আন্তর্জাতিক

সৌদিতে সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ জনই বাংলাদেশি

ইসতিয়াক আহমেদ প্রকাশ: আগস্ট ৯, ২০২৬ ১৮:৫২
সৌদিতে সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ জনই বাংলাদেশি
সৌদিতে সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ জনই বাংলাদেশি

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের শিফা থানাধীন মুসা সানাইয়া শিল্প এলাকায় একটি সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৯ আগস্ট) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে ঘটা এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মী এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর (শ্রম) মোহাম্মদ রেজায়ে রাব্বী নিশ্চিত করেছেন যে, নিহত ১৬ জনই বাংলাদেশি নাগরিক। রোববার দিবাগত রাতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে।

 

অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সেখানে জোর উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে আগুনে মৃতদেহগুলো মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ায় নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করা বেশ দুরূহ হয়ে পড়েছে। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস গভীর শোক প্রকাশ করেছে। নিহতদের নাম ও পরিচয় দ্রুত শনাক্ত করতে দূতাবাসের কর্মকর্তারা সরাসরি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে স্থানীয় সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ও সমন্বয় রক্ষা করে চলেছেন।

 

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, জীবিকার তাগিদে প্রবাসে পাড়ি জমানো রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের এমন অকাল মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। দেশের অর্থনীতিতে তাদের অপরিসীম অবদানের কথা স্মরণ করে মন্ত্রী নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

 

একইসঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিহতদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা যায় এবং তাদের পরিবারকে প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ প্রদান নিশ্চিত করা হয়। পরিশেষে তিনি মরহুমদের আত্মার মাগফিরাত এবং তাদের পরিবারকে এই শোক সইবার শক্তি দানের জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আন্তর্জাতিক

View more
ইরান যুদ্ধে ফুরিয়ে আসছে মার্কিন অস্ত্রভান্ডার, উৎপাদন বাড়াতে কড়া নির্দেশ
ইরান যুদ্ধে ফুরিয়ে আসছে মার্কিন অস্ত্রভান্ডার, উৎপাদন বাড়াতে কড়া নির্দেশ

ইরানের সঙ্গে চলমান দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতের জেরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অস্ত্রের মজুদ অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ফুরিয়ে আসছে। এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে সমরাস্ত্র উৎপাদন ও সরবরাহের গতি ব্যাপকভাবে বাড়াতে দেশের শীর্ষ প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের ওপর চাপ প্রয়োগ করেছে পেন্টাগন। গত শনিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের হাতে আসা পেন্টাগনের এক গোপন মেমোর বরাতে এই উদ্বেগজনক চিত্রটি প্রকাশ্যে এসেছে।   উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্টিভ ফেইনবার্গ গত বুধবার শীর্ষস্থানীয় প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের কাছে একটি কড়া নির্দেশনাসংবলিত চিঠি পাঠিয়েছেন। ওই চিঠিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়াতে হবে এবং আগামী ২১ দিনের মধ্যে দ্রুত সরবরাহের জন্য একটি আগ্রাসী পরিকল্পনা জমা দিতে হবে।   মেমোতে ফেইনবার্গ কঠোর ভাষায় উল্লেখ করেন, বছরের পর বছর ধরে চলা দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন চক্র এখন আর কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কর্মসূচি ও উৎপাদনের সময়সূচি এখন নাটকীয়ভাবে দ্রুত করার পাশাপাশি উৎপাদন সক্ষমতাও জরুরিভিত্তিতে বাড়াতে হবে।   সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সমরাস্ত্র ও গোলাবারুদের ঘাটতি নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং প্রতিরক্ষা দপ্তরের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পরই মূলত এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। তবে শিল্প বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কংগ্রেসে অতিরিক্ত প্রতিরক্ষা বাজেট পাস না হওয়া পর্যন্ত এই সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান বেশ কঠিন। এর মধ্যেই পেন্টাগন ও হোয়াইট হাউস একাধিক দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যদিও গত বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিপুল পরিমাণ সমরাস্ত্র রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আরও গোলাবারুদ প্রতিনিয়ত তৈরি করা হচ্ছে।   এর আগে জুলাইয়ের শেষদিকে হোয়াইট হাউসে প্রথাগত প্রতিরক্ষা ঠিকাদার এবং সিলিকন ভ্যালির স্টার্টআপগুলোর নির্বাহীদের এক জরুরি বৈঠকে ডাকা হয়। সেখানে চিফ অব স্টাফ সুজি ওয়াইলস ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে লকহিড মার্টিন, নর্থরপ গ্রুম্যান, বোয়িং, অ্যান্ডুরিল ও পালানটিরের মতো নামিদামি কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকে তাদের পরামর্শ দেওয়া হয়, কংগ্রেসনাল রিকনসিলিয়েশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়ানোর জন্য আইনপ্রণেতাদের কাছে যেন তারা সরাসরি লবিং করেন।   সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পেন্টাগন কম খরচের গোলাবারুদ থেকে শুরু করে থাড (THAAD) ও প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের সরবরাহ বাড়াতে একাধিক কাঠামোগত চুক্তির ঘোষণা দিয়েছে। তবে সিএসআইএস (CSIS)-এর মিসাইল ডিফেন্স প্রজেক্টের পরিচালক টম কারাকোর মতে, এগুলো মূলত প্রাথমিক সম্মতি, এখনও চূড়ান্ত বা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল জানিয়েছেন, ফেইনবার্গের মেমোটি সম্পূর্ণ বাস্তব একটি নথি এবং উৎপাদন ত্বরান্বিত করতে শিল্প নেতাদের সঙ্গে কাজ করা প্রেসিডেন্ট ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর শুরু থেকেই লক্ষ্য ছিল। এই মেমোর তথ্যগুলো ২০২৮ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তুতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।   যুদ্ধের প্রথম মাসেই যুক্তরাষ্ট্র ৮৫০টিরও বেশি টমাহক ক্রুজ মিসাইল এবং এক হাজারের বেশি প্যাট্রিয়ট ও থাড ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করে ফেলেছে। সেনাবাহিনীও ইতোমধ্যে ১৩০০টির বেশি ট্যাকটিক্যাল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে। সিএসআইএস-এর হিসাব অনুযায়ী, প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের বৈশ্বিক মজুদ যুদ্ধপূর্ব ২,২০০টি থেকে কমে ৮২৭টির নিচে নেমে এসেছে। থাডের সংখ্যাও ৪৫২ থেকে কমে ২৭৮-এর নিচে দাঁড়িয়েছে। গত সোমবার প্যাট্রিয়ট ও থাডের উৎপাদন বাড়াতে নর্থরপ গ্রুম্যান ও লকহিড মার্টিনের সঙ্গে ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি ঘোষণা করা হয়েছে।   লকহিড মার্টিনকে ২০৩০ সালের মধ্যে প্যাক-৩ উৎপাদন তিন গুণ বাড়াতে ৫৮.৬ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত মূল্যের বিশাল চুক্তিও দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অ্যান্ডুরিল, ক্যাস্টেলিয়নসহ কয়েকটি ডিফেন্স টেক কোম্পানির সঙ্গেও কাঠামোগত চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সম্প্রতি জোর দিয়ে বলেছেন, যুদ্ধকালীন এই জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উৎপাদনের জন্য শিল্পখাতের সঙ্গে প্রকৃত অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে হবে; নিয়মকানুনের বেড়াজালে আটকে রেখে তাদের স্বাভাবিক গতিকে কোনোভাবেই শ্লথ করা যাবে না।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৯, ২০২৬ ১৯:২
সৌদিতে সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ জনই বাংলাদেশি

সৌদিতে সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ জনই বাংলাদেশি

মেয়ের জীবন বাঁচানো হাসপাতালকে ভুলেননি জনি ডেপ, কৃতজ্ঞতায় দিলেন লাখো ডলার অনুদান

মেয়ের জীবন বাঁচানো হাসপাতালকে ভুলেননি জনি ডেপ, কৃতজ্ঞতায় দিলেন লাখো ডলার অনুদান

কানাডা থেকে ডিপোর্টের তালিকায় শীর্ষে ভারত, ৬ মাসে ফেরত ৩ হাজারের বেশি; অপেক্ষায় আরও ৭,৬৬৯ জন

কানাডা থেকে ডিপোর্টের তালিকায় শীর্ষে ভারত, ৬ মাসে ফেরত ৩ হাজারের বেশি; অপেক্ষায় আরও ৭,৬৬৯ জন

গ্রিসজুড়ে ৩৬ স্থানে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ, নাগরিকদের পরিচয় প্রকাশেও সতর্ক করল ইসরায়েল
গ্রিসজুড়ে ৩৬ স্থানে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ, নাগরিকদের পরিচয় প্রকাশেও সতর্ক করল ইসরায়েল

গাজায় চলমান ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের প্রতিবাদে গ্রিসজুড়ে অন্তত ৩৬টি স্থানে একযোগে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে। রাজধানী এথেন্সসহ দেশটির বিভিন্ন শহর ও জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে এই কর্মসূচি পালিত হবে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গ্রিসে অবস্থানরত ও ভ্রমণরত ইসরায়েলি নাগরিকদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করেছে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।   ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সতর্কবার্তায় নাগরিকদের বিক্ষোভস্থল ও বড় জমায়েত থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রকাশ্যে ইসরায়েলি বা ইহুদি পরিচয় বহন করে এমন কোনো প্রতীক বা চিহ্ন প্রদর্শন না করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে নাগরিকদের গ্রিস ভ্রমণ বাতিল করতে বলা হয়নি; মূলত বিক্ষোভ চলাকালে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা সম্ভাব্য উত্তেজনা এড়াতেই এই আগাম সতর্কতা জারি করা হয়েছে।   ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, ফিলিস্তিনপন্থী বিভিন্ন সংগঠন সমন্বিতভাবে এই বিশাল কর্মসূচির আয়োজন করেছে। বিশেষ করে যেসব পর্যটন এলাকায় ইসরায়েলিদের আনাগোনা বেশি, সেগুলোকে এই কর্মসূচিতে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফলে বিক্ষোভ শুধু বড় শহরের কেন্দ্রস্থলেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, তা ছড়িয়ে পড়ছে পর্যটকদের উপস্থিতিবহুল এলাকাগুলোতেও। গাজায় ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশ এবং চলমান যুদ্ধের প্রতিবাদই এই কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য।   তবে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ হলেই ইসরায়েলি নাগরিকদের ওপর হামলা হবে—এমন কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। এর আগে গত বছরও একই ধরনের কর্মসূচির সময় ইসরায়েল এমন সতর্কতা জারি করেছিল, যা কোনো ধরনের সহিংসতা ছাড়াই শেষ হয়েছিল। তাই এবারের নির্দেশনাকেও একটি আগাম নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে প্রকাশ্যে ইহুদি পরিচয় গোপনের নির্দেশনার বিষয়টি স্পষ্ট করে যে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এই বিক্ষোভ কর্মসূচিকে নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গেই দেখছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৯, ২০২৬ ১৫:০
৩০০০ কিলোমিটার পাল্লার অত্যাধুনিক কামিকাজে ড্রোন তৈরি করে পাকিস্তানের চমক

৩০০০ কিলোমিটার পাল্লার অত্যাধুনিক কামিকাজে ড্রোন তৈরি করে পাকিস্তানের চমক

গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের প্রতিবাদে রোববার গ্রিসজুড়ে সমন্বিত ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

গ্রিসজুড়ে ফিলিস্তিনের সমর্থনে বিক্ষোভ, পর্যটন এলাকাসহ ৩৬ স্থানে কর্মসূচি

ফুকেট থেকে নয়াদিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটে তীব্র ঝাঁকুনির জেরে তদন্ত শুরু করেছে ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয় | ছবি: শাটারস্টক

বিমান উড্ডয়নের পর বড় ধাক্কা, এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলটের মাদক পরীক্ষা

গ্রিসজুড়ে অন্তত ৩৬টি স্থানে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের প্রতিবাদে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভের কর্মসূচি। ছবি: সংগৃহীত
ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ ঘিরে গ্রিসে ইসরায়েলিদের সতর্ক থাকার নির্দেশ

গ্রিসজুড়ে অন্তত ৩৬টি স্থানে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভের কর্মসূচির মধ্যে দেশটিতে অবস্থানরত ও ভ্রমণরত ইসরায়েলি নাগরিকদের সতর্ক করেছে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বড় জমায়েত ও বিক্ষোভস্থল এড়ানোর পাশাপাশি প্রকাশ্যে ইসরায়েলি বা ইহুদি পরিচয় নির্দেশ করে এমন প্রতীক প্রদর্শন না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।    রোববার গ্রিসের বিভিন্ন শহর ও পর্যটন এলাকায় ফিলিস্তিনের সমর্থনে বিক্ষোভের কর্মসূচি রয়েছে। আয়োজকেরা গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের প্রতিবাদে এসব কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। বিক্ষোভের স্থানগুলোর মধ্যে এমন কিছু পর্যটন এলাকাও রয়েছে, যেখানে বিপুলসংখ্যক ইসরায়েলি পর্যটক অবস্থান করেন।    পরিস্থিতি বিবেচনায় ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নাগরিকদের বিক্ষোভ ও বড় জমায়েত থেকে দূরে থাকতে বলেছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক তর্কে জড়ানো এড়ানো, জনাকীর্ণ স্থানে সতর্ক থাকা এবং নিজেদের অবস্থান সম্পর্কে পরিবারের সদস্যদের অবহিত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।    সতর্কবার্তায় প্রকাশ্যে ইসরায়েলি বা ইহুদি পরিচয় নির্দেশ করে এমন পোশাক ও প্রতীক প্রদর্শন এড়ানোর কথাও বলা হয়েছে। তবে গ্রিস ভ্রমণ পুরোপুরি এড়িয়ে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়নি। মূলত বিক্ষোভ চলাকালে সম্ভাব্য সংঘাত বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।    এর আগে গ্রিসে ইসরায়েলি পর্যটকদের উপস্থিতি ঘিরে একাধিক ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ হয়েছে। বিশেষ করে পর্যটন এলাকা ও ইসরায়েলি পর্যটকবাহী জাহাজের আগমনকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদ ও পাল্টাপাল্টি উত্তেজনার ঘটনা সামনে এসেছে। ফলে নতুন কর্মসূচিকে ঘিরে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের নিরাপত্তার বিষয়ে আগাম সতর্ক করেছে।    গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে গ্রিসে ফিলিস্তিনের পক্ষে বিক্ষোভ সাম্প্রতিক সময়ে আরও দৃশ্যমান হয়েছে। রোববারের কর্মসূচিগুলো কতটা বড় আকার নেবে এবং কোথাও নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতি তৈরি হবে কি না, তা বিবেচনায় রেখে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৯, ২০২৬ ১১:১৪
নেতানিয়াহু ছবি:সংগৃহীত

হামাস নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত গাজা ছাড়বে না ইসরায়েল: নেতানিয়াহুর কড়া বার্তা

ভয়াবহ দাবানল।ছবি:সংগৃহীত

ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় ভয়াবহ দাবানল, জরুরি অবস্থা জারি, ঘর ছাড়তে বাধ্য ২০ হাজারের বেশি মানুষ

কসোভোর একজন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য এবং ‘অ্যালায়েন্স ফর দ্য ফিউচার অব কসোভো’ পার্টির নেত্রী। ছবি:সংগৃহীত

সংসদে কসোভো প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ, রাজনৈতিক অচলাবস্থা আরও তীব্র

0 Comments