বিশ্ব

১২ বিলিয়ন ডলার ফেরত পাচ্ছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা সম্পন্ন

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৩, ২০২৬ ১:১২
১২ বিলিয়ন ডলার ফেরত পাচ্ছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা সম্পন্ন
১২ বিলিয়ন ডলার ফেরত পাচ্ছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা সম্পন্ন

ইরানের জব্দ থাকা প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার সম্পদ ছাড়ের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি বলেছেন, সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আলোচনার মাধ্যমে এই সমঝোতা চূড়ান্ত হয়েছে এবং এটি দুই দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক বৃহত্তর সমঝোতা স্মারকের তাৎক্ষণিক ফলাফল।

 

সোমবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গালিবাফ বলেন, “জব্দ থাকা ১২ বিলিয়ন ডলারের ইরানি সম্পদ ছাড়ের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি সুইজারল্যান্ডে চূড়ান্ত হয়েছে।”

 

তিনি জানান, এই ১২ বিলিয়ন ডলার মূলত ৬ বিলিয়ন ডলারের দুটি পৃথক অংশ নিয়ে গঠিত, যা দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে আটকে ছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সমঝোতা স্মারকের আওতায় তেহরান যে বড় অর্জনগুলো নিশ্চিত করেছে, এই অর্থ ছাড় তার অন্যতম।

 

চুক্তির অংশ হিসেবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ খাতে সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন গালিবাফ। তিনি বলেন, চূড়ান্ত সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত অপরিশোধিত তেল রপ্তানি, পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পখাতের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার থাকবে। একই সঙ্গে ব্যাংকিং, বীমা এবং পরিবহন খাতেও এই শিথিলতার প্রভাব পড়বে।

 

গালিবাফের মতে, এই সমঝোতা শুধু অর্থনৈতিক দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালিতে সামুদ্রিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে এটি সহায়ক হবে বলে তিনি মনে করেন।

 

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত এবং পররাষ্ট্র দপ্তরের সাবেক উপসহকারী সচিব হেনরি এংশার এই পরিস্থিতিকে চুক্তির বাস্তবায়নের প্রাথমিক ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “দুই পক্ষই এখন এমন একটি অবস্থান তুলে ধরতে চায়, যাতে বোঝায় তারা আলোচনায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বা অন্তত ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।”

 

তার মতে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী ট্যাংকারসহ বিভিন্ন জাহাজের চলাচল স্বাভাবিক হওয়া চুক্তি বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হতে পারে। “অর্থপ্রবাহ শুরু হওয়া এবং তার বাস্তব প্রতিফলন দেখা—এটাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সূচক,” বলেন তিনি।

 

বিশ্লেষকদের ধারণা, ওয়াশিংটন ও তেহরান একদিকে দ্রুত কিছু বাস্তব সুবিধা নিশ্চিত করতে চাইছে, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থানও শক্তিশালীভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছে।

 

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক সম্পদ বিভিন্ন দেশে আটকে রয়েছে। সাম্প্রতিক এই অগ্রগতি সেই জটিল অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

ছয় বছরের মেয়ের মৃত্যুর পর বাবারও মরদেহ উদ্ধার , একসঙ্গে দাফন করা হবে বাবা-মেয়েকে

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ছয় বছরের এক শিশুকন্যা ও তার বাবার মৃত্যুকে ঘিরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে। পুলিশ জানিয়েছে, পারামাট্টা নদীতে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক ঘটনায় ৪৭ বছর বয়সী মওলিক ধান্ধুকিয়া এবং তার ছয় বছরের মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।   স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শনিবার সিডনির কনকর্ড এলাকার কাছে একটি নৌকা ভাড়া করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। তার সঙ্গে ছিলেন ছয় বছর বয়সী কন্যা। কিছু সময় পর নদীতে জরুরি পরিস্থিতির খবর পেয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে পুলিশ ও জরুরি সেবা সংস্থাগুলো।   আরও পড়ুন...টেক্সাসে স্বামীর গুলিতে স্ত্রী নিহত, পরে পুলিশের গুলিতে স্বামী নিহত; দুই শিশুকে   পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুপুরের কিছু আগে মওলিক ধান্ধুকিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর প্রায় সাত ঘণ্টা ধরে শিশুটির সন্ধানে ব্যাপক অনুসন্ধান চালানো হয়। উদ্ধারকারীরা শেষ পর্যন্ত বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শিশুকন্যার মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করেন। ঘটনার তদন্তে সহায়তার জন্য আশপাশের বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। স্থানীয় একটি স্থাপনার সিসিটিভি ফুটেজও তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।   এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক শোকবার্তায় জানানো হয়েছে, আগামী শুক্রবার রাউস হিলের ক্যাসেলব্রুক ক্রেমেটোরিয়ামে বাবা ও মেয়ের যৌথ শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে। শোকবার্তায় লেখা হয়েছে, “দুই কোমল ও সদয় আত্মা, যারা চিরকাল আমাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে। তাদের আত্মার শান্তি কামনা করছি।” তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার আগে কয়েক দফা নৌকা ভাড়া করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। একবার তার স্ত্রী প্রীতিবেন ধান্ধুকিয়াও তার সঙ্গে ছিলেন বলে জানা গেছে।   আরও পড়ুন...টেক্সাসে বিস্ফোরণের আগুনে পুড়েও বাড়ি ও নাতি-নাতনিদের বাঁচালেন এক সাহসী দাদা   পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে, যা তদন্তের অংশ হিসেবে পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত এর বিষয়বস্তু প্রকাশ করা হয়নি। কেন এমন ঘটনা ঘটল, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে মৃত্যুর প্রায় দুই সপ্তাহ আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ একটি পোস্ট করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। সেখানে তিনি ২০০৫ সালে জিমে ব্যায়াম করার সময় ঘাড়ে পাওয়া আঘাতের কারণে দীর্ঘদিন ধরে ভোগা শারীরিক সমস্যার কথা উল্লেখ করেছিলেন।   ওই পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ঘাড়ের দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা তার জীবনের অনেক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এমআরআই পরীক্ষায় তার মেরুদণ্ডের ঘাড়ের অংশে স্নায়ুর ওপর চাপের বিষয়টি ধরা পড়ে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। মওলিক ধান্ধুকিয়া পেশাগত জীবনে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কাজ করতেন। ২০২২ সাল থেকে তিনি সাউথ ইস্টার্ন সিডনি লোকাল হেলথ ডিস্ট্রিক্টে অ্যাপ্লিকেশন সাপোর্ট বিশ্লেষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর আগে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতে বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন।   এই ঘটনার পর পরিবারটির জন্য সহায়তা তহবিলও গঠন করেছেন স্বজন ও পারিবারিক বন্ধুরা। তহবিল সংগ্রহের আহ্বানে বলা হয়েছে, প্রীতিবেন ধান্ধুকিয়া একসঙ্গে তার স্বামী ও একমাত্র কন্যাকে হারিয়েছেন। এই কঠিন সময়ে তাকে আর্থিক ও মানসিক সহায়তা দেওয়ার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।   ▶️ ট্রাম্পের লাখ ডলারের এইচ-১বি ভিসা ফি অবৈধ ঘোষণা মার্কিন আদালতের   তহবিলের অর্থ শেষকৃত্যের ব্যয়, ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা এবং নিকট আত্মীয়দের যাতায়াত ও আবাসন খাতে ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট ক্রিস্টিন ম্যাকডোনাল্ড ঘটনাটিকে “পরিবার ও সমাজের জন্য এক গভীর ট্র্যাজেডি” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক একটি ঘটনা। আমরা সব দিক থেকে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি এবং কোনো সম্ভাবনাই উপেক্ষা করা হবে না।” পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পেছনে পারিবারিক সহিংসতার কোনো উপাদান ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি।   ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। বাবা ও মেয়ের একসঙ্গে শেষকৃত্যের খবর আরও আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করেছে। স্বজন ও পরিচিতজনরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের স্মরণ করে শোক প্রকাশ করছেন।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Advertisement

বিশ্ব

View more
চীন থেকে ২৪টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনছে বাংলাদেশ, চিন্তার ভাঁজ ভারতের কপালে
চীন থেকে ২৪টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনছে বাংলাদেশ, চিন্তার ভাঁজ ভারতের কপালে

নতুন করে পররাষ্ট্র নীতি সাজানোর অংশ হিসেবে সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্কে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নের লক্ষ্যে চীন থেকে অত্যাধুনিক ২৪টি জে-১০সিই মাল্টি-রোল যুদ্ধবিমান ক্রয়ের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে ঢাকা।    সোমবার থেকে শুরু হওয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বহুল আলোচিত বেইজিং সফরকালে এই সামরিক চুক্তিটি বড় ধরনের গতি পাবে বলে উচ্চপর্যায়ের সরকারি সূত্রে জানা গেছে। এই সফরের মধ্য দিয়ে ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে প্রতিরক্ষা, অবকাঠামো, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও গভীর হবে, যা আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে।   নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আগামী আগস্ট মাসের মধ্যে এই যুদ্ধবিমান ক্রয়ের চূড়ান্ত চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হতে পারে।    এই চুক্তির আওতায় প্রতিটি অত্যাধুনিক চীনা যুদ্ধবিমানের আনুমানিক বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৪ কোটি বা ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই সামরিক আলোচনার গতি বাড়াতে গত সপ্তাহে চীনের একটি বিশেষ উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ঢাকা সফর করেছে। চলমান বেইজিং সফরকালে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা এই ক্রয়ের খুঁটিনাটি চূড়ান্ত করতে চীনের প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের সাথে পৃথক বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে।   এই বিশেষ প্রতিরক্ষা আলোচনাটি মূলত দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার একটি বৃহত্তর অংশ। সরকারি কর্মকর্তারা আশা করছেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং চীনা প্রিমিয়ার লি ছিয়াংয়ের মধ্যকার আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর একটি যৌথ ইশতেহার প্রকাশ করা হবে। এর মাধ্যমে দুই দেশের বর্তমান কৌশলগত সম্পর্ককে একধাপ উন্নীত করে ‘শেয়ার্ড ফিউচার’ বা অভিন্ন ভবিষ্যৎ এর অংশীদারিত্ব হিসেবে ঘোষণা করার জোর প্রস্তুতি চলছে।    বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ সফরকালে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও অর্থনীতিসহ বিভিন্ন খাতে প্রায় ১৭টি চুক্তি, সমঝোতা স্মারক ও ইশতেহার স্বাক্ষরিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।   দুই দেশের এই অর্থনৈতিক সহযোগিতার অন্যতম প্রধান উদ্যোগ হিসেবে বহুল আলোচিত তিস্তা নদী ব্যারাজ প্রকল্পের একটি যৌথ সম্ভাব্যতা যাচাই বা ফিজিবিলিটি স্টাডি নিয়ে আলোচনা হবে। এর পাশাপাশি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মংলার আধুনিকীকরণ প্রকল্পের কাজ যৌথভাবে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও দুই পক্ষ একমত হয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে নানাবিধ অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার ভুগছিল।    এই বন্দরের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বাড়াতে বাংলাদেশ সরকার মংলায় চীনকে একটি বিশেষ ১১০ একরের অর্থনৈতিক অঞ্চল বা স্পেশাল ইকোনমিক জোন দেওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। মংলার এই বিশেষ শিল্প পার্কটি মূলত এর আগে ভারতের বিনিয়োগের জন্য নির্ধারিত ছিল এবং একটি মুম্বাই-ভিত্তিক কোম্পানির মাধ্যমে এটি বাস্তবায়নের জন্য অতীতে একটি সমঝোতা স্মারকও স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তবে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) নিশ্চিত করেছে যে, ঢাকা সম্প্রতি ভারতের সাথে হওয়া ওই চুক্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল ঘোষণা করেছে, যার ফলে মংলার এই কৌশলগত জমিটি এখন সরাসরি চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য উন্মুক্ত হলো।    এর ঠিক এক সপ্তাহ আগেই সরকার চট্টগ্রামের একটি এক্সক্লুসিভ চীনা শিল্প পার্কের অনুমোদন দিয়েছে, যেখানে বেইজিং ইতোমধ্যে ৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।   দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অগ্রাধিকারের কথা উল্লেখ করে সরকারের ওই শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, তাদের তাৎক্ষণিক ও প্রধান লক্ষ্য হলো নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। চীন থেকে বড় বড় উৎপাদনকারী শিল্প বা ম্যানুফ্যাকচারিং খাত বাংলাদেশে স্থানান্তরিত করতে পারলে তা দেশের হাজার হাজার বেকার যুবকের জন্য নতুন কাজের সুযোগ তৈরি করবে বলে সরকার আশা করছে। তবে কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে, বেইজিংয়ের সাথে ঢাকার এই সম্পর্কের দ্রুত সম্প্রসারণ প্রতিবেশী দেশ ভারতের অত্যন্ত নিবিড় নজরদারিতে থাকবে।    বাংলাদেশ ও ভারত পরস্পরের সাথে ৪ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ সীমান্ত শেয়ার করে এবং দুই দেশ বাণিজ্য, নিরাপত্তা ও অভিন্ন নদীর পানি বন্টন ব্যবস্থার মাধ্যমে গভীরভাবে সংযুক্ত। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সীমান্তে পুশব্যাক করার চেষ্টা বৃদ্ধি এবং নয়া দিল্লি বিমানবন্দরে বাংলাদেশের উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকার মতো ঘটনাগুলোকে বিশ্লেষকেরা দুই দেশের বর্তমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের টানাপোড়েনের স্পষ্ট লক্ষণ হিসেবে দেখছেন।   অতীতে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর যেকোনো প্রধান বৈদেশিক সফরের প্রথম গন্তব্য হিসেবে সবসময় ভারতকে বেছে নিতেন, যা দিল্লির সাথে তাঁর বিশেষ সম্পর্কের গভীরতা প্রকাশ করত। তবে এর বিপরীতে বর্তমান বিএনপি-নেতৃত্বাধীন সরকার একটি বহু-পাক্ষিক বা ব্যালেন্সড পররাষ্ট্র নীতি অনুসরণ করছে, যার মূল লক্ষ্য হলো একই সাথে ওয়াশিংটন, বেইজিং, মস্কো এবং নয়া দিল্লির সাথে সমানভাবে সক্রিয় সম্পর্ক বজায় রাখা।    বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোর নানাবিধ সমালোচনা থাকা সত্ত্বেও বর্তমান সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পারস্পরিক শুল্ক চুক্তিটি সচল রেখেছে। সরকারি সূত্রগুলো জানিয়েছে যে, ঢাকা মূলত আমেরিকার শক্তিশালী কৃষি লবিকে কাজে লাগিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে সয়াবিন, ভুট্টা এবং তুলা আমদানি বৃদ্ধি করার মাধ্যমে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির সাথে দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও মজবুত করতে চাইছে।   ঢাকার এই বিশেষ কূটনৈতিক তৎপরতা রাশিয়ার মস্কো পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে এবং চলতি মাসের শুরুতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান রাশিয়া সফর করে দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক পুনর্ব্যক্ত করেছেন। কর্মকর্তারা আশা করছেন যে, বিশ্বের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক জোট ব্রিকস-এ বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির প্রচেষ্টাকে মস্কো পূর্ণ সমর্থন জানাবে, যেখানে চীন অন্যতম প্রধান ভূমিকা পালন করছে।    তাত্ত্বিকভাবে পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের যে কিছুটা অবনতি হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অদূর ভবিষ্যতে ভারত সফরের পরিকল্পনা করছেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তবে নয়া দিল্লির সাথে এই সম্পর্ক মেরামতের পথটি যে বেশ জটিল ও সংবেদনশীল, তা সংশ্লিষ্ট সকলেই স্বীকার করছেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৩, ২০২৬ ১:৫৮
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সমঝোতার ছায়ায় পাকিস্তান সফরে পেজেশকিয়ান

১২ বিলিয়ন ডলার ফেরত পাচ্ছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা সম্পন্ন

১২ বিলিয়ন ডলার ফেরত পাচ্ছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা সম্পন্ন

মিয়ানমারে ছয় মাসে ৭০০’র বেশি বেসামরিক নিহত

মিয়ানমারে ছয় মাসে ৭০০’র বেশি বেসামরিক নিহত

আকাশেই জ্বালানি নেওয়ার সক্ষমতা পরীক্ষা রুশ টিইউ–১৬০-এর
১৬ ঘণ্টার টহল উড়ান, আকাশেই জ্বালানি নেওয়ার সক্ষমতা পরীক্ষা রুশ টিইউ–১৬০-এর

রাশিয়ার কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্রবাহী বোমারু বিমান টিইউ–১৬০ ব্যারেন্টস সাগর ও নরওয়েজিয়ান সাগরের ওপর দিয়ে আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় টানা ১৬ ঘণ্টা টহল উড়ান সম্পন্ন করেছে। এ সময় আকাশে উড়ন্ত অবস্থায় জ্বালানি নেওয়ার সক্ষমতাও পরীক্ষা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।   মঙ্গলবার ভোরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় মন্ত্রণালয় জানায়, এটি ছিল নিয়মিত টহলের অংশ। দীর্ঘ এই উড়ানের সময় বোমারু বিমানটির সঙ্গে ছিল মিগ–৩১ যুদ্ধবিমান, যা নিরাপত্তা সহায়তা প্রদান করে।   রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৬ ঘণ্টার এই মিশনের বিভিন্ন পর্যায়ে বিদেশি যুদ্ধবিমানও আকাশে উপস্থিত হয়ে টিইউ–১৬০-কে অনুসরণ বা নজরদারি করেছে। তবে সেসব যুদ্ধবিমান কোন দেশের ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।   সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, আকাশে জ্বালানি গ্রহণের সক্ষমতা যাচাই করা এই ধরনের মহড়া দীর্ঘপাল্লার অভিযানে কৌশলগত বোমারু বিমানের কার্যকারিতা বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশেষ করে দূরবর্তী অঞ্চলে টানা টহল বা নজরদারি চালাতে এ ধরনের প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।   ভূরাজনৈতিক দিক থেকেও এ অঞ্চলের গুরুত্ব অনেক। রাশিয়ার উত্তরে ন্যাটোভুক্ত দেশ নরওয়ে ও ফিনল্যান্ডের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে, ফলে এই এলাকায় সামরিক তৎপরতা প্রায়ই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নজর কাড়ে। সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিমা জোট ও রাশিয়ার মধ্যে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এ ধরনের উড়ানকে অনেকেই শক্তি প্রদর্শনের অংশ হিসেবেও দেখছেন।   তবে মস্কোর দাবি, আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনেই তাদের বিমানগুলো এই টহল পরিচালনা করেছে এবং এতে কোনো আকাশসীমা লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেনি।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২৩, ২০২৬ ০:১০
এআইয়ের কারণে সাইবার হামলার ঝুঁকি দ্রুত বাড়ছে

এআইয়ের কারণে সাইবার হামলার ঝুঁকি দ্রুত বাড়ছে, জরুরি সতর্কতা ‘ফাইভ আইজ’ জোটের

দক্ষিণ লেবাননে ভূগর্ভস্থ ড্রোন কারখানার সন্ধান পাওয়ার দাবি ইসরায়েলের

দক্ষিণ লেবাননে ভূগর্ভস্থ ড্রোন কারখানার সন্ধান পাওয়ার দাবি ইসরায়েলের

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স সুইজারল্যান্ডের এমেন সামরিক বিমানঘাঁটিতে এয়ার ফোর্স টুতে ওঠার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন।ছবি: রয়টার্স

প্রথম দফা আলোচনায় অগ্রগতি, ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করল যুক্তরাষ্ট্র

ফাইল ছবি
ভারত থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে আরব আমিরাত

ভারতের অন্যতম প্রধান প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ‘ব্রহ্মোস’ এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘আকাশতীর’ সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) কাছে বিক্রির বিষয়ে আলোচনা চালাচ্ছে নয়াদিল্লি। একাধিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির পর প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে অস্ত্র ক্রয়ের পরিকল্পনা জোরদার করেছে ইউএই, যার অংশ হিসেবেই এই আলোচনা শুরু হয়েছে।   ভারতীয় এক কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট দুইটি সূত্র জানায়, ইউএই ভারতের একাধিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র এবং আকাশতীর সিস্টেম রয়েছে। তবে আলোচনাগুলো এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং দ্রুত কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে জানিয়েছেন তারা।   এ বিষয়ে ভারতের সরকারি কর্তৃপক্ষ এবং ইউএই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক আঞ্চলিক সংঘাতের পর ইউএই তাদের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহের উৎস বহুমুখী করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালীতে নিরাপত্তা সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টিও তাদের বিবেচনায় রয়েছে।   ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রটি ভারত ও রাশিয়ার যৌথভাবে তৈরি একটি সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল, যা স্থল, নৌ ও আকাশপথ থেকে নিক্ষেপ করা যায়। আকাশতীর একটি স্বয়ংক্রিয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যা ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ভারত ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড এবং সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় তৈরি হয়েছে। সূত্রগুলো আরও জানায়, ব্রহ্মোস বিক্রির ক্ষেত্রে রাশিয়ার অনুমোদন প্রয়োজন হবে, কারণ এটি যৌথভাবে উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি একটি অস্ত্র ব্যবস্থা। তবে সংশ্লিষ্টদের ধারণা, মস্কো ও আবুধাবির ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে বড় ধরনের বাধা তৈরি নাও হতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, আকাশতীর সিস্টেমটি বিভিন্ন সেন্সর ও ডিভাইস থেকে তথ্য একত্রিত করে আকাশ হুমকি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, যা ইউএইর প্রতিরক্ষা কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে।   প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতের প্রতিরক্ষা রপ্তানি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশটি ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ব্রহ্মোস বিক্রির চুক্তি করেছে। এর আগে ২০২২ সালে ফিলিপাইন ছিল এই ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম বিদেশি ক্রেতা।   ভারত সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ অর্থবছরে দেশটির প্রতিরক্ষা রপ্তানি ৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি হয়েছে, যা এক দশক আগের তুলনায় বহুগুণ বেশি।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুন ২২, ২০২৬ ১৫:২১
ফাইল ছবি/রয়টার্স

১০০ বছর বয়সে মারা গেলেন আধুনিক মার্কিন অর্থনীতির ‘স্থপতি’ অ্যালান গ্রিনস্প্যান

কিয়ার স্টারমার । ফাইল ছবি

পদত্যাগের ভাষণে যা যা বললেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার

১০ বছরে ৭ প্রধানমন্ত্রী কেন?

ব্রিটেনে রাজনৈতিক টালমাটাল: ১০ বছরে ৭ প্রধানমন্ত্রী কেন?

0 Comments