সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
বাংলাদেশ

দৌলতদিয়ায় পদ্মা থেকে বাস উদ্ধার, ভেতর থেকে একের পর এক লাশ উদ্ধার

Unknown প্রকাশ: মার্চ ২৬, ২০২৬ ২:৫৪
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী বাসটি বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উদ্ধার করা হয়েছে। বাসটি তোলার পর ভেতর থেকে একের পর এক লাশ উদ্ধার করতে দেখা গেছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত অন্তত ১২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, ছয়জন নারী ও তিনজন শিশু রয়েছে।

 

উদ্ধারকারী সূত্র জানায়, বাসটির দরজা ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। ভেতর থেকে স্কুলব্যাগ, জুতা-স্যান্ডেল, ভ্যানিটি ব্যাগসহ বিভিন্ন সামগ্রী ভেসে উঠতে দেখা গেছে। ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজে সহায়তার জন্য তিনটি অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

 

নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে ঘাট এলাকায় ভিড় করছেন পরিবার-পরিজনের সদস্যরা। তাঁদের মধ্যে রোকন বলেন, তাঁর বন্ধুর ছোট বোন ও তার স্বামী ওই বাসে করে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার পর থেকে এখনো তাঁদের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

 

আরেক স্বজন শরিফুল ইসলাম জানান, তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্য বাসে ছিলেন। তাঁদের মধ্যে স্ত্রী, মেয়ে ও এক আত্মীয় সাঁতরে উঠতে পারলেও সাত বছরের ছেলে ও ১১ বছর বয়সী ভাগ্নে এখনও নিখোঁজ। তিনি বলেন, “আমার আর কিছু লাগবে না, শুধু আমার সন্তানের লাশটা আমাকে বুঝিয়ে দিন।”

 

নিখোঁজ দুই নাতির জন্য অপেক্ষা করছেন নবীজ উদ্দিন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমার নাতি-নাতনি বাসে ছিল। তাদের জন্য অপেক্ষা করছি।” ঘাট তত্ত্বাবধায়ক মো. মনির হোসেন জানান, প্রায় ৫০ জন যাত্রী নিয়ে বাসটি কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল। দৌলতদিয়ার তিন নম্বর ঘাটে ফেরির জন্য অপেক্ষার সময় ‘হাসনা হেনা’ নামের একটি ছোট ফেরি পন্টুনে আঘাত করলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। উদ্ধারকারীরা আশঙ্কা করছেন, এখনও আরও যাত্রী বাসের ভেতরে আটকা থাকতে পারেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বাংলাদেশ

View more
রাজবাড়ীতে পুলিশের উপস্থিতিতেই নারী ব্যবসায়ীকে হকার্স গ্রুপের লাথি-ঘুষি, ভাইরাল ভিডিও
রাজবাড়ীতে পুলিশের উপস্থিতিতেই নারী ব্যবসায়ীকে হকার্স গ্রুপের লাথি-ঘুষি, ভাইরাল ভিডিও

রাজবাড়ীতে কাপড় বাজার ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় এক নারী ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। শনিবার দুপুরে ঘটা এই অমানবিক ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।   সচেতন মহলের মতে, কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলেও পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় প্রকাশ্যে তাকে মারধর বা লাঞ্ছিত করার অধিকার কারও নেই। এমন ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য চরম অবমাননাকর।   স্থানীয় ব্যবসায়ী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, কাদেরিয়া মার্কেটের তৃতীয় তলায় ভুক্তভোগী ওই নারী ব্যবসায়ীর একটি কাপড়ের দোকান রয়েছে। সম্প্রতি তার দোকানের এক নারী কর্মচারী নিজেই একটি নতুন দোকান দেওয়ার উদ্যোগ নিলে মালিক তাকে বাধা দেন। এ নিয়ে তিনি ব্যবসায়ী নেতাদের কাছে অভিযোগ জানালেও কোনো সমাধান পাননি।   উল্টো শনিবার তিনি শতাধিক নারী নিয়ে মার্কেটের নিচতলায় হ্যান্ডমাইক হাতে মিছিল বের করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় কাপড় ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে ওই নারীর বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে থানায় যান। পরবর্তীতে পুলিশ ওই নারীকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার সময় তার ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়।   সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যায়, একজন নারী পুলিশ কনস্টেবল তাকে নিয়ে যাওয়ার সময় কয়েকজন তাকে লাথি ও ঘুষি মারে। তবে বাজারের ব্যবসায়ীদের দাবি, হামলাকারীরা তাদের কেউ নয়, তারা বহিরাগত।   ভুক্তভোগী ওই নারী ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, দীর্ঘ এক যুগ ধরে তিনি ব্যবসা করছেন। তার কর্মচারীদের অন্য ব্যবসায়ীরা ফুসলিয়ে নিয়ে যায় বলেই তিনি প্রতিবাদ করেছিলেন এবং এর জের ধরেই ব্যবসায়ীরা তার ওপর হামলা করেছে। প্রকাশ্যে এমন লাঞ্ছনার শিকার হওয়ায় তিনি মামলা দায়ের করার কথা ভাবছেন।   অন্যদিকে, রাজবাড়ী বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির আহ্বায়ক বেনজির আহমেদ জানান, ওই নারীর বিরুদ্ধে আগে থেকেই নানা অভিযোগ ছিল এবং তাকে কাপড় বাজারে আর ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না বলে সমিতি প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।   এ প্রসঙ্গে রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শাসমুল হক জানান, এখনও কোনো পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। তবে ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ দিলে ভিডিও খতিয়ে দেখে লাঞ্ছনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৩০, ২০২৬ ১৩:৬
পাইকগাছায় রান্নার সময় মাংস সবুজ হয়ে যাওয়ার পর ল্যাব পরীক্ষায় ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি মেলেনি। ছবি: সংগৃহীত

অবশেষে খুলনার সেই ‘সবুজ মাংস’ রহস্যের অবসান, ল্যাব রিপোর্টে মিলল কারণ

অভিযুক্ত বাবা মো. মারুফ

আইফোন কিনতে শিশুসন্তানকে লাখ টাকায় 'বিক্রি করলেন বাবা'

ছবি: মহিলা রিক্সা, কালবেলা

ঢাকার সড়কে পর্দাঘেরা ‘মহিলা রিকশা’ ফিরে এলো যেন সেকালের ঢাকা

ছবি: এনটিভি
মাইক্রোসফটের সিনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হলেন নীলফামারীর সোহান

বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুগলে প্রায় চার বছর কাজের পর এবার মাইক্রোসফটে সিনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দিয়েছেন নীলফামারীর ডোমার উপজেলার আল নাসিরুল্লাহ সিদ্দিকী সোহান। ২৬ আগস্ট নিজের ফেসবুক পোস্টে মাইক্রোসফটে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।    সোহান ডোমার পৌর শহরের পল্টনপাড়া এলাকার হামিদার রহমান ও উম্মে আয়েশা সিদ্দিকার ছেলে। নিজের পোস্টে তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার আনন্দের কথা জানিয়ে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।    শিক্ষাজীবনে সোহান ২০১১ সালে ডোমার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০১৩ সালে রংপুর সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ থেকে ২০১৮ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।    স্নাতক শেষ করে দেশে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন সোহান। অরবিটেকস বাংলাদেশে প্রায় ১১ মাস এবং স্যামসাংয়ে প্রায় এক বছর কাজ করার পর ২০২০ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য জার্মানিতে যান। সেখানে টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি অব ডর্টমুন্ডে ডেটা সায়েন্সে স্নাতকোত্তর পড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য আবেদন করতে থাকেন।    এরপর গুগলের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে সফল হন তিনি। ২০২২ সালের শেষ দিকে গুগলের পোল্যান্ড অফিসে সাইট রিলায়েবিলিটি ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। প্রায় তিন বছর নয় মাস গুগলে কাজ করার পর ২৪ আগস্ট মাইক্রোসফটে সিনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেন বলে একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।    প্রযুক্তি খাতে সোহানের এই অগ্রযাত্রায় বড় ভাই শাহেদ শাহরিয়ারের দিকনির্দেশনার কথাও উঠে এসেছে। শাহেদ নিজেও গুগলের ডাবলিন অফিসে কর্মরত বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।   ডোমার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. রুহুল আমিন সোহানের নতুন কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার খবরে আনন্দ প্রকাশ করে তাকে বিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার সাফল্যে পরিবার, নিজ এলাকা এবং সাবেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যেও আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সূএ: এন টিভি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: আগস্ট ২৯, ২০২৬ ৩:২৭
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি

ফ্যামিলি কার্ডে নতুন হিসাব: ৪১ লাখ কার্ড বানাতেই ব্যয় ২৪৬ কোটি টাকা!

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির | ছবি: সংগৃহীত

ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগের পর কীভাবে নিশ্চিত হয় নাগরিকত্ব আর নেই

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।ছবি: সংগৃহীত

মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশ যোগ দেবে কি না, সিদ্ধান্ত একান্তই বাংলাদেশের: ডা. শফিকুর রহমান

২ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকায় ভিসা আবেদন কেন্দ্র চালু করতে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া. ছবি: কোলাজ আমেরিকা বাংলা
২ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকায় ভিসা আবেদন কেন্দ্র চালু করতে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া আরও সহজ ও সুশৃঙ্খল করতে ঢাকায় নতুন ভিসা আবেদন কেন্দ্র চালু করতে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাস। আগামী ২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বনানীর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউতে কোরিয়া ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার এর কার্যক্রম শুরু হবে।   দূতাবাস জানিয়েছে, নতুন কেন্দ্র চালুর পর সাধারণ ভিসার আবেদন জমা দেওয়া এবং পাসপোর্ট সংগ্রহের সব কার্যক্রম কোরিয়া ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার এর মাধ্যমে পরিচালিত হবে। ফলে এসব সেবার জন্য আবেদনকারীদের আর সরাসরি দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাসে যেতে হবে না।   নতুন ভিসা আবেদন কেন্দ্রটির ঠিকানা ২ এফ, বি অ্যান্ড টি নেহালিয়া টাওয়ার, প্লট ৮০, ব্লক বি, কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ, ঢাকা ১২১৩।   সাধারণ ভিসার আবেদনকারীদের জন্য অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্টের ব্যবস্থা থাকবে। অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার তারিখ, পদ্ধতি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ২৭ আগস্ট পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানাবে দূতাবাস।   তবে কূটনৈতিক ও অফিসিয়াল ভিসার ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না। এসব ভিসার আবেদন, পাসপোর্ট সংগ্রহ এবং ভিসা ইস্যুর কার্যক্রম আগের মতোই কূটনৈতিক নোটের ভিত্তিতে সরাসরি দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাস থেকে পরিচালিত হবে।   এ ছাড়া নোটারাইজেশন এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটসংক্রান্ত সেবাও আগের নিয়মে দূতাবাস থেকেই দেওয়া হবে।   নতুন ভিসা আবেদন কেন্দ্রের কার্যক্রমের সময়সূচি, আবেদন প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং ভিসা ফি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পরবর্তী বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হবে। আবেদনকারীদের সর্বশেষ নির্দেশনা জানতে দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।   দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাসের আশা, নতুন কেন্দ্র চালুর ফলে ভিসা আবেদনকারীদের ভোগান্তি কমবে এবং আবেদন জমা ও পাসপোর্ট সংগ্রহের প্রক্রিয়া আরও সহজ, সুশৃঙ্খল ও কার্যকর হবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ২৭, ২০২৬ ৬:১১
দুর্নীতির ১৫ মামলায় খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস

দুর্নীতির ১৫ মামলায় খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস

শেখ হাসিনার কবরও বাংলাদেশের মাটিতে হবে না: সারজিস

শেখ হাসিনার কবরও বাংলাদেশের মাটিতে হবে না: সারজিস

চেয়ারে বসা নিয়ে রাবির দুই বিভাগের দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ৪

চেয়ারে বসা নিয়ে রাবির দুই বিভাগের দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ৪

0 Comments