সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক এগিয়ে নিতে তারেক রহমানের সঙ্গে শাহবাজ শরিফের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬ ১৩:৩৪
বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক এগিয়ে নিতে তারেক রহমানের সঙ্গে শাহবাজ শরিফের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক
বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক এগিয়ে নিতে তারেক রহমানের সঙ্গে শাহবাজ শরিফের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিংয়ের ৩৪তম তলায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন দুই নেতা।

 

বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং দুই দেশের জনগণের কল্যাণে সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়ে গঠনমূলক মতবিনিময় হয়।

 

দুই প্রধানমন্ত্রী পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমঝোতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে নিয়মিত যোগাযোগ ও সংলাপ অব্যাহত রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দেন তারা।

 

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। অধিবেশনের বিভিন্ন কর্মসূচির পাশাপাশি বিশ্বনেতাদের মধ্যে এ ধরনের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
জৈবিক বাবার সঙ্গে নিষিদ্ধ সম্পর্কে জড়িয়ে দোষ স্বীকার, মাত্র এক বছরের সাজায় ক্ষুব্ধ পরিবার

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেপ্তার বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ও সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের ছবি বা ভিডিও ধারণ, বিতরণ ও সংরক্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রায়ান আবদুল বাতেন। তিনি বাংলাদেশের বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার সহকারী অধ্যাপক।   হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রকাশিত রেকর্ডে তাঁর বিরুদ্ধে ‘Film, Distribute, or Possess Image or Video of Sexual Activity with an Animal’ শীর্ষক অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের ছবি বা ভিডিও ধারণ, বিতরণ কিংবা নিজের কাছে রাখার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।   গ্রেপ্তারসংক্রান্ত সরকারি রেকর্ড প্রকাশের পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে তাঁর পরিচয়ের কারণে ঘটনাটি নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও আলোচনা তৈরি হয়েছে।   এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণীটির পরিচয় সম্পর্কে বিভিন্ন দাবি ছড়িয়ে পড়লেও হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের প্রকাশিত গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তথ্যে নির্দিষ্ট কোনো প্রাণীর নাম উল্লেখ করা হয়নি। ফলে ছাগলের সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের যে দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা হচ্ছে, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।   তথ্যসূত্র: হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় (Hillsborough County Sheriff’s Office), ফ্লোরিডা।

আন্তর্জাতিক

View more
ইরান যুদ্ধের সমালোচকেরা 'শয়তানের প্রভাবে অন্ধ', মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বিস্ফোরক মন্তব্য
ইরান যুদ্ধের সমালোচকেরা 'শয়তানের প্রভাবে অন্ধ', মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বিস্ফোরক মন্তব্য

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের বিরোধিতাকারীদের কঠোর সমালোচনা করেছেন ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, এই যুদ্ধের সমালোচকেরা 'আধ্যাত্মিকতার অন্ধকারে' নিমজ্জিত এবং তারা শয়তানের প্রভাবে অন্ধ হয়ে গেছেন।   সম্প্রতি ইসরায়েলি ভাষ্যকার আমির সারফাতির সঙ্গে 'দ্য অ্যাঙ্কর পডকাস্ট'-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন, যা গত ২৩ অক্টোবর 'বেহোল্ড ইসরায়েল'-এর মাধ্যমে অনলাইনে প্রকাশিত হয়। আরকানসাসের সাবেক গভর্নর এবং একজন ইভানজেলিক্যাল খ্রিস্টান হিসেবে হাকাবি বরাবরই ইসরায়েলের একজন প্রভাবশালী সমর্থক।   সাক্ষাৎকারে আমির সারফাতি যখন ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে ইউরোপীয় সরকারগুলোর মনোভাব সম্পর্কে হাকাবির কাছে জানতে চান এবং তাদের এই অবস্থানকে তিনি 'মানসিক সমস্যা' নাকি 'আধ্যাত্মিকতার সমস্যা' হিসেবে দেখেন বলে প্রশ্ন করেন, তখন হাকাবি সরাসরি একে একটি 'আধ্যাত্মিকতার সমস্যা' হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, 'একজন রাষ্ট্রদূত এভাবে কথা বলছেন শুনতে কিছুটা অদ্ভুত লাগতে পারে।   কিন্তু আমি বিষয়টিকে আধ্যাত্মিকতার অন্ধকার ও আধ্যাত্মিক অন্ধত্ব হিসেবে মনে করি।' তার মতে, শয়তান তাদের হৃদয়কে অন্ধ করে দিয়েছে এবং তাদের চিন্তাভাবনাকে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। তিনি আরও বিশ্বাস করেন যে, এখানে দৃশ্যমান ভূরাজনৈতিক বিষয়গুলোর বাইরেও আরও গভীর কিছু রয়েছে। ইরান কীভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য হুমকি, তা নিয়ে আলোচনার সময় মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপ নিয়ে সন্দিহান ইউরোপীয় সরকারগুলোরও তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।   হাকাবির এই বিস্ফোরক মন্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণশীল ধারার কয়েকজন ভাষ্যকার তাকে কূটনৈতিক পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জোরালো দাবি জানিয়েছেন। 'দ্য আমেরিকান কনজারভেটিভ'-এর জ্যেষ্ঠ সম্পাদক অ্যান্ড্রু ডে মন্তব্য করেছেন যে, যুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের সম্পর্কে একজন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এ ধরনের মন্তব্য করা মোটেও অনুচিত।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সেও হাকাবির 'শুনতে কিছুটা অদ্ভুত লাগতে পারে' মন্তব্যটি উদ্ধৃত করে তিনি লেখেন, 'হ্যাঁ, সত্যিই অদ্ভুত!' এর পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অন্যান্য ব্যবহারকারীরাও হাকাবিকে তার পদ থেকে অপসারণের দাবি তুলেছেন।   এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির পরাজয়কে ইরানকে পরাস্ত করতে ওয়াশিংটনের ব্যর্থতার প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র আবোলফজল শেখারচি। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনের এই ধারাবাহিক পরাজয় কোনো সাময়িক ওঠানামার ফল নয়, বরং এটি শক্তিশালী ইরানের ইচ্ছাশক্তির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়ের এক অনস্বীকার্য বাস্তবতা।   শেখারচি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত হার, অভ্যন্তরীণ সংকট এবং যুদ্ধক্ষেত্রে পরাজয়ের শিকার হয়েছে, যা তাদের ক্ষমতার ভিত নড়িয়ে দিয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের হাতে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ যাওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও স্বীকার করেছেন যে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ তার দলের নির্বাচনি পরাজয়ে ভূমিকা রেখেছে। তবে তা সত্ত্বেও তিনি যুদ্ধ শুরুর সিদ্ধান্তের পক্ষেই নিজের অটল অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

প্রকাশ: নভেম্বর ৮, ২০২৬ ১৩:০
চাঁদে অভিযানের জন্য নতুন নভোচারী নিচ্ছে নাসা, আবেদন ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত

চাঁদে অভিযানের জন্য নতুন নভোচারী নিচ্ছে নাসা, আবেদন ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত

ক্রোয়েশিয়ায় ভয়াবহ বাস দু র্ঘটনায় মহাসড়ক থেকে ছিটকে উল্টে গেল বাস, নি হত ২, আ হত ৩৩

ক্রোয়েশিয়ায় ভয়াবহ বাস দু র্ঘটনায় মহাসড়ক থেকে ছিটকে উল্টে গেল বাস, নি হত ২, আ হত ৩৩

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে নতুন অগ্রাধিকার সৌদি-আমেরিকা কাউন্সিলের

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে নতুন অগ্রাধিকার সৌদি-আমেরিকা কাউন্সিলের

২০২২ সাল থেকে ইউক্রেনকে ২১২ বিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা দিয়েছে পশ্চিমারা, শীর্ষে ইইউ
২০২২ সাল থেকে ইউক্রেনকে ২১২ বিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা দিয়েছে পশ্চিমারা, শীর্ষে ইইউ

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে ইউক্রেনকে প্রায় ২১২ বিলিয়ন ডলার সরাসরি আর্থিক সহায়তা দিয়েছে পশ্চিমা দেশ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা। অনুদান ও ঋণের মাধ্যমে দেওয়া এই বিপুল অর্থ সরাসরি ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় বাজেটে বরাদ্দ করা হয়েছে।   তবে কিয়েভকে দেওয়া অস্ত্র, গোলাবারুদ, সামরিক সরঞ্জাম, গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ এবং ইউক্রেনীয় সেনাদের প্রশিক্ষণের পেছনে ব্যয় হওয়া বিপুল পরিমাণ অর্থ এই হিসাবের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। রুশ বার্তা সংস্থা তাসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউক্রেনের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে এই আর্থিক সহায়তার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে।   এই বিশাল সহায়তার সবচেয়ে বড় অংশটি এসেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কাছ থেকে। সংস্থাটি এখন পর্যন্ত ইউক্রেনকে ৮৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন কিয়েভকে ৩০ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা দিলেও ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বারের মতো প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের সেই সহায়তা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।   এছাড়া, গত কয়েক বছরে ইউক্রেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছ থেকে প্রায় ১৫ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার, জাপানের কাছ থেকে ১০ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার এবং কানাডার কাছ থেকে ৬ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার অর্থ সহায়তা পেয়েছে। এর পাশাপাশি বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে ৬ দশমিক ১ বিলিয়ন এবং যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে ৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার পেয়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি।   আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর বাইরেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কয়েকটি সদস্যদেশ থেকে সরাসরি দ্বিপক্ষীয় আর্থিক সহায়তা ও ঋণ পেয়েছে কিয়েভ। এর মধ্যে জার্মানি প্রায় ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার, নরওয়ে ৭১৭ মিলিয়ন ডলার এবং ফ্রান্স ৪৩৭ মিলিয়ন ডলার প্রদান করেছে। বিপুল অঙ্কের এই পশ্চিমা অর্থপ্রবাহ ও সামরিক সমর্থন অব্যাহত থাকলেও রাশিয়া বরাবরই দাবি করে আসছে যে, ইউক্রেনকে দেওয়া পশ্চিমা দেশগুলোর কোনো আর্থিক বা সামরিক সহায়তাই চূড়ান্তভাবে এই যুদ্ধের গতিপথ পরিবর্তন করতে পারবে না।

প্রকাশ: নভেম্বর ৮, ২০২৬ ১০:৬
বাংলাদেশিদের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ ৬৪৬ ডলার, এক দশকে প্রায় তিনগুণ

বাংলাদেশিদের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ ৬৪৬ ডলার, এক দশকে প্রায় তিনগুণ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গুপ্তচর সন্দেহে ইরানে তিনজনের  মৃ ত্যুদণ্ড কার্যকর

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গুপ্তচর সন্দেহে ইরানে তিনজনের মৃ ত্যুদণ্ড কার্যকর

চীন ও ইউরোপে বিক্রি কমায় বিশ্বখ্যাত গাড়ি নির্মাতাদের প্রধান মুনাফার বাজার হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের গাড়ি নির্মাতাদের উচ্চ মুনাফার শেষ ভরসা এখন যুক্তরাষ্ট্র

ফিনল্যান্ডে ২৪ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশি নাগরিক নাফিস ইস্কান্দারের মরদেহ উদ্ধার। ছবি: সংগৃহীত
ফিনল্যান্ডে নিখোঁজের ২৪ দিন পর বাংলাদেশি নাফিসের মরদেহ উদ্ধার

ফিনল্যান্ডে ২৪ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশি নাগরিক নাফিস ইস্কান্দারের মরদেহ উদ্ধার করেছে দেশটির পুলিশ। গত ৭ নভেম্বর শনিবার হ্যামেনলিন্না শহরের কাছে হেলসিঙ্কি-তাম্পেরে মহাসড়কের পাশের একটি দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ির ভেতর থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গত ১২ অক্টোবর থেকে নিখোঁজ ছিলেন প্রায় ৫০ বছর বয়সী নাফিস।   ফিনল্যান্ডের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মহাসড়ক থেকে ছিটকে গাড়িটি পাশের একটি সবুজ এলাকায় পড়ে ছিল। গাছপালা ও আড়ালের কারণে মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী গাড়িচালকদের পক্ষে দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি সহজে দেখতে পাওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে কয়েক দিন গাড়িটি সেখানে পড়ে থাকলেও দুর্ঘটনার বিষয়টি কারও নজরে আসেনি।   ফিনল্যান্ডের হ্যামেনলিন্না শহরে হেলসিঙ্কি-তাম্পেরে মহাসড়কের পাশে দুর্ঘটনাকবলিত একটি গাড়ির ভেতর থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তি নিখোঁজ বাংলাদেশি নাগরিক নাফিস ইস্কান্দার। গত ১২ অক্টোবর থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। ৭ নভেম্বর শনিবার গাড়িটির সন্ধান পায় পুলিশ।   ফিনল্যান্ডের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইয়েলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোরেনি ও কুম্পিতিয়ে র‍্যাম্পের মাঝামাঝি এলাকায় মহাসড়ক থেকে ছিটকে পাশের সবুজ এলাকায় পড়ে ছিল গাড়িটি। সড়ক থেকে গাড়িটি সরাসরি দেখা যাচ্ছিল না। আশপাশের আড়ালের কারণে মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী চালকদের নজরেও আসেনি দুর্ঘটনাটি।   পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর বেশ কয়েক দিন গাড়িটি সেখানে পড়ে থাকলেও কেউ বিষয়টি জানিয়ে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। শেষ পর্যন্ত পুলিশের নিজস্ব অনুসন্ধানের মাধ্যমে গাড়িটির সন্ধান পাওয়া যায়। তবে কী তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ওই এলাকায় গাড়িটি খুঁজছিল, তা এখনো প্রকাশ করেনি।   নাফিসকে সর্বশেষ গত ১২ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে টাম্পেরে শহরে দেখা গিয়েছিল। ফিনল্যান্ড পুলিশের নিখোঁজ-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রায় ৫০ বছর বয়সী নাফিস কালো রঙের অডি এ৭ গাড়ি ব্যবহার করছিলেন বলে ধারণা করা হয়েছিল। গাড়িটির নিবন্ধন নম্বর ছিল EOH-738। একই দিন সন্ধ্যা ৬টা ২৪ মিনিটে গাড়িটিকে হ্যামেনলিন্না এলাকায় হেলসিঙ্কির দিকে যেতে দেখা যায় বলে পুলিশের বরাতে জানিয়েছিল ডেইলি ফিনল্যান্ড।   নাফিসের সন্ধান পেতে গত ১৫ অক্টোবর প্রথমবারের মতো জনসাধারণের সহযোগিতা চেয়েছিল ফিনল্যান্ডের পুলিশ। পরে ২৩ অক্টোবরও নতুন করে তথ্য চাওয়া হয়। তাঁর অবস্থান কিংবা গাড়িটির বিষয়ে কোনো তথ্য থাকলে পুলিশকে জানানোর অনুরোধ জানানো হয়েছিল।   এদিকে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশ দুটি বিষয় সামনে রেখে তদন্ত করছে। প্রথমত, কীভাবে গাড়িটি মহাসড়ক থেকে ছিটকে পাশের সবুজ এলাকায় চলে গেল এবং এতে সড়ক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার কোনো বিষয় ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, ওই ব্যক্তির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করছেন তদন্তকারীরা।   ইয়েলকে হ্যামে পুলিশ বিভাগের অপরাধ তদন্ত কর্মকর্তা পেত্রি ইকোনেন জানিয়েছেন, গাড়িটি উদ্ধারের পর ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। পুলিশ এখনো মৃত্যুর কারণ কিংবা দুর্ঘটনার বিস্তারিত পরিস্থিতি প্রকাশ করেনি। স্থানীয় পুলিশের প্রকাশিত বিবরণেও উদ্ধার হওয়া ব্যক্তির নাম ও বয়স জানানো হয়নি। ফলে নাফিসের পরিচয়সংক্রান্ত তথ্যটি বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রকাশিত হচ্ছে।    সূত্র: ইয়েল

প্রকাশ: নভেম্বর ৮, ২০২৬ ৮:৫২
যুক্তরাজ্যে কিশোরীদের যৌন নির্যাতনের দায়ে বাংলাদেশি সাবেক শিক্ষকের ২৫ বছরের কারাদণ্ড

যুক্তরাজ্যে কিশোরীদের যৌন নির্যাতনের দায়ে বাংলাদেশি সাবেক শিক্ষকের ২৫ বছরের কারাদণ্ড

সরকার গঠনের সুযোগ পাচ্ছেন ইসরাইলের বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকট। ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলে প্রথম বারের মতো সরকার গঠনের সুযোগ পাচ্ছেন নেতানিয়াহুর প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকট

বিয়ের দাওয়াতে দেশে এসে পার্কিং নিয়ে বিরোধে প্রতিবেশীর গুলিতে নিহত প্রবাসী

বিয়ের দাওয়াতে দেশে এসে পার্কিং নিয়ে বিরোধে প্রতিবেশীর গুলিতে নিহত প্রবাসী

0 Comments