বাংলাদেশ

জ্বালানি সংকটে বিকল্প উৎসে ঝুঁকছে সরকার, এলএনজি আমদানিতে নতুন উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি তেল ও এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সোমবার জাতীয় সংসদে এ তথ্য জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের নবম দিনে ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সরকার জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

 

অর্থমন্ত্রী জানান, বিকল্প উৎস থেকে এলএনজি ও জ্বালানি আমদানির পাশাপাশি দেশে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে কৃষি বিমা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে খাদ্য ও জ্বালানি—দুই খাতেই স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।

 

তিনি আরও বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাজার তদারকি জোরদার করা হয়েছে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো কাজ করছে। ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে অনিয়ম দূরীকরণ, ঋণ আদায় জোরদার এবং আমানতকারীদের সুরক্ষায় সংস্কার কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সামাজিক সুরক্ষা জোরদারের অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে ৫০ লাখ পরিবারকে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। ‘জিটুপি’ পদ্ধতির মাধ্যমে এই অর্থ সরাসরি উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছানো হবে।

 

এছাড়া রাজস্ব ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, প্রবাসী আয় ও রপ্তানি বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতেও নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যবসার পরিবেশ সহজ করা এবং সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা আনতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

 

সংসদে অর্থমন্ত্রী বলেন, অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা ও বৈশ্বিক ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করছে। একটি টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

বাংলাদেশ

View more
বাবা আজগর আলী সরদার ও ছেলে সজল আলী ওরফে সজল সরদার। ছবি: সংগৃহীত।
ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে সনাতন ধর্মের মেয়েকে বিয়ে: ছেলেকে ত্যাজ্য করলেন বাবা

পাবনা প্রতিনিধি: ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে সনাতন ধর্মের মেয়েকে বিয়ে করায় নিজের একমাত্র সন্তান সজল আলী ওরফে সজল সরদারকে ত্যাজ্য ঘোষণা করেছেন বাবা আজগর আলী সরদার।   রবিবার (৫ এপ্রিল) পাবনা জেলা নোটারি পাবলিকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এক হলফনামার মাধ্যমে তিনি এই ঘোষণা দেন।   সজল আলী সরদার ঈশ্বরদী উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের মিরকামারী চাঁদার মোড় গ্রামের মো. আজগর আলী সরদার এর একমাত্র সন্তান। বাবা আজগর আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।   হলফনামায় আজগর আলী সরদার উল্লেখ করেন, ‘আমার ছেলে সজল আলী সরদার চলতি বছরের গত ০৯ ফেব্রুয়ারী তারিখে নোটারী পাবলিক পাবনা বাংলাদেশ ২৬২ মোতাবেক হলফনামা সম্পাদনা করে একই উপজেলার সাহাপুর গোলচত্ত্বর এলাকার সরগেন মন্ডলের মেয়ে আরতি রাণী কে বিয়ে কেরেছ। বিয়ের আগে গত ০১ ডিসেম্বর’২৬ তারিখে নোটারী পাবলিক পাবনা থেকে ১৫৪৯০ নম্বর স্মারক মোতাবেক হলফনামা সম্পাদন করে নিজ ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে হিন্দু (সনাতন) ধর্ম গ্রহণ করেছে।’   আজগর আলী সরদার হলফনামায় আরও উল্লেখ করেন, ‘আমার ঔরষজাত সন্তান মো. সজল আলী ওরফে সজল সরদার ইসলাাম ধর্ম ত্যাগ করে নতুন (হিন্দু) সনাতন নাম-সজল সরকার রেখেছে। এ কারণে আমি স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে অন্যের বিনা প্ররোচনায় আামার সকল প্রকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বা জায়গা জমি যেখানে যে অবস্থায় আছে, উক্ত সম্পত্তি বা জায়গা জমির কোন অংশীদার সে হবে না। আমি এই হলফনামা মূলে মো. সজল আলী ওরফে সজল সরদারকে আমার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি থেকে ত্যাজ্য করলাম।’   তিনি আরো উল্লেখ করেছেন, ‘আমার মৃত্যুর পর কোনভাবেই মো. সজল আলী ওরফে সজল সরদার আমার কোন স্থাবর সম্পত্তি বা জায়গা জমি এমনকি সম্পত্তির কোন অংশীদার হবে না। এই হলফনামা মূলে আমার সকল প্রকার স্থাবর সম্পত্তি জায়গা জমি ও অবস্থাবর সম্পত্তি থেকে মো. সজল আলী ওরফে সজল সরদারকে ত্যাজ্য করলাম। ভবিষ্যতে সে কখনও আমার ঔরষজাত সন্তান হিসাবে আমার স্থাবর সম্পত্তি জায়গা জমি বা অবস্থাবর সম্পত্তির দাবী করতে পারবে বা করলেও তা আইনতঃ গ্রহণযোগ্য হবে না।’   এ বিষয়ে কথা বলার জন্য ছেলে সজলের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতীকী

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

ছবি: সংগৃহীত

এমএফএস ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে প্রতারণা রুখতে সরকারের ৭ পদক্ষেপ

ছবি: সংগৃহীত

জ্বালানি সংকটে বিকল্প উৎসে ঝুঁকছে সরকার, এলএনজি আমদানিতে নতুন উদ্যোগ

ফাইল ছবি
ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ২৪ উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব এবং টিকাদান কর্মসূচি ঘিরে বিতর্কের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসসহ ২৪ জন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানিয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।   সোমবার (৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম. আশরাফুল ইসলাম সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে এই নোটিশ পাঠান।   নোটিশে উল্লেখ করা হয়, দেশে হামের ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, যার ফলে শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি বহু শিশু ও সাধারণ মানুষ বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।   এতে অভিযোগ করা হয়, টিকাদান কর্মসূচি রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার বাইরে বেসরকারি খাতে স্থানান্তরের সঙ্গে ‘অবৈধ বা অনিয়মতান্ত্রিক কার্যক্রম’ জড়িত থাকতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের আহ্বান জানানো হয়েছে।   নোটিশে আরও বলা হয়, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাবেক কর্মকর্তা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও তদন্তের দাবি তোলা হয়েছে।   ক্যাবিনেট সচিব, স্বাস্থ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিবসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে নোটিশটি পাঠানো হয়েছে। পাঁচ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও এতে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সার্ভার রুমে আগুন, ফ্লাইট ইমিগ্রেশন সাময়িক বন্ধ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। ফাইল ছবি

এ মাসের শেষ দিকে বেইজিং যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান

ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলীর গ্যাসলাইটার কারখানাটি গতকাল শনিবার আগুনে ভস্মীভূত হয়। পুড়ে যাওয়া কারখানা থেকে বের করে আনা হচ্ছে মরদেহ । ছবি: ফায়ার সার্ভিসের সৌজন্যে

কেরানীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের পরিবারপ্রতি ২ লাখ, আহতদের ১ লাখ টাকা করে সহায়তা পাবে

ফাইল ছবি
সপ্তাহজুড়ে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস; ৪ দিন শিলাবৃষ্টির শঙ্কা

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী চারদিন বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলামের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই বিশেষ পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, লঘুচাপের প্রভাবে সৃষ্ট এই বৈরী আবহাওয়া পরিস্থিতি সপ্তাহজুড়ে অব্যাহত থাকতে পারে, যা চলমান তাপপ্রবাহের মধ্যে জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি আনতে পারে।   বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সোমবার (৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির তীব্রতা বাড়তে পারে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে ঝড়বৃষ্টির প্রবণতা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।   গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ ৮৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে সিলেটে। এ ছাড়া মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল, ফেনী এবং কুড়িগ্রামের রাজারহাটেও বৃষ্টি হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এই ঝড়বৃষ্টির পর পরবর্তী পাঁচ দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমে আসতে পারে এবং দেশের তাপমাত্রা আবারও ক্রমান্বয়ে বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।   বর্তমানে লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে, যার প্রভাবে এই মৌসুমি বৃষ্টির সৃষ্টি হচ্ছে। আবহাওয়াবিদগণ নাগরিকদের বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টির সময় নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষ করে কৃষি খাতের ওপর শিলাবৃষ্টির প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে কৃষকদের আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।  

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সিলেটে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস; নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

ছবি: সংগৃহীত

পাথরঘাটায় বেওয়ারিশ কুকুরের তাণ্ডব; কামড়ে আহত ১২, নেই সরকারি ভ্যাকসিন

ছবি: সংগৃহীত

জ্বালানি সাশ্রয়ে সন্ধ্যা ৬টায় দোকান বন্ধের সিদ্ধান্ত বহাল

0 Comments