সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
বিনোদন

সাপের কামড়ে বিষ ছড়িয়ে যাওয়ার ভয়ে কেটে ফেললেন আঙুল! পরে জানলেন শাপটি বিষধর ছিল না

সামিয়া ইসলাম প্রকাশ: আগস্ট ৩১, ২০২৬ ৬:৫
সাপের কামড়ের পর প্রাণ বাঁচাতে নিজের তর্জনী কেটে ফেলেন
সাপের কামড়ের পর প্রাণ বাঁচাতে নিজের তর্জনী কেটে ফেলেন

চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের ৬০ বছর বয়সী এক কৃষক সাপের কামড়ের পর প্রাণ বাঁচাতে নিজের তর্জনী কেটে ফেলেছিলেন। স্থানীয়ভাবে ‘ফাইভ স্টেপ স্নেক’ নামে পরিচিত একটি সাপ তাঁকে কামড়েছে মনে করে বিষ শরীরে ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নেন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসকেরা জানান, এতটা চরম পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন ছিল না। ঘটনাটি ২০১৯ সালের অক্টোবরের, যা সে সময় চীনা সংবাদমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রকাশিত হয়। 

 

ঝেজিয়াংয়ের শাংইউ এলাকায় পাহাড়ি অঞ্চলে কাঠ কাটার সময় ওই কৃষকের আঙুলে সাপটি কামড় দেয়। সাপটিকে তিনি স্থানীয়ভাবে প্রচলিত ‘ফাইভ স্টেপ স্নেক’ হিসেবে শনাক্ত করেন। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই সাপের কামড়ের পর আক্রান্ত ব্যক্তি মাত্র কয়েক পা হাঁটতেই মারা যেতে পারেন। সেই ভয় থেকেই বিষ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে তিনি নিজেই ছুরি দিয়ে তর্জনীর একটি অংশ কেটে ফেলেন।

এরপর হাত কাপড় দিয়ে বেঁধে তিনি প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরের হাংঝোউ হাসপাতালে যান। তবে কেটে ফেলা আঙুলটি ঘটনাস্থলেই ফেলে আসায় সেটি পুনরায় জোড়া লাগানোর সুযোগও নষ্ট হয়ে যায়। 

হাসপাতালে পরীক্ষা করে চিকিৎসকেরা দেখতে পান, তাঁর রক্ত জমাট বাঁধার কার্যক্রম স্বাভাবিক ছিল এবং গুরুতর বিষক্রিয়ার লক্ষণও দেখা যায়নি। চিকিৎসকেরা জানান, স্থানীয়ভাবে ‘ফাইভ স্টেপ স্নেক’ নামে পরিচিত সাপটি বিষধর হলেও এর বিষক্রিয়া নিয়ে প্রচলিত ধারণা বাস্তবতার তুলনায় অনেক বেশি ভয়াবহ। সাপটির বৈজ্ঞানিক নাম।

 

চিকিৎসকেরা স্পষ্ট করে বলেন, সাপের কামড়ের পর নিজের শরীরের কোনো অংশ কেটে ফেলা, পোড়ানো বা শক্ত করে বেঁধে ফেলা নিরাপদ চিকিৎসা পদ্ধতি নয়। চীনের সাপের কামড় ব্যবস্থাপনা বিষয়ক চিকিৎসা নির্দেশিকাতেও দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া এবং আক্রান্ত অঙ্গ স্থির রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। 

 

এই ঘটনার সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, সাপের কামড়ের পর আতঙ্কে নিজে কোনো অস্ত্রোপচার বা ঘরোয়া চিকিৎসা না করে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে। সাপটি বিষধর কি না নিশ্চিত না হলে সেটি নিজে শনাক্ত করার চেষ্টা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বিনোদন

View more
সাপের কামড়ের পর প্রাণ বাঁচাতে নিজের তর্জনী কেটে ফেলেন
সাপের কামড়ে বিষ ছড়িয়ে যাওয়ার ভয়ে কেটে ফেললেন আঙুল! পরে জানলেন শাপটি বিষধর ছিল না

চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের ৬০ বছর বয়সী এক কৃষক সাপের কামড়ের পর প্রাণ বাঁচাতে নিজের তর্জনী কেটে ফেলেছিলেন। স্থানীয়ভাবে ‘ফাইভ স্টেপ স্নেক’ নামে পরিচিত একটি সাপ তাঁকে কামড়েছে মনে করে বিষ শরীরে ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নেন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসকেরা জানান, এতটা চরম পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন ছিল না। ঘটনাটি ২০১৯ সালের অক্টোবরের, যা সে সময় চীনা সংবাদমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রকাশিত হয়।    ঝেজিয়াংয়ের শাংইউ এলাকায় পাহাড়ি অঞ্চলে কাঠ কাটার সময় ওই কৃষকের আঙুলে সাপটি কামড় দেয়। সাপটিকে তিনি স্থানীয়ভাবে প্রচলিত ‘ফাইভ স্টেপ স্নেক’ হিসেবে শনাক্ত করেন। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই সাপের কামড়ের পর আক্রান্ত ব্যক্তি মাত্র কয়েক পা হাঁটতেই মারা যেতে পারেন। সেই ভয় থেকেই বিষ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে তিনি নিজেই ছুরি দিয়ে তর্জনীর একটি অংশ কেটে ফেলেন। এরপর হাত কাপড় দিয়ে বেঁধে তিনি প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরের হাংঝোউ হাসপাতালে যান। তবে কেটে ফেলা আঙুলটি ঘটনাস্থলেই ফেলে আসায় সেটি পুনরায় জোড়া লাগানোর সুযোগও নষ্ট হয়ে যায়।  হাসপাতালে পরীক্ষা করে চিকিৎসকেরা দেখতে পান, তাঁর রক্ত জমাট বাঁধার কার্যক্রম স্বাভাবিক ছিল এবং গুরুতর বিষক্রিয়ার লক্ষণও দেখা যায়নি। চিকিৎসকেরা জানান, স্থানীয়ভাবে ‘ফাইভ স্টেপ স্নেক’ নামে পরিচিত সাপটি বিষধর হলেও এর বিষক্রিয়া নিয়ে প্রচলিত ধারণা বাস্তবতার তুলনায় অনেক বেশি ভয়াবহ। সাপটির বৈজ্ঞানিক নাম।   চিকিৎসকেরা স্পষ্ট করে বলেন, সাপের কামড়ের পর নিজের শরীরের কোনো অংশ কেটে ফেলা, পোড়ানো বা শক্ত করে বেঁধে ফেলা নিরাপদ চিকিৎসা পদ্ধতি নয়। চীনের সাপের কামড় ব্যবস্থাপনা বিষয়ক চিকিৎসা নির্দেশিকাতেও দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া এবং আক্রান্ত অঙ্গ স্থির রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।    এই ঘটনার সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, সাপের কামড়ের পর আতঙ্কে নিজে কোনো অস্ত্রোপচার বা ঘরোয়া চিকিৎসা না করে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে। সাপটি বিষধর কি না নিশ্চিত না হলে সেটি নিজে শনাক্ত করার চেষ্টা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।

সামিয়া ইসলাম প্রকাশ: আগস্ট ৩১, ২০২৬ ৬:৫
ব্রিটিশ গায়ক হ্যারি ট্যাপের ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা, বললেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’

ব্রিটিশ গায়ক হ্যারি ট্যাপের ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা, বললেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’

ডাক্তার বলেছিল,এই ওজন খুব শীঘ্রই কবরে নিয়ে যাবে! ৪১ বছর বয়সে মিস ইউএসএ মঞ্চে অ্যাম্বার উহলার,

ডাক্তার বলেছিল,এই ওজন খুব শীঘ্রই কবরে নিয়ে যাবে! ৪১ বছর বয়সে মিস ইউএসএ মঞ্চে অ্যাম্বার উহলার,

হলিউডে পরিচিতি পাওয়ার আগে অর্থকষ্টের সময় থেকে মস্তিষ্কের টিউমারের কঠিন দিন, মার্ক রাফালোর পাশে ছিলেন স্ত্রী সানরাইজ কইগনি। ছবি: সংগৃহীত

হলিউডে সাফল্যের আগে অর্থকষ্ট, মস্তিষ্কে টিউমার, মার্ক রাফালোর কঠিন সময়ে পাশে ছিলেন স্ত্রী

বাবা চার্লস চ্যান ও মা লি-লি চ্যানের সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বল মুহূর্তে হলিউডের অ্যাকশন তারকা জ্যাকি চ্যান। ছবি: সংগৃহীত
জ্যাকির বাবা ছিলেন স্পাই, মা জড়িত ছিলেন আফিম পাচারে, তাদের প্রেম হয়েছিল অ্যারেস্ট হওয়ার পর

হলিউডের অ্যাকশন তারকা জ্যাকি চ্যান বড় হয়েছেন সাধারণ এক পরিবারে। অন্তত তিনি দীর্ঘদিন তাই বিশ্বাস করতেন। কিন্তু ৪০-এর কোঠায় পৌঁছে বাবার কাছ থেকে জানতে পারেন, তার পরিবারের অতীত মোটেও সাধারণ ছিল না।   ১৯৯৯ সালে অস্ট্রেলিয়ায় থাকা বাবা চার্লস চ্যান একদিন ছেলেকে জানান, তার নিজের জীবনে রয়েছে এক গোপন অধ্যায়। চীনের গৃহযুদ্ধ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় তিনি চিয়াং কাই-শেকের নেতৃত্বাধীন কুওমিনতাং সরকারের হয়ে গোয়েন্দা হিসেবে কাজ করেছিলেন। কমিউনিস্টরা ক্ষমতায় আসার পর তিনি হংকংয়ে পালিয়ে যান।    শুধু বাবার অতীতই নয়, মায়ের জীবন নিয়েও বড় ধাক্কা পান জ্যাকি। তার মা লি-লি সাংহাইয়ে আফিম পাচার ও জুয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে পারিবারিক ইতিহাসে উঠে এসেছে। প্রথম স্বামী জাপানি বোমা হামলায় নিহত হওয়ার পর তিনি দুই মেয়েকে নিয়ে একাই জীবন চালিয়েছিলেন। পরে চার্লসের সঙ্গে তার পরিচয় হয় সাংহাইয়ে, যখন চার্লস তাকে আফিম পাচারের ঘটনায় আটক করেছিলেন বলে তথ্যচিত্রে বর্ণনা করা হয়েছে।    আরও একটি বিস্ময় অপেক্ষা করছিল জ্যাকির জন্য। তিনি জানতে পারেন, ‘চ্যান’ তাদের প্রকৃত পারিবারিক পদবি নয়। তার বাবার আসল পদবি ছিল ফং। পারিবারিক নথি অনুযায়ী জ্যাকির চীনা নামও ফং শি-লং নামে উল্লেখ করা হয়েছে।    এই পারিবারিক রহস্য জানার পর জ্যাকি চ্যান বিষয়টি নিয়ে একটি তথ্যচিত্র নির্মাণের উদ্যোগ নেন। মেবল চিয়াং পরিচালিত ২০০৩ সালের ‘ট্রেসেস অব আ ড্রাগন: জ্যাকি চ্যান অ্যান্ড হিজ লস্ট ফ্যামিলি’তে তার বাবা-মায়ের অতীত, চীনের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং পরিবারের বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার ইতিহাস তুলে ধরা হয়।    তথ্যচিত্র নির্মাণের সময় আরও জানা যায়, জ্যাকির বাবা-মায়ের আগের সংসারে তার আরও দুই ভাই ও দুই বোন ছিলেন। যুদ্ধ, রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং দেশত্যাগের কারণে পরিবারটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বহু বছর পর পরিবারের সদস্যদের খুঁজে বের করার চেষ্টাও করা হয়।  জ্যাকি পরে জানিয়েছেন, বাবার মুখে এসব কথা শোনার পর তিনি ভীষণভাবে বিস্মিত হয়েছিলেন। যে বাবা-মাকে তিনি সাধারণ মানুষ হিসেবেই চিনতেন, তাদের জীবনের আড়ালে লুকিয়ে ছিল যুদ্ধ, গোয়েন্দা কার্যক্রম, পাচার, বিচ্ছেদ ও দেশত্যাগের এক জটিল ইতিহাস।   জ্যাকি চ্যানের নিজের জীবনের মতোই তার পরিবারের অতীতও শেষ পর্যন্ত হয়ে ওঠে এক অবিশ্বাস্য গল্প, যার অনেকটাই তিনি জীবনের চার দশক পার হওয়ার পর জানতে পেরেছিলেন।

বিনোদন ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ২৩, ২০২৬ ১১:৩৭
পুরো ফিল্ম ক্যারিয়ারের এক বছরের চেয়েও ইউটিউব থেকে বেশি আয় ফারাহ খানের

পুরো ফিল্ম ক্যারিয়ারের এক বছরের চেয়েও ইউটিউব থেকে বেশি আয় ফারাহ খানের

সত্যি প্রমাণ করতে পরদিন স্কুলে হাজির হেনরি ক্যাভিল!

সুপারম্যান চাচা বলায় শাস্তি, সত্যি প্রমাণ করতে পরদিন স্কুলে হাজির হেনরি ক্যাভিল!

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ও ব্র্যাড পিটের মেয়ে ভিভিয়েনর বাবার পদবি বাদ দিতে আইনি পদক্ষেপ

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ও ব্র্যাড পিটের মেয়ে ভিভিয়েনর বাবার পদবি বাদ দিতে আইনি পদক্ষেপ

কানাডার ঐতিহাসিক কাসা লোমা দুর্গ ভাড়া করে গথ ধারার স্ট্রিমার পিংচুর সঙ্গে র‍্যাপার ড্রেকের বিশেষ ডেট। ছবি: সংগৃহীত
প্রেমিকার অনুরোধে কুকুরের মতো ঘেউ ঘেউ করে, তার জন্য পুরো দুর্গ ভাড়া নিলেন ড্রেক

কানাডার টরন্টোতে গথ ধারার স্ট্রিমার পিংচুর সঙ্গে বিশেষ ডেটের আয়োজন করতে ঐতিহাসিক কাসা লোমা দুর্গের পুরোটা ভাড়া নেওয়ার খবর আলোচনায় এসেছে জনপ্রিয় র‍্যাপার ড্রেককে ঘিরে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশাল এই দুর্গে ডেটের সময় ড্রেক ও পিংচু ছাড়া সেখানে ছিলেন শুধু একজন খাবার পরিবেশনকারী, একজন পানীয় পরিবেশনকারী এবং নিরাপত্তাকর্মীরা।   ঘটনার সূত্রপাত ড্রেকের সাম্প্রতিক ‘২০ বনাম ১’ নামের ডেটিং অনুষ্ঠান থেকে। ৮ আগস্ট কিক নামের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রচারিত ওই অনুষ্ঠানে ২০ জন নারীর সঙ্গে ড্রেকের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। তাদের মধ্য থেকে শেষ পর্যন্ত তিনজনকে বেছে নেন তিনি। সেই তিনজনের একজন ছিলেন টেক্সাসের কনটেন্ট নির্মাতা ও স্ট্রিমার পিংচু, যার আসল নাম লিন লামার।   অনুষ্ঠানে পিংচু ড্রেককে কুকুরের মতো ঘেউ ঘেউ করতে বললে তিনি হাসতে হাসতে সেই অনুরোধ পালন করেন। মুহূর্তটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচনার জন্ম দেয়। এর আগে ২০২৫ সালের এক সাক্ষাৎকারে ড্রেক গথ বা বিকল্প ফ্যাশনে আগ্রহী একজন নারীকে নিজের পছন্দের সঙ্গী হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।   এরপর পিংচুর সঙ্গে ড্রেকের ডেটের আয়োজনও হয়ে ওঠে বেশ ব্যতিক্রমী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ড্রেক টরন্টোর ঐতিহাসিক কাসা লোমা দুর্গটি পুরোপুরি ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য ভাড়া নেন। সেখানে তারা দুজন নির্জনে সুশি খান।   কাসা লোমা টরন্টোর অন্যতম পরিচিত ঐতিহাসিক স্থাপনা। দুর্গটিতে প্রায় ৯৮টি কক্ষ রয়েছে এবং এর আয়তন প্রায় ২ লাখ বর্গফুট। বিশাল এই স্থাপনাটি বর্তমানে টরন্টোর অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন আকর্ষণ। পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তিগত অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্যও এটি ব্যবহার করা হয়।   কাসা লোমার নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৯১১ সালে এবং ১৯১৪ সালে এর নির্মাণ শেষ হয়। স্থাপনাটি মূলত স্যার হেনরি পেলাটের জন্য নির্মিত হয়েছিল। এর গথিক স্থাপত্য, বিশাল কক্ষ এবং দুর্গসদৃশ নকশার কারণে এটি টরন্টোর অন্যতম আকর্ষণীয় স্থাপনা হিসেবে পরিচিত।   ড্রেকের ওই ডেটিং অনুষ্ঠানে পিংচু তার মায়ের জন্য একটি বাড়ি চেয়েছিলেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ড্রেক এতে সম্মতি জানান। পরে পিংচু জানান, তাকে পছন্দের বাড়ির তালিকা খুঁজে পাঠাতে বলা হয়েছে এবং ড্রেক সেই বাড়ির মূল্য পরিশোধ করবেন।   তবে ডেটিং অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর ড্রেক ও পিংচুর সম্পর্ক কোন দিকে এগিয়েছে, তা এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। পিংচু জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানের পর তাদের মধ্যে ভালো কিছু কথাবার্তা হয়েছে। তবে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন এমন কোনো নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। কানাডার টরন্টোতে গথ ধারার স্ট্রিমার পিংচুর সঙ্গে বিশেষ ডেটের আয়োজন করতে ঐতিহাসিক কাসা লোমা দুর্গের পুরোটা ভাড়া নেওয়ার খবর আলোচনায় এসেছে জনপ্রিয় র‍্যাপার ড্রেককে ঘিরে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশাল এই দুর্গে ডেটের সময় ড্রেক ও পিংচু ছাড়া সেখানে ছিলেন শুধু একজন খাবার পরিবেশনকারী, একজন পানীয় পরিবেশনকারী এবং নিরাপত্তাকর্মীরা।   ঘটনার সূত্রপাত ড্রেকের সাম্প্রতিক ‘২০ বনাম ১’ নামের ডেটিং অনুষ্ঠান থেকে। ৮ আগস্ট কিক নামের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রচারিত ওই অনুষ্ঠানে ২০ জন নারীর সঙ্গে ড্রেকের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। তাদের মধ্য থেকে শেষ পর্যন্ত তিনজনকে বেছে নেন তিনি। সেই তিনজনের একজন ছিলেন টেক্সাসের কনটেন্ট নির্মাতা ও স্ট্রিমার পিংচু, যার আসল নাম লিন লামার।   অনুষ্ঠানে পিংচু ড্রেককে কুকুরের মতো ঘেউ ঘেউ করতে বললে তিনি হাসতে হাসতে সেই অনুরোধ পালন করেন। মুহূর্তটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচনার জন্ম দেয়। এর আগে ২০২৫ সালের এক সাক্ষাৎকারে ড্রেক গথ বা বিকল্প ফ্যাশনে আগ্রহী একজন নারীকে নিজের পছন্দের সঙ্গী হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।   এরপর পিংচুর সঙ্গে ড্রেকের ডেটের আয়োজনও হয়ে ওঠে বেশ ব্যতিক্রমী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ড্রেক টরন্টোর ঐতিহাসিক কাসা লোমা দুর্গটি পুরোপুরি ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য ভাড়া নেন। সেখানে তারা দুজন নির্জনে সুশি খান।   কাসা লোমা টরন্টোর অন্যতম পরিচিত ঐতিহাসিক স্থাপনা। দুর্গটিতে প্রায় ৯৮টি কক্ষ রয়েছে এবং এর আয়তন প্রায় ২ লাখ বর্গফুট। বিশাল এই স্থাপনাটি বর্তমানে টরন্টোর অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন আকর্ষণ। পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তিগত অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্যও এটি ব্যবহার করা হয়।   কাসা লোমার নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৯১১ সালে এবং ১৯১৪ সালে এর নির্মাণ শেষ হয়। স্থাপনাটি মূলত স্যার হেনরি পেলাটের জন্য নির্মিত হয়েছিল। এর গথিক স্থাপত্য, বিশাল কক্ষ এবং দুর্গসদৃশ নকশার কারণে এটি টরন্টোর অন্যতম আকর্ষণীয় স্থাপনা হিসেবে পরিচিত।   ড্রেকের ওই ডেটিং অনুষ্ঠানে পিংচু তার মায়ের জন্য একটি বাড়ি চেয়েছিলেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ড্রেক এতে সম্মতি জানান। পরে পিংচু জানান, তাকে পছন্দের বাড়ির তালিকা খুঁজে পাঠাতে বলা হয়েছে এবং ড্রেক সেই বাড়ির মূল্য পরিশোধ করবেন।   তবে ডেটিং অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর ড্রেক ও পিংচুর সম্পর্ক কোন দিকে এগিয়েছে, তা এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। পিংচু জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানের পর তাদের মধ্যে ভালো কিছু কথাবার্তা হয়েছে। তবে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন এমন কোনো নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি।

বিনোদন ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ২১, ২০২৬ ০:১৭
মাত্র ৩৬ বছরেই চলে গেলেন ‘‘হিরোস’ ও ‘ন্যাশভিল’ তারকা হেইডেন প্যানেটিয়ার

মাত্র ৩৬ বছরেই চলে গেলেন ‘‘হিরোস’ ও ‘ন্যাশভিল’ তারকা হেইডেন প্যানেটিয়ার

বিয়ের ছবিতে নীল রঙের ‘ইভিল আই’ প্রতীক দিয়ে স্বামীর মুখ ঢেকে রাখায় নেটদুনিয়ায় বিচ্ছেদের ও নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। ছবি: সংগৃহীত

অন্য নারীর নজর থেকে স্বামীকে বাঁচাতে বিয়ের ছবিতে মুখ ঢাকলেন ‘ইভিল আই’ স্টিকারে

ডেটিং অ্যাপে কথিত প্রোফাইল ঘিরে বলিউড অভিনেতা হৃতিক রোশন ও সাবা আজাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। ছবি: সংগৃহীত

ডেটিং অ্যাপে হৃতিকের প্রোফাইল, আবারও কি সিঙ্গেল হৃতিক রোশন!

0 Comments