আমেরিকা

মায়ের অপেক্ষায় ৫ বছরের ছেলে, স্ত্রীকে আইসের হেফাজত থেকে ফেরাতে আইনি লড়াইয়ে মার্কিন সেনাসদস্য

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১১, ২০২৬ ২২:২
স্ত্রীকে আইসের হেফাজত থেকে মুক্ত করতে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন মার্কিন সেনাসদস্য অ্যালেক্সিস হারামিলো। ছবি: সংগৃহীত
স্ত্রীকে আইসের হেফাজত থেকে মুক্ত করতে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন মার্কিন সেনাসদস্য অ্যালেক্সিস হারামিলো। ছবি: সংগৃহীত

নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হয়েছে। অন্য শিশুদের মতো স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে পাঁচ বছরের নোয়াও। তবে এবার তার সবচেয়ে বড় অপেক্ষা নতুন বই বা স্কুলব্যাগের জন্য নয়, মায়ের জন্য। কারণ নিয়মিত একটি অভিবাসন সাক্ষাৎকারে যাওয়ার পর থেকে তার মা মাইসা লোপেস এলিয়াসের যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা (আইস)-এর হেফাজতে রয়েছেন। আর স্ত্রীকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনতে এখন আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন মার্কিন সেনাবাহিনীর সদস্য অ্যালেক্সিস হারামিলো।

 

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কেএএলবি (KALB) জানায়, স্টাফ সার্জেন্ট অ্যালেক্সিস হারামিলো গত ১১ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীতে কর্মরত। পুয়ের্তো রিকোতে জন্ম নেওয়া এই বিমান চলাচল বিশেষজ্ঞ বলেন, দেশের সেবায় গর্বিত হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি নিজেকে 'প্রতারিত' মনে করছেন।

 

হারামিলোর ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৮ জুলাই তিনি, তার স্ত্রী এবং পাঁচ বছরের ছেলে নোয়া আলাবামার মন্টগোমারিতে একটি নির্ধারিত অভিবাসন সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে আট ঘণ্টা গাড়ি চালিয়ে যান। সাক্ষাৎকার চলাকালে আইস কর্মকর্তারা তার স্ত্রীকে আলাদা কক্ষে নিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর তাদের জানানো হয়, মাইসা লোপেস এলিয়াসেরকে আটক করা হয়েছে।

 

তিনি বলেন, "আমার ছেলের সামনেই জানানো হয় তার মাকে আটক করা হয়েছে। সেই মুহূর্তের কথা মনে করাও খুব কষ্টের।"

২০১৯ সালে ব্রাজিলের সাও পাওলো থেকে বৈধ ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে আসেন মাইসা। পরে হারামিলোর সঙ্গে তার বিয়ে হয় এবং বৈবাহিক সম্পর্কের ভিত্তিতে অভিবাসন মর্যাদা পরিবর্তনের আবেদনও করা হয়।

 

তবে অভিবাসন আইনজীবী মাইকেল গাহাগান জানান, মাইসা নির্ধারিত একটি বায়োমেট্রিকস (আঙুলের ছাপ ও পরিচয় যাচাই) সাক্ষাতে উপস্থিত হননি। এর ফলে তার আশ্রয় আবেদন বাতিল হয় এবং পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে বহিষ্কারের আদেশ জারি করা হয়।

 

হারামিলো বলেন, তারা মনে করেছিলেন বিয়ের পর নতুন করে জমা দেওয়া কাগজপত্রের কারণে আগের বায়োমেট্রিকস সাক্ষাতে আর যাওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু আইন অনুযায়ী একটি আবেদন অন্য প্রক্রিয়াকে বাতিল করে না।

 

বর্তমানে হারামিলোর আইনজীবী মামলাটি পুনরায় চালুর আবেদন করেছেন। আইনজীবীদের আশা, আদালত আবেদন গ্রহণ করলে আপাতত বহিষ্কারের প্রক্রিয়া স্থগিত হতে পারে। তবে এরই মধ্যে আইস ব্রাজিলের কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ভ্রমণ নথি সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

 

স্ত্রীকে মুক্ত করতে আইনি লড়াই চালিয়ে যেতে গিয়ে আর্থিক ও মানসিকভাবে চরম চাপের মধ্যে রয়েছেন হারামিলো। তিনি বলেন, মামলার খরচ বহন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এই চাপ তার ব্যক্তিগত জীবন তো বটেই, সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালনের ওপরও প্রভাব ফেলছে।

তার ভাষায়, "আমার সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা আমার ছেলে। স্কুল শুরু হয়েছে, কিন্তু এবার প্রথমবারের মতো তার মা তাকে স্কুলের প্রথম দিনে নিয়ে যেতে পারছে না।"

 

বর্তমানে মাইসা লুইজিয়ানার ব্যাসিলে অবস্থিত আইস প্রসেসিং সেন্টারে আটক আছেন। তার স্বামীর দাবি, তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।

যদি শেষ পর্যন্ত তার স্ত্রীকে ব্রাজিলে ফেরত পাঠানো হয়, সেটিই হবে তার জীবনের সবচেয়ে বড় দুঃস্বপ্ন বলে মন্তব্য করেন হারামিলো।

তিনি বলেন, "আমরা আইন ভাঙার চেষ্টা করছি না। বরং আইন মেনেই সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চেয়েছি।"

 

হারামিলো যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতাদের প্রতি পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে আইনি লড়াইয়ের ব্যয় মেটাতে একটি গোফান্ডমি তহবিলও চালু করেছেন।

 

এদিকে, এ ঘটনায় মন্তব্য জানতে চাওয়া হলেও আইসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সূত্র: কেএএলবি (KALB), গ্রে নিউজ

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
বড় শহরের কোলাহল ছেড়ে তুলনামূলক সাশ্রয়ী ও শান্ত শহরগুলোতে বসবাসের আগ্রহ বাড়ছে। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের জন্য এখন সবচেয়ে জনপ্রিয় এলাকা কোনগুলো? জানাল নতুন সমীক্ষা

করোনাভাইরাস মহামারির পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আবাসন ব্যয় ব্যাপকভাবে বেড়েছে। তা সত্ত্বেও এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে পাড়ি জমানো মার্কিনিদের কাছে বসবাসের জন্য এখনো সবচেয়ে জনপ্রিয় গন্তব্য ফ্লোরিডা ও টেক্সাস। সম্প্রতি প্রকাশিত নতুন এক সমীক্ষার তথ্যে এমনটাই উঠে এসেছে।   অনলাইন মুভিং প্ল্যাটফর্ম ‘মুভিংপ্লেস’ (MovingPlace) চলতি ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত ৫০ লাখেরও বেশি মানুষের স্থানান্তরের ডেটা বিশ্লেষণ করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। মাথাপিছু স্থানান্তরের হিসাব এবং সামগ্রিক প্রবণতা বিশ্লেষণ করে তারা জানিয়েছে, এ বছর যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় এলাকা হিসেবে শীর্ষস্থান দখল করেছে ফ্লোরিডার ইনলেট বিচ।   ফ্লোরিডার এমারেল্ড কোস্টে অবস্থিত ইনলেট বিচে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে মাথাপিছু ১০৬.১ জন স্থানান্তরের রেকর্ড পাওয়া গেছে। শীর্ষ ১০টি জনপ্রিয় এলাকার তালিকায় ইনলেট বিচ ছাড়াও ফ্লোরিডার আরও তিনটি এলাকা জায়গা করে নিয়েছে; এগুলো হলো পোর্ট সেন্ট লুসি, ব্র্যাডেন্টন এবং সান আন্তোনিও (ফ্লোরিডা)। এছাড়া টেক্সাসের তিনটি শহর ক্র্যান্ডল, ল্যাভন এবং ম্যাক্সওয়েলও এই তালিকায় রয়েছে।   মজার ব্যাপার হলো, ফ্লোরিডা এবং টেক্সাসের যেসব এলাকা এখন জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে, সেগুলো কোনো বড় বা পরিচিত মেট্রো শহর নয়। মহামারির সময়ে অস্টিন, কেপ কোরাল, টাম্পা বা মিয়ামির মতো শহরগুলোতে নতুন বাসিন্দাদের ঢল নেমেছিল। কিন্তু গত কয়েক বছরে এসব শহরে বাড়ির দাম দুই অঙ্কের ঘরে বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিবর্তন এসেছে। মানুষ এখন বড় শহরের বদলে তুলনামূলক ছোট ও সাশ্রয়ী এলাকা খুঁজছেন।   জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা ১০টি এলাকা:   মুভিংপ্লেসের ডেটা অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে মাথাপিছু স্থানান্তরের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০টি এলাকা হলো:   ১. ইনলেট বিচ, ফ্লোরিডা ২. ক্র্যান্ডল, টেক্সাস ৩. অরোরা, কলোরাডো ৪. ল্যাভন, টেক্সাস ৫. ন্যাশভিল, টেনেসি ৬. সারপ্রাইজ, অ্যারিজোনা ৭. পোর্ট সেন্ট লুসি, ফ্লোরিডা ৮. ব্র্যাডেন্টন, ফ্লোরিডা ৯. সান আন্তোনিও, ফ্লোরিডা ১০. ম্যাক্সওয়েল, টেক্সাস   কেন এই শহরগুলোর এত জনপ্রিয়তা?   গবেষকদের মতে, বিলাসবহুল উপকূলীয় জীবনযাপন এবং বিশ্বের অন্যতম সুন্দর সৈকতের সান্নিধ্যের কারণে ইনলেট বিচ এতটা জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মূলত অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং যারা দ্বিতীয় বাড়ি কিনতে চান, তারাই এখানকার মূল ক্রেতা। আবাসন বিষয়ক প্রতিষ্ঠান ‘রেডফিন’-এর তথ্যমতে, গত জুনে ইনলেট বিচ হাইটসে একটি সাধারণ বাড়ির গড় দাম ছিল ৭ লাখ ডলার, যা রাজ্যব্যাপী গড় দামের চেয়ে প্রায় ৩ লাখ ডলার বেশি।   তবে তালিকার অন্যান্য ফ্লোরিডা শহরগুলোতে সাশ্রয়ী মূল্যে বাড়ি পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। রেডফিনের ডেটা বলছে, পোর্ট সেন্ট লুসিতে বাড়ির গড় দাম এখনো ৪ লাখ ডলারের নিচে। অন্যদিকে, পরিবার নিয়ে থাকার জন্য বা পেশাজীবীদের কাছে ব্র্যাডেন্টন বেশ আকর্ষণীয়, যেখানে বাড়ির দাম ৩ লাখ ১৯ হাজার ডলারের কিছুটা বেশি। ফ্লোরিডার সান আন্তোনিও শহরটিও বেশ সাশ্রয়ী; গত জুনে এখানে বাড়ির গড় দাম ছিল ৪ লাখ ৬৬ হাজার ১৯৬ ডলার।   একই চিত্র দেখা গেছে টেক্সাসের ক্ষেত্রেও। ডেনভার বা ডালাস-ফোর্ট ওয়ার্থের মতো ব্যয়বহুল শহরের সাশ্রয়ী বিকল্প হয়ে উঠেছে টেক্সাসের ক্র্যান্ডল। গত জুনে এখানে একটি বাড়ির গড় দাম ছিল ২ লাখ ৮৮ হাজার ১০৩ ডলার, যেখানে ডালাসে প্রায় ৪ লাখ ৯০ হাজার ডলার। একইভাবে, ল্যাভন ও ম্যাক্সওয়েল শহর দুটিও উত্তর টেক্সাস এবং অস্টিনের তুলনায় অনেক সস্তা। অস্টিনে যেখানে বাড়ির গড় দাম ৫ লাখ ৫৭ হাজার ডলারের বেশি, সেখানে ম্যাক্সওয়েলে আড়াই লাখ ডলারের নিচেই বাড়ি পাওয়া যাচ্ছে।   মুভিংপ্লেসের জ্যেষ্ঠ সম্পাদক ড্যানিয়েল কোব এক বিবৃতিতে বলেন, "মহামারির সময়ের মতো শহর ছাড়ার হিড়িক এখন হয়তো কিছুটা কমেছে। কিন্তু মানুষের আবাসন চাহিদা এখনো ঐতিহ্যবাহী বড় শহরগুলোর চেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল শহরতলি এবং সাশ্রয়ী এলাকাগুলোর দিকেই বেশি। উষ্ণ আবহাওয়া, কম কর এবং তুলনামূলক সস্তা আবাসনের কারণে মানুষ সান বেল্ট অঞ্চলে, বিশেষ করে ফ্লোরিডা এবং টেক্সাসে বসবাস করতে বেশি আগ্রহী হচ্ছেন।"

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১১, ২০২৬ ২২:৪৬
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশি ওয়াহেদ আলী মন্ডল

বাসায় যাওয়ার পথে নিউইয়র্কে বীর মুক্তিযোদ্ধার ওপর হামলা

স্ত্রীকে আইসের হেফাজত থেকে মুক্ত করতে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন মার্কিন সেনাসদস্য অ্যালেক্সিস হারামিলো। ছবি: সংগৃহীত

মায়ের অপেক্ষায় ৫ বছরের ছেলে, স্ত্রীকে আইসের হেফাজত থেকে ফেরাতে আইনি লড়াইয়ে মার্কিন সেনাসদস্য

আলাস্কার অ্যাঙ্কোরেজে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৩ বছর বয়সী কাইলি হুগেনডর্ন ও তার পরিবারের ঘটনাটি তদন্ত করছে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

সড়ক দুর্ঘটনায় মায়ের মৃত্যুর দুই দিন পর প্রাণ হারাল ৪ বছরের মেয়ে, বেঁচে আছে শুধু এক বছরের মা-হারা ছেলে

মার্কিন ইমিগ্রেশন পুলিশ আইসিই কর্মকর্তাদের জন্য কেনা হচ্ছে বিশেষ 'ইলেকট্রিক শক গ্লাভস'। ছবি: সংগৃহীত
অভিবাসীদের আটক অভিযানে বিদ্যুৎ শক দেওয়া বিশেষ গ্লাভস কিনতে ২ কোটি ডলার ব্যয় করবে আইস

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা (আইস) কর্মকর্তাদের জন্য বিদ্যুৎ শক দিতে সক্ষম বিশেষ ধরনের গ্লাভস কিনতে সর্বোচ্চ ২ কোটি ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনা করেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের (ডিএইচএস) প্রকাশিত একটি ক্রয়সংক্রান্ত নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। পরিকল্পনাটি প্রকাশের পরই মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।   ডিএইচএসের নোটিশ অনুযায়ী, আগামী বছরের মার্চের মধ্যে আইসের কর্মকর্তা ও এজেন্টদের ব্যবহারের জন্য হাজার হাজার 'গ্লোভ (Generated Low Output Voltage Emitter)' কেনার পরিকল্পনা রয়েছে। এগুলো তৈরি করে কেন্টাকির লেক্সিংটনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান কমপ্লায়েন্ট টেকনোলজিস এলএলসি।   প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এই গ্লাভস সাধারণ টহল গ্লাভসের মতোই ব্যবহার করা যায়। তবে প্রয়োজনে একটি সুইচ চাপলে এটি বিদ্যুৎ শক দেওয়ার মোডে চলে যায়। কারও খোলা ত্বকে স্পর্শ করালে এটি তীব্র ব্যথার অনুভূতি সৃষ্টি করে এবং সাধারণত তিন সেকেন্ডেরও কম সময়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সহায়তা করে। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, এতে পোড়া দাগ, ক্ষত বা স্থায়ী চিহ্ন পড়ে না।   কমপ্লায়েন্ট টেকনোলজিস এ প্রযুক্তিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য তুলনামূলক কম দৃশ্যমান এবং পরিস্থিতি শান্ত করতে সহায়ক একটি পদ্ধতি হিসেবে বর্ণনা করেছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি কারাগারেও এ ধরনের গ্লাভস ব্যবহারের নজির রয়েছে।   ইনস্টিটিউট ফর দ্য প্রিভেনশন অব ইন-কাস্টডি ডেথসের সভাপতি জন পিটার্স, যিনি এ প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে গবেষণা করছেন, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে বলেন, বিদ্যুৎ শকের অনুভূতি অনেকটা মৌমাছির হুল ফোটানোর মতো তীব্র ও তাৎক্ষণিক। তার মতে, কেউ প্রতিরোধ করলে কর্মকর্তাদের জন্য এটি কার্যকর একটি নিয়ন্ত্রণমূলক সরঞ্জাম হতে পারে।   তবে পরিকল্পনাটি নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন। তাদের অভিযোগ, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনবিষয়ক কঠোর নীতি বাস্তবায়নের সময় আইসের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ আগেই উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ শক দেওয়ার নতুন সরঞ্জাম ব্যবহারের সুযোগ আরও বিতর্ক সৃষ্টি করতে পারে।   আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের (এসিএলইউ) পুলিশিং প্রকল্পের উপপরিচালক জেন রলনিক বোরকেটা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে বলেন, বেসামরিক অভিবাসন আইন প্রয়োগে এ ধরনের সরঞ্জাম ব্যবহার কতটা যৌক্তিক, তা নিয়ে তার গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে।   তার ভাষায়, "গত এক বছরে আইস দেখিয়েছে যে তারা খুব দ্রুত বলপ্রয়োগে যায়। এখন একটি বোতাম চাপলেই তারা বিদ্যুৎ শক ব্যবহার করতে পারবে, যা হয়তো অন্য কেউ দেখতেও পারবে না। এতে সাধারণ মানুষের ক্ষতির ঝুঁকি বাড়তে পারে।"   অন্যদিকে জন পিটার্সের ধারণা, আইসের এই ক্রয়াদেশ সম্ভবত কোম্পানিটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অর্ডার হতে যাচ্ছে। তার মতে, গাড়ি, বাড়ি বা আটককেন্দ্রে সহযোগিতা না করা ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণে আনতে কর্মকর্তারা এ গ্লাভস ব্যবহার করতে পারেন।   তবে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নিজেও কিছু সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করেছে। তাদের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এটি কোনোভাবেই শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না। শুধু মৌখিকভাবে প্রতিবাদ বা অসহযোগিতা করছেন, এমন ব্যক্তির বিরুদ্ধেও এটি ব্যবহার করা উচিত নয়। এছাড়া শিশু, গর্ভবতী নারী, বয়স্ক ব্যক্তি এবং প্রতিবন্ধীদের মতো ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর ওপর এ গ্লাভস ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।   এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে কমপ্লায়েন্ট টেকনোলজিসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেফ নিকলাস ই-মেইলে জানান, এ বিষয়ে তারা কোনো মন্তব্য করতে অপারগ।   সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১১, ২০২৬ ২১:১২
আর্কানসাসের মমেল হাই স্কুলে এক ফুটবল খেলোয়াড়ের হেলমেটের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় বিষধর কটনমাউথ সাপ। ছবি: সংগৃহীত

অনুশীলনের সময় খেলোয়াড়ের হেলমেটে বিষধর সাপ, একটুর জন্য রক্ষা পেলেন স্কুলছাত্র

বিলাসবহুল দ্বিতীয় বাড়ির ওপর কর নিয়ে নিউইয়র্কের মেয়র ও গভর্নরের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

হোকুলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াচ্ছেন মামদানি? আদালতে স্থগিত নিউইয়র্কের বিতর্কিত ‘পিয়ে-আ-তের’ কর

ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের পোস্ট আগে দেখতে লাখ লাখ ডলারের চুক্তি করছে বিভিন্ন ট্রেডিং ফার্ম

ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের পোস্ট আগে দেখতে লাখ লাখ ডলারের চুক্তি করছে বিভিন্ন ট্রেডিং ফার্ম

চার বছর রাশিয়ার কারাগারে বন্দী মার্কিন নৌসেনা, মুক্ত হয়ে ট্রাম্পের কাছে চাইলেন চিজবার্গার
চার বছর রাশিয়ার কারাগারে বন্দী মার্কিন নৌসেনা, মুক্ত হয়ে ট্রাম্পের কাছে চাইলেন চিজবার্গার

  যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার জানিয়েছেন, দীর্ঘ চার বছরের বেশি সময় ধরে রাশিয়ার কারাগারে বন্দী থাকা এক সাবেক মার্কিন নৌসেনাকে (মেরিন ভেটেরান) মুক্তি দেওয়া হয়েছে। রবার্ট গিলম্যান নামের এই মার্কিন নাগরিকের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন ছিল বলে সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল তার মুক্তির দাবিতে আন্দোলনরত একটি অধিকার গোষ্ঠী।   ট্রাম্প জানান, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন 'মানবিক কারণে' গিলম্যানকে মুক্তি দিতে রাজি হয়েছেন এবং এর বিনিময়ে রাশিয়া কোনো বন্দী বিনিময় বা অন্য কোনো শর্ত দাবি করেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ ট্রাম্প লেখেন, "কোনো বন্দী বিনিময় হয়নি"। তিনি আরও জানান, দেশে ফেরার পর গিলম্যান কেবল একটি ভালো মানের 'চিজবার্গার' খেতে চেয়েছেন এবং তিনি সেটির ব্যবস্থা করবেন।   গ্লোবাল রিচ নামের একটি সংস্থার চিফ স্ট্র্যাটেজি অফিসার এরিক লেবসন জানিয়েছেন, ৩২ বছর বয়সী গিলম্যানকে টেক্সাসের একটি মার্কিন সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসা ও মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, গিলম্যান মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে পৌঁছাবেন এবং সেখানে তার দলের প্রতিনিধিরা তাকে স্বাগত জানাবেন। গিলম্যানের সাথে তার মা-ও যুক্তরাষ্ট্রে ফিরছেন, যিনি অসুস্থ ছেলেকে দেখতে রাশিয়ায় গিয়েছিলেন। গিলম্যানের বোন লেক্সি হাডসন তার ভাইয়ের জীবন বাঁচানোর জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।   ম্যাসাচুসেটসের বাসিন্দা এবং পেশায় শিক্ষক রবার্ট গিলম্যান ২০২২ সাল থেকে রাশিয়ায় বন্দী ছিলেন। ট্রেনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে তাকে নামিয়ে দেওয়ার পর এক পুলিশ কর্মকর্তাকে মারধরের দালায় প্রাথমিকভাবে তাকে সাড়ে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরবর্তীতে কারাগারে পরিদর্শক ও প্রহরীদের ওপর হামলার অভিযোগে তার সাজার মেয়াদ কয়েক দফায় বাড়িয়ে ১০ বছর করা হয়। লেবসন জানান, রাশিয়ায় বন্দিদশায় গিলম্যানকে চরম নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে; যার মধ্যে দৈনিক ১৬ ঘণ্টার বাধ্যতামূলক ব্যায়াম এবং মানসিক ভারসাম্য নষ্টকারী সাইকোট্রপিক ওষুধ প্রয়োগের মতো ঘটনাও রয়েছে। এমনকি ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নিতেও তাকে চাপ দেওয়া হয়েছিল।   দীর্ঘদিন ধরে চলা এই অমানবিক নির্যাতনের কারণে গিলম্যান গত ৪৭ দিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন বা 'ডিসোসিয়েটিভ স্টুপোর' অবস্থায় ছিলেন। সম্প্রতি তাকে কারাগার থেকে একটি বেসামরিক হাসপাতালে স্থানান্তর করে বিছানার সাথে হাতকড়া পরিয়ে ফিডিং টিউবের মাধ্যমে খাবার দেওয়া হচ্ছিল। তার এই মুমূর্ষু অবস্থার কথা জানতে পেরেই মার্কিন প্রশাসন রাশিয়ার সাথে বারবার যোগাযোগ করে মানবিক কারণে তার দ্রুত মুক্তির ব্যবস্থা করে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১১, ২০২৬ ১৯:৩২
লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে দুই ঘণ্টার পথ, মাত্র ২২ ডলারে মিলবে ক্যালিফোর্নিয়ার সেরা ক্যাম্পিং অভিজ্ঞতা

লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে দুই ঘণ্টার পথ, মাত্র ২২ ডলারে মিলবে ক্যালিফোর্নিয়ার সেরা ক্যাম্পিং অভিজ্ঞতা

মেয়ের জন্য ২০০ ডলার বাড়তি আয়ের খোঁজে নেমে, এখন মাসে ৩২ হাজার ডলার আয় নাসার ইঞ্জিনিয়ারের

মেয়ের জন্য ২০০ ডলার বাড়তি আয়ের খোঁজে নেমে, এখন মাসে ৩২ হাজার ডলার আয় নাসার ইঞ্জিনিয়ারের

ব্যাংক অব আমেরিকার কর্মীদের ওজন কমাতে ২৫০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়

ব্যাংক অব আমেরিকার কর্মীদের ওজন কমাতে ২৫০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়, সিইও বলছেন ‘সার্থক বিনিয়োগ’

0 Comments