোটিশ এবং নিপীড়ন বা নির্যাতনের আশঙ্কার ভিত্তিতে আপত্তি জানানোর অর্থবহ সুযোগ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা বহাল রেখেছে আপিল আদালত।   আদালত স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের ২০২৫ সালের মার্চ ও জুলাইয়ের সংশ্লিষ্ট নির্দেশনাও প্রশাসনিক কার্যপ্রণালি আইনের অধীনে বেআইনি হিসেবে বাতিল করার জেলা আদালতের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে। অর্থাৎ সরকার তৃতীয় দেশে পাঠানোর ক্ষমতা পুরোপুরি হারায়নি; বরং ওই ক্ষমতা প্রয়োগের সময় নির্দিষ্ট আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করার বাধ্যবাধকতা আরও স্পষ্ট হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬ ১৫:৩৩
ট্রাম্পের হাত থেকে কেনেডি সেন্টার বাঁচাতে মানববন্ধন, হাতে হাত রাখলেন শত শত মানুষ

ট্রাম্পের হাত থেকে কেনেডি সেন্টার বাঁচাতে মানববন্ধন, হাতে হাত রাখলেন শত শত মানুষ

‘অপহৃত মনে হচ্ছে’, আফ্রিকার দেশে পাঠিয়ে আইনি অনিশ্চয়তায় লাতিন অভিবাসীরা

‘অপহৃত মনে হচ্ছে’, আফ্রিকার দেশে পাঠিয়ে আইনি অনিশ্চয়তায় লাতিন অভিবাসীরা

ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগোতে মসজিদে হামলা চালিয়ে তিনজনকে হত্যার ঘটনায় জড়িত ১৮ বছর বয়সী ক্যালেব ভাসকেজ। ছবি: সংগৃহীত

সান দিয়েগো মসজিদে হামলার পর হামলাকারীর আত্নহত্যা! এক বছর ছিলেন পুলিশের নজরে

হোয়াইট হাউসে সিএনএন, এমএস নাউ ও পলিটিকোর সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার পর হোয়াইট হাউসে ঢুকতে পারলেন না সিএনএন, এমএস নাউ ও পলিটিকোর সাংবাদিকরা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার একদিন পর শনিবার হোয়াইট হাউসে ঢুকতে পারেননি সিএনএন, এমএস নাউ ও পলিটিকোর সাংবাদিকরা। শুক্রবার ট্রাম্প এই তিন সংবাদমাধ্যমকে হোয়াইট হাউসে নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দেওয়ার পর শনিবার সকালে তাদের সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম, রয়টার্স ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।   সিবিএস নিউজের প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, শনিবার সকাল ৮টার দিকে এমএস নাউয়ের সংবাদদাতা আকায়লা গার্ডনার ও একজন ক্যামেরাকর্মী হোয়াইট হাউসে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় তাদের প্রবেশের অনুমতিপত্র অকার্যকর করে দেওয়া হয় এবং তারা প্রবেশ করতে পারেননি। গার্ডনার জানান, অনুমতিপত্র দিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করলে সেটি অকার্যকর দেখায়। কারণ জানতে চাইলে নিরাপত্তাকর্মী তাকে বলেন, বিষয়টি তার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পর্যায়ের।   সিএনএনের জ্যেষ্ঠ হোয়াইট হাউস প্রতিবেদক বেটসি ক্লেইনের প্রবেশের অনুমতিপত্রও অকার্যকর করে দেওয়া হয়। তিনি শনিবার হোয়াইট হাউসে প্রবেশের চেষ্টা করেও ঢুকতে পারেননি। সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, তাদের সাংবাদিক ও ক্যামেরাকর্মীকে হোয়াইট হাউসের প্রাঙ্গণে প্রবেশের চেষ্টা করতে দেখা যায় এবং পরে তারা অনুমতিপত্র ছাড়া সেখান থেকে চলে যান।   পলিটিকোর হোয়াইট হাউস প্রতিবেদক শেয়েন হাসলেটকেও শনিবার সকালে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। পলিটোর তথ্য অনুযায়ী, গোপন নিরাপত্তা সংস্থার সদস্যরা তাকে থামিয়ে দেন এবং তার প্রবেশের অনুমতিপত্র নিয়ে নেন। ফলে তিনটি সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের ক্ষেত্রেই ট্রাম্পের আগের দিনের ঘোষণার পর বাস্তবে প্রবেশাধিকার বন্ধ করা হয়েছে।   এর আগে শুক্রবার ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় সিএনএন, এমএস নাউ ও পলিটোকে হোয়াইট হাউসে নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দেন। তিনি এসব সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনকে মিথ্যা সংবাদ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং অভিযোগ করেন, তারা তার প্রশাসন ও যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করে। ট্রাম্প আরও ইঙ্গিত দেন, ভবিষ্যতে অন্য সংবাদমাধ্যমগুলোকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হতে পারে।   ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্পকে এ সিদ্ধান্তের কারণ জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, এসব সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন নিয়ে তিনি ক্লান্ত। তিনি কোনো নির্দিষ্ট প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ না করে গত কয়েক বছরের সামগ্রিক সংবাদ কাভারেজের কথা বলেন। ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি অসৎ সংবাদমাধ্যম পছন্দ করেন না।   ট্রাম্পের ঘোষণার পর সিএনএন, এমএস নাউ ও পলিটিকো তাদের সাংবাদিকতার অধিকার রক্ষার কথা জানিয়েছে। সিএনএন বলেছে, হোয়াইট হাউস ও মার্কিন সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রতিবেদন করার দায়িত্ব তারা অব্যাহত রাখবে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের হোয়াইট হাউস দলের প্রতি সমর্থনও জানিয়েছে।   এমএস নাউ জানিয়েছে, তাদের সাংবিধানিক অধিকার এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার ভূমিকা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পলিটোর প্রধান সম্পাদক জোনাথন গ্রিনবার্গারও প্রতিবেদক শেয়েন হাসলেট এবং হোয়াইট হাউস কাভার করা অন্য সাংবাদিকদের পাশে থাকার কথা জানিয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটি সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানিয়েছে।   হোয়াইট হাউস সংবাদদাতা সমিতিও তিন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। সংগঠনটির সভাপতি ও ফক্স নিউজের প্রতিবেদক জ্যাকুই হাইনরিশ বলেছেন, সিএনএন, এমএস নাউ ও পলিটোর সহকর্মীদের পক্ষে সংগঠনটি অবস্থান করছে।   এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে আইনি প্রশ্নও সামনে এসেছে। সিবিএস নিউজের আইনবিষয়ক সহযোগী জেসিকা লেভিনসন ট্রাম্পের সর্বশেষ পদক্ষেপকে সংবাদবিষয়ক মতের ভিত্তিতে বৈষম্যের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তবে এটি তার আইনি বিশ্লেষণ, আদালতের চূড়ান্ত রায় নয়।   এর আগে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসেরও হোয়াইট হাউস প্রবেশাধিকার নিয়ে বিরোধ হয়েছিল। ২০২৫ সালে মেক্সিকো উপসাগরের নাম পরিবর্তন করে ট্রাম্পের নির্ধারিত নাম ব্যবহার না করায় অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রবেশাধিকার সীমিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরে সংবাদমাধ্যমটি সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলা করে। ২০২৫ সালের এপ্রিলে একটি ফেডারেল আদালত হোয়াইট হাউসকে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রেসিডেন্টের বিভিন্ন স্থানে প্রবেশাধিকার পুনর্বহালের নির্দেশ দেয়। পরে আপিল আদালতের মাধ্যমে কিছু সীমিত স্থানে প্রবেশাধিকার নিয়ে বিরোধ চলতে থাকে।   ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদেও সিএনএনের তৎকালীন প্রতিবেদক জিম অ্যাকোস্টার প্রেস অনুমতিপত্র নিয়ে বিরোধ হয়েছিল। সিএনএন মামলা করার পর একজন ফেডারেল বিচারক তার অনুমতিপত্র পুনর্বহালের নির্দেশ দেন। সর্বশেষ ঘটনায় সিএনএন, এমএস নাউ ও পলিটিকোর সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার বন্ধ হওয়ার পর সংবাদমাধ্যমগুলোর সাংবিধানিক অধিকার এবং হোয়াইট হাউসের সংবাদ কভারেজ নিয়ে নতুন করে আইনি বিতর্ক তৈরি হয়েছে।   সূত্র: সিবিএস নিউজ

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬ ১২:৪৬
সান ফ্রান্সিসকোতে প্রকাশ্য বাজারে বিক্রির তালিকায় ওঠা সেই বিরল ভাসমান বাড়ি। ছবি: সংগৃহীত

সান ফ্রান্সিসকোতে ১৭.৫ লাখ ডলারে বিক্রির তালিকায় বিরল ভাসমান বাড়ি

যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধির কারণে ট্রাকচালকদের কাজের সময় বাড়াল প্রশাসন। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের রেকর্ড দামে জ্বালানি ট্রাকচালকদের ডিউটি ১৬ ঘণ্টা করার সিদ্ধান্ত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রি-স্কুলে মেয়ের ভর্তির খরচ দেখে বিস্মিত ভারতীয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সোনাল চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে প্রি-স্কুলের ফি ৯ লাখ রুপি, যা মারুতি গাড়ির সমান, খরচ নিয়ে তুমুল আলোচনা

0 Comments