সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

স্বপ্নের নারীকে আগেই ছবিতে এঁকেছিলেন শিল্পী, এক বছর পর হুবহু সেই চেহারার নারীর সঙ্গেই সাক্ষাৎ, প্রেম, অতঃপর বিয়ে!

নীলুফা নিশাত প্রকাশ: আগস্ট ৮, ২০২৬ ৬:৪০
এই দম্পতি হলেন ইরানি শিল্পী আহাদ সাদিএবং তাঁর স্ত্রী পারিসা কারামনেজাদ। ছবি:সংগৃহীত
এই দম্পতি হলেন ইরানি শিল্পী আহাদ সাদিএবং তাঁর স্ত্রী পারিসা কারামনেজাদ। ছবি:সংগৃহীত

২০০৮ সালে ইরানি শিল্পী আহাদ সাদি মায়ের বিয়ের প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে কল্পনায় এঁকেছিলেন তার ভবিষ্যৎ জীবনসঙ্গিনীর একটি প্রতিকৃতি। প্রায় এক বছর পর তাবরিজের একটি প্রদর্শনীতে সেই ছবিটি দেখতে গিয়ে শিল্পী পারিসা কারামনেজাদ অবাক হয়ে আবিষ্কার করেন, আঁকা নারীর সঙ্গে তার নিজের চেহারার আশ্চর্য মিল রয়েছে। পরে সেই পরিচয়ই গড়ায় প্রেম ও বিয়েতে।

 

আহাদ সাদি নিজের বিশেষ আগুননির্ভর শিল্পকৌশল ‘আজারনেগারি’ ব্যবহার করে প্রতিকৃতিটি তৈরি করেছিলেন। মায়ের প্রশ্নের জবাব হিসেবে কল্পনা থেকে আঁকা সেই ছবির সঙ্গে বাস্তব জীবনের কোনো মানুষের মিল পাওয়া যাবে, এমনটা তখন তার ধারণাতেও ছিল না।

 

প্রায় এক বছর পর তাবরিজে একটি প্রদর্শনীতে বন্ধুদের সঙ্গে গিয়েছিলেন পারিসা। সেখানে আহাদের আঁকা প্রতিকৃতিটি দেখে তিনি নিজের চেহারার সঙ্গে ছবির নারীর মিল লক্ষ্য করেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি শিল্পীর সঙ্গে কথা বললে দুজনেই এই অদ্ভুত মিল দেখে বিস্মিত হন।

 

এরপর তাদের পরিচয় তৈরি হলেও সঙ্গে সঙ্গে সম্পর্কের পরিণতি ঘটেনি। পরবর্তী সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে আবার যোগাযোগ হয় দুজনের। পরে ইস্তাম্বুলে আহাদের একটি প্রদর্শনীতে তাদের দেখা হয়। সেখানে একসঙ্গে রাতের খাবার খাওয়ার পর আহাদ পারিসাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন।

 

অবাক করার মতো বিষয় হলো, প্রস্তাব পাওয়ার পর খুব বেশি সময় নেননি পারিসা। পরদিনই তিনি আহাদের প্রস্তাবে সম্মতি জানান।

 

ইরানি সংবাদমাধ্যমের পুরোনো প্রতিবেদনে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বলা হয়েছিল, আহাদ যেন নিজের ভবিষ্যৎ জীবনসঙ্গিনীর মুখটি বাস্তবে তার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার আগেই ক্যানভাসে এঁকে ফেলেছিলেন। এক বছর আগে কল্পনায় আঁকা একটি প্রতিকৃতি পরে বাস্তব জীবনের মানুষের সঙ্গে মিলে যাওয়ার ঘটনাটি তাই তাদের সম্পর্কের সবচেয়ে আলোচিত দিক হয়ে ওঠে।

 

শিল্পীর মায়ের করা সাধারণ একটি প্রশ্ন থেকেই শুরু হয়েছিল গল্পটির প্রথম অধ্যায়। আর সেই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে আঁকা একটি ছবি শেষ পর্যন্ত আহাদের জীবনের বাস্তব প্রেমকাহিনির অংশ হয়ে যায়।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
ওবামাকেয়ার স্বাস্থ্যবিমায় বড় ধরনের জালিয়াতির অভিযোগ এনেছে ট্রাম্প প্রশাসন। ছবি: সংগৃহীত
ওবামাকেয়ারে অনিয়মের অভিযোগ, ৭ লাখ ৬০ হাজার গ্রাহকের স্বাস্থ্যবিমা বাতিল করল ট্রাম্প প্রশাসন

যুক্তরাষ্ট্রে ওবামাকেয়ার নামে পরিচিত স্বাস্থ্যবিমা কর্মসূচির আওতায় থাকা ৭ লাখ ৬০ হাজারের বেশি মানুষের প্রায় ৩ লাখ ১৫ হাজার বিমা তালিকাভুক্তি বাতিল করেছে দেশটির সরকার। এসব তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে অনুমতি ছাড়া নাম যুক্ত করা বা যোগ্যতা নিয়ে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর মেডিকেয়ার অ্যান্ড মেডিকেইড সার্ভিসেস (সিএমএস)।   মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর এ তথ্য প্রকাশ করে সিএমএস। সংস্থাটি জানিয়েছে, গত ৩১ আগস্ট প্রায় ৩ লাখ ১৫ হাজার তালিকাভুক্তি বাতিল করা হয়েছে, যার আওতায় ছিলেন ৭ লাখ ৬০ হাজারের বেশি মানুষ। এসব বাতিলের ফলে আগাম দেওয়া প্রিমিয়াম কর-ছাড়ের প্রায় ২২০ কোটি ডলার সরকারি অর্থ ফেরত আসবে বলে আশা করছে সিএমএস।   মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, বাতিল হওয়া তালিকাভুক্তির মধ্যে এমন মানুষ রয়েছেন, যাদের অস্তিত্ব নিয়ে কর্তৃপক্ষের প্রশ্ন রয়েছে, আবার এমন বাস্তব ব্যক্তিও রয়েছেন যারা স্বাস্থ্যবিমার জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা পূরণ করেননি। কিছু মানুষকে তাদের অজান্তেই বিমা পরিকল্পনায় যুক্ত করা হয়েছিল বলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।   সিএমএসের প্রশাসক মেহমেট ওজ জানিয়েছেন, যেসব তালিকাভুক্তিকে ‘ফ্যান্টম’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তাদের অনেকের বিষয়ে কর্মকর্তারা মনে করছেন তারা হয় বাস্তবে ওই বিমা পরিকল্পনায় যুক্ত হওয়ার কথা জানতেন না, অথবা তাদের অস্তিত্বই নিশ্চিত করা যায়নি। এসব ব্যক্তির সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া পাওয়া যায়নি এবং তারা বিমার আওতায় কোনো দাবি জমা দিয়েছেন কি না, সেটিও পর্যালোচনা করা হয়েছে।   এই পদক্ষেপের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিমা পরিকল্পনায় মানুষকে যুক্ত করা এজেন্ট ও ব্রোকারদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিচ্ছে সিএমএস। সংস্থাটি ২০২৬ সালের আবেদনগুলোতে প্রয়োজনীয় পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য, যেমন সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর, না থাকা সত্ত্বেও অস্বাভাবিক হারে আবেদন জমা দেওয়ার অভিযোগে ৫৬৯ জন ব্রোকারের বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এর মধ্যে প্রথম ১০০ জনের জবাব দেওয়ার সময়সীমা শেষ হয়েছে এবং ইতোমধ্যে ৬৬ জনকে চুক্তি বাতিলের নোটিশ দেওয়া হয়েছে।   সিএমএসের অভিযোগ, কিছু ব্রোকার গ্রাহকের প্রকৃত সম্মতি ছাড়াই তাদের স্বাস্থ্যবিমায় যুক্ত করেছেন, অনুমতি ছাড়া পরিকল্পনা পরিবর্তন করেছেন, ভুল তথ্য ব্যবহার করেছেন অথবা কমিশন পাওয়ার উদ্দেশ্যে সন্দেহজনক আবেদন তৈরি করেছেন। সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২৬ সালে নতুন করে নিবন্ধিত হওয়া এজেন্ট ও ব্রোকারদের সংখ্যা মোট ব্রোকারদের তুলনায় কম হলেও তাদের মধ্যে অননুমোদিত তালিকাভুক্তি ও ঝুঁকিপূর্ণ কার্যক্রমের হার তুলনামূলক বেশি পাওয়া গেছে।   এ কারণে নতুন এজেন্ট ও ব্রোকার নিবন্ধনের ওপর সাময়িক স্থগিতাদেশও দিয়েছে সিএমএস। ২০২৬ সালের জন্য সক্রিয় এক্সচেঞ্জ চুক্তি নেই এমন এজেন্ট ও ব্রোকাররা ২০২৭ সালের পরিকল্পনার জন্য নতুন করে নিবন্ধন করতে পারবেন না। এই স্থগিতাদেশ ২০২৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কার্যকর থাকার কথা।   তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তিও উঠেছে। ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব বেনিফিটস অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স প্রফেশনালস নামের একটি শিল্প সংগঠন বলেছে, সব নতুন ব্রোকারের ওপর একসঙ্গে স্থগিতাদেশ দিলে বৈধভাবে কাজ করা পেশাজীবীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। সংগঠনটি অনিয়মে জড়িত নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে লক্ষ্যভিত্তিক ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছে।   সরকারের হিসাবে, ২০২৬ সালের পরিকল্পনা বছরে অননুমোদিত ও সন্দেহজনক ওবামাকেয়ার তালিকাভুক্তির কারণে সরকারি অর্থের সর্বোচ্চ ৬৬০ কোটি ডলার পর্যন্ত অনিয়মিতভাবে ব্যয় হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এর মধ্যে বাতিল করা তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে আগাম দেওয়া কর-ছাড়ের প্রায় ২২০ কোটি ডলার ফেরত আসতে পারে বলে সিএমএস জানিয়েছে। ভ্যান্সের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের দুর্নীতি ও অনিয়মবিরোধী উদ্যোগের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।   ওবামাকেয়ার মূলত ২০১০ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে প্রণীত সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা আইন বা অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্টের অধীনে পরিচালিত স্বাস্থ্যবিমা ব্যবস্থা। এতে নির্দিষ্ট আয়ের মানুষের জন্য সরকারি ভর্তুকির মাধ্যমে স্বাস্থ্যবিমার প্রিমিয়াম কমানোর সুযোগ রয়েছে। রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদেও আইনটি বাতিলের চেষ্টা করেছিলেন, যদিও তা সফল হয়নি। তার প্রশাসন বর্তমানে এই কর্মসূচির বিভিন্ন নিয়ম ও ভর্তুকি ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার পাশাপাশি অনিয়ম ঠেকানোর উদ্যোগ নিচ্ছে।   এর আগে চলতি বছরের জুনে মার্কিন স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের নীতিবিষয়ক কার্যালয় এক প্রতিবেদনে দাবি করে, ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ওবামাকেয়ারে নতুন করে যুক্ত হওয়া মানুষের প্রায় অর্ধেকের তালিকাভুক্তি অনিয়মিত, কাল্পনিক বা প্রতারণামূলক হতে পারে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালে এ ধরনের তালিকাভুক্তির সংখ্যা আনুমানিক ৫৬ লাখে পৌঁছেছিল। তবে এগুলো সরাসরি প্রমাণিত প্রতারণার সংখ্যা নয়, বরং সরকারি বিশ্লেষণের ভিত্তিতে করা অনুমান।   সিএমএস আরও জানিয়েছে, ২০২৬ সালে প্রায় ১ কোটি ৯২ লাখ মানুষ ওবামাকেয়ার এক্সচেঞ্জ পরিকল্পনায় যুক্ত রয়েছেন। সংস্থাটির হিসাবে, এর মধ্যে প্রায় ২৬ লাখ তালিকাভুক্তি এখনও অনিয়মিত, কাল্পনিক বা প্রতারণামূলক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব পরিসংখ্যান নিয়ে প্রশাসন ও স্বাস্থ্যবিমা খাতের বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে এবং সরকারি হিসাবগুলো মূলত প্রশাসনিক তথ্য ও অনুমানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।   অন্যদিকে, ২০২৬ সালে অতিরিক্ত কোভিড-পরবর্তী স্বাস্থ্যবিমা ভর্তুকির মেয়াদ শেষ হওয়া এবং চিকিৎসা ব্যয় বাড়ার কারণে অনেক মার্কিন নাগরিকের মাসিক বিমা প্রিমিয়াম বেড়েছে। এর ফলে চলতি বছরে ওবামাকেয়ার থেকে অনেক মানুষের বেরিয়ে যাওয়ার ঘটনাও দেখা গেছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ঠেকানোর সরকারি পদক্ষেপ স্বাস্থ্যবিমা বাজারে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।   সূত্র: রয়টার্স, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর মেডিকেয়ার অ্যান্ড মেডিকেইড সার্ভিসেস (CMS)

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ ২৩:৪৮
আলট্রাসাউন্ড রিপোর্টে গর্ভস্থ শিশুর মাথার ওপর হাতের মতো আকৃতি দেখতে পান আমান্ডা। ছবি: সংগৃহীত

আলট্রাসাউন্ড রিপোর্টে গর্ভস্থ শিশুর মাথার ওপর রহস্যময় হাত, ‘ঈশ্বরের হাত’ বলে বিশ্বাস মায়ের

ডেলিভারি দেওয়ার সময় ট্রাফিক স্টপে থামিয়ে ওই যুবকের ওপর গুলি চালান আইসিই কর্মকর্তা। ছবি: সংগৃহীত

টেক্সাসে ডোরড্যাশ ডেলিভারি দিতে গিয়ে আইসিই এজেন্টের গুলিতে আহত অভিবাসী, চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ

টেসলার সাইবারট্রাক পেছাতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত নিজের ছেলেকেই পিষে মেরেছেন মিস্টার অলিম্পিয়া বিচারক টেরেক এল গিন্ডি। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: বাবার গাড়ির নিচে চাপা পড়ে ছয় বছরের শিশুর মৃত্যু

ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটিতে তিন সপ্তাহে চার ধর্ষণ, আতঙ্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি সান মার্কোসে (সিএসইউএসএম) চলতি শরৎ সেমিস্টার শুরুর পর তিন সপ্তাহের মধ্যে ধর্ষণের চারটি অভিযোগের খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাগুলো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও ঘটনার তদন্তের পাশাপাশি ক্যাম্পাসে টহল ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানোর কথা জানিয়েছে।   বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র জেরি ম্যাককরমিকের তথ্য অনুযায়ী, চারটি ঘটনা ঘটেছে ৫, ৬, ১৩ ও ১৮ সেপ্টেম্বর। ঘটনাগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ভবন দ্য কোয়াড, ইউনিভার্সিটি ভিলেজ অ্যাপার্টমেন্টস এবং ব্ল্যাক ওক হলে ঘটেছে বলে জানানো হয়েছে। চারটি ঘটনাই আলাদা এবং তদন্তাধীন রয়েছে।   বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিটি ঘটনায় ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত ব্যক্তি একে অপরকে চিনতেন বা তাদের মধ্যে পরিচয় ছিল। ঘটনাগুলো পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করছে না বিশ্ববিদ্যালয়। গোপনীয়তার কারণে তদন্ত চলাকালে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না।   ঘটনাগুলোর পর ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। ২১ সেপ্টেম্বর এক শিক্ষার্থী চেঞ্জ ডট অর্গে একটি আবেদন শুরু করেন। এতে ক্যাম্পাসের পার্কিং এলাকা, দ্য কোয়াড এবং পর্যাপ্ত আলো নেই এমন জায়গায় নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশ্ববিদ্যালয় কী পদক্ষেপ নিচ্ছে, সে বিষয়ে আরও স্বচ্ছ তথ্য প্রকাশেরও দাবি জানানো হয়েছে।   আবেদনে ওই শিক্ষার্থী বলেন, নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পরিবেশে পড়াশোনার অধিকার রয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েকজন শিক্ষার্থী ক্যাম্পাস নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তারা যথেষ্ট সাড়া পাননি। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ দাবির বিষয়ে আলাদাভাবে বিস্তারিত মন্তব্য করেছে কি না, তা প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্পষ্ট নয়।   বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে অবশ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানোর কথা জানানো হয়েছে। ক্যাম্পাসে পুলিশের টহল বাড়ানোর পাশাপাশি আবাসিক এলাকার কর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসিডেন্ট এলেন নিউফেল্টও শিক্ষার্থী ও ক্যাম্পাস কমিউনিটির উদ্দেশে দেওয়া এক বার্তায় নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি যৌন সহিংসতা প্রতিরোধে শিক্ষা ও সচেতনতা কার্যক্রম বাড়ানোর কথা বলেছেন।   বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র জেরি ম্যাককরমিক বলেন, যৌন সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এ ধরনের ঘটনার জন্য ভুক্তভোগীকে দায়ী করা উচিত নয়। তার বক্তব্য অনুযায়ী, সম্মতি হতে হবে স্পষ্ট, স্বেচ্ছায় দেওয়া এবং চলমান। শুধু পরিচিতি বা সম্পর্ক থাকার কারণে কারও সম্মতি ধরে নেওয়া যায় না।   বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত প্রতিরোধমূলক শিক্ষা ও সম্মতি বিষয়ক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। পাশাপাশি সংকটে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য সহায়তা ও গোপনীয় পরামর্শের ব্যবস্থাও রয়েছে।   সেমিস্টারের শুরুতে কলেজ ক্যাম্পাসে যৌন সহিংসতার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বাড়তে পারে বলে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম কয়েক সপ্তাহকে অনেক সময় ‘রেড জোন’ বলা হয়। সিএসইউএসএমও জানিয়েছে, শরৎ সেমিস্টারের প্রথম ছয় সপ্তাহকে এ ধরনের ঝুঁকির সময় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে এর অর্থ এই নয় যে ওই সময়ের প্রতিটি ঘটনায় একই কারণ বা প্যাটার্ন রয়েছে।   চারটি ঘটনার বিষয়ে তদন্ত এখনো চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের তথ্য জানানো, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা এবং যৌন সহিংসতার শিকার ব্যক্তিদের সহায়তা দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সিএসইউএসএমের পুলিশ বিভাগও ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহে সাত দিন ক্যাম্পাসে দায়িত্ব পালন করে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের ৯১১ নম্বরে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।   সূত্র: এনবিসি ৭ সান দিয়েগো

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ ২১:১৯
শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় আদালতে দোষ স্বীকার করেছেন মারাইয়া থমাস। ছবি: সংগৃহীত

দোলনা ভেবে সন্তানকে ওভেনে রেখেছিলেন মা, দোষ স্বীকারের পর ১৩ বছরের কারাদণ্ড

যুক্তরাষ্ট্রে আবাসন ব্যয়ের পর সন্তানদের দেখাশোনার খরচ অনেক পরিবারের জন্য অন্যতম বড় ব্যয়। ছবি: সংগৃহীত

সন্তান দেখাশোনায় বছরে ৯ হাজার ডলার সহায়তা, ট্রাম্পের পরিকল্পনায় লাভবান হবেন যারা

যুক্তরাষ্ট্রে ৭ লাখ ৬০ হাজার ওবামাকেয়ার গ্রাহকের সুবিধা বাতিল করছে ট্রাম্প প্রশাসন

যুক্তরাষ্ট্রে ৭ লাখ ৬০ হাজার ওবামাকেয়ার গ্রাহকের সুবিধা বাতিল করছে ট্রাম্প প্রশাসন

কম খরচে নিউইয়র্কে বাড়ি কেনার সুযোগ, মিলতে পারে ১ লাখ ডলার পর্যন্ত সহায়তা
কম খরচে নিউইয়র্কে বাড়ি কেনার সুযোগ, মিলতে পারে ১ লাখ ডলার পর্যন্ত সহায়তা

নিউইয়র্ক সিটিতে বাড়ি কেনা অনেকের কাছেই অধরা স্বপ্ন মনে হলেও, প্রথমবার বাড়ি কিনতে যাওয়া যোগ্য ক্রেতাদের জন্য বেশ কয়েকটি বিশেষ সরকারি সহায়তার সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো নিউইয়র্ক সিটির আবাসন সংরক্ষণ ও উন্নয়ন বিভাগের ‘হোমফার্স্ট’ কর্মসূচি।   এই কর্মসূচির মাধ্যমে ডাউন পেমেন্ট এবং বাড়ি কেনার আনুষঙ্গিক খরচ মেটাতে সর্বোচ্চ ১ লাখ ডলার পর্যন্ত সহায়তা পাওয়া সম্ভব। নিউইয়র্ক সিটির পাঁচটি বরো—ব্রঙ্কস, ব্রুকলিন, ম্যানহাটন, কুইন্স ও স্ট্যাটেন আইল্যান্ডে ১ থেকে ৪ ইউনিটের বাড়ি, কনডোমিনিয়াম বা সমবায়ী মালিকানার বাড়ি কেনার ক্ষেত্রে এই সহায়তা পাওয়া যাবে। তবে শর্ত হলো, বাড়িটি অবশ্যই ক্রেতার প্রধান বাসস্থান হতে হবে এবং কেনার আগে নির্ধারিত আবাসন মানের পরিদর্শনে তা উত্তীর্ণ হতে হবে।   এই ১ লাখ ডলারের সহায়তাটি কোনো সরাসরি নগদ অনুদান নয়, বরং এটি নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষ ঋণ হিসেবে দেওয়া হয়। ৪০ হাজার ডলার বা তার কম সহায়তা নিলে ওই বাড়িতে ক্রেতাকে অন্তত ১০ বছর এবং ৪০ হাজার ডলারের বেশি সহায়তা নিলে অন্তত ১৫ বছর প্রধান বাসস্থান হিসেবে বসবাস করতে হবে। এর পাশাপাশি আবেদনকারীর আয়ের নির্দিষ্ট সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে।   ২০২৬ সালের ১ জুন থেকে কার্যকর নিয়ম অনুযায়ী, এক সদস্যের পরিবারের সর্বোচ্চ বার্ষিক আয় ১ লাখ ৪২ হাজার ৫৬০ ডলার এবং চার সদস্যের পরিবারের ক্ষেত্রে তা ২ লাখ ৩ হাজার ৫২০ ডলার হতে পারবে। এছাড়াও, এক ইউনিটের বাড়ির ক্ষেত্রে ব্রঙ্কস, ম্যানহাটন ও স্ট্যাটেন আইল্যান্ডে সর্বোচ্চ মূল্যসীমা ৬ লাখ ৬১ হাজার ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।   হোমফার্স্টের পাশাপাশি নিউইয়র্ক সিটির আবাসন সংযোগ (Housing Connect) ব্যবস্থায় সাশ্রয়ী মূল্যে কনডোমিনিয়াম ও সমবায়ী মালিকানার বাড়ি কেনারও সুযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, মধ্যম ও মাঝারি আয়ের পরিবারের জন্য ‘মিচেল-লামা’ কর্মসূচির আওতায় সমবায়ী মালিকানার বাড়ি পাওয়ার বিকল্পও রয়েছে, যার জন্য আলাদা অপেক্ষমাণ তালিকা অনুসরণ করা হয়।   আর যারা নিউইয়র্ক সিটির বাইরে বাড়ি কিনতে আগ্রহী, তাদের জন্য নিউইয়র্ক স্টেট মর্টগেজ এজেন্সির (SONYMA) অধীনেও বিভিন্ন ডাউন পেমেন্ট সহায়তা কর্মসূচি চালু রয়েছে। তবে এই ধরনের যেকোনো সরকারি সুবিধার আওতায় বাড়ি কেনার আগে সংশ্লিষ্ট কর্মসূচির সর্বশেষ নিয়মাবলি যাচাই করে অনুমোদিত হাউজিং কাউন্সেলরের পরামর্শ নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ ১৮:৩৬
ক্যালিফোর্নিয়ায় গৃহহীনদের আবাসন প্রকল্পে ৬ বছরেও শেষ হয়নি কাজ, খরচ বাড়ছে কোটি কোটি ডলার

ক্যালিফোর্নিয়ায় গৃহহীনদের আবাসন প্রকল্পে ৬ বছরেও শেষ হয়নি কাজ, খরচ বাড়ছে কোটি কোটি ডলার

নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে ল্যাম্বরগিনির ধাক্কায় ৬৮ বছরের বৃদ্ধ নি হত, পলাতক চালক

নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে ল্যাম্বরগিনির ধাক্কায় ৬৮ বছরের বৃদ্ধ নি হত, পলাতক চালক

ট্রাম্পের কাছে পরাজয়ের পর নির্বাচনী প্রচারণায় কমলা হ্যারিসকে চান না একাধিক ডেমোক্র্যাট প্রার্থী

ট্রাম্পের কাছে পরাজয়ের পর নির্বাচনী প্রচারণায় কমলা হ্যারিসকে চান না একাধিক ডেমোক্র্যাট প্রার্থী

0 Comments