সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আন্তর্জাতিক

বাড়ি গুছাতে গিয়ে স্বামীর লুকানো ১ লাখ ১৩ হাজার পাউন্ডের সোনার মুদ্রা খুঁজে পেলেন বিধবা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ ১০:৫০
যুক্তরাজ্যের কর্নওয়ালের পেনজ্যান্সে বাড়ি গুছাতে গিয়ে বিস্কুটের পুরোনো টিনে সোনার মুদ্রার সন্ধান পেয়েছেন এক বিধবা। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাজ্যের কর্নওয়ালের পেনজ্যান্সে বাড়ি গুছাতে গিয়ে বিস্কুটের পুরোনো টিনে সোনার মুদ্রার সন্ধান পেয়েছেন এক বিধবা। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের কর্নওয়ালের পেনজ্যান্সে বাড়ি গুছাতে গিয়ে বিস্কুটের পুরোনো একটি টিনে ১ লাখ ১৩ হাজার পাউন্ডের বেশি মূল্যের সোনার মুদ্রার সন্ধান পেয়েছেন এক বিধবা। প্রায় ৫০ বছর ধরে টিনটির ভেতর সেগুলো লুকিয়ে রেখেছিলেন তাঁর প্রয়াত স্বামী। অবিশ্বাস্য এই সঞ্চয়ের কথা স্ত্রী নিজেও জানতেন না।

 

দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাড়ির একটি শেড পরিষ্কার করার সময় ভারী টিনটি পাওয়া যায়। সেটি খুলে প্রথমে কিছু রুপার মুদ্রা দেখা গেলেও পরে নিচের দিকে খুঁজে পাওয়া যায় বিপুল পরিমাণ সোনার মুদ্রা। মুদ্রাগুলো আলাদা প্যাকেটে রাখা ছিল। সঙ্গে ছিল সেগুলো কেনার সময়ের কাগজপত্র এবং একটি পুরোনো পকেট মানি গাইড।

 

টিনটিতে ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার ৪১টি গোল্ড ক্রুগেরান্ড এবং ২১টি ব্রিটিশ গোল্ড সোভারেইন। এর মধ্যে অধিকাংশ মুদ্রাই ১৯৭৫ সালে তৈরি করা হয়েছিল। তখন অর্থনৈতিক মন্দা, মূল্যস্ফীতি এবং শেয়ারবাজার নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে অনেকেই সোনাকে তুলনামূলক নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে দেখতেন।

 

নিলামকারী ডেভিড লে জানান, ওই ব্যক্তি ১৯৭৫ সালে প্রতিটি মুদ্রার জন্য প্রায় ৭০ থেকে ৮০ পাউন্ড করে দিয়েছিলেন। অর্থাৎ কয়েক হাজার পাউন্ড খরচ করে তিনি সোনা কিনেছিলেন। এরপর মুদ্রাগুলো এমনভাবে সংরক্ষণ করেন যে প্রায় পাঁচ দশক ধরে সেগুলোর কথা কাউকে জানাননি।

 

নিলাম শেষে শুধু ৪১টি গোল্ড ক্রুগেরান্ড থেকেই পাওয়া গেছে ১ লাখ পাউন্ড। আর ২১টি ব্রিটিশ গোল্ড সোভারেইন বিক্রি হয়েছে প্রায় ১৩ হাজার পাউন্ডে। সব মিলিয়ে সোনার মুদ্রাগুলোর মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার পাউন্ডের বেশি।

 

নিলামকারী ডেভিড লে বলেন, মুদ্রাগুলো আবিষ্কারের বিষয়টি ছিল তাদের জন্যও বিস্ময়কর। তাঁর মতে, স্বামী যখন সোনায় বিনিয়োগ করেছিলেন, তখনকার তুলনায় বর্তমানে এর মূল্য অনেক বেড়েছে। মুদ্রাগুলো প্রায় অক্ষত অবস্থায় নিজ নিজ প্যাকেটের মধ্যেই পাওয়া গেছে।

 

১৯৭০-এর দশকে ব্যাংকের ওপর অনাস্থা এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির সময় কিছু মানুষ নগদ অর্থ বা মূল্যবান সম্পদ ঘরে রেখে দিতেন। তবে একটি সাধারণ বিস্কুটের টিনে এত বড় অঙ্কের সোনা প্রায় ৫০ বছর ধরে লুকিয়ে থাকা ঘটনাটিকে বিশেষভাবে আলোচনায় এনেছে।

 

বাড়ি ছোট করার প্রস্তুতি নিতে গিয়ে স্ত্রী যখন পুরোনো জিনিসপত্র গুছাচ্ছিলেন, তখনই প্রকাশ্যে আসে স্বামীর সেই গোপন বিনিয়োগ। কয়েক হাজার পাউন্ডের সেই সিদ্ধান্ত পাঁচ দশক পর পরিবারের জন্য পরিণত হয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার পাউন্ডের বেশি মূল্যের সম্পদে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আন্তর্জাতিক

View more
সৌদি আরবের জেদ্দায় আগামী ৮ থেকে ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ষষ্ঠ হজ সম্মেলন ও প্রদর্শনী। ছবি: সংগৃহীত
হজযাত্রীদের চিকিৎসাসহ আধুনিক প্রযুক্তির নতুন উদ্ভাবন উন্মোচনে জেদ্দায় ষষ্ঠ হজ সম্মেলন

সৌদি আরবের জেদ্দায় আগামী ৮ থেকে ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ষষ্ঠ হজ সম্মেলন ও প্রদর্শনী। বাদশাহ সালমানের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত এই সম্মেলনে হজযাত্রীদের সেবা আরও উন্নত করতে চিকিৎসা, পরিবহন, প্রযুক্তি, অবকাঠামো, নিরাপত্তা এবং টেকসই উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন উদ্ভাবন তুলে ধরা হবে। সম্মেলনে সরকারি, বেসরকারি ও অলাভজনক খাতের স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ৫২০টির বেশি প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরা অংশ নেবেন।   সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় পিলগ্রিম এক্সপেরিয়েন্স কর্মসূচির সহযোগিতায় সম্মেলনটির আয়োজন করছে। হজসেবা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন পক্ষকে একই প্ল্যাটফর্মে আনা, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব জোরদার করা এবং হজযাত্রীদের জন্য দেওয়া সেবার মান উন্নত করাই আয়োজনটির অন্যতম লক্ষ্য।   সম্মেলনে গবেষক, উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবকেরা হজসেবা খাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করবেন। পাশাপাশি হজযাত্রীদের সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে সৌদি আরবের অভিজ্ঞতা এবং সংশ্লিষ্ট খাতে দেশটির বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরা হবে। বিভিন্ন দেশের হজবিষয়ক দপ্তর ও আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিরাও মক্কা ও মদিনার সেবাব্যবস্থার অভিজ্ঞতার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন।   আয়োজনে তিনটি প্রধান ধারায় হজসেবা নিয়ে আলোচনা হবে। অবকাঠামো ও পরিচালনাসেবা বিষয়ক ধারায় পরিবহন ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামো ও স্থাপনা পরিচালনা, আবাসন ও আতিথেয়তা এবং খাবার সরবরাহের মতো বিষয় গুরুত্ব পাবে। হজের সময় বিপুলসংখ্যক মানুষের চলাচল ও প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে এসব খাতে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হবে।   ক্ষমতায়ন ও সমন্বয় বিষয়ক ধারায় নিরাপত্তা ও সুরক্ষা, চিকিৎসাসেবা, গণমাধ্যম ও যোগাযোগ এবং প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নিয়ে আলোচনা হবে। বিশেষ করে প্রযুক্তিনির্ভর নতুন সেবা ও উদ্ভাবনী সমাধান কীভাবে হজযাত্রীদের অভিজ্ঞতা উন্নত করতে পারে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মতবিনিময় করবেন।   তৃতীয় ধারায় থাকবে টেকসই উন্নয়ন। এতে অলাভজনক খাত, উদ্যোক্তা তৈরি, প্রশিক্ষণ, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন এবং হজযাত্রীদের অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ করার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হবে। গবেষক, উদ্যোক্তা ও বিভিন্ন খাতের বিশেষজ্ঞরা নিজেদের অভিজ্ঞতা ও সম্ভাব্য সমাধান তুলে ধরবেন।   সম্মেলনের পাশাপাশি একটি বিশেষায়িত প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হবে। এতে ১৫০টির বেশি দেশের হজসেবা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও সেবাদাতারা অংশ নেবেন। তারা হজযাত্রীদের জন্য বিভিন্ন সেবা ও সমাধান তুলে ধরার পাশাপাশি নিজেদের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন প্রদর্শনের সুযোগ পাবেন।   প্রদর্শনীতে বিমান চলাচল, পরিবহন, আতিথেয়তা, চিকিৎসাসেবা, অবকাঠামো, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, জনবল, বিনিয়োগ এবং ব্যবসা উন্নয়ন খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। হজবিষয়ক দপ্তর, সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিদের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।   সম্মেলন ও প্রদর্শনীর অংশ হিসেবে বিশেষায়িত ফোরাম, প্যানেল আলোচনা, গোলটেবিল বৈঠক, কর্মশালা এবং ব্যবসায়িক বৈঠকের আয়োজন থাকবে। এসব আয়োজনে নতুন উদ্যোগ ও অংশীদারত্বের সুযোগ তৈরি করার পাশাপাশি হজসেবা খাতে বিভিন্ন উদ্ভাবনী সমাধান তুলে ধরা হবে।   আয়োজকদের লক্ষ্য, হজসেবা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে সমন্বয় আরও শক্তিশালী করা এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব বাড়ানো। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে এক জায়গায় এনে হজযাত্রীদের জন্য আরও উন্নতমানের সেবা নিশ্চিত করার পথ তৈরি করা।   গতবারের হজ সম্মেলনে ১৫০টির বেশি দেশের ২৭০টি প্রদর্শক প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছিল। ওই আয়োজনে দর্শনার্থীর সংখ্যা ২ লাখ ৪ হাজারের বেশি ছিল। এছাড়া ১৩৪টি বিশেষায়িত অধিবেশন ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে ২ হাজার ৬০০ জনের বেশি অংশগ্রহণ করেন।   হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় সম্মেলনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রতিষ্ঠান, বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিবন্ধনের আহ্বান জানিয়েছে। সম্মেলনের বিভিন্ন কর্মসূচি ও সময়সূচিও অংশগ্রহণকারীদের জন্য প্রকাশ করা হবে।   সূত্র: আরব নিউজ

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ ১২:১৬
যুক্তরাজ্যের কর্নওয়ালের পেনজ্যান্সে বাড়ি গুছাতে গিয়ে বিস্কুটের পুরোনো টিনে সোনার মুদ্রার সন্ধান পেয়েছেন এক বিধবা। ছবি: সংগৃহীত

বাড়ি গুছাতে গিয়ে স্বামীর লুকানো ১ লাখ ১৩ হাজার পাউন্ডের সোনার মুদ্রা খুঁজে পেলেন বিধবা

‘আসসালামু আলাইকুম’ ও ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দ ব্যবহারের পর বদলি হলেন বুশরা বানো। ছবি: সংগৃহীত

‘ইনশাআল্লাহ’, 'জাজাকাল্লাহ' বলায় বিতর্ক, ভারতে নারী আইপিএস কর্মকর্তাকে বদলি

ইরানি ব্লগার মারজিয়ে ‘সেভদা’ এব্রাহিমি শামসাবাদি

বিদায়ের বার্তা দিয়েছিলেন আগেই, ইরানি ব্লগারের মৃ ত্যু দ ণ্ড ঘিরে চাঞ্চল্য

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিনিধির হারানো ব্যাগ থেকে উদ্ধার করা প্রায় ৩ লাখ রুপি
বিমান ছাড়তে ৩০ মিনিট, হারাল ৩ লাখ রুপি—৩৫ মিনিটে ব্যাগ উদ্ধার করে সুনাম কুড়াল দিল্লি পুলিশ

দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে আসা দক্ষিণ আফ্রিকার এক প্রতিনিধির প্রায় ৩ লাখ রুপি থাকা ব্যাগ হারিয়ে যাওয়ার মাত্র ৩৫ মিনিটের মধ্যে সেটি উদ্ধার করেছে দিল্লি পুলিশ। বিমান ছাড়ার মাত্র ৩০ মিনিট আগে প্রতিনিধির হাতে পুরো টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পুলিশ জানায়, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিনিধি দুমিসা মরিস সোবেকওয়ে গুরগাঁওয়ের একটি শপিং মলে যাওয়ার পর একটি ক্যাবে করে দিল্লির কেন্দ্রীয় এলাকার হোটেলে ফেরেন। হোটেলে পৌঁছানোর পর তিনি বুঝতে পারেন, ভারতীয় ও মার্কিন মুদ্রায় প্রায় ৩ লাখ রুপি থাকা ছোট ব্যাগটি তার সঙ্গে নেই। রোববার সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে পুলিশ নিখোঁজ ব্যাগের খবর পায়। এরপর নিউ দিল্লির ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ শচীন শর্মার নেতৃত্বে পুলিশ দল ক্যাবটির সন্ধানে নামে। প্রায় পাঁচ মিনিটের মধ্যে পুলিশ হোটেলে গিয়ে প্রতিনিধির যাত্রাপথ ও ক্যাবের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৭টা ৪৫ মিনিটে ক্যাব ও চালককে শনাক্ত করা হয়। পরে গাড়ির একটি আসনের নিচ থেকে টাকাসহ ব্যাগটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, চালক প্রথমে তাদের এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও পরে সহযোগিতা করেন। ব্যাগ ও টাকার মালিকানা যাচাই শেষে রাত ৮টা ১৫ মিনিটে পুরো অর্থ দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিনিধির হাতে তুলে দেওয়া হয়। তার দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশে নির্ধারিত ফ্লাইট ছাড়ার তখনও প্রায় ৩০ মিনিট বাকি ছিল। ফলে শেষ মুহূর্তে নিজের গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র ফিরে পান তিনি। দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে ওই প্রতিনিধি ভারতে এসেছিলেন। ঘটনাটি এমন সময়ে সামনে এসেছে, যখন সম্মেলনকে ঘিরে দিল্লিতে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। দ্রুত ক্যাব শনাক্ত করে টাকা উদ্ধারের ঘটনাকে দিল্লি পুলিশের তাৎক্ষণিক সমন্বিত পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। ঘটনাটিতে অর্থ হারানোর পর সেটি চুরি হয়েছে—এমন দাবি নিশ্চিতভাবে করা হয়নি। পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, ব্যাগটি ক্যাবের আসনের নিচে পাওয়া যায় এবং যাচাইয়ের পর পুরো অর্থ প্রতিনিধিকে ফেরত দেওয়া হয়। ফলে ৩৫ মিনিটে উদ্ধার এবং ফ্লাইটের মাত্র ৩০ মিনিট আগে টাকা ফেরত পাওয়ার বিষয়টিই ঘটনাটির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক।  

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ ১৯:৫৩
মদিনায় ১১ কোটি টন আকরিকের সন্ধান, মিলেছে ইউরেনিয়াম

সৌদি আরবে ১১ কোটি টন ইউরেনিয়ামসমৃদ্ধ আকরিক, বড় খনিজ সম্পদের সন্ধান

২০ বছর ধরে স্ত্রীর অজান্তে গুরুতর অ ন্যা য়ের অভিযোগ—আদালতে ষাটোর্ধ্ব স্বামীর দোষ স্বীকার

২০ বছর ধরে স্ত্রীর অজান্তে গুরুতর নি র্যাতনের অভিযোগ, ষাটোর্ধ্ব স্বামীর আদালতে স্বীকারোক্তি

তীব্র মাইগ্রেনের চিকিৎসা নিতে গিয়ে ক্যানসারে আক্রান্ত বলে ভুল রোগ নির্ণয়ের শিকার হন বেকি জোন্স। ছবি: সংগৃহীত

১১ বছর কেমোথেরাপির পর জানলেন মস্তিষ্কে কখনো ক্যানসারই ছিল না

নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়া বিশ্বনেতা ও প্রতিনিধিদের জন্য নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। ছবি: সংগৃহীত
ব্রিকস সম্মেলনে বিশ্বনেতাদের শুধুই নিরামিষ আপ্যায়ন, ‘৮০% আমিষভোজী’ বলে মোদি সরকারকে রাহুলের খোঁচা

নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়া বিশ্বনেতা ও প্রতিনিধিদের জন্য আয়োজিত নৈশভোজে শুধু নিরামিষ খাবার পরিবেশন করাকে কেন্দ্র করে ভারতে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এই মেনু নিয়ে সমালোচনা করে দাবি করেছেন, ভারতের ৮০ শতাংশ মানুষ আমিষভোজী। তাঁর মন্তব্যের পর বিজেপি পাল্টা কংগ্রেসকে খাবার নিয়ে রাজনীতি করার অভিযোগে আক্রমণ করেছে।   শনিবার রাতে নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে ব্রিকস সম্মেলনের অংশ হিসেবে এই জমকালো নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান ও অন্যান্য প্রতিনিধিদের জন্য ভারতীয় খাবারের একটি দীর্ঘ তালিকা রাখা হয়েছিল। তবে পুরো মেনুতেই ছিল নিরামিষ পদ, কোনো আমিষ খাবার রাখা হয়নি।   নৈশভোজের মেনুতে ছিল খান্ডভি মিল্লে, খুম্ব গালৌটি, পনির লাবাবদার, গুচ্ছি মারমিক, গাজর বিন পোরিয়াল, বাজরার পোলাও ও বিটের রায়তার মতো বিভিন্ন পদ। মিষ্টান্নে ছিল পুরোনো দিল্লির ফলের ক্রিম ও জিলাপি এবং শাহদুত ফিরনি। মেনুটিতে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের নিরামিষ খাবারের বৈচিত্র্য তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছিল।   এই খাবারের তালিকা নিয়েই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান রাহুল গান্ধী। তিনি লিখেছেন, ‘রেকর্ডের জন্য’ ভারতের ৮০ শতাংশ মানুষ আমিষভোজী। একই পোস্টে তিনি ভারতীয় আমিষ খাবারকে সুস্বাদু উল্লেখ করেন এবং নিজের বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর তৈরি ছোলে ভাটুরের কথাও বলেন। তাঁর মন্তব্যকে অনেকেই ব্রিকস নৈশভোজের নিরামিষ মেনু নিয়ে সরকারের প্রতি রাজনৈতিক খোঁচা হিসেবে দেখেছেন।   তবে রাহুল গান্ধীর উল্লেখ করা ৮০ শতাংশের হিসাবকে সরাসরি সরকারি বা প্রতিষ্ঠিত পরিসংখ্যান হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তিনি তাঁর পোস্টে এই সংখ্যার কোনো সূত্র দেননি। ভারতের সর্বশেষ জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য জরিপের তথ্যেও পুরো দেশের মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ আমিষভোজী, এমন সরাসরি তথ্য পাওয়া যায় না। বরং এনএফএইচএস-৫ অনুযায়ী, ১৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী পুরুষদের ৮৩ দশমিক ৪ শতাংশ এবং নারীদের ৭০ দশমিক ৬ শতাংশ অন্তত কখনো মাছ, মুরগি বা মাংস খান। ফলে ৮০ শতাংশের বক্তব্যটি রাহুলের দাবি হিসেবেই উপস্থাপন করা হচ্ছে।   রাহুলের মন্তব্যের পর কংগ্রেসের আরও কয়েকজন নেতা নৈশভোজের মেনু নিয়ে আপত্তি জানান। দলটির নেতা পবন খেরা অভিযোগ করেন, বিজেপির খাদ্যসংক্রান্ত পছন্দ এখন আন্তর্জাতিক অতিথিদের ক্ষেত্রেও চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, ভারতের খাদ্যসংস্কৃতির বৈচিত্র্য তুলে ধরতে হলে নিরামিষ খাবারের পাশাপাশি আমিষ খাবারও রাখা উচিত ছিল।   কংগ্রেস নেতা ওয়ারিস পাঠানও একই ধরনের সমালোচনা করেন। তাঁর বক্তব্য, নিরামিষ খাবার পরিবেশনে আপত্তি নেই, কিন্তু ভারতের খাদ্যসংস্কৃতিকে শুধু নিরামিষ খাবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে দেখা উচিত নয়। তাঁর মতে, মাংস, মুরগি ও মাছও ভারতের খাদ্যবৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।   অন্যদিকে বিজেপি এই সমালোচনাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রসূত বলে পাল্টা আক্রমণ করেছে। দলটির নেতারা বলেছেন, ব্রিকস সম্মেলনে বৈশ্বিক রাজনীতি, অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। অথচ কংগ্রেস এসব বিষয় বাদ দিয়ে নৈশভোজের খাবারের তালিকাকে রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে এনেছে।   বিজেপির নেতাদের বক্তব্য, নিরামিষ মেনু ভারতের নিজস্ব খাদ্য ও সংস্কৃতির একটি অংশকে তুলে ধরেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজুও কংগ্রেসের সমালোচনাকে অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বিদেশি অতিথিরা ভারতীয় নিরামিষ খাবার উপভোগ করেছেন।   বিজেপির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, ব্রিকস সম্মেলনের ফলাফল ও নয়াদিল্লি ঘোষণার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা না করে কংগ্রেস খাবারের মেনু নিয়ে বিতর্ক করছে। দলটির নেতারা এটিকে ভারতের কূটনৈতিক অর্জনকে খাটো করার চেষ্টা হিসেবেও তুলে ধরেছেন।   ব্রিকস সম্মেলনের নৈশভোজে নিরামিষ খাবার পরিবেশনের ঘটনা অবশ্য ভারতের আন্তর্জাতিক আয়োজনগুলোতে সম্পূর্ণ নতুন নয়। তবে এবার বিষয়টি বিশেষভাবে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করেছে রাহুল গান্ধীর ৮০ শতাংশ আমিষভোজীর দাবি এবং কংগ্রেসের খাদ্যবৈচিত্র্য নিয়ে সমালোচনার কারণে।   ফলে ব্রিকসের মূল কূটনৈতিক আলোচনার বাইরে নৈশভোজের মেনুও ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি ও বিরোধী কংগ্রেসের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের বিষয় হয়ে উঠেছে। একদিকে কংগ্রেস বলছে, আন্তর্জাতিক অতিথিদের সামনে ভারতের খাদ্যসংস্কৃতির পূর্ণ বৈচিত্র্য তুলে ধরা উচিত ছিল। অন্যদিকে বিজেপির দাবি, সম্মেলনের অর্জনকে পাশ কাটিয়ে খাবার নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করছে বিরোধীরা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ ১২:১৫
যুক্তরাজ্য থেকে নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ ও সাংবিধানিক পরিবর্তনের দাবিতে একজোট হয়েছে তিন অঞ্চল। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্য থেকে বিচ্ছেদের দাবিতে একজোট স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড, আসছে নতুন ঘোষণা

চীনের হেইলংজিয়াং প্রদেশের হেগাং শহরের একটি হাসপাতালে গর্ভবতী স্ত্রীকে নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন এক স্বামী। ছবি: সংগৃহীত

গর্ভবতী স্ত্রীকে বসাতে মেঝেতেই ‘চেয়ার’ হলেন স্বামী, ভাইরাল সেই মানবিক মুহূর্ত

ভারতের মধ্যপ্রদেশে গরুকে লাথি দেওয়ার অভিযোগে এক মুসলিম বৃদ্ধকে প্রকাশ্যে অপমানের অভিযোগ উঠেছে। ছবি: সংগৃহীত

ভারতে প্রকাশ্যে গরুকে সিজদা দিতে মুসলিম বৃদ্ধকে বাধ্য করল হিন্দু চরমপন্থীরা

0 Comments