সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
বিশ্ব রাজনীতি

হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত হলেই যুদ্ধবিরতির কথা ভাববে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্পের নতুন শর্ত

Unknown প্রকাশ: মার্চ ৩১, ২০২৬ ২১:৫৮
ছবি - সংগৃহিত
ছবি - সংগৃহিত

ইরান যুদ্ধের অবসান নিয়ে যখন বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জল্পনা তুঙ্গে, তখন এক নতুন এবং কঠিন শর্ত জুড়ে দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ উন্মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র কোনো যুদ্ধবিরতির কথা ভাববে না।

 

ফ্লোরিডায় সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প অত্যন্ত কঠোর ভাষায় তার এই অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করাই এখন ওয়াশিংটনের প্রধান লক্ষ্য এবং এতে কোনো বাধা বরদাশত করা হবে না।

 

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প মনে করেন ইরান যদি আন্তর্জাতিক নৌপথ অবরোধ করে রাখে, তবে আলোচনার কোনো পরিবেশ তৈরি হতে পারে না। এই প্রণালীটি দিয়ে বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়, যা বর্তমানে উত্তেজনার কারণে স্থবির হয়ে আছে।

 

মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামে আবারও নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিনিয়োগকারীরা আশঙ্কা করছেন যে, এই শর্তের ফলে যুদ্ধবিরতির প্রক্রিয়া আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দার ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়বে।

 

এদিকে তেহরানের পক্ষ থেকে এখনও এই শর্তের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে ইরানি সামরিক কমান্ডাররা আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, তাদের ওপর হামলা বন্ধ না হলে হরমুজ প্রণালীতে কোনো বিদেশি জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না।

 

ইউরোপীয় মিত্ররা ট্রাম্পের এই অনড় অবস্থানকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন কারণ জ্বালানি সংকটে তারা সবচাইতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ব্রাসেলস ও লন্ডন থেকে ওয়াশিংটনের ওপর অনবরত চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে যেন তারা শর্ত শিথিল করে দ্রুত আলোচনায় বসে।

 

ট্রাম্পের এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এলো যখন পাকিস্তান ও চীন মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনে পাঁচ দফা শান্তি প্রস্তাব পেশ করেছে। কিন্তু ট্রাম্পের নতুন শর্ত সেই শান্তি প্রক্রিয়ার পথে একটি বড় অন্তরায় হিসেবে দেখা দিচ্ছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

 

পেন্টাগনের একটি সূত্র জানিয়েছে যে, মার্কিন নৌবাহিনী ইতোমধ্যে হরমুজ প্রণালীতে তাদের উপস্থিতি আরও জোরদার করেছে। তারা যেকোনো মূল্যে এই বাণিজ্যিক রুটটি দখলমুক্ত রাখতে প্রস্তুত এবং প্রয়োজনে আরও বড় ধরনের সামরিক শক্তি প্রয়োগের চূড়ান্ত পরিকল্পনা নিয়েছে।

 

অন্যদিকে আমেরিকার সাধারণ নাগরিকরা তেলের আকাশচুম্বী দাম নিয়ে প্রবল অসন্তোষ প্রকাশ করছেন। ট্রাম্পের এই শর্ত যদি যুদ্ধের মেয়াদ আরও বাড়িয়ে দেয়, তবে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে তার দলকে চড়া মূল্য দিতে হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আমেরিকা শান্তি চায় তবে তা অবশ্যই তাদের জাতীয় স্বার্থ এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তার শর্ত মেনে হতে হবে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ রেখে ইরান যে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তার কাছে ওয়াশিংটন নতি স্বীকার করবে না বলেও জানানো হয়।

 

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোও এখন চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে কারণ এই সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে পুরো অঞ্চলের অর্থনীতি ধসে পড়তে পারে। বিশেষ করে যেসব দেশ তেলের ওপর নির্ভরশীল, তাদের জন্য এই অনিশ্চয়তা এক ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে শান্তির যে ক্ষীণ আশা দেখা দিয়েছিল, ট্রাম্পের এই মন্তব্যে তা আবারও মেঘাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। এখন দেখার বিষয়, ইরান আন্তর্জাতিক চাপ মেনে নিয়ে নৌপথ উন্মুক্ত করে দেয় নাকি এই সংঘাত আরও ভয়াবহ ও চরম রূপ ধারণ করে।

 

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আগামী ৪৮ ঘণ্টা বিশ্ব রাজনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই সময়ের মধ্যেই জানা যাবে সমঝোতার কোনো পথ খোলা আছে কি না। পুরো বিশ্ব এখন এক অস্থির সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে যেখানে একটি ভুল সিদ্ধান্ত বদলে দিতে পারে ইতিহাস।

 


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বিশ্ব রাজনীতি

View more
আই এ সের দখলের আগে দেইর এজ-জোর জাদুঘর থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে প্রাচীন প্রত্নবস্তু
আই এ সের হাত থেকে ৩০ হাজার প্রাচীন নিদর্শন বাঁচাতে জীবন বাজি রাখেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা

সিরিয়ার দেইর এজ-জোর শহর যখন আই এ সের দখলের মুখে, তখন যুদ্ধের ঝুঁকি উপেক্ষা করে প্রায় ৩০ হাজার ঐতিহাসিক প্রত্নবস্তু সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান দেশটির প্রত্নতাত্ত্বিকরা। নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে সেই দুঃসাহসিক উদ্ধার অভিযানের বিস্তারিত।   ২০১৪ ও ২০১৫ সালে পরিচালিত ওই অভিযানে দেইর এজ-জোর জাদুঘরের মূল্যবান সংগ্রহগুলো নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। এসব নিদর্শনের মধ্যে মেসোপটেমিয়ার প্রাচীন সভ্যতার সঙ্গে সম্পর্কিত বহু গুরুত্বপূর্ণ বস্তু ছিল।   গবেষণাটির লেখক ও প্রত্নতত্ত্ববিদ অধ্যাপক মামুন আবদুলকরিমের নেতৃত্বে ওই সময় সিরিয়ার প্রত্নতত্ত্ব ও জাদুঘর অধিদপ্তর উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। তিনি ২০১২ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সংস্থাটির মহাপরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর সময়কালে সিরিয়ার বিভিন্ন জাদুঘর থেকে প্রায় ৩ লাখ প্রত্নবস্তু নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রায় ৩০ হাজার ছিল দেইর এজ-জোর জাদুঘরের।   দেইর এজ-জোর ছিল সিরিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক সংগ্রহশালা। জাদুঘরটির অনেক নিদর্শন এসেছে হালাফ, দুরা-ইউরোপোস ও মারির মতো প্রাচীন মেসোপটেমীয় সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ স্থান থেকে।   তবে শহরটি তখন ছিল ভয়াবহ সংঘাতের মধ্যে। জাদুঘরটি একটি সামরিক বিমানবন্দরের সঙ্গে সরু ও ঝুঁকিপূর্ণ একটি পথ দিয়ে যুক্ত ছিল। ফলে প্রত্নবস্তু সরিয়ে নেওয়ার প্রতিটি ধাপেই ছিল বড় ধরনের নিরাপত্তাঝুঁকি।   গবেষণায় বলা হয়েছে, যুদ্ধের সময় এমন উদ্ধার অভিযান শুধু পরিবহন ও পরিকল্পনার বিষয় নয়। দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া, পরস্পরের ওপর আস্থা রাখা এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিকল্পনা বদলানোর সক্ষমতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।   অধ্যাপক আবদুলকরিমের মতে, যুদ্ধের মধ্যে সবকিছু নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষা করলে অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হারিয়ে যেতে পারে। দেইর এজ-জোরের ক্ষেত্রে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়াই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।   ২০১৪ সালের পর সিরিয়া ও ইরাকের বড় অংশে আই এ সের নিয়ন্ত্রণ বিস্তৃত হলে বহু জাদুঘর ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা লুট ও ধ্বংসের ঝুঁকিতে পড়ে। ইরাকের মসুলে জাদুঘর লুট এবং নিনেভে ও আসিরীয় সভ্যতার বহু নিদর্শন ধ্বংসের ঘটনাও সিরিয়ার প্রত্নতত্ত্ব কর্তৃপক্ষকে জরুরি সংরক্ষণ ব্যবস্থা জোরদার করতে বাধ্য করে।   অধ্যাপক আবদুলকরিম বলেন, এসব প্রত্নবস্তু শুধু জাদুঘরের সংগ্রহ নয়। এগুলোর সঙ্গে জড়িয়ে আছে হাজার বছরের মানব ইতিহাস, সংস্কৃতি ও মানুষের স্মৃতি।   তাঁর ভাষায়, ৩০ হাজার নিদর্শন উদ্ধার করার অর্থ শুধু ৩০ হাজার বস্তু রক্ষা করা নয়; বরং যুদ্ধের কারণে মুছে যেতে বসা হাজার বছরের ইতিহাসকে সংরক্ষণ করা।   নতুন গবেষণাটি Museum Management and Curatorship সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। এতে যুদ্ধ বা সংকটের আগেই জাদুঘর ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন রক্ষায় প্রস্তুতি, নথিপত্র, পেশাগত সক্ষমতা ও পারস্পরিক আস্থার ভিত্তি তৈরি করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬ ৬:৪৭
হরমুজ প্রণালির নাম নিজের নামে ‘ট্রাম্প স্ট্রেইট’ করার প্রস্তাব দিয়েছেন ট্রাম্প

ইরানকে খোঁচা দিয়ে হরমুজ প্রণালির নতুন নাম দিলেন ট্রাম্প!

জাতিসংঘে ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে বক্তব্য দিচ্ছেন নেতানিয়াহু।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইরান হারবে: জাতিসংঘে নেতানিয়াহু

শি জিনপিং ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাড়ছে আগ্রহ

শি-ট্রাম্প মুখোমুখি, বৈঠকের বাইরেও যে প্রশ্নে নজর বিশ্বের

বিশ্বের চোখ আজ ট্রাম্পের দিকে
বিশ্বের চোখ আজ ট্রাম্পের দিকে: জাতিসংঘের মঞ্চে ইরান যুদ্ধ নিয়ে কী বার্তা দেবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

শুরু হয়েছে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্ক। বিশ্বের প্রায় ১৩০টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের অংশগ্রহণের এই আয়োজনে আজকের সবচেয়ে আলোচিত বক্তাদের একজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবারের সাধারণ বিতর্কের প্রতিপাদ্য—“আস্থা পুনরুদ্ধার, পরিবর্তন ব্যবস্থাপনা: সবার জন্য কার্যকর জাতিসংঘ।”    ট্রাম্প এমন এক সময়ে জাতিসংঘের মঞ্চে উঠছেন, যখন মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ প্রায় সাত মাসে গড়িয়েছে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করেছে এবং জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা বজায় রয়েছে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে যুদ্ধের প্রয়োজনীয়তার পক্ষে যুক্তি দিয়ে আসছেন ট্রাম্প প্রশাসন। অন্যদিকে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের বিরোধিতা করছে।   গত বছরের জাতিসংঘ ভাষণে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ২০২৫ সালের জুনে ইরানের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলা দেশটির পারমাণবিক সক্ষমতায় বড় ধরনের আঘাত হেনেছে। এবার তাঁর ভাষণের সময় পরিস্থিতি আরও জটিল—যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সরাসরি যুদ্ধে জড়িত এবং সংঘাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্পষ্ট সমাধান এখনও সামনে আসেনি।    মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির সঙ্গে বিশ্ব জ্বালানি বাজারও ঘনিষ্ঠভাবে জড়িয়ে পড়েছে। যুদ্ধের কারণে তেলের বাজারে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ ও তেল সরবরাহের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ফলে নিউইয়র্কে চলমান কূটনৈতিক আলোচনা শুধু যুদ্ধ থামানোর প্রশ্নেই নয়, বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।    ট্রাম্পের আজকের কর্মসূচির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে আলোচনা। বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতা ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের কথা রয়েছে। ইরান যুদ্ধের পরবর্তী পথ এবং সাম্প্রতিক আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এসব আলোচনায় গুরুত্ব পাবে বলে জানিয়েছে এপি।    অন্যদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন। তবে নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করেছেন। পেজেশকিয়ানের বক্তব্য অনুযায়ী, আগের আলোচনার অভিজ্ঞতার কারণে তেহরানে নতুন সংলাপ নিয়ে অবিশ্বাস রয়েছে। ফলে একই সময়ে নিউইয়র্কে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতি থাকলেও সরাসরি আলোচনায় বড় অগ্রগতি হবে কি না, তা এখনও অনিশ্চিত।    শুধু ইরান নয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশও এবারের জাতিসংঘ অধিবেশনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এপি জানিয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সামাজিক প্রভাব এবং এর জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কার্যকর নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার অভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের সপ্তাহেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার শাসনব্যবস্থা, শান্তি ও নিরাপত্তা এবং জলবায়ুসহ একাধিক বৈশ্বিক বিষয় আলোচনায় রাখা হয়েছে।    জাতিসংঘের ভবিষ্যৎ নিয়েও ট্রাম্পের অবস্থান বিশেষভাবে নজরে থাকবে। তাঁর প্রশাসন জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক সহায়তা কমিয়েছে এবং ট্রাম্প অতীতে সংস্থাটির কার্যকারিতা নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনা করেছেন। অন্যদিকে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, বিশ্বব্যবস্থায় ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তিত হচ্ছে এবং সেই পরিবর্তনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও বদলাতে হবে।    ভাষণের পাশাপাশি ট্রাম্পের ব্যস্ত কূটনৈতিক কর্মসূচিও রয়েছে। হোয়াইট হাউসের তথ্য উদ্ধৃত করে এপি জানিয়েছে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে তাঁর আলোচনার কথা রয়েছে। ফলে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধও নিউইয়র্কের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ জায়গা পাবে।    এবারের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হচ্ছে এমন এক সময়ে, যখন ইরান যুদ্ধ, ইউক্রেন সংঘাত, জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তার এবং জাতিসংঘের ভবিষ্যৎ ভূমিকা—সবগুলো বিষয় একই সঙ্গে বিশ্বনেতাদের সামনে রয়েছে। জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক সূচি অনুযায়ী সাধারণ বিতর্ক চলবে ২২ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ ৯:৫৮
ইরানের খার্গ দ্বীপ ধ্বংসের দাবিতে এআই-নির্মিত ভিডিও

ইরানের খার্গ দ্বীপ ধ্বংসের দাবিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের এআই-নির্মিত ভিডিও পোস্ট

শুভেন্দু অধিকারী

‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ বাদ দিয়ে কাশ্মীর দখলে স্লোগান দেওয়া উচিত: শুভেন্দু

গাজা উপত্যকায় হামাসবিরোধী সশস্ত্র ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী

গাজায় হামাসবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীকে শেল্টার দিয়ে কাজে লাগাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য অব্যাহত রাখলে চীন-ভারতসহ দেশগুলোকে নিষেধাজ্ঞার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য অব্যাহত রাখলে চীন-ভারতসহ দেশগুলোকে নিষেধাজ্ঞার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখা দেশগুলোর ওপর নতুন করে কঠোর দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে তেল ও অন্যান্য বাণিজ্যে যুক্ত চীন, ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলো নতুন মার্কিন পদক্ষেপের আওতায় পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।    যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন ইরানের অর্থনৈতিক সক্ষমতা দুর্বল করতে বড় ধরনের সমন্বিত চাপ তৈরির পরিকল্পনা করছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখা দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এই চাপের মুখে পড়তে হতে পারে।    এই উদ্যোগের কেন্দ্রে রয়েছে ইরানের তেল বাণিজ্য। চীন ইরানি তেলের অন্যতম বড় ক্রেতা হওয়ায় দেশটির ওপর মার্কিন চাপ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল পরিবহন ও বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত চীনা প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।    বেসেন্ট এর আগে সতর্ক করে বলেছেন, ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করার মার্কিন প্রচেষ্টায় মিত্র ও প্রতিদ্বন্দ্বী—সব দেশকেই নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করতে হতে পারে। ওয়াশিংটনের লক্ষ্য হলো ইরানের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ আয়ের উৎসগুলোকে সংকুচিত করা এবং দেশটির ওপর অর্থনৈতিক চাপ সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া।    এ ক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের জ্বালানি বাণিজ্যের একটি বড় অংশ এই কৌশলগত নৌপথের ওপর নির্ভরশীল। চীনসহ এশিয়ার বড় অর্থনীতিগুলো মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল হওয়ায় হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে যেকোনো অস্থিরতা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।    চীনের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও স্পর্শকাতর। দেশটির মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে আসে। ফলে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য কমানোর জন্য চীনের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপ বাড়লে তা ওয়াশিংটন-বেইজিং সম্পর্কেও নতুন উত্তেজনা তৈরি করতে পারে।    ভারতের ক্ষেত্রেও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। ভারত ঐতিহাসিকভাবে ইরানের সঙ্গে জ্বালানি ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রেখে এসেছে। ফলে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে ভারতীয় কোম্পানি বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে পড়তে পারে।   সংযুক্ত আরব আমিরাতও ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বাণিজ্যিক যোগাযোগের কারণে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে গিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কের ওপরও যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি বাড়তে পারে।   বিশ্লেষকদের মতে, এই নিষেধাজ্ঞা শুধু ইরানকে লক্ষ্য করে সীমাবদ্ধ থাকছে না। বরং ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা তৃতীয় দেশগুলোর ওপরও চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে ওয়াশিংটন তেহরানের অর্থনৈতিক যোগাযোগের পথ সংকুচিত করতে চাইছে। তবে চীন ও ভারতের মতো বড় অর্থনীতিকে একই নীতির আওতায় আনতে গেলে যুক্তরাষ্ট্রকেও কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি মোকাবিলা করতে হবে।   ফলে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন মার্কিন অর্থনৈতিক অভিযান এখন শুধু ওয়াশিংটন-তেহরান দ্বন্দ্বে সীমাবদ্ধ নেই। চীন, ভারত, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বড় বাণিজ্যিক অংশীদারদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও এর প্রভাব পড়তে পারে।

প্রকাশ: আগস্ট ২৫, ২০২৬ ৭:৫২
সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ

হামাসের নিরস্ত্রীকরণ বাস্তবায়নের আহ্বানে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত সৌদি-ফ্রান্সের

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ছবি: সংগৃহীত

সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্কের মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে বাংলাদেশে

গাজা শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু,ডোনাল্ড ট্রাম্প,ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ছবি: কোলাজ আমেরিকা বাংলা

হামাস রাজি, নেতানিয়াহু নারাজ - গাজা শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে ইসরায়েলে ট্রাম্পের জামাতা

0 Comments