বাংলাদেশ

দোকানপাট সন্ধ্যা ৬টার পরিবর্তে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুরোধ ব্যবসায়ীদের

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: এপ্রিল ৩, ২০২৬ ১:১৭
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সারা দেশে দোকানপাট ও শপিংমল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ করার সরকারি সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে সময় পরিবর্তনের অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে রাত ৮টা পর্যন্ত ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।

 

সমিতির নেতারা প্রস্তাব করেছেন যে, প্রয়োজনে তারা সকাল ৯টার পরিবর্তে বেলা ১১টায় দোকান খুলতে রাজি আছেন, তবে বন্ধের সময় যেন সন্ধ্যা ৬টার পরিবর্তে রাত ৮টা করা হয়। সমিতির সভাপতি মো. নাজমুল হাসান মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের ৭০ লাখ দোকান ব্যবসায়ী ও আড়াই কোটি কর্মচারীর জীবিকার কথা বিবেচনা করে এই অনুরোধ জানানো হয়েছে।

 

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি-বেসরকারি অফিসের সময় এক ঘণ্টা কমিয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত করা হয়। একই বৈঠকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সারা দেশের সব দোকানপাট ও শপিংমল আজ (৩ এপ্রিল) থেকেই সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এর আগে গতকাল মালিক সমিতি রাত ৮টার মধ্যে দোকান বন্ধের ঘোষণা দিলেও সরকারের নতুন নির্দেশনায় সময় আরও কমিয়ে আনা হয়।

 

ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, সন্ধ্যা ৬টায় দোকান বন্ধ করে দিলে খুচরা ব্যবসায় বড় ধরনের ধস নামতে পারে। তাই সকালের সময় কমিয়ে রাতে বাড়তি দুই ঘণ্টা সময় বরাদ্দের জন্য তারা সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Advertisement

বাংলাদেশ

View more
তাহিয়া তাবাসসুম I ছবি: সংগৃহীত
স্বপ্ন, মেধা আর পরিশ্রমে জাপানে বিরল ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেলেন চবির তাহিয়া

দেশের গণ্ডি পেরিয়ে এবার জাপানের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর ফিজিওলজিক্যাল সায়েন্সের মতো মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেয়েছেন সন্দ্বীপের মেয়ে তাহিয়া তাবাসসুম। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষার্থী। ছোটবেলা থেকেই গবেষণার স্বপ্ন দেখা তাহিয়া নিজের মেধা, অধ্যবসায় এবং সুপরিকল্পিত প্রস্তুতির মাধ্যমেই এই অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন।   তাহিয়ার শিক্ষাজীবনের শুরুটা সন্দ্বীপেই। সাউথ সন্দ্বীপ বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাসের পর তিনি ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট গার্লস পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। স্কুলজীবনেই চাচা মিজানুর রহমানের অনুপ্রেরণায় একজন গবেষক হওয়ার স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন তিনি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর প্রথম বর্ষ থেকেই গবেষণায় যুক্ত হওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য গবেষণাগারের অপর্যাপ্ত সুযোগ, প্রয়োজনীয় কেমিক্যালের অভাব এবং গবেষণা খাতে কম বরাদ্দের কারণে তিনি বেশ হতাশ হন। তবে এই সীমাবদ্ধতাকে তিনি কেবল নিজের বিভাগের নয়, বরং পুরো দেশের গবেষণাব্যবস্থার একটি চিত্র হিসেবে উপলব্ধি করেন। আর তখনই স্নাতক শেষ করার আগেই দেশের বাইরের কোনো উন্নত গবেষণাগারে কাজের স্বপ্নটি আরও জোরালো হয়ে ওঠে।   দ্বিতীয় বর্ষে পড়ার সময় নিজ বিভাগের এক সিনিয়র শিক্ষার্থীর জাপানে ইন্টার্নশিপের খবর তাহিয়াকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করে। এরপর থেকে তিনি নিজেকে আন্তর্জাতিক মানের জন্য প্রস্তুত করতে শুরু করেন। শুধু পড়াশোনায় নয়, সহশিক্ষা কার্যক্রমেও তিনি ছিলেন সমান উজ্জ্বল। চট্টগ্রাম অঞ্চলে বাংলাদেশ বায়োলজি অলিম্পিয়াড আয়োজনে যুক্ত থাকার পাশাপাশি তিনি ‘নেটওয়ার্ক অব ইয়াং বায়োটেকনোলজিস্টস (এনওয়াইবি)’-এর সহসভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। মানবদেহের জিনগত রোগ নিয়ে গবেষণার পাশাপাশি বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে পোস্টার উপস্থাপনের জন্য অর্জন করেন একাধিক পুরস্কার।   তৃতীয় বর্ষ পর্যন্ত ৩ দশমিক ৮৩ সিজিপিএ ধরে রাখার পাশাপাশি ২০২৩ সালের শেষ দিক থেকে তিনি ওয়েবসাইট ঘেঁটে এবং সিনিয়রদের পরামর্শ নিয়ে বিদেশে আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু করেন। শিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে তিনি জাপানে ইন্টার্নশিপের জন্য আবেদন করেন।   চলতি বছরের মার্চ মাসে ই-মেইলের মাধ্যমে জাপানের গবেষণাগার থেকে চূড়ান্ত সুখবরটি পান তাহিয়া। দক্ষিণ এশিয়া থেকে প্রতিবছর মাত্র দুই-তিনজন শিক্ষার্থী এই সুযোগ পান, তাই এমন খবর প্রথমে তার নিজেরই বিশ্বাস হচ্ছিল না। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী নভেম্বরে তিনি এই ইন্টার্নশিপে যোগ দেবেন। সেখানে তিনি মলিকুলার নিউরোইমিউনোলজি ল্যাবে কাজ করবেন।   বর্তমান বিশ্বে স্নায়বিক রোগ, বিশেষ করে আলঝেইমার, স্মৃতিভ্রম ও চলাফেরায় নিয়ন্ত্রণহীনতার মতো জটিল সমস্যাগুলোর নিরাময়ে কোনো উপযুক্ত প্রতিষেধক নেই। তাহিয়া মূলত এই চ্যালেঞ্জিং ক্ষেত্রটিতেই গবেষণা চালাবেন। ভবিষ্যতে মলিকুলার জেনেটিকস নিয়ে কাজ করার স্বপ্ন দেখা তাহিয়া মনে করেন, শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্বে প্রচুর সুযোগ রয়েছে, তবে সেটি খুঁজে নেওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে। নতুন দক্ষতা অর্জন ও সিনিয়রদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে প্রস্তুতি জোরদার করলেই কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাওয়া সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

ইসতিয়াক আহমেদ প্রকাশ: জুলাই ২৬, ২০২৬ ১৫:৫৫
উত্তরবঙ্গের প্রখ্যাত আলেম, শিক্ষাবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য মাওলানা মতিউর রহমান | ছবি: কোলাজ - আমেরিকা বাংলা

উত্তরবঙ্গের প্রখ্যাত আলেম ও সাবেক এমপি মাওলানা মতিউর রহমান গুরুতর অসুস্থ, দোয়া চেয়েছেন শিক্ষার্থীরা

কৃষকের বেশে গিয়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেফতার করল পুলিশ

কৃষকের বেশে গিয়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেফতার করল পুলিশ

ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার জালিয়াতির অভিযোগে সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ঘিরে অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার জালিয়াতির অভিযোগ: চুপ্পুকে ঘিরে তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বি-২ ভিসার জন্য আবেদনকারীদের চিকিৎসা ও যাতায়াত ব্যয়ের আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ দেখাতে হবে। ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন ভিসায় আবেদনকারীদের জন্য কী বার্তা দিল যুক্তরাষ্ট্র?

মার্কিন চিকিৎসা ভিসায় আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ বাধ্যতামূলক, করদাতাদের ওপর বোঝা না হওয়ার বিষয়টি যাচাই করবে কনস্যুলার কর্মকর্তা   যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বি-২ ভিসার জন্য আবেদনকারীদের চিকিৎসা ব্যয়, সংশ্লিষ্ট সব খরচ এবং যুক্তরাষ্ট্রে যাতায়াতের ব্যয় বহনের আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ দেখাতে হবে। পাশাপাশি প্রতিটি আবেদন কনস্যুলার কর্মকর্তারা পৃথকভাবে পর্যালোচনা করবেন, যাতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে আবেদনকারীর যুক্তরাষ্ট্র সফর দেশটির করদাতাদের ওপর কোনো আর্থিক বোঝা সৃষ্টি করবে না।    মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, চিকিৎসার জন্য বি-২ ভিসা আবেদনকারীদের সাধারণত নিজ দেশের একজন চিকিৎসকের কাছ থেকে রোগ নির্ণয়সংক্রান্ত নথি জমা দিতে হয়। এতে কেন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা প্রয়োজন, তার চিকিৎসাগত কারণ উল্লেখ থাকতে হবে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের যে হাসপাতাল বা চিকিৎসক চিকিৎসা দিতে সম্মত, তাদের পক্ষ থেকে চিকিৎসার সম্ভাব্য সময়কাল, ব্যয় এবং চিকিৎসা গ্রহণের সম্মতিপত্রও দাখিল করতে হতে পারে।    এ ছাড়া আবেদনকারী বা তার চিকিৎসার ব্যয় বহনকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব, আয়-সঞ্চয়ের নথি কিংবা কর-সংক্রান্ত কাগজপত্রের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে যে চিকিৎসা, আবাসন, যাতায়াত এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় বহনের পর্যাপ্ত সামর্থ্য রয়েছে।    মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, ভিসা আবেদনগুলো মামলাভিত্তিক পর্যালোচনা করা হয়। কনস্যুলার কর্মকর্তা আবেদনকারীর স্বাস্থ্য, আর্থিক অবস্থা, পারিবারিক পরিস্থিতি এবং ভ্রমণের উদ্দেশ্যসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেন তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আইনে ভিসা পাওয়ার যোগ্য কি না। একই সঙ্গে তারা নিশ্চিত হন যে আবেদনকারী চিকিৎসা বা অন্যান্য ব্যয়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বেন না এবং এতে মার্কিন করদাতাদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হবে না।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৫, ২০২৬ ১২:১৪
মৃত্যুর খবর শুনেই ছুটে গেলেন ডিউটিরত পুলিশ, ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখলেন নিথর দেহটি নিজের সন্তানের I কোলাজ: আমেরিকা বাংলা

মৃত্যুর খবর শুনেই ছুটে গেলেন ডিউটিরত পুলিশ, ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখলেন নিথর দেহটি নিজের সন্তানের

স্পিকারের দায়িত্বে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল

স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন যিনি

নতুন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার

নতুন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার

সড়ক দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজের ছেলের মরদেহ উদ্ধার করলেন পুলিশ কনস্টেবল। ছবি: সংগৃহীত
নিহতের মরদেহ উদ্ধারে গিয়ে পুলিশ সদস্য দেখলেন নিথর দেহটি নিজের ছেলের

কিশোরগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দায়িত্ব পালন করতে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত শিশুর মরদেহ উদ্ধার করতে যান এক পুলিশ কনস্টেবল। সেখানে পৌঁছে তিনি জানতে পারেন, যে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করতে এসেছেন, সেটি তাঁরই একমাত্র ছেলে। হৃদয়বিদারক এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো এলাকায়।   শুক্রবার সকাল ১০টা ২০ মিনিটের দিকে কিশোরগঞ্জ শহরের গাইটাল আবদুল ওয়াহেদ জনতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।   নিহত তুহিন (১০) ওই বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা সামসুল কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় কর্মরত একজন কনস্টেবল। তাদের গ্রামের বাড়ি পার্শ্ববর্তী নেত্রকোনা জেলায়।   পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে রাস্তা পার হওয়ার সময় সিমেন্টবোঝাই একটি ট্রাক তুহিনকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নিয়মিত দায়িত্বের অংশ হিসেবে ঘটনাস্থলে যান কনস্টেবল সামসুল। তখনও তিনি জানতেন না, নিহত শিশুটি তাঁর নিজের সন্তান।   ঘটনাস্থলে পৌঁছে ছেলের নিথর দেহ দেখে তিনি স্তব্ধ হয়ে যান। মুহূর্তেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। সহকর্মী পুলিশ সদস্য ও স্থানীয়রা তাঁকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন। ঘটনাস্থলের সেই মর্মান্তিক দৃশ্য উপস্থিত অনেককেই আবেগাপ্লুত করে তোলে।   কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, কনস্টেবল সামসুল থানার একজন দায়িত্বশীল সদস্য। দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। পরে সেখানে গিয়ে জানতে পারেন, নিহত শিশুটি তাঁর নিজের ছেলে। ঘটনাটি পুরো পুলিশ সদস্যদের জন্যই অত্যন্ত বেদনাদায়ক।   ওসি আরও জানান, নিহত শিক্ষার্থীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছেন। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৪, ২০২৬ ৭:৯
ড. ইউনূসের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হওয়া নিয়ে ছড়ানো গুঞ্জনকে নাকচ করে দিয়েছেন সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম। ছবি সংগৃহীত

ড. ইউনূস কি রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন? যা জানালেন সাবেক প্রেস সচিব

একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশি

সৌদিতে ওমরাহ পালনে গিয়ে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল মা-সহ একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশির

কলমের শক্তিতে দুই বাংলা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় গড়েছেন লেখক শাম্মী তুলতুল | ছবি: কোলাজ - আমেরিকা বাংলা

লেখালেখি দিয়ে দুই বাংলা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খ্যাতিমান হয়েছেন শাম্মী তুলতুল

0 Comments